টেক নিউজ

অদৃশ্য কিবোর্ড দিয়ে চমক দেখালো স্যামসাং

ভাবতে পারেন আপনি কি বোর্ড দিয়ে টাইপ করছেন অথচ আপনি সেই কি বোর্ডটি দেখতেই পারছেন না ?

অদৃশ্য কিবোর্ডঃ হ্যা এটা সত্যি কথা, দীর্ঘ গবেশনার পর এটি তৈরী করছেন টেক জ়ায়েন্ট স্যামসাং। কৃত্রিম  বুদ্ধিমত্তা আর স্মার্ট ফোন এর  ফ্রন্ট ক্যামেরা ব্যবহার করে তৈরী করা  এই প্রযুক্তিটি টাইপ করার সময় মানুষের হাতকে ট্রাক করে থাকে ।  তাই এই অদৃশ্য কিবোর্ড দিয়ে বড় ধরনের লেখা খুব অল্প সময়ে টাইপ করা সম্ভব হবে।

সেলফি টাইপস প্রযুক্তির এই অদ্ভুত কী বোর্ড স্যামসার এর সি-ল্যাব এর পরিক্ষায় সফল হয়েছে, যুক্ত্রাষ্টের লাসভেগাস শহরের স্যামসাং কনজুমার ইলেক্ট্রনিক্স শো (২০-২০) এর মঞ্চে এই কী বোর্ড এর নমুনা দেখিয়েছে কম্পানিটি ।

অদৃশ্য কিবোর্ড দিয়ে চমক দেখালো স্যামসাং
অদৃশ্য কিবোর্ড দিয়ে চমক দেখালো স্যামসাং

 

অদৃশ্য এই কী বোর্ডটি নিয়ে স্যামসাং এর পরবর্তী পরি কল্পনা এখনো প্রকাশ করা হয়নি তাই স্যামসাং তার কোন মডেল এর ফোনের সাথে এই অদৃশ্য কী বোর্ড দিবে তা এখন বলা সম্ভব হচ্ছে না। তবে এই অদৃশ্য কী বোর্ড নিয়ে একটি ভিডিও ছেড়েছে স্যামসাং যা দেখে ব্যবহার কারীরা এটির ব্যবহার সম্পর্কে জানতে পারবে।

যদিও লেজার প্রজেকষনর ব্যবহার করে এমন কী বোর্ড বাজারে আরো এসেছে তবে এসব কী বোর্ড এর থেকে স্যামসাং এর এই অদৃশ্য কী বোর্ড টি সম্পূর্ন রুপে আলাদা । লেজার কী বোর্ড এর বাটন গুলো দৃশ্য মান থাকলে ও স্যামসাং এর এই চমত কার কী বোর্ড অদৃশ্য-ই থাকবে ।

অদৃশ্য কিবোর্ড

 

কিভাবে

কীভাবে অন্যের কম্পিউটারের ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড জানবেন ?

আজকের সময়ে এমন কেউ নেই যে ইন্টারনেট  ব্যবহার করে না, এমন একটি সময় ছিল যখন মানুষ ইন্টারনেট সম্পর্কে কিছুই জানতো না, তবে আজকাল আপনি দেখতে পাচ্ছেন যে মানুষের হাতে স্মার্ট ফোন রয়েছে এবং তারা যখনই চান তখনই  ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন।

সিম অপরেটর এর ডেটা প্যাক খুব ব্যয়বহুল হওয়ার কারণে লোকেরা তাদের বাড়িতে ওয়াইফাই ইনস্টল করে থাকেন । আবার এমন ও  অনেক লোক রয়েছে যারা  অন্যের ওয়াইফাইটির পাসওয়ার্ড জানার চেষ্টা করে যাতে ইন্টারনেট বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারে ।   ফ্রি ইন্টারনেট কে না চাই ? একারনে কিছু লোক ছলে বলে কৈশলে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডটি জানার চেষ্টা করেন কিন্তু যথেষ্ট জ্ঞান না থাকার কারনে তারা ব্যার্থ হয়ে থাকেন ।

কীভাবে অন্যের কম্পিউটারের ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড জানবেন ?

অনেক সময় আমরা নিজেরাই আমাদের ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডটি ভুলে যাই এবং আমরা মনে করতে পারি না, তাই আজকের আর্টিকেলস এ  আমরা জানবো  কীভাবে সংযুক্ত ওয়াইফাইটির পাসওয়ার্ড বের করা যায়।  আজকের এই পোস্টটি সম্পূর্ন পড়লে শিখতে পারবেন কিভাবে  আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ সিস্টেম এর   ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড পাবেন । 

অনেক সময় একটি বিষয় ঘটে যে আমাদের কম্পিউটার বা মোবাইল মোবাইলে যে ওয়াইফাই সংযুক্ত রয়েছে সেই ওয়াইফাইটির পাসওয়ার্ড  আমরা ভুলে যাই । 

সুতরাং আপনি কম্পিউটারের সংযুক্ত ওয়াইফাই   সহজেই ব্যবহার করতে পারেন। আপনি সহজেই পাসওয়ার্ডটি জানতে পারবেন।

আপনি যদি ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড হ্যাক করার  কথা ভাবছেন? তবে বলে রাখি এটি এত সহজ নয়, এর জন্য আপনাকে পেশাদার হ্যাকার হতে হবে।  তবেই আপনি ওয়াইফাই হ্যাক না করে ও ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু সেই ওয়াইফাই টি আগে থেকেই একবার হলেও সং যুক্ত করা থাকতে হবে  । আপনি ওয়াইফাইয়ের পাসওয়ার্ডটি সহজেই জানতে পারবেন এবং এর জন্য দুটি সহজ উপায় রয়েছে, যাতে আপনি ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডটি জানতে পারেন।

তবে আসুন এই দুটি উপায় জেনে নিই, কীভাবে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড বের করতে হয় ।  বাংলা ভাষায় শিখুন কম্পিউটার ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড কীভাবে বের করবেন।

যে কোন কম্পিউটারে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড কীভাবে জানবেন ?

  • কম্পিউটারে সংযুক্ত ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড জানার দুটি সহজ উপায় রয়েছে, একটি হল আপনি কমান্ড প্রম্পটের সাহায্যে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডটি জানতে পারবেন।
  • এবং অন্য উপায়টি হল কন্টোলপানেল থেকে ওয়্যারলেস সেটিং এর  সাহায্যে আপনি সেভড ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডও জানতে পারবেন।

আসুন কীভাবে তা জেনে নেওয়া যাক 

কমান্ড প্রম্পট থেকে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড সন্ধান করুন

1. কমান্ড প্রম্পট ওপেন করুন  

কম্পিউটার বা ল্যাপটপের  পাসওয়ার্ড জানতে  আপনার সিস্টেমে কমান্ড প্রম্পটটি খুলুন। এর জন্য কীবোর্ডের শর্টকাটের Start  বোতামটি ক্লিক করুন এবং তারপরে cmd টাইপ করুন এবং enter  ক্লিক করুন, এটি আপনার কম্পিউটারে কমান্ড মোডটি খুলবে। এর পরে, আপনি এতে কমান্ড লিখতে পারবেন।

  • কীবোর্ডে উইন্ডো + আর বোতাম টিপুন এখন সিএমডি টাইপ করুন এবং ঠিক আছে ক্লিক করুন।
  • এখন কীবোর্ডে Start  বোতামটি ক্লিক করুন
  • এখন  cmd টাইপ করুন এবং enter  ক্লিক করুন
  • এখন কমান্ড টাইপ করুন

2. এখন নীচের কমান্ডটি টাইপ করুন

কমান্ড মোডটি উন্মুক্ত হওয়ার সাথে সাথে আপনাকে netsh wlan show profiles টাইপ করতে হবে তারপর  (wifi name key =?  ) কমান্ডে টাইপ করতে হবে  । মনে রাখবেন যে আপনাকে নামের জায়গায় আপনার wifi টির নামটি প্রবেশ করতে হবে এবং তারপরে এন্টার টিপুন।

৩. এখন security settings এ Key element অনুসন্ধান করুন

আপনি এই কমান্ড টাইপ করার সাথে সাথে এন্টার টিপুন, এর পরে কীবোর্ডে, আপনি কমান্ডটিতে আরও অনেকগুলি তালিকা পাবেন, তারপরে আপনাকে এটিতে স্ক্রোল করতে হবে ।  সেখানে একটি পাসওয়ার্ড সেটিংস লেখা আছে, তবে একই বিকল্পে আপনি মূল পাসওয়ার্ডটি  খুঁজে পাবেন সামনে যা লেখা আছে । এভাবে  আপনার কম্পিউটারের সংযুক্ত ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড বের করতে পারবেন।

সুতরাং এইভাবে, আপনি কমান্ড প্রম্পটে কমান্ডটি টাইপ করে আপনার কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ওয়াইফাই এর পাসওয়ার্ড খুব সহজেই বের করতে পারেন।

কন্টোলপানেল থেকে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড বের করার নিয়ম কি?

1. কম্পিউটারে কন্ট্রোল প্যানেল খুলুন

আপনি যদি কোনও সংযুক্ত ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড অর্থাত্ ওয়াইফাই এর পাসওয়ার্ড জানতে চান, তবে এর জন্য আপনাকে কম্পিউটার কন্ট্রোল  প্যানেলে অনুসন্ধান করতে হবে এবং এটি খুলতে হবে।  এর জন্য আপনি কীবোর্ডের উইন্ডোর বোতামটি টিপুন এবং কন্ট্রোল প্যানেল খুলুন

২. এবার নেটওয়ার্ক এবং শেয়ারিং সেন্টারে ক্লিক করুন

কন্ট্রোল প্যানেলটি খোলার সাথে সাথেই এখন আপনাকে নেটওয়ার্ক এবং শেয়ারিং সেন্টারে ক্লিক করতে হবে, যদি আপনি এই বিকল্পটি উপায় না দেখে থাকেন তবে উপরের ডানদিকে ক্লিক করুন এবং নেটওয়ার্ক এবং শেয়ারিং এ ক্লিক করুন। যদি এই সেটিংস না দেখতে পান তাহলে আইকন গুলো বড়ো করে নেন ।

৩. এখন সংযুক্ত ওয়াইফাই-এ ক্লিক করুন

এখন আপনি ওয়াইফাই বিকল্পটি দেখতে পাবেন যা আপনার কম্পিউটারের সাথে নেটওয়ার্ক এবং শেয়ারিং সেন্টারের বিকল্পে সংযুক্ত রয়েছে, তারপরে আপনাকে এটিতে ডাবল ক্লিক করতে হবে এবং তারপরে আপনাকে কানেকশন এর ওয়াইফাই এর উপর ক্লিক করতে হবে এবং  এর সাহায্যে আপনি ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড জানতে পারবেন।

  • Wi-Fi নেটওয়ার্কে ক্লিক করুন
  • এখন ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক প্রোপাটিস এ ক্লিক করুন

৪. এখন সিকিউরিটিতে ক্লিক করুন এবং শো অক্ষরের টিক চিহ্ন দিন

ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক প্রোপাটিস এ ক্লিক করার সাথে সাথেই  আপনাকে সিকুরিটি অপশনে ক্লিক করতে হবে, এর পরে আপনি এটিতে শো কারেকটার এ ক্লিক করুন, তারপরে আপনি আপনার কম্পিউটারের সাথে ওয়াইফাই এ সংযুক্ত থাকা পাসওয়ার্ড দেখতে পারবেন। 

  • সিকিউরিটিতে ক্লিক করুন
  • এখন শো কারেকটার এ টিক দিন
  • এখন পাসওয়ার্ড দেখুন

সুতরাং এইভাবে আপনি একটি কমান্ড মোডের সাহায্যে এবং ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক এবং শেয়ারিং সেন্টারের সাহায্যে কম্পিউটারে সংযুক্ত ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডটি খুঁজে পেতে পারবেন।

এই পদ্ধতিটি সর্বোত্তম এবং এর জন্য আপনার কোনও ধরণের সফটওয়ার লাগবে না। আপনি আপনার কম্পিউটারে সফটওয়্যার ছাড়া ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডও জানতে পারবেন এই মাথোড ব্যবহার করে ।  তবে এর জন্য কম্পিউটারে ওয়াইফাই আগে থেকেই সংযুক্ত থাকা প্রয়োজন তবেই আপনি পাসওয়ার্ডটি জানতে পারবেন।

সর্বশেষে বলে রাখি যে কোন ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড হ্যাক করার জন্য আপনাকে একজন প্রফেশনাল হ্যাকার হওয়া লাগবে  এবং কালি  লিনাক্স অপরেটিং  সিস্টেম সম্পর্কে যথেষ্ঠ জ্ঞান থাক লাগবে।

বিঃদ্রঃ যে কোন ধরনের হ্যাকিং আইনতদন্ডনীয় অপরাধ তাই  এগুলো থেকে দূরে থাকা উচিত।

ইন্টারনেট

ডার্ক ওয়েব কি? এবং কি ভাবে ব্যবহার করবেন?

হ্যালো বন্ধুরা,  আজ জানবেন ডার্ক ওয়েব কি, সারফেস ওয়েব কি? এবং ডিপ ওয়েব কি? আমরা আপনাকে ডার্ক ওয়েব এবং ডার্কনেট সম্পর্কিত তথ্য দেব। যার মধ্যে আপনি বুঝতে পারবেন ডার্ক ওয়েব কি , ডিপ ওয়েব কি এবং সারফেস ওয়েব কি? এবং এটিতে ভিজিট কি ভাবে করে ? ( ডার্ক ওয়েব সম্পর্কিত সকল তথ্য শুমাত্র জ্ঞান এর জন্য তাই কেউ এই তথ্য জেনে  মস্তিষ্কে কুচিন্তা ধারন না করার অনুরধ রইলো  )

ডার্ক ওয়েবকে “ব্লু হোয়েল গেমটির মতই বিপজ্জনক বলে দাবি করেছেন অধিকাংশ ইন্টারনেট ইউজার”  কেন আমরা ডার্ক ওয়েবে অ্যাক্সেস করা থেকে বিরত আছি? আপনি কি জানতে চান যে ডার্ক ওয়েবে আমাদের সরকারকে এটি ব্যবহার করতে বাধা দেয়, ডার্ক ওয়েব  আমাদের বিশাল ইন্টারনেট জগতের অন্ধকারতম অংশ যেখানে লক্ষ লক্ষ গোপন সমাধি রয়েছে? ডার্কনেটকে ইন্টারনেটের ‘ব্ল্যাক ওয়ার্ল্ড’ও বলা হয়।

আপনি যদি ইন্টারনেটকে জিজ্ঞাসা করেন, তবে আপনি দেখবেন যে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ইন্টারনেট, তবে গুগল, ইয়াহু এবং বিং এর মতো অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনগুলি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের 4% অংশের ইন্টারনেট যা আমরা ব্যবহার করতে পারি, বাকিটি 96% ডার্ক ওয়েব যা এটি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে (কিছু ওয়েবসাইট বলে) যে “ডার্কনেট বাজার” নামে পরিচিত এখানে ইন্টারনেটের গভীরতম গোপন রহস্য লুকিয়ে রয়েছে।

এখন আমরা আপনাকে ডার্ক ওয়েব, ডিপ ওয়েব এবং সারফেস ওয়েব  সম্পর্কে তথ্য দেব? আপনি যদি ডার্কনেট সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হন, তবে এই আর্টিকেলটি শেষ অবধি পড়ুন, যেখানে আমরা আপনাকে ডার্ক ওয়েবে কীভাবে অ্যাক্সেস করবেন তা জানিয়ে দেব এবং শোনাবো একটি গুরুত্ব পূর্ন খবর । আজকে জানবেন কীভাবে ক্ষতি হচ্ছে এই ডার্ক ওয়েবের জন্য সাধারন মানুষের  ।

ডার্ক ওয়েব কি ? ডিপ ওয়েব কি? এবং সারফেস ওয়েব কি? 

ইন্টারনেটের মূলত তিনটি স্তর রয়েছে যার মধ্যে প্রথমটি সারফেস ওয়েব, ডিপ ওয়েব এবং ডার্ক ওয়েব, যার সম্পর্কে আপনি আরও জানতে  পারবেন।  গুগল, ইয়াহু, ফেসবুক, টুইটার এবং আরও অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে সারফেস ওয়েবে যা প্রত্যেকেই ভিসিট করতে পারি এবং আমরা সেগুলো দেখতে পাই, তবে ইন্টারনেটে একটি গোপন জাইগা আছে যেটি ‘ডিপ ওয়েব’ নামে পরিচিত ।

ডিপ ওয়েবে সরকারের সিক্রেট ফাইলস, মিলিটারি প্রজেক্টস, ব্যাংকিং, অনলাইন ড্রাগ বিক্রয়, পর্নোগ্রাফি, হ্যাকিং এবং অন্যান্য অবৈধ বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা গুগল তার সার্চ ইঞ্জিনে দেখায় না ।  ডার্ক ওয়েবসাইট এবং ডার্ক ওয়েব ব্যবহার করা সরকারের বিধিবিধানের বিরোধী এ কারনে গুগল ডার্ক ওয়েবের অন্তর্ভুক্ত কোনও ওয়েবসাইটকে ডাটা বেজে উল্লেখ করে না।

ডারনেট মার্কেট কী?

ইন্টারনেটের সেই অংশে, যে অংশে বিশ্বের অবৈধ বাজারগুলি সজ্জিত যেখানে বিপজ্জনক জিনিস কেনা বেচা হয় ।   প্রতিটি লেনদেন এর জন্য মূদ্রা হিসাবে অর্থের আকারে বিটকয়েন দিয়ে দেওয়া হয়। কিছু দিন আগে এই ধরনের একটি বাজার ‘সিল্ক রোড’ সম্প্রতি এফবিআই (ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন) দ্বারা বন্ধ করা হয়েছিল, যেখানে ইন্টারনেটের অপরাধমূলক ক্রিয়াকলাপ ডার্ক ওয়েবে রয়েছে, সুতরাং এটিকে ‘অপরাধীদের শেল্টার’ও বলা হয়।

ডার্ক ওয়েব, ডিপ ওয়েব, সারফেস ওয়েব এর একটি মাপ

 আমি আপনাদেরকে বলব আমরা যে ইন্টারনেট ব্যবহার করি তা 3 টি ভাগে বিভক্ত হয়, প্রথমটি সারফেস ওয়েব যা আমরা ব্যবহার করি এবং দ্বিতীয়টি ডিপ ওয়েব এবং তৃতীয়টি ডার্ক। ডার্ক ওয়েব সম্পর্কে প্রচুর গুজব রয়েছে।

তাহলে আসুন একটু বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা যাক

সারফেস ওয়েব, ডিপ ওয়েব, ডার্ক ওয়েব কি?

1.  সারফেস ওয়েব কি?

গুগলের মতো সার্চ ইঞ্জিনে অনুসন্ধান করা যেতে পারে এমন সমস্ত ওয়েবসাইট এবং ওয়েব পৃষ্ঠাগুলিকে ক্লিয়ার নেট বা সারফেস ওয়েব বলা হয়।

সারফেস ওয়েবকে ক্লিয়ার ওয়েব এবং ক্লিয়ার নেটও বলা হয়, কারণ এটি হল ইন্টারনেট যা আমরা আমাদের স্মার্ট [ফোন এবং কম্পিউটার] এ ব্যবহার করি, যেখানে আপনি দৈনন্দিন জীবনে জিমেইল ব্যবহারের মতো সমস্ত জিনিস করতে পারেন।  ফেসবুক, টুইটার, অনলাইন শপিং অ্যামাজন বা ফ্লিপকার্ট  ইত্যাদি এই সার্ফেস ওয়েবের অংশ ।

আপনি জেনে অবাক হবেন যে সারফেস ওয়েব পুরো ইন্টারনেটের মাত্র 4%। গুগলের মতো সার্চ ইঞ্জিনে অনুসন্ধান করা যেতে পারে এমন সমস্ত ওয়েবসাইট এবং ওয়েব পৃষ্ঠাগুলিকে ক্লিয়ার নেট বা সারফেস ওয়েব বলা হয়।

2.  ডিপ ওয়েব কি?

এটি এমন একটি ওয়েবসাইট যার অভ্যন্তরীণ ডাটাবেসটি বাহ্যিক ইন্টারনেট থেকে গোপন রয়েছে, যার দ্বারা এটি অনুমোদিত না হলে প্রত্যেকের দ্বারা অ্যাক্সেস করা যায় না তাকেই ডিপ ওয়েব বলে।

ডিপ ওয়েবকে অনেক মানুষ ডার্ক ওয়েব হিসাবে বিবেচনা করে তবে এই দুইটির  মধ্যে একটি দিন-রাতের পার্থক্য রয়েছে ।  ডিপ ওয়েবকে ইন্টারনেটের বাকি অংশ বলা হয় যা সারফেস ওয়েবের পরে আসে। সার্চ ইঞ্জিনগুলি এই ডিপ ওয়েব সাইটগুলিকে দেখাতে পারে না।

সহজ কথায়, এটি এমন একটি ওয়েবসাইট যার অভ্যন্তরীণ ডাটাবেসটি বাহ্যিক ইন্টারনেট থেকে গোপন রয়েছে, যার দ্বারা এটি অনুমোদিত না হলে প্রত্যেকের দ্বারা অ্যাক্সেস করা যায় না।

সরকার বা বিশ্ববিদ্যালয় বা কোনও সংস্থার গোপনীয় তথ্য ডিপ ওয়েবে সংরক্ষণ করা হয়। অনলাইন ক্লাউড স্টোরেজ যেমন গুগল ড্রাইভ, ড্রপবক্স ইত্যাদি নির্দিষ্ট ঠিকানা বা ইউআরএল থাকে তেমন এই ডিপ ওয়য়েবের ও নির্দিষ্ট কিছু লিংক বা ইউয়ারেল থাকে । ডিপ ওয়েব কোনও প্রকারের প্রমাণীকরণ প্রক্রিয়া ব্যতীত অ্যাক্সেস করা যাবে না – অনন্য আইডি, পাসওয়ার্ড ইত্যাদি।

৩.  ডার্ক ওয়েব কি?

এটি এমন একটি ওয়েবসাইট যা সম্পূর্ণ সাধারণ ইন্টারনেট থেকে গোপন এবং এটি গুগলের মতো সার্চ ইঞ্জিনগুলিতেও সূচিযুক্ত নয় সেই ওয়েব কেই ডার্ক ওয়েব বলে।


এটি এমন একটি ওয়েবসাইট যা সম্পূর্ণ সাধারণ ইন্টারনেট থেকে গোপন এবং এটি গুগলের মতো সার্চ ইঞ্জিনগুলিতেও সূচিযুক্ত নয় এবং ডার্ক

ওয়েব এর ওয়েব সাইট গুলো দেখার জন্য আপনাকে টর ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে ।

ডার্ক ওয়েব কে হ্যাকার এবং অপরাধী প্যারাফারেনিয়ালার আশ্রয়স্থল হিসাবে বলা হয় কারণ এখানে ড্রাগের ব্যবসা, অস্ত্র চোরাচালান, অবৈধ পেপাল অ্যাকাউন্টের কেনা বেচা এবং এমন আরও অনেক কিছুই রয়েছে যা কেউ কল্পনাও করতে পারে না।

উদাহরণস্বরূপ:

  • চুরির তথ্য
  • অবৈধ পদার্থ
  • বিপজ্জনক জিনিস 
  • অবৈধ অস্ত্র
  • মানব পাচার

ডার্ক নেট ওয়েবসাইটগুলি সার্চ   ইঞ্জিনগুলিতে পাওয়া যায় না, ডার্ক ওয়েবের মধ্যে থাকা সামগ্রী সাধারণত টোর নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে পাওয়া যায়। এই  ডার্ক ওয়েবের কালো মার্কেতে আপনি ড্রাগ, জাল পণ্য, অস্ত্র, শুটার,হিউমান কিলার, এক্স-রেটেড সাইটগুলি,অবৈধ ভাবে বিটকয়েন কেনা বেচা করার মতো সমস্ত অবৈধ জিনিস খুঁজে পাবেন।

ডার্ক ওয়েব অ্যাক্সেস করার আগে মনে রাখবেন

ডার্ক ওয়েবকে ডিপ ওয়েবের একটি বৃহত অংশ হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে যা ইচ্ছাকৃতভাবে লুকানো রয়েছে এবং নির্দিষ্ট কিছু ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করে কেবল এটি অ্যাক্সেস করা যেতে পারে। যদি আপনি একটি সাধারণ ব্রাউজার থেকে গুগল ক্রোম, মজিলা ফায়ারফক্স, ইউসি ব্রাউজারের মতো করে ডার্ক ওয়েবে চলে যান তবে আপনাকে  জেলে যেতে হতে পারে ।

ডার্ক ওয়েব ব্যবহার করা ঠিক নয় তবে আপনি যদি ইন্টারনেটে কিছু গবেষণা করতে চান তবে   আমরা আপনাকে কিছু টিপস দিচ্ছি, যাতে আপনি সীমাবদ্ধ থাকা অবস্থায় ডার্ক ওয়েব ব্যবহার করতে সক্ষম হতে পারেন ।

1. টর ব্রাউজারটি ডাউনলোড এবং ইনস্টল করুন

সাধারণ ব্রাউজারগুলি আপনাকে যে ওয়েবসাইটগুলি ইন্টারনেট থেকে লুকানো রয়েছে সেগুলি দেখার অনুমতি দেয় না , কারণ আমরা সবাই জানি যে ডার্ক ওয়েব এবং ডার্কনেটকে অবৈধ ইন্টারনেট বলে বিবেচনা করা হয় । আর এ জন্যই স্ট্যান্ডার্ড ব্রাউজারগুলি সেগুলি খুলতে ব্যর্থ হয়।

আপনার আইএসপি (ইন্টারনেট পরিষেবা সরবরাহকারী) এবং আইন প্রয়োগকারীরা আপনার ক্রিয়াকলাপ পর্যবেক্ষণ করছে না এমন ভ্রান্ত ধারণার মধ্যে কখনও পড়বেন না। যাইহোক, যারা টোর ব্রাউজার ব্যবহার করেন তাদের জন্য ডার্ক ওয়েবের জন্য খুব সুরক্ষিত নেটওয়ার্ক আপনাকে টোর ব্রাউজার সরবরাহ করে।

2. কখনও ভিপিএন ব্যবহার করতে ভুলবেন না

আপনি যখন  ডার্ক ওয়েব ব্যবহার করছেন তখন সুরক্ষার জন্য আপনাকে বিশেষ যত্ন নেওয়া দরকার।

নিজের জন্য একটি দুর্দান্ত ভিপিএন পরিষেবা চয়েজ করুন। যদি আপনি প্রক্সি ব্যবহার না করেন তবে আপনাকে অবশ্যই একটি ভিপিএন পরিষেবা ব্যবহার করতে হবে।আমি ভিপিএন পরিষেবার উপর আর্টিকেলস দেবো ,যা দ্বারা ভিপিএনকে সহজ উপায়ে ব্যবহার করা শিখতে পারবেন ।

3. ডার্কওয়েব সাইট কীভাবে চিহ্নিত করা যায়

ইন্টারনেট লিঙ্কগুলির একটি ভাণ্ডার রয়েছে যেখানে আপনি অনেকগুলি ওয়েবসাইটের লিঙ্ক দেখতে পাবেন, যেখানে আপনি প্রতিদিন অনেকগুলি ওয়েবসাইটের লিঙ্কে ক্লিক করেন। কোন ওয়েবসাইটটি ডার্ক ওয়েব আর কোনটি সারফেস ওয়েব তা কীভাবে খুঁজে পাবেন। আপনি যদি সুরক্ষা ছাড়াই একটি সাধারণ ব্রাউজারে একটি ডার্কর ওয়েবসাইট খোলার চেষ্টা করেন তবে আপনি পারবেন না । কারন শুধু টর ব্রাউজার ব্যবহার করে ডার্ক ওয়েবের লিংক খোলা সম্ভব ।

তাই ডার্ক ওয়েব এর জন্য একটি বিশেষ ব্রাউজার তৈরি করা হয়েছে যাকে টর ব্রাউজার হিসাবে যানা যায় । এটি জেনে রাখা উচিত যে ডার্ক  ওয়েবসাইটগুলির এক্সটেনশনগুলিও খুব আলাদা।

উদাহরণস্বরূপ, .onion যা একটি উচ্চ-এনক্রিপ্টড ডোমেন নাম এই ডার্ক ওয়েবসাইটগুলির জন্য ব্যবহৃত হয়।

>> beimanerxydhkjhsgdh.onion

৪. ডার্কওয়েব সাইটে আপনার পরিচয় লুকান

ডার্ক ওয়েব ব্যবহার করছেন? সুতরাং এখানে মনে রাখবেন যে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য কারও সাথে ভাগ করে নেওয়া উচিত নয়।

আপনাকে নীচে প্রদত্ত সুবিধাটি ব্যবহারের জন্য একটি নিরাপদ ইমেল ঠিকানাও ব্যবহার করতে হবে।

সুরক্ষিত ইমেল ঠিকানার জন্য সাইন আপ করুন:

  • ProtonMail
  • TORbox
  • Mail2Tor

ডার্ক ওয়েবে আপনি এমন কিছু দেখতে পাবেন যা আপনি কখনও ভাবেননি যে এটিও সম্ভব হবে?  তবে আপনার মানসিকতার উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাখার চেষ্টা করুন।

ডার্ক ওয়েব কীভাবে ব্যবহার করবেন? অথবা কীভাবে ডার্ক ওয়েব চালাবেন?

পদক্ষেপ 1: টর ব্রাউজার ডাউনলোড করুন

প্রথমত, আপনাকে আপনার কম্পিউটারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (উইন্ডোজ পিসি) থেকে টোর ব্রাউজারটি ডাউনলোড করতে হবে। আপনি নীচের দেওয়া লিঙ্ক থেকে এটি করতে পারেন।

ডাউনলোড টর

পদক্ষেপ 2: ইনস্টল করুন, সংযোগ ক্লিক করুন

ডাউনলোড করার পরে টর ব্রাউজারটি ইনস্টল করুন। তারপরে এটি খুলুন এবং সংযোগ বোতামে ক্লিক করুন।

পদক্ষেপ 3: আইপি টিওআর সার্ভারে পরিবর্তন করুন

এখন সংযোগ বোতামে ক্লিক করার পরে, প্রক্রিয়াটি কিছুটা সময় নেবে, তারপরে এটি আপনাকে টিওআর সার্ভারের সাথে সংযুক্ত করবে এবং আপনার স্থানীয় আইপি পরিবর্তন হবে।

পদক্ষেপ 4: এখন আপনার আইপি চেক করুন

সংযুক্ত হওয়ার পরে, আপনার টর ​​ব্রাউজারটি খুলবে এবং আপনার আইপি পরিবর্তন হয়েছে কিনা তা দেখার জন্য আপনি যদি আপনার নেটওয়ার্ক সেটিংস দেখতে চান তবে  টোর নেটওয়ার্ক সেটিংস এ ক্লিক করুন।

পদক্ষেপ 5: কনফিগার করুন, ডার্ক ওয়েব অ্যাক্সেস করুন

এখন আপনি এখানে আপনার নতুন আইপি (ইন্টারনেট প্রোটোকল) দেখতে পাবেন যার মাধ্যমে আপনি বেনামে সার্ফিং  করবেন। আপনার টর ​​ব্রাউজার প্রস্তুত, আপনি এটিতে  ডার্ক ওয়েব সার্ফ করতে পারবেন। ডার্ক ওয়েবে .onion সাইটগুলি সার্ফ করার জন্য আপনাকে তাদের ইউআরএল জানতে হবে তবেই আপনি সেই ওয়েবসাইটগুলি দেখতে পারবেন।

পদক্ষেপ 6 : অন্ধকার ওয়েব সাইট অ্যাক্সেস করুন

আমরা যদি ফেসবুকের কথা বলি, তবে বন্ধুরা এখানে, আপনি ফেসবুকের মতো একটি অনুরূপ .onion tor সাইট পাবেন, যার ঠিকানা:

https://www.facebookcorewwwi.onion

টোর ব্রাউজারে এই URL টি টাইপ করে আপনি ডার্ক ওয়েবের ফেসবুক সার্ফ করতে পারেন। তবে ওয়েবসাইটে আপনার আসল ফেসবুক আইডি লগ করবেন না।

এখন আপনি জানেন  ডার্ক ওয়েব ব্রাউজ করা কি বিপজ্জনক হতে পারে? ভাবছেন কিভাবে? এখন আমরা আপনাকে ডার্ক ওয়েবের বিপজ্জনক গল্পের  কথা বলতে যাচ্ছি  ।

ডার্ক ওয়েব স্টোরিজ

১. ক্লেচের গল্প (রেডডিট থেকে) একবার টর ​​ব্রাউজারটি চালানোর পরে, কেউ বার্গার খেতে বাইরে গেল এবং সে ফিরে এসে দেখল যে বার্গারটি খাওয়ার সময় তোলা ছবি কেউ তাকে পাঠিয়েছে। রেডডিট ব্যবহারকারী ক্লাচের সাথে এটিই ঘটেছিল।

২. বিগওয়াইগুয়া 55 এর গল্প (রেডডিট থেকে) আমি একবার কারওর ভিডিওতে মন্তব্য করেছি এবং যখন আমি আবার কিছুক্ষণ পরে সেই ভিডিওটি দেখতে ফিরে এসেছি তখন আমি দেখেছি যে কেউ আমার মন্তব্যে জবাব দিচ্ছে এবং সে তা দিয়েছিল। আমার শেষ নামটিও লেখা আছে তবে আমি খুব কম সময়ে সেটা জানতে পেয়েছি। আমার পিসির একসেস অন্য কেউ করছিল তখন ।

৩. আইএএমএএসআরশকফিনের গল্প (রেডডিট থেকে) একবার যখন আমি টর ব্রাউজারটি চালাচ্ছিলাম তখন আমি দেখতে পেলাম যে একটি বিজ্ঞাপন ছিল এবং সেই বিজ্ঞাপনটি হিটম্যানের, যারা বিটকয়েন নিয়ে কাজ করেছিল। টাকার জন্য মানুষ মারে এসল হিটম্যান ।

৪. Semper_Fi_Cerberus গল্প (রেডডিট থেকে) ডার্ক ওয়েবে এটি আমার তৃতীয় বার এবং আমি সেই সময় কিছু ডার্ক ওয়য়েবের মার্কেটে কিছু সন্ধান করছি। আমি এক ব্যক্তির হোম পেজটি পেয়েছিলাম এবং সাইডবারে আমি একটি লিঙ্ক দেখতে পেয়েছি্লাম যাতে লেখা আছে ‘সাংবাদিক এবং আগতদের মধ্যে অন্ধকারের ওয়েব’ এবং সেখানে কিছু হারহিম করা খবর ছিল । যা দেখে আমি রিতীমত ভয় পেয়েছিলাম। তার পর ও

আমি সেখাতে ক্লিক করেছি, আশা করেছিলাম সেখানে  আকর্ষণীয় এবং দরকারী তথ্য পাবো । কিন্তু  একটি নতুন পৃষ্ঠা খোলে এবং একটি ছবি লোড করা শুরু করে। আমার ধীর গতিবিধির জন্য সব দেখতে পাই না তবে অল্প দেখতে পাই  সেখানে যা ভরাট ছিল  একটি বৃদ্ধা তাঁর চিবুকের উপর রক্ত ​​দিতে ছিলেন  এবং বাকি লোড ইমেজের আগেই আমি তত্ক্ষণাত ট্যাবটি বন্ধ করে দিয়েছি। আজ অবধি, আমি অবাক হয়েছি পুরো ছবিটি কী ছিল, তবে ধন্যবাদ একই সাথে আমি এটি দেখতে পেলাম না।

উপসংহার: ডার্ক ওয়েব কি?

আজকের পোস্টের মাধ্যমে আপনি জানলেন ডার্ক ওয়েব কি ? এবং এই পোস্টের মাধ্যমে আমরা আপনাকে  বাংলা ভাষায় ডার্ক ওয়েব, ডিপ ওয়েব, সারফেস ওয়েব সম্পর্কে অনেক তথ্য দিয়েছে আশা করি আপনি ডার্ক ওয়েব, ডিপ ওয়েব এবং সারফেস ওয়েব সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য পেয়েছেন।

আমরা আপনাকে এই পোস্টে জানিয়েছি ডার্ক ওয়েব কি? এবং কীভাবে অ্যাক্সেস করবেন ডার্ক ওয়েবে ?   এখন  আপনি কতটা শিখিয়েছেন তা আমাদের জানান। এই পোস্টটি সম্পর্কে আপনার বন্ধুদেরও তথ্য দেওয়া উচিত। এবং এই পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন। এছাড়াও অনেক লোক এই তথ্য গুলো ভালোভাবে জানে না ।এই পোস্ট সম্পর্কিত  কোন সমস্যা থাকলে  কমেন্ট বক্সে মন্তব্য করে  আমাদের জানান। আমাদের দল অবশ্যই আপনাকে সাহায্য করবে।

আপনি যদি আমাদের ওয়েবসাইটের সর্বশেষ আপডেটগুলি পেতে চান তবে আপনাকে আমাদের সাইটির নোটিফিকেশন allow  করতে হবে ।  

এখন জানবেন ডার্ক ওয়েবের একটি জালিয়াতি সম্পর্কে 

১.৩ মিলিয়ন মানুষ ডেবিট-ক্রেডিট কার্ডের ডেটা ঝুঁকিতে রয়েছে, জেনে নিন ডার্ক ওয়েব জালিয়াতি কি ? এবং কীভাবে এড়ানো যায় ?

নয়াদিল্লি অনেক ভারতীয় ব্যাংকের প্রায় 1.3 মিলিয়ন ডেবিট এবং ক্রেডিট কার্ডের ডেটা ডার্ক ওয়েবে বিক্রি হচ্ছে, যাকে ইন্টারনেটের অন্ধকার বিশ্ব বলা হয়। এটির সাহায্যে সাইবার অপরাধীরা ১৩০ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ প্রায় ৯২০ কোটি রুপি পর্যন্ত ক্ষতি করতে পারে। জেডডি নেট অনুসারে, এই কার্ডগুলির তথ্য ডার্ক ওয়েবের প্রাচীনতম ডেবিট এবং ক্রেডিট কার্ডের দোকান জোকার স্ট্যাশ-এ পাওয়া যায়। প্রতিটি কার্ডের ডেটা বিক্রি হচ্ছে 100 ডলার, অর্থাত্ প্রায় 7 হাজার টাকায়।সুরক্ষা গবেষকরা সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এটিকে একটি বৃহত্তম কার্ড ডাম্প (কার্ডের বিশদ চুরি) বলে অভিহিত করেছেন। এখানে আমরা আপনাকে ডার্ক ওয়েবের কার্ডিং জালিয়াতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ বিবরণ জানিছে এবং কীভাবে এড়ানো যায় সে সম্পর্কেও তারা তথ্য দিয়েছেন।

যখনই আমরা ডিপ এবং ডার্ক ওয়েব  লিখে গুগল বা অন্য কোনও ব্রাউজারে  অনুসন্ধান করি, আমরা লক্ষ লক্ষ ফলাফল পাই। তবে
এটি পুরো ইন্টারনেটের মাত্র 4%, যা অনুসন্ধানের 96% ফলাফলের মধ্যে উপস্থিত হয় না, করন এটি হিডেন ওয়েব। এর মধ্যে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের
বিবরণ, বিভিন্ন সংস্থার ডেটা এবং বিভিন্ন গবেষণার কাগজপত্রের মতো তথ্য রয়েছে। ডিপ ওয়েবে অ্যাক্সেস একই ব্যক্তির সাথে উপলব্ধ  মানে  যার সাথে তিন সম্পর্কিত।

উদাহরণস্বরূপ, আপনি কেবল আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হিসাব বা  বালেন্স  দেখতে পারেন। এই জিনিসগুলি ব্রাউজার অনুসন্ধান করলে কি  উপস্থিত হয় ?  সামগ্রিকভাবে, ডিপ ওয়েবের একটি বড় অংশ আইনী এবং এর উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীর স্বার্থ রক্ষা করা। এর একটি ছোট্ট অংশ ডার্ক ওয়েব যা সাইবার অপরাধীদের আশ্রয়স্থল। বিভিন্ন অবৈধ ক্রিয়াকলাপ যেমন সংবেদনশীল তথ্য যেমন ড্রাগ, মানব পাচার, অবৈধ অস্ত্র কেনা বেচার পাশাপাশি ডেবিট / ক্রেডিট কার্ড বিক্রি করা হয় এই ডার্ক ওয়েব মার্কেটে ।

ব্যবসায়ের পদ্ধতি

একটি সাধারণ ব্রাউজার দিয়ে ডার্ক ওয়েব অ্যাক্সেস করা যায় না। এর জন্য, অনিওন রাউটার (টর) বা অনুরূপ ব্রাউজারের সহায়তা প্রয়োজন।টরের অনিওনের মতো  লেয়ার রয়েছে। এটিতে ব্যবহারকারীর আইপি প্রোটোকল ক্রমাগত পরিবর্তিত হয়,সুতরাং তাদের সন্ধান করা প্রায় অসম্ভব। ডার্ক ওয়েব হল ওয়েবসাইটের সমাপ্তি। .কম বা .ইন এর পরিবর্তে ব্যবহার হয় .অনিওন। এতে ওয়েবসাইটটির হোস্টিং ও বেনামে থাকে। এখানে লেনদেনগুলি বিটকয়েন বা অন্য কোনও ভার্চুয়াল মুদ্রায় ঘটে। ব্যাংকিং ব্যবস্থার যেহেতু এতে কোনও ভূমিকা নেই তাই সেগুলিও ট্র্যাক করা যায় না। ডার্ক ওয়েবের অন্ধকার জগতের ব্যবসা গুলি এর দুর্দান্ত সুবিধা গ্রহণ করে। একটি ডার্ক ওয়েবসাইট হোস্ট করার জন্য কোনও ভারী সেটআপের প্রয়োজন নেই। কোনও ব্যক্তি সহজেই তার কম্পিউটার বা ল্যাপটপকে একটি অন্ধকার ওয়েব ওয়েবসাইটে রূপান্তর করতে পারে।

অসুবিধা এড়ানো

ডার্ক ওয়েব এড়ানোর সহজ উপায় হল এটি থেকে দূরে থাকা। যদি কোনও সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী দুর্ঘটনাক্রমে ডার্ক ওয়েব জগতে চলে যায় তবে সে বুঝতে পারেন যে তিনি চোখের পাতা গেঁথেছেন এবং মাঝ রাস্তায় পৌঁছেছেন গাড়ি চালানো অবস্থায়। যেখানে যে কোন গাড়ি যেকোন দিক থেকে এসে তাকে আঘাত করতে পারে। হ্যাকাররা এখানে সর্বদা ঘোরাঘুরি করে সর্বদা নতুন শিকারের সন্ধান করে। একটি ভুল ক্লিক আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফিনিশ ।

অনুসন্ধানী সংস্থাগুলি ডার্ক ওয়েবের অপরাধীদের কাছে তখনই পৌঁছায় যখন অপরাধির মধ্যেকার কেউ তাদের সহায়তা করে। উদাহরণস্বরূপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি সাইবার অপরাধী বিনা অর্থ প্রদানের অন্ধকার ওয়েব থেকে ড্রাগ অর্ডার করেছিল।  বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)কে  ড্রাগ সহ তার বাড়িতে পাঠিয়েছিলেন।

সরকার কেন লাগাম চাপায় না?

মার্কিন গোয়েন্দাদের সাথে যোগাযোগ গোপন রাখতে ২০০২ সালের দিকে টর তৈরি করেছিল। আগে এই ব্যবস্থাটি কেবল সামরিক ও গোপন সত্তার জন্য ছিল। আমেরিকান সেনাবাহিনী পরে ইরান ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে বিদ্রোহীদের মার্কিন সরকারের সাথে একটি গোপন যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহার করে । এখান থেকে সিস্টেমটি ফাঁস হয় অপরাধীদের হাত ধরে। তারপরে টর ব্রাউজারটি সাধারণ  মানুষের জন্যও চালু করা হয়েছিল। এখন সারা বিশ্বের সরকার  টর সিস্টেমের সামনে নিজেকে অসহায় মনে করে।

এই টিপস টি সাহায্য করতে পারে

– বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে কোনও প্রতারনা এড়াতে, এটিএম থেকে দূরে থাকুন যা নোংরা বা খারাপ অবস্থায় দেখা দেয় কারন এই এটিএমগুলি ‘নকল’ হতে পারে। এটি হতে পারে যে এটিএম কাজ করছে না । আপনার তথ্য এটিএম এর মাধ্যমে চুরি করা যেতে পারে।

– এটিএম যদি আপনাকে কোনও পৃথক কমান্ড অনুসরণ করতে বলে, তবে সতর্কতা অবলম্বন করুন, যেমন লেনদেন শেষ করতে দু’বার পিন প্রবেশ করতে বলা। এছাড়াও দেখুন মেশিনটি ভাঙ্গা বা ক্ষতিগ্রস্থের মতো চেহারাতে আলাদা না দেখায়। মেশিনের সাথে কোন ডিভাইস বসানো ইত্যাদি।

– আপনার পিনটি প্রবেশের সময় কাছাকাছি থাকা কোনও ক্যামেরার দৃশ্য এড়াতে কীপ্যাডটি লুকিয়ে রাখুন ।

এই বিষয়গুলি মাথায় রাখুন, অনলাইনে কার্ড ব্যবহার করুন


নিরাপদ সাইটগুলি:  যে কোনও শপিং সাইট ব্যবহার করার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে সাইটটি নকল কিনা। সিকিওর সকেটস লেয়ার (এসএসএল) প্রত্যয়িত সাইটে কেনাকাটা করুন। সুরক্ষিত সাইটগুলিতে, আপনার ব্রাউজারের ইউআরএল বাক্সে ‘লক’ (লকস) এর প্রতীক রয়েছে। ওয়েবসাইট লিঙ্কে ‘https’ প্রোটোকল রয়েছে কিনা তাও পরীক্ষা করে দেখুন। এর অর্থ এখানে সুরক্ষা। কেনাকাটা করার সময় কোনও সাইটে আপনার কার্ডের তথ্য সংরক্ষণ করবেন না।


লুকানো সিভিভি: আপনি যখন নিজের সিভিভি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেন তখন দেখুন যে এটি স্টার দিয়ে লুকানো রয়েছে ।  সিভিভি হল কোনও বিদেশী ওয়েবসাইটে কার্ডের মালিকানা প্রমাণীকরণের পদ্ধতি, তাই এটির বিশেষ যত্ন নিন।

পাবলিক ওয়াই-ফাই এড়িয়ে চলুন: অনিরাপদ বা পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন, কারণ এটি অনলাইন চুরির সহজ লক্ষ্য।

পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন: পরিচয় চুরির সম্ভাবনা কমাতে সময়ে সময়ে আপনার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন

অবশেষে বলা যাই  ডার্ক ওয়েব এর সম্পর্কে আপনারা একটি ক্লিয়ার ধারনা পেয়েছেন তার পরও যদি কোন কিছু বুঝতে আপনাদের সমস্যা থাকে তাহলে কমেন্ট বক্সে জানান ।

Weekly যন্ত্র খবর

নতুন টেকনলজি ফ্লাইং কার এর আবিষ্কার

নতুন টেকনলজি ফ্লাইং কার এর আবিষ্কার

ভবিষ্যতের প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি গবেষনা করা হচ্ছে পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে হাইপার লুক অথবা ইলেক্ট্রিক কার এর সাথে সব থেকে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে উরন্ত গাড়ির এবং এটা নিয়ে বেশ জ়োড় দার গবেষনাও চলছে । কিছু দিন আগেই জার্মানিতে বের হয়েছে ফ্লাইং কার ।  এক দিকে গবেষনা চলছে হাইপার লুক নিয়ে অপর দিকে পন্য সর্বরাহের জন্য ব্যবহিত হচ্ছে ড্রোন আর শহর অঞ্চলে প্রচলিত গাড়ি এবং ব্যক্তি গত ভ্রমন এর জন্য ফ্লাইং কার । জার্মানিতে ফ্লাইং কার এর পরিক্ষন চালিয়ে যাচ্ছে স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান তাছারা আরো পরিক্ষা চালাচ্ছে বিশ্বের ছোট বড়ো অনেক প্রতিষ্ঠান ।  এর মধ্যে এধরনের কিছু প্রোটোটাইপ ও দেখা গেছে কন্তু এবারের তোরে এগিয়ে গেছে জার্মানির মিউনিকভিত্তিক স্টার্টঅপ লিলিয়াম । জার্মানির প্রযুক্তিতে তৈরী ফ্লাইং কার এর একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি । তাদের এই ফ্লাইং কারটি মানুষ পরিবহনে ব্যবহার উপযোগী । আর এছাড়াও জার্মানের আকাশে উড়তে দেখা গেছে টাক্সি । প্রতিষ্ঠানটির এই ফালিং কারটির নাম দেও্য়া হয়েছে লিলিয়াম জ়েট এটি বিশ্বের প্রথম পাচ আসনের উরুক্ষু যান এবং এই উড়ন্ত গাড়িটি ভার্টিকালি উঠা নামা করতে পারে । সাবাভিক ভাবেই এই উরন্ত যানটির শক্তির উতস হিসাবে কাজ করে জেট ইঞ্জিন এবং এটি কোন ধরনের কার্বন নির্গত করে না বলে জানিয়েছেন জার্মানির এই প্রতিষ্ঠানটি এবং তারা আরো জানিয়েছেন যে এই ফ্লাইং কার এর ইনঞ্জিন ২০০০ হার্জ সম্পন্ন  সভাবতই এক বারে ৫ জ়ন পাসেনঞ্জার বহন করতে সক্ষম।

যাই হোক এবার জানাযাক এই জার্মান কম্পানির রিসার্চারা কি বলেছেন,

সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ড্যানিয়েল উইগ্যান্ড বলেছেন: “আমরা নগরীর উরোজান চলাচলকে বাস্তবে পরিণত করার দিকে আরও একটি বিশাল পদক্ষেপ নিচ্ছি। লিলিয়াম জেট নিজেই সুন্দর এবং এটি প্রথমবারের মতো আকাশে উঠতে দেখে আমরা শিহরিত হয়েছিলাম”

প্রতিষ্ঠাটির মতে, উল্লম্ব টেক অফ এবং অবতরণের জন্য ৩টি ইলেক্ট্রিক জেট ইঞ্জিনের জন্য এটিকে অন্য প্লেনের তুলনায় আরও সুরক্ষিত এবং সাশ্রয়ী করে তুলবে। একবার বাতাসে, ইনঞ্জিনে যে বিদ্যুতের দরকার হয় তা অন্যান্য বৈদ্যুতিক গাড়ির চেয়ে কিছুটা বেশি ।

আরো পড়ুনঃ

নতুন টেকনলজি ফ্লাইং কার এর আবিষ্কার নিয়ে বিশিষ্টোজনদের মতামত,


চিফ কমার্শিয়াল অফিসার রেমো গারবার বলেছিলেন যে ফ্লাইং কারটি হেলিকপ্টার এর তুলনায় প্রায় ২০% কম শব্দ করেছিল: "আপনি যে
শহরগুলিতে বাস করেন সেখানে এটি ব্যবহার করতে পারবেন, এটি সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক চালিত ... এটি খুব আলাদা” এর কারনে 
ট্রাফিক জাম এবং সাউন্ড পলিউশন কম হবে।"

ফ্লাইং কারমরগান স্ট্যানলির বিশ্লেষণ অনুসারে ২০৪০ সালের মধ্যেই ফ্লাইং কারটির বাজারের মূল্য $1.6 মিলিয়ন ডলার হতে পারে এবং অন্যান্য 
ইভিটিএলএস - বা বৈদ্যুতিক উল্লম্ব টেক অফ এবং ল্যান্ডিং ক্র্যাফট - বিশ্বজুড়ে বিকাশ লাভ করছে। উবার নিজেই এই বছরের শুরুর
দিকে একটি খুব ভিন্ন-রূপ ধারণার মডেল উন্মোচন করেছেন, যখন এয়ারবাস তার স্বায়ত্তশাসিত বাহানা নৈপুণ্য বিকাশ করছে। চীনা 
ড্রোন প্রস্তুতকারক এহং 2018 সালে হেলিকপ্টার আকারের ইভিটিএলে ভিআইপি নামে একটি যানবাহন বহন করতে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী ছিলেন।

টিপস এন্ড ট্রিকস

(Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস কি ? BULK SMS এবং SMS এর মধ্যে পার্থক্য কি ?

আপনারা হইতো অনেকেই (Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস এর বিষয়ে অনেকেই শুনেছেন ইতিপূর্বে । অনেকের মনে হইতো Bulk SMS নিয়ে অনেক রকম ধারনা আছে । কিন্তু (Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস কি ? আর (Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস কাজ করে কি ভাবে এটা হইতো অনেকেরই জানা নেয় । আজকের এই পোস্ট টিতে আমি (Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস নিয়ে আপনাদের একটই বেসিক ধারনা দেব  যাতে আপনারা (Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস নিয়ে একটি সুস্পস্ট ধারনা পেতে পারেন ।

(Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস কি ?

উইকিপিডিয়ার দেওয়া সংঙ্গা

(Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস হল মোবাইল ফোন টার্মিনালগুলিতে ডেলিভারির জন্য প্রচুর সংখ্যক এসএমএস বার্তা প্রচার করার একটি সার্ভিস বা সেবা।

তাহলে বলা যেতে পারে যে (Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস  হল এমন একটি সেবা যেই সেবা অথবা সার্ভিস ব্যবহার করে আপনি একসাথে অনেক গুলি বার্তা পাঠাতে পারবেন । সাধারনত মার্কেটিং এর কাজে অর্থাৎ কোন জিনিস এর প্রচার এর জন্য এই (Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস  সার্ভিস টি ব্যবহার করা হয় ।

তাছারা (Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস সার্ভিস টি বিষেশ করে মিডিয়া সংস্থা,উদ্যোগক্তা,ব্যাংক (বিপণন ও জালিয়াতি নিয়ন্ত্রণের জন্য) এবং ভোক্তা ব্র্যান্ড,বিনোদন, এন্টারপ্রাইজ এবং মোবাইল বিপণন সহ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

(Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস দ্বারা  আপনি যে কোন নাম দিয়ে এসএমএস পাঠাতে পারবেন আর বর্তমানে (Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস সার্ভিস টি খুব জনপ্রিয়তা লাভ করেছে ইতি মধ্যে ।

BULK SMS এবং NORMAL SMS এর পার্থক্য কি ?

(Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস সার্ভিস টি সাধারন সিম অপরেটর এর এসএমএস থেকে সম্পূর্ন রুপে আলাদা এবং সাধারন এসএমএস থেকে দামেও সস্থা ।

(Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস নিয়ে যদি আরো কোন প্রশ্নো থাকে তাহলে কমেন্ট বক্সে জানাবেন । আগামী পোস্টে (Bulk SMS) বাল্ক এসএমএস নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন । 

আজকে এই পরযন্ত সবাই ভালথাকবেন সুস্থথাকবেন এই কামনা নিয়ে আজকের আর্টিকেল শেষ করতেছি।

টেক নিউজ

7 ডি হোলোগ্রাম প্রযুক্তি কেমন জানেন কি?

হোলগ্রামের মানে কি?


একটি হোলোগ্রাম একটি বস্তুগত  যন্ত্র যা একটি চিত্র প্যাটার্ন গঠন করে এবং চিত্র প্যাটার্ন গঠনের সময় আলোর বিন্দুগুলোকে আলাদা আলাদা ভাবে দেখাই.

  
হোলোগ্রাফিক ইমেজটি আলোর মাধ্যমে হোলগ্রাফিক প্রিন্টে লেজার বিম প্রজেক্ট করে এবং পর্দায় এই আলোর পতিফলনের কারনে একটি ত্রিমাত্রিক ছবি  দেখা যায়।

 


জন হেনরি পেপার 1860-এর দশকে প্রথমবারের মত হলোগ্রাফিক ছবির কৌশলটি প্রদর্শন করেছিলেন।  তিনি একটি ত্রিমাত্রিক প্রতিবিম্ব তৈরি করেছিলন এবং
চিত্রগুলি প্রজেক্টর এর মাধ্যমে বিভিন্ন দিক থেকে একটি নিদিষ্ট পর্দায় ফেলে ত্রিমাতৃক ছবি দেকিয়েছিলেন।  জন হেনরি সর্ব প্রথম মঞ্চে একটি ভুতের হলোগ্রাফিক ছবি প্রদর্শন করে।

HoloLens মত বর্ধিত বাস্তবতা সিস্টেম প্রায়ই একটি ভিডিও অভিক্ষেপ করতে হোলোগ্রাফিক অপটিক্যাল উপাদান ব্যবহার। ভার্চুয়াল ইমেজ  এক ধরনের ‘ভার্চুয়াল হোলোগ্রাম’।

 

হ্যালোগ্রাফিক ইমেজ কিভাবে কাজ করে?


হোলোগ্রাফিক ইমেজের মূলনীতি কাজ করে আলোর পরতি ফলন এর মধ্যমে। যখন একটি হলোগ্রাফিক ছবি ধারন করা হয় তখন একটি আলাদা কামেরা ব্যাবহার করা হয় এবং ছবি ধারন করার পর ছবিতে কিছু আকস্মিকভাবে আলোর বিচ্ছুরন পরিবতন করা হয়। সাভাবিক ভাবে বলতে গেলে একটি সাধারন ভিডিও প্রজেক্টর যে প্রক্রিয়াতে কাজ করে ঠিক একই ভাবে হোলোগ্রাফিক ইমেজ কাজ করে।   

 

7 ডি হোলোগ্রাম প্রযুক্তি কেমন ?   

যেহেতু আমরা সবাই জানি যে সময়ের সাথে সাথে খুব দ্রুত প্রযুক্তি বিকশিত হচ্ছে, গতকাল আমরা ২ ডি এবং 3 ডি তে কথা বলছিলাম এবং এখন আমাদের আলোচনার বিষয় হল 7 ডি হোলোগ্রাম প্রযুক্তি। আমরা সবাই প্রায় 2 ডি এবং 3 ডি প্রযুক্তি  দেখেছি এবং আপনাদের মধ্যে অনেকেই এই প্রযুক্তির অভিজ্ঞতা পেয়েছেন।

Example of 7D Park in Japan

সুতরাং, একটি 7 ডি হোলোগ্রাম হল 7 পরামিতি সহ একটি উচ্চ মানের হোলোগ্রাম ধারণ করার প্রযুক্তি। আমরা যদি 3 ডি এবং 7 ডি হোলোগ্রাম প্রযুক্তির মধ্যে পার্থক্য করি, তবে প্রধান পার্থক্য হল 7 ডি হোলোগ্রাম একটি বিষয় বা সমগ্র দৃশ্যের চারপাশে অবস্থান করে এমন একটি বড় সংখ্যক অবস্থান থেকে ধরা হয়। 3D চসমা পরে 3D ভিডিও দেখলে মনে হয় সব কিছু আপনার চোখের সামনেই ঘটছে কিন্তু 7D একদমি আলাদা কারন 7D  তে ভিডিও গুলো আপনার চার পাশে একটি ফেক দৃশ্য তৈরী করে।

টেক নিউজ

২০১৯ সালের সেরা ২টি গ্যাজেট

 

অনেক মানুষ আছে যারা পোষা  প্রানী হিসাবে বিড়াল ,কুকুর পোষে থাকেন । কিন্তু  IndieGoGo নামক কম্পানিটি সব জাইগায় প্রচার করতেছে পোষা প্রানি হিসাবে ভাল্লুক কে বেছে নিতে ।  এটা কোন সাধারন ভাল্লুক নয় , Vivien Muller এর  ইনভেনশন করা এই  গ্যাজেট এর নাম bearBooT । এটি  আমাদের প্রতিদিনের জ়ীবন কে করে দেবে আরো সহজ , যাই হোক কথা না বারিয়ে  সবার প্রথমে bearboot এর ব্যবহার সম্পর্কে  বলা  যাক।

 

Bearboot   আসোলে একটি ইউনির্ভাসাল রিমোট , এই রিমোট কে আপনার আশে পাশের সব  ইলেকট্টোনিক্স ডিভাইসের সাথে কানেক্ট করাতে পারবেন । যেমন এসি, লাইট, টিভি বা অন্য যেকোন কিছুর সাথে ডিভাইসটি কানেক্ট  করাতে পারবেন এবং এটির ব্যবহার করতে পারবেন হাতের ইশারায় ।

 

Bearboot তার 3D (gesture) সেন্সরের সাহায্যে 9 টি অঙ্গভঙ্গি বোঝার জন্য প্রোগ্রাম করা হয়েছে। প্রতিটি হাতের সংকেত দিয়ে এক বা একাধিক কাজ
করতে পারবেন এই ইউনির্ভাসাল রিমোট এর সাহায্যে । উদাহরণস্বরূপ, আপনি হাতের একটি অঙ্গভঙ্গি সেট করতে পারেন যা bearboot কে ইশারা করলে
ডিভাইসটি একাই আপনার টিভি চালু করে দেবে বা আপনার রুম এর লাইট জালিয়ে দেবে অথবা আপনার মিউজিক সিস্টেম চালু করে দেবে।

 

Teaching Bearbot

Bearbot এর জন্য google play store এ একটি আপ্লিকেশন আছে যা ব্দারা আপনি যেকোন ইশারাকে কমান্ড হিসাবে সেট করতে পারবেন । আপনি Bearbot কে কী ডিভাইসগুলি নিয়ন্ত্রণ করতে  কোন পদক্ষেপ নিতে হয় তা শেখাতে পারেন।

 

 

মাইক্রো ড্রোন ২০১৯

ড্রোন
ড্রোন

গ্লোবাল ড্রোন  GW009C-1S মিনি ড্রোন  যার সাথে আছে  এইচডি ক্যামেরা  এবং চতুর্ভুজ প্যাক উচ্চতা হোল্ড  হেলিকপ্টার ড্রোন  যেটা  অন্য নাম   মাইক্রো ড্রোন বা  Quadcopter বলা যেতে পারে।

 

পণ্যের বৈশিষ্ট্য
ব্র্যান্ড: গ্লোবাল ড্রোন

বৈশিষ্ট্য: রিমোট কন্ট্রোল 
টাইপ: হেলিকপ্টার 
প্যাকেজগুলির সামগ্রী: রিমোট কন্ট্রোল, ব্যাটারি, মূল বক্স, ব্যবহারকারী ম্যানুয়াল, ইউএসবি তারের, ক্যামেরা 
চার্জিং সময়: প্রায় 30 মিনিট 
নিবন্ধ: GW009C-1SENGINE 
প্রকার: ব্রাশের মোটর অ্যাকশন 
সময়: 5-7 মিনিট 
ওয়্যারেন্টি: NoPlug প্র
কার: USBDimensions : 10.2 * 10.2 * 4.5 সেমি ব্যাটারী কন্ট্রোলার: 2 * 1.5 ভি এএ ব্যাটারী (অন্তর্ভুক্ত নয়) 
সমাবেশ স্থিতি: ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত 
অ্যাজ রেঞ্জ: প্রাপ্তবয়স্ক, 12-15 বছর,> 8 বছর বয়সী,> 14 বছর বয়সী, 8-11 বছর 
উপাদান: ধাতু , প্লাস্টিকের দূরত্ব: প্রায় 70 ~ 100 মিটার ভোল্টেজ চার্জিং: 3.7 ভি রিমোট কন্ট্রোল: হ্যাঁ কন্ট্রোল 
চ্যানেলস: 4 চ্যানেলগুলি আয়ারিয়াল ফটোগ্রাফি: হ্যাঁ পাওয়ার 
উত্স: বৈদ্যুতিক কন্ট্রোলার 
মোড: মোড 2 
সতর্কতা: ছোট অংশ রয়েছে। আকারের আকার: 10.2 * 10.2 * 4.5
সেমিটাইপ: মিনি 2.4 জি 4CHFunction: উড়ন্ত এবং একটি beeHD ক্যামেরা হিসাবে overturn 
নিচে: সমর্থন সহজ নিয়ন্ত্রণ ড্রোন: হ্যাঁ 
বৈশিষ্ট্য: প্রতিরোধী ছিনতাই

 

 

 

 

 

টেক নিউজ

লুডু ষ্টার তথ্য ফাঁসের দায়ে গুগল প্লে ষ্টোর থেকে ব্যান।

লুডু ষ্টার ফ্যানদের জন্য খুব কষ্টের সংবাদ নিয়ে এসেছে গুগল। গুগল প্লে ষ্টোর থেকে লুডু ষ্টার গেম টা রিমুভ করে দিয়েছে। এটা শুনেই হয়তো অনেকের মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে কিন্তু এটাই সত্য কথা এখন। তার পরেও যদি কেও পেয়ে থাকেন সেই গুলো সব ফেক বা মিথ্যা। কিন্তু এর কারণ কি আপনি ভাবতে পেরেছেন একবার? এর কারণ হিসেবে গুগল বলছে লুডু ষ্টার নাকি তাদের সকল ইউজার দের পারসোনাল ইনফোরমেশন চাইনা এক কোম্পানির কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। ভাবতে পারছেন একবার কত বড় একটা কাজ করে বসেছে এই গেমের কোম্পানিটা।

লুডু ষ্টার
লুডু ষ্টার

কেননা আপনি লুডু ষ্টার খেলে থাকেন অবশ্যয় জেনে থাকবেন এটা খেলতে গেলে আপনাকে ফেসবুকের সাথে কানেক্ট করে নিতে হয়। এর মানে হচ্ছে আপনার ফেসবুকের ইনফরমেশন তারা বিক্রি করে দিয়েছে যেটা গুগলের পলিসির বাইরে, ঠিক এই কারণেই গুগল এই গেম টাকে প্লে ষ্টোর থেকে ব্যান করে দিয়েছে। লুডু স্টার যে কতটাই জনপ্রিয় গেম ছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না, এটা পকেমন গো এই গেম টাকে ছড়িয়ে গিয়েছিল ডাউনলোডের দিক থেকে। কিন্তু তাদের এই ব্যান এর পেছনে আছে অন্য এক কাহিনি, আগে বলে রাখি লুডু স্টার কিন্তু একটা ইন্ডিয়ান গেম। এটার ডেভেলোপার কিন্তু ইন্ডিয়ান, এরা পাকিস্থানের যত তথ্য ছিল সব ফাঁস করে দেয়। বুঝতে তো আর বাকি নেই ইন্ডিয়া পাকিস্থান যুদ্ধ কোন পর্যায়ে গিয়ে দাড়িয়েছে। তাছড়া লুডু ষ্টারের সব থেকে বেশি চাহিদা ছিল পাকিস্থানে, বলতে পারেন সব দিক থেকে ইন্ডিয়ার বড় একটা সুযূগ ছিল। এরা এটাই কাজে লাগিয়ে দিয়েছে। কিন্তু গুগল তো আর এই সব দেখবে না, তাদের পলিসির বাইরে গিয়েছে এই গেম। সাথে সাথে তারা ব্যান করে দিয়েছে এই গেম টাকে।

 আমরাও কি লুডু ষ্টার থেকে ক্ষতির সম্মুক্ষিন হতে পারি?

হ্যাঁ, কেন না? যদি পাকিস্থানের তথ্য পাচাঁর হতে পারে তাহলে আমাদের টাও হতে পারে। এখন আপনি কি করবেন? আমার পরামর্শ এটাই আপনি আপনার ফেসবুক আইডি টার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন। যদিও আমার মনে হয়না আপনার কোন ক্ষতি হতে পারে, তারপরেও নিজের সুরক্ষা নিজে করে নেয়াই ভাল। এছাড়া তো আমার কাছে কিছুই নেই। তবে এটাই বলবো এবার লুডু ষ্টার বাদ দেন।

পরিশেষে আমি একটাই কথায় বলবো নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন। টেকহিলসে নিয়মিত ভিসিট করুন ও ছোট্ট করে একটা কমেন্ট করে দিন। আপনার কমেন্ট আমাদের আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়।

টেক নিউজ

ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেটিং লাইট কয়েনের, এখনই সময় লাইট কয়েন মাইনিং করার।

বর্তমানে ক্রিপ্টোকারেন্সি যে কত তার হিসাব হয়তো আপনার কাছে নেই। আপনি বা আমি কিন্তু বিট কয়েন নিয়ে অনেক শুনেছি, যা বর্তমানে সব থেকে আলোচনার বিষয়। এর মূল কারণ হিসেবে বলতে পারেন এর মার্কেট প্রাইস ও এর মার্কেট ক্যাপ। বর্তমানে সবথেকে বেশি দাম মাদার অফ ক্রিপ্টো  বিটকয়েনের। কিন্তু আফসোসের কথা হচ্ছে আপনি বা আমি কেউই কিন্তু ইচ্ছা থাকা সত্বেও এই বিট কয়েন কিনতে পারছি না, এর মূল কারণ হচ্ছে এর দাম। যায় হোক যে কথা বলার ছিল সেটা বলি।

লাইট কয়েন
লাইট কয়েন

অনেকে হয়তো লাইট কয়েনের নাম শুনে থাকবেন। এটা হচ্ছে বিট কয়েনের মতই একটা ক্রিপ্টো কারেন্সি, যদিও এর দাম কিন্তু বিট কয়েনের মত এত না। লাইট কয়েনের হিসাব যদি আপনি করে থাকেন তাহলে আজ থেকে ৪-৫ মাস পেছনের মার্কেট ক্যাপ দেখে নিন। তখন সেটা ছিল ৭০ ডলার এখন ১ লাইট কয়েন = ৩৩৭ ডলার। আজ কে লাইট কয়েনের ছুয়েছে ৩৩৭ ডলার যা লাইট কয়েনের ইতিহাসে প্রথম, তাছাড়া এর মার্কেট ক্যাপ টাও লাইট কয়েনের নিজের রেকর্ড ভেঙেছে বর্তমানে এর মার্কেট ক্যাপ হচ্ছে 17,818,600,741 ডলার। বর্তমানে এর সাপ্লাই হয়েছে 54,391,333 টি লাইট কয়েনের। যদি বলে থাকেন সব লাইট কয়েন নিজেও ছুটছে ঝড়ের বেগে।

এখনি লাইট কয়েন সংগ্রহ করুন

এখনি আপনার জন্য সঠিক সময় লাইট কয়েন সংগ্রহ করার, কেননা লাইট কয়েনেও যে বিট কয়েনের মত রাজার আসনে বসতে যাচ্ছে এটা বলার অপেক্ষা রাখে না। বলতে পারেন মাইনিং করার জন্য সঠিক সময় এখন, যদি ভেবে থাকেন এটার দাম তো কমে যেতে পারে। কিন্তু আপনি হয়তো যানেন না ক্রিপ্টো কারেন্সির দাম নির্ভর করে এর মার্কেট ক্যাপ এর ওপর। তাছাড়া আপই যদি চান আপনি ফ্রি তে এই কয়েন কালেক্ট করতে পারেন। Faucethub.io এই ওয়েব সাইট থেকে ফ্রি তে কালেক্ট করতে পারেন। ভয় পাবেন না আমি কোন রেফার লিঙ্ক শেয়ার করিনি। অরজিনাল সাইট শেয়ার করেছি, আর যদি পারেন এই ওয়েব সাইট নিয়ে আরো রিভিউ অনলাইনে অনেক আছে দেখে নিতে পারেন।

সব শেষ কথা হিসাবে আমি এটাই বলতে পারি, আবার যদি আফসোসের মুখ না দেখতে চান এখনি লাইট কয়েন মাইনিং করে রাখুন। এটা শিউর থাকুন এই দিন আর দূরে নেই লাইট কয়েনের দাম আকাশ ছুঁইয়ে দিবে।

অ্যান্ড্রয়েড

শাওমি এমআই এ ১; বাজারে এলো শাওমির নতুন ডিভাইজ।

শাওমি এমআই এ ১
শাওমি এমআই এ ১

শাওমি এমআই এ ১; বাজারে এলো শাওমির নতুন ডিভাইজ।

Xiaomi Mi A1 হল  চীনের তৈরী প্রথম স্মার্টফোন, যার dual-rear camera আছে । প্রায় ছয় মাস আগে চীনা কোম্পানি মাই আই এ 1 এন্ড্রয়েড ওয়ান স্মার্টফোনের জন্য গুগলের সাথে কাজ করতে শুরু করেছে । অ্যান্ড্রয়েড এবং গুগল মিলে নতুন এক ডিভাইস চালু করেছে, যেটা শাওমি এমআই এ-1 এন্ড্রয়েড । শোনা যাচ্ছে, শাওমি এমআই এ ১ ব্যাপকভাবে “created by Xiaomi and powered by Google” এই টাইটেলে ব্যাপকভাবে বাজারজাত করা হচ্ছে । আমরা এম্নিতেই জানি শাওমি কি জিনিস! চায়না আই ফোন বলে হয়ে থাকে এই ডিভাইস টিকে! এর সাথে আবার যুক্ত হয়েছে গুগল মামু! তাইলে বুঝেন, মানুষকে কি পরিমাণ আকৃষ্ট করতে পারে এই ডিভাইস?

এই বছরের শেষ নাগাদ অ্যান্ড্রয়েড 8.0 ওরিও আপডেট করার জন্য ইতিমধ্যেই Mi A1 এর নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে এবং এটি খুব প্রারম্ভিক হলেও, পরবর্তী বছরের অ্যান্ড্রয়েড পি লঞ্চটি ও কিন্তু আপডেটের সময়ের মধ্যে পড়ে । সূতরাং, এই ডিভাইস টা-যে ভালো মার্কেট পাবে তা বোঝায় যাচ্ছে! এর বেশ কিছু ফিচারও রাখা হয়েছে দর্শক দের আকৃষ্ট করার জন্য ।

এই চোখ কপালে তোলা ফিচার গুলোর ব্যাপারে আলোচনা করার আগে, আসেন শাওমি সম্পর্কে একটু ধারনা দেই আগেঃ

শাওমি বা শাওমি ইনকর্পোরেট হচ্ছে একটি প্রাইভেট চীনা ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি ।বর্তমানে এটি বিশ্বের ৪র্থ বৃহত্তম স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান । শাওমির সদর দপ্তর, চীনের বেইজিং এ অবস্থিত । শাওমি ২০১০ সালের ৬ এপ্রিল মোট আটজন সহযোগীর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং ২০১০ সালের ১৬ আগস্ট তারিখে, শাওমি আনুষ্ঠানিকভাবে এর প্রথম অ্যান্ড্রয়েড-ভিত্তিক ফার্মওয়্যার এম,আই,ইউ,আই (MIUI) চালু করে ।  এবং এটি আনুষ্ঠানিক ভাবে বাংলাদেশে বাজারজাত শুরু করে ২০১৬ সালের আগস্টে ।

শাওমির ব্যবসায়ের সবথেকে অভিনব উপায় হল, এটি পন্যের দাম প্রায় তৈরী দামের কাছাকাছি রাখে । যদিও এ ক্ষেত্রে ফোনের গুণগত মান এবং কর্মক্ষমতা অন্যান্য প্রিমিয়াম স্মার্টফোনের তুলনায় কোনও অংশে কম নয় । বরং, দাম অনুপাতে এর মান যথেষ্ট ভাল । ২০১৫ সালে শাওমি ৭০.৮ মিলিয়ন ইউনিট বিক্রি করে এবং কোম্পানিটি স্মার্টফোনের বিশ্ব বাজারের শেয়ারের প্রায় ৫ শতাংশ অধিকার করে নেই । এছাড়া, এমআইটি টেকনোলজি রিভিউ অনুসারে শাওমি ২০১৫ সালের ৫০টি অন্যতম স্মার্ট কোম্পানির তালিকায় ২য় স্থানে রয়েছে ।

তবে উল্লেখ্য, শাওমি ২০১৫ এর ৬ এপ্রিল এমআই ফ্যান ফেস্টিভ্যাল এর মাধ্যমে এর ৫ম জন্মদিন উপলক্ষে, অফার এবং ডিসকাউন্ট সুবিধাসহ একটি অনলাইন শপিং ডে পালন করে । শাওমি তার কাস্টমাদের জন্য সরাসরি পরিচালিত ওয়েবসাইট এমআই ডট কম এর মাধ্যমে ২১,১২,০১০ টি হ্যান্ডসেট বিক্রি করে, যা “২৪ ঘন্টার মধ্যে একক অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সবচেয়ে বেশি মোবাইল ফোন বিক্রির” বিশ্ব রেকর্ড! এবং এই রেকর্ড  গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে স্থান করে নেয় ।

গত বছর মোবাইল ফোনের বাজারে শাওমি এমআই ৫ এন্ড্রয়েড স্মার্টফোন সকলের দৃষ্টি কেড়েছিল । আর এবার এই চীনা কোম্পানিটি নিয়ে এসেছে আরো একটি ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস- শাওমি এমআই এ১ স্মার্টফোন ।

বকবক অনেক করলাম, এবারে চলুন ফিচার কী কী আছে এক নজরে দেখে নেওয়া যাকঃ

লুক এবং ডিজাইনঃ

সংক্ষিপ্তভাবে, Mi A1- র নকশাটি OnePlus 5 এবং Xiaomi Redmi Note 4. এর মধ্যে একটি প্রেমচিহ্ন বলা যেতে পারে । ফোনটির দেখার পর মূলত আপনাকে রেডমী নোট 4-এর কথা মনে করিয়ে দেবে, এতে অবাক হবার কিছু নাই মামা! দু’টোই তো এক গোয়ালের গরু, তাইনা? তবে এটির পিছনে লুক টা অনেকটা OnePlus মত অনেক দেখায় ।

প্রথম নজরে এ, Mi A1 তার minimalistic  প্রিমিয়াম ডিজাইন এবং পুরো মেটাল চ্যাসিস বডিটাই মূলত ইম্প্রেস করবে আপনাকে । ফুল মেটালিক বডির এই স্মার্টফোনটিতে আছে ৫.৫ ইঞ্চি ফুল এইচডি ডিসপ্লে । এটা অন্যান্য শাওমি ডিভাইজ গুলোর তুলনায়, তুলনা মূলক ভাবে স্লিম এবং ব্যবহারে বেশী আরাম দায়ক হবে । খুব বেশী ভারি বা কুব বেশী হালকা করা হয়নি, যতটুকু ওজন হলে হাতে ধরে আরাম পাওয়া যাবে, ততটুকুই ওজন রাখা হয়েছে । ফোনটির ওজন মূলত 165 গ্রাম । এছাড়া, ৫.৫ ইঞ্চির ডিসপ্লে । আপনি এক হাতেই ফোন টি কন্ট্রোল করতে পারবেন ।

পিছনে ফিঙ্গার প্রিন্ট স্কানার অপশন রয়েছে । আপনি এটাও এক হাত দিয়েই কন্ট্রোল করতে পারবে । যখন দরকার, শুধু পকেট থেকে বের করবেন, আর চাপ দিবেন ব্যাস! হয়ে গেল! একটি সাইড বাটন আর ফিঙ্গার প্রিন্ট সেন্সর আপনার ব্যবহার কে নতুন মাত্রা এনে দিবে! নিচে একটি ইউ,এস,বি সি কানেক্টর রয়েছে, এটির সাথে সংযোগ করে আপনি জোরে একটি স্পীকার বাজাতে পারবেন এবং ৩.৫ এমএম জ্যাক লাগাতে পারবেন ।

এই ফোনটি আপনার ফোনের সেটআপের মত পছন্দ অনুযায়ী তার উপর নির্ভর করে ক্যাপাসিটিভ অ্যানড্রয়েড কীগুলি ব্যবহার করছে । তবে, সামগ্রিকভাবে, আমি মনে করি এটি এখন পর্যন্ত মূল্য সেগমেন্টে এটিই সেরা ডিজাইনের Xiaomi ডিভাইস । এটির একটি রিফ্রেশিং নতুন ডিজাইন ল্যাঙ্গুয়েজ রয়েছে, যা আমরা সম্প্রতি Mi Max 2 এর সাথে দেখেছি ।

স্পেসিফিকেশনঃ

Xiaomi Mi A1 একটি অক্টা-কোর কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন 6২5 প্রসেসর দ্বারা পরিচালিত হবে যা আমরা পূর্বে Redmi Note 4 এবং Mi Max 2 এ ব্যবহার হতে দেখেছি । ৪ জিবি র‍্যাম রাখা হয়েছে ডিভাইস টিতে । সেই সাথে আছে ৬৪ জিবি স্টোরেজ এবং একটি মাইক্রোএসডি কার্ড ব্যবহার করে ১২৮ জিবি পর্যন্ত স্টোরেজ বারানো যাবে । অন্যান্য শাওমি ডিভাইজের মতই, Mi A1 একটি হাইব্রিড ডুয়াল সিম ডিজাইন রয়েছে যার মানে আপনি দুটি ন্যানো সিম বা একটি ন্যানো সিম এবং একটি মাইক্রোএসডি কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন ।

এটি অ্যানড্রয়েড 7.1.2 নওগাট অপারেটিং সিস্টেমে চলবে । যা কোনও অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের জন্য পাওয়া নুগ্যাটের সবচেয়ে সাম্প্রতিক বা লেটেস্ট সংস্করণগুলোর একটি । গুগল বলেছে যে Mi A1 ক্রেতাদের ফটো এবং ভিডিওগুলির জন্য সীমাহীন উচ্চ মানের স্টোরেজ থাকবে, যা সমস্ত অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনগুলির মধ্যে থাকা একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য এবং এটি তাদের প্রকৃত মানের আনলিমিটেড ছবি এবং ভিডিও ব্যাকআপের  সুবিধা দিচ্ছে, যেমন তা গুগলের পিক্সেল ফোন গুলতে আছে। এছাড়া এটি নতুন অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ওরিও ৮.০ এও আপডেট করা যাবে ।

ডিসপ্লেঃ

Mi A1 একটি 5.5 ইঞ্চির ফুল এইচডি ডিসপ্লেটিকে 2.5 ডি বাঁকানো গ্লাস, এবং কোর্নিং গরিলা গ্লাস 3 দিয়ে একদম সুরক্ষায় শীর্ষে রেখেছে । ডিসপ্লেটি বেশ উজ্জ্বল এবং টেক্সট এবং ছবি তীক্ষ্ন । ফোনটি একটি পূর্ণ-এইচডি (1080×1920-পিক্সেল) রেজল্যুশন এর ফলে সূর্যের আলোতেও ডিসপ্লে দেখা যাবে । তাই রোদের মাঝেও এখন আপনি রাস্তায় হাটতে হাটতে চ্যাটিং করতে পারবেন ।

ক্যামেরাঃ

Xiaomi Mi A1 এর দ্বৈত ক্যামেরা তার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে একটি । এটি শাওমির প্রথম ডুয়েল ক্যামেরা প্রযুক্তির একটি ফোন । ধারণা করা হচ্ছে বাজারে বিদ্যমান আইফোন ৭ এস বা ওয়ান প্লাস ৫ এর চেয়ে ভালো ছবি তুলবে এই স্মার্টফোনটি । কারন এতে ব্যবহার করা হয়েছে ২টি ডুয়েল ক্যামেরা, যা ১২ মেগাপিক্সেলের। যা কিনা ওয়াইড এঙ্গেল ও টেলিফটো দুটোতেই ভালো মানানসই হবে । এতে ব্যবহার করা হয়েছে ২এক্স অপটিক্যাল লেন্স । আর সেইসাথে সেলফি তোলার জন্য থাকছে ৫ মেগাপিক্সেলের আরেকটি ক্যামেরা । পিছনের ১২ এমপি ওয়াইড-এঙ্গেল লেন্স এবং ১২ এমপি টেলিফো লেন্স রয়েছে যা একসঙ্গে কাজ করবে এবং depth-of-field ইফেক্ট ফেলবে । যেটাকে আমরা মূলত বোকস ইফেক্ট বলি! তাই, এই ফোন ব্যবহারে আপনাকে আর কষ্ট করে ফটোশপ দিয়ে বোকস ইফেক্ট ফেলা লাগবে না! জাস্ট ক্লিক করবেন, একা একাই হয়ে যাবে! তাছাড়া, টেলিফোটো লেন্স এর কারণে আপনি 2x অপটিক্যাল পর্যন্ত জুম করতে পারবেন ।

ব্যাটারিঃ

দীর্ঘ সময় ফোনটি ব্যবহার করার জন্য এতে থাকছে নন-রিমুভেবল ৩০৮০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি । দ্রুত চার্জিং এর জন্য থাকছে ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তি । এর ফলে ব্যবহারকারী রা খুব দ্রুত ফোন চার্জ দিতে পারবে । ৩০৮০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি ফোনটিকে ১৫ ঘন্টার উপর ব্যাক-আপ দিবে ।

আশা করি আপনি ফিচার গুলো বুঝতে পেরেছেন । চলুন এক নজরে আবারও ফিচার গুলো দেখে নেওয়া যাকঃ

১। অক্টা-কোর কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন 6২5 প্রসেসর ।

২। অ্যানড্রয়েড 7.1.2 নওগাট অপারেটিং সিস্টেমে চলবে এবং ওরিও ৮.০ তে আপডেট করা যাবে ।

৩। ৫.৫ ইঞ্চি ডিসপ্লে ।

৪। 1080 x 1920 pixels রিজলেশন ।

৫। ৬৪ জিবি ইন্টারনাল মেমরি । মাইক্রো এসডি দিয়ে ১২৮ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে ।

৬। ডুয়েল সিম ।

৭। ৪ জিবি র‍্যাম ।

৮। ১২ মেগাপিক্সেলের ডুয়েল ক্যামেরা, ৫ মেগাপিক্সেলের ফন্ট ক্যামেরা ।

৯। 2x অপটিক্যাল জুম এবং এল,ই,ডি ফ্ল্যাশ ।

১০। [email protected], [email protected] ভিডিও ফরমেট ।

১১। ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর ।

১২। নন-রিমুভেবল ৩০৮০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি ।

১৩। ফাস্ট চার্জিং টেকনোলজি ।

১৪। তিনটি রঙ-এ ফোনটি পাওয়া যাবে কালো, গোল্ড এবং রোজ গোল্ড ।

১৫। ফোনটির দাম ধরা হতে পারে, ২৪০ ইউরো বা ২৩৪ ডলার মত । যা বাংলাদেশী প্রায় ২০ হাজার টাকার মত ।

এছাড়াও অন্যান্য সাধারণ ফিচার গুলোও আগের মতই বিদ্যমান রয়েছে ।

পরিশেষে, এটাই বলব, বিগত ফোন গুলোর মত শাওমির এই সংস্করণটাও ভাল ব্যবসা সফল হবে বলে আশা করতে পারি । এটা যে আহামরি কোন বিশেষ বিশেষ ফিচার রেখেছে, তাও কিন্তু না! ‘মানে কেটে যায়’ ব’লে একটা কথা আছে না? এ ক্ষেত্রেও তাই! কম মূল্যে ভাল ফিচারের জন্য শাওমির তুলনা হয়না! সেইসাথে এবার গুগলের মত কোম্পানি যৌথ ভাবে ফোনটি বানিয়েছে । তাই, অনেকটা নামে পরেও মানুষ এই ফোনের দিকে ঝুকে পরবে! ফোনটি আসলে ব্যবহারে কেমন হবে, তা ব্যবহার করার পরেই জানা যাবে! আর সেই জন্য বাজারে ফোনটি আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করাই লাগবে! যায়হোক, মিঃ শাওমি, শুভকামনা রয়লো আপকামিং ফোনের জন্য ।

আরও পড়তে পারেনঃ

Add your widget here