Weekly যন্ত্র খবর

সত্যি এলিয়েনদের সাথে কি দেখা হওয়া সম্ভব ?

সত্যি এলিয়েনদের সাথে কি দেখা হওয়া সম্ভব ?

আমরা বসবাস করি এই পৃথিবীতে আর  এটি হল আমাদের ঘর আর আমাদের মধ্যে অধিকাংশ মানুষই আমাদের প্রায় সারা জীবন এখানেই কাটিয়েছি । এই সুন্দর তারাভরা চাদরের নিচে এটা না জেনেই যে আমরা কে এবং আমরা এখানে এসেছি কিভাবে? কিন্তু ধীরে ধীরে যখন আমাদের বুদ্ধির বিকাশ হয় তখন আমরা এ দুনিয়াকে পড়তে শুরু করি।

এবং এর সম্বন্ধে অনেক কিছুই জানতে শুরু করি প্রায় 400 বছর আগে থেকে আমরা বিজ্ঞানকে বুঝতে শুরু

করেছি এবং মানব সভ্যতা প্রকৃতির  প্রকৃতির রহস্য এবং নিয়মগুলি সাথে অবগত হয়েছি । মানুষের দ্বারা নতুন নতুন জিনিসের খোঁজ এবং আবিষ্কারের এই চাকা একবার যখন ঘুড়েছে  তারপর থেকে নতুন নতুন খোঁজ পেয়ে চলেছে এবং আমরা অনেক মহান বৈজ্ঞানিকদের কে পেয়েছি যারা আমাদের জীবন যাত্রাকে করেছে খুবই সহজ । কল্পনাকে বাস্তবে রুপ দিয়েছি আমরা । মানুষের  মনে প্রশ্ন এসেছিল যে ওই তারায় ভরা মহাকাশের পিছনে কি রয়েছে? আর এই প্রশ্নটি আমাদের মহাকাশে পাড়ি দেওয়ার ইচ্ছার বীজ বপন করে। তারপর আমরা বুঝতে পারি যে আমাদের প্লানেট এর মত   আরো অনেক প্লানেট রয়েছে, যেগুলি আমাদের মত ব্রহ্মাণ্ডে অবস্থিত এবং আমাদের সূর্যের মত কোন একটা সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে । আজকে আমরা জানি শুধুমাত্র আমাদের গ্যালাক্সিতেই লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি  গ্রহ রয়েছে এবং অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে । এখন কথা হলো আমাদের প্লানেট এর মত আরও কি অন্য প্লানেট আছে যে খানের জল বায়ুতে প্রানের জীবন সম্ভব। 

 

আমারিকার রসোওয়েল

যাই হোক এখন কিছু  ঘটনায় যাওয়া যাক 

আমারিকার রসোওয়েল এ  ১৯৪৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি এয়ার ফোর্সের একটি বেলুন নিউ মেক্সিকোয়ের রোজওয়েলের কাছে একটি রেঞ্চের উপর বিস্ফরিত হয়েছিল । আর আমিরিকান সরকার এই খবরটি ধামা চাপা দেওয়ার জন্য আমারিকার রসোওয়েল এর এই স্থানটির চিহ্ন তাদের মানচিত্র থেকে মুছে দিয়ে ছিল । যাইগাটির রহস্য কে গোপন রাখার জন্য তারা জাইগাটির একটি নাম দিয়ে রেস্টিকটেক্ট করে দেয়   এমন কি আমিরিকান সরকার কে জিজ্ঞাসা বাদে ও বিষয় টি অস্বিকার করেন । গুগোল মাপেও যদি যাইগাটি দেখেন তাহলে দেখবেন এরিয়া 51 এর একটি স্থান কে ব্লার করে রাখা । অর্থাৎ সাটেলাইট থেকেও এই জাইগাটির ছবি উঠানো সম্ভব না । 

আরো পড়ুনঃ

আমারিকার রসোওয়েল এর এই ঘটনা অনেক বিজ্ঞানী বলেন সত্যি আবার অনেক বিজ্ঞানী এটি মিথ্যা বলে উরিয়ে দেয়। যাই হোক আজ আমি নিজের একটি কন্সপেয়ারী থিওরী দিয়ে বিষয় টাকে ব্যক্ষা করবো দেখবো ঘটনার সত্যতা কি ? 

আমারিকার রসোওয়েল এর ১৯৪৭ সালের এই ঘটনাটির পর একটি গোয়েন্ডা টিম  এই বিষয়ে একটি নিউজ প্রকাশ করেছেন সেই তত্ত্য মোতাবেক বলা হয় ARIA 51 একটি ইউএস মিলিটারি বেজ় যেখানে আমিরিকা বিভিন্ন নিউ টেকনলজির এয়ার র্কাফট এর উপর রিসার্স করেন । আর তাছাড়া তারা নতুন নতুন প্রযক্তি নিয়ে গবেষনা করার জন্য এই স্থানটি ব্যভার করা হয়ে থাকে। 

 

আমারিকার রসোওয়েল

এই বাক্তি ধারনা করেন যে তিনি এরিয়া ৫১ এর একজন কর্মী এবং সেখানে এলিয়েন দের নিয়ে গবেষনা করা হয় বলে জানিয়েছেন । আরোও কিছু ছবি প্রকাশ করেছিলেন এই বাক্তি তার মৃত্যুর কিছু সময় আগে। ছবি গুলোতে মৃত কিছু এলিয়েন দের দেখতে পারবেন ।

 

 

এই ছবিটি তিনি প্রকাশ করেছিলেন তাছাড়া আরো কিছু ছবিও তিনি দেখিয়েছিলেন মিডিয়াকে ।

এছাড়া এই UFO বিধ্বস্তের কথা কিছু নিউজ পেপার ও  প্রকাশ করেছিল।

 

এই বিষয়ে আরো কিছু নতুন প্রমান নিয়ে এরিয়া ৫১ এর রহস্য ভেদ করতে আবার আসবো আপনাদের মাঝে  ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন।

 

 

টেক নিউজ

7 ডি হোলোগ্রাম প্রযুক্তি কেমন জানেন কি?

হোলগ্রামের মানে কি?


একটি হোলোগ্রাম একটি বস্তুগত  যন্ত্র যা একটি চিত্র প্যাটার্ন গঠন করে এবং চিত্র প্যাটার্ন গঠনের সময় আলোর বিন্দুগুলোকে আলাদা আলাদা ভাবে দেখাই.

  
হোলোগ্রাফিক ইমেজটি আলোর মাধ্যমে হোলগ্রাফিক প্রিন্টে লেজার বিম প্রজেক্ট করে এবং পর্দায় এই আলোর পতিফলনের কারনে একটি ত্রিমাত্রিক ছবি  দেখা যায়।

 


জন হেনরি পেপার 1860-এর দশকে প্রথমবারের মত হলোগ্রাফিক ছবির কৌশলটি প্রদর্শন করেছিলেন।  তিনি একটি ত্রিমাত্রিক প্রতিবিম্ব তৈরি করেছিলন এবং
চিত্রগুলি প্রজেক্টর এর মাধ্যমে বিভিন্ন দিক থেকে একটি নিদিষ্ট পর্দায় ফেলে ত্রিমাতৃক ছবি দেকিয়েছিলেন।  জন হেনরি সর্ব প্রথম মঞ্চে একটি ভুতের হলোগ্রাফিক ছবি প্রদর্শন করে।

HoloLens মত বর্ধিত বাস্তবতা সিস্টেম প্রায়ই একটি ভিডিও অভিক্ষেপ করতে হোলোগ্রাফিক অপটিক্যাল উপাদান ব্যবহার। ভার্চুয়াল ইমেজ  এক ধরনের ‘ভার্চুয়াল হোলোগ্রাম’।

 

হ্যালোগ্রাফিক ইমেজ কিভাবে কাজ করে?


হোলোগ্রাফিক ইমেজের মূলনীতি কাজ করে আলোর পরতি ফলন এর মধ্যমে। যখন একটি হলোগ্রাফিক ছবি ধারন করা হয় তখন একটি আলাদা কামেরা ব্যাবহার করা হয় এবং ছবি ধারন করার পর ছবিতে কিছু আকস্মিকভাবে আলোর বিচ্ছুরন পরিবতন করা হয়। সাভাবিক ভাবে বলতে গেলে একটি সাধারন ভিডিও প্রজেক্টর যে প্রক্রিয়াতে কাজ করে ঠিক একই ভাবে হোলোগ্রাফিক ইমেজ কাজ করে।   

 

7 ডি হোলোগ্রাম প্রযুক্তি কেমন ?   

যেহেতু আমরা সবাই জানি যে সময়ের সাথে সাথে খুব দ্রুত প্রযুক্তি বিকশিত হচ্ছে, গতকাল আমরা ২ ডি এবং 3 ডি তে কথা বলছিলাম এবং এখন আমাদের আলোচনার বিষয় হল 7 ডি হোলোগ্রাম প্রযুক্তি। আমরা সবাই প্রায় 2 ডি এবং 3 ডি প্রযুক্তি  দেখেছি এবং আপনাদের মধ্যে অনেকেই এই প্রযুক্তির অভিজ্ঞতা পেয়েছেন।

Example of 7D Park in Japan

সুতরাং, একটি 7 ডি হোলোগ্রাম হল 7 পরামিতি সহ একটি উচ্চ মানের হোলোগ্রাম ধারণ করার প্রযুক্তি। আমরা যদি 3 ডি এবং 7 ডি হোলোগ্রাম প্রযুক্তির মধ্যে পার্থক্য করি, তবে প্রধান পার্থক্য হল 7 ডি হোলোগ্রাম একটি বিষয় বা সমগ্র দৃশ্যের চারপাশে অবস্থান করে এমন একটি বড় সংখ্যক অবস্থান থেকে ধরা হয়। 3D চসমা পরে 3D ভিডিও দেখলে মনে হয় সব কিছু আপনার চোখের সামনেই ঘটছে কিন্তু 7D একদমি আলাদা কারন 7D  তে ভিডিও গুলো আপনার চার পাশে একটি ফেক দৃশ্য তৈরী করে।

কিভাবে

র‍্যাম কি? র‍্যাম কিভাবে কাজ করে?

পাবজি খেলবো কিন্তু ফোনের র‍্যাম ১ জিবি, আহা কি ঝামেলা দেখুন তো। এখন আবার ফোনের র‍্যাম বাড়াতে, নতুন RAM কিনতে হবে। র‍্যাম কথা টার সাথে তো আমরা সবাউ কম বেশি পরিচিত। কিন্তু RAM কি? আবার DD3, DD4, DD5 এই সব র‍্যাম গুলো কি তা কিন্তু আমরা কেও তেমন ভাবে জানি না। আপনি র‍্যাম নিয়ে না জেনে থাকেন তাহলে আমাদের এই আর্টিকেল টি পড়ুন। আপনার সকল প্রশ্নের সমাধান করে দিব এই একটি আর্টিকেলের মাঝেই।

RAM কি

র‍্যাম হচ্ছে তড়িৎ মেমোরি। যা ক্ষনস্থায়ী, আপনি যখন আপনার কম্পিউটার বা মোবাইলে কোন কাজ করবেন তখন সেই কাজের জন্য যে মেমোরির প্রয়োজন পরে সেটা করে র‍্যাম করে। আপনি যতক্ষণ কাজ করবেন না, ততক্ষন আপনার র‍্যাম কাজ করবে না। বলতে পারেন অনেক টা আপনার আমার ক্ষনস্থায়ী মেমোরির মত। একটা উদাহরণ দেই তাহলে আরো ভাল ভাবে বুঝবেন, মনে করুন আপনি পানি খাবেন, আপনার কাছে বোতল আছে। পানি বোতলে ভরে খেয়ে নিলেন। আবার যদি ঠান্ডা কিছু খেতে মন চাই সেটাও খেতে পারবেন বোতলে ভরে। এই বোতল টাই হচ্ছে RAM। আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল র‍্যাম কে ইচ্ছা অনুযায়ী ব্যবহার করে। তাই বেশি পানি খেতে চাইলে বোতল বড় করেন নাহলে আর পাবজি খেলা যাবে না। :p

কিছু প্রয়োজনীয় উইন্ডোজ কমান্ড, যা সম্পর্কে আপনার জানা উচিৎ।

RAM এর কাজ কি

আমাকে যদি র‍্যাম নিয়ে কথা বলতে দেওয়া হয় তাহলে আমি বলবো র‍্যাম হচ্ছে এই পৃথীবির সব থেকে থেকে নিরিহ জীব। যদিও এটা বস্তু। কেননা আমরা তাকে ব্যবহার করি কিন্তু তাকে মনে রাখি না। কেমন করে ব্যবহার করি শুনবেন? শুনুন তাহলে জীবনে কোন কিছু কপি করেছেন? যদি না করে থাকেন তাহলে করেন তো একটু। এই লেখা টা কপি করে পেস্ট করেন। কি করেছেন তো? আপনি যে কপি করলেন তো লেখা টা কোথায় কপি ছিল? আপনি কি মেমোরিতে কপি করছিলেন নাকি, করছিলেন তো ক্লিপ বোর্ডে। তাহলে এই লেখা টা কপি অবস্থায় ছিল কোথায়? হুম, সে র‍্যামেই ছিল। আপনি র‍্যামকে ভুলে যেতে পারেন র‍্যাম আপনাকে ভুলেও ভুলে যাচ্ছে না। আর এটাই র‍্যামের কাজ। আপনার কম্পিউটার বা মোবাইলের যত সফটওয়্যার জনিত কাজ তার মেমোরি এই র‍্যাম প্রদান করে। তাই র‍্যাম কে ভালবাসুন। আর আপনি একজন গেমার হয়ে থাকলে র‍্যাম কে দুদু খাওয়ান আর এর পুষ্টি বাড়ান। :p

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

 

ram এর প্রকারভেদ

র‍্যাম কি
র‍্যাম কি

র‍্যাম কিন্তু অনেক ধরণের হয়ে থাকে, যেমন, ৪ জিবির DDR3 র‍্যাম হয় আবার ৪ জিবির DDR4 র‍্যাম হয়। কিন্তু র‍্যামের প্রকারভেদ কিন্তু এই গুলো র‍্যাম সাধারণত হয়ে থাকে ৬ ধরণের

ড্রোন কি? ড্রোন কিভাবে কাজ করে? বিস্তারিত জানুন

    • Static RAM (SRAM)
    • Dynamic RAM (DRAM)
    • Synchronous Dynamic RAM (SDRAM)
    • Single Data Rate Synchronous Dynamic RAM (SDR SDRAM)
    • Double Data Rate Synchronous Dynamic RAM (DDR SDRAM, DDR2, DDR3, DDR4)
  • Graphics Double Data Rate Synchronous Dynamic RAM (GDDR SDRAM, GDDR2, GDDR3, GDDR4, GDDR5)

আমরা RAM বলতে যা বুঝি তা হচ্ছে Double Data Rate Synchronous Dynamic র‍্যাম কে। কিন্তু এই গুলো ছাড়াও আরো অনেক র‍্যাম আছে। এখন জানবো এই সকল র‍্যামের বিস্তারিত।

Static RAM (SRAM)

Static RAM (SRAM) প্রথম মার্কেটে আসে ১৯৯০ সালে যা এখনো বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স প্রোডাক্টে ব্যবহার করা হয়। যেমন ধরুন ডিজিটাল ক্যামেরা, রাউটার, পিন্টার ইত্যাদি তে। এই র‍্যাম গুলো সাধারণত কোন ডাটা স্টোর করে রাখে না। তাই রিফ্রেশ করার কোন ঝামেলা নাই। মূলত এই কারণেই একে স্ট্যাটিক র‍্যাম বলা হয়ে থাকে। এটা হচ্ছে ব্যাসিক একটা র‍্যাম।

Dynamic RAM (DRAM)

যে ২ টি ব্যাসিক RAM আছে তার মাঝে আরেক টি হচ্ছে এই DRAM. এটা মার্কেটে আসে ১৯৭০এ ও ১৯৯০ এর মাঝামঝি সময়ে এর ব্যবহার বন্ধ হয়ে যায় । এই র‍্যাম গুলো কাজ করার জন্য রিফ্রেশের প্রয়োজন পরে। ভিডিও গেম কনসোল, নেটওয়্যার্ক হার্ডওয়্যার ইত্যাদিতে এই র‍্যাম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই র‍্যাম গুলো ডাকা স্টোর করে রেখে দিতে পারে। কিন্তু বিদ্যুত প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলেই এই র‍্যামের সকল স্টোর করা তথ্য গায়েব হয়ে যাবে। মানে আমাদের কম্পিউটারের র‍্যাম হচ্ছে এক ধরণের DRAM।

Synchronous Dynamic RAM (SDRAM)

SDRAM মার্কেটে আসে ১৯৯৩ সালে ও যা এখন পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই RAM গুলো সাধারণত কম্পিউটার ও ভিডিও গেম কনসোলে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই র‍্যাম আসার পর থেকেই DRAM এর ব্যবহার শেষ হয়ে যায়। কিন্তু নাম দেখেই তো বুঝতে পারছেন SDRAM হচ্ছে DRAM এর একটি নতুন সংস্করণ। এই র‍্যাম গুলো সিপিইউ এর সাথে সিঙ্ক হয়ে কাজ করে। আর এই কারণেই এটা খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠে।

Single Data Rate Synchronous Dynamic RAM (SDR SDRAM)

SDR SDRAM হচ্ছে SDRAM এর আরেকটি ভার্শন। আমরা সাধারণ যেসকল র‍্যাম গুলো ব্যবহার করে থাকি সেই র‍্যাম গুলোর প্রথম ধাপ আপনি এটাকেই বলতে পারেন। একে আপনি DDR র‍্যাম বলেও ডাকতে পারে। যদিও DDR SDRAM হচ্ছে 2nd genaration SDR SDRAM কিন্তু এটাকে SDR SDRAM না বলে DDR SDRAM হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। এই র‍্যাম গুলো সাধারনত ব্যবহার করা হয়ে থাকে কম্পিউটারে ও ভিডিও গেম কনসোলে। এটিও প্রথম মার্কেটে আসে ১৯৯৩ সালে, যা এখন পর্যন্ত চলছে।

Double Data Rate Synchronous Dynamic RAM (DDR SDRAM)

DDR SDRAM আমরা এখন যেসকল র‍্যাম ব্যবহার করে থাকি তার সব গুলোই এই ধরের র‍্যামের মাঝেই পরে থাকে। ২০০০ সালে এই র‍্যাম প্রথম মার্কেটে আসে, যা এখন পর্যন্ত চলছে। এই র‍্যাম সবথেকে বেশি ব্যবহার করা হয় কম্পিউটারে। আমরা যেসকল DDR2, DDR3, DDR4 র‍্যাম চিনে থাকি তার সব গুলোই এই র‍্যামের আওতাভুক্ত।

DDR2 হচ্ছে DDR SDRAM এর পরবর্তী ভার্শন। এই র‍্যামেই প্রথম ডাবল ডাটা রিড ও রাইট করার মত ফিচার নিয়ে আসা হয়। এটা অন্যান্য র‍্যামের থেকে অনেক বেশি ফাস্ট হয়েছিল কেননা এটা অনেক ক্লক স্পিডে রান করতে পারতো। DDR যেখানে ছিল সর্বোচ্চ ২০০ মেগা হার্জ DDR2 ছিল ৫৩৩ মেগা হার্জের। কিন্তু মাত্র 1.8 ভোল্টেজেই চলতো এই র‍্যাম। এর পিনের সংখ্যা ২৪০ টি।

DDR3 SDRAM হচ্ছে DDR2 SDRAM এর পরের ভার্শন। এই র‍্যামে তেমন কোন আলাদা ফিচার নেই। কিন্তু এটা DDR2 র‍্যামের থেকেও অনেক ফাস্ট ছিল। কেননা এটি ছিল ৮০০ মেগা হার্জের থেকেও বেশি।

তাছাড়া এটিতে ছিল ওভার ক্লক করার সুবিধা। কিন্তু এটিতে সমান পরিমান পিন আছে DDR2 এর মতই।

DDR4 SDRAM হচ্ছে DDR3 SDRAM এর পরের ভার্শন। এটা বাকি সকল র‍্যামের থেকে অনেক গুনে বেশি ফাস্ট। এটাতে যেমন আছে অনেক বেশি মেমোরি, তেমনি এটি মাত্র 1.2 ভোল্টের। এটি সর্বোচ্চ ১৬০০ এর উপরে মেগাহার্জ সম্পন্ন। সাথে এটাতে ব্যবহার করা হয়েছে ২৮৮ টি পিন বলতেই পারেন এটা অন্যান্য র‍্যামের তুলনাই অনেক গুনে বেশি ফাস্ট।

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

Graphics Double Data Rate Synchronous Dynamic RAM (GDDR SDRAM)

আমরা GPU এর কথা তো সবাই জানি। হ্যাঁ, আমাদের গ্রাফিক্স কার্ডে যে সকল র‍্যাম ব্যবহার করা হয় সেই গুলোই হচ্ছে GDDR SDRAM। এটি প্রথম মার্কেটে আসে ২০০৩ সালে। জানা কথাই যে এটি গ্রাফিক্স কার্ডে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এখন কিছু কিছু ট্যাবলেটেও এই র‍্যাম ব্যবহার করা হয়। এটাও SDRAM র‍্যামের একটা ডাল বলতে পারেন। কিন্তু এটিকে বানানো হয়েছে বিশেষ করে ভিডিও রেন্ডারিং এর জন্য।

বেসিক কম্পিউটার নিরাপত্তাঃ কিভাবে ভাইরাস, হ্যাকার এবং চোর থেকে নিজের কম্পিউটারকে রক্ষা করবেন?

Mobile ram এর কাজ কি

আপনার কম্পিউটার যেমন র‍্যামের প্রয়োজন রয়েছে ঠিক তেমনি ভাবে আপনার মোবাইল ফোনেও র‍্যামের প্রয়োজন রয়েছে। বর্তমানে আপনার ফোনে যত বেশি র‍্যাম হবে তত বেশি আপনার জন্যই ভাল। কেননা বর্তমানে ফোনের এপস গুলো বেশি আপডেট হয়ে গেছে। সেই কারণে এই সকল এপস গুলোর ডাটা রাইট ও রিড করার জন্য RAM বেশি ব্যবহার হয়। কিন্তু আপনার ফোনে যদি র‍্যাম বেশি না থাকে তবে আপনার ফোনে বেশি এপস বা টাস্ক আপনি রান করাতে পারবেন না। তাছাড়া আপনি বা আমি যেসকল এন্ড্রোয়েড ফোন ব্যবহার করি, সেই ফোন গুলো লিনাক্স কার্নেলের ওপর ভিত্তি করে বানানো। আর এই কার্নেলে বেশির ভাগ ফাইল রান হওয়ার সময় ডি-কম্প্রেস হয়ে রান হয়। যার পুরোটাই র‍্যামের ওপর প্রোসেস হয়। এছাড়া আপনি বা আমি যেসকল গেম খেলি তার জন্য কিন্তু GPU এর প্রয়োজন কিন্তু ফোনে GPU না থাকাই র‍্যামকেই GPU হিসাবে ব্যবহার করা হয়। যদিও বর্তমানে কিছু ফোনে GPU ব্যবহার করতে দেখা গেছে। যদিও সেটা সংখ্যার দিক থেকে অনেক কম। এছাড়াও র‍্যামের ব্যবহার আপনার সেল ফোন সিগনালেও লক্ষ করা যায়। সামনে যে ৫ জি ফোন গুল্যো আসছে তার জন্য আপনার ফোনের র‍্যাম অবশ্যয় বৃদ্ধি পাবে। বলতে পারেন র‍্যাম যত বেশি হবে আপনার জন্য তত ভাল। দিন যত বৃদ্ধি পাবে কম র‍্যামের ফোন গুলোকে বাতিল বলে গন্য করা হবে। তাই বেশি র‍্যামের ফোন কিনুন ও কিছু বছর নিশ্চিতে থাকুন। ফোনের RAM বাড়ানোর চিন্তা করেন না, কেননা শুধু মাত্র কম্পিউটারের র‍্যাম বাড়ানো যায়, ফোনের র‍্যাম না। যদিও কিছু এপস আছে RAM বাড়ানোর কিন্তু এইসব ধান্দা বাজি করে নিজের ফোনের গুষ্টি উদ্ধার করবেন না।

ড্রোন নিয়ে কিছু মজার প্রশ্ন ও উত্তর পর্বঃ১

শেষ কথা

র‍্যামের গুরুত্ব হয়তো বুঝতে পেরেছেন। তাই বলে রাখি বেশি RAM যুক্ত ফোন কিনুন। এতে আপনার ক্ষতি নাই বরং লাভের পাল্লা বেশি। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। র‍্যাম নিয়ে যা যা জানা আপনার প্রয়োজন তা জানানোর চেষ্টা করেছি। চেষ্টা করেছি র‍্যাম নিয়ে সকল ছোট ছোট বিষয় গুলো তুলে ধরবার। যে কোন ধরণের হেল্পের জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। আমাদের গ্রুপের লিংক

 

প্রযুক্তি

ড্রোন নিয়ে কিছু মজার প্রশ্ন ও উত্তর পর্বঃ১

ড্রোন কথাটি আমরা সকলেই শুনেছি, অনেকেই তো ভেবে বসে আছেন ড্রোন দিয়ে শুধু যুদ্ধ করাই যায়। এছাড়া আর অন্য কিছু করা যায় না। এছাড়াও আমাদের  মনের মাঝে ড্রোন নিয়ে আরো অনেক প্রশ্ন জমা হয়ে আছে। আমরা আলোচনা করবো আপনাদের সেই সকল মনের মাঝে  থাকা প্রশ্ন গুলো নিয়ে। সাথে আমরা চেষ্টা করবো আপনার সেই সকল প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেয়ার জন্য।

ড্রোন কি

ড্রোন হচ্ছে এমন একটা বিমান বা উড়োজাহাজ যেটা পাইলট বাদেই চলাচল করতে পারে। ড্রোনের আবিধানিক অর্থ হচ্ছে গুঞ্জন, এই নামটি হয়েছে মৌমাছির গুঞ্জন করার শব্দ থেকে। আপনি জানতে চান ড্রোন কিভাবে কাজ ও ড্রোন কি? এর বিস্তারিত  আলোচনা আমাদের এই পোস্টে করা আছে এখানে থেকে পড়ে আসতে পারেন।

ড্রোন কি বৃষ্টি বা তুষারের মাঝে উড়তে পারে?

হ্যাঁ, ড্রোন বৃষ্টি বা তুষারের মাঝেও উড়তে পারে। যদিও এটা কয়েক বছর আগেও সম্ভব ছিল না। কিন্তু এখন যে সকল নতুন আপডেট ড্রোন গুলো এসেছে সেই গুলো বৃষ্টির মাঝেও উড়তে সক্ষম। যেমন DJI Phantom 4 Wetsuit এই ড্রোন টা। এটা হচ্ছে ওয়াটকার প্রুফ একটা ড্রোন, যেটা বৃষ্টির মাঝেও উড়ে যেতে সম্ভব।

বেসিক কম্পিউটার নিরাপত্তাঃ কিভাবে ভাইরাস, হ্যাকার এবং চোর থেকে নিজের কম্পিউটারকে রক্ষা করবেন?

ড্রোন কি হ্যাক করা সম্ভব?

এই  প্রশ্ন টা আমাদের সকলের মনেই কিন্তু আছে, বিশেষ করে যারা একটু টেক গিক ধরণের তারা তো খুবই আগ্রহী। যদিও আমার নিজের মনেও এই প্রশ্ন টা অনেক দিন ধরে ছিল। আসলে সত্য কথা বলতে ড্রোন হ্যাক করা সম্ভব। ড্রোন হ্যাক নিয়ে কালি লিনাক্সের অনেক টুল আছে। ড্রোনের মাঝে যে প্রোগ্রাম করা আছে মূলত সেই গুলো পরিবর্তন করে হ্যাক করা হয়ে  থাকে। এছাড়াও ড্রোন ভিডিও গুলো মূলত শেয়ার হয় ওয়ার্লেস নেটওয়ার্কের মাধ্যমে। এই ওয়ার্লেস নেটওয়ার্কেও অনেক ভারনাবিলিটি পাওয়া গেছে।

কিছু প্রয়োজনীয় উইন্ডোজ কমান্ড, যা সম্পর্কে আপনার জানা উচিৎ।

যুদ্ধ ক্ষেত্রে কখন ড্রোন ব্যবহার করা হয়?

ড্রোন নাম টা আমাদের কাছে পরিচিত হয়েছে আমেরিকা-আফগানিস্থান যুদ্ধের পরে। তার আগে আমরা কিন্তু কেও জানতাম না ড্রোন বলেও কিছু আছে কিনা। আর ২০০২ সালে আমেরিকা-আফগানিস্থান যুদ্ধের সময় প্রথম ড্রোনের ব্যবহার করা হয়। শুধু যদ্ধ ক্ষেত্রেই না বলতে পারেন ইভুলুশোন ঘটেছে এই সময়ের পরেই।

কখন ড্রোন প্রথম ব্যবহার করা হয়

১৯১৮ সালের দিকে আমেরিকান নেভি ড্রোন ব্যবহার করেন। যদিও সেই সময়ের ড্রোন আর এই সময়ের ড্রোনের মাঝে রয়েছে আকাশ পাতাল পার্থক্য।

ড্রোন চালানো কি বৈধ

ড্রোন
ড্রোন

আসলে সত্য কথা বলতে একেক দেশে একেক নিয়ম। অনেক দেশেই ড্রোন চালানো সম্পুর্ন ভাবে নিষেধ। আবার অনেক দেশেই কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানকে তাদের কাজের জন্য ড্রোন ব্যবহার করতে দেয়া হয়। আমাদের দেশের কথা যদি বলতে হয়, আসলে আমাদের দেশে ড্রোন চালাতে গেলে ড্রোন কে রেজিট্রেশন করতে হয়। রেজিট্রেশন বাদে ড্রোন চালানো সম্পূর্ন বে-আইনী। এটা শুধু আমাদের দেশেই না, পৃথিবীর প্রায় সকল দেশেই এই নিয়ম টা রয়েছে।

আজকের মত এতটুকুই, আগামী পর্বে হয়তো আরো নতুন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। আপনার যদি কোন প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে আমাদের কমেন্ট সেকশনে জানাবেন।

কিভাবে

কিভাবে আপনার ইকো শো এর উজ্জ্বলতা ও এলার্ম ভলিউম পরিবর্তন করবেন?

ইকো শো (ছবিঃ প্রতিকি অর্থে)
ইকো শো (ছবিঃ প্রতিকি অর্থে)

কিভাবে আপনার ইকো শো এর উজ্জ্বলতা ও এলার্ম ভলিউম পরিবর্তন করবেন?

ইকো শো হল অ্যামাজনের সবচেয়ে লেটেস্ট স্মার্ট হোম ডিভাইস যার সাথে আপনার বাড়ির অন্যান্য সব ইলেক্ট্রনিকস ডিভাইস কানেক্টেড থাকে। এটি দেখতে অনেকটা পুরোনো দিনের টেলিভিশনের মত। কিছুদিন আগে অ্যামাজনের এই ডিভাইস টি বাজারে এনেছে। এর আছে ৭ ইঞ্চি টাচস্ক্রীন এবং ৫ মেগাপিক্সেল ক্যামেরাযুক্ত- অ্যামাজনের অ্যাওয়ার্ড জেতা ইকো স্পীকার যা আপনার বাড়িতে একটি স্মার্ট হোম ডিভাইস হিসেবে কাজ করতে পারে। সূতরাং আপনি নিশ্চয় চায়বেন যে, আপনার বাড়ির সবাই এটি দেখতে এবং এর সাউন্ড শুনতে পাক। তাই কিভাবে এর উজ্জলতা এবং ভলিউম সামঞ্জস্বপূর্ণ রাখতে হয় তার টিপস এখানে দেওয়া হল।

কিভাবে পিসিতে ব্রাউজার বুকমার্ক, এক্সটেনশান ও অন্যান্য ডেটা সিঙ্ক করবেন?

ব্রাইটনেস বা উজ্জ্বলতা পরিবর্তন করুনঃ

ইকো শো নেভিগেশন উজ্জ্বলতা বা ব্রাইটনেস পরিবর্তন করা অতি সহজ ব্যাপার। দ্রুত শর্টকাটগুলির একটি সংগ্রহ দেখতে; স্ক্রীনের উপরের দিক থেকে নীচে সোয়াইপ করুন।(স্মার্ট ফোনে আমরা শর্টকাট গুলো যেভাবে পাই, ঠিক সেভাবেই) উজ্জ্বলতা স্তর সামঞ্জস্য করতে brightness বাম এবং ডান দিকে সোয়াইপ করতে থাকুন এবং অতঃপ আপনার পছন্দ মত ব্রাইটনেস সিলেক্ট করে রাখুন।

ইকো শো- রুমে আলোর উপর ভিত্তি করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজের উজ্জ্বলতা সামঞ্জস্য করবে। এই বৈশিষ্ট্যটি কে “adaptive brightness.” বলা হয়। মূলত, যখন আপনি উজ্জ্বলতা সমন্বয় করেন, ইকো শো- রুমে হালকা আলোকে উজ্জ্বলতা মাত্রা বজায় রাখার চেষ্টা করবে, এমনকি যদি পর্দাটি কতটা উজ্জ্বল হলে ভাল হয় তার অনুযায়ী পরিবর্তন করবে। বেশিরভাগ আধুনিক স্মার্টফোন একই বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে। এটি সহায়ক সুতরাং যখন সূর্যর নিচে যাবেন তখন আপনাকে নিজে উজ্জ্বলতা সমন্বয় করতে হবে না। এটি নিজেই উজ্জ্বলতা সমন্বয় করে নিবে। যাইহোক, আপনার ইকো শো অভ্যন্তরীণভাবে জীবনযাপন করে, তাই শুধু মাত্র একটি বাতি জ্বালানোর জন্য হয়ত আপনি এটির উজ্জ্বলতা পরিবর্তন করতে চায়বেন না। কিন্তু যদি আপনি adaptive brightness বন্ধ করতে চান, পর্দার উপরে থেকে সোয়াইপ করুন এবং সেটিংস চাপুন। তালিকাতে স্ক্রোল করুন এবং Display তে ক্লিক করুন। উজ্জ্বলতা স্তর সামঞ্জস্য করতে brightness বাম এবং ডান দিকে সোয়াইপ করুন। এখন, ইকো শো একই উজ্জ্বলতার স্তরে থাকছে এমনকি যদি রুমে আলো পরিবর্তিত হয় তবুও।

কিভাবে উইন্ডোজ, লিনাক্স ও ম্যাকে আপনার ম্যাক অ্যাড্রেস পরিবর্তন করবেন?

ভলিউম এডজাস্ট বা সংশোধন করুনঃ

এবার আমরা ভিলিউম সংশোধনের দিকে লক্ষ করব। ইকো শোতে দুটি ধরনের ভলিউম স্তর রয়েছে। মিডিয়া ট্রেনিস বা ইউটিউব ভিডিওগুলির মতো মিডিয়াগুলির জন্য একটি এবং টাইমার, অ্যালার্ম ও নোটিফিকেশনের জন্য অন্য একটি স্তর রয়েছে। ইকো শো শীর্ষক বরাবর ভলিউম বাটনগুলি মিডিয়া ভলিউমকে সামঞ্জস্য করবে, তবে আপনি প্রতিটি সেটিংকে পৃথকভাবে সমন্বয় করতে পারবেন। এটি করতে, আবার সেটিংস মেনু খুলুন, স্ক্রোল করুন এবং সাউন্ড ট্যাপ করুন।
এই পৃষ্ঠায়, আপনি প্রতিটি ভলিউমের জন্য একটি স্লাইডার দেখতে পাবেন। এই ভলিউম আপ বা ডাউন চালু করার জন্য একটি লেবেলযুক্ত “Alarm, Timer, and Notification Volume” স্লাইড করুন। এখান থেকে আপনি আপনি মিডিয়া ভলিউম সামঞ্জস্য করতে পারেন। যেহেতু শীর্ষে থাকা ভলিউম বোতামগুলি শুধুমাত্র মিডিয়া ভলিউম পরিবর্তন করে, আপনি যে কোন সময় অ্যালার্মের ভলিউম পরিবর্তন করতে চায়লে সেটির জন্য এখানে ফিরে আসতে হবে এবং প্রয়োজন মত পরিবর্তন করে নিতে হবে।

যায়হোক, এছাড়াও আপনি প্রয়োজনে ইচ্ছে হলে আলেক্সাকে কমান্ড করে বিভিন্ন রকমের কাজ করাতে পারবেন এবং স্ক্রীনে সেই সম্পর্কিত আরও বিস্তারিত তথ্য দেখতে পারবেন। মনে করুন, আপনি অ্যামাজন মিউজিক থেকে গান প্লে করতে চান তবে স্ক্রীনে আপনা-আপনিই গানের লিরিকসহ ডিসপ্লে হতে থাকবে। এর ফ্রন্ট ক্যামেরার সাহায্যে ভয়েস এবং ভিডিও কলিং সুবিধাও রয়েছে। এই লেটেস্ট স্মার্ট হোম ডিভাইসটির সাথে আপনার বাড়ির অন্যান্য সব ইলেক্ট্রনিকস ডিভাইস কানেক্টেড রাখতে এবং তাদের একই সাথে কন্ট্রোল করতে পারবেন। কিন্তু হতাশার ব্যাপার হল  অ্যামাজন ইকো এবং ইকো ডট স্মার্ট স্পীকারগুলো বাংলাদেশের মত দেশগুলোতে সাপোর্ট করে না। তবে জিপিএস স্পুফিং আর ভিপিএনের সাহায্যে যেকোনো দেশেই এগুলো সাপোর্ট করানো যেতে পারে। তাই এভাবে চায়লে বাংলাদেশ সহ যেকোন দেশেই এই প্রযুক্তি টি ব্যবহার করা যাবে। তবে আশা করি স্বাভাবিক ভাবেই বাংলাদেশে দ্রুতই এই প্রযুক্তিটির ব্যবহার শুরু হবে।

আজ এ পর্যন্তই। আগামী দিন আবারও নতুন কোন ভালো আর্টিক্যাল নিয়ে হাজির হবো। ততক্ষন পর্যন্ত ভাল থাকাউয়ান। ধন্যবাদ।

কিভাবে আইফোন, আইপ্যাড, এবং ম্যাক এর গেম সেন্টার ডিজেবল করবেন?

প্রযুক্তি

টাইম মেশিন ও টাইম ট্রাভেলিং । সময়কে জয় করার যন্ত্র ।

মাঝে মাঝে আমাদের সবার ই এমন মনে হয় যে যদি সমইয়কে পিছিয়ে নিয়ে  যেতে পারতাম বা ভবিষ্যত এ কি ঘটবে তা সময় এর আগে গিয়ে জানতে পারতাম । আর এই চিন্তা চেতনা থেকে আমাদের মাথায় সবার প্রথমে যে বিষয়টা মনে হয় তা হল টাইম মেশিন ও টাইম ট্রাভেলিং  । আমরা জীবনে অন্তত একবার হলেও  টাইম মেশিন শব্দটা শুনেছি। কিন্তু বাস্তবে এর অস্তিত্ত্ব এবং এর যাবতীয় বিষয় সস্পর্কে খুব একটা অধিকাংশ মানুষই জানে না  । যেহেতু টাইম ট্রাভেলিং আর টাইম মেশিন শব্দ গুলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অন্যতম কঠিন কিছু ট্রামস এর মাঝে পড়ে তাই এর ব্যাপারে বাংলা ভাষায় বিস্তারিত খুব কম ই লেখা হয়েছে  । আজকের এই লেখার মুল উদ্দেশ্যই হল জটিল টাইম মেশিন ও টাইম ট্রাভেলিং এর ব্যাপার গুলো আপনার সামনে অনেক সহজ ভাবে উপস্থাপন করা ।
তাহলে চলুন আর বেশি কথা না বলে মুল পর্বে চলে যাই ।

সময় কাকে বলে ?

টাইম মেশিন
টাইম মেশিন
টাইম মেশিন ও টাইম ট্রাভেলিংকে বুঝতে হলে আমাদের সবার প্রথমে জানতে হবে সময় সম্পর্কে । আপত দৃষ্টিতে যাকে আমরা সময় বলে বিবেচনা করি বাস্তবে কিন্তু সময় বলতে তা বোঝায় না । সময় সম্বন্ধে একাধিক স্বতন্ত্র মতবাদ রয়েছে। এর মাঝে একটি মতানুসারে সময় হচ্ছে মহাবিশ্বের মৌলিক কাঠামোর একটি অংশ যেটি একটি বিশেষ মাত্রা বা ডাইমেনশন ,যাকে চতুর্থ মাত্রাও বলা হয়ে থাকে এবং যেখানে ভৌত ঘটনাসমূহ একটি ক্রমধারায় ঘটতে থাকে । এটি বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি যা আইজ্যাক নিউটনের তত্ত্বসম্মত। এই মতানুসারে সময় একটি ভৌত রাশি , যা পরিমাপযোগ্য এবং এর পরিবর্তণ প্রতক্ষ করা যায় ।

আরো পড়ে আসতে পারেনঃ

কোন ডিসপ্লে আপনার জন্য সেরা? ডিসপ্লের প্রকারভেদ নিয়ে বিস্তারিত

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি ? বিস্তারিত আলোচনা

টাইম মেশিন বলতে কি বোঝায় ?

টাইম মেশিন
টাইম মেশিন
টাইম মেশিন একটি চতুর্মাত্রিক কাল্পনিক যন্ত্র যান যা আমাদের এই  ত্রিমাত্রিক জগতের যে কোন জায়গায় যে কোন সময়ের সাপেক্ষে চলতে পারে । সোজা ভাষায় ,অতীত বা ভবিষ্যতের যেকোন সময়ের যে কোন জায়গায়  আপনি চলে যেতে পারেন এই টাইম মেশিন বা সময়কে অতিক্রম করার যানে করে । আমরা যেহেতু ত্রিমাত্রিক পৃথিবীতে বসবাস করি তাই আমাদের কাছে  গন্তব্য বলতে কোন নির্দিষ্ট স্থানকে বুঝে থাকি (যেমনঃ ঢাকা, রাজশাহী, কুষ্টিয়া ইত্যাদি ) ।কিন্তু টাইম মেশিন সম্পর্কে ধারণা নিতে হলে আমাদের আরেকটা মাত্রা বিবেনা করতে হবে । আর এই চতুর্থ মাত্রাটা হচ্ছে সময় । এই চতুর্থ মাত্র বিবেচনা করে  চতুর্মাত্রিক যানের জন্য গন্তব্য হচ্ছে সময় (যেমন ১৯৮০ ,১৯৯০.১০০০ সাল ইত্যাদি)। স্থান, কাল ও সময়ের মাঝের একটা সম্পর্ক স্থাপন করা সম্ভব হয় টাইম মেশিন এর মাধ্যমে ।

টাইম ট্রাভেলিং থিওরী

টাইম মেশিন
টাইম মেশিন
আমাদের পৃথিবীর বাইরে মহাশূন্যকে আপাত দৃষ্টিতে ত্রিমাত্রিক মনে হলেও বাস্তবে তা  চতুর্মাত্রিক ।  বিজ্ঞানীর গবেষণা করে বের করতে সক্ষম হয়েছেন যে , কোন বস্তু যদি আলোর বেগে চলে তাহলে তা টাইম মেশিন এর মত কাজ করতে পারে । এর মুল থিওরীটা অনেকটা এমন ,এই মুহুর্তে আমরা যা দেখছি তা আসলে ১০ সেকেন্ড আগেই হয়ে গেছে অর্থাৎ আপনি এই লেখাটি ১০ সেকেন্ড আগে দেখেছেন কিন্তু তা আপনার কাছে এইমাত্র মনে হচ্ছে । এখন এই দশ সেকেন্ড সময় এর যে গ্যাপ আপনি প্রত্যক্ষ করলেন তা আসলে অত্যান্ত দ্রুত গতির যন্তের মাধ্যমে বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন । অন্তত থীওরিটিক্যালি  এইটা প্রমানিত হয়েছে । যার উপর ভিত্তি করে কাল দীর্ঘায়ন ও সঙ্কোচন এর মত ব্যাপার গুলো ব্যাখা করা সম্ভব হয় । এটি টাইম ট্রাভেলকে এর বাস্তবতার দিকে আরো এক ধাপ এগিয়ে দেয় । আপাত দৃষ্টিতে এটাকে সাইন্স ফিকশন মনে হলেও বাস্তবে কিন্তু এইটা হতেই পারে ।

ডাইমেনশন বা মাত্রা ও সময় এর মাঝে সম্পর্কে ।

 
কোন বস্তু দিমাত্রিক বলতে বোঝায় তার দৈঘ্য আছে এবং আছে প্রস্থ , যেমন ব্লাক বোর্ড , । এখন ত্রিমাত্রিক বস্তু যার  দৈর্ঘ্য , প্রস্থ , পুরুত্ব আমাদের নিজের দেহের দিকে তাকালে তা খুব ভাল ভাবেই বোঝা যাই অথবা আমরা পানির বোতলকে বিবেচনা করতে পারি ত্রিমাত্রিক বস্তু হিসাবে  । দিমাত্রিক ও ত্রিমাত্রিক বস্তু সম্পর্কে ধারণা লাভের পরে আমাদের স্বভাবই প্রশ্ন আসে তাহলে চারমাত্রিক বা চতুর্থ মাত্রিক ব্যাপারটা কি ?  বিশ্ব বিখ্যাত বিজ্ঞানী এবং টাইম ট্রাভেল এক্সপার্ট স্টিফেন হকিংস এর মতে সময় হল চারমাত্রিক যা কিনা দৈর্ঘ্য , প্রস্থ , পুরুত্ব এর মতই । যদিও তার এই সজ্ঞা থেকে চতুর্থমাত্রিক বস্তু সম্পর্কে ধারণা লাভ করা কঠিন হয়ে পড়ে , তাই উদাহরণ এর মাধ্যমে বিষয়টা ক্লিয়ার করার চেষ্টা করছি । বিবেচনা করি  ,আপনি  একটি গাড়ি চালাচ্ছি ।  গাড়িটি গাড়িটি যখন সামনের দিকে যাবে তা হল  প্রথমমাত্রা । এখন গাড়িটি যদি  কোন কারণে ডান অথবা  বামে যায় তাহলে সেটা  দ্বিতীয় মাত্রা মাত্রা বলে বিবেচিত হবে  । গাড়িটি যদি ওপরের দিকে উঠতে থাকে তাহলে সেটা তৃতীয় মাত্রা । আর এই সমল ঘটনা যেহেতু সময় এর সাপেক্ষে ঘটছে তাই সময়কে এখনে বলা হয়েছে চতুর্থ মাত্রা । স্থান আর কাল আর তাদের মাঝে সময় এই গুলোকে  নিয়েই মুলত এখানে চুতুর্থ মাত্রা বা সময়কে উপস্থাপন করা হয়েছে ।

টাইম মেশিন তৈরী ও বাস্তবিকতা ।

আমরা অনেকেই টাইম বা সময় ডাইলেশন এর ব্যাপারে কিছুটা জানি । আর যারা জানি না তাদের জন্য বলছি টাইম ডাইলেশন হল এমন একটা ব্যাপার ধরা যাক দুই যমজ ভাই রাম আর রহিম । রাম পৃথিবীর বাইরে গেলে একটা রকেটে করে এবং সে রকেটের গতি ধরেই নিলাম হল আলোর গতির সমান বা তার চেয়ে বেশি । এমন পরিস্থিতীতে রামের কাছে মনে হবে স্ময় অনেক ধীরে চলছে । আর এই দিকে রহিম যে পৃথিবীতে আছে তার কাছে স্ময় স্বাভাবিক বলেই মনে হবে । এতে করে রাম ও রহিমের সময়ের মাঝে একটা ব্যাবধান চলে আসবে । আর এইটাকেই বলা হয়ে থাকে টাইম ডাইলেশন বা সময় এর সঙ্কোচন প্রসারন । এই টাইম ডাইলেশনকে কাজে লাগিয়েই মুলত টাইম মেশিন তৈরীর ব্যাপারে চিনাত করা হয় । কিন্তু বাস্তবতা হল এই যে আলোর বেগের সম বেগ তো অনেক দুরের কথা মানুষ মোটে শব্দের বেগের কয়কগুন মাত্র গতি অর্জন করতে পেরেছে । তাই টাইম মেশিন বানোর চিন্তা করার আগে আলোর বেগের গতি অর্জন নিয়ে গবেষণা করা হয় ।

ভবিষ্যতে কি টাইম ট্রাভেল করা সম্ভব ?

এই ব্যাপারে কথা বলতে হলে আইনস্টাইনের রিলেটিভিটি নিয়ে একটু কথা বলার দরকার । আইনস্টাইন তার বিখ্যাত রিলেটিভির সুত্রে বলেছিলেন গ্রাভীটি বা মহাকর্ষ বল  সময়কে ধীর করে ফেলে। অর্থাৎ এই সুত্র বিবেচনা করলে একটা  ঘড়ী 10 তলায় একটু দ্রূত চলে  এবং গ্রাউন্ড ফ্লোর তার চলমানতা একটু কম হবে । তার মানে ঘড়িটা পৃথিবীর কেন্দ্রের একটু কাছাকাছি বলে গ্রাভীট্যাশনাল শক্তির  প্রভাবে তার সময় একটু ধীরে চলবে । তবে এটা আপনে আমি কখনোই অনুভব করতে পারবো না । কেননা এই পরিবর্তন হাজার ভাগের এক ভাগ দ্বারা বিবেচিত হবে । তো এটা থেকেই বোঝা যাচ্ছে আসলে সময়কে অতিক্রম করা আসলে কত বেশি কঠিন একটা ব্যাপার । একটা হিসাব থেকে দেখা গিয়েছে নির্দিষ্ট উচ্চতার সাপেক্ষে সময় 30% শতাংশ ধীর হতে পারে পৃথিবীর সময় থেকে । কিন্তু এই গুলো সবই এক একটা থিওরী যার বাস্তবিক্তা থাকলেও প্রয়োগ করা এখন ও সমভব হয় নি । তাই ভবিষ্যতের টাইম মেশিন বা টাইম ট্রাভেলিং এর ব্যাপারে আপাত দৃষ্টিতে নিশ্চিত ভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না ।
আশা করি আপনারা আজকের লেখা থেকে টাইম ট্রাভেলিং ও টাইম মেশিন সম্পর্কে খুব ভাল একটা ধারণা লাভ করতে পেরেছেন । প্রযুক্তিকে সহজ ভাবে বোঝার জন্য আমাদের সাথেই থাকুন আর প্রযুক্তিকে ভালোবাসুন ।
প্রযুক্তি

কোন ডিসপ্লে আপনার জন্য সেরা? ডিসপ্লের প্রকারভেদ নিয়ে বিস্তারিত

আজকের এই দিনে মোবাইল ফোনের সব থেকে গুরত্বপুর্ণ এবং কনফিউশন করে দেওয়ার মত ব্যাপার হল এর ডিসপ্লে । মোবাইল কেননার আগে আমরা তার ব্যাটারী, মডেল এর পাশা পাশি নজর দিয়ে থাকি এর ডিসপ্লের উপরে । কিন্তু বাজারে নানা ধরনের ডিসপ্লে থাকায় কোনটা বেস্ট হবে তা বোঝা অনেক বেশি ঝামেলা পুর্ন হয়ে দাঁড়ায় । এমন পরিস্থিতিতে আমরা বুঝতে পারি না আমাদের কোন ধরনের ডিসপ্লে যুক্ত ফোন কেনা উচিত । এইজন্য  মোবাইল ফোন কেনার আগে আপনার উপযোগী ডিসপেস্ন কোনটি তা থেকে জেনে নেয়া ভালো।
 তাই আজকে  আমার এই লেখাই সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় এমন কিছু ডিসপ্লে নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব ।
তাহলে চলুন বেশি কথা না বলে মুল আলোচনায় চলে যাই ।
 প্রথমেই বলে রাখা ভাল  বিভিন্ন মোবাইল ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড নাম দিয়েই নানা ধরনের ডিসপ্লে বাজারে নিয়ে আসে । কিন্তু তাদের এই নাম থেকে আসলেই কোন ভাবে ডিসপ্লে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাই না । যেমন বাজারে রয়েছে সনি এরিকসন এর  রিয়েলিটি ডিসপ্লে , বিখ্যাত অ্যাপল এর  রেটিনা ডিসপ্লে ইত্যাদি । এই সব ডিসপ্লে গুলো ভিন্ন ভিন্ন কাজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন  সর্বোচ্চ সুবিধাপ্রদান করে থাকে ।

টিএফটি এলসিডি ডিসপ্লে  (TFT)

ডিসপ্লে
Image: directindustry.com
থিন ফিল্ম ট্রানজিস্টর প্রযুক্তি ব্যাবহার করে তৈরী করা হয়েছে থিন ফিল্ম ট্রানজিস্টর লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে যাকে সংক্ষেপে টি এফ টি ডিসপ্লে বলা হয়ে থাকে ।  এই ধরনের ডিসপ্লের মুল উপযোগীতা হলে অনেক বেশি নিখুত ভাবে ছবি এবং ভিডিও উপস্থাপন করা । এটি মুলত  যেকোনো এলসিডি ডিসপ্লে থেকে অধিকতর গুণগত মানসম্পন্ন ছবি এবং উচ্চ রেজ্যুলেশনের ভিডিও দেখাতে সক্ষম । ২৫৬ হাজার কালার পর্যন্ত সমর্থন করতে  সক্ষম এই ডিসপ্লে বাজারে থাকা অধিকাংশ  মোবাইল ফোনে এ প্রযুক্তির ডিসপ্লে লক্ষ করা যায়। বিশেষ করে সীমিত দামের স্মার্টফোন গুলোতে এই ধরনের ডিসপ্লের আধিক্য রয়েছে কেননা এর প্রস্তুত খরচ অন্যান্য ডিসপ্লে থেকে অনেক কম ।  এর  পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও রয়েছে সূর্যের আলোতে বা সরাসরি বেশি আলোতে এর ডিসপ্লে দেখতে বেশ অসুবিধা হওয়া এবং  কালার রিপ্রোডাকশনের জন্য ডিসপ্লের ব্যাক প্যানেলে লাইট প্যানেল থাকায় তুলনামূলক অনেক বেশি শক্তির প্রয়োজন হয় যা অতিদ্রুত ব্যাটারী পাওয়ার শেষ করে ফেলে ।

ওলেড ডিসপ্লে (OLED)

ওলেড ডিসপ্লে  হলো অরগানিক লাইট ইমিটিং ডায়োট প্রযুক্তি ব্যবহার করে বর্তমান সময়ের এক বিষ্ময় বলা যেতে পারে । এটি দেখতে অনেকটা সমতল ও মসৃণ । মুলত এই বৈশিষ্টের কারনেই স্মার্ট ফোন গুলোতে এর ব্যাহার করা হয় । শুধু  মোবাইল ফোন না এর  পাশাপাশি পোর্টেবল পিডিএ এবং ডিজিটাল ক্যামেরার ডিসপ্লে হিসেবে এর ব্যবহার যথেষ্ট লক্ষনিয় । ১৬ মিলিয়ন কালার সমর্থন করতে সক্ষম এর ডিসপ্লে টাচ করার সাথে সাথে তা খুব দ্রুত কাজ করে এবং বিভিন্ন এ্যাংগেল  থেকে খুব ভালো দেখা যায় । এর ভিউ এ্যাংগেল যথেষ্ট বেশি । ওলেড ডিসপ্লেতে বিশেষ এর ধরনের প্রযুক্তিক ব্যবহার করা হয়ে থাকে যার ফলে আলাদা ভাবে আর ডিসপ্লেতে কালার রিপ্রোডাকশনের জন্য ব্যাক লাইট ব্যাবহার করা হয় না অর্থাৎ প্রতিটা পিকজেলকে আলোকিত করার জন্য আলাদা আলাদা ভাবে এল এই ডি লাইট ব্যাবহার করা হয়ে থাকে । যাতে ব্যাটারী ব্যাকাপ অনেক ভালো পাওয়া যায় । এটি এই ধরনের ডিসপ্লের অন্যতম এ্যাডভানটেড হসাবে উল্লেখ করা যেতে পারে । ব্যাটারী পাওয়ার কম প্রয়োজন হলেও এ ধরনের ডিসপ্লের ঔজ্জ্বল্যের পরিমাণও তুলনামূলক বেশি হয় । এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে নমনীয়, পাতলা, এবং অধিক স্বচ্ছ ডিসপ্লে তৈরী করা সম্ভব ।

অ্যামোলেড ডিসপ্লে (AMOLED)

একটিভ-ম্যাট্রিক্স অরগানিক লাইট-ইমিটিং ডায়োট প্রযুক্তির এর নিদর্শন হলো অ্যামোলেড ডিসপ্লে। এটির কাজ করার ধরন অনেকটা  ওলেড ডিসপ্লের মতোই। পাওয়ার খরচ কমানোর জন্য এই ধরনের ডিসপ্লে তেও আলাদা ভাবে ডিসপ্লের পেছনে ব্যাক লাইট ব্যাবহার করা হয় । আলাদা আলাদা সাবপিক্সেল ব্যবহার করে কালার প্রোডাকশন করা হয়ে থাকে । যার ফলে ব্যাটারী আযু অনেক দীর্ঘ হয় । সর্বোচ্চ ১৬ মিলিয়ন কালার প্রদর্শন করতে পারে অ্যামোলেড ডিসপ্লে এতে করে একদিকে যেমন ছবির গুণগত মান ভালো হয় তেমনি ছবি অনেক উজ্জ্বল ভাবে প্রদর্শিত হয় । এই ধরনের ডিস্পপ্লের টাস রেসপন্স ও অনেক বেশি দ্রুত । ভিউ এ্যাংগেল অনেক বেশি হওয়ায় সব দিক থেকেই স্বাচ্ছন্দ্যে ছবি দেখা যায় । এই ডিসপ্লের কিছু অসুবিধার মাঝে অন্যতম হলো তীক্ষ্ণতা কিছুটা কম ,নির্মাণের খরচ বেশি হওয়ায় বেশ অ্যামোলেড ডিসপ্লে ব্যয়বহুল । মুলত নোকিয়া কম্পানির মোবাইল গুলোতে অনেক বেশি ব্যাবহার করা হয় এই ডিসপ্লে ।

সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে (SUPER AMOLED)

স্যামসাং মোবাইল ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের তৈরি  সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে  যাকিনা মুলত  অ্যামোলেড ডিসপ্লের আদলেই তৈরি করা। এটি অ্যামোলেড ডিসপ্লের আপগ্রেডেট ভার্সন বলা যেতে পারে ।  শক্তি সঞ্চয়ী, বেশি উজ্জ্বল, ও অধিক টাস রেসপন্স সুবিধা যুক্ত এই ডিসপ্লে অত্যান্ত কার্যকরী । স্যামসাং এর ফ্লাগশিপ ফোন গুলো অর্থ্যাত গ্যালাক্সি এস২ এবং গ্যালাক্সি এস৩ এর মত ব্যয়বহুল ফোনগুলোতে সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে ব্যাবহার করা হয়ে থাকে ।

রেটিনা ডিসপ্লে (Retina Display)

রেটিনা ডিসপ্লে নামের পেছনে রয়েছে এক বিষ্ময় ,মানুষের সাধারণ চোখে কখনই এর কোনো একক পিক্সেল আলাদাভাবে শনাক্ত করা সম্ভব নয় বলে একে বলা হয়ে থাকে রেটনা ডিসপ্লে । আইপিএস এলসিডি এবং ব্যাকলিট এলসিডির সমন্বয়ে তৈরি  রেটিনা ডিসপ্লে  বর্তমান মোবাইল ডিসপ্লের জগতে সর্বাধুনিক সংস্করণ বলা যেতে পারে । বিখ্যাত অ্যাপল ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবন এই রেটিনা ডিসপ্লে । ৬৪০ বাই ৯৬০ পিক্সেল রেজ্যুলেশন যুক্ত এই এই ডিসপ্লের কাল্র রিপডাকশন থেকে শুরু করে পাওয়ার কনজামশন সব কিছুই একদম সঠিক অনুপাতে বিদ্যমান । এই ডিসপ্লের ভিডিও অনেক বেশি জিবন্ত মনে হয় তার পাশা পাশি লেখা গুলো অনেক সুক্ষ ভাবে পড়তে পারা যাই । অ্যাপলের আইফোন ৪ থেকে শুরু করে এর পরবর্তী সব স্মার্ট ফোনগুলোতে অ্যাপেল তাদের এই রেটিনা ডিসপ্লে ব্যাবহার করে আসছে । এ্যাপেলের নতুন আইফোন এক্স বা টেনেও এই রেটিনা ডিসপ্লে ব্যাবহার করা হয়েছে ।

আরো পড়ে আসতে পারেনঃ

মোবাইল ব্রাভিয়া ইঞ্জিন ( BRAVIA Engine) 

বিশ্ববিখ্যাত ইলেকট্রনিক পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সনির উদ্ভাবন হাই রেজ্যুলেশন এবং অডিও-ভিজ্যুয়ালের পূর্ণতাদানকারী ব্রাভিয়া ইঞ্জিন হলো ডিসপ্লে জগতের এক প্রতিদন্ধির নাম  । বিশ্বের সব  উন্নতমানের টেলিভিশনের জন্য বিশেষ ভাবে ডিজাইন করা এই ব্রাভিয়া ইঞ্জিন । এই ব্রাভিয়া ইঞ্জিনের মুল বিশেষত্য হলো  ছবি ও ভিডিওর গুণগত মান বাড়ানো এবং অস্পষ্টতা কমানোর পাশাপাশি কন্ট্রাস্টের মানও অনেক বাড়িয়ে দেয় । প্রকৃত কালার প্রদর্শন এর আরেক বিষ্ময় । বিশেষ ভাবে এক্সপেরিয়ান্স সিরিজের মোবাইল ফোনগুলোতে এটি ব্যাবহার করা হয়ে থাকে ।
আশা করি উপরের আলোচনা থেকে আপনারা স্পষ্ট ভাবে ডিসপ্লের ব্যাপারে একটা জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন । প্রযুক্তির সাথে থাকুন আর প্রযুক্তিকে ভালবাসুন
প্রযুক্তি

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি ? বিস্তারিত আলোচনা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তারকৃত্রিম বুদ্ধিমত্তারআর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কিছু কথা ।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বর্তমান যুগের এক যুগান্তকারী আবিষ্কার বলে বিবেচিত হয় । কিন্তু আমরা কতটা জানি এই আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যাপারে । এই বছর আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময় একটা নিউজ সারা বিশ্বের নজর কেড়েছিল তা কতটা সত্যি বলা না গেলেও ব্যাপারটা অনেক ভাবনার ছিল । সেখানে বলা হয়েছিল ফেইসবুক নাকি তাদের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বন্ধ করে দিচ্ছে কেননা তারা নাকি নিজেদের মাঝে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষ এক ভাষা ব্যবহার করছে ,যা মানুষের বোঝার বাইরে ।
আমাদের চার পাশে অনেক উদাহরণ রয়েছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যাপারে । একটা সিম্পল উদাহরণ দিয়ে শুরু করি । আমাদের সবার মেইল এ্যাকাউন্ট এ একটা স্পাম বক্স রয়েছে । সিস্টেম কোন এক পদ্ধতির মাধ্যমে এই স্পাম মেইল চিনতে পারে এবং  স্পাম ফোল্ডার এ জমা করে । কিন্তু এইটা কিভাবে হয় ?
এছাড়া আপনি ইউটিউবে কোন ভিডিও দেখলে সেই ভিডিও রিলেটেড আরো অনেক ভিডিও আপনাকে রিকমান্ড করা হয় । তাহলে আপনার ব্রাউজার বুঝে কি করে এই ব্যাপার গুলো ? আসলে এই সব গুলোই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এর খেলা । এর পেছনে রয়েছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স  এর অবদান ।
সুতরাং এমন পরিস্থিতিতে আমাদের জানা দরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এর ব্যাপারে । আজকের এই লেখায় থাকছে  আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর উপর বিশদ বিবরণ যেমন এটা  কি,এটা কিভাবে কাজ করে , এটা কিভাবে এলো, কেন এটা দরকার এবং বিস্তারিত । তাই আর বেশি কথা না বলে মুল আলোচনায় চলে যাই ।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বলতে কি বোঝায় ?

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা  কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি শাখা, যেখানে মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তা শক্তিকে কম্পিউটার দ্বারা অনুকৃত করার চেষ্টা করা হয়ে থাকে। মানুষ যেরকম বুদ্ধিমান, মেশিন কে সেইরকম বুদ্ধিমান করার এই প্রচেষ্টাই হলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স । সোজা ভাষায় বলতে গেলে, কম্পিউটার বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে মানুষের বুদ্ধিমত্তা  দক্ষতা, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা , শিক্ষা গ্রহন সমস্যার সমাধান , রাগ , হাসি কান্নার মত নানা ইমোশন যন্ত্রের মাঝে প্রতিস্থাপন করা যাতে যন্ত্র যা তার পরিবেশকে অনুধাবন করতে পারে এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে ।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ইতিহাস ।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কথাটার সাথে আমরা খুব বেশিদিনের পরিচিত না হলেও এর পেছেনের গল্প কিন্তু খুব একটা ছোট না । মজার ব্যাপার হলো কম্পিউটার আবিষ্কারের অনেক আগে থেকেই মেশিনকে কিভাবে মানুষের মত চিন্তা করার ক্ষমতা দান করা যাই তাই নিয়ে গবেষণা হয়ে আসছিল । চিন্তা করতে সক্ষম কৃত্রিম মানুষ মূলত গল্প বলার যন্ত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল অনেক আগেই । প্রাচীন গ্রিস এ একটি যন্ত্র তৈরির চেষ্টা করার ধারণাটি সম্ভবত রামন লোল (1300 খ্রিস্টাব্দে) । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে’র পর পরই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে ব্যাপক গবেষণা শুরু করা হয় তখন ইংরেজ গণিতবিদ অ্যালান টুরিং ১৯৪৭ সালে  আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে প্রথম  বক্তব্য দেন । তার বক্তব্য ছিলো কোন একটা মেশিন যদি মানুষের মত চিন্তা করতে পারে, কাজ করতে পারে তবে তাকে বুদ্ধিমান বলা উচিত! বলতে গেলে এই সময় থেকেই বিজ্ঞানীগণ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে আলাদা আলাদা ভাবে গবেষণা শুরু করেন । কম্পিউটার নামের জাদুর যন্ত আবিষ্কারের পরে তা অনেক বেশি বেগমান হয়েছে শুধু । কিন্তু মনে রাখতে হবে এর যাত্রা শুরু হয়  সেই গ্রিক সময় থেকেই । প্রাচীন কাল থেকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রোয়োগ হলেও বিগত দুই তিন বছর ধরে এর ব্যাপারে ব্যাপক চর্চা হচ্ছে ।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর মুল বিষয় কী ?

মানুষ কোন কিছুই জন্মের সময় শিখে আসে না । পৃথিবীতে আসার পরে নানা বস্তু , সামজ এবং সামাজিক জীবন থেকে দেখে ,বুঝে, ভুল করে শিক্ষা লাভ করে । তার পাশা পাশি প্রাতিষ্ঠানিক ভাবেও তাকে শিক্ষা প্রদান করা হয়ে থাকে । মেশিন এর ক্ষেতেও অনেকটা এমন করা হয়ে থাকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর কল্যানে । মেশিনকে শেখানো হয় নান ব্যাপার যাতে সে আর্টিফিশিয়ালি বা কৃত্রিম ভাবে বুদ্ধিমান হয়ে উঠতে পারে । এই জন্য ব্যবহার করা হয় প্রোগাম বা এ্যালগরিদম । মেশিন তার বিভিন্ন সেন্সর এর মাধ্যমে পরিবেশ থেকে তথ্য নিতে পারে এবং তার পবিপরীতে তাকে যে ভাবে প্রোগ্রাম করা হয়েছে ্সে অনুপাতে সাড়া দিতে পারে । আর এটাই হলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স
এলন মাস্ক  নামের একজন বিজ্ঞানী  নিউরালিঙ্ক নিয়ে কাজ করছেন যার মাধ্যমে মানুষের বুদ্ধিমত্তা সরাসরি মেশিন এর মাঝে স্থানান্তরিত করা যাবে । তবে এখনো মেশিন মানুষের মত নিজে নিজে শেখা’র ক্ষমতা অর্জন করে নি তাই তাকে শেখানোর প্রোয়োজন হয় । কিন্তু এমন একটা দিন আসতে খুব একটা দেরি হবে না যখন মেশিন নিজেরাই শিক্ষা লাভ করতে পারবে ।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একক কোন বিষয় না অনেক গুলো জটিল বিষয়ের সমষ্টি ।এ গুলোর মাঝে রয়েছে মেশিন লার্নিং  এবং এর আরেক সাব সেট হচ্ছে ডিপ লার্নিং । আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে ভালো ভাবে বুঝতে হলে এর সাব সেট গুলো বা যে সকল বিষয়ের উপর ভিত্তি করে এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাজ করে তা ভালোভাবে বোঝা দরকার ।

মেশিন লার্নিং কি ?

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স
মেশিন লার্নিং বলতে মুলত বোঝায়  অনেক ডাটা বা তথ্য থেকে সংক্ষিপ্ত কিছু পরিমান  অর্থবহুল বা টার্গেটেড তথ্য খুজে  বের করা আনা  এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী  ধাপে কি হবে সে ব্যাপারে শুরুতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রোগ্রামকে । উদাহরণের মাধ্যমে বুঝতে সুবিধা হবে আপনাদের । যেমন স্পাম ইমেইল চিহ্নিত করার সিস্টেম । সিস্টেমকে এমন ভাবে প্রোগ্রাম করা হয় কিছু কি ওয়ার্ড বা প্যাটার্ণ এর মাধ্যমে যা স্পাম মেইলে কমন আকারে থাকবে । অর্থাৎ সকল মেইলে বা অধিকাংশ স্পাম মেইলে তা থাকবে।  মেইল বক্সে কোন মেইল আসলে সিস্টেম তার পুর্ব প্রোগ্রাম করা প্যাটার্ণ এর সাথে মিলিয়ে দেখে । যদি স্পাম ডিটেক করার জন্য প্রোগ্রামে যে সকল কি ওয়ার্ড ব্যাবহার করা হয়েছে অথবা প্যাটার্ণ প্লান করা হয়েছিল তার সাথে মিলে যাই তাহলে সিস্টেম একে স্পাম ফোল্ডার এ অটোমেটিক পাঠিয়ে দেয় । এটাই হলো মেশিং লার্নিং । এখানে মেশিন সব মেইল গুলো নিজের মত করে পড়তে পারে , যা সম্ভব হয় প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে ।

ডিপ লার্নিং কি ?

সোজা সুজি বলতে গেলে ডিপ লার্নিং হলো মেশিং লার্নিং এর একটা অংশ বা সাব সেট বলা যেতে পারে । সিস্টেমকে কোন কিছু শেখানোর জন্য সাধারণত ডিপ লার্ণিং ব্যাবহার করা হয়ে থাকে । মেশিন যাতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা বুঝতে পারে এবং তার জন্য প্রোয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে সেই জন্যই ডিপ লার্নিং এর ব্যাবহার ।এক্ষেত্রে কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যাবহার করা হলেও ডিপ লার্নিং মুলত বাহ্যিক সমস্যা নির্ধারণ করার ক্ষমতার জন্য সেন্সর এর উপর নির্ভর করে । আর অনেক তথ্য কোন একটা সিস্টেম এ প্রবেশ করাতে ব্যবহার করা হয় নিউরাল নেটওয়ার্ক । এই নিউরাল নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমেই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স মুলত নতুন নতুন সমস্যা বুঝতে পারে এবং তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারে ।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর গুরুত্ব

একটা  পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে  ২০১৭ সালে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এ ইনভেস্টমেন্ট ৩০০% বৃদ্ধি পেয়েছে ২০১৬ থেকে !বড় বড় কম্পানি যেমন  গল , অ্যাপল, মাইক্রোসফট ব্যাপক গবেষণা চালাচ্ছে এই খাতে । এর পেছনের মুল লক্ষ হলে মানব নির্ভর জীবন ব্যাবস্থা থেকে বের হয়ে আসা । মানুষ নানা কারনে অনেক সময় ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারে কিন্তু মেশিন যখন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যাবহার করে তখন এর হার অনেক কম । এছাড়া মেশিন এর মাধ্যমে নিজের কাজ নিজে খুব ভাল ভাবে করতে পারে যেখানে কর্মদক্ষতা ৯০% এর কাছা কাছি পৌছায় । তাছাড়া এর মাধ্যমে মেশিন এর সামাজিক জীবন ব্যাবস্থার মাঝে ঢুকে পড়ার একটা সুযোগ হয়ে যাচ্ছে যাতে করে  এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যাবহারে আমাদের সামাজিক জীবন অন্যমাত্রায় পৌছাবে । মানুষ এর সাথে কথা বলা এবং তার উত্তর দেওয়ার মত রোবর্ট আজকের এই দিনে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স  এর জন্যই বাস্তবে রুপ লাভ করেছে ।
আশা করি এতক্ষনে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স  এর ব্যাপারে একটা স্পষ্ট জ্ঞান লাভ করতে পেরেছেন । তার পরেও শেষে এক বাক্যে একটা কথা বলতে চাই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স হলো এমন একটা সিস্টেম যেখানে মানুষের জ্ঞান,বুদ্ধি, চিন্তা,চেতনাকে যন্ত্রের মাঝে প্রতিস্থাপন করার চেষ্টা করা হয় ।
প্রযুক্তির সাথে থাকুন আর প্রযুক্তিকে ভালোবাসুন
কম্পিউটিং

বাইনারি সংখ্যা কি? আপনার কম্পিউটার কিভাবে বাইনারি সংখ্যা বুঝে থাকে?

বাইনারি সংখ্যা নিয়ে আমাদের অনেকের অনেক আগ্রহ আছে, আসলে কিভাবে বাইনারি সংখ্যা কাজ করে? বাইনারি সংখ্যা টা আসলে কি? অনেক সময় তো আমরা ভেবে বসে থাকি বাইনারি সংখ্যা আমার কম্পিউটার কিভাবে বুঝে থাকে? কি ঠিক বলেছি তো? আসলে এই গুলো হচ্ছে আমাদের মনের সাধারণ চিন্তা বলতে পারেন। মানুষ হিসবে আপনার এই প্রশ্ন গুলো মনের মাঝে আশা স্বাভাবিক ব্যাপার। আপনি যদি এই বিষয় গুলো নিয়ে জানতে আগ্রহ হয়ে থাকেন। তাহলে এই আর্টিকেল টি পুরো টা পড়ুন, আশা করি আমি আপনাকে সমস্ত বিষয় গুলো বুঝিয়ে বলতে পারবো। তাহলে আসুন শুরু করে ফেলি  বিস্তারিত আলোচনা।

বাইনারি সংখ্যা কি

"<yoastmark

বাইনারি সংখ্যা হচ্ছে Base 2 ভিত্তিক একটি সংখ্যা এবং সেটা সিমাবদ্ধ থাকে ০ ও ১ এর মাঝেই অথ্যাৎ আপনি যেই কথাই লিখুন না কেন আপনার কথা গুলো ১ অথবা ০ দ্বারায় প্রকাশ পাবে। যেমনঃ ০০, ০১, ১১, ১০, ০১০, ০১১ এই ধরনের হয়ে থাকে সাধারনত বাইনারি সংখ্যা গুলো। আর আপনি যদি বলে থাকেন Base 2 আসলে কি? এখানে Base 2 হচ্ছে ভিত্তি। বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি হচ্ছে ২, আপনি এখানে ২ এর বেশি কোন সংখ্যা ব্যবহার করতে পারবেন না। যেটা আমি আপনাকে আগেই বলে দিয়েছি। এখন আপনার মাথাই আসতে পারে ভিত্তি বলতে আসলেই কি বুঝাতে চেয়েছি। দেখুন বাইনারী কিন্তু একটা সংখ্যা পদ্ধতি এমন সংখ্যা পদ্ধতি আরো অনেক আছে যেমন ঃ ডেসিমেল, হেক্সাডেসিমেল, অক্টাল ইত্যাদি।

এখানে ডেসিমেল এর বেজ হচ্ছে ১০ এর মানে এখানে কাউন্ট করা হবে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যা গুলোকে অথ্যাৎ ১০ টা সংখ্যা এর ওপর ভিত্তি করে এই ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি গড়ে উঠেছে। ঠিক তেমনি ভাবে হেক্সাডেসিমেল এর ভিত্তি হচ্ছে ১৬, অক্টাল এর ভিত্তি বা বেজ হচ্ছে ৮।  এবার হয়তো আমরা বুঝতে পেরেছি বাইনারি এর ভিত্তি ২ বলতে আসলে কি বুঝনো হয়েছে!

আপনি কখনো বিট এর নাম শুনেছেন? কেও কেও হয়তো শুনেছেন আবার কেও কেও হয়তো শুনেন নাই। যারা জানেন না আসলে বিট কি তাদের জন্য আমি আবার বলে দিচ্ছি। বিট হচ্ছে কম্পিউটারে একটি অক্ষর বা ক্যারেক্টার যে টুকু জায়গা দখল করে সেটাই হচ্ছে বিট অথ্যাৎ বিট হচ্ছে কম্পিউটারের একক হিসাব সংখ্যা। এখন আপনি বাইনারি সংখ্যা টার ক্ষেত্রে যে ০ ও ১ দেখছেন সেই প্রতিটা সংখ্যা হচ্ছে একটা করে বিট। আর এই বিট এর নাম ধরেই কম্পিউটারের একক সংখ্যা হিসবে বিট নাম টি করা হয়েছে। 🙂

বাইনারি সংখ্যা কিভাবে কাজ করে

"<yoastmark

এবার আসি বাইনারি সংখ্যা কিভাবে কাজ করে এই বিষয়ে। এই বিষয় জানার আগে আপনি আগে ভেবে নিন আপনার সুইচ টা কিভাবে কাজ করে? আপনি যখন অন বাটন চাপ দিবেন তখন সেটা বিদ্যুৎ প্রবাহ করাবে, আপনি যদি অফ বাটন চাপ দেন তাহলে সেটা বিদ্যুত প্রবাহ দেয়া বন্ধ করে দিবে। ঠিক একই ভাবে বাইনারি সংখ্যা টা কাজ করে থাকে যখন ১ কে নির্দেশ করা হয় তখন সেটা কাজ করা শুরু করে দেই আবার যখন ০ বুঝায় তখন কাজ করা বন্ধ করা দেয়। ধরুন আপনি হাটছেন এবার যখন ১ হবে তখন আপনি ১ পা সামনে এগিয়ে গেলেন আবার যখন ০ হবে আপনি থেমে গেলেন। এবার যদি ২ বার ১ হয় আপনি ২ পা এগিয়ে গেলেন আবার যদি ৩ বার ১ হয় তাহলে আপনি ৩ পা এগিয়ে গেলেন। বিষয় টা অনেক তা এই ভাবেই হয়ে থাকে। যদি এই ব্যাপার টা আপনি ভালো ভাবে বুঝতে না পারেন, আপনি ১০ মিনিট স্কুলের একটি ভিডিও দেখতে পারেন।

এই ভিডিও টি দেখুন

কম্পিউটার কিভাবে বাইনারি নাম্বার বুঝে থাকে

"<yoastmark

বাইনারি নিয়ে অনেক কথা বললাম এতক্ষন ধরে, এখন আপনার মাথায় আসতে পারে আচ্ছা কম্পিউটার কিভাবে বাইনারি নাম্বার বুঝে থাকে? তাহলে আসুন জেনে নিই কিভাবে কম্পিউটার বাইনারি নাম্বার বুঝে থাকে!

আপনি হয়তো আগেই জেনে থাকবেন যে কম্পিউটার আমাদের মত করে ভাষা বুঝে না, তারা বুঝে থাকে মেশিন ভাষা। এখানে মেশিন ভাষা বলতে আমি বুঝাতে চেয়েছি ১ ও ০ কে। কেননা কম্পিউটার শুধু মাত্র ১ ও ০ কেই বুঝে থাকে। দেখুন আপনি যেমন একটা বাক্য গঠন করছেন ” আমি ভাত খায়” ঠিক তেমনি ভাবে তারাও বাক্য গঠন করে “১১০০১১১১০০১” অনেক টা এই ভাবে। যদিও এটা ঠিক নয় হইতো বা, শুধু মাত্র আপনার বুঝানোর জন্য এমন করে দিলাম। কিন্তু আপনি মনে রাখবেন এদের কিন্তু আলাদা কোডেক থাকে, কোডেক হচ্ছে একটা সিস্টেম যেটা দিয়ে ফাইল এনক্রিপ্ট ও ডে ক্রিপ্ট করা হয়ে থাকে।

ড্রোন কি? ড্রোন কিভাবে কাজ করে? বিস্তারিত জানুন

আসলে বিষয় তা অনেক টা এমন CODEC = ( Co/Dec), এখানে CO দ্বারা বুঝানো হয়েছে Coder এবং DEC দ্বারা বুঝানো হয়েছে Decoder। এবার হয়তো বুঝতে পেরেছেন! আপনি যখন একটা গান প্লে করবেন তখন আপনার মিউজিক প্লেয়ার তো আর বাইনারি ভাষা বুঝবে না তারা বুঝবে তাদের Extrantion অনুযায়ি ভাষা। আর সেই ভাষা টা দান করে Codec। Codec নিয়ে পরে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

আপনি একটা বিষয় বুঝেন আপনি যদি একটা .MP3 ফাইলকে যদি .MP4 ফাইল লিখেন, মানে এর Extrantion টা পরিবর্তন করেন তাহলে সেটা কি আপনার অডিও প্লেয়ারে চালু হবে ? অব্যশয় না। .MP3 ফাইল চালু করতে হলে অব্যশয় .MP3 এর কোডেক অনুযায়ি Extrantion হতে হবে। কেননা আপনার যে কোডেক হবে সেটার বাইনারি ভাষা তো আর .MP4 এর ছিল না আর সেই কারণেই শুধু মাত্র Extrantion পরিবর্তন করেই ফাইল কে চালু করা যম্ভব হয় না।

আশা করি আর্টিকেল টি পড়ার পরে বাইনারি নিয়ে আপনার প্রশ্ন দূর হয়েছে। কম্পিউটার কিভাবে বাইনারি ভাষা বুজতে পারে আমি সেটাও বুঝানোর চেষ্টা করেছি। যদিও আমারও ভুল হতেই পারে। তাছাড়া যদি কোন প্রশ্ন থেকে থাকে, কমেন্টে জানাবেন আশা করি আপনার সম্যসার সমাধান দিব। সবার আগে আমাদের আর্টিকেল পেতে বাম দিকে নিচের বেল বাটন টি চাপুন। ভাল থাকবেন 😀

 

আইওস

কিভাবে একটি Chromebook এ উইন্ডোজ ইনস্টল করবেন?

কিভাবে একটি Chromebook এ উইন্ডোজ ইনস্টল করবেন?

Chromebook গুলি আনুষ্ঠানিকভাবে উইন্ডোজ সমর্থন করে না। আপনি সাধারণত এমনকি Chrome OS- এর জন্য পরিকল্পিত একটি বিশেষ ধরনের BIOS দিয়ে উইন্ডোজ-Chromebook শীপ গুলি ইনস্টল করতে পারবেন না। কিন্তু অনেকগুলি Chromebook মডেলগুলিতে উইন্ডোজ ইনস্টল করা যায়। আসুন জেনে নেই, কিভাবে Chromebook এ উইন্ডোজ ইনস্টল করবেন।

আপনার এই প্রক্রিয়া সম্পর্কে কেন জানা উচিৎ?

Chromebook এ উইন্ডোজ ইনস্টল
Chromebook এ উইন্ডোজ ইনস্টল

আমরা এটি আবার বলবো যে: এটি আনুষ্ঠানিকভাবে অফিসিয়ালী সমর্থিত নয়। এটি করার জন্য, আপনার Chromebook এর জন্য একটি প্রতিস্থাপন BIOS ইনস্টল করতে হবে (টেকনিক্যালি এটি একটি UEFI ফার্মওয়্যার, যা ঐতিহ্যগত BIOS এর আধুনিক প্রতিস্থাপন)। এটি আপনাকে উইন্ডোজ বুট করবে এবং ইনস্টল করতে দেবে। প্রতিস্থাপনের BIOS কেবল Chromebook মডেলগুলিতে ইনস্টল করা যাবে যা এটি সমর্থন করে, তাই আপনি এটি Chromebook এর সব মডেলে করতে পারবেন না। আপনার কিছু অতিরিক্ত হার্ডওয়্যার এর প্রয়োজন হবে। উইন্ডোজ ইনস্টল করার জন্য আপনার একটি USB কীবোর্ড এবং মাউস দরকার হবে, কারণ আপনার Chromebook এর অন্তর্নির্মিত কীবোর্ড এবং মাউস ইনস্টলারের মধ্যে কাজ করবে না। এবং আপনার পিসিতে উইন্ডোজ চালানোর জন্য আপনার Chromebook এর জন্য USB ইনস্টলেশন মিডিয়া তৈরি করতে হবে।

এমনকি আপনি উইন্ডোজ ইনস্টল করার পরেও কাজ গুলি এই নিয়মের বাইরে হবে না। বিভিন্ন ধরণের হার্ডওয়্যারের জন্য উইন্ডোজ হার্ডওয়্যার ড্রাইভারের সাথে শীপ টি চালায় না, যেমন টাচপ্যাডগুলি অনেকগুলি Chromebook গুলিতে অন্তর্ভূক্ত হয় (এটি যা বোঝায়; তা হল, Chromebook নির্মাতারা এই উপাদানগুলির জন্য উইন্ডোজ ড্রাইভার তৈরির বিষয়ে বিরক্ত হয় না)। যদি আপনি ভাগ্যবান হন, তাহলে এই উপাদানগুলির জন্য উইন্ডোজ সমর্থন দেওয়ার জন্য আপনি একসাথে তৃতীয় পক্ষের ড্রাইভার হ্যাক করে কাজ চালাতে পারেন।এছাড়াও, স্পষ্টতই, আপনার Chromebook এ যা আছে সব মুছে যাবে, তাই নিশ্চিত করুন যে আপনার কাছে এই সংরক্ষণ টির মাঝে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেই। (আপনার উচিত, Chrome OS সাধারণত Google এর সাথে আপনার ডেটা সিঙ্ক না করা)।

বিশেষ টিপসঃ এই প্রক্রিয়াটি চলাকালীন যদি আপনার Chromebook কখনও আটকে যায় তবে তবে মনে রাখবেন যে আপনি পাওয়ার বোতাম টিপে, দশ সেকেন্ডের জন্য এটি ধরে রাখলে Chromebook টিকে বন্ধ করতে পারবেন। এবং প্রয়োজন হলে সেটাই করবেন।

এটি আপনার Chromebook এ কাজ করবে?

আপনার Chromebook মডেলটি যদি সমর্থিত হয়, শুধু মাত্র তবেই আপনার Chromebook এ উইন্ডোজ ইনস্টল করা উচিৎ। আপনার Chromebook এর নির্দিষ্ট মডেলের নির্দেশাবলী অনুসরণ করা উচিত, কারণ বিভিন্ন মডেলের ধাপগুলি একটু ভিন্ন হবে।

এখানে কিছু সহায়ক নির্দেশাবলি দেওয়া হলঃ

  • Chromebooks- তে হার্ডওয়্যার সমর্থন সাপোর্ট তালিকা: এই ওয়েবসাইটটি Chromebook মডেলগুলি; যা আপনি তালিকাভুক্ত করে উইন্ডোজ-এ ইনস্টল করতে পারেন, কোনও বিল্ট-ইন হার্ডওয়্যার উপাদানগুলির সাথে সম্পৃক্ত এবং পরবর্তীতে কাজ করবে না এমন তথ্যগুলি সম্পন্ন করে।
  • Chromebook গুলি ইনস্টলেশন সহায়তাকারী জন্য উইন্ডোজ: এই ওয়েবসাইটটি আপনাকে Chromebook এর আপনার মডেল নির্বাচন করতে দেয় এবং উইন্ডোজ এর জন্য ইনস্টলেশন নির্দেশিকাগুলি পেতে দেয়, যা আপনার Chromebook এর নির্দিষ্ট মডেলের হার্ডওয়্যার সক্ষম করবে এমন লিঙ্কগুলির সাথে সম্পৃক্ত করবে।
  • Chrrabrabook উপধারা: Chromebook গুলোতে উইন্ডোজ ইনস্টল করার জন্য একটি সম্প্রদায় নিখুঁত। যদি আপনি উইন্ডোজ সমর্থন করার জন্য Chromebook বা নির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার উপাদান তৈরি করতে পারেন সে সম্পর্কে আরো তথ্য জানতে চান, তবে এটি অনুসন্ধানের জন্য একটি ভাল জায়গা।

যদি আপনার Chromebook উইন্ডোজ সমর্থন করতে পারে, তবে আপনাকে অভিনন্দন। আমরা আপনার নির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার মডেলের জন্য সঠিকভাবে সেট আপ করার জন্য নিশ্চিত করতে Coolstar ইনস্টলেশন সহায়তার সাইটগুলির মত একটি ইনস্টলেশন গাইড অনুসরণ করার সুপারিশ করব।  যাইহোক, যে ওয়েবসাইট এর নির্দেশাবলী আরো বিস্তারিত হতে পারে, তাই আপনি সম্ভবত এই নির্দেশিকা কিছু তথ্য পাবেন যা অন্য কোথাও উপস্থিত নেই। আমরা একটি এসার C910 Chromebook, কোডনাম YUNA এ উইন্ডোজ ইনস্টল করার প্রক্রিয়াটি চালনার মাধ্যমে সহায়তা প্রদান করব। এই প্রক্রিয়া Chromebook এর অন্যান্য মডেলের অনুরূপ হবে, তবে কিছু কিছু জিনিস যেমন- মাদারবোর্ডের স্ক্রুর সুরক্ষার অবস্থান-ভিন্ন হবে।

ধাপ এক: Write Protect Screw রিমুভ করুন।

Chromebook এর একটি বিশেষ হার্ডওয়্যার বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা আপনাকে BIOS সংশোধন করতে বাধা দেয়। write protection screw নিষ্ক্রিয় করার জন্য আপনি অধিকাংশ Chromebooks এ BIOS প্রতিস্থাপন করতে পারেন, আপনাকে Chromebook খুলতে হবে, মাদারবোর্ডে write protection screw সনাক্ত, এবং এটি রিমুভ করুন। কিছু Chromebook গুলিতে, আপনি এর পরিবর্তে একটি write protection switch খুঁজে পেতে পারেন। প্রথমে, আপনার Chromebook পুরোপুরি শাট ডাউন করে, বন্ধ করুন। মাদারবোর্ডে অ্যাক্সেস লাভ করার জন্য Chromebook কে ফ্লিপ করুন এবং নীচের স্ক্রোল করুন। প্লাস্টিকের প্যানেল মুছে ফেলার আগে, আমাদের Chromebook এ, এটি 18 screws সরানোর প্রয়োজন। তাদের সরাতে ভুলবেন না! (এটি মাদারবোর্ডের একটি ম্যাগনেটিক ট্রে অংশ যা একটি বিস্ময়কর জিনিস।)

write protect screw সন্ধান করুন (বা আপনার Chromebook এর নির্দেশিকাটিতে কী কী- নির্দেশিকা নির্দেশ করে তা নির্ভর করে সুইচ সুরক্ষিত রাখুন)। আপনি স্ক্রুর নির্দিষ্ট অবস্থান সম্পর্কে আরও ডকুমেন্টেশন পেতে পারেন। তার জন্য আপনার ডিভাইসের নামটি এবং আপনার Chromebook এর মডেল এবং “write protect screw” হিসাবে অনুসন্ধান করার জন্য- এটি ওয়েবে সার্চ করতে পারেন। আমাদের Acer Chromebook C910 এর জন্য, এই SuperUser আলোচনা screw অবস্থান আমাদের পয়েন্ট। কিছু অন্যান্য giveaways ছিল। write protect screw মাদারবোর্ডে অন্য screws থেকে দৃশ্যত ভিন্ন হওয়া উচিত। এই বিশেষ স্ক্রুটি আমাদের Chromebook এ একটি গাঢ় ধূসর রং দেখায়, মাদারবোর্ডে অন্য স্ক্রুগুলি উজ্জ্বল রূপালী। আপনি স্ক্রু নীচে একটি উজ্জ্বল রূপালী দেখতে পারেন, মাদারবোর্ডের অন্যান্য screws তাদের অধীনে একটি ব্রোঞ্জ রঙ আছে।

স্ক্রুটি সরান এবং আপনার Chromebook এ নীচে পুনরায় সংযুক্ত করুন আপনি এখন Chromebook এর BIOS- এ লিখতে এবং সংশোধন করতে পারেন। স্ক্রু রাখুন যদি আপনি আবারও পরে আপনার BIOS রক্ষা করতে বা লিখতে চান।

ধাপ দুই: Developer মোড এনাবল করুনঃ

আপনাকে এখন Developer মোডটি এনাবল করতে হবে যাতে আপনি Chromebook এর সফ্টওয়্যারটি পরিবর্তন করতে পারেন। এটি আধুনিক Chromebook- এ করার জন্য, Chromebook চালু হয়ে গেলে Esc + Refresh + Power টিপুন। (“Refresh” বোতামটি সেই স্থানে অবস্থিত যেখানে “F3” কী টি একটি স্বাভাবিক কীবোর্ডের উপর থাকবে।) আপনার Chromebook বুট করবে এবং একটি বার্তা প্রদর্শন করবে যা “Chrome OS is missing or damaged”। Ctrl + D টিপুন এবং তারপর “turn OS verification OFF” এন্টার করুন এবং ডেভেলপার মোড এনাবল করুন।  এটি আপনার ডিফল্ট সেটিংস এ পুনরায় সেট করার পরে, আপনার Chromebook আপনার সমস্ত ব্যক্তিগত তথ্য ফাইল মুছে ফেলবে। আপনাকে আবার আপনার Google একাউন্টের সাথে সাইন ইন করতে হবে। যাইহোক, আপনার সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ ডেটা Chromebook এর উপর সঞ্চিত হওয়ার পরিবর্তে অনলাইন পরিষেবাদির সাথে সিঙ্ক হওয়া উচিত।

যখন আপনি Chrome OS এ বুট করবেন, তখন আপনি “OS verification is OFF” বার্তা দেখতে পাবেন। আপনার বারবার বুট করার সময় প্রতিটি পর্দার বাইপাস করার জন্য আপনাকে Ctrl + D চাপতে হবে। চিন্তা করবেন না – আপনি নতুন BIOS ফ্ল্যাশ করার পরে, এই বার্তাটি চলে যাবে এবং আপনার কাজ শেষ হলে আপনার Chromebook সরাসরি উইন্ডোতে বুট করবে।

ধাপ তিন: নতুন BIOS এ ফ্ল্যাশ করতে হবে।

ChromeOS এর মধ্যে থেকে, আপনি এখন আপনার Chromebook এর নতুন BIOS ফ্ল্যাশ করতে পারেন। একটি টার্মিনাল উইন্ডো খুলতে Ctrl + Alt + T টিপুন। টার্মিনাল এর মধ্যে টাইপ করুন “shell” এবং একটি শক্তিশালী লিনাক্স শেল পরিবেশ অ্যাক্সেস করতে “Enter” টিপুন। আপনার Chromebook এর BIOS প্রতিস্থাপিত হবে স্ক্রিপ্ট ডাউনলোড এবং চালান নিম্ন কমান্ড টার্মিনাল উইন্ডোতে এবং তারপর “এন্টার” টিপুন:

cd ~; curl -L -O http://mrchromebox.tech/firmware-util.sh; sudo bash firmware-util.sh

এই কমান্ডটি আপনার হোম ডিরেক্টরীতে পরিবর্তিত হয়, http://mrchromebox.tech/firmware-util.sh স্ক্রিপ্ট ফাইলটি ডাউনলোড করে, এবং এটি রান করে। কিভাবে এই স্ক্রিপ্ট কাজ করে সেই সম্পর্কে আরো ডকুমেন্টেশনের জন্য ডেভেলপার এর ওয়েবসাইট এর হেল্প সেন্টারে যান।

স্ক্রিপ্ট একটি সহায়ক ইন্টারফেস উপস্থাপন করে যা আপনাকে প্রক্রিয়াটি চালাতে পারে। “3” টাইপ করে এবং “এন্টার” টিপে “কাস্টম কোরবট ফার্মওয়্যার (পূর্ণ ROM)” আপশন টি নির্বাচন করুন। “Y” টাইপ করে আপনার ফার্মওয়্যার ফ্ল্যাশ করতে এবং তারপর UEFI ফার্মওয়্যার ইনস্টল করতে “U” টাইপ করুন। যদি আপনি উইন্ডোজ চালনা করতে চান তবে “Legacy” অপশন টি নির্বাচন করবেন না। স্ক্রিপ্টটি আপনার Chromebook এর স্টক ফার্মওয়্যারের ব্যাকআপ কপি তৈরির প্রস্তাব দেবে এবং এটি আপনার জন্য একটি USB ড্রাইভে স্থান করবে।

এই ব্যাকআপ অনুলিপিটি তৈরি করা নিশ্চিত করুন এবং এটি কোথাও নিরাপদে সংরক্ষণ করুন। এটি ভবিষ্যতে Chromebook এর মূল BIOS পুনরুদ্ধার করা সহজ করবে। আপনাকে USB ড্রাইভে BIOS ব্যাকআপ ছাড়তে হবে না। আপনি একটি ফাইল পাবেন আপনি প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হওয়ার পরে USB ড্রাইভটি কপি করে অন্য কোথাও নিরাপদে সংরক্ষণ করতে পারবেন। ব্যাকআপ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হওয়ার পরে, স্ক্রিপ্টটি কোরব্যাট ফরমওয়্যারটি প্রতিস্থাপন করবে এবং আপনার Chromebook এ এটি ফ্ল্যাশ করবে। এটি সমাপ্ত হলে Chromebook বন্ধ করুন।  এই মুহুর্তে, যদি আপনি চান তবে আপনি write protect screw পুনরায় ইনস্টল করতে পারেন।

ধাপ চারঃ একটি উইন্ডোজ ইনস্টলেশন ড্রাইভ তৈরি করুনঃ

আপনি এখন আপনার Chromebook এ উইন্ডোজ ইনস্টল করতে পারেন, তবে আপনাকে প্রথমে উইন্ডোজ ইনস্টলেশন মিডিয়া তৈরি করতে হবে। তবে আপনি এটি মাইক্রোসফট এর অফিসিয়াল পদ্ধতি ব্যবহার করে করতে পারবেন না – আপনাকে একটি ISO ডাউনলোড করতে হবে এবং Rufus নামে একটি টুল ব্যবহার করে একটি USB ড্রাইভে এটি বার্ণ করতে হবে। আপনাকে উইন্ডোজ পিসিতে প্রসেসের এই অংশটি সম্পাদন করতে হবে। মাইক্রোসফট থেকে একটি উইন্ডোজ 10 আইএসও ডাউনলোড করুন “Download tool now” ক্লিক করুন, “Create installation media for another PC” নির্বাচন করুন এবং এটিকে আপনার জন্য একটি ISO ফাইল ডাউনলোড করতে কমান্ড দিন। উইন্ডোজ 8.1 এবং 7 আপনার Chromebook এবং এর ড্রাইভারগুলির সাথে কাজ নাও করতে পারে।  আপনাকে Rufus ইউটিলিটি ডাউনলোড এবং চালানোর দরকার হবে, যা আপনি আপনার উইন্ডোজ ইনস্টলার USB ড্রাইভ তৈরি করতে ব্যবহার করবেন।

পিসির মধ্যে একটি USB ড্রাইভ প্লাগ করুন। আপনি উইন্ডোজ ইনস্টলারের জন্য এই USB ড্রাইভটি ব্যবহার করবেন এবং এটিতে যেকোনো ফাইল মুছে ফেলা হবে। (তাই চালিয়ে যাওয়ার আগে নিশ্চিত করুন যে আপনি গুরুত্বপূর্ণ ফাইল গুলি কপি করে রেখেছেন কি-না!) Rufus চালু করুন, আপনার USB ড্রাইভ নির্বাচন করুন এবং “GPT partition scheme for UEFI” এবং “NTFS” নির্বাচন করুন। ডানদিকে বোতামটি ক্লিক করুন “Create a bootable disk using” সিলেক্ট করুন এবং আপনার ডাউনলোড করা উইন্ডোজ 10 ISO ইমেজ নির্বাচন করুন। Rufus এর এই অপশন টি “GPT partition scheme for UEFI” অবিরত করার আগে ডাবল চেক করুন। আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিফল্ট সেটিংসে পরিবর্তন করতে পারেন যখন আপনি ISO ফাইলটি নির্বাচন করেন। যদি আপনার ডবল চেক করা সমস্ত সেটিংস সঠিক হয়, তবে একটি উইন্ডোজ ইনস্টলার USB ড্রাইভ তৈরি করতে “Start” বোতামটি ক্লিক করুন।

ধাপ পাঁচঃ উইন্ডোজ ইনস্টল করুন

আপনি এখন Chromebook এ উইন্ডোজ ইনস্টল করার জন্য প্রস্তুত। আপনার Chromebook এ USB ড্রাইভ এবং আপনার Chromebook এ power প্লাগ করুন। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে USB ড্রাইভ থেকে বুট হবে, এবং আপনাকে উইন্ডোজ ইনস্টলার দেখাবে। যদি এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে USB ড্রাইভ থেকে বুট না করে, তবে আপনার পর্দায় “Select Boot Option” প্রদর্শিত হলে যেকোনো কী টিপুন। আপনি তারপর “Boot Manager” নির্বাচন করতে পারেন এবং আপনার USB ডিভাইসগুলি নির্বাচন করতে পারেন। আপনার Chromebook এ একটি USB মাউস, একটি USB কীবোর্ড, বা উভয়ই সংযুক্ত করুন। উইন্ডোজ ইনস্টল করার সময় আপনাকে এইগুলি ব্যবহার করতে হবে। একটি USB কীবোর্ডের সাহায্যে আপনি ইন্টারফেসটি নেভিগেট করতে Tab, arrow, এবং Enter কী ব্যবহার করতে পারেন। একটি মাউস দিয়ে, আপনি অন-স্ক্রীন কীবোর্ডটি টেনে আনতে এবং এটি টাইপ করতে ব্যবহার করতে পারেন।

উইন্ডোজ ইনস্টলেশনের প্রক্রিয়ায় যান, Chrome OS এর জায়গায় আপনার Chromebook এ উইন্ডোজ ইনস্টল করুন। আপনি পছন্দ করেন তবে অভ্যন্তরীণ ড্রাইভ বিভাজনে বিনা দ্বিধায় সমস্ত অভ্যন্তরীণ পার্টিশন মুছে ফেলে এবং উইন্ডোজকে বরাদ্দকৃত স্থান ব্যবহার করে নিজেই ইনস্টল করতে বলেছি। মনে রাখবেন যে আপনার উইন্ডোজ ১০ ইনস্টল এবং ব্যবহার করার জন্য একটি প্রোডাক্ট কী দরকার নেই। আপনি সর্বদা একটি প্রোডাক্ট কী যোগ করতে পারেন অথবা মাইক্রোসফট থেকে একটি প্রোডাক্ট কী কিনে নিতে পারেন।  Chrome OS- এর ব্যাপারে উদ্বিগ্ন হবার কিছু নেই – যদি আপনি কখনও Chrome OS এর সাথে উইন্ডোজকে প্রতিস্থাপন করতে চান, তবে আপনি সহজেই ক্রোম চালানোর কম্পিউটারে Chrome OS পুনরুদ্ধারের ড্রাইভ তৈরি করতে পারেন এবং মূল Chrome OS অপারেটিং সিস্টেমটি পুনরুদ্ধার করতে এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উইন্ডোজ ইনস্টলার আংশিকভাবে পুনরায় চালু হবে। এটি আপনার USB ড্রাইভটি মুছে ফেলার ব্যাপারে নিশ্চিত হবে, অথবা এটি ইনস্টলারের শুরুতে পুনরায় আরম্ভ করবে। যদি আপনি আবার ইনস্টলার পর্দার প্রারম্ভ দেখতে পান, আপনার USB ড্রাইভটি সরান, আপনার Chromebook বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত পাওয়ার বোতামটি দীর্ঘক্ষণ চাপুন, এবং তারপরে এটি বুট করার জন্য পাওয়ার বোতাম টিপুন। এটি Chromebook এর অভ্যন্তরীণ ড্রাইভ থেকে উইন্ডোজকে বুট করা উচিত এবং সেটআপ প্রক্রিয়ার সমাপ্তি করা হবে।

ধাপ ছয়: আপনার হার্ডওয়্যারের জন্য তৃতীয়-পক্ষের ড্রাইভার ইনস্টল করুনঃ

আপনার এখন উইন্ডোজ ইনস্টল করা উচিত, এবং আপনার Chromebook এটি চালু করলে তা উইন্ডোতে বুট করা উচিত। আপনি প্রায় শেষ করে ফেলেছেন! আপনার যতো সম্ভব আপনার হার্ডওয়ার কাজ করার জন্য তৃতীয় পক্ষের ড্রাইভার ইনস্টল করতে হবে। এই ধাপের জন্য আপনাকে এখনও আপনার USB কীবোর্ড এবং মাউস এর প্রয়োজন হবে। এই তৃতীয় পক্ষের ড্রাইভার হিসাবে, তারা সঠিকভাবে স্বাক্ষরিত হয় না এবং উইন্ডোজ এ সাধারণত তাদের ইনস্টল করা যাবে না। আপনাকে তাদের ইনস্টল করার জন্য “test signing” সক্ষম করতে হবে। এই একটি ড্রাইভার; ড্রাইভার পরীক্ষার জন্য ডিজাইন করা হয়। এটি করার জন্য, অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসাবে কমান্ড প্রম্পট খুলুন – স্টার্ট বাটনে ডান ক্লিক করুন বা Windows+X চাপুন এবং “Command Prompt (Administrator)” নির্বাচন করুন। নিম্নলিখিত কমান্ডটি চালান:

bcdedit -set testsigning on

এরপর আপনার Chromebook রিস্টার্ট করুন।

আপনি এখন তৃতীয় পক্ষের ড্রাইভার ইনস্টল করতে পারেন Chromebook ইন্সটলেশন গাইড Chromebook এর আপনার মডেলের জন্য সুপারিশ করে। উদাহরণস্বরূপ, আমাদের Acer C910 Chromebook এ, Chromebook এর চিপসেট, ইন্টেল এইচডি গ্রাফিক্স, রেপিড স্টোর টেকনোলোজি, কীবোর্ড, ট্র্যাকপ্যাড এবং রিয়েলটেক এইচডি অডিও জন্য ড্রাইভারগুলি ইনস্টল করতে হয়েছিল। ড্রাইভারগুলি ইনস্টল করার সময় উইন্ডোজ আপনাকে একটি নিরাপত্তা সতর্কতা দেখাবে। এটি যেহেতু এই অনাথিত, তৃতীয়-পক্ষের ড্রাইভার যা মাইক্রোসফ্ট দ্বারা স্বাক্ষরিত হয় না। যেকোনো ভাবে ড্রাইভার ইনস্টল করতে সম্মত হন। আপনি যদি শুধুমাত্র প্রস্তুতকারকের দ্বারা সরবরাহিত ড্রাইভার ব্যবহার করতে চান, তাহলে আপনি এটি প্রথম স্থানে করবেন না! পরে, Chromebook এর এই মডেলটি যথাযথভাবে কাজ করতে লাগলো আমরা USB কীবোর্ড এবং মাউস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে সক্ষম হচ্ছি এবং সাধারণত Chromebook ব্যবহার করি। Chromebook এর কীবোর্ডের “অনুসন্ধান” বোতাম এমনকি উইন্ডোজ কী-তে রূপান্তর হয়ে যায়।

যদিও কাজ টি যথেষ্ট কঠিন এবং ঝামেলাপূর্ণ; তবে এভাবে সকল নিয়ম গুলো ফলো করলে আশা করি নিজের লক্ষে পৌছাতে পারবেন। ধন্যবাদ।

আরও পড়ুনঃ 

Add your widget here