অ্যান্ড্রয়েড

অ্যান্ড্রোয়েডের অজানা ৭ টি ফ্যাক্ট

আপনি যদি একজন Android ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে android এর কিছু মজার বিষয় আপনার জানা দরকার। Android এর এমন কিছু ফ্যাক্ট রয়েছে যা আপনি জানেন না।
ফ্যাক্ট পর্বের আগের আর্টিকেলে আপনারা দেখেছিলেন অ্যান্ড্রোয়েডের মজার ৫ টি ফ্যাক্ট । আজকে আপনারা দেখবেন অ্যান্ড্রোয়েডের অজানা কিছু ফ্যাক্ট। যা আপনি জানতেন না আগে।

১। Android কে প্রথমে মূলত স্মার্টফোনের জন্য বানানো হয়নি, বানানো হয়েছিল ডিজিটাক ক্যামেরার জন্য।

২। সকল Android Mobile ভার্সনের নাম ইংলিশ অ্যালফ্যাবেট A থেকে পর্যায়ক্রমে শুরু হয়েছে, Astro, Bender, Cupcake, Donut, Eclair, Froyo, Gingerbread, Honeycomb, Ice Cream Sandwich, Jelly Bean, KitKat, Lollypop, Marshmallow, Nougat, Oreo, Pie । আসলেই এটা কিন্তু আগে ভেবে দেখি নি আমরা।

৩। Phandroid হচ্ছে প্রথম ডেটিকেটেড ওয়েবসাইট, যারা Android নিয়ে ব্লগ, রিভিউ করেছে। এটা ২০০৭ সালে প্রথম যাত্রা শুরু করে।

৪। Android 3.0 Honeycomb একমাত্র ফোন যেটা শুধু মাত্র ট্যাবলেটের জন্য বানানো হয়েছিল, যেটাকে লাঞ্জ করা হয়েছিল Motorola Zoom ফোনে। কিন্তু সত্য কথা বলতে পুরাই লস প্রোজেক্ট।

৫। আমরা জানি বেশির ভাগ Android এপস ফ্রি কিন্তু সকল পেইড ও ফ্রি এপস যদি একসাথে গড় করা যায় তাহলে প্রতিটি এপস এর দাম পরবে 0.06$ বা ৪-৫ টাকার মত।

৬। অ্যান্ড্রোয়েডের লোগোকে আমরা Android হিসাবে জানলেও গুগল আন অফিশিয়াল ভাবে ডেকে থাকে Bugdroid নামে। আপনি গুগলে সার্চ দিন Bugdroid নামে, দেখবেন অ্যান্ড্রোয়েডের লোগো চলে আসবে।

৭। অ্যান্ডোয়েডের লোগোটার আইডিয়া নেয়া হয় মূলত ছেলেদের টয়লেটের দরজার লোগো থেকে। একটু ভেবে দেখুন, মিল টা নিজেই ধরতে পারবেন।

আশা করি ভাল লেগেছে, আমাদের কনটেন্ট রেগুলার পেতে বাম পাশের লাল সাবস্ক্রাইব বাটনটি ক্লিক করুন। কোন ধরণের স্প্যাম ছাড়ায় আপনার ব্রাউজারে আমাদের সর্বশেষ কনটেন্ট পৌছিয়ে যাবে।

 

অ্যান্ড্রয়েড

আইফোন বেস্ট নাকি এন্ড্রোয়েড বেস্ট

আপনি যদি স্মার্টফোন ব্যবহাত করেন তবে একটা প্রশ্ন মাথায় আসবে, আইফোন ভাল নাকি এন্ড্রোয়েড ভাল? আর এই প্রশ্নের উত্তরের জন্যই আপনি এখানে এসেছেন। এখানে সম্পূর্ণ মতামতটি আমার নিজের। তাই বেশি আপনার সাথে না মিলে থাকলে বেশি প্যানিক নিবেন না। আপনার মতামত কমেন্টে জানিয়ে দিবেন।

মূলত আমার কাছে মনে হয় আইফোনের থেকে এন্ড্রোয়েড ফোন ব্যবহার করা আমাদের জন্য ভাল। কেননা আপনাকে ফোনের সাথে সাথে নিজের অবস্থানের একটা বাস্তবতায় আসা লাগবে। আমিও মেনে নিচ্ছি ফিচার ও সিকিউরিটির দিক দিয়ে আইফোন বেস্ট কিন্তু আমরা আজ এই বিষয়টা নিয়ে কথা বলবো না। কেননা এটা আমরা জানি।

আপনি যদি একজন আইফোন ইউজার হয়ে থাকেন, তবে আপনাকে বিভিন্ন ধরণের ঝামেলার সম্মুক্ষিন হতে হবে। যেমনঃ আপনি আপনার প্রয়োজনীয় অনেক এপস পাবেন না। এবার আসুন বাস্তব কথায়, আইফোন ইউরোপের কান্ট্রিতে চলে। কেননা তারা সব কিছু খোঁজে প্রিমিয়াম। কিন্তু আপনি বা আমি কি খুঁজি? ক্র্যাক!

আইফোনে আপনি ক্র্যাক সফটওয়্যার ইউজের কথা চিন্তা কইরেন না। ফ্রি ইউজ করেন বাকি গুলো কিনে ইউজ করেন। কিন্তু এন্ড্রোয়েড ব্যবহারকারীরা আরামে সব কিছু ইউজ করতে পারে। যদি কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা হয়। তবে সেটা আইফোনের তুলনাই সামান্য।

আমরা একটা গান কিনে শোনার কথা ভাবিও না, কিন্তু আইফোন ইউজার হতে গেলে এটা ভেবেই ব্যবহার করা উচিৎ। কেননা এন্ড্রোয়েডে যেমন সিম্পল ভাবে ডাটা ট্রান্সফার বা ডাউনলোড করা যায়, আইফোনে এতটা সিম্পল না মোটেও।

আর যদি আপনি দামের কথা চিন্তা করেন, তাহলে তো আইফোন হচ্ছে বড় লোকের ব্যাটির লম্বা লম্বা চুল। কিন্তু বাস্তবে আমরা কি? সেই দিক থেকে আইফোন বেস্ট নাকি এন্ড্রোয়েড?

আর আপনি যদি একজন এডভান্স লেভেলের পাবলিক হয়ে থাকেন, তাহলে এন্ড্রোয়েডকে রুট করে যা ইচ্ছে বানাতে পারবেন। কিন্তু আইফোনে এমন সম্ভব না।

আসলে পয়েন্ট দিতে গেলে হাজারো পয়েন্ট দেয়া যাবে। কিন্তু তারপরেও ইচ্ছা ও শখ বলে একটা কথা আছে। যার যেটা ভাল লাগবে তারা সেটা কিনবে।

অ্যান্ড্রয়েড

শাওমি এমআই এ ১; বাজারে এলো শাওমির নতুন ডিভাইজ।

শাওমি এমআই এ ১
শাওমি এমআই এ ১

শাওমি এমআই এ ১; বাজারে এলো শাওমির নতুন ডিভাইজ।

Xiaomi Mi A1 হল  চীনের তৈরী প্রথম স্মার্টফোন, যার dual-rear camera আছে । প্রায় ছয় মাস আগে চীনা কোম্পানি মাই আই এ 1 এন্ড্রয়েড ওয়ান স্মার্টফোনের জন্য গুগলের সাথে কাজ করতে শুরু করেছে । অ্যান্ড্রয়েড এবং গুগল মিলে নতুন এক ডিভাইস চালু করেছে, যেটা শাওমি এমআই এ-1 এন্ড্রয়েড । শোনা যাচ্ছে, শাওমি এমআই এ ১ ব্যাপকভাবে “created by Xiaomi and powered by Google” এই টাইটেলে ব্যাপকভাবে বাজারজাত করা হচ্ছে । আমরা এম্নিতেই জানি শাওমি কি জিনিস! চায়না আই ফোন বলে হয়ে থাকে এই ডিভাইস টিকে! এর সাথে আবার যুক্ত হয়েছে গুগল মামু! তাইলে বুঝেন, মানুষকে কি পরিমাণ আকৃষ্ট করতে পারে এই ডিভাইস?

এই বছরের শেষ নাগাদ অ্যান্ড্রয়েড 8.0 ওরিও আপডেট করার জন্য ইতিমধ্যেই Mi A1 এর নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে এবং এটি খুব প্রারম্ভিক হলেও, পরবর্তী বছরের অ্যান্ড্রয়েড পি লঞ্চটি ও কিন্তু আপডেটের সময়ের মধ্যে পড়ে । সূতরাং, এই ডিভাইস টা-যে ভালো মার্কেট পাবে তা বোঝায় যাচ্ছে! এর বেশ কিছু ফিচারও রাখা হয়েছে দর্শক দের আকৃষ্ট করার জন্য ।

এই চোখ কপালে তোলা ফিচার গুলোর ব্যাপারে আলোচনা করার আগে, আসেন শাওমি সম্পর্কে একটু ধারনা দেই আগেঃ

শাওমি বা শাওমি ইনকর্পোরেট হচ্ছে একটি প্রাইভেট চীনা ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি ।বর্তমানে এটি বিশ্বের ৪র্থ বৃহত্তম স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান । শাওমির সদর দপ্তর, চীনের বেইজিং এ অবস্থিত । শাওমি ২০১০ সালের ৬ এপ্রিল মোট আটজন সহযোগীর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং ২০১০ সালের ১৬ আগস্ট তারিখে, শাওমি আনুষ্ঠানিকভাবে এর প্রথম অ্যান্ড্রয়েড-ভিত্তিক ফার্মওয়্যার এম,আই,ইউ,আই (MIUI) চালু করে ।  এবং এটি আনুষ্ঠানিক ভাবে বাংলাদেশে বাজারজাত শুরু করে ২০১৬ সালের আগস্টে ।

শাওমির ব্যবসায়ের সবথেকে অভিনব উপায় হল, এটি পন্যের দাম প্রায় তৈরী দামের কাছাকাছি রাখে । যদিও এ ক্ষেত্রে ফোনের গুণগত মান এবং কর্মক্ষমতা অন্যান্য প্রিমিয়াম স্মার্টফোনের তুলনায় কোনও অংশে কম নয় । বরং, দাম অনুপাতে এর মান যথেষ্ট ভাল । ২০১৫ সালে শাওমি ৭০.৮ মিলিয়ন ইউনিট বিক্রি করে এবং কোম্পানিটি স্মার্টফোনের বিশ্ব বাজারের শেয়ারের প্রায় ৫ শতাংশ অধিকার করে নেই । এছাড়া, এমআইটি টেকনোলজি রিভিউ অনুসারে শাওমি ২০১৫ সালের ৫০টি অন্যতম স্মার্ট কোম্পানির তালিকায় ২য় স্থানে রয়েছে ।

তবে উল্লেখ্য, শাওমি ২০১৫ এর ৬ এপ্রিল এমআই ফ্যান ফেস্টিভ্যাল এর মাধ্যমে এর ৫ম জন্মদিন উপলক্ষে, অফার এবং ডিসকাউন্ট সুবিধাসহ একটি অনলাইন শপিং ডে পালন করে । শাওমি তার কাস্টমাদের জন্য সরাসরি পরিচালিত ওয়েবসাইট এমআই ডট কম এর মাধ্যমে ২১,১২,০১০ টি হ্যান্ডসেট বিক্রি করে, যা “২৪ ঘন্টার মধ্যে একক অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সবচেয়ে বেশি মোবাইল ফোন বিক্রির” বিশ্ব রেকর্ড! এবং এই রেকর্ড  গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে স্থান করে নেয় ।

গত বছর মোবাইল ফোনের বাজারে শাওমি এমআই ৫ এন্ড্রয়েড স্মার্টফোন সকলের দৃষ্টি কেড়েছিল । আর এবার এই চীনা কোম্পানিটি নিয়ে এসেছে আরো একটি ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস- শাওমি এমআই এ১ স্মার্টফোন ।

বকবক অনেক করলাম, এবারে চলুন ফিচার কী কী আছে এক নজরে দেখে নেওয়া যাকঃ

লুক এবং ডিজাইনঃ

সংক্ষিপ্তভাবে, Mi A1- র নকশাটি OnePlus 5 এবং Xiaomi Redmi Note 4. এর মধ্যে একটি প্রেমচিহ্ন বলা যেতে পারে । ফোনটির দেখার পর মূলত আপনাকে রেডমী নোট 4-এর কথা মনে করিয়ে দেবে, এতে অবাক হবার কিছু নাই মামা! দু’টোই তো এক গোয়ালের গরু, তাইনা? তবে এটির পিছনে লুক টা অনেকটা OnePlus মত অনেক দেখায় ।

প্রথম নজরে এ, Mi A1 তার minimalistic  প্রিমিয়াম ডিজাইন এবং পুরো মেটাল চ্যাসিস বডিটাই মূলত ইম্প্রেস করবে আপনাকে । ফুল মেটালিক বডির এই স্মার্টফোনটিতে আছে ৫.৫ ইঞ্চি ফুল এইচডি ডিসপ্লে । এটা অন্যান্য শাওমি ডিভাইজ গুলোর তুলনায়, তুলনা মূলক ভাবে স্লিম এবং ব্যবহারে বেশী আরাম দায়ক হবে । খুব বেশী ভারি বা কুব বেশী হালকা করা হয়নি, যতটুকু ওজন হলে হাতে ধরে আরাম পাওয়া যাবে, ততটুকুই ওজন রাখা হয়েছে । ফোনটির ওজন মূলত 165 গ্রাম । এছাড়া, ৫.৫ ইঞ্চির ডিসপ্লে । আপনি এক হাতেই ফোন টি কন্ট্রোল করতে পারবেন ।

পিছনে ফিঙ্গার প্রিন্ট স্কানার অপশন রয়েছে । আপনি এটাও এক হাত দিয়েই কন্ট্রোল করতে পারবে । যখন দরকার, শুধু পকেট থেকে বের করবেন, আর চাপ দিবেন ব্যাস! হয়ে গেল! একটি সাইড বাটন আর ফিঙ্গার প্রিন্ট সেন্সর আপনার ব্যবহার কে নতুন মাত্রা এনে দিবে! নিচে একটি ইউ,এস,বি সি কানেক্টর রয়েছে, এটির সাথে সংযোগ করে আপনি জোরে একটি স্পীকার বাজাতে পারবেন এবং ৩.৫ এমএম জ্যাক লাগাতে পারবেন ।

এই ফোনটি আপনার ফোনের সেটআপের মত পছন্দ অনুযায়ী তার উপর নির্ভর করে ক্যাপাসিটিভ অ্যানড্রয়েড কীগুলি ব্যবহার করছে । তবে, সামগ্রিকভাবে, আমি মনে করি এটি এখন পর্যন্ত মূল্য সেগমেন্টে এটিই সেরা ডিজাইনের Xiaomi ডিভাইস । এটির একটি রিফ্রেশিং নতুন ডিজাইন ল্যাঙ্গুয়েজ রয়েছে, যা আমরা সম্প্রতি Mi Max 2 এর সাথে দেখেছি ।

স্পেসিফিকেশনঃ

Xiaomi Mi A1 একটি অক্টা-কোর কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন 6২5 প্রসেসর দ্বারা পরিচালিত হবে যা আমরা পূর্বে Redmi Note 4 এবং Mi Max 2 এ ব্যবহার হতে দেখেছি । ৪ জিবি র‍্যাম রাখা হয়েছে ডিভাইস টিতে । সেই সাথে আছে ৬৪ জিবি স্টোরেজ এবং একটি মাইক্রোএসডি কার্ড ব্যবহার করে ১২৮ জিবি পর্যন্ত স্টোরেজ বারানো যাবে । অন্যান্য শাওমি ডিভাইজের মতই, Mi A1 একটি হাইব্রিড ডুয়াল সিম ডিজাইন রয়েছে যার মানে আপনি দুটি ন্যানো সিম বা একটি ন্যানো সিম এবং একটি মাইক্রোএসডি কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন ।

এটি অ্যানড্রয়েড 7.1.2 নওগাট অপারেটিং সিস্টেমে চলবে । যা কোনও অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের জন্য পাওয়া নুগ্যাটের সবচেয়ে সাম্প্রতিক বা লেটেস্ট সংস্করণগুলোর একটি । গুগল বলেছে যে Mi A1 ক্রেতাদের ফটো এবং ভিডিওগুলির জন্য সীমাহীন উচ্চ মানের স্টোরেজ থাকবে, যা সমস্ত অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনগুলির মধ্যে থাকা একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য এবং এটি তাদের প্রকৃত মানের আনলিমিটেড ছবি এবং ভিডিও ব্যাকআপের  সুবিধা দিচ্ছে, যেমন তা গুগলের পিক্সেল ফোন গুলতে আছে। এছাড়া এটি নতুন অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ওরিও ৮.০ এও আপডেট করা যাবে ।

ডিসপ্লেঃ

Mi A1 একটি 5.5 ইঞ্চির ফুল এইচডি ডিসপ্লেটিকে 2.5 ডি বাঁকানো গ্লাস, এবং কোর্নিং গরিলা গ্লাস 3 দিয়ে একদম সুরক্ষায় শীর্ষে রেখেছে । ডিসপ্লেটি বেশ উজ্জ্বল এবং টেক্সট এবং ছবি তীক্ষ্ন । ফোনটি একটি পূর্ণ-এইচডি (1080×1920-পিক্সেল) রেজল্যুশন এর ফলে সূর্যের আলোতেও ডিসপ্লে দেখা যাবে । তাই রোদের মাঝেও এখন আপনি রাস্তায় হাটতে হাটতে চ্যাটিং করতে পারবেন ।

ক্যামেরাঃ

Xiaomi Mi A1 এর দ্বৈত ক্যামেরা তার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে একটি । এটি শাওমির প্রথম ডুয়েল ক্যামেরা প্রযুক্তির একটি ফোন । ধারণা করা হচ্ছে বাজারে বিদ্যমান আইফোন ৭ এস বা ওয়ান প্লাস ৫ এর চেয়ে ভালো ছবি তুলবে এই স্মার্টফোনটি । কারন এতে ব্যবহার করা হয়েছে ২টি ডুয়েল ক্যামেরা, যা ১২ মেগাপিক্সেলের। যা কিনা ওয়াইড এঙ্গেল ও টেলিফটো দুটোতেই ভালো মানানসই হবে । এতে ব্যবহার করা হয়েছে ২এক্স অপটিক্যাল লেন্স । আর সেইসাথে সেলফি তোলার জন্য থাকছে ৫ মেগাপিক্সেলের আরেকটি ক্যামেরা । পিছনের ১২ এমপি ওয়াইড-এঙ্গেল লেন্স এবং ১২ এমপি টেলিফো লেন্স রয়েছে যা একসঙ্গে কাজ করবে এবং depth-of-field ইফেক্ট ফেলবে । যেটাকে আমরা মূলত বোকস ইফেক্ট বলি! তাই, এই ফোন ব্যবহারে আপনাকে আর কষ্ট করে ফটোশপ দিয়ে বোকস ইফেক্ট ফেলা লাগবে না! জাস্ট ক্লিক করবেন, একা একাই হয়ে যাবে! তাছাড়া, টেলিফোটো লেন্স এর কারণে আপনি 2x অপটিক্যাল পর্যন্ত জুম করতে পারবেন ।

ব্যাটারিঃ

দীর্ঘ সময় ফোনটি ব্যবহার করার জন্য এতে থাকছে নন-রিমুভেবল ৩০৮০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি । দ্রুত চার্জিং এর জন্য থাকছে ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি । এর ফলে ব্যবহারকারী রা খুব দ্রুত ফোন চার্জ দিতে পারবে । ৩০৮০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি ফোনটিকে ১৫ ঘন্টার উপর ব্যাক-আপ দিবে ।

আশা করি আপনি ফিচার গুলো বুঝতে পেরেছেন । চলুন এক নজরে আবারও ফিচার গুলো দেখে নেওয়া যাকঃ

১। অক্টা-কোর কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন 6২5 প্রসেসর ।

২। অ্যানড্রয়েড 7.1.2 নওগাট অপারেটিং সিস্টেমে চলবে এবং ওরিও ৮.০ তে আপডেট করা যাবে ।

৩। ৫.৫ ইঞ্চি ডিসপ্লে ।

৪। 1080 x 1920 pixels রিজলেশন ।

৫। ৬৪ জিবি ইন্টারনাল মেমরি । মাইক্রো এসডি দিয়ে ১২৮ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে ।

৬। ডুয়েল সিম ।

৭। ৪ জিবি র‍্যাম ।

৮। ১২ মেগাপিক্সেলের ডুয়েল ক্যামেরা, ৫ মেগাপিক্সেলের ফন্ট ক্যামেরা ।

৯। 2x অপটিক্যাল জুম এবং এল,ই,ডি ফ্ল্যাশ ।

১০। [email protected], [email protected] ভিডিও ফরমেট ।

১১। ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর ।

১২। নন-রিমুভেবল ৩০৮০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি ।

১৩। ফাস্ট চার্জিং টেকনোলজি ।

১৪। তিনটি রঙ-এ ফোনটি পাওয়া যাবে কালো, গোল্ড এবং রোজ গোল্ড ।

১৫। ফোনটির দাম ধরা হতে পারে, ২৪০ ইউরো বা ২৩৪ ডলার মত । যা বাংলাদেশী প্রায় ২০ হাজার টাকার মত ।

এছাড়াও অন্যান্য সাধারণ ফিচার গুলোও আগের মতই বিদ্যমান রয়েছে ।

পরিশেষে, এটাই বলব, বিগত ফোন গুলোর মত শাওমির এই সংস্করণটাও ভাল ব্যবসা সফল হবে বলে আশা করতে পারি । এটা যে আহামরি কোন বিশেষ বিশেষ ফিচার রেখেছে, তাও কিন্তু না! ‘মানে কেটে যায়’ ব’লে একটা কথা আছে না? এ ক্ষেত্রেও তাই! কম মূল্যে ভাল ফিচারের জন্য শাওমির তুলনা হয়না! সেইসাথে এবার গুগলের মত কোম্পানি যৌথ ভাবে ফোনটি বানিয়েছে । তাই, অনেকটা নামে পরেও মানুষ এই ফোনের দিকে ঝুকে পরবে! ফোনটি আসলে ব্যবহারে কেমন হবে, তা ব্যবহার করার পরেই জানা যাবে! আর সেই জন্য বাজারে ফোনটি আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করাই লাগবে! যায়হোক, মিঃ শাওমি, শুভকামনা রয়লো আপকামিং ফোনের জন্য ।

আরও পড়তে পারেনঃ

অ্যান্ড্রয়েড

অ্যান্ড্রোয়েড এর নতুন সংস্করণ ওরিও ৮ আসছে বাজারে।ফিচার গুলো জেনে নিন

অ্যান্ড্রোয়েড ওরিও ৮
অ্যান্ড্রোয়েড ওরিও ৮

অ্যান্ড্রোয়েড এর নতুন সংস্করণ ওরিও ৮ আসছে বাজারে। জেনে নিন, লেটেস্ট ফিচার গুলো। 

গুগল নিয়ে এলো ভিন্ন স্বাদে মজাদার ওরিও! কি ভাবছেন? না, ভাই! আমি ওরিও কুকিজের কথা বলিনি। এই ওরিও আপনি খেতে পারবেন না, শুধু ব্যবহার করতে পারবেন! অবশেষে গুগল অ্যান্ড্রোয়েড নতুন অপারেটিং সিস্টেম বাজারে আনতে চলেছে ‘অ্যান্ড্রোয়েড ওরিও ৮।‘ অনেক দিন ধরেই কানাঘুষা চলছিল গুগলের Android O অপারেটিং সিস্টেমের ব্যাপারে। কিন্তু, এই ‘O’ বর্ণ দিয়ে আসলে কি নাম রাখা হবে তা নিয়ে কৌতূহল ছিল মানুষের মাঝে। গুগলের প্রমোশনাল ভিডিও প্রকাশের পর অনেকের মনে জল্পনা তৈরি হয়েছিল যে অ্যান্ড্রয়েড ৮ সংস্করণটির নাম হতে পারে অ্যান্ড্রয়েড ওরিও কিংবা ওটমিল কুকি জাতীয় কিছু। শেষ পর্যন্ত ‘ও’ দিয়ে একটি নাম ঠিক করেছে গুগল। ‘ও’ দিয়ে নাম রেখেছে ‘ওরিও’।

ওরিও কি আমরা সবাইই জানি। ওরিও হচ্ছে বিশ্ব বিখ্যাত মজাদার কুকি। গুগলের অপারেটিং সিস্টেম গুলোর নাম রাখা হয় সাধারণত খাবার বা মিষ্টির নাম অনুসারে। অতীতে আমরা দেখেছি, কিটক্যাট, ললিপপ, নোগাট, মার্সম্যালো, স্যান্ডউইচ, জেলি বিন, ইত্যাদি খাবারের নামে বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমের নাম রাখতে। সেই আভিজাত্য বজায় রেখে এবারও গুগল ব্যাতিক্রম না করে বিখ্যাত বিস্কেট ওরিও’র নামে নাম রাখলো।

অ্যান্ড্রয়েড ‘ও’ মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের বিটা বিল্ড সংস্করণ উন্মুক্ত করার প্রায় পাঁচ মাস পর এর নাম ঠিক করলো গুগল। তবে মনে হতে পারে গুগল হঠাত কুকিজের নামেই বা নাম রাখতে গেল কেন? গুগল মনে করে, তাদের এই প্ল্যাটফর্ম যত খানি স্মার্ট, ক্ষিপ্র এবং শক্তিশালী, ততখানিই না-কি তারা মিষ্টি। তাই বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় কুকিজকে এ বারে থিম করা হয়েছে। এবং নাম দেওয়া হয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ৮.০ ওরিও।

গত মার্চে এর বিটা সংস্করণ আসে। এটি আসার পর এটিকে এটি পাঁচটি ডেভেলপার প্রিভিউয়ের মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বরাবরের মত  গুগল নতুন সংস্করণ টিকে প্রথমে ডেভেলপারদের ব্যবহার করতে দিয়েছিল, যাতে তাঁরা এই অপারেটিং সিস্টেম এবং ডিজাইনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ  অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন। পাঁচটি ডেভেলপার প্রিভিউয়ের মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর গত মাসের শুরুর দিকে এর সর্বশেষ প্রিভিউ টি এসেছে। গুগল এর সংস্করণটিতে বেশ কিছু নতুন ফিচার যুক্ত করেছে। নতুন এই সংস্করণে পিকচার-ইন-পিকচার মোড, উন্নত ব্যাটারি অপটিমাইজেশনসহ বিভিন্ন ফিচার উন্নত করা হয়েছে। গুগলের পরবর্তী পিক্সেল স্মার্টফোনে অ্যান্ড্রয়েড ওরিও সংস্করণ থাকবে। এর উন্নত ফিচার গুলি নিশ্চয় ব্যবহারকারিদের আকৃষ্ট করতে পারবে। চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, কী কী ফিচার আছে এই ভার্সনটিতেঃ

পিকচার ইন পিকচারঃ

পিকচার ইন পিকচার ফিচার, এর নামে হল- আপনি একই সময়ে একই সাথে দু’টো এপস এ কাজ করতে পারবেন। বুঝেন নি?মনে করুন, আপনি আপনার বন্ধু বা কারও সাথে ইমোতে ভিডিও চ্যাট করছে। ঠিক একই সময়ে আপনি ফেসবুক বা হোয়াটস আপস বা অন্য কোন এপসেও কাজ করতে পারবেন। এই ফিচার টা সত্যিই বিশেষ কাজে দিবে, যদি আপনার একাধিক গার্ল ফ্রেন্ড থেকে থাকে! 😛

 

অ্যান্ড্রোয়েড ওরিও ৮
পিকচার ইন পিকচার

 

নোটিফিকেশনঃ 

কোন এপসের নোটিফিকেশন আসলে এটি ডট সাইন দেখাবে। সেটাতে ক্লিক করলে আপনাকে সরাসরি সেটা এপস এ নিয়ে যাবে। এছাড়া আপনি এই নোটিফিকেশন ফিচারের মাধ্যমে সহজেই আপনার বিভিন্ন এপসের নোটিফিকেশন গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। মনে করুন, আপনাকে ফেসবুকে কে ট্যাগ করলো, কে কোন গ্রুপে এড করলো এই নোটিফিকেশন গুলো বন্ধ রেখে, অন্যান্য নোটীফিকেশন গুলোকে অন রাখবেন। তবে সহজেই আপনি এটা করতে পারবেন। এটা যথেষ্ট প্রয়োজনীয় একটি ফিচার, যা ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করতে পারে। এই ফিচারটির ব্যাখ্যা করে গুগল লিখেছেন: “ব্যবহারকারীরা একসঙ্গে সমস্ত অ্যাপস’র নোটিফিকেশন পরিচালনার পরিবর্তে ব্যবহারকারীর প্রতিটি চ্যানেলে আচরণ পরিবর্তন বা নিয়ন্ত্রন করতে পারে।”

অ্যান্ড্রোয়েড ওরিও ৮
অ্যান্ড্রোয়েড ওরিও ৮

ব্যাকগ্রাউন্ড লিমিটঃ

অ্যান্ড্রোয়েড ওরিও ৮
অ্যান্ড্রোয়েড ওরিও ৮

এই ফিচারটি ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকা এপ্লিকেশনগুলোর উপর কাজ করবে-বিশেষত ব্যাকগ্রাউন্ড সার্ভিসের নিয়মানুসারে এবং লোকেশন সার্ভিস ব্যবহারের ক্ষেত্রে গুরুত্ব বহন করবে। আপনি যে অ্যাপ্লিকেশানগুলিকে সর্বদা কম ব্যবহার করেন তাতে পটভূমির কার্যকলাপ হ্রাস করতে সহায়তা করবে এই ফিচার। এই পরিবর্তনটি এমন কিছু অ্যাপ্লিকেশন  তৈরি করা সহজ করে দেবে যা  ব্যবহারকারীর ডিভাইস এবং ব্যাটারিতে কম প্রভাব ফেলে।

 

অটোফিলঃ

এটি দারুন একটি ফিচার। অটোফিল সুপারসনিক গতিতে আপনার পছন্দের অ্যাপ্লিকেশানগুলিতে আপনার লগইন কী-ওয়ার্ড গুলি মনে করে রেখে আপনার লগইন করা সহজ করে দিবে। আরেকটু খুলে বলি, মূলত আমরা যেভাবে ডিফল্ট কিবোর্ড নির্বাচন করতে পারছি, ঠিক তেমনি বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনে লগইনের সময় আইডি-পাসওয়ার্ড দেয়ার জন্য পাসওয়ার্ড ম্যানেজার অ্যাপ নির্বাচন করা যাবে। এই পাসওয়ার্ড ম্যানেজার অ্যাপ টি তখন আপনার সেই অ্যাপের জন্য ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড এন্টার করবে। এভাবে অটোফিল কাজ করবে। এটি আপনার পছন্দের পাসওয়ার্ড ম্যানেজার অ্যাপ্লিকেশনগুলিকে অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের সাথে কাজ করার অনুমতি দেবে, যাতে আপনি তাদের অ্যাক্সেস করতে পারেন।

অ্যাডাপটিভ আইকনঃ

আরেকটি প্রত্যাশিত বৈশিষ্ট্য অ্যাডাপটিভ আইকন যোগ করা। এর মানে হল ডেভেলপাররা বিভিন্ন আকারের অ্যাপ্লিকেশন আইকন ব্যবহার করতে সক্ষম হবে। অ্যাপ আইকন ব্যাজ নোটিফিকেশনগুলিও সমর্থন করবে, যেমনটি পূর্বে উল্লিখিত হয়েছে। এটি সকল ফোনেই বিভিন্ন ইন্টারফেসে কাজ করবে। নতুন আইকন অ্যানিমেটেড করা যাবে যা আরো প্রাণবন্ত হবে।

বেটার কীবোর্ড নেভিগেশনঃ

আরেকটি বড় পরিবর্তন হল কীবোর্ড নেভিগেশনের উন্নতি। Google এর মতে, আরও অনেক ব্যবহারকারীরা Google Chrome OS এ প্লে স্টোরের আগমনের জন্য একটি ফিজিক্যাল  কীবোর্ড ব্যবহার করে অ্যাপ্লিকেশানগুলিতে নেভিগেট করছে।

বেটার ব্লুটুথ অডিওঃ

গুগল এছাড়াও সনি এর LDAC কোডেক যুক্ত করেছে, যা জাপানী টেক জায়ান্ট এন্ড্রোয়েড কে দান করেছে। যা বর্তমানে ব্যবহৃত ব্লুটুথ A2DP প্রোটোকল এর চে’য়ে অনেক ভাল কাজ করবে। এছাড়া, অ্যান্ড্রয়েড ও’ উচ্চমানের ব্লুটুথ অডিও কোডেক সমর্থন করবে। কোম্পানীটি আউডিয়ো প্রবর্তন করছে, যা উন্নত নিম্ন-স্বচ্ছতা অডিওতে পরিণত হবে। ফার্মটি বলছে এটি একটি “নতুন নেটিভ এপিআই যা বিশেষভাবে অ্যাপ্লিকেশনগুলির জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

রিলিজ ডেটঃ

পিক্সেল এবং পিক্সেল এক্সেলে’র পাশাপাশি নেক্সাস 6 পি, নেক্সাস 5 এক্স, নেক্সাস প্লেয়ার এবং পিক্সেল সি এর জন্য প্রথমে অ্যান্ড্রয়েড ওরিও আপডেটটি চালু করা হয়েছে। অন্যান্য ডিভাইস গুলোতে কবে এর আপডেট পাওয়া যাবে তা বিভিন্ন কারণের উপর নির্ভর করছে। যেমন ধরুন, আপনার ফোন প্রস্তুতকারকের হালনাগাদ ট্র্যাক রেকর্ড,  আপনি কি ফোন ব্যবহার করছেন, আপনার ফোনটি আনলক বা ক্যারিয়ার-ব্র্যান্ডেড,  আপনার লোকেশন ইত্যাদির উপর নির্ভর করে। তবে, আশা করা যায়, এই মাসের শেষের দিকে আমরা অ্যান্ড্রোয়েড ও বা ওরিও’র আপডেট পেয়ে যাব।

পরিশেষে, নতুন আপডেট কখন পাবো, আর ফিচার গুলো কেমন হবে তা দেখা এখন শুধু সময়ের ব্যাপার। তবে, সঠিক সময়ে আপডেট দিতে পারলে আশা করা যায়, ব্যবহারকারীদের এই সংস্করণ টি নজর কাড়তে পারবে। জয়তু অ্যান্ড্রোয়েড মামা।

আরও পড়ুনঃ

অ্যান্ড্রয়েড

কিভাবে আইফোনে ফোন কল রেকর্ড করবেন? বিস্তারিত জানুন।

কিভাবে আইফোনে ফোন কল রেকর্ড করবেন?
কিভাবে আইফোনে ফোন কল রেকর্ড করবেন?

কিভাবে আইফোনে ফোন কল রেকর্ড করবেন? বিস্তারিত জানুন।

মনে করুন, আপনি আপনার গার্ল ফ্রেন্ডের ফোন কল রেকর্ড করতে চান। অথবা কারও সাথে ফোন কলের বিশেষ কোন কথপকথন রেকর্ড করে রাখতে চান; তবে এক্ষেত্রে আপনার আইফোন এর জন্য  এই কাজ টা কিছুটা কঠিন ব্যাপার। আমরা আপনাকে জানাবো আইফোনে ফোন কল রেকর্ড এর এই ফিচার টা কতটুকু ব্যবহারযোগ্য এবং কতটুকু সমর্থন করে। চলুন জেনে নেওয়া যাকঃ

ফোন কল রেকর্ড করা কি আইন সম্মত?

ফোন কল রেকর্ডিং শুরু করার আগে, এটি জানা গুরুত্বপূর্ণ যে- আপনি কোথায় বাস করেন তার উপর ভিত্তি করে এটা নিশ্চিত হওয়া যে, আপনার লোকেশন বা দেশ টি ফোন কল রেকর্ড করা আইনি ভাবে সমর্থন করে কি-না! সেখানে অনুমতি ছাড়া ফোন কল রেকর্ডিং অবৈধ হতে পারে। যেমনঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের, বিভিন্ন রাজ্যের এই বিষয়ে বিভিন্ন আইন রয়েছে।কিছু রাজ্যের প্রয়োজন হয় যে উভয় দলই ফোন কল রেকর্ড করার অনুমতি দেয়, অন্য রাজ্যে শুধুমাত্র একটি ব্যক্তি সম্মতি প্রয়োজন (এবং যে একজন ব্যক্তি আপনি হতে পারে)। এ ক্ষেত্রে ফোন কল রেকর্ড করার জন্য আপনার অপর ব্যাক্তিটির ব্যাপারে জানার প্রয়োজন নেই। শুধু সেখানে আইন এটাকে সমর্থন করে কি-না এটা জানলেই চলবে। আরও তথ্যের জন্য, আপনি ডিজিটাল মিডিয়া আইন প্রকল্পটি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন, যা রেকর্ডিং ফোন কল এবং কথোপকথনের বৈধতার সম্পর্কে প্রচুর তথ্য রয়েছে।

আইফোন এ কল রেকর্ডিং এর সমস্যাঃ

অ্যান্ড্রয়েডের মতো, যেখানে রেকর্ডিং ফোন কলগুলি বেশ সহজ, সেখানে iOS- এর অনেক বিধিনিষেধ রয়েছে। এই বিশেষ ক্ষেত্রে, তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ্লিকেশন ফোন অ্যাপ্লিকেশন এবং একই সময়ে মাইক্রোফোন অ্যাক্সেস করতে পারবেন না, যা রেকর্ডিং ফোন একটি অনেক তাত্পর্য টাস্ক তোলে। বিশেষ করে যখন সহজভাবে এটি করার কোন সহজ উপায় আছে। ফোন কল রেকর্ড করার জন্য আইফোন অ্যাপ্লিকেশন আছে, কিন্তু তা ঠিকঠাক ভাবে ব্যবহার করা নাও যেতে পারে। আমরা Google Voice এবং TapeACall নামক দু’টি অ্যাপ্লিকেশানটি দেখতে পাব, যা উভয়েই তাদের নিজস্ব পেশাদার এবং কনসফটের সাথে কাজ করে।

Google Voice এর মাধ্যমে কিভাবে ফোন কল রেকর্ড করবেন?

আপনি যদি ব্যবহার করার জন্য একটি বিনামূল্যের পদ্ধতি খুঁজে থাকেন, তাহলে Google Voice আপস টি চেষ্টা করুন। এটা ব্যবহার করা সহজ, কিন্তু এক প্রধান বিরাম আছে: এটি শুধুমাত্র ইনকামিং কল রেকর্ড করতে পারে, আপনি যে কল গুলো করেন; সেগুলো না। আপনি যদি কোনও Google Voice ব্যবহারকারী না হোন, আপনি বিনামূল্যে জন্য একটি Google ভয়েস অ্যাকাউন্ট সেট আপ করতে পারেন এবং আপনার নিজের নম্বর থেকে আপনার আলাদা আলাদা ফোন নম্বর দাবি করুন। আপনি Google Voice এর কাছে আপনার মালিকানাধীন পুরোনো ফোন নম্বরটিও পোর্ট করতে পারেন। এছাড়াও, আপনার আইফোনে ডাউনলোড করা Google ভয়েস অ্যাপ্লিকেশনটির তেমন কোন প্রয়োজন নেই, তবে আপনি যখন ফোন কল পরিষেবা ব্যবহার করে ফোন কলগুলি রেকর্ড করেন, তখন এটি কিছুটা সহজ করে তোলে।

  • শুরু করার আগে, আপনাকে Google Voice এর মধ্যে রেকর্ডিং বৈশিষ্ট্য সক্ষম করতে হবে। এটি করার জন্য, আপনার কম্পিউটারে voice.google.com- এ যান এবং পর্দার বাম দিকে “More” বোতামে ক্লিক করুন। অ্যাপ্লিকেশনটিতে, উপরের বাম কোণায় মেনু বোতামটি  চাপুন।
  • এরপর  “Settings” মেনু তে যান।
  • আপনি “Incoming Call Options” দেখতে না পর্যন্ত নীচে স্ক্রোল করুন এবং এটি সক্ষম করতে toggle সুইচটি ডানদিকে হিট করুন। এখন আপনি রেকর্ড করতে প্রস্তুত!
Incoming Call Options
Incoming Call Options

যখন আপনি একটি কল পাবেন তখন এটি রিসিভ করুন এবং তারপর “4” কী প্যাড টিপুন। অন্য ব্যক্তির কাছে ঘোষণা করা হবে যে আপনি কলটি রেকর্ড করছেন। (যেহেতু, আপনি গোপনে কল রেকর্ড করতে পারবেন না।) একবার আপনি শেষ হয়ে গেলে, রেকর্ডিং শেষ হবে এবং এটি আপনার Google ভয়েস অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত হবে যেখানে আপনি যেকোনো সময় এটি প্লে করতে পারবেন।

TapeACall এর মাধ্যমে কিভাবে ফোন কল রেকর্ড করবেন?

যদি Google ভয়েস এর ত্রুটি আপনার জন্য চুক্তি বিরতির হয়, আপনার কাছে কয়েকটি বিকল্প রয়েছে। সেরা কল রেকর্ডিং অ্যাপ সম্ভবত TapeACall, যা একটি লাইট এবং প্রো সংস্করণ রয়েছে। লাইট সংস্করণ একেবারে অপ্রয়োজনিয়ই বলা চলে! কারণ এর মাধ্যমে শুধুমাত্র আপনি একটি রেকর্ডকৃত কল এর প্রথম 60 সেকেন্ড শুনতে পাবেন, তাই প্রো সংস্করণ মূল্য হ্রাস করা হয়। প্রতি বছর $ 9.99 এর বিনিময়ে আপনি TapeACall প্রো সহ সীমাহীন রেকর্ডিং করার ফিচার পাবেন। যা বেশ সুন্দর। এটা তিনটি উপায় এর উপরে কল রেকর্ড নির্ভর করে। প্রথমত আপনার ক্যারিয়ার টি তা সাপোর্ট করে কি-না; অনেক ছোট ডিভাইসে এটি সাপোর্ট করে না। যে কোনও কল চলাকালিন সময়, আপনি অ্যাপ্লিকেশন খুলুন এবং রেকর্ড বাটনে হিট করুন। অ্যাপটি তখন ধরে রাখে কল ধরে রাখে এবং তাদের রেকর্ডিং লাইন ডায়াল করে। এর পরে, আপনি আপনার সাথে চ্যাট করা ব্যক্তি, এবং টেপঅ্যাকাল এর রেকর্ডিং লাইনের মধ্যে তিন-উপায় কল তৈরি করতে “Merge Calls” বাটন চাপুন।

যদিও আপনি একটি বহির্গামী কল ডায়ালিং করার সময় কাজ গুলি একটু সহজ ভাবেই করা যায়। আপনি প্রথম অ্যাপটি খুলুন এবং রেকর্ড হিট করতে পারেন। অ্যাপ্লিকেশন রেকর্ডিং লাইন ডায়াল করবে এবং যত তাড়াতাড়ি উত্তর হিসাবে রেকর্ডিং শুরু হবে। সেখানে থেকে, আপনি ““Add Call” ক্লিক করুন এবং আপনি যে ব্যাক্তির কল রেকর্ড করতে চান তাকে কল করুন। এরপর সে ব্যাক্তি টি কল রিসিভ করলে, Merge Calls বাটন টি চাপুন। তবে এক্ষেত্রে আপনাকে বাটন টি ধরে রাখার দরকার নাই। শুধু ট্যাপ করলেই হব্বে।  অ্যাপ্লিকেশন কাজ করে, কিন্তু এটি সত্যিই আদর্শ না, বিশেষ করে যদি আপনি গুরুত্বপূর্ণ কাউকে সঙ্গে লাইন করছি; তাদের ধরে রাখা একটি সামান্য অবমাননাকর হতে পারে।

প্লাস, এই তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ্লিকেশনের অধিকাংশ অন্তত কিছু খরচ কিছু অ্যাপ্লিকেশন শুধুমাত্র একটি এককালীন ফি চার্জ করবে এবং অন্যরা প্রতি মিনিটে চার্জ করবে। এবং অবশ্যই, গোপনীয়তা উদ্বেগ আছে! এই অ্যাপ্লিকেশন আপনার ফোন কল রেকর্ড করে এবং কোম্পানি আপনার অগোচরে তা থার্ড পার্টির কাছে পৌছে দিতে পারে। আপনি খরচ এবং গোপনীয়তা উদ্বেগ পরিত্রাণ পেতে চান, আপনি একটি কল রেকর্ড করতে আপনার ভয়েসমেইল ব্যবহার করতে পারেন। এটি মূলত TapeACall হিসাবে একই সমাধান, তাই এটি এখনও বেশ বিরক্তিকর। এটি আপনার ক্যারিয়ারের উপর নির্ভর করেও কাজ করতে পারে না (কখনও কখনও আপনার ভয়েসমেইল পাসওয়ার্ডের জন্য অনুরোধ করে এবং ভয়েসমেইল রেকর্ড করার পরিবর্তে আপনার ভয়েসমেইল বার্তাগুলির মাধ্যমে যেতে পারে)।

আপনাকে যা করতে হবে তা হল একটি ফোন কলের সময় “কল যোগ করুন” -এ আলতো চাপুন এবং তারপরে আপনার নিজের নম্বর ডায়াল করুন। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভয়েসমেলে যাবে। সেখানে থেকে “কল করুন” ক্লিক করুন। কল টি শেষ হয়ে যাবার পরে আপনার রেকর্ড করা কল টি আপনার আইফোন এর ফোন অ্যাপের ভয়েসমেইল অংশে প্রদর্শিত হবে।

সবচেয়ে সহজ, সবচেয়ে বহুমুখী পদ্ধতি: শুধু স্পিকারফোন এবং একটি রেকর্ডার ব্যবহার করুনঃ

দিনের শেষে, আইফোন উপর রেকর্ডিং কল জন্য সেরা এবং সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি এটি পুরানো-ভাবে উপায় করছেন: স্পিকারফোন এবং এক ধরনের রেকর্ডার। একটি কল চলাকালীন, কেবল স্পিকারফোনটি সক্ষম করুন এবং তারপরে একটি বহিরাগত ডিভাইসের সাথে রেকর্ডিং শুরু করুন, এমনকি যদি এটি আপনার কম্পিউটারের ওয়েবক্যাম ব্যবহার করে থাকে তবে আপনাকে ভিডিও অংশটি প্রয়োজন হবে না, তবে এটি পুরো ফোন কলটির অডিও রেকর্ড করে দেবে। রেকর্ডিং আপনার নিজের ডিভাইসে স্থানীয়ভাবে সংরক্ষিত হয়, তাই এটি গোপনীয়তা-বন্ধুত্বপূর্ণ এবং সব থেকে ভাল, সেই সাথে এটা বিনামূল্যে! তাই এটা কে সেরা উপায়ও বলা চলে।

ধন্যবাদ।

আরও পড়ুনঃ

অ্যান্ড্রয়েড

অ্যামাজন এর ফায়ার ওএস বনাম গুগল এর অ্যান্ড্রয়েড: পার্থক্য কি?

অ্যামাজন এর ফায়ার ওএস বনাম গুগল এর অ্যান্ড্রয়েড
অ্যামাজন এর ফায়ার ওএস বনাম গুগল এর অ্যান্ড্রয়েড

অ্যামাজন এর ফায়ার ওএস বনাম গুগল এর অ্যান্ড্রয়েড: পার্থক্য কি?

আমাজন এর ফায়ার ট্যাবলেটগুলি অ্যামাজন এর নিজস্ব “ফায়ার ওএস” অপারেটিং সিস্টেম চালায়। ফায়ার ওএসটি গুগল এর অ্যান্ড্রয়েড ভিত্তিক, কিন্তু এটির কোনও Google এর অ্যাপস বা সার্ভিস নেই। এখানে মূলত এটাই বুঝা যায়, ঠিক কিভাবে তারা ভিন্ন। এটা সত্যিই সঠিক নয় যে আমাজন এর ফায়ার ট্যাবলেট অ্যান্ড্রয়েড চালানোর কথা বলে- কিন্তু, অন্য অর্থে, তারা অনেকটা অ্যান্ড্রয়েড কোড রান করে। সমস্ত অ্যাপ্লিকেশন যা আপনি একটি ফায়ার ট্যাবলেট এ চালান সেগুলোও কিন্তু অ্যান্ড্রয়েড এপস!

পার্থক্য কি?  

গড়ে প্রতিটি ব্যক্তির জন্য, এখানে বড় পার্থক্য হলো- এখানে Google Play Store উপস্থিত নয়। আপনি Amazon এর Appstore এবং সেখানে থাকা সীমাবদ্ধ অ্যাপ্লিকেশন গুলোই কেবল পাবেন। আপনি Google এর অ্যাপ্লিকেশান বা Google এর পরিষেবাগুলিতে অ্যাক্সেস পাবেন না। আপনাকে Amazon এর নিজস্ব অ্যাপ্লিকেশনগুলি ব্যবহার করতে হবে। উদাহরণস্বরুপঃ Chrome এর পরিবর্তে SIlk ব্রাউজার ব্যবহার করা লাগবে।

এছাড়াও অবশ্যই অন্যান্য পার্থক্য আছে। যেমন, অ্যামাজন অ্যানড্রয়েড ডিভাইসগুলিতে আপনি সাধারণত লঞ্চার পরিবর্তন করতে পারবেন না, তাই আপনাকে Amazon এর হোম স্ক্রিনের অভিজ্ঞতা ব্যবহার করা লাগবে। আমাজন এর হোম স্ক্রীন অভিজ্ঞতা অ্যাপ্লিকেশন একটি গ্রিড প্রদর্শন করতে পারে, কিন্তু এটা আপনাকে অডিও থেকে ভিডিও, সঙ্গীত, এবং ইবুক দেখাবে। হোম স্ক্রিনে আমাজন এর শপিং সাইটও রয়েছে, যা আরও বেশি জিনিস কিনতে সহজ করে তোলে – এবং আমাজনকে আরো বেশি অর্থ প্রদান করে।

ফায়ার অপারেটিং সিস্টেমের একটি চমৎকার, kid-friendly “Kindle FreeTime” বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা হাজার হাজার kid-friendly শিক্ষাগত অ্যাপস, বই, চলচ্চিত্র এবং টিভি অনুষ্ঠানের অ্যাক্সেসের জন্য একটি “আনলিমিটেড” সাবস্ক্রিপশন দিয়ে মিলিত হতে পারে। kid-friendly প্যারেন্টাল-কন্ট্রোল বৈশিষ্ট্যসমূহ হল ফায়ার ওএস এর আরো অনন্য বৈশিষ্ট্যগুলির একটি।

কিন্তু পার্থক্য আসলে কী বোঝায়? ওয়েল, যদি আপনি ওয়েব ব্রাউজ করার জন্য, ইমেলের মাধ্যমে যাচ্ছেন, এবং ভিডিওগুলি দেখার জন্য একটি সস্তা ট্যাবলেট চান তবে সেখানে বড় পার্থক্য নেই। যদি আপনি হুপ্স মাধ্যমে জাম্প ছাড়া অ্যানড্রইড অ্যাপ্লিকেশন সমগ্র ইকোসিস্টেম চান, সেক্ষেত্রে আপনি হয়ত একটি আরো সাধারণ অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেট পেতে চাইতে পারেন। Amazon এর প্রস্তাবিত মানের উপর নির্ভর করে, আপনি একটি সস্তা, $ 50 মূল্যের কিন্ডল ফায়ার ট্যাবলেট পেতে পারেন – কিন্তু আপনাকে Google এর পরিবর্তে Amazon এর অ্যাপস্টোর এবং পরিষেবাগুলি ব্যবহার করতে হবে। এক্ষেত্রে ডিজিটাল বিক্রেতাদের মাধ্যমে আমাজন আপনার কাছে থেকে আরো অর্থ উপার্জন করবে।

ট্যাবলেটের সবচেয়ে সস্তা সংস্করণ এমনকি লক স্ক্রিনের বিজ্ঞাপন গুলি যদি আপনি সরাতে চান তবে সেক্ষেত্রে আপনাকে এর জন্য মূল্য পে করতে হবে। যদি আপনি জানেন যে আপনি কি করছেন, তবে আপনি Google এর পরিষেবাগুলি সেখানে রাখতে পারেন – কিন্তু অ্যামাজন তা করতে চায় না, এবং ভবিষ্যতে এই ফিচার গুলো আরও কঠিন হয়ে যেতে পারে। অ্যামাজন এর প্রস্তাবটি উপযুক্ত কিনা তা আপনার উপর নির্ভর করে এবং আপনি আপনার ট্যাবলেটের সাথে কি করতে চান সেটাও আপনার উপরই নির্ভর করে।

অ্যান্ড্রয়েড, গুগল মোবাইল সার্ভিসেস, এবং এওএসপিঃ

সত্যিই দুই Androids আছে গুগল “অ্যান্ড্রয়েড” সফ্টওয়্যার যা আপনি স্যামসাং, এলজি, এইচটিসি, সোনি, এবং অন্যান্য বড় ডিভাইস নির্মাতাদের ডিভাইসগুলিতে দেখতে পাবেন। এটি শুধু অ্যান্ড্রয়েড নয় – এটি একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস যা নির্মাতারা গুগল দ্বারা প্রত্যয়িত করেছে। এটি “গুগল মোবাইল সার্ভিসেস” এর সাথে সংযুক্ত, যা্র মধ্যে গুগল প্লে স্টোর এবং অন্যান্য গুগল অ্যাপস যেমন জিমেইল এবং গুগল ম্যাপস অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু অ্যান্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স প্রকল্পও। ওপেন সোর্স প্রজেক্টটি কেবল “অ্যান্ড্রয়েড ওপেন সোর্স প্রোজেক্ট” বা AOSP হিসাবে যথেষ্ট পরিমাণে পরিচিত। AOSP কোড একটি অনুমতিপ্রসূত ওপেন-সোর্স লাইসেন্সের অধীনে লাইসেন্স করা হয় এবং কোনও নির্মাতা বা বিকাশকারী কোডটি গ্রহণ করতে পারে এবং এটি তাদের জন্য যেভাবে খুসি ব্যবহার করতে পারেন।

গুগল মোবাইল সার্ভিসেস অ্যান্ড্রয়েড ওপেন সোর্স প্রোজেক্টের অংশ নয়, এবং অনেকগুলি জিনিসকে মানুষ “অ্যান্ড্রয়েড” বলে মনে করে। কিন্তু গুগল প্লে স্টোর এবং গুগল এর সমস্ত সেবা সহ আরও বেশ কিছু ফিচার অ্যান্ড্রয়েডের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নেই। তারা আলাদাভাবে লাইসেন্স পেয়েছেন। সবচেয়ে সস্তা অ্যানড্রইড ট্যাবলেট চীন এর একটি ফ্যাক্টরি থেকে সরাসরি পান – যেটা ঠিক এই AOSP কোড। যদি আপনি তাদের মধ্যে Google Play চান, তাহলে ট্যাবলেটটি পাওয়ার পর আপনাকে Google এর অ্যাপ্লিকেশনগুলিকে আলাদাভাবে ইনস্টল করতে হবে।

গুগলের অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করার পরিবর্তে কেন অ্যামাজন ফায়ার ওএস তৈরি করেছে?

স্ক্র্যাচ থেকে শুরু করার পরিবর্তে, অ্যামাজন তার ট্যাবলেটগুলির জন্য নিজের অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করতে চেয়েছিল। অ্যামাজন অ্যান্ড্রয়েড AOSP কোডটি গ্রহণ করে এবং “ফায়ার অপারেটিং সিস্টেম” তৈরি করার জন্য এটি পরিবর্তন করে Fire OS তৈরী করে। এটি অ্যামাজন সময় সংরক্ষণ করে কারণ তারা স্ক্র্যাচ থেকে শুরু করার পরিবর্তে Google এর প্রচেষ্টার বন্ধন বাড়াতে পারে। এর মানে হল যে সমস্ত বিদ্যমান অ্যানড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন সহজেই “পোর্টেড” ফায়ার ওএস এর জন্য হতে পারে, যা মূলত একইভাবে অ্যান্ড্রয়েডের মত একই জিনিস।

কিন্তু কেন অ্যামাজন গুগলের অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করে না? কারণ, আমাজন সমগ্র অভিজ্ঞতা নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। অ্যাপ্লিকেশন কেনাকাটা, ভিডিও ভাড়া, সঙ্গীত ডাউনলোড এবং ইবুকগুলির জন্য আপনাকে Google Play এ হস্তান্তর করার পরিবর্তে, আমাজন আপনাকে Amazon Appstore, প্রাইম তাত্ক্ষণিক ভিডিও, অ্যামাজন সঙ্গীত এবং আমাজন প্রজেক্ট অ্যাপ্লিকেশনগুলি ব্যবহার করতে চায়। এটা অ্যামাজন ফায়ার ট্যাবলেট লাইনের বিন্দু, যাইহোক – এটি অ্যামাজন এর পরিষেবাগুলিতে একটি সস্তা উইন্ডো। আর সেই সাথে এই উইন্ডোর মাধ্যমে অ্যামাজন আরও বেশি অর্থ উপার্যন করতে পারে।

Google Play Services শুধুমাত্র Google এর Android এর জন্য

ক্রমবর্ধমান, আরো অনেক কিছু যা একটি সাধারণ ব্যক্তি “অ্যান্ড্রয়েড” হিসাবে বলে মনে করে তা আসলে Google Play Services এবং Google এর নিজস্ব অ্যাপ্লিকেশনগুলির অংশ। গুগল প্লেের বেশ কিছু সাধারণ অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপগুলি জিপিএস অবস্থানে, পেমেন্ট এবং অন্যান্য অনেক কিছুতে অ্যাক্সেসের জন্য লিখিত ভাবে Google Play Services ব্যবহার করতে হয়। এই অ্যাপ্লিকেশনগুলিকে সরাসরি একটি ফায়ার OS ডিভাইসে রাখা যাবে না, যদি না সেখানে Google Play পরিষেবাগুলি উপস্থিত থাকে। এ্যামেক্সকে ডেভেলপারদের জন্য বিকল্প API সরবরাহ করতে হবে এবং ডেভেলপাররা তাদের অ্যানড্রয়েড অ্যাপগুলি অ্যামাজন ফায়ার ওএস থেকে গুগল প্লে স্টোর থেকে পোর্ট করার জন্য কিছুটা কাজ করতে হতে পারে। এটি প্রতিটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন উপস্থিত না থাকার একটি বড় কারণ।

অ্যামাজন অ্যাপস্টোর বনাম গুগল প্লেঃ

গড় Kindle ট্যাবলেট ব্যবহারকারীর জন্য, সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটি Google Play এর পরিবর্তে Amazon এর Appstore এর উপস্থিতি হবে। অ্যানড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপাররা তাদের অ্যাপ্লিকেশনগুলি আমাজন অ্যাপস্টোরের পাশাপাশি গুগল প্লেতে তালিকাভুক্ত করতে পারেন। অনুশীলনের মধ্যে, এর অর্থ হল আপনার কাছে এমন অনেক অ্যানড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশান এর অ্যাক্সেস নেই যা আপনি সাধারণত একটি অ্যানড্রইড ট্যাবলেটের সাথে পাবেন – কিন্তু আপনার বেশ কয়েকটি অ্যাক্সেস আছে। আপনি যে অ্যাপ্লিকেশানগুলি ব্যবহার করেন তা Amazon এর Appstore এ আছে কিনা তা দেখার জন্য আপনি ওয়েব এ Amazon Appstore অনুসন্ধান করতে পারেন।

আমাজন এছাড়াও ডাউনলোডের জন্য তার “Appstore” অ্যাপ্লিকেশন উপলব্ধ। আপনি সাধারণত অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেটগুলিতে আমাজন অ্যাপস্টোর ইনস্টল করতে পারেন এবং Google Play এর পরিবর্তে সেখানে অ্যাপ্লিকেশনগুলি ডাউনলোড করতে পারেন। যেহেতু তারা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস, এগুলো অ্যান্ড্রয়েড ও ফায়ার OS উভয় এই চালানো যাবে।

কিন্তু আপনি একটি “গুগল অ্যান্ড্রয়েড” ডিভাইসের মধ্যে একটি ফায়ার ট্যাবলেট চালু করতে পারেনঃ

যেহেতু ফায়ার অপারেটিং সিস্টেম তাই অ্যান্ড্রয়েডের কাছে খুব কাছাকাছি, Google Play Store এবং Google প্লে সার্ভিসগুলি ফায়ার ট্যাবলেটের দিকে সহজেই ছড়িয়ে দিতে পারে। তারা একটি সাধারণ অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেটের মতোই কাজ করবে যেমনটি আপনাকে পুরো Google Play Store এবং Google পরিষেবাগুলির অ্যাক্সেস প্রদান করে। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে গুগল বা আমাজন দ্বারা সমর্থিত নয়, কিন্তু এটি অবশ্যই সম্ভব। এটি এমনকি আপনার ডিভাইস rooting প্রয়োজন হয় না। এখানে বড় পার্থক্য হলো, এটি করার জন্য আপনাকে কিছুটা কাজ করতে হবে। এবং, অবশ্যই, এটা সম্ভব যে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ভবিষ্যতে ফায়ার ওএসের ভার্চুয়াল সংস্করণে এটির নিচে ফাটল ধরতে পারে এবং এটি আরো কঠিন করে তুলতে পারে।

ভিডিও দেখার জন্য, বই পড়ার জন্য, সঙ্গীত শোনার জন্য, ওয়েব ব্রাউজ করার জন্য, ইমেল চেক করা এবং ফেসবুকে ব্যবহার করার জন্য একটি সস্তা ট্যাবলেটের জন্য, আমাজন এর কিন্ডল ফায়ার ট্যাবলেটগুলি একটি চমৎকার চুক্তি। অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা যারা হ্যাকিং ছাড়া সম্পূর্ণ প্লে স্টোর এবং গুগল এর সকল অ্যাপস অ্যাক্সেস করতে চান, তাদের জন্য এটি অনন্য!

ধন্যবাদ।

আরও পড়ুনঃ

অ্যান্ড্রয়েড

কিভাবে মোবাইল ফোন আনলক করবেন?এটিকে একটি নতুন ক্যারিয়ারে আনা যায়?

কিভাবে মোবাইল ফোন আনলক করবেন
কিভাবে মোবাইল ফোন আনলক করবেন

কিভাবে মোবাইল ফোন আনলক করবেন?এটিকে একটি নতুন ক্যারিয়ারে আনা যায়?

উত্তর আমেরিকায় বিক্রি করা বেশিরভাগ মোবাইল ফোন চুক্তিগত ভাবে তৈরী, সেগুলো একটি বিশেষ সেলুলার ক্যারিয়ারে “লক করা” থাকে। তারা কেবলমাত্র সেই ক্যারিয়ারের নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে, তাই আপনি এটি প্রথম “আনলক করা” ছাড়া অন্য ক্যারিয়ারে পরিবর্তন করতে পারবেন না। ফোন লকিং সর্বনিম্ন থেকে সবচেয়ে দামি ফোন,সর্বোচ্চ স্তরের স্মার্টফোন পর্যন্ত প্রায় সব ধরনের সেলফোনের জন্য প্রযোজ্য। Unlocking jailbreaking এবং rooting, যা মোবাইল ডিভাইসের উপর অন্যান্য সফ্টওয়্যার সীমাবদ্ধতা বাইপাস থেকে ভিন্ন। আপনার মোবাইল ফোন আনলক করা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুনঃ

আনলকিং সম্পূর্ণরূপে ফোনকে পোর্টেবল করবে না

প্রথমত, এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে ফোনটি আনলক করার পরেও অন্য ক্যারিয়ারে কাজ করতে সক্ষম হবে না। উদাহরণস্বরূপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, AT & T এবং T-Mobile জিএসএম ওয়্যারলেস স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে, যখন ভেরিজোন এবং স্প্রিন্ট সিডিএমএ বেতার মান ব্যবহার করে। এটি একে অপরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, যার মানে আপনি Verizon এ কেনা একটি সিডিএমএ ফোন আনলক করতে পারবেন না এবং AT & T এর জিএসএম নেটওয়ার্ক নিতে পারেন, অথবা বিপরীতক্রমে কাজ চালাতে পারেন।

সিডিএমএটি আরও বেশি সীমাবদ্ধ নেটওয়ার্ক! যেখানে আপনি AT & T ফোন আনলক করতে পারেন এবং এটি T-Mobile এ আনতে পারেন, সেখানে আপনি একটি Verizon ফোন আনলক করতে পারবেন না এবং এটি স্প্রিন্টে নিতে পারবেন না, কারণ স্প্রিন্টের সিডিএমএ নেটওয়ার্ক ফোনটি প্রত্যাখ্যান করবে। সৌভাগ্যক্রমে, বিশ্বের বেশিরভাগ কম-সীমাবদ্ধ জিএসএম স্ট্যান্ডার্ড নির্বাচন করেছে। আপনি ফোনটি আনলক করার আগে এবং এটি অন্য ক্যারিয়ারে নিয়ে যাওয়ার আগে বিবেচনা করুন, নিশ্চিত করুন যে আপনার ফোনটি আসলেই সেই ক্যারিয়ারের নেটওয়ার্কের কার্য সম্পাদন করতে সক্ষম হবে কি-না।

ফোন লকিং এর ব্যাখ্যাঃ

সিডিএমএ / জিএসএম পার্থক্য বাহকগণের মধ্যে ফোনের চলার জন্য একটি বৈধ প্রযুক্তিগত বাধা। যাইহোক, কৃত্রিম বাধা আছে। ক্যারিয়ারগুলি “লক” ফোনে কেবলমাত্র সেই ক্যারিয়ারের নেটওয়ার্কে কাজ করে। উদাহরণস্বরূপ, এর কথা বলা যাক আপনি AT & T এ যান এবং চুক্তিতে কোনও স্মার্টফোন বাছাই করুন। যে ফোনটি AT & T এর নেটওয়ার্কে কাজ করবে, তবে যদি আপনি ফোনটিতে একটি টি-মোবাইল সিম কার্ড স্থাপন করার চেষ্টা করেন এবং T-Mobile এর নেটওয়ার্কের সাথে সংযোগ স্থাপন করেন তবে ফোনটি টি-মোবাইল সিম কার্ড প্রত্যাখ্যান করবে। এটির কোনও বৈধ প্রযুক্তিগত কারণ নেই – এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ – তবে AT & T ফোন AT & T এর নেটওয়ার্কের “লক করা” এবং শুধুমাত্র AT & T SIM কার্ড গ্রহণ করবে। আপনি যদি কোন দেশে ভ্রমণে যান, এবং আপনি রোমিংয়ের দামের বদলে যে দেশে গিয়েছিলেন তার একটি স্থানীয় ক্যারিয়ার ব্যবহার করতে চান তবে আপনার লক করা ফোনটি AT & T SIM কার্ডের দ্বারা কোনও কিছু প্রত্যাখ্যান করবে।

ফোনগুলি কেন লক করা আছে?

সেলুলার বাহকগণ যুক্তি দেন যে ফোন লকিং তাদের ব্যবসার একটি প্রয়োজনীয় অংশ। ফোনগুলি লক করার মাধ্যমে তারা চুক্তিটি বিক্রি করে, তারা গ্রাহকদের তাদের নেটওয়ার্কে রাখতে সক্ষম হয় যাতে তারা মাসিক বিল পরিশোধ করে থাকে। মনে রাখবেন, ফোনগুলি আসলে চুক্তির মূল্যের উপর নির্ভরশীল নয় বরং তারা ভর্তুকি পায়। কোনও ফোন আসলে “ফ্রি” নয় এবং সর্বশেষ আইফোন আসলে $ 199 এর চেয়েও বেশি খরচ করে। তাই ক্যারিয়ারের চুক্তির জীবদ্দশায় অন-কন্ট্রাক্ট ফোন খরচ পুনরুদ্ধার করতে হবে। গ্রাহকরা তাদের ফোনগুলি অন্যান্য নেটওয়ার্কে নিতে সক্ষম হবেন, বাহকেরা যুক্তি দিচ্ছে যে তারা ফোনটির দাম পুনরুদ্ধার করতে অসুবিধা করবে এবং তাদের ব্যবসায়িক মডেল হিট হবে। পুরোটাই ব্যবসায়িক কারণ!

প্রকৃতপক্ষে, এটি একটি মোটামুটি মূর্খ দ্বন্দ্ব। আপনি যদি চুক্তিতে একটি ফোন কিনে থাকেন, তাহলে আপনি দুই বছরের চুক্তিতে স্বাক্ষর করছেন। আপনি যদি এই ফোনটি অন্য ক্যারিয়ারে নিতে চান, তাহলে আপনাকে আপনার চুক্তিটি ভাঙতে হবে এবং একটি প্রাথমিক পরিসমাপ্তি ফি প্রদান করতে হবে এবং চুক্তির জীবদ্দশায় মাসিক বিল পরিশোধ করতে হবে। এই চুক্তিগত বাধ্যবাধকতা এখনই বন্ধ করা যাবে! এমনকি যদি ফোনটি নিজেই আনলক করে বিক্রি হয় এবং আপনি এটি অন্য একটি ক্যারিয়ারে নিয়ে যান। কিছু স্মার্টফোনের এমনকি যদি আপনি কোনও চুক্তি স্বাক্ষর না করে, সম্পূর্ণ দামে একটি ক্যারিয়ারের দোকান থেকে তাদের কিনেন তবে তা লক করেও বিক্রিও হতে পারে, যা দেখায় এই যুক্তিটি কতখানি মূর্খ।

সেলফোনের লকিং আসলেই কেবল একটি ব্যবসায়িক উপায় মাত্র! যা সাধারণ মানুষ ক্যারিয়ার পরিবর্তন করার জন্য অতিরিক্ত ঘর্ষণ তৈরি করে, কোম্পানি তাদের ভাল ক্যারিয়ারের জন্য মানুষ কে অপেক্ষা করার এবং ক্যারিয়ার পরিবর্তন করার পরিবর্তে তাদের বর্তমান ক্যারিয়ারের সাথে আটকে রাখার জন্য উত্সাহিত করে। এটা অনেক ভয়ানক ব্যবসায়িক প্রচেষ্টার কারণ বৈ কিচ্ছু না!

আপনার ফোন আনলকিং করুনঃ

আপনি যদি আপনার ফোন আনলকিং করতে চান তবে ধরে নিতে পারি- সম্ভবত আপনার আপনার চুক্তি মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে বা চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসতে চান কিংবা আপনার ফোন টিকে নতুন কোন ক্যারিয়ারে নিয়ে যেতে চান, অথবা বাইরের কোন দেশে ফোন টি পরিচালনা করতে চান। এখানে ফোন আনলক করার উপায় দেওয়া হলো:

কল করুন এবং সুন্দরভাবে জিজ্ঞাসা করুন: আপনার ক্যারিয়ার আপনার জন্য আপনার ফোন আনলক করতে পারে। আপনার ক্যারিয়ারকে কল করুন এবং সুন্দরভাবে জিজ্ঞাসা করুন – যদি আপনার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যায় তবে তারা আপনার জন্য আপনার ফোনটি আনলক করবে। যদি আপনি আপনার ক্যারিয়ারকে জানান যে আপনি ভ্রমণ করবেন এবং রোমিং ফি সংরক্ষণ করতে অন্য দেশ থেকে সিম কার্ড ব্যবহার করতে চান তবে তারা আপনার জন্য আপনার ফোন আনলক করতে পারে। তারা এই জন্য একটি ফি চার্জ করতে পারে, কিন্তু এটি একটি শট মূল্য।

পরিশিষ্টঃ 

অবশ্যই, সব ফোন লক বিক্রি করা হয় না। প্রায়ই, একটি ক্যারিয়ারের পরিবর্তে নির্মাতারা সরাসরি ফোন বিক্রি করে আনলক আসে। আপনাকে সাধারণত একটি আনলক ফোন পেতে পুরো দাম দিতে হবে যা আপনি ক্যারিয়ার নেটওয়ার্কগুলির মধ্যে স্থানান্তর করতে পারেন, কারণ ফোনটির এটি সম্পূর্ণ খরচ। ভর্তুকির কোনও ক্যারিয়ার চার্জ নেই এখানে।

আরও পড়ুনঃ

অ্যান্ড্রয়েড

কিভাবে অফিসিয়ালী আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের বুটলোডার আনলক করবেন?

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের বুটলোডার আনলক
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের বুটলোডার আনলক

কিভাবে অফিসিয়ালী আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের বুটলোডার আনলক করবেন?

আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন এর বুটলোডার আনলকিং এর প্রথম ধাপ হল, কাস্টম রম রোটিং এবং ফ্লাসিং। এবং জনপ্রিয়তার দিকে খেয়াল করলে দেখা যায়, এটি  বেশ কয়েকটি ফোনে সমর্থিত। কিভাবে অফিসিয়ালী আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের বুটলোডার আনলক করবেন তা এখানে উল্লেখ করা আছে। দেখে নিন,

সব ফোন আপনাকে এটি করতে অনুমতি দিবে নাঃ 

এই বিশ্বের দুই ধরনের ফোন আছে: যারা আপনাকে আপনার বুটলোডার আনলক করতে দেয়, এবং যারা দেয়  না। আপনাকে আপনার বুটলোডার আনলক করার অনুমতি দেওয়া হয় কিনা তা আপনার ফোন নির্মাতা, আপনার  ফোনের মডেল এবং এমনকি আপনার ক্যারিয়ারের উপর নির্ভর করে। নেক্সাস ফোনগুলি স্বাভাবিকভাবেই লোগো করা যায়, এবং মটোরোলা এবং এইচটিসি এর অনেক ফোনেই আপনাকে আপনার বুটলোডারকে নেক্সাসের অনুরূপ প্রক্রিয়াটি আনলক করতে অনুমতি দেয়। কিছু কিছু ফোনে -আপনাকে আপনার বুটলোডারকে আনুষ্ঠানিকভাবে আনলক করতে দেয় না, যার মানে আপনি ডেভেলপারদের রুট এবং ফ্ল্যাশ রমগুলি দেখতে চাইলে একটি নিরাপত্তা দুর্বলতা ব্যবহার করার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আপনার  যদি এই ফোনগুলির মধ্যে একটি থাকে তবে দুঃখজনকভাবে এই গাইডটি আপনাকে সাহায্য করবে না।

আপনার ফোনটি কোন বিভাগের মধ্যে পড়ে তা খুঁজে বের করার সবচেয়ে ভাল উপায় হল XDA বিকাশকারীগুলিতে তার বিভাগ ব্রাউজ করা। আপনার যদি এইচটিসি বা মটোরোলা ফোন থাকে, তাহলে আপনি এইচটিসি বা মটোরোলা ওয়েবসাইটে  আনলকবিহীনভাবে গবেষণা করতে সক্ষম হবেন। যদি এটি আনলকিং সমর্থন না করে, তাহলে আপনাকে একটি আনফফিশিয়াল আনলক বা রিটিং পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে, যা আপনি সাধারণত XDA বিকাশকারী ফোরামে পাবেন। যদি আপনার ফোন আরও অফিসিয়াল চ্যানেলের মাধ্যমে আনলক করার সমর্থন করে, তবে এটি পড়তে হবে।

ধাপ জিরোঃ আপনি যা যা রেখেছেন তা ব্যাক আপ করুনঃ 

আমরা শুরু করার আগে, এটি উল্লেখ করা গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রক্রিয়াটি আপনার সমস্ত ডেটা মুছে দেবে। তাই যদি আপনার ফোনে, কোনও ফটো বা অন্য ফাইল থাকে যা আপনি রাখতে চান তবে তাদের আপনার কম্পিউটারে এখনই হস্তান্তর করুন। উপরন্তু, আপনার যদি কোনও অ্যাপ্লিকেশন সেটিংস থাকে তবে আপনি ব্যাকআপ ফাংশনটি ব্যবহার করে একটি ব্যাকআপ সেটিংস ফাইল তৈরি করতে এবং আপনার কম্পিউটারেও সেগুলি স্থানান্তর করতে পারেন। তা নাহলে সমস্ত ডেটা মুছে যাবে।

এখানে একটি অতিরিক্ত টিপঃ যেহেতু আমি জানি আমি শেষ পর্যন্ত আমার ফোন রুট করছি, যত তাড়াতাড়ি আমি একটি নতুন ডিভাইস হিসাবে-  আমার বুটলোডার আনলক করব। এইটা ভেবে , আমি ফোনটি মুছে ফেলার জন্য সেট আপ করার সময় নষ্ট করব। যদি আপনি একটি অদ্ভুত অ্যানড্রইড ব্যাবহারকারী হয়ে থাকেন, এবং আপনি জানেন যে আপনি শীঘ্রই রুট করতে যাচ্ছেন, আপনার ফোনের সেট আপ করার ঝামেলা ছাড়াই আনলকিং বিবেচনা করুন। ব্যাক আপ হয়ে গেলে, এখন আপনি কাজ শুরু করতে পারেন। এই জন্য নিচের পদক্ষেপ গুলো অনুসরণ করুনঃ

ধাপ একঃ Android SDK এবং আপনার ফোন এর ড্রাইভার ইনস্টল করুনঃ 

Android SDK এবং আপনার ফোন এর ড্রাইভার ইনস্টল
Android SDK এবং আপনার ফোন এর ড্রাইভার ইনস্টল

এই প্রক্রিয়াটির জন্য আপনার দুটি জিনিস দরকার হবে: অ্যান্ড্রয়েড ডিবুগ ব্রিজ যা আপনার কম্পিউটারের জন্য একটি কমান্ড লাইন টুল। এটি  আপনাকে আপনার ফোন এবং আপনার ফোন এর USB ড্রাইভারগুলির সাথে ইন্টারফেস করতে দেয়। এমনকি যদি আপনার আগে থেকে এটি  ইনস্টল করা থাকে তবুও আপনাকে  সর্বশেষ সংস্করণ এখন পেতে হবে।  এখানে কিছু সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হলঃ

  • Android SDK ডাউনলোডের পেজে যান এবং “SDK Tools Only” তে স্ক্রোল করুন আপনার প্ল্যাটফর্মের জন্য ZIP ফাইল ডাউনলোড করুন এবং ADB ফাইলগুলি সংরক্ষণ করতে চাইলে এটি unzip করুন।
  • SDK ম্যানেজারটি স্টার্ট করুন এবং “Android SDK Platform-tools” ছাড়া সবকিছু সরিয়ে ফেলুন। আপনি যদি নেক্সাস ফোনটি ব্যবহার করেন তবে আপনি Google এর ড্রাইভারগুলি ডাউনলোড করতে “Google USB Driver” সিলেক্ট করতে পারেন।
  • এটি ইনস্টল সমাপ্ত হলে, আপনি এসডিকি ম্যানেজার বন্ধ করতে পারেন।
  • আপনার ফোনের জন্য USB ড্রাইভার ইনস্টল করুন আপনি আপনার ফোন প্রস্তুতকারকের ওয়েবসাইট (যেমন, মটোরোলা বা এইচটিসি) এ খুঁজে পেতে পারেন। যদি আপনার একটি নেক্সাস ফোন  থাকে, তবে আপনি এই নির্দেশাবলী ব্যবহার করে ধাপ 2 এ ডাউনলোড করা Google ড্রাইভগুলি ইনস্টল করতে পারেন।
  • অনুরোধ করা হলে, আপনার কম্পিউটার পুনরায় বুট করুন।
  • একটি USB তারের ব্যবহার করে আপনার ফোন চালু করুন এবং এটি আপনার কম্পিউটারে প্লাগ করুন। আপনার Android SDK ফোল্ডারে প্ল্যাটফর্ম-সরঞ্জামগুলির ফোল্ডার খুলুন এবং একটি খালি জায়গা তে Shift + Right বাটন ক্লিক করুন। “Open a Command Prompt Here” নির্বাচন করুন, এবং নিম্নলিখিত কমান্ডটি চালান:

adb devices

যদি এটি একটি সিরিয়াল নম্বর দেখায়, তবে আপনার ডিভাইসটি স্বীকৃত এবং আপনি প্রক্রিয়াটি চালিয়ে যেতে পারেন। অন্যথায়, সঠিকভাবে আপনি সঠিক পদক্ষেপগুলি সম্পন্ন করেছেন কি-না তা নিশ্চিত করুন।

ধাপ দুই: USB ডিবাগিং সক্ষম করুন

পরবর্তী, আপনার ফোনে আপনাকে কয়েকটি অপশন এনাবল করতে হবে। আপনার ফোনের অ্যাপ্লিকেশন ড্রয়ার খুলুন, সেটিংস আইকনটি আলতো চাপুন, এবং “About Phone” নির্বাচন করুন। সমস্ত পথ এর নিচে স্ক্রোল করুন এবং “Build Number” আইটেমটি সাতবার ট্যাপ করুন। আপনাকে এখন একটি বিশেষ বার্তা পেতে হবে। প্রধান সেটিংস পৃষ্ঠায় ফিরে যান, এবং আপনি নীচে “Developer Options” নামক একটি নতুন অপশন দেখতে পাবেন। খুলুন, এবং “OEM Unlocking” সক্ষম করুন, যদি বিকল্পটি বিদ্যমান থাকে (এটি না হলে, কোন উদ্বেগ করার প্রয়োজন নেই-এটি কেবলমাত্র কিছু ফোনে প্রয়োজনীয়)।

পরবর্তী, “USB Debugging” এনাবল করুন।  অনুরোধ করা হলে আপনার পাসওয়ার্ড বা পিন কোড লিখুন, (যদি প্রযোজ্য হয় তবে)। এটি সম্পন্ন হলে, আপনার ডিভাইস কে আপনার কম্পিউটারে সংযুক্ত করুন। আপনি আপনার ফোনে “Allow USB Debugging?”  নামে একটি পপআপ দেখতে পাবেন। “Always allow from this computer” বাক্সটি চেক করুন এবং ঠিক থাকলে OK চাপুন।

ধাপ তিন: একটি আনলক কী পান (নন-Nexus ফোনগুলির জন্য)

যদি আপনি একটি নেক্সাস ডিভাইস ব্যবহার করেন, আপনি নিম্নলিখিত ধাপটি এড়িয়ে যেতে পারেন। ‘অ-নেক্সাস’ ডিভাইসগুলি তে আপনার এগিয়ে যাওয়ার আগে এক অতিরিক্ত ধাপের মাধ্যমে যেতে হবে। আপনার প্রস্তুতকারকের বুটলোডার আনলকিংয়ের পৃষ্ঠায় (যেমন, “This page is for Motorola phones”  বা This page is for HTC  phones), আপনার ডিভাইসটি নির্বাচন করুন (যদি নির্দেশ দেওয়া হয়), এবং লগ ইন করুন বা একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। এই ধাপ আপনার ফোন এর উপর নির্ভর করে একটু ভিন্ন হয়, কিন্তু নির্মাতার সাইট প্রক্রিয়া চলাকালীন মত আপনাকে চলতে হবে। এটি কিছুটা এমন হবেঃ প্রথমে, আপনার ফোন বন্ধ করুন এবং fastboot মোডে বুট করুন।

এটি প্রতিটি ফোনে আলাদা আলাদা, তবে বেশিরভাগ আধুনিক  ডিভাইসগুলিতে আপনি 10 সেকেন্ডের জন্য “Power” এবং “Volume Down” বোতাম ধারণ করে সেখানে পৌঁছতে পারেন। তাদের মুক্তি, এবং আপনি fastboot মোডে হওয়া উচিত। (এইচটিসি ব্যবহারকারীদের প্রথমে “Volume Down key” এর সাথে “Fastboot” নির্বাচন করতে হবে এবং প্রথমে এটি নির্বাচন করতে Power নির্বাচন করুন।) আপনি সাধারণত আপনার নির্দিষ্ট ফোনে দ্রুত Google অনুসন্ধানের মাধ্যমে আরো তথ্য পেতে পারেন, তাই চালিয়ে যাওয়ার আগে এখনই মুক্ত থাকুন।

একটি USB তারের সঙ্গে আপনার পিসিতে আপনার ফোন সংযুক্ত করুন আপনার ফোনটি কে নির্দেশ করা উচিত যে ডিভাইস সংযুক্ত রয়েছে। আপনার কম্পিউটারে, আপনার Android SDK ফোল্ডারে প্ল্যাটফর্ম-সরঞ্জামগুলি খুলুন এবং একটি খালি ঘরে Shift + Right বাটন ক্লিক করুন।
“Open a Command Prompt Here” নির্বাচন করুন, এবং আপনার প্রস্তুতকারক দ্বারা বর্ণিত হিসাবে আপনার আনলক কী পুনরুদ্ধার করতে কমান্ড প্রম্পট উইন্ডো ব্যবহার করুন (উদাহরণস্বরূপ, মটোরোলা ফোনটি ফাস্টবট ওম get_unlock_data কমান্ডটি চালাবে, এইচটিটিইএক্স ফোনটি দ্রুতগতির কমান্ডটি ব্যবহার করবে।

fastboot
fastboot

কমান্ড প্রম্পট অক্ষর এ একটি খুব দীর্ঘ স্ট্রিং আকারে একটি টোকেন স্পিট আউট হবে। এটি নির্বাচন করুন, এটি অনুলিপি লিখুন , এবং আপনার প্রস্তুতকারকের ওয়েবসাইটে প্রযোজ্য বাক্সে পেস্ট করুন-নিশ্চিত করুন যে কোনও স্থান ফাঁকা  নেই! – এবং ফর্মটি জমা দিন যদি আপনার ডিভাইসটি আনলকযোগ্য হয়, তাহলে আপনি একটি কী বা ফাইলের সাথে একটি ইমেল পাবেন যা আপনি পরবর্তী ধাপে ব্যবহার করবেন। যদি আপনার ডিভাইসটি আনলকযোগ্য না হয়, তাহলে আপনি একটি বার্তা পাবেন, যাতে তা প্রকাশ করতে পারেন। যদি আপনি আপনার ডিভাইসটি রুট করতে বা একটি ROM ফ্ল্যাশ করতে চান, তাহলে আপনাকে আরও অননুমোদিত পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে, যা আপনি সাধারণত XDA বিকাশকারীর মতো একটি সাইটে খুঁজে পেতে পারেন।

ধাপ চারঃ আপনার ফোন আনলক করুন 

এখন আপনি আসলে আনলক করতে প্রস্তুত। যদি আপনার ফোনটি এখনও ফাস্টবুট মোডে থাকে, তাহলে নীচের কমান্ডটি চালান। যদি না হয়, আপনার ফোনটি বন্ধ করুন এবং 10 সেকেন্ডের জন্য “Power” এবং “Volume Down” বোতাম ধরে রাখুন। তাদের অন , এবং আপনি fastboot মোডে হওয়া উচিত। (এইচটিসি ব্যবহারকারীরা প্রথমে ভলিউম ডাউন কী দিয়ে “fastboot” নির্বাচন করতে হবে এবং প্রথমে এটি নির্বাচন করার জন্য Power নির্বাচন করুন।) একটি USB তারের সাথে আপনার ফোনটি আপনার পিসিতে সংযুক্ত করুন। আপনার কম্পিউটারে, আপনার Android SDK ফোল্ডারে প্ল্যাটফর্ম-সরঞ্জামগুলি খুলুন এবং একটি খালি জায়গা তে Shift + Right ক্লিক করুন। “Open a Command Prompt Here” নির্বাচন করুন। আপনার ডিভাইস আনলক করতে, আপনাকে একটি সহজ কমান্ড চালানোর প্রয়োজন হবে। অধিকাংশ নেক্সাস ডিভাইসের জন্য, এই কমান্ড হল:

fastboot oem unlock

আপনার যদি নেক্সাস ৫ এক্স বা ৬ পি এর মত একটি নতুন নেক্সাস থাকে তবে কমান্ডটি সামান্য ভিন্ন হবেঃ

fastboot flashing unlock

আপনার যদি একটি অ-নেক্সাস ডিভাইস থাকে, তাহলে আপনার প্রস্তুতকারক আপনাকে বলবে যে- কোন কমান্ডটি চালানো হবে। উদাহরণস্বরূপ, মটোরোলা ডিভাইসগুলি, আপনার প্রাপ্ত ইমেল থেকে অনন্য কী ব্যবহার করে, দ্রুতগতির OEM আনলক UNIQUE_KEY চালানোর প্রয়োজন। এইচটিটিসি ডিভাইসটি দ্রুতগতির অপারেটিং সিস্টেম আনলোকোটনকে Unlock_code.bin ব্যবহার করবে। কমান্ডটি চালানোর পরে আপনার ফোনটি জিজ্ঞাসা করতে পারে আপনি কি আনলক করতে চান। নিশ্চিত করতে ভলিউম কী ব্যবহার করুন।

শেষ হয়ে গেলে, আপনার ফোন রিবুট করার জন্য অন-স্ক্রীন মেনু ব্যবহার করুন (বা আপনার পিসি থেকে ফাস্টবট রিবুট কমান্ড চালান)। যদি সবকিছু সঠিকভাবে কাজ করে তবে আপনার বুট-লোডারটি আনলক করা অবস্থায় বুট করার সময়, একটি নতুন বার্তা টি দেখতে হবে এবং তার কয়েক সেকেন্ডের পরে এটিকে Android এ বুট করা উচিত। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কাস্টম পুনরুদ্ধারের ঝলকানি মত, অন্য কিছু করার আগে অ্যান্ড্রয়েড বুট গুরুত্বপূর্ণ।

অবশেষে, আপনার ফোন আনলক করতে পারার জন্য অভিনন্দন! আপনি এখনও একটি পার্থক্য রয়েছে। এখন  অনেক বিজ্ঞপ্তি পাবেন না, কিন্তু একটি আনলক বুটলোডার  এর সঙ্গে আপনি একটি কাস্টম পুনরুদ্ধার ফ্ল্যাশ করতে সক্ষম হবেন, রুট অ্যাক্সেস এবং কাস্টম রম দরজা খুঁলে যাবে । কাজ টা যদিও একটু কঠিন। কিন্তু, আপনি ঠিক ঠাক ভাবে নিয়ম ফলো করে কাজ টা করতে পারলে সহজেই আপনি নির্দিষ্ট লক্ষে পৌছাতে পারবেন। ধন্যবাদ।

আর্‌ও পড়ুনঃ 

অ্যান্ড্রয়েড

অ্যান্ড্রয়েড ভয়েস অ্যাকশন ব্যবহার করে মজা নিনঃ ভয়েস কমান্ড গুলো জানুন।

অ্যান্ড্রয়েড ভয়েস অ্যাকশন
অ্যান্ড্রয়েড ভয়েস অ্যাকশন

অ্যান্ড্রয়েড ভয়েস অ্যাকশন ব্যবহার করে মজা নিনঃ ভয়েস কমান্ড গুলো জানুন।

একটি ভয়েস কমান্ড ডিভাইস (ভিসিডি) মানুষের ভয়েস এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত একটি ডিভাইস। বোতাম, ডায়ালস এবং সুইচগুলি ব্যবহার করার প্রয়োজন ছাড়াই, গ্রাহকরা সহজেই তাদের হাত ব্যবহার না করেই  বা অন্যান্য কাজ করার সময় শুধু মাত্র অ্যান্ড্রয়েড ভয়েস অ্যাকশন ব্যবহার করে ডিভাইসগুলি পরিচালনা করতে পারেন। গুগল অ্যান্ড্রয়েড নামে একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেছে, যা ব্যবহারকারীকে ভয়েস কমান্ডগুলি চালনা করতে দেয় যেমনঃ পাঠ্য বার্তা পাঠানো, সঙ্গীত শুনতে, দিকনির্দেশ পেতে, ব্যাবসায়িক কল করতে বা লোকাল কল করতে, ইমেল পাঠাতে, মানচিত্রটি দেখতে, ওয়েবসাইটে যেতে, একটি নোট লিখতে, এবং Google অনুসন্ধান করতে।     

সর্বজন স্বীকৃত এই ভয়েস কমান্ড সফ্টওয়্যার টি অ্যান্ড্রয়েড 2.2 (Froyo) থেকে শুরু করে সব ডিভাইসের জন্য উপর্যুক্ত , কিন্তু সেটিংস গুলো ইংরেজিতে সেট করা আবশ্যক। গুগল ব্যবহারকারীকে ভাষা পরিবর্তন করতে অনুমতি দেয় এবং ব্যবহারকারী যখন তার প্রথমবারের মতো স্পর্শ শনাক্তকরণ বৈশিষ্ট্যটি ব্যবহার করেন তখন ব্যবহারকারীর ভয়েস ডেটা তাদের Google অ্যাকাউন্টের সাথে যুক্ত করতে চান। যদি একজন ব্যবহারকারী এই পরিষেবাটি বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তবে এটি Google- কে ব্যবহারকারীর ভয়েসকে সফটওয়্যারটি প্রশিক্ষণ দিতে দেয়। অ্যান্ড্রয়েড ভয়েস অ্যাকশন গুলি কর্ম সঞ্চালনের একটি শক্তিশালী উপায় – অনুসন্ধান,নোট তৈরি করা,অ্যালার্মগুলি সেট করা এবং আরো অনেক কিছু-আপনার কন্ঠের কমেন্ডের মাধ্যমে ঘটে। গুগল এর ভয়েস স্বীকৃতি আশ্চর্যজনক ভাবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে , কিন্তু – সব ভয়েস কমান্ডের মত – এটা নিখুঁত নয়। যখনই আপনি কোনও কম্পিউটারে কথা বলবেন তখন স্পষ্টভাবে তা ব্যাখ্যা করা নিশ্চিত করুন। তানাহলে সঠিক ফলাফল নাও পেতে পারেন।

ভয়েস কর্ম সঞ্চালন(Performing Voice Actions):

একটি ভয়েস কর্ম সঞ্চালন শুরু করতে, আপনার হোম পর্দার উপরের দিকে Google অনুসন্ধান উইজেটের মাইক্রোফোন আইকন টি চাপুন অথবা Google Now খুলুন এবং “Google” জোরে জোরে বলুন। আপনার ফোন বা ট্যাবলেট এ এখন আপনার ভয়েস শোনা শুরু হবে। আপনি এখন একটি ভয়েস কর্ম সঞ্চালনের জন্য জোরালো বা প্রয়োজনিয় কিছু বলতে পারেন।

Google অনুসন্ধান সঞ্চালনঃ 

সবচেয়ে মৌলিক – এবং স্পষ্ট – ভয়েস অ্যাকশনগুলি হল একটি সহজ Google অনুসন্ধান। আপনি যদি কিছু বলে থাকেন, এবং  Google যদি অন্য একটি ভয়েস অ্যাকশন হিসাবে তা চিনতে না পারে, তাহলে এটি একটি সহজ Google অনুসন্ধান করবে। যদি আপনি “নওরালের ছবি” মত কিছু বলেন, Google Narhhal ছবি অনুসন্ধান করবে এবং আপনাকে তাদের দেখাবে। যাইহোক, এই বৈশিষ্ট্য Google- এর নতুন জ্ঞান গ্রাফের সাথে হাতে হাতে কাজ করে। যদি আপনি গুগল এর কাছে কিছু জানতে চান তাহলে গুগল তার উত্তর দিবে যদি তা গুগল এর জানা থাকে।উদাহরণ স্বরুপ, আপনি গুগল কে জিজ্ঞেস করলেন-   “পৃথিবীতে কত লোক বাস করে?” (How many people live on Earth?) – Google আপনাকে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেবে এবং এটি আপনার কাছে আবার বলবে। গুগল এর জ্ঞানগ্রন্থের উন্নতির সাথে এই বৈশিষ্ট্যটি আরো শক্তিশালী হবে বলে আশা করা যায়।

একটি অ্যাপ্লিকেশন খুলুনঃ

একটি অ্যাপ্লিকেশন খুলার জন্য আপনাকে শুধু অপেন+অ্যাপ্লিকেশন  টির নাম বলতে হবে। তাহলেই গুগোল তা অপেন করে দিবে। যেমন, “Open gmail” সাথে সাথেই জিমেইল অপেন হয়ে যাবে।

একটি অ্যালার্ম সেট করুনঃ 

দ্রুত একটি অ্যালার্ম সেট করার জন্য, আপনাকে সময় উল্লেখ করে এলার্ম টি সেট করতে হবে। মনে করুন এখন থেকে ৩০ মিনিট পরে আপনার এলার্ম প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে আপনাকে কমান্ড দিতে হবে, “Set alarm for 30 minutes from now” আবার মনে করুন, আপনি রমজান মাসের সেহরি খাবার জন্য ভোরে এলার্ম দিতে চান। সেক্ষেত্রে আপনাকে কমান্ড দিতে হবে, “Set alarm for 3 a.m.”. এভাবে শুধু মাত্র ভয়েস কমান্ড ব্যবহার করে আপনি এলার্ম সেট করতে পারেন।

একটি নোট তৈরী করুনঃ 

ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে আপনি নোট তৈরী করতে পারবেন। নিজের জন্য একটি নোট তৈরি করতে, “note to self” বলুন এবং আপনার কথা চালাতে থাকুন নোট ত্যাগ না করা পর্যন্ত।  এটি একটি নোট তৈরি করে – উভয় অডিও এবং লিখিত পাঠ্য – যা আপনার Gmail অ্যাকাউন্টে ইমেল করা হবে। ট্রান্সক্রিপশন নিখুঁত না হলে এটি কাজ করবে না।

একটি ক্যালেন্ডার ইভেন্ট তৈরি করুনঃ 

আপনি এটির দ্বারা সহজেই একটি ক্যালেন্ডার ইভেন্ট তৈরি করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, আপনি বলতে পারেন “Create a calendar event: Business Lunch in Dhaka, Friday at noon.” ব্যাস! কাজ হয়ে যাবে।

ইমেইল পাঠানঃ 

ভয়েস অ্যাকশন একটি সম্পূর্ণ ইমেল পাঠাতে ব্যবহার করা যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, আপনি বলতে পারেন “Send email to Rubayed, subject, Our meeting, message, I’ll be right there.”

একটি খুদে বার্তা পাঠানঃ 

ভয়েস অ্যাকশন পাঠ্য বার্তা পাঠাতে পারে যেমন এটি ইমেল পাঠাতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, আপনি পরিবর্তে বলতে পারেন “Send SMS to Rubayed, message, I’m on my way.”

একটি ফোন কল করুনঃ 

একটি ফোন কল করতে, একটি ফোন নম্বর, একটি পরিচিতির নাম, অথবা একটি ব্যবসা কন্টাক্ট নাম্বার দ্বারা “Call” শব্দ টি বলুন।

বারকোড স্ক্যান করুনঃ 

আপনার ফোনে বারকোড স্ক্যান করার জন্য  আপনার  একটি পৃথক বারকোড-স্ক্যানার অ্যাপ্লিকেশন দরকার হবে না। যখনই আপনি বারকোড বা QR কোড স্ক্যান করতে চান, “Scan a barcode” বলুন এবং Google আপনাকে বারকোড-স্ক্যানার করে দেবে।

একটি গান সনাক্ত করুনঃ 

গান সনাক্ত করার জন্য অযাথা আপনার  আর একটি গান-শনাক্তকরণ অ্যাপ্লিকেশন  ইন্সটল করার প্রয়োজন নেই, যখনই আপনি একটি নির্দিষ্ট গান সনাক্ত করতে চান, “What’s this song?” জিজ্ঞাসা করুন এবং Google আপনাকে একটি গান-শনাক্তকরণ উইজেট দেবে যা আপনার ডিভাইসের মাইক্রোফোন ব্যবহার করে একটি চলমান গান সনাক্ত করতে দিবে। (তবে উল্লেখ্য, এটি শুধুমাত্র Google সঙ্গীতের সাথে কাজ করে বলে মনে হয়।)

একটি গান শুনুনঃ 

আপনি ভয়েস অ্যাকশনগুলির মাধ্যমে সহজেই আপনার ইচ্ছে মত গান শুনতে পারেন।  শুধু একটি গান, শিল্পী বা অ্যালবামের নাম অনুসরণ করে “listen to+ song name” বলুন। আপনি একটি অ্যাপ্লিকেশন নির্বাচন করতে সক্ষম হবেন, যেমন প্লে সঙ্গীত বা YouTube।

একটি ওয়েবসাইট যানঃ 

আপনি “Go to [website address]” বলে একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট খুলতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, “Go to bn.techills.net” আপনাকে আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়ে যাবে।

একটি মানচিত্র দেখুনঃ 

একটি ঠিকানা বা শহরের একটি মানচিত্র দেখতে, “map of [location]” বলে। উদাহরণস্বরূপ, আপনি “Map of Bangladesh” বলুন। আপনাকে সেই স্থানের মানচিত্র দেখাবে।

দিকনির্দেশ পানঃ 

একটি অবস্থান নির্দেশ পেতে, “directions to [location]” এটি আপনার নির্দিষ্ট অবস্থানের দিকনির্দেশের মাধ্যমে গোগ্লে মাপ্স অ্যাপটি খোলে, আপনার নির্দেশনা কে দেখাবে।

ন্যাভিগেশন শুরু করুনঃ 

একটি অবস্থানের জন্য Tarn-by-Tarn নেভিগেশান নির্দেশ শুরু করতে, “navigate to [location]” বলুন এটি Google ন্যাভিগেশন অ্যাপটি খুলবে এবং নেভিগেট শুরু করবে।

Google+ এ পোস্ট করুনঃ  

আপনি যদি Google+ ব্যবহার করেন, আপনি সরাসরি এতে পোস্ট করতে ভয়েস অ্যাক্সেস ব্যবহার করতে পারেন। শুধু আপনার বার্তাটি অনুসরণ করে “Post to Google+” বলুন।

পরিশিষ্টঃ

আপনি আসলে গুগল অনুসন্ধান বাক্সে টাইপ করে শুধুমাত্র একটি ভয়েস কর্ম সঞ্চালন করতে পারেন। কোন বিশেষ কাজ করার সময় কোন হাতের সাহায্য ছাড়াই আপনি ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। আজকের আর্টিক্যাল টা আশা করি আপনাদের জন্য শিক্ষামূলক এবং যথেষ্ট প্রয়োজনিয়তা পাবে। এমন আর্‌ও অনেক আর্টিক্যাল পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ।

অ্যান্ড্রয়েড

কিভাবে BlueStacks দিয়ে সহজ উপায়ে আপনার ডেস্কটপে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন চালাবেন?

BlueStacks দিয়ে সহজ উপায়ে আপনার ডেস্কটপে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন চালান।
BlueStacks দিয়ে সহজ উপায়ে আপনার ডেস্কটপে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন চালান।

কিভাবে BlueStacks দিয়ে সহজ উপায়ে আপনার ডেস্কটপে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন চালাবেন?  

যদি একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন-যা আপনি সত্যিই ভালবাসেন এবং আপনি আপনার কম্পিউটারে চালাতে পারে ইচ্ছুক, এখন আপনি করতে পারেনঃ একটি অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপার হিসাবে Moonlighting এর জাল ছাড়াও আপনার পিসি বা ম্যাক অ্যান্ড্রয়েড আপ্পস চালানোর জন্য একটি অন্য সহজ উপায় আছে। BlueStacks দিয়ে সহজ উপায়ে আপনার ডেস্কটপে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন চালাতে পারবেন। বিস্তারিত জেনে নিন।

BlueStacks কি? 

ধরা যাক, মোবাইল এর একটি গেইম- যা আপনি সত্যিই খেলতে ভালবাসেন এবং একটি বড় পর্দা এবং আরো আরামদায়ক ইন্টারফেস সঙ্গে আপনার পিসিতে এটি খেলা করতে চান। অথবা হয়ত আপনি আপনার টু-টু তালিকা বা ক্যালেন্ডার পরিচালনার জন্য একটি নির্দিষ্ট অ্যান্ড্রয়েড এ্যাপের ব্যবহৃত করছেন। এর জন্য বিভিন্ন অ্যান্ড্রয়েড এপস ইনস্টল করার ঝামেলা পোহাতে হয়।
বরং অ্যান্ডোরিডের অনুকরণে সমগ্র অ্যান্ড্রয়েড সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কিট (এসডিকে) ইনস্টল করার ঝামেলা থেকে বের হয়ে আসার পরিবর্তে আমরা সত্যিই একটি চমত্কার এবং ফ্রি টুল ব্যবহার করতে যাচ্ছি, যেতার নামঃ BlueStacks.

BlueStacks মূলত একটি স্বতন্ত্র ভার্চুয়াল মেশিন যা উইন্ডোজ বা ম্যাক কম্পিউটারে অ্যানড্রয়েড চালানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি প্লে স্টোরের প্রাক-ইনস্টলের সাথে এসেছে, এবং কয়েক মিনিটের মধ্যে আপনার প্রিয় অ্যাপস চালানোর জন্য আপনি শূন্য থেকে চালানো শুরু করে দিতে পারেন। সমগ্র অভিজ্ঞতা অবিশ্বাস্যভাবে আধুনিক হার্ডওয়্যার (ব্লু স্ট্যাকগুলি প্রায় বছর ধরে চলছে এবং মূলত একটি চমত্কার পাথুরে আলফা-সফ্টওয়্যার অভিজ্ঞতা এখন বেশ পালিশ করা হয়েছে) এবং এমনকি এমন কিছু জিনিস যা পূর্বে এত ভাল কাজ করেনি (হোস্ট কম্পিউটারের অ্যাক্সেসের মত ওয়েব ক্যাম বা অ্যাপ্লিকেশনের সাথে সমস্যা যা GPS তথ্য প্রয়োজন) এখন আশ্চর্যজনকভাবে কাজ করে।

শুধুমাত্র দুটি ছোট quirks আছে। প্রথমত, ব্লু স্ট্যাক্সের বর্তমান সংস্করণটি শুধুমাত্র অ্যানড্রয়েড 4.4.2 কিটক্যাট চালায়, তাই আপনার যদি এর চেয়ে নতুন কিছু প্রয়োজন হয়, তবে আপনার এর  পরিবর্তে Android SDK ইনস্টল করতে হবে।  দ্বিতীয়ত, মাল্টিচাচ অনুপস্থিত, যদি না আপনি একটি স্পর্শ স্ক্রিন মনিটর সহ একটি কম্পিউটারে BlueStacks ব্যবহার করছেন। যদি আপনি হন তবে আপনি মাল্টি-স্পর্শ ব্যবহার করতে পারেন, তবে আপনি যে অ্যাপ ব্যবহার করছেন তার অন্যতম কারণ আপনি ভাগ্যের বাইরে আছেন।

কিভাবে BlueStacks ইনস্টল করতে হয়?

ব্লুয়েশতাচক্স দিয়ে শুরু করার জন্য, কেবল তাদের ডাউনলোড পৃষ্ঠাতে শিরোনাম পড়ুন এবং আপনার কম্পিউটারের জন্য উপযুক্ত ইনস্টলারটি সিলেক্ট করুন। আমরা আমাদের উদাহরণে উইন্ডোজ ব্যবহার করছি, কিন্তু ম্যাকের জন্য প্রক্রিয়াটি বেশ অনুরূপ হতে হবে। ইনস্টলার ডাউনলোড শেষ হয়ে গেলে, এটি চালু করুন। আপনাকে স্বাভাবিক অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টলেশনের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে, আপনি নিশ্চিত করে নিন যে, BlueStacks অ্যাপ স্টোর এবং এপ্লিকেশন কমিউনিকেশন অ্যাক্সেস করতে চায়। সেই সাথে নিশ্চিত করুন যে এই দুটি বিকল্প চেক করা হয়েছে।

পরবর্তীতে, আপনাকে সাইন ইন করার জন্য আপনার Google অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে একটি BlueStacks অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে অনুরোধ করা হবে। একটি BlueStacks অ্যাকাউন্ট আপনাকে কিছু আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্যগুলিতে অ্যাক্সেস দেয় (যেমন অন্যান্য BlueStacks ব্যবহারকারীদের সাথে চ্যাট করার সময় তারা আপনার মতো একই গেম খেলছে) তবে সর্বোত্তম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি আপনার ডিভাইসগুলির মধ্যে আপনার সেটিংস সিঙ্ক করে দেয়-তাই আপনার ডেস্কটপে BlueStacks ইনস্টল করা থাকলে এবং ল্যাপটপ, সবকিছুই একইরকম- যেখানে আপনি এটি ব্যবহার করছেন। প্রোফাইল সেটআপ শেষ করার পরে, আপনি BlueStacks GUI এবং আপনার এখন চলমান (এমুলেড) অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের সাথে উপস্থাপন করা হবে:

BlueStacks
BlueStacks

যদি আপনি প্রথমবারের মতো একটি নতুন অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেট চালু করেন, তবে আপনাকে বেসিক সেটআপের মাধ্যমে চালানো হবে। আপনার ভাষা নির্বাচন করুন, আপনার Google অ্যাকাউন্ট (প্লে স্টোর এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলির অ্যাক্সেসের জন্য) এবং প্রথমবারের মতো একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস সেট আপ করার সময় আপনি যে সমস্ত অন্যান্য স্বাভাবিক জিনিসগুলির সাথে সাইন ইন করুন। সাইন ইন করার কথা বলুন, সতর্ক হোনঃ আপনি উপরের দুটি ধাপগুলি (প্রথমবারের জন্য আপনার Google অ্যাকাউন্ট তৈরি করার জন্য এবং আপনার Google অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করার সময়) করলে আপনি Google থেকে দুটি নিরাপত্তা সতর্কতা পাবেন যে আপনি কেবলমাত্র উইন্ডোজ এবং ফায়ারফক্সে সাইন ইন করেছেন।

এই কারণটি হল ব্লু স্ট্যাকগুলি আচ্ছাদন একটি ফায়ারফক্স ব্রাউজার হিসাবে নিজেকে সনাক্ত করে এবং এটি তার অ্যান্ড্রয়েড হার্ডওয়্যার জন্য এমুলেশন স্বাক্ষর ব্যবহার করে একটি S5 হিসাবে নিজেকে চিহ্নিত করে- তাদের নিরাপত্তা ই-মেইলগুলির মধ্যে কোনটিই উদ্বেগের বিষয় নয়।

কিভাবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য BlueStacks ব্যবহার করবেন? 

একবার আপনি অ্যান্ড্রয়েড সেটআপ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরে, এটি আপনার নতুন এমুলিউড অ্যানড্রয়েড ডিভাইসের হোম পর্দার ডান দিকে ডাম্প করবে। একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ব্যবহার সম্পর্কে আপনি যা জানেন সবকিছু এখানে প্রযোজ্যঃ সেটিংস মেনু এখনও আছে, প্লে স্টোর সেখানেই আছে, এবং আপনি তাদের স্টার্ট বা অ্যাপ্লিকেশন ড্রয়ারের ক্লিক করে সেটিংস মেনু খুলতে এবং অ্যাপ্লিকেশন ক্লিক করতে পারেন। আপনার মাউসটি ব্যবহার করুন যেমন আপনি স্ক্রীনে আপনার আঙুল ব্যবহার করবেন (অথবা, যদি আপনার একটি স্পর্শ পর্দা মনিটর থাকে তবে আপনার প্রকৃত আঙুলটি ব্যবহার করতে মুক্ত থাকুন)। কিছু অ্যাপ্লিকেশান ডাউনলোড করতে প্লে স্টোর আইকনে ক্লিক করে শুরু করা যাকঃ

আপনি অবিলম্বে ক্যাটাগরির মাধ্যমে ব্রাউজিং অ্যাপ্লিকেশনগুলি শুরু করতে পারেন পাশাপাশি স্ক্রীনের শীর্ষে সাদা অনুসন্ধান বাক্সে অনুসন্ধান পদ লিখে দিয়েও কাজ চালাতে পারেন। যদি আপনার ইতিমধ্যেই একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস থাকে এবং আপনি নিয়মিত ব্যবহার করেন, তবে, আপনার ফোনে বা ট্যাবলে আপনি যে অ্যাপ্লিকেশনগুলি ব্যবহার করেন তা আপনার অ্যান্ড্রয়েডের এমুলিউড অনুলিপি-এর উপর ক্লিক করে একটি মেনু আইকনে ক্লিক করুন, উপরের লাল রঙে তুলে ধরে। স্লাইড আউট মেনুতে, সাইডবারে “My apps & games” নির্বাচন করুন।  সেখানে, “ALL” ট্যাবটি নির্বাচন করে, আপনার কেনা সমস্ত বিনামূল্যের এবং প্রিমিয়াম অ্যাপ্লিকেশানগুলি সহ আপনার সমস্ত Google অ্যাকাউন্টগুলি এবং আপনার Google অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ডাউনলোড করা সমস্ত অ্যাপ্লিকেশন দেখতে পাবেন।

আমাদের তালিকাগুলির অ্যাপ্লিকেশনগুলির মাধ্যমে স্ক্রল করার পর, আমরা সত্যিই একটি নিখুঁত Android অ্যাপ্লিকেশন পেয়েছি যা আমরা সত্যিই পছন্দ করেছি, কিন্তু ডেস্কটপের জন্য আমরা একটি ভাল প্রতিস্থাপন পাইনি: Pomodroido, একটি পামোডোরো টেকনিক টাইমার। এখন আমাদের “ইনস্টল করুন” এবং বুমের ক্লিক করতে হবে, এখন ডেস্কটপে আমরা Pomodroido অ্যাক্সেস পেয়েছি। এটা যথেষ্ট সহজ। সূতরাং, ব্লু স্ট্যাক্সের ইন্টারফেসের বাকিটা কি? দুটি জিনিস আপনি নোট নিতে চাইবেনঃ পাশের টুলবার নিচে, এবং শীর্ষ জুড়ে ন্যাভিগেশন বার। উপরের দিকে স্ক্রিনশট ব্যবহার করে একটি রেফারেন্স পয়েন্ট হিসাবে উপরের দিকে শুরু করা যাকঃ

প্রথমত, আপনি লক্ষ্য করবেন যে ট্যাবগুলি আছে। পরিবর্তে টাস্ক সুইচ আপ কল একটি খারাপ এমুলেট বোতাম সমন্বয় ব্যবহার করার জন্য, BlueStacks শুধু উপরের একটি ট্যাবযুক্ত বিন্যাসে প্রতিটি পৃথক অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন উপস্থাপন করবে। । যে অ্যাপে স্যুইচ করার জন্য যেকোনো প্রদত্ত ট্যাবে ক্লিক করুন ন্যাভিগেশন বারের ডানদিকে আপনি একটি নীল তীর আইকন দেখতে পাবেন। এটি “BlueStacks Premium” বাটন আপগ্রেড। BlueStacks বিনামূল্যে, কিন্তু এটি কিছু স্পন্সর গেম লোড আসে (এবং নিয়মিত নতুন ডাউনলোড)। যদি আপনি স্পনসরকৃত প্রচারের সাথে মোকাবেলা করতে না চান, তাহলে আপনি ২4 ডলারে একটি বছরের জন্য ব্লু স্ট্যাকগুলি সাবস্ক্রাইব করতে পারেন।

প্রিমিয়াম আইকনের পাশে, আপনি কীবোর্ডে WASD কীগুলির আকৃতির একটি ক্ষুদ্র সামান্য আইকন দেখতে পাবেন (এই পিসি গেমগুলিতে কী গুলি খেলার ভূমিকা)। এই আইকনটি ধূসর হয়ে যায় যদি না আপনি একটি গেইম খেলেন।  এটি একটি গেম নিয়ামক ফাংশন ম্যাপ করার অনুমতি দেয়, Clans of Clans এর সাথে নীচে দেখানো হিসাবে। পরবর্তী সারির নিচে, আপনি একটি খাম আইকন দেখতে পাবেন। এই আইকনে ক্লিক করলে আপনার বিজ্ঞপ্তিগুলি টানা হয়, ঠিক যখন আপনি একটি মোবাইল ডিভাইসে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করছেন, যেখানে আপনি সেগুলি পড়তে এবং মুছে ফেলতে পারেন। পরবর্তী আইকন, একটি গিয়ার, সেটিংস মেনু জন্য। এখানে আপনি আপনার এমুলিউড অ্যানড্রইড ডিভাইসটি পুনরায় চালু করতে পারেন, আপডেটের জন্য চেক করতে পারেন, BlueStacks এর সেটিংস পরিবর্তন করতে পারেন (“Preferences” এর অধীন পাওয়া যায়) অথবা এমুলেড অ্যানড্রয়েড ডিভাইসের প্রকৃত সেটিংস এ গিয়ে (“settings” ক্লিক করে)।

শেষ তিনটি আইকন অ্যাপ্লিকেশনকে ছোট করার জন্য পূর্ণ স্ক্রীন মোডে যাওয়া বা এটি বন্ধ করার জন্য স্ট্যান্ডার্ড উইন্ডোজ ইন্টারফেস আইকন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অবশেষে, সাইডবারে আমাদের মনোযোগ ঘুরে যাক যেখানে আমরা কিছু দরকারী ফাংশন খুঁজে পাই। বাম দিকে, নীল এবং সবুজ উপরের দুটি আইকন, BlueStacks- নির্দিষ্ট কার্যকারিতা জন্য এবং আপনি অন্যান্য ব্লু স্ট্যাকস ব্যবহারকারীর স্ট্রীম (বা আপনার নিজস্ব তৈরি) এবং অন্যান্য ব্লু স্ট্যাটস ব্যবহারকারীদের সাথে চ্যাট, যথাক্রমে দেখার অনুমতি দেয়। পরবর্তী আইকন ডাউন আপনি পর্দার ঘূর্ণন পরিবর্তন করতে পারবেন (এটি আবর্তন সমর্থন করে এমন অ্যাপ্লিকেশন শুধুমাত্র সক্রিয়)। পরবর্তী আইকন, এটি একটি vibrating মত দেখতে একটি ছোট ফোন, একটি ইভেন্ট যে ট্রিগার কিছু ইভেন্ট ট্রিগার একটি কম্পনের গতি ব্যবহার করে আপনার ডিভাইস কম্পনের emulates একটি বাটন।

ক্যামেরা আইকনটি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের একটি স্ক্রিনশট গ্রহণের জন্য এবং নীচে একটি মানচিত্রের চিহ্নিতকারী আইকনটি পাওয়ার জন্য- যদি আপনি মার্কারটি ক্লিক করেন তবে আপনি আপনার ডিভাইসের জন্য জাল GPS অবস্থান সেট করতে পারবেন যা আপনাকে বিশ্বের কোথাও স্থানান্তর করতে অনুমতি দেয়। “APK” আইকন আপনাকে প্লে স্টোরের মধ্যে থাকা অ্যাপ্লিকেশনগুলি সাইডড করার অনুমতি দেয়, যদি আপনার পিসিতে ইনস্টলার ফাইল থাকে। ফোল্ডার আইকন উইন্ডোজ ফাইল ব্রাউজার চালু করে যাতে আপনি আপনার এমুলিউড অ্যানড্রয়েড ডিভাইসে আমদানি করতে ফাইল নির্বাচন করতে পারেন। অবশেষে, শেষ তিনটি আইকন আপনার কম্পিউটারের ক্লিপবোর্ডের মাধ্যমে আপনার যন্ত্রের ক্লিপবোর্ডে পাঠ্য বা ছবি অনুলিপি করে, আপনার কম্পিউটারের ক্লিপবোর্ড থেকে Android এ আটকে এবং ভলিউমকে সামঞ্জস্য করে।

এই মুহুর্তে, আপনার অ্যান্ড্রয়েড এমুলেটর আপ এবং মসৃণ চলমান হওয়া উচিত। আপনি নতুন অ্যাপস (এবং পুরোনো প্রিয়গুলি) কিভাবে ইনস্টল করবেন তা জানেন, এবং আপনার পিসি ইন্টারফেস এবং অ্যান্ড্রয়েড ইন্টারফেসের মধ্যে বিপ্লবগুলি সহজতর করার জন্য আপনার একটি চমৎকার ইন্টারফেস ইতিমধ্যে আছে। এখন আপনার প্রিয় অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন এবং আপনার বড়, প্রশস্ত ডেস্কটপ পিসি তে তাদের উপভোগ করুন!

ধন্যবাদ।

 

Add your widget here