কিভাবে

কীভাবে অন্যের কম্পিউটারের ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড জানবেন ?

আজকের সময়ে এমন কেউ নেই যে ইন্টারনেট  ব্যবহার করে না, এমন একটি সময় ছিল যখন মানুষ ইন্টারনেট সম্পর্কে কিছুই জানতো না, তবে আজকাল আপনি দেখতে পাচ্ছেন যে মানুষের হাতে স্মার্ট ফোন রয়েছে এবং তারা যখনই চান তখনই  ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন।

সিম অপরেটর এর ডেটা প্যাক খুব ব্যয়বহুল হওয়ার কারণে লোকেরা তাদের বাড়িতে ওয়াইফাই ইনস্টল করে থাকেন । আবার এমন ও  অনেক লোক রয়েছে যারা  অন্যের ওয়াইফাইটির পাসওয়ার্ড জানার চেষ্টা করে যাতে ইন্টারনেট বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারে ।   ফ্রি ইন্টারনেট কে না চাই ? একারনে কিছু লোক ছলে বলে কৈশলে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডটি জানার চেষ্টা করেন কিন্তু যথেষ্ট জ্ঞান না থাকার কারনে তারা ব্যার্থ হয়ে থাকেন ।

কীভাবে অন্যের কম্পিউটারের ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড জানবেন ?

অনেক সময় আমরা নিজেরাই আমাদের ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডটি ভুলে যাই এবং আমরা মনে করতে পারি না, তাই আজকের আর্টিকেলস এ  আমরা জানবো  কীভাবে সংযুক্ত ওয়াইফাইটির পাসওয়ার্ড বের করা যায়।  আজকের এই পোস্টটি সম্পূর্ন পড়লে শিখতে পারবেন কিভাবে  আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ সিস্টেম এর   ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড পাবেন । 

অনেক সময় একটি বিষয় ঘটে যে আমাদের কম্পিউটার বা মোবাইল মোবাইলে যে ওয়াইফাই সংযুক্ত রয়েছে সেই ওয়াইফাইটির পাসওয়ার্ড  আমরা ভুলে যাই । 

সুতরাং আপনি কম্পিউটারের সংযুক্ত ওয়াইফাই   সহজেই ব্যবহার করতে পারেন। আপনি সহজেই পাসওয়ার্ডটি জানতে পারবেন।

আপনি যদি ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড হ্যাক করার  কথা ভাবছেন? তবে বলে রাখি এটি এত সহজ নয়, এর জন্য আপনাকে পেশাদার হ্যাকার হতে হবে।  তবেই আপনি ওয়াইফাই হ্যাক না করে ও ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু সেই ওয়াইফাই টি আগে থেকেই একবার হলেও সং যুক্ত করা থাকতে হবে  । আপনি ওয়াইফাইয়ের পাসওয়ার্ডটি সহজেই জানতে পারবেন এবং এর জন্য দুটি সহজ উপায় রয়েছে, যাতে আপনি ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডটি জানতে পারেন।

তবে আসুন এই দুটি উপায় জেনে নিই, কীভাবে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড বের করতে হয় ।  বাংলা ভাষায় শিখুন কম্পিউটার ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড কীভাবে বের করবেন।

যে কোন কম্পিউটারে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড কীভাবে জানবেন ?

  • কম্পিউটারে সংযুক্ত ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড জানার দুটি সহজ উপায় রয়েছে, একটি হল আপনি কমান্ড প্রম্পটের সাহায্যে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডটি জানতে পারবেন।
  • এবং অন্য উপায়টি হল কন্টোলপানেল থেকে ওয়্যারলেস সেটিং এর  সাহায্যে আপনি সেভড ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডও জানতে পারবেন।

আসুন কীভাবে তা জেনে নেওয়া যাক 

কমান্ড প্রম্পট থেকে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড সন্ধান করুন

1. কমান্ড প্রম্পট ওপেন করুন  

কম্পিউটার বা ল্যাপটপের  পাসওয়ার্ড জানতে  আপনার সিস্টেমে কমান্ড প্রম্পটটি খুলুন। এর জন্য কীবোর্ডের শর্টকাটের Start  বোতামটি ক্লিক করুন এবং তারপরে cmd টাইপ করুন এবং enter  ক্লিক করুন, এটি আপনার কম্পিউটারে কমান্ড মোডটি খুলবে। এর পরে, আপনি এতে কমান্ড লিখতে পারবেন।

  • কীবোর্ডে উইন্ডো + আর বোতাম টিপুন এখন সিএমডি টাইপ করুন এবং ঠিক আছে ক্লিক করুন।
  • এখন কীবোর্ডে Start  বোতামটি ক্লিক করুন
  • এখন  cmd টাইপ করুন এবং enter  ক্লিক করুন
  • এখন কমান্ড টাইপ করুন

2. এখন নীচের কমান্ডটি টাইপ করুন

কমান্ড মোডটি উন্মুক্ত হওয়ার সাথে সাথে আপনাকে netsh wlan show profiles টাইপ করতে হবে তারপর  (wifi name key =?  ) কমান্ডে টাইপ করতে হবে  । মনে রাখবেন যে আপনাকে নামের জায়গায় আপনার wifi টির নামটি প্রবেশ করতে হবে এবং তারপরে এন্টার টিপুন।

৩. এখন security settings এ Key element অনুসন্ধান করুন

আপনি এই কমান্ড টাইপ করার সাথে সাথে এন্টার টিপুন, এর পরে কীবোর্ডে, আপনি কমান্ডটিতে আরও অনেকগুলি তালিকা পাবেন, তারপরে আপনাকে এটিতে স্ক্রোল করতে হবে ।  সেখানে একটি পাসওয়ার্ড সেটিংস লেখা আছে, তবে একই বিকল্পে আপনি মূল পাসওয়ার্ডটি  খুঁজে পাবেন সামনে যা লেখা আছে । এভাবে  আপনার কম্পিউটারের সংযুক্ত ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড বের করতে পারবেন।

সুতরাং এইভাবে, আপনি কমান্ড প্রম্পটে কমান্ডটি টাইপ করে আপনার কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ওয়াইফাই এর পাসওয়ার্ড খুব সহজেই বের করতে পারেন।

কন্টোলপানেল থেকে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড বের করার নিয়ম কি?

1. কম্পিউটারে কন্ট্রোল প্যানেল খুলুন

আপনি যদি কোনও সংযুক্ত ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড অর্থাত্ ওয়াইফাই এর পাসওয়ার্ড জানতে চান, তবে এর জন্য আপনাকে কম্পিউটার কন্ট্রোল  প্যানেলে অনুসন্ধান করতে হবে এবং এটি খুলতে হবে।  এর জন্য আপনি কীবোর্ডের উইন্ডোর বোতামটি টিপুন এবং কন্ট্রোল প্যানেল খুলুন

২. এবার নেটওয়ার্ক এবং শেয়ারিং সেন্টারে ক্লিক করুন

কন্ট্রোল প্যানেলটি খোলার সাথে সাথেই এখন আপনাকে নেটওয়ার্ক এবং শেয়ারিং সেন্টারে ক্লিক করতে হবে, যদি আপনি এই বিকল্পটি উপায় না দেখে থাকেন তবে উপরের ডানদিকে ক্লিক করুন এবং নেটওয়ার্ক এবং শেয়ারিং এ ক্লিক করুন। যদি এই সেটিংস না দেখতে পান তাহলে আইকন গুলো বড়ো করে নেন ।

৩. এখন সংযুক্ত ওয়াইফাই-এ ক্লিক করুন

এখন আপনি ওয়াইফাই বিকল্পটি দেখতে পাবেন যা আপনার কম্পিউটারের সাথে নেটওয়ার্ক এবং শেয়ারিং সেন্টারের বিকল্পে সংযুক্ত রয়েছে, তারপরে আপনাকে এটিতে ডাবল ক্লিক করতে হবে এবং তারপরে আপনাকে কানেকশন এর ওয়াইফাই এর উপর ক্লিক করতে হবে এবং  এর সাহায্যে আপনি ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড জানতে পারবেন।

  • Wi-Fi নেটওয়ার্কে ক্লিক করুন
  • এখন ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক প্রোপাটিস এ ক্লিক করুন

৪. এখন সিকিউরিটিতে ক্লিক করুন এবং শো অক্ষরের টিক চিহ্ন দিন

ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক প্রোপাটিস এ ক্লিক করার সাথে সাথেই  আপনাকে সিকুরিটি অপশনে ক্লিক করতে হবে, এর পরে আপনি এটিতে শো কারেকটার এ ক্লিক করুন, তারপরে আপনি আপনার কম্পিউটারের সাথে ওয়াইফাই এ সংযুক্ত থাকা পাসওয়ার্ড দেখতে পারবেন। 

  • সিকিউরিটিতে ক্লিক করুন
  • এখন শো কারেকটার এ টিক দিন
  • এখন পাসওয়ার্ড দেখুন

সুতরাং এইভাবে আপনি একটি কমান্ড মোডের সাহায্যে এবং ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক এবং শেয়ারিং সেন্টারের সাহায্যে কম্পিউটারে সংযুক্ত ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডটি খুঁজে পেতে পারবেন।

এই পদ্ধতিটি সর্বোত্তম এবং এর জন্য আপনার কোনও ধরণের সফটওয়ার লাগবে না। আপনি আপনার কম্পিউটারে সফটওয়্যার ছাড়া ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডও জানতে পারবেন এই মাথোড ব্যবহার করে ।  তবে এর জন্য কম্পিউটারে ওয়াইফাই আগে থেকেই সংযুক্ত থাকা প্রয়োজন তবেই আপনি পাসওয়ার্ডটি জানতে পারবেন।

সর্বশেষে বলে রাখি যে কোন ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড হ্যাক করার জন্য আপনাকে একজন প্রফেশনাল হ্যাকার হওয়া লাগবে  এবং কালি  লিনাক্স অপরেটিং  সিস্টেম সম্পর্কে যথেষ্ঠ জ্ঞান থাক লাগবে।

বিঃদ্রঃ যে কোন ধরনের হ্যাকিং আইনতদন্ডনীয় অপরাধ তাই  এগুলো থেকে দূরে থাকা উচিত।

সিকিউরিটি

নতুন ভয়ের নাম ক্লিপার ম্যালওয়্যার, আপনার এন্ড্রোয়েড ফোনটি কি সুরক্ষিত?

আপনি যখন খুব সহজে কোন বাস জার্নি করছেন, তখন হয়তো আপনার পকেট থেকে আপনার মানি ব্যাগটি চুরি হয়ে গেছে। কিন্তু আপনি জানতে পারলেন না। ঠিক তেমনি ভাবে এন্ড্রোয়েড ব্যাবহার কারীদের জন্য নতুন করে ভয় সৃষ্টি করেছে ক্লিপার ম্যালাওয়্যার। গত ৪ জানুয়ারী ২০১৯ সালে গুগোল প্লে স্টোরে প্রথম ক্লিপার ম্যালাওয়্যার ছাড়া হয়। এটা আপনার E-Wallet থেকে সেই পকেট মারের মত করেই টাকা নিয়ে উঠাও হয়ে যাবে কিন্তু আপনি জানতেও পারবেন না। আজকে জানতে পারবেন ক্লিপার ম্যালাওয়্যার কি? কিভাবে কাজ করে ক্লিপার ম্যালাওয়্যার? এবং আপনি কিভাবে ক্লিপার ম্যালাওয়্যার থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন?

ক্লিপার ম্যালওয়্যার কি?

ক্লিপার ম্যালাওয়্যার
ক্লিপার ম্যালাওয়্যার

 

ক্লিপার ম্যালাওয়্যার মূলত কাজ করে ক্লিপের কপি পেস্টের ওপর ভিত্তি করে। হ্যাকার গন খুবই সুন্দর ও সুক্ষ কন্সেপ্ট ব্যবহার করেছে এখানে। তাদের মূল টার্গেট মূলত ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারকারীরা। যেমন ধরুন বিটকয়েন, ইথারিয়াম এইসবের ব্যবহার কারীদের কে হ্যাকার টার্গেট করে। আপনি যখন কারো সাথে আপনার E-wallet এর মাধ্যমে অর্থ লেন দেন করবেন। তখন সব টাকা হ্যাকারের হাতে চলে যাবে।

ড্রোন কি? ড্রোন কিভাবে কাজ করে? বিস্তারিত জানুন

ক্লিপার ম্যালওয়্যার কিভাবে কাজ করে?

ক্লিপার ম্যালাওয়্যার
ক্লিপার ম্যালাওয়্যার

সব কিছুই বুঝলাম, এখন প্রশ্ন হচ্ছে কিভাবে ক্লিপার ম্যালাওয়্যার কাজ করে? ক্লিপার ম্যালাওয়্যার কাজ করে ক্লিপ কপি পেস্টের উপর ভিত্তি করে। আপনি আপনার ডিভাইস ব্যাবহারে সময় কি কি কপি করছেন সব কিছু ক্লিপার ম্যালাওয়্যার মনিটর করে। আপনি যখন কোন E-Wallet এড্রেস কপি করেন ও সেটা পেস্ট করতে যান, তখনই এই ম্যালাওয়্যার আপনার এড্রেসের স্থানে হ্যাকারের দেয়া এড্রেস বসিয়ে দেয়। কিন্তু আপনি বুঝতে পারবেন না এই কারনেই যে, E-Wallet গুলো অনেক বড় হয়ে থাকে। সাধারণত ১৬ ডিজিটের। আমরা এত লক্ষ করি না আসলেই পেস্টের সময় আমাদের দেয়া নিদির্ষ্ট Wallet এড্রেস টি পেস্ট হচ্ছে কি না। যখনই আপনি সেই এড্রেসে টাকা পাঠাবেন বা অন্য কাওকে আপনার সেই এড্রেস টি দিবেন তখনই সকল টাকা গুলো হ্যাকারের এড্রেসে চলে যাবে।

ক্লিপার ম্যালাওয়্যারের ইতিহাস

জিপিএস (GPS) কি? জিপিএস ট্রাকিং কি? এর কাজ করার পদ্ধতি কেমন?

ক্লিপার ম্যালাওয়্যার যে এখনই নতুন আবির্ভুত হচ্ছে তাই না। এটা ২০১৭ সালে প্রথম আমাদের সামনে আসে। যদিও তখন সেটা উইন্ডোজ কম্পিউটার গুলোতে শুধু এট্যাক করা হয়েছিল। পরর্বতিতে এসে এন্ড্রোয়েডের জন্য আলাদা ভাবে ক্লিপার ম্যালাওয়্যার বানানো হয় ও সেই মাল্যাওয়্যার গুলোকে ব্লাক মার্কেটে সেল করা হয়। ২০১৬ সালে ক্লিপার ম্যালাওয়্যারের মত গোলিগান ম্যালাওয়্যারের মাধ্যামে প্রায় ১ মিলিয়ন ডিভাইস আক্রান্ত করা হয়। কিন্তু ২০১৯ সালে এসে সব রেকর্ড ভেঙ্গে দিয়ে এন্ড্রোয়েডের স্টোর গুগোল প্লে তে প্রথম ক্লিপার ম্যালাওয়্যার যুক্ত একটা এপ্স ছাড়া হয়। যেটা গুগল ভেরিফিকেশন করে কোন সমস্যা ছাড়াই মার্কেটে ঢুকে পরে। যদিও এটা ৭ দিনের বেশি গুগোল প্লে তে থাকতে পারে নাই।

বাইনারি সংখ্যা কি? আপনার কম্পিউটার কিভাবে বাইনারি সংখ্যা বুঝে থাকে?

কি ধরণের এপ্সে ক্লিপার ম্যালাওয়্যার থাকতে পারে?

এটা যেকোন ধরণের এপসেই থাকতে পারে। যদিও প্লে ষ্টোরে প্রথম পাওয়া যায় ক্রিপ্টো কারেন্সি চেঞ্জার একটু এপসে। যার নাম MetaMask এটা মূলত একটা ব্রাউজার টাইপ এপস। যেহেতু এটাকে প্রে ষ্টোরে পাওয়া গেছে তাই এটাকে অনেক ধরণের এপসেই ব্যবহার করা যেতে পারে। যদিও গুগোল এটা প্রতিরোধ করার জন্য কাজ করছে। আপনি আরো জানতে এই টুইটার প্রোফাইল টা চেক করুন Lukas Stefanko (@LukasStefanko)

ক্লিপার ম্যালাওয়্যার থেকে কিভাবে সুরক্ষিত থাকবেন?

এটা আসলে অনেক বড় একটা প্রশ্ন। যেহেতু গুগল প্লে স্টোরে এই এপস পাওয়া গেছে, তাই নিজের পক্ষে নিরাপদ থাকা খুবই কঠিন। তারপরেও এর থেকে রক্ষা পেতে হলে আপনাকে একটু সচেতন থাকতে হবে। ক্লিপার ম্যালাওয়্যার কিভাবে কাজ করে সেটা যদি বুঝতে পারেন তাহলে এটা আরো সহজ হয়ে যাবে। আপনি প্লে ষ্টোর থেকে যখন কোন এপস ডাউনলোড করবেন তার পাবলিস ডেট ও ডাউনলোড সংখ্যা দেখুন। কেননা কোন স্ক্যাম এপস খুব বেশি ডাউনলোড হয় না। তাই বেশি ডাউনলোড হওয়া এপস ডাউনলোড করুন। সাথে যদি সম্ভব হয় পপুলার পাবলিশিয়ারের অপস ব্যবহার করুন। এটা ছাড়া এখন পর্যন্ত কোন রকম উপায় এর পথ নাই। যেহেতু প্লে ষ্টোরে এর আপডেট আসে নাই। তাই কিছু দিন ওয়েট করুন।

ক্লিপার ম্যালাওয়্যার
ক্লিপার ম্যালাওয়্যার

শেষ কথা

আশা আমার এই আর্টিকেল আপনার ভাল লাগেছে। আমাদের দায়িত্ব আপনাদের তথ্য দেয়া। কিন্তু সুরক্ষিত থাকার দায়িত্ব আপনার নিজের। ইন্টারনেট যেভাবে সব সুন্দর করে দিয়েছে আমাদের তেমনি ভাবে আমাদের জীবন কে ঝাঝরা বানাই দিতেও পারে। তাই সচেতন থাকবেন। ভাল থাকবেন।

কিভাবে

ফেসবুক আইডি হ্যাক এবং এর বিস্তারিত, কিভাবে আপনার ফেসবুক আইডি টি সুরক্ষিত রাখবেন।

ফেসবুক আইডি হ্যাক একটি সাধারণ বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে, ফেসবুক আইডি হ্যাক নিয়ে আমরা সবায় চিন্তিত। কিন্তু ফেসবুক আইডি হ্যাক হলে কি করবেন?  আজ বলবো কিভাবে ফেসবুক আইডি টি হ্যাক হয়ে থাকে এবং কিভাবে আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হওয়া থেকে বাঁচাবেন? তাহলে চলুন শুরু করা যাক বিস্তারিত আলোচনা।

কিভাবে ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়ে থাকে

আমার নিজের পার্সোনাল দিকে বিবেচনা করে সব থেকে বিরক্তি কর বিষয় হচ্ছে ফেসবুক হ্যাক করার জন্য আরেকজনের কাছে বলা। যেমন মাঝে মাঝেই আমার কাছে অনেকেই বলে ভাইয়া আমাকে একটা ফেসবুক আইডি হ্যাক করে দিবেন? আর যেটা শুনে আমার মেজাজ টা একদম গরম হয়ে যায় । যেটায় হোক ফেসবুক আইডি হ্যাক করার জন্য আপনার থাকতে হবে সাধারণ জ্ঞান কেননা আপনাকে বুঝতে হবে ফেসবুকের ভার্নাবিলিটি খুজ়ে পাওয়া প্রায় অসম্ভব তাছাড়া ফেসবুক হ্যাক করে তারপরে ফেসবুক আইডি হ্যাক করার অসম্ভব বলতে পারেন। সেই ক্ষেত্রে আপনি ভাবতে পারেন তাহলে তাড়া কিভাবে আপনার বা আপনার বন্ধুর ফেসবুক আইডি হ্যাক করেছিল? আপনি একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবুন যেহেতু ফেসবুক হ্যাক করা সম্ভব না তাহলে কিভাবে হতে পারে? অব্যশ্যয় আপনার বা বন্ধুর ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়েছে পাসওয়ার্ড বা কুকিজ চুরি করে।

হ্যাঁ আপনি এটা বিশ্বাস করুন অব্যশয় আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক পাসওয়ার্ড বা কুকিজ চুরির মাধ্যমেই হয়ে থাকে।এটা শুধু ফেসবুকের ক্ষেত্রে না, সকল অনলাইন একাউন্টের ক্ষেত্রে এটা হইয়ে থাকে। এটার মুল কারণ হচ্ছে হ্যাকাররা এই ভাবে হ্যাক করতে পছন্দ করে। এটা বলা হয় সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং। হ্যাকিং এর ৫০% হয়ে থাকে সোসাল ইঞ্জিনিরিং এর মাধ্যমে, আপনার হয়তো বুঝতে সম্যসা হতে পারে সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং টা কি? তাহলে আসুন সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে হালকা কিছু আলোচনা করা যাক। ফেসবুক হ্যাক যে কয়েকটি কারণে হয়ে থাকে

  • ফিসিং লাইন
  • কুকিজ ইঞ্জেক্ট
  • কুকিজ চুরি
  • ম্যান ইন দ্যা মিডিল এট্যাক
  • পাসওয়ার্ড চুরি

আরো পড়ে আসতে পারেন

সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং কি?

সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং | ফেসবুক আইডি হ্যাক
সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং | ফেসবুক আইডি হ্যাক

সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং হচ্ছে হ্যাকিং এর একটি বড় অংশ, যেখানে ভিকটিম কে বোকা বানিয়ে তার কাছে থেকে সকল তথ্য চুরি করে নেয়ে হয়ে থাকে। আপনি যদি এথিক্যাল হ্যাকিং সম্পর্কে জেনে থাকেন তাহলে আরো ভাল করে বুঝবেন। এখন পর্যন্ত যত কম্পিউটার বা অনলাইন একাউন্ট হ্যাক হয়েছে তার ৫৫% হয়েছে সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে। সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং করার কিছু ওয়ে আছে কিন্তু এর জন্য কোন বাধা ধরা নিয়ম নাই। আপনি যেভাবে চান সেইভাবে করতে পারেন, সেটা আপনার ওপর নির্ভর করছে। সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং কিছু জনপ্রিয় মাধ্যম রয়েছে যেমনঃ ফিসিং, কুকিজ চুরি, কন্টেন্ট ডাউনলোড, স্পুফিং, ইমেইল স্পুফিং, পেলোড ইত্যাদি। শুধু এই গুলোই না আরো অনেক আছে। কিন্তু এই গুলো বলে শেষ করা যাবে না। সেই জন্যই আগেই বলে রেখেছি এর কোন বাধা ধরা নিয়ম নাই, আপনি আপনার মত করে করবেন আর আমি আমার মত করে। আসুন সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং করার কিছু পম্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে আসি।

ফিশিং

ফিশিং হচ্ছে সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে কোন কিছু হ্যাক করার সব থেকে জনপ্রিয় পন্থা। তাছাড়া ফেসবুক আইডি হ্যাক হবার ক্ষেত্রেও এটি হ্যাকাররা সব থেকে বেশি ব্যাবহার করে থাকে। ফিশিং হচ্ছে ভিক্টিমের যেই আইডি হ্যাক করতে চান, সেই আইডি লগইন পেজের মত আপনার কাস্টম পেজ বানিয়ে তাকে সেই খানে লগইন করানো।তাহলে হ্যাকার তার কাস্টম ডাটাবেজ থেকে ভিক্টিমের আইডির ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড পেয়ে যাবে। বুঝতে পারেন নি? তাহলে আপনাকে উদাহরণ দিয়ে বুঝাই, ধরুন আপনি হ্যাকার আপনি আপনার বন্ধুর ফেসবুক আইডি হ্যাক করতে চাচ্ছেন। ধরেনি আপনার আপনার বন্ধুর নাম ইমন। আপনি মন স্থির করলেন যে আপনি ইমনের ফেসবুক আইডি হ্যাক করবেন ফিশিং এর মাধ্যমে। তাই আপনি একটি ফিশিং পেজ বানালেন যেতা দেখতে হবে নিচের ছবির মত

phishing attack | ফেসবুক আইডি হ্যাক
phishing attack | ফেসবুক আইডি হ্যাক

এবার আপনি আপনার ফ্রেন্ডকে আপনার কাস্টম পেজের লিংক কোন ভাবে দিলেন ও তাকে লগইন করতে বললেন। সে যদি চালাক হয় তাহলে আপনার লিংক এর URL টা দেখে লগইন করবে, আর সে যদি কোন কিছু না দেখে লগইন করে তাহলে তার ইউজার নেম বা ইমেল ও পাসওয়ার্ড আপনার কাছে চলে আসবে। এই হচ্ছে ফিসিং এর আসল কাহিনী। এটকা শুধু ফেসবুকের ক্ষেত্রে না সকল অনলাইন লগইন পেজের ক্ষেত্রে হতে পারে।তাহলে বুঝতেই পারছেন ফিসিং লাইন টা কি।

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

কুকিজ চুরি

কুকিজ চুরি | ফেসবুক আইডি হ্যাক
কুকিজ চুরি | ফেসবুক আইডি হ্যাক

কুকিজ চুরি এটা অনেকের কাছে নতুন লাগতে পারে, আবার অনেকে এটা অনেক আগেই শুনেছেন। কিন্তু এটা আপনি ১০০% শিওর থাকুন কোন ভাবে যদি আপনার ফেসবুক আইডি টার কুকিজ চুরি হয়ে থাকে সেই ক্ষেত্রে আপনার ফেসবুক ফেসবুক আইডি হ্যাক হবার সম্ভাবনা অনেক অনেক অনেক বেশি। যদি কুকিজ কি জেনে না থাকেন তাহলে আমি তাদের জন্য আরেকটু সংক্ষিপ্ত আকারে বলছি। কুকিজ হচ্ছে এমন কিছু ফাইল যা আপনার ব্রাউজার সেভ করে থাকে আপনি সেই সব সাইট থেকে যেই সব সব সাইটে আপনি ভিসিট করেছেন। যেমন আপনি ফেসবুকে ভিসিট করেছেন এবার আপনি আপনার পাসওয়ার্ড আর ইউজার নেম দিয়ে দিয়ে লগইন করেছেন। এবার আপনার ব্রাউজার একটা কুকিজ আপনার ব্রাউজারে সেভ করেছে।

এছাড়াও কুকিজের অনেক ভাল দিক রয়েছে সেই সব নিয়ে আমরা পরর্বতীতে আরো আলোচয়া করবো। এখন প্রশ্ন আসতে পারে কুকিজ না হয় চুরি করেছে কিন্তু আমার আইডি তে লগইন করবে কিভাবে? আসলে এখানে একটু বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ টা করা হয়। আপনাদের তো আমি আগেই বলেছি হ্যাকিং হচ্ছে বুদ্ধির খেলা :p । কুকিজ চুরির পরে তারা কুকিজ টাকে ইনজ়েক্ট করে দেই। ফলাফল আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক। আর এতা কিন্তু সব থেকে বেশি হয়ে থাকে যারা পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে থাকেন যদিও আমি আর আলোচনা করবো এই বিষয় গুলো নিয়ে।

ইমেইল স্পুফিং

ফেসবুক আইডি হ্যাক হবার পেছনে আরেক টা দায়ী জিনিস হচ্ছে ইমেইল স্পুফিং। আপনাদের মাথাই আসতে পারে এটা আবার কি? যারা বুঝেন না ব্যাপার টা এটা শুধু মাত্র তাদের জন্য :p । ইমেইল স্পুফিং হচ্ছে ফেইক ইমেইল পাঠানো, যেখানে হ্যাকার আপনার কাছে একটা ফেইক ইমেইল সেন্ড করবে ও আপনি যদি সেই ইমেইল টা বিশ্বাস করে তাদের দেয়া স্টেপ গুলো সম্পূর্ন করেন তাহলে আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হতে পারেন। এখানে তারা সব থেকে বেশি ব্যবহার ফিশিং লাইন সিস্টেম। এখানে আমি সব বিষ্যে খোলা খুলি করে বলতে পারছি না, কেননা আমি চাইনা একজন আরেক জন এর ক্ষতি করুক। আমি চাই সবাই যেন নিজের আইডি টিকে সুরক্ষিত রাখতে পারে, কেননা ফেসবুক একাউন্ট বা অনলাইন একাউন্ট পারসোনাল জিনিস। সেটা যদি আরেকজনের কাছে চলে যায় তবে সেটা মারাত্তক ক্ষতি করতে পারে আরেক জনের জীবনে।

পেলোড

পেলোড এটা আবার কি? কি পেলোড নিয়ে ভাবছেন তো? তাহলে আসুন জেনে নিই পেলোড টা আসলে কি? পেলোড হচ্ছে হ্যাকার দের তৈরি এমন একধরনের সফটওয়্যার যেটা আপনার পিসি বা মোবাইলে ইন্সটল দিলে হ্যাকার আপনার ডিভাসের সিকল তথ্য পেয়ে যাবে।  ভাল করে বুঝেন নাই ব্যাপার টা? আসুন আরেকটু ভাল করে বুঝায় দিই। আসলে পেলোড হচ্ছে একধরেন সফটওয়্যার আপনি এটা কে ম্যালায়রও বলতে পারেন। হ্যাকার যদি আপনার ডিভাইসে এটা কোন ভাবে প্রবেশ করাতে পারে তাহলে আপনার ডিভাইসের সকল তথ্য সে পেয়ে যাবে। সে যে শুধু তথ্য পেয়েই বসে থাকবে তা না, আপনি কখন কি করছেন সব কিছুর তথ্য সে পেতেয় থাকবে। এটা বেশি হয়ে পর্ন সাইটে বেশি ভিসিট করলে, আন-ট্রাস্টেট কোন সাইট থেকে কিছু ডাউনলো্ড করলে, পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করলে।

এতক্ষন ধরে তো বুঝতেই পারলেই কি কি কারনে ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়ে থাকে, যদি আরো অনেক কারণ আছে ফেসবুক হ্যাক হবার জন্য। কিন্তু এখন তো আর এতো কিছু আলোচনা যাবে না। আপনাদের আমি পরর্বতীতে আরো কিছু মেথড এর কথা বলবো যেন আপনারা আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারেন।

তাহলে আসুন যেনে নিই কিভাবে আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাকার থেকে সুরক্ষিত রাখবেন?

কোন ডিসপ্লে আপনার জন্য সেরা? ডিসপ্লের প্রকারভেদ নিয়ে বিস্তারিত

আপনার ফেসবুক আইডি টি কিভাবে সুরক্ষিত রাখবেন

অনেকক্ষন ধরে তো অনেক কিছুই বললাম, কি কি কারণে ফেসবুক হ্যাক হয়ে থাকে সেই বিষয় গুলো নিয়েও আলোচনা করলাম। এবার আসুন জেনে নিই কিভাবে আপনার ফেসবুক আইডি টি হ্যাকার থেকে রক্ষা করবেন।

  • নিজের ফেসবুক একাউন্টের ইমেইল বা ফোন নাম্বার কারো সাথে শেয়ার করবেন না, যদি পারেন তাহলে ফেসবুক থেকে আপনার ইমেইল ও ফোন নাম্বার Only Me করে রাখুন।
  • পাবলিক ওয়াই-ফাই বা ফ্রি ওয়াই-ফাই চালানো বাদ দিন, কেননা পাবলিক ওয়াই-ফাই  চালানোর কারণে আপনার ডিভাইসে পেলোড বা কুকিজ ইনজেক্ট করে হ্যাক করতে পারে।
  • যেকোন পেজে লগইন করবেন না, লগইন করার আগে আপনি অব্যশয় URL টা ভাল করে দেখে নিন। কেননা আপনি যে পেজে লগইন করতে চাচ্ছেন এটা সেই পেজ না হতেও পারে। বিশেষ করে এই একটা কারণে সব থেকে বেশি ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়ে থাকে। তাই ফিসিং থেকে বাঁচতে একটু সচেতন হোন।
  • সকল ইমেইল খুলেও দেখবেন না। কোন ইমেইল যদি আপনার কাছে সন্দেহ জনক মনে হয় তাহলে সেই ইমেইল টা খুলেও দেখবেন না। একটা কথা মনে রাখবেন ফেসবুক কোন দিন আপনাকে লগইন না করলে ডিসেবল করে দিব এই সব কিছু বলবে না। তাই এই বিষয় নিয়ে সর্তক হওন।
  • যেমন তেমন সফটওয়ার আপনার ডিভাইসে ইন্সটল দিবেন না, অব্যশয় দেখে ডাউনলোড করবেন আপনি আসলে কি ডাউনলোড করছেন। তাছাড়া এপ্স স্টোর ছাড়া অন্য কোথাও থেকে কিছু ডাউনলোড না করায় ভাল।
  • নিজের ফেসবুক আইডি অন্যর ডিভাইসে লগইন করবেন না।
  • অব্যশয় আপনার ফেসবুকের 2 Step Verification অন করে নিন।
  • সব থেকে বড় কথা একটা স্ট্রোং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন

আশা করা যায় এই বিষয় গুলো খেয়াল রাখলে আপনার ফেসবুক আইডি টা যথেষ্ঠ পরিমান সুরক্ষিত থাকবে।

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

কিভাবে 2 Step Verification আনেবল করবেন

আমরা অনেকেই জানি না কিভাবে ফেসবুকে 2 step verification আনেবল করতে হয়, আবার অনেকেই আছে যারা জানেই না আসলে 2 Step Verification কি? সম্যসা নাই, আমি বলে দিচ্ছি এটা আসলে কি। 2 Step Verification হচ্ছে একটা সিস্টেম, যেখানে আপনি নতুন যেই ডিভাইস দিয়ে লগইন করবেন আপনার ফোন নাম্বারে একটা কোড (OTP) আসবে। যদি আপনি সেটা দিতে না পারেন তাহলে আপনার ফেসবুক পাসওয়্যাড দেওয়ার পরেও লগইন করতে পারবেন না। তাহলে বুঝতেই পারছেন এটা কতটা সিকিউর অপশন? আপনি যদি এটাকে আনেবল করতে চান তাহলে

আপনাকে প্রথমে ফেসবুকে লগইন করতে হবে।

আপনার সেটিংস অপশনে যান

তারপরে আপনি security and Login অপশনে যান।

এবার নিচের দিকে যান ও Use two-factor authentication অপশনে ক্লিক করুন

ও এটা অনেবল করে দিন ও আপনি যেই যেই নাম্বারে অপনার OTP কোড টা নিতে চাচ্ছেন সেই নাম্বার গুলো এড করে দিন।

আশা করা যায় এই 2 factor authentication আপনার ফেসবুক টাকে যথেষ্ঠ পরিমান সিকিউর রাখবে।

কিভাবে রিপোর্ট থেকে বাঁচবেন

অনেক সময় দেখা যায় আমাদের আইডি টা অনেক রিপোর্টের কারণে ব্লক হয়ে যাচ্ছে। অনেকেই আছে এটা করে থাকে শত্রুতার কারণে অনেকেই আছে এটা করে থাকে ভাল কাজে। কিন্তু বেশির ভাগ সময় দেখা যায় এটা করা হয়ে থাকে খারাপ কাজে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কিভবে আপনার ফেসবুক আইডি টা রিপোর্টের হাত থেকে রক্ষা করবেন? আমার কাছে এর সব থেকে ভাল উপায় হচ্ছে যখন আপনি বুঝতে পারবেন আপনার ফেসবুক আইডি টাই বার বার রিপোর্ট পরছে  তখনই আপনার আইডি টা ডিএকটিভ করে ফেলুন। এতে করে রিপোর্টের ভয় কিছু টা কমে যাবে। পরবর্তিতে আপনার ফেসুবুক আইডি টা আবার একটিভ করে ফেলুন। পরের বিষয় হচ্ছে আপনার ফেসবুক আইডি টা ভেরিফাই করে ফেলুন।

আপনার আইডি কার্ড বা জন্ম সনদ দিয়ে ভেরিফাই করুন। ভেরিফাই করার সময় অব্যশ্যয় মাথায় রাখবেন আপনার ফেসবুকের নাম ও আইডি কার্ড বা জন্ম সনদের নাম যেন একই থাকে। সাথে জন্ম তারিখ যেন মিল থাকে, এর বিপরিত হলে আপনার আইডি টা ব্লক হয়ে যেতে পারে। পরের স্টেপেই বলব আপনি আপনার আইডিতে কিছু ফেসবুক ডেভেলপার এপ চালু করুন। সেই গুলো কে অব্যশ্যয় টেস্ট মুড থেকে রান করে করে দিবেন। তবে আপনি যদি ডেভেলপার এপ চালু করেন আপনার ফেসবুক আইডি ডি-একটিভ হবে না। কিন্তু এর ফলে আপনার আইডি টি অনেক সুরক্ষিত থাকবে। কেননা ফেসবুক তাদের ডেভেলপারদের প্রাধান্য একটু বেশি দিয়ে থাকে। যদিও আমি পরের আর্টিকেলে কিভাবে ডেভেলপার এপ বানাবেন ও আইডি কার্ড দিয়ে ভেরিফাই করেন শিখায়ে দিব।

পরিশেষে এই কথা টাই আমরা বলতে পারি যে ফেসবুক আসলে তাদের সার্ভারে এট্যাক করে হ্যাক করা অনেক টা অসম্ভব যদিও অনলাইন জগতে কোন কিছুই অসম্ভব না। কিন্তু আমাদের ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়ে থাকে আমাদের অসচেতনার জন্য, আমরা যদি একটু সর্তক হয়ে ইন্টারনেট জগতে ঘুরাঘুরি করি তাহলে কিন্তু এই সম্যসার মধ্য পরতে হয় না। তারপরেও আমি যেই বিষয় গুলো খেয়াল রাখতে বলেছি সেই বিষয় গুলো মাথায় রেখে যদি আপনি ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তাহলে আশা করা যায় আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হবে না।

আজকের মত এইটুকুই, আপনাদের মতামত আশা করছি। কেননা আমাদের লেখাই আপনাদের জন্য আপনারা যদি মতামত না দেন আমাদের লেখার আগ্রহ টা কমে যায়। তাই যদি ভাল লেগে থাকে বা কোন প্রশ্ন থাকে কমেন্ট করে জানাবেন। যে কোন ধরণের হেল্পের জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। আমাদের গ্রুপের লিংক

Add your widget here