কিভাবে

ড্রোন কি? ড্রোন কিভাবে কাজ করে? বিস্তারিত জানুন

বন্ধুরা তোমরা হইত সবাই ড্রোন নিয়ে কম বেশি জানো। কিন্তু সেই জানার পরিধি তেমন বেশি নয়। আজ আমি তোমাদের সামনে তুলে ধরব ড্রোন কি ও ড্রোন কিভাবে কাজ করে। তাহলে বন্ধুরা চল জেনে আসি বিস্তারিত।

ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে
ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে

 

ড্রোন কি

ড্রোন হচ্ছে এমন একধরনের উড়োজাহাজ মানে বিমান যা পাইলট বাদে চলাচল করে। কিন্ত তার মানে এইনা যে বাজারে হাজার টাকা দিয়ে যে আকাশে উড়ানো বিমান গুলো পাওয়া যাই সেই গুলো ড্রোন। এর আবিধানিক অর্থ হচ্ছে গুঞ্জন, কারণ এটি যখন চলে এটা মৌমাছির গুনগুনেরমত শব্দ করে। ড্রোন এর প্রথম শর্ত হচ্ছে এটাতে ক্যামেরা থাকাই লাগবে। ড্রোন কে মুলত বানানো হয়েছে কোন জায়গাই না গিয়ে সেই জায়গার ছবি তোলার জন্য। কিন্তু বর্তমানে শুধু ছবি সংগ্রহর জন্যই ড্রোন ব্যবহার করা হইনা। এটা ব্যবহার করা হচ্ছে যুদ্ধ ক্ষেত্রে, সিনেমার শুটিং এর ক্ষেত্রে ইত্যাদি ক্ষেত্রে। যাই হোক এখন আমরা জানবো ড্রোন কিভাবে কাজ করে?

ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে
ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে

 

ড্রোন কিভাবে কাজ করে

ড্রোন যে প্রক্রিয়াই কাজ করে তার নাম হচ্ছে ইউএভি (UAV)। যার পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Unmanned aerial vehicle। যার আছে ২ টি প্রকারভেদ, একটি সাধারণ (UAV) ও অপরটি সামরিক (UAV)। সাধারণ ইউএভি গুলোতে মুলত একটি ক্যামেরা, পাখা, আর কিছু সেন্সর থাকে। যা তাকে আকাশে উড়তে এবং সঠিক পথে যেতে সাহায্য করে। তবে অবশ্যই সাধারণ ইউএভি হোক আর সামরিক ইউএভি সবাইকেই রিমোট দ্বারা চালনা করা লাগে। অপর দিকে সামরিক ইউএভি গুলোতে থাকে ককপিট, স্পাই ক্যামেরা, লেজার, জিপিএস, সেন্সর, লাইটিং সেন্সর ইত্যাদি।

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

তবে এটার সমস্ত ইউএভি গুলো থাকে এর নাকের কাছে ও যার কারণে এরা অনেক বেশি দূরে যেতে পারে। আর এইগুলোর জন্য অবশ্যই একটা রানওয়ে দরকার। ড্রোন এর মূলত ২ টি অংশ থাকে একটি হচ্ছে ড্রোন নিজে ও অপরটি হচ্ছে এর কন্ট্রোলার সিস্টেম। গ্রাউন্ড কন্ট্রোলার নিজে নির্দেষ দেই আর সেটা উপগ্রহ হয়ে ড্রোন এর কাছে যাই, ড্রোন তা গ্রহন করে সেই কমান্ড অনুযায়ি কাজ করে। ঠিক একই ভাবে ড্রোনও গ্রাউন্ড কন্ট্রোলার এর কাছে একই ভাবে তার তথ্য পাঠিয়ে থাকে। সব থেকে অবাক হবেন এটা শুনে যে এই কাজ গুলো করতে ড্রোন এর সময় লাগে মাত্র ২ সেকেন্ড।
তাছাড়া ড্রোন অনেক গুলো কমান্ড মেনে কাজ করে, আসুন তাহলে এগুলো জেনে নিই।

ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে
ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে

 

রাডার পজিসন

রাডার পজিসন বলতে এখানে বোঝানো হয়েছে রাডার পাইলট কে, এই পাইলট স্বয়ক্রিয় ভাবে নিজের অবস্থান নির্ণয় করে ও কন্ট্রোলার কে নিজের পজিসন সম্পরকে অবগত করে। এর সাথে আছে আরেক টি কমান্ড ব্যাক টু হোম (Back To Home) এই কমান্ড এর মাধ্যমে ড্রোন টি যেখানেই থাকুক না কেন এটি তার নিজ অবস্থানে আবার ফিরে আসবে। কোন রকম কন্ট্রোল করা ছাড়াই। কিন্তু অব্যশই মনে রাখবেন এটা একমাত্র ব্যবহার হয় সামরিক ড্রোন বা UAV এর ক্ষেত্রে।

Gyro পজিসন সিস্টেম

Gyro পজিশন সিস্টেম বলতে বুঝানো হয়েছে Gyroscope সাহায্যে নিজের ও অন্যান্য সব কিছুর পজিশন নির্ণয় করা। তাছাড়া এটির কারণেই ড্রোন সুন্দর ভাবে উড়তে পারে ও ঠিক ভাবে নামতে পারে। Gyro সিস্টেম কাজ করে উত্তর মেরু নির্ধারন করে, উত্তর মেরু কে প্রথমে ধরে এটি প্রথমে নিজের অবস্থান দিবে পরবর্তিতে অন্য ড্রোন বা Location তার কোন পাশে সেটা বলে। একটু কষ্ট হলেও এটি একদম সঠিক অবস্থান বলে দেই। তাই সকল সামরিক ড্রোন বা (UVI) তে Gyro সিস্টেম ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে
ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে

 

ফ্লাই জোন প্রযুক্তি

ফ্লাই জোন প্রযুক্তি বলতে বুঝানো হয়েছে অন্য বিমান বা ড্রোন সাথে এর কোন দূর্ঘটনা না হবার জন্য যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এটার কারণেই বিমান এর সাথে ড্রোন এর দূর্ঘটনা হই না। আপনি একবার ভাবুন আপনি কখনো শুনেছেন বিমান এর সাথে কোন ড্রোনের দূর্ঘটনা হয়েছে? হইনি বা হলেও খুব কম, এটির মূল কারণ হচ্ছে এই ফ্লাই জ়োন প্রযুক্তি। এটি মুলত কাজ করে দুই ভাবে একটি হচ্ছে এর ভিতরে আসপাশের বিমান বন্দর গুলোর সময় সূচি দেওয়া থাকে যার কারণে সেটি সেই সময় টাই নির্দিষ্ট দূরর্ত বজাই রেখে চলে ও একটি নির্দিষ্ট উচ্চাতাই চলাচল করে। অপর দিকে আরেক টি হচ্ছে ফার্মওয়্যার ব্যবহার করে A ও B নির্ণয় করে। কিন্তু এই সম্পর্কে কিছুই ড্রোন প্রস্তুত কারকরা বলেনি।

ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে
ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে

 

FPV প্রযুক্তি

FPV প্রযুক্তি হচ্ছে First Person View । ড্রোন প্রথমে মাটিতে যেই ব্যাক্তিকে দেখবে তাকেই আগে টার্গেট করবে। কিন্তু তার থেকে বেশি গুরুত্ব পূর্ন হচ্ছে এটি তে যে ক্যামেরা আছে সেটা মাটিতে অবস্থানরত যেকারো সুনিদিষ্ট তথ্য দিয়ে থাকে। কিন্তু এর সম্যসা হচ্ছে এটি বন বা যন বসতি পূর্ন এলাকাতে ঠিক ভাবে সনাক্ত করতে পারেনা। তাই FAV প্রযুক্তির বিকল্প হিসেবে অন্য কিছুর কথা ভাবথে বিশ্লেশকরা।

বর্তমানে ড্রোনকে এতটাই সুন্দর ও সহজ করা হয়েছে যে ড্রোন কে আপনি স্মার্টফোন দিয়েও চালনা করতে পারবেন

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

স্মার্টফোনে ড্রোন

এখন বিশ্বটা হয়ে গেছে স্মার্টফোনের, তাই ড্রোন কেও স্মার্টফোনের মাঝে আনা হয়েছে। কিন্তু এটিমাত্র হবে Phantom 2 Vision+ quadcopter ড্রোন গুলোতে। আপনি গুগল প্লেস্টোর থেকে এটি ডাউনলোড করে ড্রোনকে চালনা করতে তো পারবেনি সাথে আপনি এর গতি কমানো বাড়ানো, ডাটা গ্রহন ও প্রেরণ, মিসাইল নিক্ষেপ ইত্যাদি কাজ গুলোও করতে পারবেন। এমনকি এতে আপনি ফ্লাইট মিশন এর সমস্ত ডাটা পরির্বতন করতে পারবেন। সুতরাং বলা যেতেই পারে ড্রোন কিন্তু আমাদের ব্যবহার এর জন্য অনেক সহজ হয়ে গেছে যদিও সেটা আমারা জানি না।

ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে
ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে

 

কি ধরনের ক্যামেরা ব্যবহার করা হয় ড্রোনে

এই প্রশ্নটা কিন্তু আপনাদের আমাদের সবার, কি ধরনের ক্যামেরা ব্যবহার করা ড্রোনে? কেননা আমরা হইত ভাবে থাকি ড্রোনতো শুধু মাত্র শত্রু ঘায়েল করতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু একটি বার ভেবে দেখেছেন যদি আপনি ভালভাবে শত্রুকে শনাক্ত করতেই না পারেন তাহলে ঘায়েল করবেন কিভাবে? সেই জন্যই ড্রোনে অনেক শক্তিশালি ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

অধিকাংশ ড্রোনে যে ক্যামেরা ব্যবহার হয়ে থাকে তাতে ১০৮০/৩০ ফ্রেমে ও ৭২০/৬০ ফ্রেমে অনেক ফুল এইচডি ছবি প্রর্দশন করে। আর যার জন্য ড্রোনের মাঝে আছে ৩ গিগাবাইট মাইক্রো এইচডি মেমোরি। কিন্তু সময় যত বাড়ছে এর ড্রোনের ক্যামেরাও তত আধুনিক হচ্ছে, Walkera, Yuneec এর মত বড় বড় ড্রোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান 4K ভিডিও ধারণ করা যাবে এমন ক্যামেরা এনেছে তাদের ড্রোনে ও ছবি তোলা হই ১২ মেগাপিক্সেল ক্যমারা দিয়ে। সর্বশেষ তারা Zenmuse Z3 জুম ক্যামেরা ব্যবহার করেছে যাকিনা নিকন তাদের ডিএসেলার ক্যামেরা গুলোতে ব্যবহার করে থাকে ও এটাই ড্রোনের ইতিহাসে প্রথম এমন হাই রেজুলেশন ক্যামেরা ব্যবহারের।

সামরিক ক্ষেত্রে ড্রোনের গুরুত্ব

ড্রোনের সবথেকে বড় সুবিধা হচ্ছে এরা কোন মিসাইল ছাড়ার পরে নিজের গতি পথ তখনি পরিবর্ত করতে পারে অনেকটা ক্রজ মিসাইলের মত। এদের মাঝে শুধু পার্থক্য এতটুকুই ক্রুজ মিসাইল নিজে ধ্বংস হয়ে যাই কিন্তু ড্রোন নিজে ধ্বংস হয়না। যেহেতু চালক থাকে না সেহেতু চালকের জন্য যে সমস্ত সুবিধা থাকা দরকার যেমন ককপিট, অক্সিজেন সিলিন্ডার, প্যারাসুট ইত্যদির ও দরকার পড়ে না। ফলে চালক বিহীন বিমান বেশী পরিমান গোলাবারুদ ,মিসাইল ইত্যাদি অস্ত্রশস্ত্র বহন করতে পারে। আর গোপনিয়তার কথা চিন্তা করলে এর বিকল্প ভাবা আমাদের উচিত না।

সর্বশেষ টেকনোলজিক্যাল ড্রোন

  • DJI Phantom 4 : যেটাতে রয়েছে যেকোনো ধরণের সংঘর্ষ এড়িয়ে চলার প্রযুক্তি। তাছাড়া এতে আছে আকাশ থেকে নিখুত ছবি তোলার প্রযুক্তি।
  • DJI Inspire 1 : এটি মূলত সবার কাছে প্রিয় হয়েছে এর সুন্দর ডিজাইন ও শক্তিশালি মোটর এর জন্য, এটিকে মূলত ব্যবহার করা ছবি তোলার জন্য। তাই এটি সিনেমার ভিডিও করার ক্ষেত্রেই বেশি ব্যবহার হই।
  • 3DR Solo : পেশাদার ফটোগ্রাফির জন্য এটি সবার পছন্দের শীর্ষে থাকবে, তাছাড়া খুবই দ্রুত নিজের গতিপথ পরিবর্তন করতে পারাই এটা সবার থেকে একটু দ্রুতই কাজ করে।

ড্রোন কথাটি আমরা সকলেই শুনেছি, অনেকেই তো ভেবে বসে আছেন ড্রোন দিয়ে শুধু যুদ্ধ করাই যায়। এছাড়া আর অন্য কিছু করা যায় না। এছাড়াও আমাদের  মনের মাঝে ড্রোন নিয়ে আরো অনেক প্রশ্ন জমা হয়ে আছে। আমরা আলোচনা করবো আপনাদের সেই সকল মনের মাঝে  থাকা প্রশ্ন গুলো নিয়ে। সাথে আমরা চেষ্টা করবো আপনার সেই সকল প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেয়ার জন্য।

ড্রোন কি বৃষ্টি বা তুষারের মাঝে উড়তে পারে?

ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে
ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে

হ্যাঁ, ড্রোন বৃষ্টি বা তুষারের মাঝেও উড়তে পারে। যদিও এটা কয়েক বছর আগেও সম্ভব ছিল না। কিন্তু এখন যে সকল নতুন আপডেট ড্রোন গুলো এসেছে সেই গুলো বৃষ্টির মাঝেও উড়তে সক্ষম। যেমন DJI Phantom 4 Wetsuit এই ড্রোন টা। এটা হচ্ছে ওয়াটকার প্রুফ একটা ড্রোন, যেটা বৃষ্টির মাঝেও উড়ে যেতে সম্ভব।

বেসিক কম্পিউটার নিরাপত্তাঃ কিভাবে ভাইরাস, হ্যাকার এবং চোর থেকে নিজের কম্পিউটারকে রক্ষা করবেন?

ড্রোন কি হ্যাক করা সম্ভব?

এই  প্রশ্ন টা আমাদের সকলের মনেই কিন্তু আছে, বিশেষ করে যারা একটু টেক গিক ধরণের তারা তো খুবই আগ্রহী। যদিও আমার নিজের মনেও এই প্রশ্ন টা অনেক দিন ধরে ছিল। আসলে সত্য কথা বলতে ড্রোন হ্যাক করা সম্ভব। ড্রোন হ্যাক নিয়ে কালি লিনাক্সের অনেক টুল আছে। ড্রোনের মাঝে যে প্রোগ্রাম করা আছে মূলত সেই গুলো পরিবর্তন করে হ্যাক করা হয়ে  থাকে। এছাড়াও ড্রোন ভিডিও গুলো মূলত শেয়ার হয় ওয়ার্লেস নেটওয়ার্কের মাধ্যমে। এই ওয়ার্লেস নেটওয়ার্কেও অনেক ভারনাবিলিটি পাওয়া গেছে।

কিছু প্রয়োজনীয় উইন্ডোজ কমান্ড, যা সম্পর্কে আপনার জানা উচিৎ।

যুদ্ধ ক্ষেত্রে কখন ড্রোন ব্যবহার করা হয়?

ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে
ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে

ড্রোন নাম টা আমাদের কাছে পরিচিত হয়েছে আমেরিকা-আফগানিস্থান যুদ্ধের পরে। তার আগে আমরা কিন্তু কেও জানতাম না ড্রোন বলেও কিছু আছে কিনা। আর ২০০২ সালে আমেরিকা-আফগানিস্থান যুদ্ধের সময় প্রথম ড্রোনের ব্যবহার করা হয়। শুধু যদ্ধ ক্ষেত্রেই না বলতে পারেন ইভুলুশোন ঘটেছে এই সময়ের পরেই।

কখন ড্রোন প্রথম ব্যবহার করা হয়

১৯১৮ সালের দিকে আমেরিকান নেভি ড্রোন ব্যবহার করেন। যদিও সেই সময়ের ড্রোন আর এই সময়ের ড্রোনের মাঝে রয়েছে আকাশ পাতাল পার্থক্য।

ড্রোন চালানো কি বৈধ

আসলে সত্য কথা বলতে একেক দেশে একেক নিয়ম। অনেক দেশেই ড্রোন চালানো সম্পুর্ন ভাবে নিষেধ। আবার অনেক দেশেই কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানকে তাদের কাজের জন্য ড্রোন ব্যবহার করতে দেয়া হয়। আমাদের দেশের কথা যদি বলতে হয়, আসলে আমাদের দেশে ড্রোন চালাতে গেলে ড্রোন কে রেজিট্রেশন করতে হয়। রেজিট্রেশন বাদে ড্রোন চালানো সম্পূর্ন বে-আইনী। এটা শুধু আমাদের দেশেই না, পৃথিবীর প্রায় সকল দেশেই এই নিয়ম টা রয়েছে।

শেষকথা

ড্রোন হচ্ছে বর্তমান যুগের সেরা আবিষ্কারের একটি যেটা আজ আমরা নিজের প্রয়োজন বলি বা নিরাপত্তা সব ক্ষেত্রেই ব্যবহার করি। তবে এটা সবথেকে বেশি ব্যবহার হচ্ছে যুদ্ধ ক্ষেত্রে, এই ড্রোনের জন্যই প্রতিপক্ষকে হামলার ছক থেকে শুরু করে হামলা করা প্রর্যন্ত সবকিছুই ড্রোন দিয়ে হচ্ছে। তাছাড়া হলিউড বা বলিউড এর সিনেমার অনেক স্ট্যান্ড ড্রোন দিয়েই করা হচ্ছে। যে কোন ধরণের হেল্পের জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। আমাদের গ্রুপের লিংক

কম্পিউটিং

জেনে নিন বাজারের সেরা ল্যাপটপ সূমহ কি কি

বন্ধুরা তোমরা হইত ল্যাপটপ কিনার কথা ভাবছো? কিন্তু বুঝে পাচ্ছো না কি ল্যাপটপ কিনবে। তাহলে তোমার জন্য এই পোষ্ট টি হবে একদম আদর্শ। আজ আমি তোমাদের কাছে তুলে ধরবো বাজারের সেরা ৫ টি ল্যাপটপ ফিচার, যেগুলো কিনলে তুমি কখনো ঠকবে না। তাহলে আসুন জেনে নিই বাজারের সেরা ৫ টি ল্যাপটপ কি কি ?

১. Lenovo ThinkPad X1 Yoga

বাজারের সেরা ল্যাপটপ
Caption: lenovo.com

লিনোভো থিনকপ্যাড এক্স১ ইয়োগা হচ্ছে টেবিল মুড ল্যপটপ, যেটাকে আপনি যত ইচ্ছা ঘুরাতে পারবেন। এটা আপনার পছন্দের শীর্ষে থাকার জন্য যথেষ্ট কারণ এতে নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে ওএলইডি (OLED) ডিসপ্লে। আর তাই এই জন্যই আপনি এটাই যেকোন মুভি অথবা প্রোগ্রাম দেখে পাবেন আসল টিভির মত স্বাদ। এটা যেমন স্টাইলিস তেমনি টেকসই।

কি কি ফিচার রয়েছে Lenovo ThinkPad X1 Yoga তে

  • ১৪” ডিসপ্লে যেটা আবার ২-১। যার কারণে আপনি এটাকে কি প্যাড বাদেই ৫ টা আলাদা কোণে ঘুরিয়ে নিতে পারবেন ডিসপ্লেকে।
  • ওএলইডি ডিসপ্লে যেটা আপনাকে দিবে বড় স্কিনে টিভি দেখার মত সুবিধা।
  • ওজনের দিক থেকেও এটা সবার থেকে এগিয়ে কেননা এটার ওজন মাত্র ১.২৭ কেজি। যেটা একে এখনকার সবথেকে কম ওজন ও সবথেকে চিকন ল্যপটপ এ পরিনত করেছে।
  • এটার সাথে থাকছে একটি পেন মানে ডোকেবল (Dockble) পেন যেটাকে মাত্র ১৫ সেঃ চার্জ দিলে ১০০ মিনিট পর্যন্ত চলবে। যেটার সাহায্য আপনি সব কাজ করতে পারবেন।
  • হার্ডওয়্যার এর দিক থেকেও এটা বেশ এগিয়ে কেননা এটাতে ব্যবহার করা হয়েছে রাইটাআইটি (WRITEit) হার্ডওয়্যার ও এর সাথে থাকছে ১০০ টির বেশি এপ্স।
  • এটাকে আপনি ট্যবলেট হিসাবেও ব্যবহার করতে পারবেন। এটার ডিসপ্লেকে খুলে ট্যাব হিসাবে চালালে এটা ১৬ ঘন্টা ব্যকআপ দিবে।

২. Dell Inspiron 7000 2-in-1

বাজারের সেরা ল্যাপটপ
Caption: Dell.com

আপনার পছন্দের ২য় তে থাকার জন্য এটা যথেষ্ট কেননা এর ডিসপ্লে আর কনফিগারেশন দিয়ে এটা হয়ে উঠেছে অসাধারণ একটি ল্যাপটপ। ডিসপ্লের সাইজ ১৫” ও ১৩” আপনি যেটা ইচ্ছা সেটাই কিনতে পরবেন। সিপিইউ কোর আই৫  হওয়াই এটি যেকারো পছন্দের তালিকাই থাকার দাবিদার। এটার এটার কনফিগারেশন এর সাথে পরির্বতনশীল। কনফিগারেশন যত বেশি নিবেন এর দাম টাও তত বাড়বে। ৭৮৯.৯৯  ডলার থেকে শুরু করে ১০৪৯.৯৯ ডলার গিয়ে ঠেকেছে এর দাম। তাই আপনি আপনার বাজেট মত আপনার Dell Inspiron 7000 2 -in-1 টি কিনতে পারেন।

কি কি ফিচার  থাকছে Dell 7000 2-in-1 এ

 

  • ১৩” থেকে ১৫” ডিসপ্লে যেটা আপনার দাম ও কনফিগারেশন এর সাথে সম্পর্ক যুক্ত।
  • কোর আই৫ (৬ জেনারেশন) (CoreI5 6th Generation processor) ও ৭ জেনারেশন (7th generation processor) । এটাও দাম এর সাথে সম্পর্ক যুক্ত।
  • টার্চ স্কিন।
  • ব্যাটারি ব্যাকআপ ৮ ঘন্টার বেশি মাত্র ২৪ মিনিট চার্জ দিলেই হবে। 🙂
  • ৮-১৬ জিবি র‍্যাম (ডিডি আর ৪)। (দাম এর সাথে সম্পর্ক যুক্ত)।
  • এটার স্কিনকে আপনি ৩৬০ ডিগ্রী ঘুরিয়ে নিতে পারবেন।

৩. Dell XPS 15

বাজারের সেরা ল্যাপটপ
Caption: dell.com

এটাকে সেরা ৫ এর মাঝে রাখার পেছনে কারণ হিসেবে আমি একটি কথাই বলতে পারবো, এটা আপনাকে দিবে ম্যাকবুক চালানোর মত স্বাদ। এটার স্কিন সাইজ ১৫” এবং দেখতে অনেকটা ম্যাকবুক প্রো এর মত। এটার সবথেকে বড় দিকটি হচ্ছে আপনি এটাতে ৪ কে রেজুলেশন ডিসপ্লে। এটারো কনফিগারেশন এর সাথে দাম এর  সম্পর্ক রয়েছে।

কি কি ফিচার থাকছে Dell XPS 15

  • এটার দাম ৯৯৯.৯৯ থেকে শুরু করে যথাক্রমে ১১৯৯.৯৯ , ১৩৯৯.৯৯, ১৬৯৯.৯৯ ডলার পর্যন্ত  রয়েছে।
  • এটাতে রয়েছে কোর আই ৩ (Core I3), কোর আই ৫ (Core I 5), কোর আই ৭ (Core I 7) 6 th generation প্রোসেসর। ( দামের সাথে সম্পর্ক যুক্ত )
  • র‍্যাম ৮ জিবি।
  • ইন্টেল এইস ডি গ্রাফিক্স কার্ড ৫০০ রয়েছে এতে।
  • ১৫.৬” ডিসপ্লে।
  • এটার ওজন ১.৭৮ কেজি।
  • ৫০০ জিবি থেকে ১০০ জিবি পর্যন্ত মেমোরি।

৪. HP EliteBook Folio G1

বাজারের সেরা ল্যাপটপ
Caption : Hp.cm

এইচপি এলিট বুক আপনার পছন্দের ল্যাপটপ এর মাঝে থাকার জন্য ২ টা বিষয় রয়েছে। প্রথমত এটা হচ্ছে অনেক চিকন ও ২য় কথা হচ্ছে এটাতে আছে ইউএসবি – সি পোর্ট।এটার স্কিন ১৩”যা আপনাকে দিবে একটু বেশি সস্তি, ডিজাইন ও স্টাইল এর দিক থেকে এটা আপনাকে দিবে অন্য রকম লুক।

কি কি ফিচার থাকছে HP EliteBook Folio G1

  • এটার দাম ৯৯৯.৯৯ ডলার যা অনান্য ল্যাপটপ এর থেকে অনেক কম।
  • বায়োমেট্রিক টার্চ লক।
  • ৪ কে রেজুলেশন স্কিন সাপোর্ট।
  • কোর আই ৫( Core I5) 6th generation প্রোসেসর।
  • ৮ জিবি র‍্যাম ও ২৫৬ হার্ড ডিস্ক।
  • ৭২০পিক্সেল ওয়েব ক্যামেরা।
  • ব্যাটারি ব্যাক আপ ৭ ঘন্টা ২ মিনিট ও ৪ কে ভিডিও চলবে  ৪ ঘন্টা ২০ মিনিট।

৫. Apple MacBook Pro (13-inch)

বাজারের সেরা ল্যাপট্প
Caption: apple.com

এপেল ম্যাকবুক কে কেন পছন্দের তালিকাই রেখেছি তা আর আপনাদের আলাদা করে বলা লাগবে না। এটির স্লিম স্কিন ও ১৩” স্কিন আপনাদের দিবে  আন্য রকম আনন্দ। এটাতে আপনি পাচ্ছেন স্কিন ও কিপ্যাড এর আলাদা রকম কম্বিনেশন। ২০১৬এর শেষের দিকে আসলেও এটার কদর ২০১৭ তেও সেই আগের মতই আছে।

কি কি ফিচার আছে Apple MacBook Pro তে

  • দামের দিক থেকে এটার দাম একটু বেশি ১২৯৯ ডলার।
  • স্কিন সাইজ ১৩”।
  • ২.৫ গিগা হার্জ ডুয়েল কোর প্রোসেসর।
  • ৪ জিবি ডিডি আর ৩ র‍্যাম।
  • ৫০০ জিবি হার্ড ডিস্ক।
  • ওজন ২.৭ কেজি ও ০.৬ ” প্রস্থ।
  • ইন্টেল ৪০০০ গ্রাফিক্স কার্ড আছে এতে।
  • ৭ ঘন্টার ওপরে ব্যাটারি ব্যাক আপ।

শেষকথা

সকল দিক থেকে বিবেচনা করলে এই ৫ টি ল্যাপটপ কেই আমি সবার শীর্ষে রেখেছি, আমি আশা করি আপনারা যদি এদের মধ্য থেকে যেকোন একটি কিনে থাকেন তাহলে আপনি অব্যশ্যই ঠকবেন না। আপনাদের পোষ্টটি কেমন লেগেছে তা নিয়ে কমেন্ট করবেন আশা করছি।

টেক নিউজ

গুগল প্রোজেক্ট আরা বাতিল করে দিয়েছে

বন্ধুরা অনেকেই হইত গুগল প্রোজেক্ট আরা নিয়ে অনেক উঃসাহিত ছিলেন কিন্তু আপনাদের সামনে এবার গুগল নিয়ে আসল খুব একটা খারাপ সংবাদ। গুগল তদের প্রজেক্ট বাতিল করে দিয়েছে। অনেক কষ্টের হলেও এটাই সত্য যে তারা হইত এখন প্রজেক্ট আরা করছে না আর। আসুন তাহলে দেখেনি কি কারণে তারা বাদ দিয়ে দিল প্রোজেক্ট আরা।তার আগে আমাদের জানতে হবে প্রোজেক্ট আরা টা কি? তাহলে আসুন আগে জেনে নিন প্রোজেক্ট আরা টা কি?

গুগল প্রোজেক্ট আরা

গুগোল প্রোজেক্ট আরা

গুগল প্রোজেক্ট আরা হচ্ছে তাদের একটা প্রোজেক্ট যেখানে তারা বানাচ্ছে মডুলার ফোন। মোডুলার ফোন বলতে আপনি এর প্রায় সকল পার্টস খুলে নিজের মত করে সাজিয়ে নিতে পারবেন। বুঝেন নি তো, ধরুন আপনি একটা ফোন ব্যবহার করছেন যেটার ক্যামেরা ১৩ মেগাপিক্সেল কিন্তু ১ বছর পরে এর থেকে একটি ভাল মানের ফোন বের হবে আর তাতে ক্যামেরা এর থেকে ভাল হবে এটাই তো স্বাবাভিক। আর সেই জন্য আপনি আপনার এই ফোনটি বাদ দিয়ে নতুন ফোন কিনার কথা ভাবছেন, কিন্তু সেটা আপনার  কাছে অনেক ব্যয় সাপেক্ষ, তাছাড়া বার বার তো আর ফোন পরির্বত করতে পারছেন না।

গুগল আরা প্রোজেক্ট হচ্ছে এমন একটি প্রোজেক্ট যেটা তে আপনি ইচ্ছা করলে ক্যামেরা, র‍্যাম, প্রসেসর, ডিসপ্লে পরির্বতন করতে পারবেন। এই প্রোজেক্ট টি গুগল নিয়েছিল ২০১৪ তে , ২০১৫ তে তারা এটা নিয়ে কাজ শুরু করেছিল ও ২০১৬ তে এসে তারা বলেছিল অতি শিঘ্রই তারা প্রোজেক্ট আরা বাস্তবায়ন করতে চলছে। কি মনে হচ্ছে বন্ধুরা অনেক মজার প্রোজেক্ট ছিলনা এটা ? কি সুন্দর একটা স্বপ্ন দেখে ছিলাম, ফোনের সব কিছুই পরির্বতন করতে পারবো নিজেই।

কি উদ্দেশ্য ছিল গুগল প্রোজেক্ট আরার

গুগোল প্রোজেক্ট আরা
vox-cdn.com

গুগল প্রোজেক্ট আরার সব থেকে বড় উদ্দেশ্য ছিল ফোন ব্যবহার কারিদের স্বাধিনতা প্রদান। যেখানে আপনি আপনার পছন্দের ফোনটির যা ইচ্ছা সেটাই পরির্বতন করতে পারবেন। যেমটা ধরুন আপনি সামনে একটি ডিসপ্লে লাগিয়ে নিলেন, পিছনে ব্যাটারি আর ক্যামেরা লাগিয়ে নিলেন। আবার আপনি ইচ্ছা মত আপনার ফোনটির ফ্ল্যাস লাগিয়ে নিলেন। মনে করছেন যে আপনার একটা ফিঙ্গার প্রিন্ট সেন্সর লাগবে আপনি সেটা ইচ্ছা মত লাগিয়ে নিতে পারতেন। আর সেই জন্য গুগোল বাজারে তিন ধরনের মোডুলার ফোন ছাড়বার কথা ভাবছিল। কিন্তু সেটা ত আর বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না।

কেন গুগল প্রোজেক্ট আরা (project ara) বাতিল করেছে

গুগোল প্রোজেক্ট আরা

গুগল প্রোজেক্ট আরা বাতিল এর কারণ হিসেবে বলেছে তাদের নাকি কিছু টেকনিকাল সমস্যা হয়েছে। এছাড়াও তাদের লাইসেন্স জনিত কিছু কারনের জন্য তারা এই প্রোজেক্ট টি বাতিল করেছে। কিন্তু এটাই আসল কারণ না এর কারণ হিসাবে বলা হচ্ছে তারা যাদের কাছে থেকে সামনের অংশ ও পেছনের অংশ এর জন্য চুক্তি করেছে তারা এই ডিজাইন অন্য কারো কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। কিন্তু তাছাড়া তাদের প্রোজেক্ট বাতিলের আরো একটি কারণ রয়েছে বলে অনেকে ধারণা করেছে সেটা হলো তাদের নতুন ফোন পিক্সেলস। তারা বাজারে এবার আনতে চলেছে তাদের নতুন ফোন পিক্সেলার আর সেই জন্য হইত তারা এই প্রোজেক্ট টি বাতিল করে দিল।

আবার কি প্রোজেক্ট আরা বাস্তবায়ন করা সম্ভব

গুগোল কিন্তু একেবারেই হাল ছেড়ে দেইনি, হইত অন্য কারো সাথে তারা চুক্তির মাধ্যমে তারা প্রজেক্ট আরা বাস্তবায়ন করবে। গুগল অন্য কারো সাথে লাইসেন্স নিয়ে ন্তুন করে তাদের প্রোজেক্টটি শুরু করবে এমন টাই শোনা যাচ্ছে অনেক জায়গাই। কিন্তু এটা ভেবে নিয়েন না যে প্রোজেক্ট আরা একেবারে বাতিল হয়ে গেছে কেননা আমরা প্রোজেক্ট আরার মুল বিষয় টা জেনেছিলাম মোডুলার ফোন। মোটোরোলা কিন্তু তাদের মোডুলার ফোন জি ৫(G5) নিয়ে কাজ করছে। গুগল এর প্রোজেক্টটি বাতিল করাই তাই বেশি লাভবান মোটোরোলাই হয়েছে।

শেষকথা

গুগল এর প্রোজেক্টটি সত্যি অনেক সুন্দর ছিল। বিশেষ করে স্মার্টফোন এর নতুন এক যুগের সূচনা হউয়ার সম্ভাবনা ছিল কিন্তু কিছু কারণে হইত তা সম্ভব হইনি। কিন্তু মোটোরোলা হইত আমাদের এই স্বপ্ন পূরণ করবে আশা করি। তাছাড়া হইত গুগল ২০১৭ সালে নতুন করে তাদের প্রোজেক্ট আরা নিয়ে নতুন করে কাজ শুরু করবে। তাই আমাদের আশাহত হবার কিছুই নেই। তাদের কিছুই সূত্র বলেছে হইত ২০১৭ সালে তারা নতুন করে এই প্রোজেক্ট টি শুরু করবে। কিন্তু আসল দেখার বেপার হচ্ছে কে আগে মোডুলার ফোন বাজারে আনে? মোটোরোলা নাকি গুগল।

আইওস

অবশেষে আসছে আইফোন ৭ ও ৭ প্লাস, সাথে এপেল ওয়াচ ২

 

[dropcap]এ[/dropcap]পেল এবার নিয়ে আসছে আইফোন ৭ এটা কোন নতুন খবর না, এটা আমরা জানি। কিন্তু কত তারিখে তারা এটা রিলিজ করবে বা কি কি নতুন ফিচার থাকছে এতে এটা আমরা জানি না। আসুন তাহলে জেনে আসি আইফোন নিয়ে বিত্তান্ত।

কত তারিখে আসছে আইফোন ৭

imac-apple-mockup-app-38544

কিছু দিন আগেই টম কুক বলেছে আইফোন ৭ এর উদ্ভোধন হবে ৭ই সেপ্টেমবর। তবে এটা বাজারে আসতে আসতে ১৯-২১ই সেপ্টেম্বর হতে পারে। আগামী ৭ তারিখে ফেন্সিস্কো তে ১০ টার সময় ইভেন্টের মাধ্যমে তারা আইফন ৭ উদ্ভোধন করবে। তারা একই সাথে এপেল ওয়াচ ও ২ রিলিজ করবে।

কি কি থাকছে আইফোন ৭ এ

pexels-photo

অনেকে অনেক কিছু ভাবছেন আইফোন ৭ নিয়ে, ভাবাটাই স্বাবাভিক কেননা আইফোন বলে কথা এটা কি আর যেমন তেমন হয়। কিন্তু না আইফোন ৭ এ তেমন কিছুই নতুন ফিচার যুক্ত হয়নি। হালকা কিছু পরির্বতন আর আইওএস ১০ ছাড়া তেমন কিছুই যুক্ত হয়নি এর সাথে। তারা যা যুক্ত করেছে এটা অনেক আগেই অনেকেই তাদের ফোন গুলোতে যুক্ত করেছিল। তাহলে আসুন দেখে আসি কি কি থাকছে নতুন আইফোন ৭এ।

  • আইফোন ৭ এ থাকছে ৪.৭” ও ৫.৫” ডিস্প্লে। আইফোন ৭ এ ৪.৭ ও আইফোন ৭ প্লাস এ ৫.৫” ডিস্প্লে ব্যবহার করা হবে।
  • এটাতে কোন হোম বাটন থাকছে না। আইফোন এর ইতিহাসে হইত এটা নতুন হতে পারে কিন্তু এখন প্রায় সকল ফোনেই আর হম বাটন থাকে না। তাই এটাকে নতুন্ত বলা যায় না।
  • আইফোন ৭ এ সব থেকে নতুন্ত ফিচার গুলোর মধ্য একটা হচ্ছে তাদের ক্যামেরা। তারা সব থেকে বেশি ইম্প্রুভ করেছে তাদের ক্যামেরা টা। কেননা তারা এবার ব্যবহার করছে ডুয়েল লেন্স ক্যামেরা। যদিও সেটা আইফোন ৭ এ পাবে না গ্রাহকেরা এটা শুধু আইফোন ৭ প্লাস এর গ্রাহকেরাই পাবে। তাই বুঝাই যাচ্ছে তারা পরির্বতন আনলেও সুবিধা দিতে পাচ্ছে না গ্রাহক দের।
  • এদের আরেকটা বড় পরির্বতন হচ্ছে, এতে কোন প্লাগ ইন জ্যাক নেই। তার মানে হেড ফোন ব্যবহার করা যাবে কোন জ্যাক বাদে। কিন্তু এতে কি ধরনের টেকনোলোজি ব্যবহার করা হয়েছে তা তারা এখন ও বলেনি।
  • ৩ডি (3D) টার্চ স্কিন আছে এতে।
  • স্টোরেজ ক্যাপাসিটি সেই আগের মতই আছে প্রায়, এতে ৩২ জিবি থেকে ২৫৬ জিবি রাখা হয়েছে।
  • এতে থাকছে হাইস্পিড এ১০ (A10) প্রসেসর।
  • এটাতে আইওএস ১০ ব্যবহার করা হয়েছে।

ইউজার দের জন্য কি এটি ভাল মানের ফোন হয়ে উঠবে

person-woman-eyes-face

গ্রাহকদের কথা চিন্তা করলে হয়তো অনেকেই আইফোন ৭ নিয়ে মেতে আছেন বা আশা নিয়ে আছেন। কিন্তু না এটা নিয়ে আশা করার তেমন কিছুই নেই কেননা আইফোন ৭ এ তেমন কিছুই নতুন ফিচার তারা যোগ করতে পারিনি। চলুন তাদের ফিচার গুলো একটু আলোচনা করি।

ডিজাইন

  • ওয়াটার প্রুভ  (Water prove)
  • মেটাল বডি

এগুলা ছাড়া তেমন কিছুই নতুন কিছু নাই এতে, তাই বলাই যায় যারা এটাকে নিয়ে বেশি ভেবেছিল তাদের জন্য দূঃ সংবাদ। তবে এবার এপেল হইত নীল (Blue) রঙ যুক্ত করবে। এর মুল কারণ হিসাবে ধরে নেয়া হয়ে হয়েছে এপেল ওয়াচ ২ কেননা এপেল ওয়াচ ২ নীল কালার ছাড়বে এপেল। তাই হয়ত আইফোন প্রেমীরা নতুন একটা আইফোন কালার পেতে যাচ্ছে।

হেডফোন

আইফোন-৭-ও-৭-প্লাস

হেডফোন কে এই জন্যই তুলে আনতে হচ্ছে কেননা এবার আইফোনেই হইত শুধু মাত্র জ্যাক বাদে হেডফোন কানেক্ট করাচ্ছে। যদিও এর আগে হুয়াই তাদের ফোনে লাইটিং কানেক্ট হেডফোন দিয়ে ছিল, কিন্তু তারা ৩.৫ মিলি হেডফোন জ্যাক রেখে দিয়েছিল। কিন্তু এপেল তা করছেনা তারা জ্যাক একেবারেই আর রাখছে না। তারা এপেল earbuds ও ব্যবহার করতে পারে হেডফোন কানেক্ট করার জন্য কিন্তু এখনো সঠিক ভাবে বলা যাচ্ছে আসলে কি ব্যবহার করা হয়েছে আইফোন ৭ এ। সব দিক দিয়ে ভাবলে দেখা যাচ্ছে যে হেডফোন এ যদি জ্যাক না থাকে তবে গ্রাহকেরা একটু অসুবিধার মধ্য পরবে।

ক্যামেরা

frogs-love-valentine-s-day-pose

ক্যামেরা যদিও ডুয়েল লেন্স করেছে আইফোন কিন্তু এপেল এর আগে হুয়াই, স্যমসাং ব্যবহার করেছে এই ডুয়েল লেন্স ক্যামেরা। আইফোন তাদের ক্যামেরা অনেক ভালমানের করলেও তারা এটা ইউজার দের জন্য সুবিধা জনক করে তুলতে পারেনি। ডুয়েল লেন্স করলেও আলো যদি বেশি না থাকে তবে ছবি ভাল তোলার আশা এবার ছাড়তে হবে আইফোন প্রেমী দেরকে। কিন্তু ডুয়েল লেন্স থাকার কারণে এবার হইত আগের থেকে ভাল মানের ক্যামেরা পাওয়া যাবে আশা করা যাচ্ছে।

এপেল ওয়াচ ২

pexels-photo(1)

এপেল ওয়াচ ২ আইফোন ৭ এর সাথেই উদ্ভোধন হবার কথা রয়েছে। এপেল ওয়াচ ২ তে এবার ব্যবহার করা হয়েছে apple watch OS 3। এতে আপনি পাচ্ছেন জিপিএস ট্রেক করা, আই ক্লাউড এর ব্যবহার করার সুবিধা সহ অনেক কিছু। তবে এর দাম হতে পারে তা এখনো সঠিক ভাবে বলা যাচ্ছেনা ।

শেষ কথা

সব দিকে বিবেচনা করলে দেখা যাচ্ছে আইফোন ৭ কে আমাদের যেমন আশা ছিল তা কিন্তু এপেল পুরো করতে পারছে না। সবাই হইত আশা করে ছিলাম এপেল আইফোন ৭ এ নতুন কিছু যুক্ত করবে কিন্তু তারা এর কিছুই করে পারছে না। তাদের হইত এত তারাতারি আইফোন ৭ টা রিলিজ করার দরকার ছিল না কিন্তু স্যামসাং ও হুয়াই এর সাথে মার্কেট ধরে রাখার জন্যই হইত তারা আইফোন ৭ কে একটু যলদি রিলিজ করে ফেলেছে।

Latest From:

কিভাবে আইফোন, আইপ্যাড, এবং ম্যাক এর গেম সেন্টার ডিজেবল করবেন?

কিভাবে আইফোন, আইপ্যাড, এবং ম্যাক এর গেম সেন্টার ডিজেবল করবেন? কেমন আছেন সবাই? আজ আবারও আরেকটি টিউটোরয়াল নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের কাছে । আজ আমি...
Latest From:

অ্যান্ড্রোয়েডের অজানা ৭ টি ফ্যাক্ট

আপনি যদি একজন Android ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে android এর কিছু মজার বিষয় আপনার জানা দরকার। Android এর এমন কিছু ফ্যাক্ট রয়েছে যা আপনি জানেন...
Latest From:

নতুন টেকনলজি ফ্লাইং কার এর আবিষ্কার

নতুন টেকনলজি ফ্লাইং কার এর আবিষ্কার ভবিষ্যতের প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি গবেষনা করা হচ্ছে পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে হাইপার লুক অথবা ইলেক্ট্রিক কার এর সাথে...
Latest From:

ফেসবুক ফ্রি এড এর আদ্যপ্রান্ত, চলুন দেখি কি আছে এর মাঝে

মহা জ্ঞ্যানী, মহা পাপী কিছু বান্দা আছে, যারা ফেসবুকে ফ্রি এড চালিয়ে নিজেকে সুপারম্যান ভেবে থাকে। যেমন আমি 😎, এই কথা শোনার পরে আপনার মনে...
Add your widget here