কম্পিউটার কোর্স

কম্পিউটার কোর্সঃ কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের বিস্তারিত – পর্ব- ৯

কম্পিউটারের নিজস্ব কোন অস্তিত্ব নেই। কম্পিউটারের সকল পার্টস অর্থ্যাত হার্ডওয়্যার নিয়ে গঠিত হয় কম্পিউটার। কম্পিউটারের পূর্ণরূপ ধারণের জন্য কিছু প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার এর প্রয়োজন হয়। আর এদের একত্রে বলা হয় কম্পিউটার।

আগের পর্বে আমরা জেনেছি সফটওয়্যার কি? কম্পিউটারের সফটওয়্যারের প্রয়োজনীয়তা। আজকে আমরা জানবো হার্ডওয়্যার কি? কম্পিউটারে হার্ডওয়্যারের গ্রুত্বপূর্ণ ভুমিকা।

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

হার্ডওয়্যার কী – বাংলাতে হার্ডওয়্যার কী?

আমরা যে কম্পিউটারের যে অংশগুলি দেখতে এবং স্পর্শ করতে পারি সেগুলিকে হার্ডওয়্যার বলে। এগুলি কম্পিউটারের শারীরিক অংশ। যা দিয়ে আমাদের কম্পিউটারের রূপ দান করি। মানুষের কঙ্গাল ও শরীরের সাথে আপনি এটার তুলনা করতে পারেন।

সফ্টওয়্যার এই হার্ডওয়্যারগুলিতে জীবন দান করে। এবং এটি কাজ করার মত করে গড়ে তোলে। তারপরে আমরা একটি প্রকৃত কম্পিউটার পেয়ে থাকি। আমাদের আত্তা বাহ রূহ ছাড়া যেমন শরীরের কোন কাজ নেই, তেমনি ভাবে সফটওয়্যার ছাড়াও কম্পিউটারে কোন দাম নেই।

হার্ডওয়্যারের উদাহরণ হিসাবে আপনি দেখতে পারেন, মনিটর, র‍্যাম, পাওয়ার সাপ্লায় ইত্যাদি।

কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের প্রকারভেদ

কম্পিউটার হার্ডওয়্যার
কম্পিউটার হার্ডওয়্যার

1. System Unit

সিস্টেম ইউনিট কে আপনি সিপিইউ বলতে পারেন, এটি একটি ছোট্ট বক্স। যেখানে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের আসল নাড়ি ভুড়ি গুলো রাখা থাকে।

এটা হচ্ছে বিদ্যুতিক ডিভাইস, যেখানে থেকেই কম্পিউটারের আসল কাজ গুলো পরিচালিত হয়ে থাকে।

2. Input Devices

ইনপুট ডিভাইস এমন একটি ডিভাইস যা ব্যবহারকারী দ্বারা প্রদত্ত কমান্ড কম্পিউটারে সরবরাহ করে। এটির মাধ্যমেই আপনি কম্পিউটারে আপনার কমান্ড দিয়ে থাকেন। এর পরে কেবল কম্পিউটারটি তার কাজ করে।

কয়েকটি জনপ্রিয় ইনপুট ডিভাইস:

  • কীবোর্ড
  • মাউস
  • স্ক্যানার
  • টাচস্ক্রিন

3. Output Devices

আউটপুট ডিভাইস হচ্ছে যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার আমাদের তার তথ্য গুলো দিয়ে থাকে। যেমন ধরুন মনিটর, আপনি যা করেন না কেন মনিটরে যদি কম্পিউটার কিছু না দেয় তাহলে আপনি কিছু পাবেন না। মানে রেজাল্ট হচ্ছে ০। আউটপুট ডিভাইস হচ্ছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কেননা এই অংশ টি মানুষ বুঝতে পারে এমন তথ্য সরবারহ করে থাকে।

4. Internal Parts

কম্পিউটারের যে অংশগুলি সিস্টেম ইউনিটের মধ্যে অবস্থিত তাদের internal parts বলা হয়। আপনি তাদের বাইরে দেখতে পারবেন না। এইগুলো কম্পিউটার কেসিং এর মাঝে রাখা হয়।

কম্পিউটার হার্ডওয়্যার
কম্পিউটার হার্ডওয়্যার

5. Communication Devices

এই ডিভাইসগুলিতে, আমরা এমন ডিভাইসগুলি রাখি যা একটি কম্পিউটারকে অন্য কম্পিউটারে যোগাযোগের জন্য সক্ষম করে তোলে। এই বিভাগে সর্বাধিক জনপ্রিয় সরঞ্জামটি হল  মডেম ।

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

হার্ডওয়্যার এবং সফ্টওয়্যার মধ্যে সম্পর্ক

  • হার্ডওয়্যার একটি কম্পিউটারের দেহ, তারপরে সফ্টওয়্যার এর আত্মা।
  • উভয় একে অপর ছাড়া অসম্পূর্ণ।
  • হার্ডওয়্যার ব্যতীত সফ্টওয়্যার তার কাজ করতে পারে না এবং সফ্টওয়্যার ছাড়াই হার্ডওয়্যার ব্যবহারের অযোগ্য।
  • কম্পিউটার দ্বারা কাজটি পেতে, হার্ডওয়্যারে সঠিক সফ্টওয়্যার ইনস্টল করতে হবে।
  • সফ্টওয়্যার হ’ল আপনার ব্যবহারকারী এবং হার্ডওয়্যারের মধ্যে সংযোগ।

হার্ডওয়্যার আপগ্রেড

আপনি যে কোনও কম্পিউটার ডিভাইসটিকে হার্ডওয়্যারে আপগ্রেড করতে পারেন। এবং আপনি আপনার কম্পিউটার এবং সেই নির্দিষ্ট ডিভাইসের সক্ষমতা, বৈশিষ্ট্য, গতি বৃদ্ধি করতে পারেন।

যেমন ধরুণ আপনার কম্পিউটারে ২ জিবি র‍্যাম রয়েছে, এখন আপনি এখানে আরো ২ জিবি র‍্যাম লাগিয়ে ৪ জিবি র‍্যাম বানালেন। এটাই হচ্ছে হার্ডওয়্যার আপগ্রেড।

কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তার কাজ সম্পন্ন করে থাকে। এই পর্বে আমরা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার নিয়ে ভাল্ভাবে জেনেছি।  যে কোন ধরণের হেল্পের জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। আমাদের গ্রুপের লিংক

কম্পিউটিং

কিছু প্রয়োজনীয় Computer Shortcut Key। যা আপনার কাজে লাগতে পারে।

আপনি যদি একজন কম্পিউটার ইউজার হয়ে থাকেন, তবে কম্পিউটার চালানোর সময় আপনাকে অনেক Shortcut Key ব্যবহার করতে হয়। সব থেকে বড় কথা Computer Shortcut Key একজন ব্যবহারকারীকে ব্যবহার করা লাগবেই। এর সব থেকে বড় কারণ Computer Shortcut Key আপনার কম্পিউটারে কাজের সময় আরো কমিয়ে দেয় ও কাজ কে অনেক দ্রুত করে তোলে। একেক অপারেটিং সিস্টেমের জন্য একেক রকম Shortcut Key থাকে, কিন্তু সকল অপারেটিং সিস্টেমের shortcut key সাধারণত প্রায় একই হয়ে থাকে। এছাড়াও বিভিন্ন সফটওয়্যারের জন্য Shortcut Key থাকে, যা দিয়ে আপনি ওই সব সফটওয়্যার গুলো সহজে ব্যবহার করতে পারেন।

নিচে কিছু সফটওয়্যারের Shortcut Key দেওয়া হলোঃ

 

List of basic computer shortcut key:

basic shortcut of computer
basic shortcut of computer
  • Alt + F–File menu options in the current program.
  • Alt + E–Edits options in the current program.
  • Ctrl + (Left arrow) — Move one word to the left at a time.
  • Ctrl + (Right arrow) — Move one word to the right at a time.
  • F1–Universal help (for any sort of program).
  • Ctrl + A–Selects all text.
  • Shift + Home — Highlight from the current position to beginning of the line.
  • Shift + End — Highlight from the current position to end of the line.
  • Ctrl + X–Cuts the selected item.
  • Ctrl + Del–Cut selected item.
  • End — Go to the end of the current line.
  • Ctrl + End — Go to the end of a document.
  • Ctrl + C–Copy the selected item.
  • Ctrl + V–Paste the selected item.
  • Shift + Ins — Paste the selected item.
  • Ctrl + Ins– Copy the selected item.
  • Home — Takes the user to the beginning of the current line.
  • Ctrl + Home–Go to the beginning of the document.

Microsoft Word shortcut keys

  • Ctrl + A — Select all contents of the page.
  • Ctrl + B — Bold highlighted selection.
  • Ctrl + C — Copy selected text.
  • Ctrl + D — Font options.
  • Ctrl + E — Align selected text or line to the center.
  • Ctrl + F — Open find box.
  • Ctrl + I — Italicise highlighted selection.
  • Ctrl + G — Find and replace options.
  • Ctrl + K — Insert link.
  • Ctrl + X — Cut selected text.
  • Ctrl + N — Open new/blank document.
  • Ctrl + O — Open options.
  • Ctrl + P — Open the print window.
  • Ctrl + U — Underline highlighted selection.
  • Ctrl + V — Paste.
  • Ctrl + R — Align selected text or line to the right.
  • Ctrl + M — Indent the paragraph.
  • Ctrl + T — Hanging indent.
  • Ctrl + Y — Redo the last action performed.
  • Ctrl + Z — Undo last action.
  • Ctrl + H — Find and replace options.
  • Ctrl + J — Justify paragraph alignment.
  • Ctrl + L — Align selected text or line to the left.
  • Ctrl + Q — Align selected paragraph to the left.
  • F1 — Open Help.
  • Shift + F3 — Change case of selected text.
  • Shift + Insert — Paste.
  • F4 — Repeat the last action performed (Word 2000+).
  • F7 — Spell check selected text and/or document.
  • Shift + F7 — Activate the thesaurus..
  • Alt + Shift + D — Insert the current date.
  • Alt + Shift + T — Insert the current time.
  • Ctrl + W — Close document.
  • F12 — Save as.
  • Ctrl + S — Save.
  • Shift + F12 — Save
  • Ctrl + Shift + F — Change the font.
  • Ctrl + Shift + > — Increase selected font +1.
  • Ctrl + ] — Increase selected font +1.
  • Ctrl + [ — Decrease selected font -1.
  • Ctrl + Shift + * — View or hide non printing characters.
  • Ctrl + (Left arrow) — Move one word to the left.
  • Ctrl + (Right arrow) — Move one word to the right.
  • Ctrl + (Up arrow) — Move to the beginning of the line or paragraph.
  • Ctrl + (Down arrow) — Move to the end of the paragraph.
  • Ctrl + Del — Delete the word to the right of the cursor.
  • Ctrl + Backspace — Delete the word to the left of the cursor.
  • Ctrl + End — Move the cursor to end of the document.
  • Ctrl + Home — Move the cursor to the beginning of the document.
  • Ctrl + Space — Reset highlighted text to default font.
  • Ctrl + 1 — Single-space lines.
  • Ctrl + 2 — Double-space lines.
  • Ctrl + Alt + 1 Change text to heading 1.
  • Ctrl + Alt + 2 Change text to heading 2.
  • Ctrl + Alt + 3 Change text to heading 3.

Microsoft Windows shortcut keys list

  • Alt + Tab — Switch between open applications.
  • Alt + Shift + Tab — Switch backwards between open applications.
  • Alt + Print Screen — Create screenshot for the current program.
  • F2 — Rename selected icon.
  • F3 — Start find from the desktop.
  • F4 — Open the drive selection when browsing.
  • F5 — Refresh contents.
  • Alt + F4 — Close current open program.
  • Shift + F10 — Simulate right-click on selected item.
  • Shift + Del — Delete programs/files permanently.
  • Holding Shift During Boot up — Boot safe mode or bypass system files.
  • Holding Shift During Boot up — When putting in an audio CD, will prevent CD Player from playing.
  • Ctrl + F4 — Close window in program.
  • Ctrl + Plus Key– Automatically adjust widths of all columns in Windows Explorer.
  • Alt + Enter — Open the properties window of selected icon or program.
  • Ctrl + Alt + Del — Reboot/Windows task manager.
  • Ctrl + Esc — Bring up the start menu.
  • Alt + Esc — Switch between applications on the taskbar.

WINKEY shortcuts:

  • WINKEY + D — Bring desktop to the top of other windows.
  • WINKEY + M — Minimize all windows.
  • WINKEY + SHIFT + M — Undo the minimize done by WINKEY + M and WINKEY + D.
  • WINKEY + E — Open Microsoft Explorer.
  • WINKEY + F1 — Display the Microsoft Windows help.
  • WINKEY + R — Open the run window.
  • WINKEY + Pause /Break — Open the system properties window.
  • WINKEY + U — Open utility manager.
  • WINKEY + L — Lock the computer (Windows XP & later).
  • WINKEY + Tab — Cycle through open programs on the taskbar.
  • WINKEY + F — Display the Windows Search/Find feature.
  • WINKEY + CTRL + F — Display the search for computers window.

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

Outlook shortcut keys

  • Alt + S — Send the email.
  • Ctrl + C — Copy selected text.
  • Ctrl + X — Cut selected text.
  • Ctrl + P — Open print dialog box.
  • Ctrl + Shift + I — Open the inbox.
  • Ctrl + Shift + K — Add a new task.
  • Ctrl + Shift + C — Create a new contact.
  • Ctrl + Shift+ J — Create a new journal entry.
  • Ctrl + R — Reply to an email.
  • Ctrl + F — Forward an email.
  • Ctrl + N — Create a new email.
  • Ctrl + Shift + A — Create a new appointment to your calendar.
  • Ctrl + Shift + O — Open the outbox.
  • Ctrl + K — Complete name/email typed in address bar.
  • Ctrl + B — Bold highlighted selection.
  • Ctrl + I — Italicize highlighted selection.
  • Ctrl + U — Underline highlighted selection.

Excel shortcut keys

  • F2 — Edit the selected cell.
  • F5 — Go to a specific cell.
  • F7 — Spell check selected text and/or document.
  • F11 — Create chart
  • Ctrl + Shift + ; — Enter the current time.
  • Ctrl + ; — Enter the current date
  • Alt + Shift + F1 — Insert new worksheet.
  • Shift + F3 — Open the Excel formula window.
  • Shift + F5 — Bring up the search box
  • Ctrl + A — Select all contents of a worksheet.
  • Ctrl + B — Bold highlighted selection.
  • Ctrl + I — Italicize highlighted selection.
  • Ctrl + C — Copy selected text.
  • Ctrl + V — Paste
  • Ctrl + D — Fill
  • Ctrl + K — Insert link
  • Ctrl + F — Open find and replace options.
  • Ctrl + G — Open go-to options.
  • Ctrl + H — Open find and replace options.
  • Ctrl + U — Underline highlighted selection.
  • Ctrl + Y — Underline selected text.
  • Ctrl + 5 — Strikethrough highlighted selection.
  • Ctrl + O — Open options.
  • Ctrl + N — Open new document.
  • Ctrl + P — Open print dialog box.
  • Ctrl + S — Save.
  • Ctrl + Z — Undo last action.
  • Ctrl + Space — Select entire column.
  • Shift + Space — Select entire row.
  • Ctrl + W — Close document.
  • Ctrl + Shift + ! — Format number in comma format.
  • Ctrl + Shift + $ — Format number in currency format.
  • Ctrl + Shift + # — Format number in date format.
  • Ctrl + Shift + % — Format number in percentage format.
  • Ctrl + Shift + ^ — Format number in scientific format.
  • Ctrl + Shift + @ — Format number in time format.
  • Ctrl + (Right arrow) — Move to next section of text.
  • Ctrl + Page up & Page Down — Move between Excel worksheets in the same document.
  • Ctrl + Tab — Move between two or more open Excel files
  • Alt + = — Create the formula to sum all of the above cells.
  • Ctrl + — Insert the value of above cell into the current cell.
  • Ctrl + F9 — Minimize current window.
  • Ctrl + F10 — Maximize currently selected window.
  • Ctrl + F6 — Switch between open workbooks/windows.
কম্পিউটার কোর্স

কম্পিউটার সফটওয়্যার কি । কম্পিউটার কোর্স । টেকহিলস

আপনি এই আর্টিকেলের পর্বটি নিশ্চয় কোন সফটওয়্যারে পড়ছেন। । হ্যাঁ, আপনি ঠিক এটি একটি সফ্টওয়্যারে পড়েন। যার নাম ওয়েব ব্রাউজার ।
আসলে, কম্পিউটার তার কাজ একা করতে পারে না। কম্পিউটার এর কাজ করতে কিছু ডিভাইস ও প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার প্রয়োজন। এই ডিভাইস এবং প্রোগ্রামগুলি কম্পিউটারকে আসল কম্পিউটারের রূপ দান করে।

কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

কম্পিউটার সফটওয়্যার কি
কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

সফ্টওয়্যার হলো প্রোগ্রাম এর একটি সেট যা একটি কম্পিউটারকে একটি নির্দিষ্ট কাজ শেষ করার জন্য নির্দেশ দেয়। এটি ব্যবহারকারীকে কম্পিউটারে কাজ করার ক্ষমতা দেয়। আসলে আপনি চিন্তা করলে দেখবেন, সফটওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার পুরো অচল।
আপনি নিজের চোখ দিয়ে সফ্টওয়্যারটি দেখতে পাচ্ছেন না। কিংবা হাত দিয়ে ছোঁয়াও যায় না। কারণ এর কোন শারীরিক অস্তিত্ব নেই। এটি ভার্চুয়াল অবজেক্ট যা কেবল বোঝা যায়।
আপনার কম্পিউটারে যদি সফ্টওয়্যার না থাকে তবে আপনার কম্পিউটারটি মৃত প্রাণীর মতো হবে। বলতে পারেন লোহা লক্কর যুক্ত একটা বক্স বা নেটওয়ার্ক ছাড়া সিম।
আপনার কম্পিউটারে ব্রাউজার না থাকলে আপনি এই আর্টিকেল টি পড়তে পারতেন না। এগুলি ছাড়াও, এমএস অফিস , ফটোশপ, অ্যাডোব রিডার, পিকাসা সমস্ত সফ্টওয়্যার যা আপনি কম্পিউটারে ব্যবহার করে থাকেন।

বিভিন্ন ধরণের কম্পিউটার সফটওয়্যার – Type Of Computer Software

আমরা বিভিন্ন কাজে কম্পিউটার ব্যবহার করি এবং কম্পিউটারের সমস্ত কাজ কেবলমাত্র একটি সফটওয়্যারের সাহায্যে করা যায় না।
তাই কাজের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন সফটওয়্যার তৈরি করা হয়। জানার সুবিধার্থে দুটি প্রধান শ্রেণীর সফ্টওয়্যার তৈরি করা হয়েছে।

  1. System Software

  2. Application Software

সিস্টেম সফ্টওয়্যারঅ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ

1. সিস্টেম সফ্টওয়্যার

সিস্টেম সফ্টওয়্যার হলো সফ্টওয়্যার যা হার্ডওয়্যার পরিচালনা করে এবং নিয়ন্ত্রণ করে এবং হার্ডওয়্যার এবং সফ্টওয়্যার এর মধ্যে একটি কলাব্রেশন করে দেয়। অনেক ধরণের সিস্টেম সফটওয়্যার রয়েছে।

1.1 অপারেটিং সিস্টেম

অপারেটিং সিস্টেমটি এমন একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার যা অন্যান্য কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার গুলোকে পরিচালনা করে। অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারী এবং কম্পিউটারের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে কাজ করে। এটি কম্পিউটারে আমাদের নির্দেশাবলী ব্যাখ্যা করে।

1.2 ইউটিলিটিস

ইউটিলিটিগুলি পরিষেবা প্রোগ্রাম হিসাবেও পরিচিত। এই কম্পিউটারগুলি রিসোর্সগুলি পরিচালনা ও সুরক্ষার কাজটি করে থাকে। তবে এগুলি সরাসরি হার্ডওয়্যারের সাথে সংযুক্ত নয়। যেমন, ডিস্ক Defragmenter, অ্যান্টি ভাইরাস প্রোগ্রাম ইত্যাদি ইউটিলিটি প্রোগ্রাম।

1.3 ডিভাইস ড্রাইভার

ড্রাইভার একটি বিশেষ প্রোগ্রাম যা ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইসগুলিকে একটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করে যাতে এটি একটি কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। যেমন, অডিও ড্রাইভার, গ্রাফিক ড্রাইভার, মাদারবোর্ড ড্রাইভ ইত্যাদি

2. অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারটি এন্ড ইউজার সফটওয়্যার বলা যেতে পারে, কারণ এটি সরাসরি ব্যবহারকারীর সাথে সম্পর্কিত। একে ‘অ্যাপস’ নামেও অভিহিত করা হয়। অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীদের যে কোনও নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের স্বাধীনতা দেয়। অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের অনেক ধরণের রয়েছে।

2.1 বেসিক অ্যাপ্লিকেশন

বেসিক অ্যাপ্লিকেশনগুলিকে সাধারণ উদ্দেশ্য সফ্টওয়্যারও বলা হয়। এগুলি সাধারণ ব্যবহার সফ্টওয়্যার। আমরা এগুলিকে দৈনন্দিন কাজের জন্য ব্যবহার করি।

যে কোনও কম্পিউটার ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে কাজ করার জন্য বেসিক অ্যাপ্লিকেশনটি অবশ্যই ব্যবহার করা উচিত। কিছু সাধারণ উদ্দেশ্য সফ্টওয়্যার এর নাম নীচে দেওয়া হল।

ওয়ার্ড প্রসেসিং, প্রোগ্রামমাল্টিমিডিয়া, প্রোগ্রামডিটিপি, প্রোগ্রামসমূহস্প্রেডশিট, প্রোগ্রামউপস্থাপনা প্রোগ্রামগ্রাফিক্স অ্যাপ্লিকেশনওয়েব ডিজাইন অ্যাপ্লিকেশন

আরো পড়ুনঃ  কম্পিউটারের প্রধান অংশগুলি | Main Parts of computer in bangla

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিন শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ 

  •  

২.২ বিশেষায়িত অ্যাপ্লিকেশন

বিশেষায়িত অ্যাপ্লিকেশনকে বিশেষ উদ্দেশ্য সফ্টওয়্যারও বলা হয়। এই সফ্টওয়্যার একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়। এটি মূলত একটি নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। কিছু নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে তৈরি প্রোগ্রামগুলির নাম নীচে দেওয়া হল।

অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার, বিলিং সফটওয়্যার, কার্ড জেনারেটর।

কীভাবে সফটওয়্যার বানাবেন?

কম্পিউটার সফটওয়্যার তৈরি করা কিছুটা কঠিন। কারণ এই কাজটি করার জন্য আপনার কাছে প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামিং ভাষাগুলি এবং প্রচুর ধৈর্য সম্পর্কে ভাল জ্ঞান থাকতে হবে। তবেই আপনি পেশাদার সফটওয়্যার ডেভেলপার হতে পারেন।

সফটওয়্যার তৈরি করতে কয়েক ডজন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ তৈরি করা হয়েছে। যার মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন প্রয়োজনে সফটওয়্যার তৈরি করতে পারেন।

আপনি সমস্ত ভাষায় বিশেষজ্ঞ হতে পারবেন না। অসম্ভব নয় আপনি শিখতে পারেন তবে নতুনদের জন্য আপনি জাভা, সি, সি ++ বেসিক ভাষা শিখতে এটি করতে পারেন। এবং কম্পিউটার কোডিংয়ে আপনার হাতটি ব্যবহার করে দেখুন।

তুমি কী শিখলে

এই পর্বে আমরা আপনাকে জিজ্ঞাসা করেছি সফ্টওয়্যার কী? বিভিন্ন ধরণের কম্পিউটার সফটওয়্যার এবং তাদের নাম ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

Udemy কোর্স

Start Kali Linux, Ethical Hacking and Penetration Testing!

Udemy এই কোর্স টি আপনি পাচ্ছেন একদম ফ্রিতে। কিন্তু এর জন্য আপনাকে একটি Udemy একাউন্ট খোলা লাগবে। কেননা আপনাকে Udemy কোর্স টি কুপন সহ দিব। কুপনের জন্য আপনি ফ্রিতেই আপনার Udemy একাউন্টে এই কোর্স টি ENROLL করতে পারবেন। আপনাকে কোন ডাউনলোড এর ঝামেলাই যাবার দরকার নেই। তাছাড়া আপনি যে কোর্স টি পড়ছেন সেটা পুরো লিগ্যাল ভাবে। তাই কোর্স শেষে Udemy থেকে আপনি একটি সার্টিফিকেট সহ পাবেন। এছাড়াও আপনি যদি আরো কোর্স ডাউনলোড করতে চান তবে আমাদের ফেসবুক গ্রুপ  অথবা টেলিগাম চ্যানেলে জয়েন করুন। 

কুপন কাজ করে কি না তা কমেন্ট বক্সে জানাবেন।

Course Title:

Start Kali Linux, Ethical Hacking and Penetration Testing!

DES: Learn the basics of ethical hacking, penetration testing, web testing and wifi hacking in kali linux!

Enroll: 185,272 students 

LINK:  এখানে চাপুন

Internet Offer

GP Internet Offer 2020 | New Update

GP internet offer 2020 ekhane deuya ase. Amra regular update kore thaki GP internet offer. apni niscinte bebohar korte paren 2020 GP internet offer.

grameenphone hosse Bangladesh er sob theke boro mobile operator. Bangladesh e grameenphone er 74 millon grahok ase. etar head office hosse bosundhora, Dhaka. eti bangladesh e chalu hoi 1997. gp proti bosor 12 billion TK income kore thake.

apni ki gp internet offer 2020 er jonno ekhane esecen? Tahole apni sothik jaiga te esecen. apni jodi gp internet offer gulo kom mulle pete can tahole amader site ti subscribe kre rakhun.

আমরা আপনাদের জন্য GP internet offers এর একটি লিস্ট বানিয়েছি। যেখানে পোস্টপেইড ও প্রিপেইড সকল Internet offer গুলো লিস্ট করা রয়েছে।

Data Volume Price Activation Code Validity
5MB 2.62 *121*3002# 3
350MB 33 *121*3083# 3
115MB 58 *121*3005# 30
85MB 28 *121*3004# 7
555MB 149 *121*3007# 28
1538MB 239 *121*3027# 30
2GB 54 *121*3242# 3 (72 hours)
1GB 89 *121*3056# 7
3GB + Free 3GB 108 *121*3344# 7
6GB 148 *121*3262# 7
10GB + 10GB Free 198 *121*3133# 7
1GB 189 *121*3390# 30
3GB 289 *121*3391# 30
5GB 399 *121*3392# 30
15GB 649 *121*3393# 30
20GB (4G) 499 *121*3435# 30
30GB 998 *121*3394# 30
50GB (4G) 999 *121*3436# 30
100GB (4G) 1499 *121*3437# 30
Whatapp pack 26MB 2.61 *121*3063# 3
Viber pack 26 MB 2.61 *121*3070# 3
Facebook 1.57 *121*3022# 3
Emergency data loan (12MB) 5 *121*3021# 3
Facebook 19 *121*3024# 28
Facebook 6.28 *121*3023# 7

GP internet offer 2020

gp internet offer 2020
gp internet offer 2020

protidin amra nijeder jonno gp er bivinno internet offer khuje thaki. sei jonno amra apnar jonno full gp internet offer er ekta list baniyechi. apni ekhane sokol internet offer gulo paben.

GP 85 MB Offer:

gp 85 mb internet offer ti jodi apnar dorkar hoye thake tobe nite paren. etar jonno apnar khoroc hbe 28 tk. jetar  meyad paben 7 din. To activate the offer Dial * 121 * 3004 #.

GP 115 MB Tk.58 Offer | Gp internet offer 2020:

115 mb paben matro 58 tk te. gp internet offer 2020 e darun sujog. etar jonno apnake dial krte hobe * 121 * 3005 #. jar meyad 30 din.

GP 200 MB 4 Tk Offer | Gp internet offer 2020

ei offer ti pete apnake Mygp app install korte hobe. Install er pore apni jokhon hotdeal er vetor jaben tokhon 200 mb 4 tk offer ti apni dekhte parben. eti kenar jonno apnar balance 5 tk thaka lagbe. offer tir meyad only 3 days.

Gp 1 GB 21 Tk Offer | Gp New internet Offer 2020

Gp new internet offer 2020 ti pete *121*5166# code ti dial korun. Ei code diye apni offer to paben kina seta check korun. apni jodi offer ti peye thaken tobe, 21 tk recharge korun. Balance check korar jonno Dial korun *121*1*4#.

GP 1000 MB 17 TK offer | Gp app Internet offer 2020

Ei offer ti pete apnake gp app download kora lagbe. apni jodi gp app use koren tobe only 17 Tk diye gp internet offer ti pete paren. Ei offer tir meyad 3 din. Gp Internet Offer Ti te apni paben 500 MB regular Data And 500 Mb 4G Data.

 

 

Uncategorized

কম্পিউটারের প্রধান অংশগুলি | Main Parts of computer in bangla

আপনি যদি Computer এর সাথে কিছুটা পরিচিত হন তবে আপনি জানতে পারবেন Computer কোনও একক অংশ বা Device নয়। বরং কম্পিউটার এমন একটি System যেখানে বিভিন্ন ডিভাইস (যন্ত্রাংশ) সম্মিলিতভাবে এক সাথে কাজ করে।

Main Parts of computer in bangla

কম্পিউটারের যে অংশগুলি দেখা ও স্পর্শ করা যায় তাদের  হার্ডওয়্যার বলে । এবং অন্যদিকে, কম্পিউটারের যে অংশগুলি দেখা যায় না এবং ছোঁয়া যায় না এবং এগুলি নির্দেশাবলী বা প্রোগ্রাম যা হার্ডওয়্যারকে কী করতে হবে তা বলে , তাদের বলা হয় সফটওয়্যার ।

এই পর্বে আমরা কম্পিউটারের কয়েকটি প্রধান অংশ জানব। কম্পিউটার এই অংশগুলি নিয়ে গঠিত। কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ বিভিন্ন বিভাগে বিভক্ত।

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

আসুন এখন কম্পিউটার পার্টসের প্রতিটি বিভাগ সম্পর্কে আমাদের জানা যাক।

1. কম্পিউটার কেস | Main Parts of computer in bangla

Computer Parts এর জন্য Computer Case নিজস্ব জায়গা রয়েছে। এটি এক ধরণের ধারক, যা কম্পিউটারের অনেকগুলি বৈদ্যুতিন ডিভাইস দিয়ে সজ্জিত, যা কম্পিউটার তৈরি করে। সমস্ত কম্পিউটারের একটি System Unit রয়েছে। এটির আকারটি একটি ছোট বাক্সের মতো। এটি প্রধানত নিম্নলিখিত বৈদ্যুতিন ডিভাইস নিয়ে গঠিত।

  1. মাদারবোর্ড
  2. সিপিইউ
  3. স্মৃতি
  4. বিদ্যুৎ সরবরাহ ইউনিট

2. ইনপুট ডিভাইস | Main Parts of computer in bangla

কম্পিউটারের অংশগুলির সাহায্যে সরঞ্জামগুলি যা আমরা একটি কম্পিউটারে নির্দেশনা বা ডেটা সরবরাহ করি তা একটি ডিভাইস ইনপুট ডিভাইস । এগুলির অনেক প্রকার রয়েছে।

  1. মাউস
  2. কীবোর্ড
  3. স্ক্যানার
  4. জয় লাঠি
  5. টাচ স্ক্রিন
  6. ওয়েবক্যাম
  7. ডিজিটাল ক্যামেরা

3. আউটপুট ডিভাইস | Main Parts of computer in bangla

ইনপুট ডিভাইসের সাহায্যে কম্পিউটারে যে নির্দেশাবলী বা ডেটা প্রেরণ করা হয়, কম্পিউটার সেই নির্দেশাবলী প্রক্রিয়া করে এবং ব্যবহারকারী দ্বারা পছন্দসই ফলাফল দেয়। এই ফলাফলটি কম্পিউটারের যন্ত্রগুলির দ্বারা দেখা যায় যা ব্যবহারকারীর দ্বারা দেখা, শোনা বা পড়ে। এই ডিভাইসগুলি আউটপুট ডিভাইস । এগুলির অনেক প্রকার রয়েছে।

  1. মনিটর
  2. বক্তা
  3. মুদ্রাকর

4. স্টোরেজ ডিভাইস | Main Parts of computer in bangla

কম্পিউটার যন্ত্রাংশের স্টোরেজ ডিভাইসগুলি সাধারণ ভাষায় মেমরি হিসাবে পরিচিত। কম্পিউটার অংশগুলির এই ডিভাইসগুলি আমাদের নির্দেশাবলী, ডেটা এবং তথ্য সঞ্চয় করতে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করে। সংগ্রহস্থল ডিভাইস মূলত নীচে রয়েছে।

  1. হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
  2. ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ
  3. সিডি বা ডিভিডি ড্রাইভ

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিন শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

তুমি কী শিখলে?

এই পর্বে আমরা কম্পিউটার বিভাগের বিভিন্ন parts সম্পর্কে শিখেছি। কম্পিউটার যন্ত্রাংশে আমরা ইনপুট ডিভাইস, আউটপুট ডিভাইস, স্টোরেজ ডিভাইস ইত্যাদি সম্পর্কেও শিখেছি। আমরা আশা করি আপনার কম্পিউটার শিক্ষা আরো বেশি সুন্দর হচ্ছে।  যে কোন ধরণের হেল্পের জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। আমাদের গ্রুপের লিংক

কম্পিউটার কোর্স

কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations of Computer in Bangla?

Generations of Computer in Bangla
Generations of Computer in Bangla

কম্পিউটারটি জন্মের পর থেকেই বিকাশ লাভ করে। এই সময়ের মধ্যে, কম্পিউটারটি ভ্যাকুয়াম টিউব থেকে নিকলার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় পৌঁছেছে। ও ঘর ছেড়ে ঘরে বসে আছে। তিনি গত 70-80 বছরে এই বৃদ্ধি অর্জন করেছেন। Generations of Computer in Bangla

কম্পিউটারের এই বিকাশের সময়টিকে কম্পিউটার জেনারেশন বলা হয়। হিসাবে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং সফ্টওয়্যার মধ্যে রদবদল করা হয়েছে। তদনুসারে, কম্পিউটার জেনারেশনগুলি নির্ধারিত ছিল। এখনও পর্যন্ত, কম্পিউটারের 5 প্রজন্ম নির্ধারিত হয়েছে।

এই পর্বে, আমরা আপনাকে কম্পিউটার জেনারেশন সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দেব। এবং একসাথে, প্রতিটি প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য এবং কয়েকটি কম্পিউটারের নামও জানানো হবে।

 

কম্পিউটারের প্রথম জেনারেশন | Generations of Computer in Bangla

কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্মের সূচনা 1946 সাল থেকে বিবেচনা করা হয়। কারণ এই সময়ে দুটি দুর্দান্ত ব্যক্তি জেপি একার্ট এবং জেডাব্লু মাউচি ভ্যাকুয়াম টিউবগুলির উপর ভিত্তি করে প্রথম বৈদ্যুতিন ডিভাইস তৈরি করেছিলেন। 1903 সালে জন অ্যামব্রোজ ফ্লেমিংয়ের মাধ্যমে ভ্যাকুয়াম টিউব উদ্ভাবিত হয়েছিল । এই ভ্যাকুয়াম টিউবটি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারগুলিতে ব্যবহৃত হত।

পাঞ্চ কার্ড, কাগজ ট্যাপ এবং চৌম্বকীয় ট্যাপ ইনপুট ডিভাইস এবং আউটপুট ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হত । প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারগুলিতে মেশিনের ভাষা প্রোগ্রামিং ভাষা হিসাবে ব্যবহৃত হত। এবং চৌম্বকীয় ড্রামগুলি মেমোরির জন্য ব্যবহৃত হত।

প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার বৈশিষ্ট্য

  • ভ্যাকুয়াম নল উপর ভিত্তি করে
  • স্টোরেজ জন্য চৌম্বকীয় ড্রামের ব্যবহার
  • ইনপুট এবং আউটপুট জন্য পাঞ্চ কার্ড ব্যবহার
  • আকার খুব বড় এবং ওজন খুব বেশি হতো
  • যন্ত্রের ভাষা ব্যবহার
  • খুব ব্যয়বহুল এবং নির্ভরযোগ্য নয়
  • অবিচ্ছিন্ন রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন

প্রথম প্রজন্মের কয়েকটি কম্পিউটারের নাম

  1. ENIAC – বৈদ্যুতিন সংখ্যার সমন্বিত এবং ক্যালকুলেটর
  2. EDVAC
  3. UNIVAC
  4. আইবিএম-701
  5. আইবিএম-650

কম্পিউটারের দ্বিতীয় জেনারেশন | Generations of Computer in Bangla

কম্পিউটারের দ্বিতীয় প্রজন্মের সময়কাল 1956-63 হিসাবে বিবেচিত হয়েছে। এই প্রজন্মের কম্পিউটারে ভ্যাকুয়াম টিউবগুলির জায়গায় ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হত। ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেছিলেন উইলিয়াম শকলি ১৯৪ in সালে ।

দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলির বৈশিষ্ট্য

  • ট্রানজিস্টরের উপর ভিত্তি করে
  • মেমোরির জন্য ম্যাগনেট কোর ব্যবহার হয়
  • ফরটন, কোবল ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে
  • আকার বড় এবং ওজন বেশি
  • শীতল করার জন্য এসি দরকার
  • প্রক্রিয়াকরণ গতি বৃদ্ধি
  • প্রথম প্রজন্মের চেয়ে কম শক্তি প্রয়োজন

দ্বিতীয় প্রজন্মের কয়েকটি কম্পিউটারের নাম

  1. হানিওয়েল 400
  2. আইবিএম 7094
  3. সিডিসি 1604
  4. সিডিসি 3000 সিরিজ
  5. UNIVAC 1108
  6. আইবিএম 1400 সিরিজ
  7. মার্ক 3

কম্পিউটারের তৃতীয় জেনারেশন | Generations of Computer in Bangla

কম্পিউটার এর তৃতীয় প্রজন্মের সময়কাল 1964-71 হিসাবে বিবেচিত হয়। এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলি আইসি-ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের ভিত্তিতে ছিল। আইসি আবিষ্কার করেছিলেন একজন প্রকৌশলী, জ্যাক কিল্বি । একটি একক আইসিতে প্রচুর ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটার রয়েছে।

আইসি আবিষ্কার কম্পিউটারের আকারকে ব্যাপকভাবে হ্রাস করে। এখন সেগুলি সহজেই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায়। এবং মাল্টি-প্রোগ্রামিং ওএস এবং উচ্চ-স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যবহার আরও উন্নত হয়েছে।

তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার বৈশিষ্ট্য

  • আইসি উপর ভিত্তি করে
  • আকারে ছোট এবং কম ওজন
  • আরও নির্ভরযোগ্য এবং ব্যয়বহুল
  • রক্ষণাবেক্ষণের অভাব
  • বেসিক, কবল, ফরটন, পাস্কাল, অ্যালজিএল ব্যবহার করুন
  • এসি কম শক্তি খরচ প্রয়োজন
  • মাউস এবং কিবোর্ড ব্যবহার
  • অন্যান্য প্রজন্মের চেয়ে দ্রুত কাজ করতে পারে
  • সাধারণ উদ্দেশ্য জন্য ব্যবহার সম্ভব হয়েছে
  • কার্যনির্বাহী ক্ষমতা বৃদ্ধি

তৃতীয় প্রজন্মের কয়েকটি কম্পিউটারের নাম

  1. পিডিপি-8
  2. পিডিপি -11
  3. ICL 2900
  4. আইবিএম 360 সিরিজ
  5. হানিওয়েল 6000 সিরিজ
  6. TDC-B16

কম্পিউটারের চতুর্থ জেনারেশন | Generations of Computer in Bangla

কম্পিউটারের চতুর্থ প্রজন্মের সূচনাটি ১৯৭১ সাল থেকে বিবেচনা করা হচ্ছে। এবং 1980 সাল পর্যন্ত সময়টি চতুর্থ প্রজন্মের জন্য বিবেচনা করা হয়। এই সময়ে, আইসি আরও বিকাশ করা হয়েছিল। এই সময় আইসিগুলিতে প্রায় 5000 টি ট্রানজিস্টর থাকতে পারে। এবং এর নির্বাহী ক্ষমতা 3,00,00 ট্রানজিস্টরের সমান।

এই আইসিগুলিকে ভিএলএসআই বলা হত – VLSI – Very Large Scale Integrated Circuit । এই প্রযুক্তিটি মাইক্রো কম্পিউটারের – Microcomputer  ভিত্তি পড়েছিল কারণ Micro Processors এই সময়ে ব্যবহৃত হত। এবার কম্পিউটার বিপ্লব এনেছিল এবং কম্পিউটারটি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছেছিল।

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলি মাইক্রোপ্রসেসরে চলে। এবং এই সময়ে GUI- গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস বিকাশ করেছে। এবং উইন্ডোজ, ম্যাক ওএস তৈরি হয়েছিল। একই সাথে মাইক্রোসফ্ট এবং অ্যাপলের মতো সংস্থাগুলি শুরু হয়েছিল। এবং আজ তারা উপস্থিত।

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলির বৈশিষ্ট্য

  • ভিএলএসআই ভিত্তিক মাইক্রোপ্রসেসার্স ভিত্তিক
  • GEU ভিত্তিক ওএসের ব্যবহার
  • আরও দ্রুত, নির্ভরযোগ্য
  • আকারে খুব ছোট এবং হালকা
  • ইন্টারনেটের ব্যবহার
  • সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যান
  • কোনও এসির ফ্যান ব্যবহারের প্রয়োজন নেই
  • সি, সি ++, নেট। এর মতো ভাষার ব্যবহার
  • কম ব্যয়বহুল

কয়েকটি চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের নাম

  1. আইবিএম 4341
  2. ডিসি 10
  3. স্টার 1000
  4. পিপ 11
  5. বর্ষাতি
  6. পিসিতে

কম্পিউটারের পঞ্চম জেনারেশন | Generations of Computer in Bangla

আপনি যে ডিভাইসে এই আর্টিকেলটি পড়ছেন সেটি পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার। পঞ্চম প্রজন্মের সময়কাল 1980 সাল থেকে বিবেচনা করা হয়। এই সময়ের মধ্যে, ULSI – Ultra Large Scale Integrated Circuit Based মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারে ব্যবহার করা শুরু করে। যার কারণে এটি খুব দ্রুত এবং ছোট হয়ে গেছে। কারণ একটি ইউএলএসআই ভিত্তিক মাইক্রোপ্রসেসরের এক কোটি বৈদ্যুতিন সার্কিট থাকতে পারে।

পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারগুলি আমাদের মতো মানুষ ভাবতে তৈরি করা হচ্ছে। যার জন্য আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ইন্টারনেট অফ থিংস, রোবোটিকস ইত্যাদি প্রযুক্তি ক্রমাগত বিকাশ ও ব্যবহার করা হচ্ছে।

আজকের কম্পিউটারগুলি হাত ঘড়ির মতো আকারযুক্ত এবং এটিও কম ব্যয়বহুল। যা প্রায় প্রতিটি মানুষ কিনতে পারে। আজ, কম্পিউটারগুলি কোনও না কোনও রূপে বিশ্বের প্রতিটি ব্যক্তির কাছে পৌঁছেছে।

পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য

  • ULSI Based Microprocessor উপর ভিত্তি করে
  • লাইটওয়েট, সস্তা, নির্ভরযোগ্য এবং দ্রুত
  • জিইউআই ভিত্তিক ওএসের ব্যবহার
  • মাল্টিমিডিয়া, টাচস্ক্রিন, ওয়েব, ভয়েস নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার
  • অ রক্ষণাবেক্ষণ
  • কম শক্তি ব্যবহার
  • সি, সি ++, জাভা, নেট, এএসপি ব্যবহার করুন
  • কৃত্রিম বুদ্ধি বিকাশ
  • ইন্টারনেট অব থিংস ডেভেলপমেন্ট

পঞ্চম প্রজন্মের কয়েকটি কম্পিউটারের নাম

  1. ডেস্কটপ পিসি
  2. MacBooks
  3. ল্যাপটপ
  4. নোটবুক
  5. ultrabooks
  6. Chromebook গুলি
  7. আইফোন
  8. iWatch

তুমি কী শিখলে

এই পাঠে, আমরা আপনাকে কম্পিউটার জেনারেশন সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দিয়েছি। আপনি জানেন যে কম্পিউটারটি কীভাবে প্রথম প্রজন্ম থেকে পঞ্চম প্রজন্মের দিকে বিকশিত হয়েছিল। আমরা আশা করি যে এই পর্বে আপনি ভাল কিছু শিখতে পেরেছেন। 

কম্পিউটার কোর্স

কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য

একটি কম্পিউটার একটি জটিল মেশিন যা বিভিন্ন ডিভাইস এবং কমান্ডের সমন্বয়ে গঠিত। তবে কম্পিউটারের কাঠামো যত জটিল, কম্পিউটারের কার্যকারিতা তত সহজ।  কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে

এই আর্টিকেলে, আমরা আপনাকে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দেব। আপনি আজ জানবেন কম্পিউটার কীভাবে কাজ করে।

কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে

কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে
কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে

কম্পিউটারের কার্যকারিতা -Functionality of Computer in Bangla.

সমস্ত ধরণের কম্পিউটার একটি নির্দিষ্ট ফাংশন দিয়ে তাদের কাজ সম্পূর্ণ করে এবং তাদের কাজ করার পদ্ধতি সমস্ত কম্পিউটারে একই থাকে। কম্পিউটার কোনও কাজ শেষ করতে তিনটি ব্যাসিক কাজ করে।

  1. Input
  2. Process
  3. Output

Input – ইনপুট

Computer নিজে কোনও কাজ করতে পারে না। কম্পিউটার প্রথমে User এর কাছ থেকে input নেয়। এর পরে,  ইনপুট উপর ভিত্তি করে পরবর্তী পদক্ষেপে নিয়ে থাকে। এখন আপনি ভাবছেন ইনপুট কি? কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে

ইনপুট হল নির্দেশাবলী বা কোনও কাজের সাথে সম্পর্কিত ডেটা। ইনপুট ডিভাইস যেমন কিবোর্ড , মাউস  স্ক্যানার, হালকা কলম ইত্যাদি ইনপুট ডিভাইস।

কম্পিউটারের সম্পূর্ন কোর্সটি পড়ুন

Data Process- ডাটা প্রোসেস

ইনপুট নেওয়ার পরে কম্পিউটার মেমোরিতে ইনপুট ডেটা সঞ্চয় করে। এরপরে এটি ব্যবহারকারী থেকে প্রদত্ত নির্দেশাবলী অনুসরণ করে। কম্পিউটার খুব দ্রুত এই কাজটি করে।

প্রক্রিয়া করার সময়, কম্পিউটার ইনপুট ডেটা পরীক্ষা করে, নির্দেশাবলী অনুসরণ করে এবং এটিকে তথ্যে রূপান্তর করে। একেই বলা হয় ডাটা প্রোসেস – Data Process

Output – আউটপুট

ডেটা প্রক্রিয়া করার পরে, কম্পিউটার ফলাফল দেয়। এই ফলাফলটিকে আউটপুট বলে। কম্পিউটারের ফলাফলগুলি দেখানোর জন্য, আউটপুট ডিভাইস ব্যবহার করা হয়।

আউটপুট ডিভাইসগুলির মধ্যে সর্বাধিক ব্যবহৃত হচ্ছে মনিটর বা Display। যার উপরে আউটপুট – Output শো করা হয়। এগুলি ছাড়াও, প্রিন্টার্স, স্পিকার আউটপুট ডিভাইস।

তুমি কী শিখলে

এই পর্বে, আমরা আপনাকে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দিয়েছি। আপনি এখন জানেন যে কম্পিউটার কীভাবে কাজ করে। কম্পিউটারটি তিনটি পর্যায়ে তার কাজ সম্পাদন করে। প্রথমত, ইনপুট – Input নেওয়া, দ্বিতীয়, ডাটা প্রোসেস – Data process এবং তৃতীয়, আউটপুট – Output দেওয়া। আমরা আশা করি যে এই পর্বে আপনি কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে তা সম্পর্কে ব্যাসিক ধারণা পেয়েছেন।

অনলাইনে ইনকাম

Tik Tok এপস থেকে কি ভাবে ইনকাম করবেন ?

কেমন আছেন সবাই ?   আমরা আজ একটি আর্কষনীয় বিষয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো আর আজকের এই আলোচনার বিষয়টি ও আপনাদের মাথা ঘুরিয়ে দিতে পারে । আপনারা অনেকেই কৌতূহলী হবেন জানলে এই বিষয়টি কারন আজকের সময়ে এমন কোন ইন্টারনেট ইউজার নেই যে কিনা TikTok এপস এর কথা জানেন না । হ্যা আজ আমরা আলোচনা করবো কি ভাবে আপনি TikTok ব্যবহার করে একই সাথে বিনোদন এবং অর্থ পেতে পারেন ।কেমন হবে যদি আপনি শুধু মাত্র ১৫ সেকেন্ড এর একটি ভিডিও বানিয়ে ৫ সংখ্যা পরিমান অর্থ আয় করতে পারেন ?
আজকের আলোচনার বিষয় গুলো নিচে তালিকা ভুক্ত করা হলঃ
  • Tiktok এপস দিয়ে কীভাবে ইনকাম করবেন?

  • Tiktok  বা  Musical.ly  এপস এর কয়েন কি কাজে লাগে?

  • Musical.ly দিয়ে কীভাবে ইনকাম করবেন?

  • TikTok থেকে কি ভাবে আয় করবেন?

  • TikTok কি ভাবে আয় করে?

আমরা Tiktok  এর সাহায্যে অর্থোপার্জন করতে পারি এবং এটি খুব সহজ । আজকাল আমরা অনলাইনে অর্থ উপার্জন করার অনেক গুলো উপায় দেখেছি  আর অনলাইনে অর্থ উপার্জন করার সপ্ন অনেকেই দেখে থাকেন কারণ এটি অফলাইন কাজের পদ্ধতির চেয়ে তুলনা মূলক ভাবে সহজ।
ভাবুন আপনি একই সাথে tiktok  বিনোদন উপভোগ করছেন এবং এই বিনোদন আপনাকে অর্থ এনে দিতেছে । আসলে কথাটা শুনতে সপ্নের মত মনে হলেও সত্যি আজকের দিনে সেটায় হচ্ছে । আপনি যদি একজন  Tiktok  ইউজার হয়ে থাকেন তাহলে আপনি এমন অনেক মানুষ দের নাম শুনেছেন যার আজ শুধুমাত্র Tiktok  এ ফেমাস হয়ে লাখ লাখ টাকা আয় করছে। সেই সব Tiktok সেলিব্রেটিরা কিন্তু আপনার মতই একজন সাধারুন Tiktok ইউজার ছিল কিন্তু অধিক পরিমান ভাল কনটেন্ট তাদের Tiktok প্রোফাইলে পাবলিস করার জন্য আজ তারা ভাইরাল । আর এই জন্যই তাদের আজ এতো পরিমান ফান ফলোয়ার ।
আসলে Tiktok থেকে আয় উপার্জন করা কোন বড়ো বাপার না কারন যে কেউ চাইলে সেটা করতে পারবে শুধু দরকার একটা ভাল গাইডস লাইন । আজ আমি আপনাদের সাথে কিছু ট্রিক্স শেয়ার করবো যার মাধ্যমে আপনি ও পারবেন Tiktok অথাবা  Music.ly থেকে প্রচুর টাকা আয় করতে ।
দয়াকরে সম্পূর্ন আর্টিকেলসটি পড়ুন কারন অল্প বিদ্যা ভয়ংকর তাই সম্পূর্ণ বিষয়টি বুঝে তার পর কাজে নামুন তাহলেই কেবল মাত্র আপনি সফল হতে পারবেন ।
Tik Tok কি?
Tik Tok  একটি মোবাইল এপস যেটা দিয়ে আপনি ছোট ছোট ভিডিও বানাতে পারবেন।  TIk tok  ব্যবহারকারীরা “মাসার” নামে পরিচিত। লিপ-সিঙ্ক ভিডিওগুলির পাশাপাশি মূল সামগ্রীর সংক্ষিপ্ত ভিডিওগুলিও এই অ্যাপটিতে সুপরিচিত।
একটু খাটি বাংলায় বলা যাক তানা হলে অনেকেই বুঝবেন না । আপনারা অনেকেই হইতো  ডাবমাস ভিডিও দেখেছে ।  যে খানে মানুষ যেকোন মুভি থেকে একটি নির্দিষ্ট লাইন কেটে নিয়ে সেটার সাথে শুধু মাত্র ঠোট মিলিয়ে নকল করে , অনেক সময় এগুলো কোন সিনেমার নায়কের ডায়ালগ হতে পারে আবার অনেক সময় ডিপজল এর মতো ভিলেন এর ডায়ালগ গুলো তারা নিয়ে তারা এসকল ভিডিও বানায় ।
আমি আপনাদের বোঝানোর তাগিদে এমন একটি ভিডিও দিয়ে দেব এই আর্টিকেলস এর শেষের দিকে ।

আমরা কি উপায়ে Tiktok থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারি?

ইউটিউবের মতো tiktok থেকে ও আপনি ভিডিও তৈরি করে অর্থোপার্জন করতে পারেন। । যাই হোক কথা না বাড়িয়ে আমরা জেনে নেই কি ভাবে tiktok থেকে ও আপনি ভিডিও তৈরি করে অর্থোপার্জন করা যায় ।
প্রথমত, আমি আপনাকে বলতে চাই যে, আপনি যদি টিক-টোক থেকে অর্থ উপার্জন করতে চান তবে আপনার অবশ্যই একটি বিশাল ফ্যান ফলো তৈরী করতে হবে । আর ভালো মানের ভিডিও দ্বারা আপনি  একটি দুর্দান্ত ফ্যান বেজ প্রোফাইল তৈরি করতে পারবেন ।
লাইভ স্ট্রিমিং: Tiktok  বা  Musical.ly তাদের ফিচার্স এর সাথে একটি আশ্চর্যজনক কার্যকারি জিনিস অর্থাৎ লাইভ স্ট্রিমিং যুক্ত করেছে। এটির অন্যান্য জনপ্রিয় অ্যাপগুলির সাথে যেমন  ফেসকাস্ট, বিগো লাইফ ইত্যাদির সাথে অনেকটা  মিল রয়েছে ।  আপনি আপনার প্রতিভা এবং সৃজনশীলতা প্রদর্শন করতে পারবেন এই ফির্চাসটির ম্যধমে  এবং একই সাথে এই অ্যাপ্লিকেশন থেকে প্রকৃত অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।
ফ্রি টিকটোক ফলোয়ার জেনারেটর ২০২০ 
আজ, প্রাচুর্য হল লোকরা বিনামূল্যে Tiktok ফলোয়ার পেতে চায়। আসলে টিকটোক এই বছরে অর্থাৎ ২০২০ এর মধ্যে সর্বাধিক বিখ্যাত অ্যাপ্লিকেশন হয়ে উঠেছে। সমস্ত ব্যবহারকারীর একই লক্ষ্য যে তারা একটি বিখ্যাত অডিওতে তাদের ফলোয়ারদের সাথে একটি সুসংগত ডাবমাস বানাবে । আপনি আপনার ভিডিওটিকে মজাদার এবং গম্ভীর করে তুলতে অনেকগুলি প্রভাব এবং ফিল্টার যুক্ত করতে পারেন। আপনি সম্ভবত জানেন, Tiktok এক বছর আগে musica.ly সাথে একীভূত হয়েছিল।  একটি সত্যিকারের সাফল্য Tiktok এর কারণ আজ আমরা 500 মিলিয়নেরও বেশি বিশ্বব্যাপী Tiktok ব্যবহারকারী দেখেছি । Tiktoker হিসাবে আপনি সম্ভবত বিখ্যাত হতে চান যাতে আপনার ও অনেক ফলোয়ার হয় । সুতরাং আপনার জন্য আমাদের কাছে এমন পদ্ধতি রয়েছে যা আপনাকে নিখরচায় সহজেই প্রচুর Tiktok ফ্যান তৈরি করে দিতে পারে।
কীভাবে বিনামূল্যে TikTok ফলোয়ার পাবেন?
 সম্ভবত আপনি ইতিমধ্যে ইউটিউবে টিউটোরিয়ালটি দেখেছেন যা আপনাকে বিখ্যাত হওয়ার জন্য অনেক টিপস জানায়। তবে আপনি যখন এই সমস্ত পরামর্শ মোতাবেক কাজের চেষ্টা করেন, আপনি কোনও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখতে পাবেন না।
আপনি যে কোন একটি Tiktok ফলোয়ার জেনারেটর ব্যবহার করে দেখতে পারেন হইতো সেখান থেকে আপনি অল্পো কিছু ফ্যান ফলোয়ার পেয়ে যাবেন ।  কিন্তু মনে রাখবেন যে কৃত্রিম ফলোযার রেখে খুব একটা ভাল ফল পাবেন না ।
ভাইরাল হওয়ার সুযোগ কি ভাবে বাড়াবেন ?
অবিচ্ছিন্নভাবে আমার বলা ট্রিক্স ব্যবহার করলে আপনি অনেক সুবিধা পাবেন। টিকটকে আরও ভক্ত প্রাপ্তি প্রয়োগের অভ্যন্তরে আপনার দৃশ্যমানতা বাড়িয়ে তুলবে যা আপনাকে আরো জনপ্রিয়তাও দেবে।  আপনি যদি  দুর্দান্ত ভিডিও কনন্টেন্ট  তৈরি করেন তবে আপনার ভিডিও ১০০%  ভাইরাল হবে এবং সাথে সাথেই দেখবেন যে  আপনার ফলোয়ারদের সংখ্যা  বৃদ্ধি পেয়েছে।আর যদি এটা করতে পারেন তবে  আপনি ও ইন্টারনেটের আসল তারকা বা খ্যাতিমান বাক্তি হতে পারবেন। সুতরাং  বিপুল সংখ্যক ফলোয়ারদের কাছে পৌঁছানোর লড়াই করা  এমন Tiktok ব্যবহারকারীদের সহায়তা করতে চাই। আর প্রথমিক ভাবে ফলোযার এর সংখ্যা বাড়ানোর জন্য Tiktok ফলোয়ার জেনারেটর ব্যবহার করতে পারেন ।
Tiktok ফলোয়ার জেনারেটর ব্যবহারের জন্য গাইড :
আপনি যদি  Tiktok এপসটিতে ফলোয়ার পেতে চান তবে এই সহজ পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করুন:
  • প্রথমে আপনাকে Tiktok ফলোয়ার জেনারেটর ব্যবহার করতে হবে।
  • তারপরে পৃষ্ঠার শীর্ষে আপনার টিক টোকেন ব্যবহারকারীর নামটি প্রবেশ করুন।
  • এর পরে আপনাকে “কানেক্ট” বোতামটি ব্যবহার করে আপনার অ্যাকাউন্টটি সংযুক্ত করতে হবে।
  • আপনি আপনার প্রোফাইলে কত ভক্ত যোগ করতে চান তা সিলেক্ট করুন।
  • সার্ভারটি আপনার ভক্তদেরকে আপনার টিক অ্যাকাউন্টে যোগ না করা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
  • বট ফলোয়ার না  করে সম্পূর্ণ মানব ফলোয়ার গুলো যাচাই করুন ।
অনেক কথা হইলো কিন্তু মূল কথাটাই বলা হইলো না । কি ভাবে  Tiktok এর মাধ্যমে আয় করতে পারবেন ?
যাই হোক কথা আর বাড়াতে চাই না এবার শুধু প্রসেস গুলো বলবো এক এক করে তাই একটু মনোযোগ দিয়ে বাকি পোস্ট টুকু পড়ুন ।
  • যে কোন কিছুর প্রোমোশোন এর মাধ্যমেঃ  একটু সহজ করে বুঝিয়ে বলি , আপনারা হইতো এমন অনেক Tiktok অথবা ইউটিউব ভিডিও তে দেখেছেন যে তারা তাদের ভিডিও গুলোর মধ্যে কিছু জিনিসের প্রোমোশন করে থাকে । আপনি যখন একটি বড় ফলোয়ার প্রোফাইল এর মালিক হয়ে যাবেন তখন বিভিন্ন কম্পানি আপনার সাথে কনন্টাক করবে তাদের পন্য অথবা সেবা সমূহ গুলো আপনার মাধম্যে প্রচার করার জন্য । আর এমন কিছু কম্পানি রয়েছে যারা আপনাকে তাদের স্পন্সারশিপ দেবে এবং তার সাথে আপনাকে  একটি মোটা অংকের টাকা দেবে মাসে মাসে ।
  • আফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমেঃ আপনি খুব সহজে আমাজন এর মত অনলাইন ই – কমার্চ সাইট গুলোর প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারবেন আপনার Tiktok প্রোফাইল এর মাধ্যমে আর তাছাড়া যদি আপনি মনে করেন যে আপনি নিজের নামেই একটি ব্রান্ড প্রতিষ্ঠা করবেন তাহলে নিজেই একটি ই-কমার্চ সাইট খুলে সেটাতে আপনার ব্রান্ডের প্রোডাক্ট গুলো খুব সহজেই বিক্রি করতে পারবেন এবং কিছু না করেয় শুধু মাসে মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করতে পারবেন ।
  • Tiktok কয়েন এর মাধ্যমেঃ আপনাদের অনেকেরই হইতো Tiktok কয়েক এর বাপারে জানা আছে যেগুলো Tiktok থেকেই আপনাকে দেওয়া হবে। আপনি যদি মনে করেন যে আপনি কিছুই করবেন না শুধু সারা দিন Tiktok ভিডিও বানাবেন তাহলেও শুধু মাত্র Tiktok কয়েন দ্বারা মাসে ভালো পরিমান অর্থ আয় করতে পারবেন।

যাই হোক এছাড়া ও আরো অনেক উপায় আছে যেগুলোর মাধ্যমে শুধু Tiktok ব্যবহার করেই আপনি মাসে মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করতে পারবেন । কথায় আছে বুদ্ধি থাকলে বস্তায় তেল ও ভরা যায় ।

আজকে এই পর্যন্ত আবার আসবো নতুন কিছু নিয়ে আপনাদের মাঝে । ততক্ষন ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই কামনা করে বিদায় নিতেছি ।

বিঃদ্রঃ কোন কিছু নিয়ে প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না ।

কম্পিউটার কোর্স

বাংলাতে কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা

আধুনিক সময় ডিজিটাল ডিভাইসের অন্তর্গত। যার মধ্যে কম্পিউটারের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। বর্তমানে, প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে কম্পিউটারের মাধ্যমে কাজ করা হচ্ছে। সুতরাং, বৃদ্ধ থেকে ছোট বাচ্চারা কম্পিউটার ব্যবহার করতে শিখছে।

কম্পিউটার মানুষের জীবনের দৈনন্দিন কাজগুলিকে সহজ, দ্রুত এবং সস্তা করে তুলেছে। কারণ একটি কম্পিউটার একা 10 জন মানুষের কাজ করতে পারে। এবং এই আর্টিকেলে, আমরা আপনাকে এই জাতীয় কয়েকটি কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধাগুলি সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দিব।

কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধাগুলি সম্পর্কে জানার মাধ্যমে আপনি কম্পিউটার সম্পর্কে ভাল সচেতন হয়ে উঠবেন এবং আপনি কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যগুলিও জানতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ পেশাদার ব্লগিং, কিভাবে ব্লগিং আপনার জীবনকে পরিবর্তন করতে পারে

কম্পিউটারের সুবিধা– Advantage of Computer in Bangla

  • উচ্চ গতি
  • কাজের যথার্থতা
  • স্টোরেজ ক্ষমতা
  • পরিশ্রমী
  • কথোপকথন
  • কাজের বৈচিত্র্য
  • নির্ভরযোগ্য
  • প্রকৃতির

কম্পিউটার এমন একটি ডিভাইস যা মানুষের দ্বারা সম্পাদিত প্রায় সমস্ত কাজ ক্যাপচার করেছে। কম্পিউটারের সুবিধাগুলি নীচে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। একটি কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যগুলি পড়ে আপনি বুঝতে পারবেন যে আমরা কেন কম্পিউটার পছন্দ করি?

High Speed – দ্রুত গতি

  1. কম্পিউটার একটি দ্রুত চলমান বৈদ্যুতিন মেশিন।
  2. কম্পিউটার আমাদের মানুষের চেয়ে দ্রুত কাজ করতে পারে।
  3. এটি একই সাথে প্রচুর ডেটা প্রক্রিয়া করার ক্ষমতা রাখে।
  4. মাইক্রোসেকেন্ডস, ন্যানোসেকেন্ডস এবং পিকোসেকেন্ড সহ কম্পিউটারের গতিও মাপা হয়।

Accuracy – নির্ভুলতা

  1. কম্পিউটার যেমন দ্রুত তেমনি নির্ভুল।
  2. সঠিক ইনপুট দেওয়া হলে এটি সঠিক আউটপুট দেয়।
  3. এটির গণনা 100% ত্রুটি মুক্ত।
  4. এর ফলাফলগুলির যথার্থতা মানুষের ফলাফলের চেয়ে অনেক বেশি।

Storage Capability – স্টোরেজ ক্ষমতা

  1. কম্পিউটারের স্মৃতি মানুষের চেয়ে অনেক বেশি।
  2. কম্পিউটারের স্মৃতি হ্রাস বা বাড়ানো যায়। আমরা মানুষেরা যা করতে পারি না।
  3. অডিও, ভিডিও, ছবি ইত্যাদির মতো ডেটা কম্পিউটারে সংরক্ষণ করা যায়।
  4. একটি কম্পিউটারের স্মৃতি অন্য কম্পিউটারের সাথে ব্যবহার করা যেতে পারে।

Diligence – পরিশ্রমী

কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা

  1. কম্পিউটার খুব পরিশ্রমী এবং ক্লান্তি মুক্ত ডিভাইস।
  2. মানুষের মতো কম্পিউটারে ক্লান্তি, একঘেয়েমি, ধ্যানের মতো সমস্যা নেই।
  3. একই কাজ আপনি বারবার করতে পারেন।
  4. একটি কম্পিউটার ক্লান্ত না হয়ে অনেক দিন, ঘন্টা কাজ করতে পারে।

Automation  – অটোমেশন

  1. Automation কম্পিউটারের খুব গুরুত্বপূর্ণ দিক। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত কাজটি সম্পূর্ণ করে।

Communication – যোগাযোগ

  1. কম্পিউটার একটি কম্পিউটার থেকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে।
  2. কম্পিউটারগুলি একে অপরের সাথে তাদের ডেটা বিনিময় করতে পারে।
  3. কম্পিউটার Communicating Devices, LAN, WAN, Modem, Wi-Fi, Bluetooth, একে অপরের সাথে যোগাযোগ রাখে।

Versatile – কাজের বিভিন্নতা

  1. Computer একটি Versatile Machine
  2. একটি কম্পিউটার এক সাথে অনেকগুলি বিভিন্ন কার্য সম্পাদন করতে পারে।
  3. এটিতে এক সাথে অনেকগুলি বিষয়ের, ক্ষেত্রের কাজ করা যায়।

Reliability – নির্ভরযোগ্য

  1. কম্পিউটার একটি নির্ভরযোগ্য ডিভাইস।
  2. এর জীবন অনেক বছর স্থায়ী হয়। অতএব, এটি দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করা যেতে পারে।
  3. কম্পিউটার যন্ত্রাংশগুলি সহজেই প্রতিস্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়।

Nature Friendly

  1. কম্পিউটারের সমস্ত কাজ কাগজবিহীন। এবং যে কাজের জন্য আগে কাগজ প্রয়োজন ছিল। তারা কম্পিউটার দিয়েও শুরু করছে।
  2.  লক্ষ লক্ষ গাছ কাগজ তৈরি থেকে বাঁচানো হয়েছে সুতরাং, কম্পিউটার প্রকৃতির রক্ষকও।

কম্পিউটারের অসুবিধা – Disadvantage of Computer in Bangla

  • বিচক্ষণতার অভাব
  • মানুষের উপর নির্ভরশীল
  • অনুভূতি নয়
  • সাইবার আক্রমণের ঝুঁকি

বলা হয়ে থাকে যে সব কিছুতেই ভাল থাকে। একইভাবে, সুবিধার পাশাপাশি অসুবিধাও রয়েছে। এই দুটি জিনিস একটি মুদ্রার দুটি দিক। নীচে আমরা আপনাকে কম্পিউটারের কিছু অসুবিধা নিয়ে বলবো।

No Intelligence – বিচক্ষণতার অভাব

  1. কম্পিউটারের বুদ্ধি নেই।
  2. কম্পিউটার একটি ডাব মেশিন। যে কিছুই ভাবতে পারে না
  3. কম্পিউটার কেবল নির্দেশাবলী অনুসরণ করতে পারে। নিজে থেকে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।

Human Dependency – মানুষের উপর নির্ভরশীল

কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা

  1. কম্পিউটার কেবলমাত্র মানুষের দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করতে পারে।
  2. কম্পিউটার নিজে কোনও কাজ করতে পারে না।
  3. এইগুলির যে কোনও একটি করার নির্দেশনার জন্য আমরা মানুষের উপর নির্ভরশীল।

No Emotions – আবেগ নেই

  1. একটি কম্পিউটার একটি বৈদ্যুতিন ডিভাইস। যা প্রাণহীন সরঞ্জাম দিয়ে তৈরি।
  2. কম্পিউটারে অনুভূতি মানুষের প্রতি থাকে না।

Cyber Security Problems – সাইবার অ্যাটাকের হুমকি

  1. কম্পিউটারে সাইবার আক্রমণের ঝুঁকি সর্বদা ঘুরে বেড়ায়।
  2. ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, পাসওয়ার্ড চুরি করা, ব্যক্তিগত ডেটা চুরি করা ইত্যাদি সাইবার আক্রমণগুলির মাধ্যমে সহজেই করা যেতে পারে।
  3. এছাড়াও, কম্পিউটারের সমস্ত ডেটা মুছতে বা ক্ষতি করতে পারে।
  4. হ্যাকাররা তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা আমাদের কম্পিউটারগুলির সাথে যে কোনও কিছু করতে পারে।

তুমি কী শিখলে

এই আর্টিকেলে, আমরা আপনাকে কম্পিউটারের সুবিধাগুলি এবং অসুবিধাগুলি সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দিয়েছি। আপনি কম্পিউটারের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যগুলি যেমন কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা সম্পর্কেও শিখেছেন। আমরা আশা করি যে এই আর্টিকেলটি পড়ে কিছু শিখতে পেরেছেন।

Latest From:

কিভাবে আইফোন, আইপ্যাড, এবং ম্যাক এর গেম সেন্টার ডিজেবল করবেন?

কিভাবে আইফোন, আইপ্যাড, এবং ম্যাক এর গেম সেন্টার ডিজেবল করবেন? কেমন আছেন সবাই? আজ আবারও আরেকটি টিউটোরয়াল নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের কাছে । আজ আমি...
Latest From:

অ্যান্ড্রোয়েডের অজানা ৭ টি ফ্যাক্ট

আপনি যদি একজন Android ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে android এর কিছু মজার বিষয় আপনার জানা দরকার। Android এর এমন কিছু ফ্যাক্ট রয়েছে যা আপনি জানেন...
Latest From:

নতুন টেকনলজি ফ্লাইং কার এর আবিষ্কার

নতুন টেকনলজি ফ্লাইং কার এর আবিষ্কার ভবিষ্যতের প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি গবেষনা করা হচ্ছে পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে হাইপার লুক অথবা ইলেক্ট্রিক কার এর সাথে...
Latest From:

ফেসবুক ফ্রি এড এর আদ্যপ্রান্ত, চলুন দেখি কি আছে এর মাঝে

মহা জ্ঞ্যানী, মহা পাপী কিছু বান্দা আছে, যারা ফেসবুকে ফ্রি এড চালিয়ে নিজেকে সুপারম্যান ভেবে থাকে। যেমন আমি 😎, এই কথা শোনার পরে আপনার মনে...
Add your widget here