কিভাবে

ওয়েব ব্রাউজার কী?

আপনি একটি ওয়েব ব্রাউজারে এই আর্টিকেল টি পড়ছেন। যা আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনে ইনস্টল করা আছে। ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে আপনি ইন্টারনেটে তথ্য পড়তে পারেন।

তবে, আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন? ওয়েব ব্রাউজার কী? ব্রাউজার কীভাবে কাজ করে? ওয়েব ব্রাউজারের কার্যকারিতা কী? ব্রাউজারের সংজ্ঞা কী? একটি ব্রাউজারে কাজগুলি কি কি?

আপনিও যদি ওয়েব ব্রাউজার সম্পর্কিত উপরের লিখিত প্রশ্নের উত্তর জানতে এখানে এসে থাকেন তবে আপনি হতাশ হবেন না। কারণ এই নিবন্ধটি কেবল আপনার জন্য লেখা হয়েছে। এই নিবন্ধে, আমরা আপনাকে ওয়েব ব্রাউজার সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দিচ্ছি।

সহজে বুঝতে ইন্টারনেট ব্রাউজারের বিষয়টিকে নিম্নলিখিত অংশগুলিতে বিভক্ত করা হয়েছে। আপনি যে প্রশ্নের উত্তর জানতে চান তাতে ক্লিক করুন। আপনি সেখানে পৌঁছে যাবেন।

ওয়েব ব্রাউজার কী? ওয়েব ব্রাউজারটি কী?

ওয়েব ব্রাউজার একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম, যা ব্যবহারকারীদের জন্য ইন্টারনেটে ওয়েবপৃষ্ঠাগুলি অনুসন্ধান করে মানব ভাষা অনুবাদ করে। এই ওয়েবপৃষ্ঠাগুলিতে থাকা তথ্যের মধ্যে গ্রাফিক্স, মাল্টিমিডিয়া, ওয়েব প্রোগ্রাম এবং সাধারণ পাঠ্য রয়েছে। একটি ব্রাউজার ওয়েব মানকগুলির উপর ভিত্তি করে ওয়েবপৃষ্ঠাগুলি থেকে ডেটা আনে। গুগল ক্রোম একটি জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার।

আপনি যদি আরও সহজভাবে বলেন, ব্রাউজারগুলি ইন্টারনেটে ওয়েবসাইটগুলি অনুবাদ করার জন্য কাজ করে।

অনেক ধরণের তথ্য একটি ওয়েবসাইটে পাওয়া যায় যা ব্রাউজার নিজেই পড়ে এবং ব্যবহারকারীকে বোঝার মতো একটি ভাষাতে প্রদর্শন করে। কারণ এই ওয়েবসাইটগুলি তৈরি করতে অনেকগুলি ভাষা ব্যবহৃত হয় যা একটি সাধারণ ব্যবহারকারী বুঝতে পারে না।

ওয়েবে উপলব্ধ ওয়েব সংস্থানগুলি হাইপারটেক্সট মার্কআপ ল্যাগোয়েজস (এইচটিএমএল) 

ব্রাউজারের ইতিহাস – ওয়েব ব্রাউজারগুলির ইতিহাস

এটা 90s এর দশক। মিঃ টিম বার্নার্স লি কম্পিউটারে তথ্য ভাগ করে নেওয়ার পদ্ধতিতে কাজ করছিলেন। হাইপারলিঙ্কস দিয়ে তিনি এই কাজটি সহজ করেছিলেন । হাইপারলিঙ্ক এইচটিএমএল ল্যাঙ্গুয়েজের কমান্ড command।

তিনি অন্য কম্পিউটারে একটি কম্পিউটারে তথ্য পেতে এইচটিএমএল ভাষা তৈরি করেছিলেন। এইচটিএমএল স্পেশাল কমান্ডে লেখা হয়। এই বিশেষ কমান্ডগুলি ” এইচটিএমএল ট্যাগস ” নামে পরিচিত।

এখন সমস্যাটি হ’ল সকলেই এই ট্যাগগুলি বুঝতে পারে না। তারপরে তিনি এমন একটি প্রোগ্রাম তৈরি করেছিলেন যা এইচটিএমএল ট্যাগগুলি বোঝে।

এই প্রোগ্রামটি এইচটিএমএল ট্যাগ পড়তে এবং ব্যবহারকারীর সামনে কেবল তথ্য প্রদর্শন করতে ব্যবহৃত হয়। এটি তথ্য ভাগ করে নেওয়া এবং পড়া খুব সহজ করে তুলেছে।

টিম বার্নার্স লি তার প্রোগ্রামটির নাম রেখেছিলেন ” ব্রাউজার “। যা আজ আমরা ওয়েব ব্রাউজার হিসাবেও জানি। এইভাবে, বিশ্বের প্রথম ব্রাউজারটি 1991 সালে সম্পূর্ণ হয়েছিল। প্রথম ওয়েব ব্রাউজারটির নাম দেওয়া হয়েছিল ” WWW “। ডাব্লুডাব্লুডাব্লু মানে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব।

ইন্টারনেটে সামগ্রীর সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য, অবস্থান (একটি সাধারণ কম্পিউটার) বা ঠিকানা (এই কম্পিউটারের নাম) প্রয়োজন।

আপনি এই অবস্থান বা ঠিকানাটি URL এর নামে জানেন । URL টিতে একটি সম্পূর্ণ ফর্ম ইউনিফর্ম রিসোর্স অবস্থান রয়েছে ।

যে কোনও ইউআরএলের দুটি অংশ রয়েছে। প্রথম অংশটি হ’ল প্রোটোকল (কম্পিউটারগুলির মধ্যে তথ্য বিনিময়ের জন্য স্ট্যান্ডার্ড) এবং দ্বিতীয় অংশটি ডোমেন নেম ।

আমরা ব্রাউজারের মাধ্যমে এই ইউআরএলগুলি অ্যাক্সেস করতে পারি। এই URL গুলির সামগ্রীটি এইচটিএমএল ডকুমেন্ট বা ওয়েবপৃষ্ঠা আকারে।

এই নথিগুলি বিশেষ এইচটিএমএল কমান্ড দ্বারা লিখিত হয়েছে। ব্রাউজারগুলি এই বিশেষ কমান্ডগুলি (এইচটিএমএল ট্যাগগুলি) পড়ে এবং সেগুলি ব্যাখ্যা করে, তারপরে আমাদের সামনে তথ্য প্রদর্শন করে।

এইভাবে আমরা বলতে পারি যে প্রথম ব্রাউজারটি ওয়েব ঠিকানায় যায়। তারপরে সেই ওয়েব ঠিকানায় সামগ্রীটি পড়ে এবং বোঝে। এর পরে, এটি ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছে যায়।

সমস্ত ব্রাউজারের কার্যকারিতা একই। কারণ ব্রাউজারগুলিতে উপস্থিত ডেটা রেন্ডারিং ইঞ্জিনগুলি কেবলমাত্র নির্দিষ্ট ওয়েব মানের ভিত্তিতে ওয়েব সংস্থানগুলি আনে । অতএব, ওয়েবে একটি মড্যালিটি রয়ে যায়।

তুমি কি শিখেছ?

এই নিবন্ধে, আমরা আপনাকে ওয়েব ব্রাউজার সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দিয়েছি। আপনি কি জানতেন ব্রাউজার কী? ব্রাউজার কীভাবে কাজ করে? আপনি ব্রাউজারের ইতিহাসও জানেন। এই ব্রাউজার গাইডটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন যাতে তারাও ইন্টারনেট ব্রাউজারের সাথে পরিচিত হয়। আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি জিজ্ঞাসা করতে এবং মন্তব্য করতে পারেন।

কিভাবে

কীভাবে অন্যের কম্পিউটারের ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড জানবেন ?

আজকের সময়ে এমন কেউ নেই যে ইন্টারনেট  ব্যবহার করে না, এমন একটি সময় ছিল যখন মানুষ ইন্টারনেট সম্পর্কে কিছুই জানতো না, তবে আজকাল আপনি দেখতে পাচ্ছেন যে মানুষের হাতে স্মার্ট ফোন রয়েছে এবং তারা যখনই চান তখনই  ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন।

সিম অপরেটর এর ডেটা প্যাক খুব ব্যয়বহুল হওয়ার কারণে লোকেরা তাদের বাড়িতে ওয়াইফাই ইনস্টল করে থাকেন । আবার এমন ও  অনেক লোক রয়েছে যারা  অন্যের ওয়াইফাইটির পাসওয়ার্ড জানার চেষ্টা করে যাতে ইন্টারনেট বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারে ।   ফ্রি ইন্টারনেট কে না চাই ? একারনে কিছু লোক ছলে বলে কৈশলে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডটি জানার চেষ্টা করেন কিন্তু যথেষ্ট জ্ঞান না থাকার কারনে তারা ব্যার্থ হয়ে থাকেন ।

কীভাবে অন্যের কম্পিউটারের ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড জানবেন ?

অনেক সময় আমরা নিজেরাই আমাদের ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডটি ভুলে যাই এবং আমরা মনে করতে পারি না, তাই আজকের আর্টিকেলস এ  আমরা জানবো  কীভাবে সংযুক্ত ওয়াইফাইটির পাসওয়ার্ড বের করা যায়।  আজকের এই পোস্টটি সম্পূর্ন পড়লে শিখতে পারবেন কিভাবে  আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ সিস্টেম এর   ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড পাবেন । 

অনেক সময় একটি বিষয় ঘটে যে আমাদের কম্পিউটার বা মোবাইল মোবাইলে যে ওয়াইফাই সংযুক্ত রয়েছে সেই ওয়াইফাইটির পাসওয়ার্ড  আমরা ভুলে যাই । 

সুতরাং আপনি কম্পিউটারের সংযুক্ত ওয়াইফাই   সহজেই ব্যবহার করতে পারেন। আপনি সহজেই পাসওয়ার্ডটি জানতে পারবেন।

আপনি যদি ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড হ্যাক করার  কথা ভাবছেন? তবে বলে রাখি এটি এত সহজ নয়, এর জন্য আপনাকে পেশাদার হ্যাকার হতে হবে।  তবেই আপনি ওয়াইফাই হ্যাক না করে ও ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু সেই ওয়াইফাই টি আগে থেকেই একবার হলেও সং যুক্ত করা থাকতে হবে  । আপনি ওয়াইফাইয়ের পাসওয়ার্ডটি সহজেই জানতে পারবেন এবং এর জন্য দুটি সহজ উপায় রয়েছে, যাতে আপনি ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডটি জানতে পারেন।

তবে আসুন এই দুটি উপায় জেনে নিই, কীভাবে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড বের করতে হয় ।  বাংলা ভাষায় শিখুন কম্পিউটার ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড কীভাবে বের করবেন।

যে কোন কম্পিউটারে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড কীভাবে জানবেন ?

  • কম্পিউটারে সংযুক্ত ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড জানার দুটি সহজ উপায় রয়েছে, একটি হল আপনি কমান্ড প্রম্পটের সাহায্যে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডটি জানতে পারবেন।
  • এবং অন্য উপায়টি হল কন্টোলপানেল থেকে ওয়্যারলেস সেটিং এর  সাহায্যে আপনি সেভড ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডও জানতে পারবেন।

আসুন কীভাবে তা জেনে নেওয়া যাক 

কমান্ড প্রম্পট থেকে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড সন্ধান করুন

1. কমান্ড প্রম্পট ওপেন করুন  

কম্পিউটার বা ল্যাপটপের  পাসওয়ার্ড জানতে  আপনার সিস্টেমে কমান্ড প্রম্পটটি খুলুন। এর জন্য কীবোর্ডের শর্টকাটের Start  বোতামটি ক্লিক করুন এবং তারপরে cmd টাইপ করুন এবং enter  ক্লিক করুন, এটি আপনার কম্পিউটারে কমান্ড মোডটি খুলবে। এর পরে, আপনি এতে কমান্ড লিখতে পারবেন।

  • কীবোর্ডে উইন্ডো + আর বোতাম টিপুন এখন সিএমডি টাইপ করুন এবং ঠিক আছে ক্লিক করুন।
  • এখন কীবোর্ডে Start  বোতামটি ক্লিক করুন
  • এখন  cmd টাইপ করুন এবং enter  ক্লিক করুন
  • এখন কমান্ড টাইপ করুন

2. এখন নীচের কমান্ডটি টাইপ করুন

কমান্ড মোডটি উন্মুক্ত হওয়ার সাথে সাথে আপনাকে netsh wlan show profiles টাইপ করতে হবে তারপর  (wifi name key =?  ) কমান্ডে টাইপ করতে হবে  । মনে রাখবেন যে আপনাকে নামের জায়গায় আপনার wifi টির নামটি প্রবেশ করতে হবে এবং তারপরে এন্টার টিপুন।

৩. এখন security settings এ Key element অনুসন্ধান করুন

আপনি এই কমান্ড টাইপ করার সাথে সাথে এন্টার টিপুন, এর পরে কীবোর্ডে, আপনি কমান্ডটিতে আরও অনেকগুলি তালিকা পাবেন, তারপরে আপনাকে এটিতে স্ক্রোল করতে হবে ।  সেখানে একটি পাসওয়ার্ড সেটিংস লেখা আছে, তবে একই বিকল্পে আপনি মূল পাসওয়ার্ডটি  খুঁজে পাবেন সামনে যা লেখা আছে । এভাবে  আপনার কম্পিউটারের সংযুক্ত ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড বের করতে পারবেন।

সুতরাং এইভাবে, আপনি কমান্ড প্রম্পটে কমান্ডটি টাইপ করে আপনার কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ওয়াইফাই এর পাসওয়ার্ড খুব সহজেই বের করতে পারেন।

কন্টোলপানেল থেকে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড বের করার নিয়ম কি?

1. কম্পিউটারে কন্ট্রোল প্যানেল খুলুন

আপনি যদি কোনও সংযুক্ত ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড অর্থাত্ ওয়াইফাই এর পাসওয়ার্ড জানতে চান, তবে এর জন্য আপনাকে কম্পিউটার কন্ট্রোল  প্যানেলে অনুসন্ধান করতে হবে এবং এটি খুলতে হবে।  এর জন্য আপনি কীবোর্ডের উইন্ডোর বোতামটি টিপুন এবং কন্ট্রোল প্যানেল খুলুন

২. এবার নেটওয়ার্ক এবং শেয়ারিং সেন্টারে ক্লিক করুন

কন্ট্রোল প্যানেলটি খোলার সাথে সাথেই এখন আপনাকে নেটওয়ার্ক এবং শেয়ারিং সেন্টারে ক্লিক করতে হবে, যদি আপনি এই বিকল্পটি উপায় না দেখে থাকেন তবে উপরের ডানদিকে ক্লিক করুন এবং নেটওয়ার্ক এবং শেয়ারিং এ ক্লিক করুন। যদি এই সেটিংস না দেখতে পান তাহলে আইকন গুলো বড়ো করে নেন ।

৩. এখন সংযুক্ত ওয়াইফাই-এ ক্লিক করুন

এখন আপনি ওয়াইফাই বিকল্পটি দেখতে পাবেন যা আপনার কম্পিউটারের সাথে নেটওয়ার্ক এবং শেয়ারিং সেন্টারের বিকল্পে সংযুক্ত রয়েছে, তারপরে আপনাকে এটিতে ডাবল ক্লিক করতে হবে এবং তারপরে আপনাকে কানেকশন এর ওয়াইফাই এর উপর ক্লিক করতে হবে এবং  এর সাহায্যে আপনি ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড জানতে পারবেন।

  • Wi-Fi নেটওয়ার্কে ক্লিক করুন
  • এখন ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক প্রোপাটিস এ ক্লিক করুন

৪. এখন সিকিউরিটিতে ক্লিক করুন এবং শো অক্ষরের টিক চিহ্ন দিন

ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক প্রোপাটিস এ ক্লিক করার সাথে সাথেই  আপনাকে সিকুরিটি অপশনে ক্লিক করতে হবে, এর পরে আপনি এটিতে শো কারেকটার এ ক্লিক করুন, তারপরে আপনি আপনার কম্পিউটারের সাথে ওয়াইফাই এ সংযুক্ত থাকা পাসওয়ার্ড দেখতে পারবেন। 

  • সিকিউরিটিতে ক্লিক করুন
  • এখন শো কারেকটার এ টিক দিন
  • এখন পাসওয়ার্ড দেখুন

সুতরাং এইভাবে আপনি একটি কমান্ড মোডের সাহায্যে এবং ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক এবং শেয়ারিং সেন্টারের সাহায্যে কম্পিউটারে সংযুক্ত ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডটি খুঁজে পেতে পারবেন।

এই পদ্ধতিটি সর্বোত্তম এবং এর জন্য আপনার কোনও ধরণের সফটওয়ার লাগবে না। আপনি আপনার কম্পিউটারে সফটওয়্যার ছাড়া ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডও জানতে পারবেন এই মাথোড ব্যবহার করে ।  তবে এর জন্য কম্পিউটারে ওয়াইফাই আগে থেকেই সংযুক্ত থাকা প্রয়োজন তবেই আপনি পাসওয়ার্ডটি জানতে পারবেন।

সর্বশেষে বলে রাখি যে কোন ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড হ্যাক করার জন্য আপনাকে একজন প্রফেশনাল হ্যাকার হওয়া লাগবে  এবং কালি  লিনাক্স অপরেটিং  সিস্টেম সম্পর্কে যথেষ্ঠ জ্ঞান থাক লাগবে।

বিঃদ্রঃ যে কোন ধরনের হ্যাকিং আইনতদন্ডনীয় অপরাধ তাই  এগুলো থেকে দূরে থাকা উচিত।

কিভাবে

র‍্যাম কি? র‍্যাম কিভাবে কাজ করে?

পাবজি খেলবো কিন্তু ফোনের র‍্যাম ১ জিবি, আহা কি ঝামেলা দেখুন তো। এখন আবার ফোনের র‍্যাম বাড়াতে, নতুন RAM কিনতে হবে। র‍্যাম কথা টার সাথে তো আমরা সবাউ কম বেশি পরিচিত। কিন্তু RAM কি? আবার DD3, DD4, DD5 এই সব র‍্যাম গুলো কি তা কিন্তু আমরা কেও তেমন ভাবে জানি না। আপনি র‍্যাম নিয়ে না জেনে থাকেন তাহলে আমাদের এই আর্টিকেল টি পড়ুন। আপনার সকল প্রশ্নের সমাধান করে দিব এই একটি আর্টিকেলের মাঝেই।

RAM কি

র‍্যাম হচ্ছে তড়িৎ মেমোরি। যা ক্ষনস্থায়ী, আপনি যখন আপনার কম্পিউটার বা মোবাইলে কোন কাজ করবেন তখন সেই কাজের জন্য যে মেমোরির প্রয়োজন পরে সেটা করে র‍্যাম করে। আপনি যতক্ষণ কাজ করবেন না, ততক্ষন আপনার র‍্যাম কাজ করবে না। বলতে পারেন অনেক টা আপনার আমার ক্ষনস্থায়ী মেমোরির মত। একটা উদাহরণ দেই তাহলে আরো ভাল ভাবে বুঝবেন, মনে করুন আপনি পানি খাবেন, আপনার কাছে বোতল আছে। পানি বোতলে ভরে খেয়ে নিলেন। আবার যদি ঠান্ডা কিছু খেতে মন চাই সেটাও খেতে পারবেন বোতলে ভরে। এই বোতল টাই হচ্ছে RAM। আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল র‍্যাম কে ইচ্ছা অনুযায়ী ব্যবহার করে। তাই বেশি পানি খেতে চাইলে বোতল বড় করেন নাহলে আর পাবজি খেলা যাবে না। :p

কিছু প্রয়োজনীয় উইন্ডোজ কমান্ড, যা সম্পর্কে আপনার জানা উচিৎ।

RAM এর কাজ কি

আমাকে যদি র‍্যাম নিয়ে কথা বলতে দেওয়া হয় তাহলে আমি বলবো র‍্যাম হচ্ছে এই পৃথীবির সব থেকে থেকে নিরিহ জীব। যদিও এটা বস্তু। কেননা আমরা তাকে ব্যবহার করি কিন্তু তাকে মনে রাখি না। কেমন করে ব্যবহার করি শুনবেন? শুনুন তাহলে জীবনে কোন কিছু কপি করেছেন? যদি না করে থাকেন তাহলে করেন তো একটু। এই লেখা টা কপি করে পেস্ট করেন। কি করেছেন তো? আপনি যে কপি করলেন তো লেখা টা কোথায় কপি ছিল? আপনি কি মেমোরিতে কপি করছিলেন নাকি, করছিলেন তো ক্লিপ বোর্ডে। তাহলে এই লেখা টা কপি অবস্থায় ছিল কোথায়? হুম, সে র‍্যামেই ছিল। আপনি র‍্যামকে ভুলে যেতে পারেন র‍্যাম আপনাকে ভুলেও ভুলে যাচ্ছে না। আর এটাই র‍্যামের কাজ। আপনার কম্পিউটার বা মোবাইলের যত সফটওয়্যার জনিত কাজ তার মেমোরি এই র‍্যাম প্রদান করে। তাই র‍্যাম কে ভালবাসুন। আর আপনি একজন গেমার হয়ে থাকলে র‍্যাম কে দুদু খাওয়ান আর এর পুষ্টি বাড়ান। :p

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

 

ram এর প্রকারভেদ

র‍্যাম কি
র‍্যাম কি

র‍্যাম কিন্তু অনেক ধরণের হয়ে থাকে, যেমন, ৪ জিবির DDR3 র‍্যাম হয় আবার ৪ জিবির DDR4 র‍্যাম হয়। কিন্তু র‍্যামের প্রকারভেদ কিন্তু এই গুলো র‍্যাম সাধারণত হয়ে থাকে ৬ ধরণের

ড্রোন কি? ড্রোন কিভাবে কাজ করে? বিস্তারিত জানুন

    • Static RAM (SRAM)
    • Dynamic RAM (DRAM)
    • Synchronous Dynamic RAM (SDRAM)
    • Single Data Rate Synchronous Dynamic RAM (SDR SDRAM)
    • Double Data Rate Synchronous Dynamic RAM (DDR SDRAM, DDR2, DDR3, DDR4)
  • Graphics Double Data Rate Synchronous Dynamic RAM (GDDR SDRAM, GDDR2, GDDR3, GDDR4, GDDR5)

আমরা RAM বলতে যা বুঝি তা হচ্ছে Double Data Rate Synchronous Dynamic র‍্যাম কে। কিন্তু এই গুলো ছাড়াও আরো অনেক র‍্যাম আছে। এখন জানবো এই সকল র‍্যামের বিস্তারিত।

Static RAM (SRAM)

Static RAM (SRAM) প্রথম মার্কেটে আসে ১৯৯০ সালে যা এখনো বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স প্রোডাক্টে ব্যবহার করা হয়। যেমন ধরুন ডিজিটাল ক্যামেরা, রাউটার, পিন্টার ইত্যাদি তে। এই র‍্যাম গুলো সাধারণত কোন ডাটা স্টোর করে রাখে না। তাই রিফ্রেশ করার কোন ঝামেলা নাই। মূলত এই কারণেই একে স্ট্যাটিক র‍্যাম বলা হয়ে থাকে। এটা হচ্ছে ব্যাসিক একটা র‍্যাম।

Dynamic RAM (DRAM)

যে ২ টি ব্যাসিক RAM আছে তার মাঝে আরেক টি হচ্ছে এই DRAM. এটা মার্কেটে আসে ১৯৭০এ ও ১৯৯০ এর মাঝামঝি সময়ে এর ব্যবহার বন্ধ হয়ে যায় । এই র‍্যাম গুলো কাজ করার জন্য রিফ্রেশের প্রয়োজন পরে। ভিডিও গেম কনসোল, নেটওয়্যার্ক হার্ডওয়্যার ইত্যাদিতে এই র‍্যাম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই র‍্যাম গুলো ডাকা স্টোর করে রেখে দিতে পারে। কিন্তু বিদ্যুত প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলেই এই র‍্যামের সকল স্টোর করা তথ্য গায়েব হয়ে যাবে। মানে আমাদের কম্পিউটারের র‍্যাম হচ্ছে এক ধরণের DRAM।

Synchronous Dynamic RAM (SDRAM)

SDRAM মার্কেটে আসে ১৯৯৩ সালে ও যা এখন পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই RAM গুলো সাধারণত কম্পিউটার ও ভিডিও গেম কনসোলে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই র‍্যাম আসার পর থেকেই DRAM এর ব্যবহার শেষ হয়ে যায়। কিন্তু নাম দেখেই তো বুঝতে পারছেন SDRAM হচ্ছে DRAM এর একটি নতুন সংস্করণ। এই র‍্যাম গুলো সিপিইউ এর সাথে সিঙ্ক হয়ে কাজ করে। আর এই কারণেই এটা খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠে।

Single Data Rate Synchronous Dynamic RAM (SDR SDRAM)

SDR SDRAM হচ্ছে SDRAM এর আরেকটি ভার্শন। আমরা সাধারণ যেসকল র‍্যাম গুলো ব্যবহার করে থাকি সেই র‍্যাম গুলোর প্রথম ধাপ আপনি এটাকেই বলতে পারেন। একে আপনি DDR র‍্যাম বলেও ডাকতে পারে। যদিও DDR SDRAM হচ্ছে 2nd genaration SDR SDRAM কিন্তু এটাকে SDR SDRAM না বলে DDR SDRAM হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। এই র‍্যাম গুলো সাধারনত ব্যবহার করা হয়ে থাকে কম্পিউটারে ও ভিডিও গেম কনসোলে। এটিও প্রথম মার্কেটে আসে ১৯৯৩ সালে, যা এখন পর্যন্ত চলছে।

Double Data Rate Synchronous Dynamic RAM (DDR SDRAM)

DDR SDRAM আমরা এখন যেসকল র‍্যাম ব্যবহার করে থাকি তার সব গুলোই এই ধরের র‍্যামের মাঝেই পরে থাকে। ২০০০ সালে এই র‍্যাম প্রথম মার্কেটে আসে, যা এখন পর্যন্ত চলছে। এই র‍্যাম সবথেকে বেশি ব্যবহার করা হয় কম্পিউটারে। আমরা যেসকল DDR2, DDR3, DDR4 র‍্যাম চিনে থাকি তার সব গুলোই এই র‍্যামের আওতাভুক্ত।

DDR2 হচ্ছে DDR SDRAM এর পরবর্তী ভার্শন। এই র‍্যামেই প্রথম ডাবল ডাটা রিড ও রাইট করার মত ফিচার নিয়ে আসা হয়। এটা অন্যান্য র‍্যামের থেকে অনেক বেশি ফাস্ট হয়েছিল কেননা এটা অনেক ক্লক স্পিডে রান করতে পারতো। DDR যেখানে ছিল সর্বোচ্চ ২০০ মেগা হার্জ DDR2 ছিল ৫৩৩ মেগা হার্জের। কিন্তু মাত্র 1.8 ভোল্টেজেই চলতো এই র‍্যাম। এর পিনের সংখ্যা ২৪০ টি।

DDR3 SDRAM হচ্ছে DDR2 SDRAM এর পরের ভার্শন। এই র‍্যামে তেমন কোন আলাদা ফিচার নেই। কিন্তু এটা DDR2 র‍্যামের থেকেও অনেক ফাস্ট ছিল। কেননা এটি ছিল ৮০০ মেগা হার্জের থেকেও বেশি।

তাছাড়া এটিতে ছিল ওভার ক্লক করার সুবিধা। কিন্তু এটিতে সমান পরিমান পিন আছে DDR2 এর মতই।

DDR4 SDRAM হচ্ছে DDR3 SDRAM এর পরের ভার্শন। এটা বাকি সকল র‍্যামের থেকে অনেক গুনে বেশি ফাস্ট। এটাতে যেমন আছে অনেক বেশি মেমোরি, তেমনি এটি মাত্র 1.2 ভোল্টের। এটি সর্বোচ্চ ১৬০০ এর উপরে মেগাহার্জ সম্পন্ন। সাথে এটাতে ব্যবহার করা হয়েছে ২৮৮ টি পিন বলতেই পারেন এটা অন্যান্য র‍্যামের তুলনাই অনেক গুনে বেশি ফাস্ট।

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

Graphics Double Data Rate Synchronous Dynamic RAM (GDDR SDRAM)

আমরা GPU এর কথা তো সবাই জানি। হ্যাঁ, আমাদের গ্রাফিক্স কার্ডে যে সকল র‍্যাম ব্যবহার করা হয় সেই গুলোই হচ্ছে GDDR SDRAM। এটি প্রথম মার্কেটে আসে ২০০৩ সালে। জানা কথাই যে এটি গ্রাফিক্স কার্ডে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এখন কিছু কিছু ট্যাবলেটেও এই র‍্যাম ব্যবহার করা হয়। এটাও SDRAM র‍্যামের একটা ডাল বলতে পারেন। কিন্তু এটিকে বানানো হয়েছে বিশেষ করে ভিডিও রেন্ডারিং এর জন্য।

বেসিক কম্পিউটার নিরাপত্তাঃ কিভাবে ভাইরাস, হ্যাকার এবং চোর থেকে নিজের কম্পিউটারকে রক্ষা করবেন?

Mobile ram এর কাজ কি

আপনার কম্পিউটার যেমন র‍্যামের প্রয়োজন রয়েছে ঠিক তেমনি ভাবে আপনার মোবাইল ফোনেও র‍্যামের প্রয়োজন রয়েছে। বর্তমানে আপনার ফোনে যত বেশি র‍্যাম হবে তত বেশি আপনার জন্যই ভাল। কেননা বর্তমানে ফোনের এপস গুলো বেশি আপডেট হয়ে গেছে। সেই কারণে এই সকল এপস গুলোর ডাটা রাইট ও রিড করার জন্য RAM বেশি ব্যবহার হয়। কিন্তু আপনার ফোনে যদি র‍্যাম বেশি না থাকে তবে আপনার ফোনে বেশি এপস বা টাস্ক আপনি রান করাতে পারবেন না। তাছাড়া আপনি বা আমি যেসকল এন্ড্রোয়েড ফোন ব্যবহার করি, সেই ফোন গুলো লিনাক্স কার্নেলের ওপর ভিত্তি করে বানানো। আর এই কার্নেলে বেশির ভাগ ফাইল রান হওয়ার সময় ডি-কম্প্রেস হয়ে রান হয়। যার পুরোটাই র‍্যামের ওপর প্রোসেস হয়। এছাড়া আপনি বা আমি যেসকল গেম খেলি তার জন্য কিন্তু GPU এর প্রয়োজন কিন্তু ফোনে GPU না থাকাই র‍্যামকেই GPU হিসাবে ব্যবহার করা হয়। যদিও বর্তমানে কিছু ফোনে GPU ব্যবহার করতে দেখা গেছে। যদিও সেটা সংখ্যার দিক থেকে অনেক কম। এছাড়াও র‍্যামের ব্যবহার আপনার সেল ফোন সিগনালেও লক্ষ করা যায়। সামনে যে ৫ জি ফোন গুল্যো আসছে তার জন্য আপনার ফোনের র‍্যাম অবশ্যয় বৃদ্ধি পাবে। বলতে পারেন র‍্যাম যত বেশি হবে আপনার জন্য তত ভাল। দিন যত বৃদ্ধি পাবে কম র‍্যামের ফোন গুলোকে বাতিল বলে গন্য করা হবে। তাই বেশি র‍্যামের ফোন কিনুন ও কিছু বছর নিশ্চিতে থাকুন। ফোনের RAM বাড়ানোর চিন্তা করেন না, কেননা শুধু মাত্র কম্পিউটারের র‍্যাম বাড়ানো যায়, ফোনের র‍্যাম না। যদিও কিছু এপস আছে RAM বাড়ানোর কিন্তু এইসব ধান্দা বাজি করে নিজের ফোনের গুষ্টি উদ্ধার করবেন না।

ড্রোন নিয়ে কিছু মজার প্রশ্ন ও উত্তর পর্বঃ১

শেষ কথা

র‍্যামের গুরুত্ব হয়তো বুঝতে পেরেছেন। তাই বলে রাখি বেশি RAM যুক্ত ফোন কিনুন। এতে আপনার ক্ষতি নাই বরং লাভের পাল্লা বেশি। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। র‍্যাম নিয়ে যা যা জানা আপনার প্রয়োজন তা জানানোর চেষ্টা করেছি। চেষ্টা করেছি র‍্যাম নিয়ে সকল ছোট ছোট বিষয় গুলো তুলে ধরবার। যে কোন ধরণের হেল্পের জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। আমাদের গ্রুপের লিংক

 

কিভাবে

কিভাবে আপনার ইকো শো এর উজ্জ্বলতা ও এলার্ম ভলিউম পরিবর্তন করবেন?

ইকো শো (ছবিঃ প্রতিকি অর্থে)
ইকো শো (ছবিঃ প্রতিকি অর্থে)

কিভাবে আপনার ইকো শো এর উজ্জ্বলতা ও এলার্ম ভলিউম পরিবর্তন করবেন?

ইকো শো হল অ্যামাজনের সবচেয়ে লেটেস্ট স্মার্ট হোম ডিভাইস যার সাথে আপনার বাড়ির অন্যান্য সব ইলেক্ট্রনিকস ডিভাইস কানেক্টেড থাকে। এটি দেখতে অনেকটা পুরোনো দিনের টেলিভিশনের মত। কিছুদিন আগে অ্যামাজনের এই ডিভাইস টি বাজারে এনেছে। এর আছে ৭ ইঞ্চি টাচস্ক্রীন এবং ৫ মেগাপিক্সেল ক্যামেরাযুক্ত- অ্যামাজনের অ্যাওয়ার্ড জেতা ইকো স্পীকার যা আপনার বাড়িতে একটি স্মার্ট হোম ডিভাইস হিসেবে কাজ করতে পারে। সূতরাং আপনি নিশ্চয় চায়বেন যে, আপনার বাড়ির সবাই এটি দেখতে এবং এর সাউন্ড শুনতে পাক। তাই কিভাবে এর উজ্জলতা এবং ভলিউম সামঞ্জস্বপূর্ণ রাখতে হয় তার টিপস এখানে দেওয়া হল।

কিভাবে পিসিতে ব্রাউজার বুকমার্ক, এক্সটেনশান ও অন্যান্য ডেটা সিঙ্ক করবেন?

ব্রাইটনেস বা উজ্জ্বলতা পরিবর্তন করুনঃ

ইকো শো নেভিগেশন উজ্জ্বলতা বা ব্রাইটনেস পরিবর্তন করা অতি সহজ ব্যাপার। দ্রুত শর্টকাটগুলির একটি সংগ্রহ দেখতে; স্ক্রীনের উপরের দিক থেকে নীচে সোয়াইপ করুন।(স্মার্ট ফোনে আমরা শর্টকাট গুলো যেভাবে পাই, ঠিক সেভাবেই) উজ্জ্বলতা স্তর সামঞ্জস্য করতে brightness বাম এবং ডান দিকে সোয়াইপ করতে থাকুন এবং অতঃপ আপনার পছন্দ মত ব্রাইটনেস সিলেক্ট করে রাখুন।

ইকো শো- রুমে আলোর উপর ভিত্তি করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজের উজ্জ্বলতা সামঞ্জস্য করবে। এই বৈশিষ্ট্যটি কে “adaptive brightness.” বলা হয়। মূলত, যখন আপনি উজ্জ্বলতা সমন্বয় করেন, ইকো শো- রুমে হালকা আলোকে উজ্জ্বলতা মাত্রা বজায় রাখার চেষ্টা করবে, এমনকি যদি পর্দাটি কতটা উজ্জ্বল হলে ভাল হয় তার অনুযায়ী পরিবর্তন করবে। বেশিরভাগ আধুনিক স্মার্টফোন একই বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে। এটি সহায়ক সুতরাং যখন সূর্যর নিচে যাবেন তখন আপনাকে নিজে উজ্জ্বলতা সমন্বয় করতে হবে না। এটি নিজেই উজ্জ্বলতা সমন্বয় করে নিবে। যাইহোক, আপনার ইকো শো অভ্যন্তরীণভাবে জীবনযাপন করে, তাই শুধু মাত্র একটি বাতি জ্বালানোর জন্য হয়ত আপনি এটির উজ্জ্বলতা পরিবর্তন করতে চায়বেন না। কিন্তু যদি আপনি adaptive brightness বন্ধ করতে চান, পর্দার উপরে থেকে সোয়াইপ করুন এবং সেটিংস চাপুন। তালিকাতে স্ক্রোল করুন এবং Display তে ক্লিক করুন। উজ্জ্বলতা স্তর সামঞ্জস্য করতে brightness বাম এবং ডান দিকে সোয়াইপ করুন। এখন, ইকো শো একই উজ্জ্বলতার স্তরে থাকছে এমনকি যদি রুমে আলো পরিবর্তিত হয় তবুও।

কিভাবে উইন্ডোজ, লিনাক্স ও ম্যাকে আপনার ম্যাক অ্যাড্রেস পরিবর্তন করবেন?

ভলিউম এডজাস্ট বা সংশোধন করুনঃ

এবার আমরা ভিলিউম সংশোধনের দিকে লক্ষ করব। ইকো শোতে দুটি ধরনের ভলিউম স্তর রয়েছে। মিডিয়া ট্রেনিস বা ইউটিউব ভিডিওগুলির মতো মিডিয়াগুলির জন্য একটি এবং টাইমার, অ্যালার্ম ও নোটিফিকেশনের জন্য অন্য একটি স্তর রয়েছে। ইকো শো শীর্ষক বরাবর ভলিউম বাটনগুলি মিডিয়া ভলিউমকে সামঞ্জস্য করবে, তবে আপনি প্রতিটি সেটিংকে পৃথকভাবে সমন্বয় করতে পারবেন। এটি করতে, আবার সেটিংস মেনু খুলুন, স্ক্রোল করুন এবং সাউন্ড ট্যাপ করুন।
এই পৃষ্ঠায়, আপনি প্রতিটি ভলিউমের জন্য একটি স্লাইডার দেখতে পাবেন। এই ভলিউম আপ বা ডাউন চালু করার জন্য একটি লেবেলযুক্ত “Alarm, Timer, and Notification Volume” স্লাইড করুন। এখান থেকে আপনি আপনি মিডিয়া ভলিউম সামঞ্জস্য করতে পারেন। যেহেতু শীর্ষে থাকা ভলিউম বোতামগুলি শুধুমাত্র মিডিয়া ভলিউম পরিবর্তন করে, আপনি যে কোন সময় অ্যালার্মের ভলিউম পরিবর্তন করতে চায়লে সেটির জন্য এখানে ফিরে আসতে হবে এবং প্রয়োজন মত পরিবর্তন করে নিতে হবে।

যায়হোক, এছাড়াও আপনি প্রয়োজনে ইচ্ছে হলে আলেক্সাকে কমান্ড করে বিভিন্ন রকমের কাজ করাতে পারবেন এবং স্ক্রীনে সেই সম্পর্কিত আরও বিস্তারিত তথ্য দেখতে পারবেন। মনে করুন, আপনি অ্যামাজন মিউজিক থেকে গান প্লে করতে চান তবে স্ক্রীনে আপনা-আপনিই গানের লিরিকসহ ডিসপ্লে হতে থাকবে। এর ফ্রন্ট ক্যামেরার সাহায্যে ভয়েস এবং ভিডিও কলিং সুবিধাও রয়েছে। এই লেটেস্ট স্মার্ট হোম ডিভাইসটির সাথে আপনার বাড়ির অন্যান্য সব ইলেক্ট্রনিকস ডিভাইস কানেক্টেড রাখতে এবং তাদের একই সাথে কন্ট্রোল করতে পারবেন। কিন্তু হতাশার ব্যাপার হল  অ্যামাজন ইকো এবং ইকো ডট স্মার্ট স্পীকারগুলো বাংলাদেশের মত দেশগুলোতে সাপোর্ট করে না। তবে জিপিএস স্পুফিং আর ভিপিএনের সাহায্যে যেকোনো দেশেই এগুলো সাপোর্ট করানো যেতে পারে। তাই এভাবে চায়লে বাংলাদেশ সহ যেকোন দেশেই এই প্রযুক্তি টি ব্যবহার করা যাবে। তবে আশা করি স্বাভাবিক ভাবেই বাংলাদেশে দ্রুতই এই প্রযুক্তিটির ব্যবহার শুরু হবে।

আজ এ পর্যন্তই। আগামী দিন আবারও নতুন কোন ভালো আর্টিক্যাল নিয়ে হাজির হবো। ততক্ষন পর্যন্ত ভাল থাকাউয়ান। ধন্যবাদ।

কিভাবে আইফোন, আইপ্যাড, এবং ম্যাক এর গেম সেন্টার ডিজেবল করবেন?

কম্পিউটিং

বাইনারি সংখ্যা কি? আপনার কম্পিউটার কিভাবে বাইনারি সংখ্যা বুঝে থাকে?

বাইনারি সংখ্যা নিয়ে আমাদের অনেকের অনেক আগ্রহ আছে, আসলে কিভাবে বাইনারি সংখ্যা কাজ করে? বাইনারি সংখ্যা টা আসলে কি? অনেক সময় তো আমরা ভেবে বসে থাকি বাইনারি সংখ্যা আমার কম্পিউটার কিভাবে বুঝে থাকে? কি ঠিক বলেছি তো? আসলে এই গুলো হচ্ছে আমাদের মনের সাধারণ চিন্তা বলতে পারেন। মানুষ হিসবে আপনার এই প্রশ্ন গুলো মনের মাঝে আশা স্বাভাবিক ব্যাপার। আপনি যদি এই বিষয় গুলো নিয়ে জানতে আগ্রহ হয়ে থাকেন। তাহলে এই আর্টিকেল টি পুরো টা পড়ুন, আশা করি আমি আপনাকে সমস্ত বিষয় গুলো বুঝিয়ে বলতে পারবো। তাহলে আসুন শুরু করে ফেলি  বিস্তারিত আলোচনা।

বাইনারি সংখ্যা কি

"<yoastmark

বাইনারি সংখ্যা হচ্ছে Base 2 ভিত্তিক একটি সংখ্যা এবং সেটা সিমাবদ্ধ থাকে ০ ও ১ এর মাঝেই অথ্যাৎ আপনি যেই কথাই লিখুন না কেন আপনার কথা গুলো ১ অথবা ০ দ্বারায় প্রকাশ পাবে। যেমনঃ ০০, ০১, ১১, ১০, ০১০, ০১১ এই ধরনের হয়ে থাকে সাধারনত বাইনারি সংখ্যা গুলো। আর আপনি যদি বলে থাকেন Base 2 আসলে কি? এখানে Base 2 হচ্ছে ভিত্তি। বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি হচ্ছে ২, আপনি এখানে ২ এর বেশি কোন সংখ্যা ব্যবহার করতে পারবেন না। যেটা আমি আপনাকে আগেই বলে দিয়েছি। এখন আপনার মাথাই আসতে পারে ভিত্তি বলতে আসলেই কি বুঝাতে চেয়েছি। দেখুন বাইনারী কিন্তু একটা সংখ্যা পদ্ধতি এমন সংখ্যা পদ্ধতি আরো অনেক আছে যেমন ঃ ডেসিমেল, হেক্সাডেসিমেল, অক্টাল ইত্যাদি।

এখানে ডেসিমেল এর বেজ হচ্ছে ১০ এর মানে এখানে কাউন্ট করা হবে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যা গুলোকে অথ্যাৎ ১০ টা সংখ্যা এর ওপর ভিত্তি করে এই ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি গড়ে উঠেছে। ঠিক তেমনি ভাবে হেক্সাডেসিমেল এর ভিত্তি হচ্ছে ১৬, অক্টাল এর ভিত্তি বা বেজ হচ্ছে ৮।  এবার হয়তো আমরা বুঝতে পেরেছি বাইনারি এর ভিত্তি ২ বলতে আসলে কি বুঝনো হয়েছে!

আপনি কখনো বিট এর নাম শুনেছেন? কেও কেও হয়তো শুনেছেন আবার কেও কেও হয়তো শুনেন নাই। যারা জানেন না আসলে বিট কি তাদের জন্য আমি আবার বলে দিচ্ছি। বিট হচ্ছে কম্পিউটারে একটি অক্ষর বা ক্যারেক্টার যে টুকু জায়গা দখল করে সেটাই হচ্ছে বিট অথ্যাৎ বিট হচ্ছে কম্পিউটারের একক হিসাব সংখ্যা। এখন আপনি বাইনারি সংখ্যা টার ক্ষেত্রে যে ০ ও ১ দেখছেন সেই প্রতিটা সংখ্যা হচ্ছে একটা করে বিট। আর এই বিট এর নাম ধরেই কম্পিউটারের একক সংখ্যা হিসবে বিট নাম টি করা হয়েছে। 🙂

বাইনারি সংখ্যা কিভাবে কাজ করে

"<yoastmark

এবার আসি বাইনারি সংখ্যা কিভাবে কাজ করে এই বিষয়ে। এই বিষয় জানার আগে আপনি আগে ভেবে নিন আপনার সুইচ টা কিভাবে কাজ করে? আপনি যখন অন বাটন চাপ দিবেন তখন সেটা বিদ্যুৎ প্রবাহ করাবে, আপনি যদি অফ বাটন চাপ দেন তাহলে সেটা বিদ্যুত প্রবাহ দেয়া বন্ধ করে দিবে। ঠিক একই ভাবে বাইনারি সংখ্যা টা কাজ করে থাকে যখন ১ কে নির্দেশ করা হয় তখন সেটা কাজ করা শুরু করে দেই আবার যখন ০ বুঝায় তখন কাজ করা বন্ধ করা দেয়। ধরুন আপনি হাটছেন এবার যখন ১ হবে তখন আপনি ১ পা সামনে এগিয়ে গেলেন আবার যখন ০ হবে আপনি থেমে গেলেন। এবার যদি ২ বার ১ হয় আপনি ২ পা এগিয়ে গেলেন আবার যদি ৩ বার ১ হয় তাহলে আপনি ৩ পা এগিয়ে গেলেন। বিষয় টা অনেক তা এই ভাবেই হয়ে থাকে। যদি এই ব্যাপার টা আপনি ভালো ভাবে বুঝতে না পারেন, আপনি ১০ মিনিট স্কুলের একটি ভিডিও দেখতে পারেন।

এই ভিডিও টি দেখুন

কম্পিউটার কিভাবে বাইনারি নাম্বার বুঝে থাকে

"<yoastmark

বাইনারি নিয়ে অনেক কথা বললাম এতক্ষন ধরে, এখন আপনার মাথায় আসতে পারে আচ্ছা কম্পিউটার কিভাবে বাইনারি নাম্বার বুঝে থাকে? তাহলে আসুন জেনে নিই কিভাবে কম্পিউটার বাইনারি নাম্বার বুঝে থাকে!

আপনি হয়তো আগেই জেনে থাকবেন যে কম্পিউটার আমাদের মত করে ভাষা বুঝে না, তারা বুঝে থাকে মেশিন ভাষা। এখানে মেশিন ভাষা বলতে আমি বুঝাতে চেয়েছি ১ ও ০ কে। কেননা কম্পিউটার শুধু মাত্র ১ ও ০ কেই বুঝে থাকে। দেখুন আপনি যেমন একটা বাক্য গঠন করছেন ” আমি ভাত খায়” ঠিক তেমনি ভাবে তারাও বাক্য গঠন করে “১১০০১১১১০০১” অনেক টা এই ভাবে। যদিও এটা ঠিক নয় হইতো বা, শুধু মাত্র আপনার বুঝানোর জন্য এমন করে দিলাম। কিন্তু আপনি মনে রাখবেন এদের কিন্তু আলাদা কোডেক থাকে, কোডেক হচ্ছে একটা সিস্টেম যেটা দিয়ে ফাইল এনক্রিপ্ট ও ডে ক্রিপ্ট করা হয়ে থাকে।

ড্রোন কি? ড্রোন কিভাবে কাজ করে? বিস্তারিত জানুন

আসলে বিষয় তা অনেক টা এমন CODEC = ( Co/Dec), এখানে CO দ্বারা বুঝানো হয়েছে Coder এবং DEC দ্বারা বুঝানো হয়েছে Decoder। এবার হয়তো বুঝতে পেরেছেন! আপনি যখন একটা গান প্লে করবেন তখন আপনার মিউজিক প্লেয়ার তো আর বাইনারি ভাষা বুঝবে না তারা বুঝবে তাদের Extrantion অনুযায়ি ভাষা। আর সেই ভাষা টা দান করে Codec। Codec নিয়ে পরে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

আপনি একটা বিষয় বুঝেন আপনি যদি একটা .MP3 ফাইলকে যদি .MP4 ফাইল লিখেন, মানে এর Extrantion টা পরিবর্তন করেন তাহলে সেটা কি আপনার অডিও প্লেয়ারে চালু হবে ? অব্যশয় না। .MP3 ফাইল চালু করতে হলে অব্যশয় .MP3 এর কোডেক অনুযায়ি Extrantion হতে হবে। কেননা আপনার যে কোডেক হবে সেটার বাইনারি ভাষা তো আর .MP4 এর ছিল না আর সেই কারণেই শুধু মাত্র Extrantion পরিবর্তন করেই ফাইল কে চালু করা যম্ভব হয় না।

আশা করি আর্টিকেল টি পড়ার পরে বাইনারি নিয়ে আপনার প্রশ্ন দূর হয়েছে। কম্পিউটার কিভাবে বাইনারি ভাষা বুজতে পারে আমি সেটাও বুঝানোর চেষ্টা করেছি। যদিও আমারও ভুল হতেই পারে। তাছাড়া যদি কোন প্রশ্ন থেকে থাকে, কমেন্টে জানাবেন আশা করি আপনার সম্যসার সমাধান দিব। সবার আগে আমাদের আর্টিকেল পেতে বাম দিকে নিচের বেল বাটন টি চাপুন। ভাল থাকবেন 😀

 

কিভাবে

ফেসবুক আইডি হ্যাক এবং এর বিস্তারিত, কিভাবে আপনার ফেসবুক আইডি টি সুরক্ষিত রাখবেন।

ফেসবুক আইডি হ্যাক একটি সাধারণ বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে, ফেসবুক আইডি হ্যাক নিয়ে আমরা সবায় চিন্তিত। কিন্তু ফেসবুক আইডি হ্যাক হলে কি করবেন?  আজ বলবো কিভাবে ফেসবুক আইডি টি হ্যাক হয়ে থাকে এবং কিভাবে আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হওয়া থেকে বাঁচাবেন? তাহলে চলুন শুরু করা যাক বিস্তারিত আলোচনা।

কিভাবে ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়ে থাকে

আমার নিজের পার্সোনাল দিকে বিবেচনা করে সব থেকে বিরক্তি কর বিষয় হচ্ছে ফেসবুক হ্যাক করার জন্য আরেকজনের কাছে বলা। যেমন মাঝে মাঝেই আমার কাছে অনেকেই বলে ভাইয়া আমাকে একটা ফেসবুক আইডি হ্যাক করে দিবেন? আর যেটা শুনে আমার মেজাজ টা একদম গরম হয়ে যায় । যেটায় হোক ফেসবুক আইডি হ্যাক করার জন্য আপনার থাকতে হবে সাধারণ জ্ঞান কেননা আপনাকে বুঝতে হবে ফেসবুকের ভার্নাবিলিটি খুজ়ে পাওয়া প্রায় অসম্ভব তাছাড়া ফেসবুক হ্যাক করে তারপরে ফেসবুক আইডি হ্যাক করার অসম্ভব বলতে পারেন। সেই ক্ষেত্রে আপনি ভাবতে পারেন তাহলে তাড়া কিভাবে আপনার বা আপনার বন্ধুর ফেসবুক আইডি হ্যাক করেছিল? আপনি একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবুন যেহেতু ফেসবুক হ্যাক করা সম্ভব না তাহলে কিভাবে হতে পারে? অব্যশ্যয় আপনার বা বন্ধুর ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়েছে পাসওয়ার্ড বা কুকিজ চুরি করে।

হ্যাঁ আপনি এটা বিশ্বাস করুন অব্যশয় আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক পাসওয়ার্ড বা কুকিজ চুরির মাধ্যমেই হয়ে থাকে।এটা শুধু ফেসবুকের ক্ষেত্রে না, সকল অনলাইন একাউন্টের ক্ষেত্রে এটা হইয়ে থাকে। এটার মুল কারণ হচ্ছে হ্যাকাররা এই ভাবে হ্যাক করতে পছন্দ করে। এটা বলা হয় সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং। হ্যাকিং এর ৫০% হয়ে থাকে সোসাল ইঞ্জিনিরিং এর মাধ্যমে, আপনার হয়তো বুঝতে সম্যসা হতে পারে সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং টা কি? তাহলে আসুন সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে হালকা কিছু আলোচনা করা যাক। ফেসবুক হ্যাক যে কয়েকটি কারণে হয়ে থাকে

  • ফিসিং লাইন
  • কুকিজ ইঞ্জেক্ট
  • কুকিজ চুরি
  • ম্যান ইন দ্যা মিডিল এট্যাক
  • পাসওয়ার্ড চুরি

আরো পড়ে আসতে পারেন

সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং কি?

সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং | ফেসবুক আইডি হ্যাক
সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং | ফেসবুক আইডি হ্যাক

সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং হচ্ছে হ্যাকিং এর একটি বড় অংশ, যেখানে ভিকটিম কে বোকা বানিয়ে তার কাছে থেকে সকল তথ্য চুরি করে নেয়ে হয়ে থাকে। আপনি যদি এথিক্যাল হ্যাকিং সম্পর্কে জেনে থাকেন তাহলে আরো ভাল করে বুঝবেন। এখন পর্যন্ত যত কম্পিউটার বা অনলাইন একাউন্ট হ্যাক হয়েছে তার ৫৫% হয়েছে সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে। সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং করার কিছু ওয়ে আছে কিন্তু এর জন্য কোন বাধা ধরা নিয়ম নাই। আপনি যেভাবে চান সেইভাবে করতে পারেন, সেটা আপনার ওপর নির্ভর করছে। সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং কিছু জনপ্রিয় মাধ্যম রয়েছে যেমনঃ ফিসিং, কুকিজ চুরি, কন্টেন্ট ডাউনলোড, স্পুফিং, ইমেইল স্পুফিং, পেলোড ইত্যাদি। শুধু এই গুলোই না আরো অনেক আছে। কিন্তু এই গুলো বলে শেষ করা যাবে না। সেই জন্যই আগেই বলে রেখেছি এর কোন বাধা ধরা নিয়ম নাই, আপনি আপনার মত করে করবেন আর আমি আমার মত করে। আসুন সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং করার কিছু পম্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে আসি।

ফিশিং

ফিশিং হচ্ছে সোসাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর মাধ্যমে কোন কিছু হ্যাক করার সব থেকে জনপ্রিয় পন্থা। তাছাড়া ফেসবুক আইডি হ্যাক হবার ক্ষেত্রেও এটি হ্যাকাররা সব থেকে বেশি ব্যাবহার করে থাকে। ফিশিং হচ্ছে ভিক্টিমের যেই আইডি হ্যাক করতে চান, সেই আইডি লগইন পেজের মত আপনার কাস্টম পেজ বানিয়ে তাকে সেই খানে লগইন করানো।তাহলে হ্যাকার তার কাস্টম ডাটাবেজ থেকে ভিক্টিমের আইডির ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড পেয়ে যাবে। বুঝতে পারেন নি? তাহলে আপনাকে উদাহরণ দিয়ে বুঝাই, ধরুন আপনি হ্যাকার আপনি আপনার বন্ধুর ফেসবুক আইডি হ্যাক করতে চাচ্ছেন। ধরেনি আপনার আপনার বন্ধুর নাম ইমন। আপনি মন স্থির করলেন যে আপনি ইমনের ফেসবুক আইডি হ্যাক করবেন ফিশিং এর মাধ্যমে। তাই আপনি একটি ফিশিং পেজ বানালেন যেতা দেখতে হবে নিচের ছবির মত

phishing attack | ফেসবুক আইডি হ্যাক
phishing attack | ফেসবুক আইডি হ্যাক

এবার আপনি আপনার ফ্রেন্ডকে আপনার কাস্টম পেজের লিংক কোন ভাবে দিলেন ও তাকে লগইন করতে বললেন। সে যদি চালাক হয় তাহলে আপনার লিংক এর URL টা দেখে লগইন করবে, আর সে যদি কোন কিছু না দেখে লগইন করে তাহলে তার ইউজার নেম বা ইমেল ও পাসওয়ার্ড আপনার কাছে চলে আসবে। এই হচ্ছে ফিসিং এর আসল কাহিনী। এটকা শুধু ফেসবুকের ক্ষেত্রে না সকল অনলাইন লগইন পেজের ক্ষেত্রে হতে পারে।তাহলে বুঝতেই পারছেন ফিসিং লাইন টা কি।

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

কুকিজ চুরি

কুকিজ চুরি | ফেসবুক আইডি হ্যাক
কুকিজ চুরি | ফেসবুক আইডি হ্যাক

কুকিজ চুরি এটা অনেকের কাছে নতুন লাগতে পারে, আবার অনেকে এটা অনেক আগেই শুনেছেন। কিন্তু এটা আপনি ১০০% শিওর থাকুন কোন ভাবে যদি আপনার ফেসবুক আইডি টার কুকিজ চুরি হয়ে থাকে সেই ক্ষেত্রে আপনার ফেসবুক ফেসবুক আইডি হ্যাক হবার সম্ভাবনা অনেক অনেক অনেক বেশি। যদি কুকিজ কি জেনে না থাকেন তাহলে আমি তাদের জন্য আরেকটু সংক্ষিপ্ত আকারে বলছি। কুকিজ হচ্ছে এমন কিছু ফাইল যা আপনার ব্রাউজার সেভ করে থাকে আপনি সেই সব সাইট থেকে যেই সব সব সাইটে আপনি ভিসিট করেছেন। যেমন আপনি ফেসবুকে ভিসিট করেছেন এবার আপনি আপনার পাসওয়ার্ড আর ইউজার নেম দিয়ে দিয়ে লগইন করেছেন। এবার আপনার ব্রাউজার একটা কুকিজ আপনার ব্রাউজারে সেভ করেছে।

এছাড়াও কুকিজের অনেক ভাল দিক রয়েছে সেই সব নিয়ে আমরা পরর্বতীতে আরো আলোচয়া করবো। এখন প্রশ্ন আসতে পারে কুকিজ না হয় চুরি করেছে কিন্তু আমার আইডি তে লগইন করবে কিভাবে? আসলে এখানে একটু বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ টা করা হয়। আপনাদের তো আমি আগেই বলেছি হ্যাকিং হচ্ছে বুদ্ধির খেলা :p । কুকিজ চুরির পরে তারা কুকিজ টাকে ইনজ়েক্ট করে দেই। ফলাফল আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক। আর এতা কিন্তু সব থেকে বেশি হয়ে থাকে যারা পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে থাকেন যদিও আমি আর আলোচনা করবো এই বিষয় গুলো নিয়ে।

ইমেইল স্পুফিং

ফেসবুক আইডি হ্যাক হবার পেছনে আরেক টা দায়ী জিনিস হচ্ছে ইমেইল স্পুফিং। আপনাদের মাথাই আসতে পারে এটা আবার কি? যারা বুঝেন না ব্যাপার টা এটা শুধু মাত্র তাদের জন্য :p । ইমেইল স্পুফিং হচ্ছে ফেইক ইমেইল পাঠানো, যেখানে হ্যাকার আপনার কাছে একটা ফেইক ইমেইল সেন্ড করবে ও আপনি যদি সেই ইমেইল টা বিশ্বাস করে তাদের দেয়া স্টেপ গুলো সম্পূর্ন করেন তাহলে আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হতে পারেন। এখানে তারা সব থেকে বেশি ব্যবহার ফিশিং লাইন সিস্টেম। এখানে আমি সব বিষ্যে খোলা খুলি করে বলতে পারছি না, কেননা আমি চাইনা একজন আরেক জন এর ক্ষতি করুক। আমি চাই সবাই যেন নিজের আইডি টিকে সুরক্ষিত রাখতে পারে, কেননা ফেসবুক একাউন্ট বা অনলাইন একাউন্ট পারসোনাল জিনিস। সেটা যদি আরেকজনের কাছে চলে যায় তবে সেটা মারাত্তক ক্ষতি করতে পারে আরেক জনের জীবনে।

পেলোড

পেলোড এটা আবার কি? কি পেলোড নিয়ে ভাবছেন তো? তাহলে আসুন জেনে নিই পেলোড টা আসলে কি? পেলোড হচ্ছে হ্যাকার দের তৈরি এমন একধরনের সফটওয়্যার যেটা আপনার পিসি বা মোবাইলে ইন্সটল দিলে হ্যাকার আপনার ডিভাসের সিকল তথ্য পেয়ে যাবে।  ভাল করে বুঝেন নাই ব্যাপার টা? আসুন আরেকটু ভাল করে বুঝায় দিই। আসলে পেলোড হচ্ছে একধরেন সফটওয়্যার আপনি এটা কে ম্যালায়রও বলতে পারেন। হ্যাকার যদি আপনার ডিভাইসে এটা কোন ভাবে প্রবেশ করাতে পারে তাহলে আপনার ডিভাইসের সকল তথ্য সে পেয়ে যাবে। সে যে শুধু তথ্য পেয়েই বসে থাকবে তা না, আপনি কখন কি করছেন সব কিছুর তথ্য সে পেতেয় থাকবে। এটা বেশি হয়ে পর্ন সাইটে বেশি ভিসিট করলে, আন-ট্রাস্টেট কোন সাইট থেকে কিছু ডাউনলো্ড করলে, পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করলে।

এতক্ষন ধরে তো বুঝতেই পারলেই কি কি কারনে ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়ে থাকে, যদি আরো অনেক কারণ আছে ফেসবুক হ্যাক হবার জন্য। কিন্তু এখন তো আর এতো কিছু আলোচনা যাবে না। আপনাদের আমি পরর্বতীতে আরো কিছু মেথড এর কথা বলবো যেন আপনারা আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারেন।

তাহলে আসুন যেনে নিই কিভাবে আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাকার থেকে সুরক্ষিত রাখবেন?

কোন ডিসপ্লে আপনার জন্য সেরা? ডিসপ্লের প্রকারভেদ নিয়ে বিস্তারিত

আপনার ফেসবুক আইডি টি কিভাবে সুরক্ষিত রাখবেন

অনেকক্ষন ধরে তো অনেক কিছুই বললাম, কি কি কারণে ফেসবুক হ্যাক হয়ে থাকে সেই বিষয় গুলো নিয়েও আলোচনা করলাম। এবার আসুন জেনে নিই কিভাবে আপনার ফেসবুক আইডি টি হ্যাকার থেকে রক্ষা করবেন।

  • নিজের ফেসবুক একাউন্টের ইমেইল বা ফোন নাম্বার কারো সাথে শেয়ার করবেন না, যদি পারেন তাহলে ফেসবুক থেকে আপনার ইমেইল ও ফোন নাম্বার Only Me করে রাখুন।
  • পাবলিক ওয়াই-ফাই বা ফ্রি ওয়াই-ফাই চালানো বাদ দিন, কেননা পাবলিক ওয়াই-ফাই  চালানোর কারণে আপনার ডিভাইসে পেলোড বা কুকিজ ইনজেক্ট করে হ্যাক করতে পারে।
  • যেকোন পেজে লগইন করবেন না, লগইন করার আগে আপনি অব্যশয় URL টা ভাল করে দেখে নিন। কেননা আপনি যে পেজে লগইন করতে চাচ্ছেন এটা সেই পেজ না হতেও পারে। বিশেষ করে এই একটা কারণে সব থেকে বেশি ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়ে থাকে। তাই ফিসিং থেকে বাঁচতে একটু সচেতন হোন।
  • সকল ইমেইল খুলেও দেখবেন না। কোন ইমেইল যদি আপনার কাছে সন্দেহ জনক মনে হয় তাহলে সেই ইমেইল টা খুলেও দেখবেন না। একটা কথা মনে রাখবেন ফেসবুক কোন দিন আপনাকে লগইন না করলে ডিসেবল করে দিব এই সব কিছু বলবে না। তাই এই বিষয় নিয়ে সর্তক হওন।
  • যেমন তেমন সফটওয়ার আপনার ডিভাইসে ইন্সটল দিবেন না, অব্যশয় দেখে ডাউনলোড করবেন আপনি আসলে কি ডাউনলোড করছেন। তাছাড়া এপ্স স্টোর ছাড়া অন্য কোথাও থেকে কিছু ডাউনলোড না করায় ভাল।
  • নিজের ফেসবুক আইডি অন্যর ডিভাইসে লগইন করবেন না।
  • অব্যশয় আপনার ফেসবুকের 2 Step Verification অন করে নিন।
  • সব থেকে বড় কথা একটা স্ট্রোং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন

আশা করা যায় এই বিষয় গুলো খেয়াল রাখলে আপনার ফেসবুক আইডি টা যথেষ্ঠ পরিমান সুরক্ষিত থাকবে।

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

কিভাবে 2 Step Verification আনেবল করবেন

আমরা অনেকেই জানি না কিভাবে ফেসবুকে 2 step verification আনেবল করতে হয়, আবার অনেকেই আছে যারা জানেই না আসলে 2 Step Verification কি? সম্যসা নাই, আমি বলে দিচ্ছি এটা আসলে কি। 2 Step Verification হচ্ছে একটা সিস্টেম, যেখানে আপনি নতুন যেই ডিভাইস দিয়ে লগইন করবেন আপনার ফোন নাম্বারে একটা কোড (OTP) আসবে। যদি আপনি সেটা দিতে না পারেন তাহলে আপনার ফেসবুক পাসওয়্যাড দেওয়ার পরেও লগইন করতে পারবেন না। তাহলে বুঝতেই পারছেন এটা কতটা সিকিউর অপশন? আপনি যদি এটাকে আনেবল করতে চান তাহলে

আপনাকে প্রথমে ফেসবুকে লগইন করতে হবে।

আপনার সেটিংস অপশনে যান

তারপরে আপনি security and Login অপশনে যান।

এবার নিচের দিকে যান ও Use two-factor authentication অপশনে ক্লিক করুন

ও এটা অনেবল করে দিন ও আপনি যেই যেই নাম্বারে অপনার OTP কোড টা নিতে চাচ্ছেন সেই নাম্বার গুলো এড করে দিন।

আশা করা যায় এই 2 factor authentication আপনার ফেসবুক টাকে যথেষ্ঠ পরিমান সিকিউর রাখবে।

কিভাবে রিপোর্ট থেকে বাঁচবেন

অনেক সময় দেখা যায় আমাদের আইডি টা অনেক রিপোর্টের কারণে ব্লক হয়ে যাচ্ছে। অনেকেই আছে এটা করে থাকে শত্রুতার কারণে অনেকেই আছে এটা করে থাকে ভাল কাজে। কিন্তু বেশির ভাগ সময় দেখা যায় এটা করা হয়ে থাকে খারাপ কাজে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কিভবে আপনার ফেসবুক আইডি টা রিপোর্টের হাত থেকে রক্ষা করবেন? আমার কাছে এর সব থেকে ভাল উপায় হচ্ছে যখন আপনি বুঝতে পারবেন আপনার ফেসবুক আইডি টাই বার বার রিপোর্ট পরছে  তখনই আপনার আইডি টা ডিএকটিভ করে ফেলুন। এতে করে রিপোর্টের ভয় কিছু টা কমে যাবে। পরবর্তিতে আপনার ফেসুবুক আইডি টা আবার একটিভ করে ফেলুন। পরের বিষয় হচ্ছে আপনার ফেসবুক আইডি টা ভেরিফাই করে ফেলুন।

আপনার আইডি কার্ড বা জন্ম সনদ দিয়ে ভেরিফাই করুন। ভেরিফাই করার সময় অব্যশ্যয় মাথায় রাখবেন আপনার ফেসবুকের নাম ও আইডি কার্ড বা জন্ম সনদের নাম যেন একই থাকে। সাথে জন্ম তারিখ যেন মিল থাকে, এর বিপরিত হলে আপনার আইডি টা ব্লক হয়ে যেতে পারে। পরের স্টেপেই বলব আপনি আপনার আইডিতে কিছু ফেসবুক ডেভেলপার এপ চালু করুন। সেই গুলো কে অব্যশ্যয় টেস্ট মুড থেকে রান করে করে দিবেন। তবে আপনি যদি ডেভেলপার এপ চালু করেন আপনার ফেসবুক আইডি ডি-একটিভ হবে না। কিন্তু এর ফলে আপনার আইডি টি অনেক সুরক্ষিত থাকবে। কেননা ফেসবুক তাদের ডেভেলপারদের প্রাধান্য একটু বেশি দিয়ে থাকে। যদিও আমি পরের আর্টিকেলে কিভাবে ডেভেলপার এপ বানাবেন ও আইডি কার্ড দিয়ে ভেরিফাই করেন শিখায়ে দিব।

পরিশেষে এই কথা টাই আমরা বলতে পারি যে ফেসবুক আসলে তাদের সার্ভারে এট্যাক করে হ্যাক করা অনেক টা অসম্ভব যদিও অনলাইন জগতে কোন কিছুই অসম্ভব না। কিন্তু আমাদের ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়ে থাকে আমাদের অসচেতনার জন্য, আমরা যদি একটু সর্তক হয়ে ইন্টারনেট জগতে ঘুরাঘুরি করি তাহলে কিন্তু এই সম্যসার মধ্য পরতে হয় না। তারপরেও আমি যেই বিষয় গুলো খেয়াল রাখতে বলেছি সেই বিষয় গুলো মাথায় রেখে যদি আপনি ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তাহলে আশা করা যায় আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হবে না।

আজকের মত এইটুকুই, আপনাদের মতামত আশা করছি। কেননা আমাদের লেখাই আপনাদের জন্য আপনারা যদি মতামত না দেন আমাদের লেখার আগ্রহ টা কমে যায়। তাই যদি ভাল লেগে থাকে বা কোন প্রশ্ন থাকে কমেন্ট করে জানাবেন। যে কোন ধরণের হেল্পের জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। আমাদের গ্রুপের লিংক

কিভাবে

কিভাবে আইফোন, আইপ্যাড, এবং ম্যাক এর গেম সেন্টার ডিজেবল করবেন?

কিভাবে আইফোন, আইপ্যাড, এবং ম্যাক এর গেম সেন্টার ডিজেবল করবেন?

কেমন আছেন সবাই? আজ আবারও আরেকটি টিউটোরয়াল নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের কাছে । আজ আমি দেখাবো, কিভাবে গেইম সেন্টার ডিজেবল করতে হয় । যারা আইফোন, আইপ্যাড বা ম্যাক ডিভাইস ব্যবহার করে, তাঁরা অবশ্যই গেইম সেন্টারের সাথে পরিচিত । যা একটি গেমিং সার্ভিস ।এটি অ্যাপল এর মাধ্যমে রিলিজ পাওয়া এক ধরণের সোসিয়াল গেমিং এপস । এখানে থেকে আপনি অনলাইনে গেম খেলতে পারবেন এবং খেলার সময় ইচ্ছে করলে আপনার বন্ধুদেরও গেমের জন্য চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবেন । 

গেম সেন্টার ডিজেইবল
গেম সেন্টার ডিজেবল

আইফোন, আইপ্যাড, এবং ম্যাক এ- অ্যাপল এর গেম সেন্টার অন্তর্ভুক্ত করা হয় । এটি অ্যাপলের প্লাটফর্মে গেমসের জন্য অন্যতম একটি সামাজিক গেমিং সার্ভিস । গেম খেলা ছাড়াও গেম সেন্টারের মাধ্যমে, আপনি বন্ধুকে আপনার গেমে আমন্ত্রণ জানাতে পারেন, গেমের ইনভাইট গুলি, এবং অন্যান্য বিজ্ঞপ্তিগুলি দেখতে পারেন । কিন্তু আপনি যদি না চান তবে আইফোন, আইপ্যাড, এবং ম্যাক এর গেম সেন্টার ডিজেবল করতে পারেন এবং এক্ষেত্রে পরবর্তিতে আর গেইম সেন্টার এর নটিফিকেশন দেখতে পাবেন না। আপনি গেইম সেন্টার থেকে সাইন আউট করতে পারেন, যদিও কিছু গেইম এর জন্য সাইন ইন থাকা প্রয়োজন হতে পারে । তবে এই জন্য একটা অনির্দিষ্ট অ্যাপল আইডি থাকলেই চলে! যার মাধ্যমে যখন প্রয়োজন লগিন করবেন, আবার প্রয়োজন শেষ হলে সাইন আউট করে নিবেন ।

যাইহোক, অনেকের কাছেই গেইম সেন্টারে আসা অপ্রয়োজনীয় এবং অতিরিক্ত নোটিফিকেশন গুলি বিরক্তিকর হয়ে উঠে । এই আর্টিক্যাল টি মূলত তাঁদের জন্যই! হ্যাঁ, ভাই; কিছু উপায়ে গেমের ইনভাইটেশন, ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট এবং বিজ্ঞপ্তি বা নোটিফিকেশন গুলি অক্ষম বা ডিজেবল করা সম্ভব । আসুন কিভাবে করা যায়, তা জেনে নেইঃ

আইফোন এবং আইপ্যাডঃ

গেম সেন্টার ডিজেবল
গেম সেন্টার ডিজেবল

গেম সেন্টার অ্যাপটি সব অ্যাপলের অন্তর্ভুক্ত অ্যাপ্লিকেশানগুলির মতই- আইওএস অপারেটিং সিস্টেমের একটি অংশ । যদিও এটা পুরোপুরি মুছে ফেলা বা ডিলেট করা যাবে না, তবে আপনি এটি একটি ফোল্ডারে হাইড করে রাখতে পারেন, যার ফলে আপনি এটি দেখতে পাবেন না । আসলে গেম সেন্টার সেটিংস পরিবর্তন করতে, প্রধান সেটিংস অ্যাপটি খুলুন এবং নীচে স্ক্রোল করুন এবং iTunes U এর অধীনে “Game Center” এ চাপুন । গেইম সেন্টার সম্পূর্ণভাবে সাইন আউট করতে, পর্দার উপরে “Apple ID” ক্ষেত্রটি তে চাপুন এবং “Sign Out” অপশনে ক্লিক করুন । তবে প্রয়োজনে কিছু গেম আপনি খেলা করতে চাইতে পারেন, সেক্ষেত্রে আপনাকে হয়ত লগিন থাকা লাগতে পারে । কিন্তু আপনি হয়তো গেমের ইনভাইটেশন, ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট এবং অন্যান্য নোটিফিকেশন গুলি দেখতে চান না। সেক্ষেত্রে, ইনভাইটেশন ডিজেবল করতে, গেম সেন্টার সেটিংস স্ক্রীনে “Allow Invites” এবং “Nearby Players” চেক করুন । আপনার পরিচিতিগুলি ব্যবহার করে বন্ধুদের সুপারিশ গুলিকে ডিজেবল করতে, “Contacts” এবং “Facebook” অপশন গুলি ডিজেবল করুন ।

গেইম সেন্টারের সকল নটিফিকেশন গুলো ডিজেবল করতে, সেটিংস অ্যাপটি খুলুন এবং উপরে অবস্থিত “Notifications” অপশন টি চাপুন । এই তালিকাটিতে “Game Center” অ্যাপ্লিকেশনটিতে স্ক্রোল করুন, এটি চাপুন, এবং “Allow Notifications” স্লাইডারটি ডিজেবল করে দিন। ব্যাস তাহলেই হয়ে গেল!

ম্যাক- ওএস এক্সঃ

একটি ম্যাক এ, গেম সেন্টার অ্যাপ্লিকেশনটি ম্যাক ওএস এক্স সহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। OS X 10.11 এল ক্যাপিটান হিসাবে, এই অ্যাপটি সিস্টেম ইন্টিগ্রিটি সুরক্ষা দ্বারা সুরক্ষিত এবং সাধারণত এটি মুছে ফেলা যায় না। এটি চালু করার জন্য, আপনার ডক নেভিগেশন “Launchpad” আইকনে ক্লিক করুন এবং “Game Center” ক্লিক করুন, অথবা স্পটলাইট অনুসন্ধান খোলার জন্য কমান্ড + স্পেস চাপুন, “Game Center” টাইপ করুন এবং Enter টিপুন।  গেম সেন্টার থেকে সাইন আউট করার জন্য, কেবলমাত্র অ্যাকাউন্ট মেনুতে ক্লিক করুন এবং “Sign Out” নির্বাচন করুন। গেম সেন্টারে আপনার অ্যাপল আইডি দিয়ে সাইন ইন করা হবে না, তাই আপনি বিজ্ঞপ্তিগুলি, ইনভাইট গুলি, ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গুলি এবং অন্যান্য গেম সেন্টার এর বিরক্তিকর জিনিস গুলি দেখতে পাবেন না।

আপনি চায়লে গেইম সেন্টার কাস্টমাইজ করতে পারেন। গেম সেন্টার অ্যাপ্লিকেশন থেকে, “Account” মেনুতে ক্লিক করুন এবং “Settings” নির্বাচন করুন। এখান থেকে, আপনি গেইম এর নোটিফিকেশন ডিজেবল করতে পারেন- “Allow Invites” এবং “Nearby Players।” এর টিক চিনহ উঠিয়ে দিন। আপনি আপনার পরিচিতিগুলির উপর ভিত্তি করে অন্য অ্যাকাউন্টগুলির সুপারিশ করার জন্য গেম সেন্টারকে প্রতিরোধ করতে “Contacts” এবং “Facebook” আনচেক নির্বাচন করুন বা টিক চিনহ উঠিয়ে দিন।

আপনি সম্পূর্ণরূপে আপনার বিজ্ঞপ্তিগুলি দেখানো থেকে গেম সেন্টার অ্যাপ্লিকেশনটি প্রতিরোধ করতে পারেন। তার জন্য অ্যাপল মেনুতে ক্লিক করুন, “System Preferences,” নির্বাচন করুন এবং বিজ্ঞপ্তির সেটিংস অ্যাক্সেসের জন্য “notifications” তে ক্লিক করুন – বা নটিফিকেশন সেন্টার ফলকটির নীচের ডানদিকের কোণে গিয়ার আইকনে ক্লিক করুন। লিস্টের “Game Center” এ ক্লিক করুন, আপনি যে বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে চান তার জন্য “None” নির্বাচন করুন। এবং বাকী সমস্ত অপশন গুলি এখানে ডিজেবল বা অক্ষম করুন যাতে আপনি কোনও নোটিফিকেশন আর দেখতে না পান।

আপনি আপনার পরিচিতিগুলি থেকে আপনার কার্যকলাপ লুকিয়ে রাখলে এবং আপনাকে আমন্ত্রণ থেকে আটকানোর সময় গেম সেন্টারটি সক্ষম রাখতে পারেন। এটি করার জন্য, আপনি iOS, Mac বা উভয় ক্ষেত্রে – গেম সেন্টার থেকে সাইন আউট করতে পারেন – এবং একটি নতুন অ্যাপল আইডি দিয়ে সাইন ইন করুন। আপনি গেম সেন্টারের জন্য একটি নতুন অ্যাপল আইডি তৈরি করতে পারেন, এবং আপনি আপনার অ্যাপে অন্য অ্যাপল অ্যাপসগুলির জন্য ব্যবহার করা অ্যাপ থেকে পৃথক একটি অ্যাপল আইডি দিয়ে গেম সেন্টারে লগ ইন করতে পারেন। এটা আপনার নিজস্ব পছন্দের ব্যাপার।

আশা করি পোষ্ট টা আপনাদের কাজে লাগবে। নতুন নতুন বিষয়ে জানতে আমাদের সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ।

আরও পড়ুনঃ

উইন্ডোজ

কিছু দরকারী Chromebook ট্রিকস ; যার সম্পর্কে আপনাকে জানতে হবে।

কিছু দরকারী Chromebook ট্রিকস ।
কিছু দরকারী Chromebook ট্রিকস ।

কিছু দরকারী Chromebook ট্রিকস ; যার সম্পর্কে আপনাকে জানতে হবে।

Chromebooks ঐতিহ্যগত ল্যাপটপের মতো নয়। যদিও তারা অনেক সহজ, তাদের কাছে এখনও বিভিন্ন দরকারী বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা আপনি হয়ত জানেন না। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য wiping, Chrome OS পুনরুদ্ধার, এবং ডেস্কটপ Linux ইনস্টল করার জন্য দূরবর্তী কম্পিউটার এবং প্রিন্টার অ্যাক্সেস পাবার ক্ষেত্রে Chromebooks আপনাকে সবচেয়ে বেশি কাজে দিবে। এর জন্য Chromebooks এর ট্রিক্স গুলো আপনাকে জানতে হবে। আসুন জেনে নেই, কিছু দরকারী Chromebook ট্রিকস ।

কে লগ ইন করতে পারবে তা নিয়ন্ত্রন করুনঃ

Chromebooks কে “for everyone.” টাইটেল দিয়ে ল্যাপটপ হিসাবে বাজারজাত করা হয়। ডিফল্ট হিসাবে, আপনার ল্যাপটপের সাথে যে কেউ এটি বেছে নিতে পারে, তাদের Google অ্যাকাউন্টে প্লাগ ইন করুন এবং লগ ইন করুন। তারা আপনার ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারবে না, তবে তারা নিজের Chrome সেটআপের মাধ্যমে মেশিনটি ব্যবহার করতে সক্ষম হবে। আপনি যদি আপনার Chromebook এ অ্যাক্সেস সীমিত করতে চান, system tray তে ক্লিক করে এবং cog icon নির্বাচন করে সেটিংস মেনু খুলুন। সেখানে থেকে, “People” বিভাগে স্ক্রোল করুন এবং “Manage Other Users” বোতামটি ক্লিক করুন। এখান থেকে, আপনি অন্য ব্যবহারকারীদের থেকে ডিভাইসটি সীমাবদ্ধ করতে চান কি-না তা বেছে নিতে পারেন। এছাড়া, আপনি যাদের খুঁজে পেতে চান না, বা আপনি চান না কারা আপনাকে খুঁজে পাবেন না; এদের আপনি ব্লক করে দিতে পারেন।  যেহেতু এটা আপনার প্রিয় ক্রোমবুক, তাই এটির জন্য একটু সেলফিস হলেই বা দোষ কি!

দূরবর্তী উইন্ডোজ, ম্যাক, এবং লিনাক্স ডেস্কটপ অ্যাক্সেস করুনঃ

আপনি আপনার Chromebook এ উইন্ডোজ প্রোগ্রামগুলি চালাতে পারবেন না, তবে আপনি দূরবর্তী উইন্ডোজ, ম্যাক এবং লিনাক্স ডেস্কটপে অ্যাক্সেস করতে পারবেন। ক্রোম ওয়েব স্টোরে ঐতিহ্যগত VNC সার্ভারের সাথে সংযোগের জন্য VNC ক্লায়েন্ট অফার করে, কিন্তু ক্রোমে আসলে গুগল নির্মিত রিমোট ডেস্কটপ বৈশিষ্ট্যও রয়েছে। আপনি এটি ব্যবহার করতে একটি Chromebook থেকে আপনার ডেস্কটপ পিসি অ্যাক্সেস করতে বা অপ্রচলিত বিরল উইন্ডোজ অ্যাপ্লিকেশন রান করতে পারেন। এটি করার জন্য, আপনার পিসিতে Chrome Remote Desktop app অ্যাপটি ইনস্টল করুন। আপনি তারপর “Enable remote connections” অপশন টি সক্রিয় করে এবং Chrome রিমোট ডেস্কটপ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে আপনার Chromebook থেকে আপনার পিসি সাথে সংযোগ করতে পারেন। এটি কোনও Chrome OS- এর বৈশিষ্ট্য নয়। আপনি অন্য কোন ধরণের পিসিতে উইন্ডোজ, ম্যাক এবং লিনাক্স পিসিতে দূরবর্তীভাবে অ্যাক্সেস করতে গুগল ক্রোম ব্যবহার করতে পারেন, আপনার Chromebook থাকলে থাকুক বা না থাকুক।

Google ক্লাউড প্রিন্ট এর মাধ্যমে কোন ডকুমেন্ট প্রিন্ট করুনঃ

আপনি যদি কখনও কিছু প্রিন্ট বা মুদ্রণ করতে চান, তবে আপনার সচেতন হওয়া উচিত যে আপনি সরাসরি আপনার Chromebook এ প্রিন্টারগুলি প্লাগ করতে এবং তাদের প্রিন্ট বা মুদ্রণ করতে পারবেন না। তবে, আপনি Google Cloud Print সেট আপ করতে পারেন এবং এটি আপনার Chromebook থেকে দূরবর্তীভাবে সমর্থিত প্রিন্টার গুলিকে প্রিন্ট করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন।

আপনার Chromebook তে একটি প্রিন্টার যুক্ত করতে, সেটিংস মেনুতে যান এবং “Show Advanced Settings.” দেখতে না পর্যন্ত স্ক্রোল করুন। এই মেনুটিকে “Google Cloud Print” বিভাগে স্ক্রোল করুন, তারপর Manage বোতামটি ক্লিক করুন।

এখান থেকে, আপনি যদি নতুন নেটওয়ার্কে সনাক্ত হয়ে থাকেন তবে নতুন প্রিন্টার যুক্ত করতে পারেন- অন্যথায়, ক্লাউড মুদ্রণের অংশ ইতিমধ্যে প্রদর্শিত হবে। যদি আপনি Chrome- এর সাথে অন্য কোনও পিসির নেটওয়ার্ক প্রিন্টারে কখনও মুদ্রণ করেন তবে এটি ইতিমধ্যেই আপনার Google ক্লাউড মুদ্রণের অংশ হবে। Chromebook গুলির প্রিন্টারগুলি সেট আপ করা অন্য কোন ডিভাইসের তুলনায় সম্ভবত সহজ। Chrome OS এ পিডিএফটি প্রিন্ট করার ক্ষমতাও রয়েছে, যাতে আপনি একটি ফাইল পিডিএফ হিসাবে সংরক্ষণ করতে পারেন এবং যদি আপনি চান তবে, পরে অন্য যেকোনো কম্পিউটারে পিডিএফ ফাইল প্রিন্ট করতে পারেন।

ব্যক্তিগত ডেটা Wipe করতে Powerwash ব্যবহার করুনঃ

Chrome OS- এ একটি “Powerwash” বৈশিষ্ট্য রয়েছে যেটি আপনার কম্পিউটারকে তার মূল, পরিচ্ছন্ন অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য একটি ফ্যাক্টরি রিসেট করে, এটি উইন্ডোজ 10-এর রিসেট অপশনের অনুরূপ কাজ করে। যখন আপনি আপনার Chromebook কে অন্য কাউকে দিতে যাচ্ছেন বা বিক্রি করছেন তখন এটি আদর্শ। কারণ এটি আপনার সমস্ত ব্যক্তিগত ডেটা মুছে দেবে। এটি উইন্ডোজ পুনরায় ইনস্টল বা একটি ট্যাবলেট ফ্যাক্টরি রিসেট এর মত মনে করা যেতে পারে। আপনি সেটিংস পর্দায় এই অপশন টি পাবেন।

Show advanced settings লিঙ্কটি ক্লিক করুন এবং নীচে স্ক্রোল করুন, যেখানে আপনি একটি পাওয়ারওয়াশ বোতাম দেখতে পাবেন। বিকল্পভাবে, যদি আপনি আপনার সমস্ত কাস্টম সেটিংসকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনতে চান, তবে আপনি আপনার Chromebook কে পাওয়ারওয়াশ না করেই “Reset Settings” ব্যবহার করতে পারেন; আর সবকিছু ডিফল্ট অবস্থায় সেট করতে পারেন।

লোকাল ফাইল গুলি দেখুনঃ

আপনার Chromebook কেবল একটি ওয়েব ব্রাউজার নয় এটি লোকাল ফাইল দর্শকদের সাথে একটি ফাইল অ্যাপ অন্তর্ভুক্ত করে যা আপনাকে ভিডিওগুলি দেখতে, সঙ্গীত চালাতে, পিডিএফগুলি পড়ার এবং মাইক্রোসফ্ট অফিসের ডকুমেন্ট গুলি, ছবিগুলি দেখতে এবং আরো অনেক কিছু দেখতে দেয়। এর মাধ্যমে আপনি সমস্ত ধরণের মিডিয়া ফাইলগুলি ডাউনলোড করতে এবং পরে ফাইলগুলি অ্যাপ থেকে খুলতে পারেন।

একটি USB ড্রাইভ থেকে Chrome OS পুনরুদ্ধার করুনঃ

Chromebook গুলি একটি পুনরুদ্ধার মোড অন্তর্ভুক্ত করে যা আপনাকে অপারেটিং সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হলে Chrome OS পুনরায় ইনস্টল করতে দেয়।আপনার Chrome অপারেটিং সিস্টেম পুনরুদ্ধার করতে, আপনাকে একটি রিকোভারি ড্রাইভ তৈরি করতে হবে। আপনি উইন্ডোজ, ম্যাক, বা লিনাক্সের জন্য গুগল এর Chromebook Recovery Utility ডাউনলোড এবং রান করে এটি করতে পারেন। রিকভারি ইউটিলিটিটি যখন আপনি এটি চালু করবেন তখন একটি সহজ ওয়াক আউট হবে- তবে আপনার সঠিক Chromebook মডেলটি জানতে হবে, অবশ্য আপনি রিকোভার স্ক্রিন থেকে আপনার Chromebook এর মডেল নম্বরটি খুঁজে পেতে পারেন, সেইসাথে একটি রিকভারি ইউটিলিটি তালিকা থেকে মডেল নির্বাচন করার একটি লিঙ্ক আছে।

একবার আপনি আপনার মডেল নির্বাচন করার পরে, আপনি ইউটিলিটি রানিং এর সঙ্গে পিসির মধ্যে একটি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ বা SD কার্ড ঢুকিয়ে দিন এবং ড্রপডাউন মেনু থেকে এটি নির্বাচন করুন। এক চূড়ান্ত সতর্কতা আপনাকে জানাবে যে, আপনার ড্রাইভের সমস্ত ডেটা মুছে যাবে। আপনি এগিয়ে যেতে চান তবে “Create Now” ক্লিক করুন। এই প্রক্রিয়াটি আপনার কম্পিউটার, ড্রাইভের গতি এবং ইন্টারনেট সংযোগের উপর নির্ভর করে কিছুটা সময় নেবে। শুধু sit tight ইউটিলিটি আপনাকে বলবে যে সময়কালের মধ্যে কি ঘটছে। প্রকৃতপক্ষে Chrome OS পুনরুদ্ধার করার জন্য, আপনাকে Escape+Refresh ক্লিক করতে হবে এবং পাওয়ার বোতামটি ধরে রাখুন। পুরোনো Chromebooks রিকভারি বাটন ডেডিকেটেড আছে – আপনি Google এর ওয়েবসাইটে আরো তথ্য পাবেন। সেখানে থেকে, আপনার ড্রাইভটি ঢোকান এবং নির্দেশাবলী অনুসরণ করুন।

ডেস্কটপ লিনাক্স চালানোর জন্য ডেভেলোপার মোড ব্যবহার করুনঃ

Chromebooks আপনাকে তাদের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য ডিজেইবল করতে এবং ডেভেলপার মোড এনাবল করতে দেয়। ডেভেলপার মোডে, আপনি উবুন্টু এবং অন্যান্য প্রথাগত ডেস্কটপের লিনাক্স সিস্টেম সহ অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম চয়েস করে এবং বুট করে Chrome OS পরিবর্তন করতে পারেন। হট-কী গুলির সাথে দুটি মধ্যে সুইচিং দিয়ে আপনি একটি ডেস্কটপ লিনাক্স সিস্টেম পাশাপাশি Chrome OS এর সাথে চালাতে পারেন।

আশা করি পোষ্ট টা আপনাদের জন্য শিক্ষা মূলক হবে। আমরা আপনাদের টেক বিষয়ক জ্ঞানের পরিধি বিস্তৃ করার সেবাই সর্বদা নিয়োজিত। আরও শীক্ষামূলক আর্টিক্যাল পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ।

আরও পড়ুনঃ

আইওস

কিভাবে উইন্ডোজ, লিনাক্স ও ম্যাকে আপনার ম্যাক অ্যাড্রেস পরিবর্তন করবেন?

ম্যাক অ্যাড্রেস পরিবর্তন
ম্যাক অ্যাড্রেস পরিবর্তন

কিভাবে উইন্ডোজ, লিনাক্স ও ম্যাকে আপনার ম্যাক অ্যাড্রেস পরিবর্তন করবেন?

একটি ডিভাইসের MAC ঠিকানা প্রস্তুতকারী দ্বারা নির্ধারিত হয়, কিন্তু সঠিক নিয়ম জানা থাকলে আপনার প্রয়োজনে এই ম্যাক অ্যাড্রেস পরিবর্তন কঠিন নয়। প্রতিটি নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস আপনার নেটওয়ার্কে সংযুক্ত থাকে। এটি আপনার রাউটার, ওয়্যারলেস ডিভাইস, বা আপনার কম্পিউটারে নেটওয়ার্ক কার্ড-এর একটি অনন্য মিডিয়া অ্যাক্সেস কন্ট্রোল (MAC) ঠিকানা রয়েছে। এই MAC ঠিকানাগুলি কখনও কখনও শারীরিক বা হার্ডওয়্যার ঠিকানা হিসাবে পরিচিত। এদের কে ফ্যাক্টরিতে নিয়োগ করা হয়, কিন্তু আপনি সাধারণত সফ্টওয়্যারে ঠিকানা পরিবর্তন করতে পারেন। বিস্তারিত জানুনঃ

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

 

ম্যাক অ্যাড্রেস কেন ব্যবহার করা হয়?

সর্বনিম্ন নেটওয়ার্কিং পর্যায়ে, নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসগুলি একে অপরের সাথে যোগাযোগ করার জন্য MAC অ্যাড্রেস ব্যবহার করে। যখন আপনার কম্পিউটারে একটি ব্রাউজার ইন্টারনেটের সার্ভার থেকে একটি ওয়েব পৃষ্ঠা ক্রয় করার প্রয়োজন হয়, উদাহরণস্বরূপ, যে অনুরোধ টিসিপি / আইপি প্রোটোকলের বিভিন্ন স্তরের মধ্য দিয়ে যায়। আপনার লেখা ওয়েব ঠিকানাটি সার্ভারের IP ঠিকানাতে অনুবাদ করা হয়। আপনার কম্পিউটার আপনার রাউটারের অনুরোধ পাঠায়, যা পরে এটি ইন্টারনেটে পাঠায়। আপনার নেটওয়ার্ক কার্ডের হার্ডওয়্যার পর্যায়ে, আপনার নেটওয়ার্ক কার্ড কেবল একই নেটওয়ার্কে ইন্টারফেসের জন্য অন্যান্য MAC ঠিকানার দিকে তাকায়। এটি আপনার রাউটারের নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসের MAC ঠিকানাতে অনুরোধ পাঠাতে জানে।

তাদের মূল নেটওয়ার্কিং ব্যবহারের পাশাপাশি, ম্যাক অ্যাড্রেসগুলি প্রায়ই অন্যান্য কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়:

  • স্ট্যাটিক আইপি এসাইনমেন্ট: রাউটারগুলি আপনাকে আপনার কম্পিউটারগুলিতে স্ট্যাটিক আইপি অ্যাড্রেস প্রদান করতে অনুমতি দেয়। যখন একটি ডিভাইস সংযুক্ত হয়, তখন এটি একটি নির্দিষ্ট আইপি অ্যাড্রেস গ্রহণ করে থাকে যখন এটির একটি মিলিত MAC ঠিকানা থাকে।
  • ম্যাক অ্যাড্রেস ফিল্টারিং: নেটওয়ার্কে কেবলমাত্র MAC অ্যাড্রেস ফিল্টারিং ব্যবহার করতে পারবেন, শুধুমাত্র একটি নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত নির্দিষ্ট ম্যাক অ্যাড্রেস দিয়ে ডিভাইসগুলিকে অনুমতি দেয়। এটি একটি দুর্দান্ত নিরাপত্তা টুল নয় কারণ লোকরা তাদের MAC ঠিকানাগুলিকে স্পুফ করতে পারে।
  • MAC প্রমাণীকরণ: কিছু ইন্টারনেট পরিষেবা সরবরাহকারীকে একটি MAC ঠিকানা দিয়ে প্রমাণীকরণের প্রয়োজন হতে পারে এবং কেবলমাত্র সেই MAC ঠিকানা দিয়ে একটি যন্ত্র যা ইন্টারনেটের সাথে সংযোগ স্থাপন করার অনুমতি দেয়। সংযোগ করতে আপনার রাউটার বা কম্পিউটারের MAC ঠিকানা পরিবর্তন করতে হতে পারে।
  • ডিভাইস সনাক্তকরণ: এটির সনাক্তকরণে অনেক এয়ারপোর্ট ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক এবং অন্যান্য পাবলিক ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক ডিভাইসের MAC ঠিকানা ব্যবহার করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি এয়ারপোর্ট ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে বিনামূল্যে 30 মিনিট অফার করতে পারে এবং তারপরে আপনার MAC ঠিকানাটি আরও Wi-Fi পাওয়ার জন্য নিষিদ্ধ করে। আপনার MAC ঠিকানা পরিবর্তন করুন এবং এক্ষেত্রে হয়ত আপনি আরও Wi-Fi পেতে পারেন (ফ্রি, সীমিত ওয়াই-ফাই ব্রাউজার কুকি বা অ্যাকাউন্ট সিস্টেম ব্যবহার করেও ট্র্যাক করা যেতে পারে।)
  • ডিভাইস ট্র্যাকিং: MAC ঠিকানা আপনি চায়লে ট্র্যাক করতে ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যখন ঘুরে বেড়াবেন, আপনার স্মার্টফোন কাছাকাছি Wi-Fi নেটওয়ার্কগুলির জন্য স্ক্যান করবে এবং তার MAC ঠিকানাটি সম্প্রচার করবে। লেনদেন পুনর্নবীকরণ করা একটি কোম্পানিকে তাদের ম্যাক অ্যাড্রেসের ভিত্তিতে শহরের চারপাশে মানুষের আন্দোলনগুলি ট্র্যাক করতে লন্ডন শহরে ট্র্যাশ বিন্স ব্যবহার করে। অ্যাপলের আইওএস 8 এই ধরণের ট্র্যাকিং প্রতিরোধ করার জন্য এটির কাছাকাছি Wi-Fi নেটওয়ার্কে স্ক্যান করার সময় র্যান্ডম ম্যাক অ্যাড্রেস ব্যবহার করবে।

মনে রাখবেন প্রতিটি নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসের নিজস্ব MAC ঠিকানা রয়েছে। সুতরাং, একটি Wi-Fi রেডিও এবং একটি ওয়্যার্ড ইথারনেট পোর্ট উভয়ের সাথে একটি সাধারণ ল্যাপটপে, বেতার এবং ওয়্যার্ড নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস প্রতিটির জন্যই তাদের নিজস্ব এবং অনন্য MAC ঠিকানা আছে।

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

উইন্ডোজে ম্যাক এড্রেস পরিবর্তন করুনঃ

সর্বাধিক নেটওয়ার্ক কার্ডগুলি আপনাকে ডিভাইস ম্যানেজারে তাদের কনফিগারেশন প্যানেগুলি থেকে একটি কাস্টম ম্যাক অ্যাড্রেস সেট করার অনুমতি দেয়, যদিও কিছু নেটওয়ার্ক ড্রাইভার এই বৈশিষ্ট্যটি সমর্থন করে না।

  • প্রথমত, ডিভাইস ম্যানেজার খুলুন উইন্ডোজ 8 এবং 10 এ, Windows + X টিপুন, এবং তারপরে পাওয়ার ইউজার মেনুতে “Device Manager” এ ক্লিক করুন।
  • উইন্ডোজ 7 এ, উইন্ডোজ কী টিপুন, এটির জন্য “Device Manager” টাইপ করুন, এবং সার্চ করুন। তারপরে “Device Manager” এন্ট্রিতে ক্লিক করুন।
  • ডিভাইস ম্যানেজার অ্যাপ্লিকেশনটি কোনও ব্যাপার দেখাবে না যেটি আপনি ব্যবহার করছেন এমন Windows এর কোন সংস্করণটি তা দেখাবে না।
  • “Network adapters” বিভাগের অধীনে ডিভাইস ম্যানেজারে, আপনি যে নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস সংশোধন করতে চান তার ডান-ক্লিক করুন, এবং তারপর context মেনু থেকে “Properties” নির্বাচন করুন।
  • বৈশিষ্ট্য উইন্ডোতে, “Advanced” ট্যাবে এবং “Property” তালিকাতে “Network Address” এন্ট্রি নির্বাচন করুন। আপনি এই অপশন টি দেখতে না পেলে, আপনার নেটওয়ার্ক ড্রাইভার এই বৈশিষ্ট্যটি সমর্থন করে না।
  • Value option টি এনাবল করুন এবং কোনও পৃথক অক্ষর ছাড়া আপনার পছন্দসই MAC ঠিকানা টাইপ করুন। তবে উল্লেখ্যঃ কোন ড্যাশ বা কোলন ব্যবহার করবেন না। কাজ সম্পন্ন হলে “ওকে” ক্লিক করুন।

লিনাক্সে ম্যাক অ্যাড্রেস পরিবর্তন করুনঃ

উবুন্টুর মতো আধুনিক লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশনগুলি সাধারণত নেটওয়ার্ক ম্যানেজার ব্যবহার করে, যা একটি MAC অ্যাড্রেসকে ঠেকানোর একটি গ্রাফিকাল উপায় প্রদান করে। উদাহরণস্বরূপ, উবুন্টুতে আপনি উপরের প্যানেলে নেটওয়ার্ক আইকনে ক্লিক করে “Edit Connections” ক্লিক করুন, আপনি যে নেটওয়ার্ক সংযোগটি পরিবর্তন করতে চান তা নির্বাচন করুন, এবং তারপরে “Edit” অপশনে ক্লিক করুন। ইথারনেট ট্যাবের উপর, আপনি “Cloned MAC address” ক্ষেত্রের একটি নতুন MAC ঠিকানা লিখুন, এবং তারপর আপনার পরিবর্তনগুলি সংরক্ষণ করুন। আপনি এই পুরোনো-জলাবদ্ধ উপায় ব্যবহার করতে পারেন। এর মধ্যে নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসটি নিচে নিয়ে যাওয়া, তার MAC ঠিকানাটি পরিবর্তন করার জন্য একটি কমান্ড চালানো এবং তারপর এটি ব্যাক আপ আনয়ন করা যায়। নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসের নামের সাথে “eth0” প্রতিস্থাপন নিশ্চিত করুন যা আপনি আপনার পছন্দের MAC ঠিকানা সংশোধন করতে এবং প্রবেশ করতে চান।

ম্যাক অ্যাড্রেস পরিবর্তন
ম্যাক অ্যাড্রেস পরিবর্তন

আপনি /etc/network/interfaces.d/ এর অধীনে উপযুক্ত কনফিগারেশন ফাইলটি পরিবর্তন করতে হলে / etc / network / interfaces ফাইল নিজেই পরিবর্তন করতে হবে যদি আপনি চান যে এই পরিবর্তনটি সর্বদা বুট সময় কার্যকর হবে। আপনি যদি না করেন তবে আপনার MAC ঠিকানা পুনঃসূচনা করার সময় পুনরায় সেট করা হবে।

ম্যাক ওএস এক্সে(Mac OS X) ম্যাক অ্যাড্রেস পরিবর্তন করুনঃ

ম্যাক ওএস এক্স এর সিস্টেম অভিরুচি প্যান প্রতিটি নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসের MAC ঠিকানা প্রদর্শন করে, কিন্তু এটি আপনাকে পরিবর্তন করতে দেয় না। যে জন্য, আপনার টার্মিনাল প্রয়োজন। একটি টার্মিনাল উইন্ডো খুলুন (কমান্ড + স্পেস টাইপ করুন, টাইপ করুন “Terminal,” এবং তারপর এন্টার চাপুন।) নিম্নলিখিত কমান্ডটি চালান, en0 আপনার নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসের নাম দিয়ে এবং আপনার নিজের MAC ঠিকানা পূরণ করে:

sudo ifconfig en0 xx:xx:xx:xx:xx:xx

নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসটি সাধারণত en0 বা en1 হবে, আপনি ম্যাকের Wi-Fi বা ইথারনেট ইন্টারফেস কনফিগার করতে চান কি না তা নির্ভর করে। আপনি যদি উপযুক্ত নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসের নাম নিশ্চিত না হন তবে ইন্টারফেসগুলির তালিকা দেখতে ifconfig কমান্ডটি চালান। লিনাক্সের মতো, এই পরিবর্তনটি অস্থায়ী এবং পরবর্তী রিবুট হলে পুনরায় সেট করা হবে। যদি আপনি স্থায়ীভাবে আপনার ম্যাক অ্যাড্রেসটি পরিবর্তন করতে চান তবে আপনাকে এই লিস্টটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বুট করার জন্য একটি স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করতে হবে।

পরিশিষ্টঃ 

আপনি আপনার পরিবর্তনটি ভেরিফাই করে দেখতে পারেন এবং কমান্ড চালানোর দ্বারা আপনার নেটওয়ার্কের ইন্টারফেসের রিপোর্টগুলি কি তা পরীক্ষা করে এবং যাচাই করে দেখতে পারেন।  উইন্ডোজে, কমান্ড প্রম্পট উইন্ডোতে ipconfig / all কমান্ডটি চালান। লিনাক্স বা ম্যাক ওএস এক্স-এ, ifconfig কমান্ডটি চালান। এবং যদি আপনি আপনার রাউটারের MAC ঠিকানা পরিবর্তন করতে চান, তাহলে আপনি আপনার রাউটারের ওয়েব ইন্টারফেসে এই বিকল্পটি পাবেন।  যে কোন ধরণের হেল্পের জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। আমাদের গ্রুপের লিংক ।ধন্যবাদ।

আরও পড়ুনঃ

অ্যান্ড্রয়েড

কিভাবে মোবাইল ফোন আনলক করবেন?এটিকে একটি নতুন ক্যারিয়ারে আনা যায়?

কিভাবে মোবাইল ফোন আনলক করবেন
কিভাবে মোবাইল ফোন আনলক করবেন

কিভাবে মোবাইল ফোন আনলক করবেন?এটিকে একটি নতুন ক্যারিয়ারে আনা যায়?

উত্তর আমেরিকায় বিক্রি করা বেশিরভাগ মোবাইল ফোন চুক্তিগত ভাবে তৈরী, সেগুলো একটি বিশেষ সেলুলার ক্যারিয়ারে “লক করা” থাকে। তারা কেবলমাত্র সেই ক্যারিয়ারের নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে, তাই আপনি এটি প্রথম “আনলক করা” ছাড়া অন্য ক্যারিয়ারে পরিবর্তন করতে পারবেন না। ফোন লকিং সর্বনিম্ন থেকে সবচেয়ে দামি ফোন,সর্বোচ্চ স্তরের স্মার্টফোন পর্যন্ত প্রায় সব ধরনের সেলফোনের জন্য প্রযোজ্য। Unlocking jailbreaking এবং rooting, যা মোবাইল ডিভাইসের উপর অন্যান্য সফ্টওয়্যার সীমাবদ্ধতা বাইপাস থেকে ভিন্ন। আপনার মোবাইল ফোন আনলক করা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুনঃ

আনলকিং সম্পূর্ণরূপে ফোনকে পোর্টেবল করবে না

প্রথমত, এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে ফোনটি আনলক করার পরেও অন্য ক্যারিয়ারে কাজ করতে সক্ষম হবে না। উদাহরণস্বরূপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, AT & T এবং T-Mobile জিএসএম ওয়্যারলেস স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে, যখন ভেরিজোন এবং স্প্রিন্ট সিডিএমএ বেতার মান ব্যবহার করে। এটি একে অপরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, যার মানে আপনি Verizon এ কেনা একটি সিডিএমএ ফোন আনলক করতে পারবেন না এবং AT & T এর জিএসএম নেটওয়ার্ক নিতে পারেন, অথবা বিপরীতক্রমে কাজ চালাতে পারেন।

সিডিএমএটি আরও বেশি সীমাবদ্ধ নেটওয়ার্ক! যেখানে আপনি AT & T ফোন আনলক করতে পারেন এবং এটি T-Mobile এ আনতে পারেন, সেখানে আপনি একটি Verizon ফোন আনলক করতে পারবেন না এবং এটি স্প্রিন্টে নিতে পারবেন না, কারণ স্প্রিন্টের সিডিএমএ নেটওয়ার্ক ফোনটি প্রত্যাখ্যান করবে। সৌভাগ্যক্রমে, বিশ্বের বেশিরভাগ কম-সীমাবদ্ধ জিএসএম স্ট্যান্ডার্ড নির্বাচন করেছে। আপনি ফোনটি আনলক করার আগে এবং এটি অন্য ক্যারিয়ারে নিয়ে যাওয়ার আগে বিবেচনা করুন, নিশ্চিত করুন যে আপনার ফোনটি আসলেই সেই ক্যারিয়ারের নেটওয়ার্কের কার্য সম্পাদন করতে সক্ষম হবে কি-না।

ফোন লকিং এর ব্যাখ্যাঃ

সিডিএমএ / জিএসএম পার্থক্য বাহকগণের মধ্যে ফোনের চলার জন্য একটি বৈধ প্রযুক্তিগত বাধা। যাইহোক, কৃত্রিম বাধা আছে। ক্যারিয়ারগুলি “লক” ফোনে কেবলমাত্র সেই ক্যারিয়ারের নেটওয়ার্কে কাজ করে। উদাহরণস্বরূপ, এর কথা বলা যাক আপনি AT & T এ যান এবং চুক্তিতে কোনও স্মার্টফোন বাছাই করুন। যে ফোনটি AT & T এর নেটওয়ার্কে কাজ করবে, তবে যদি আপনি ফোনটিতে একটি টি-মোবাইল সিম কার্ড স্থাপন করার চেষ্টা করেন এবং T-Mobile এর নেটওয়ার্কের সাথে সংযোগ স্থাপন করেন তবে ফোনটি টি-মোবাইল সিম কার্ড প্রত্যাখ্যান করবে। এটির কোনও বৈধ প্রযুক্তিগত কারণ নেই – এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ – তবে AT & T ফোন AT & T এর নেটওয়ার্কের “লক করা” এবং শুধুমাত্র AT & T SIM কার্ড গ্রহণ করবে। আপনি যদি কোন দেশে ভ্রমণে যান, এবং আপনি রোমিংয়ের দামের বদলে যে দেশে গিয়েছিলেন তার একটি স্থানীয় ক্যারিয়ার ব্যবহার করতে চান তবে আপনার লক করা ফোনটি AT & T SIM কার্ডের দ্বারা কোনও কিছু প্রত্যাখ্যান করবে।

ফোনগুলি কেন লক করা আছে?

সেলুলার বাহকগণ যুক্তি দেন যে ফোন লকিং তাদের ব্যবসার একটি প্রয়োজনীয় অংশ। ফোনগুলি লক করার মাধ্যমে তারা চুক্তিটি বিক্রি করে, তারা গ্রাহকদের তাদের নেটওয়ার্কে রাখতে সক্ষম হয় যাতে তারা মাসিক বিল পরিশোধ করে থাকে। মনে রাখবেন, ফোনগুলি আসলে চুক্তির মূল্যের উপর নির্ভরশীল নয় বরং তারা ভর্তুকি পায়। কোনও ফোন আসলে “ফ্রি” নয় এবং সর্বশেষ আইফোন আসলে $ 199 এর চেয়েও বেশি খরচ করে। তাই ক্যারিয়ারের চুক্তির জীবদ্দশায় অন-কন্ট্রাক্ট ফোন খরচ পুনরুদ্ধার করতে হবে। গ্রাহকরা তাদের ফোনগুলি অন্যান্য নেটওয়ার্কে নিতে সক্ষম হবেন, বাহকেরা যুক্তি দিচ্ছে যে তারা ফোনটির দাম পুনরুদ্ধার করতে অসুবিধা করবে এবং তাদের ব্যবসায়িক মডেল হিট হবে। পুরোটাই ব্যবসায়িক কারণ!

প্রকৃতপক্ষে, এটি একটি মোটামুটি মূর্খ দ্বন্দ্ব। আপনি যদি চুক্তিতে একটি ফোন কিনে থাকেন, তাহলে আপনি দুই বছরের চুক্তিতে স্বাক্ষর করছেন। আপনি যদি এই ফোনটি অন্য ক্যারিয়ারে নিতে চান, তাহলে আপনাকে আপনার চুক্তিটি ভাঙতে হবে এবং একটি প্রাথমিক পরিসমাপ্তি ফি প্রদান করতে হবে এবং চুক্তির জীবদ্দশায় মাসিক বিল পরিশোধ করতে হবে। এই চুক্তিগত বাধ্যবাধকতা এখনই বন্ধ করা যাবে! এমনকি যদি ফোনটি নিজেই আনলক করে বিক্রি হয় এবং আপনি এটি অন্য একটি ক্যারিয়ারে নিয়ে যান। কিছু স্মার্টফোনের এমনকি যদি আপনি কোনও চুক্তি স্বাক্ষর না করে, সম্পূর্ণ দামে একটি ক্যারিয়ারের দোকান থেকে তাদের কিনেন তবে তা লক করেও বিক্রিও হতে পারে, যা দেখায় এই যুক্তিটি কতখানি মূর্খ।

সেলফোনের লকিং আসলেই কেবল একটি ব্যবসায়িক উপায় মাত্র! যা সাধারণ মানুষ ক্যারিয়ার পরিবর্তন করার জন্য অতিরিক্ত ঘর্ষণ তৈরি করে, কোম্পানি তাদের ভাল ক্যারিয়ারের জন্য মানুষ কে অপেক্ষা করার এবং ক্যারিয়ার পরিবর্তন করার পরিবর্তে তাদের বর্তমান ক্যারিয়ারের সাথে আটকে রাখার জন্য উত্সাহিত করে। এটা অনেক ভয়ানক ব্যবসায়িক প্রচেষ্টার কারণ বৈ কিচ্ছু না!

আপনার ফোন আনলকিং করুনঃ

আপনি যদি আপনার ফোন আনলকিং করতে চান তবে ধরে নিতে পারি- সম্ভবত আপনার আপনার চুক্তি মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে বা চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসতে চান কিংবা আপনার ফোন টিকে নতুন কোন ক্যারিয়ারে নিয়ে যেতে চান, অথবা বাইরের কোন দেশে ফোন টি পরিচালনা করতে চান। এখানে ফোন আনলক করার উপায় দেওয়া হলো:

কল করুন এবং সুন্দরভাবে জিজ্ঞাসা করুন: আপনার ক্যারিয়ার আপনার জন্য আপনার ফোন আনলক করতে পারে। আপনার ক্যারিয়ারকে কল করুন এবং সুন্দরভাবে জিজ্ঞাসা করুন – যদি আপনার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যায় তবে তারা আপনার জন্য আপনার ফোনটি আনলক করবে। যদি আপনি আপনার ক্যারিয়ারকে জানান যে আপনি ভ্রমণ করবেন এবং রোমিং ফি সংরক্ষণ করতে অন্য দেশ থেকে সিম কার্ড ব্যবহার করতে চান তবে তারা আপনার জন্য আপনার ফোন আনলক করতে পারে। তারা এই জন্য একটি ফি চার্জ করতে পারে, কিন্তু এটি একটি শট মূল্য।

পরিশিষ্টঃ 

অবশ্যই, সব ফোন লক বিক্রি করা হয় না। প্রায়ই, একটি ক্যারিয়ারের পরিবর্তে নির্মাতারা সরাসরি ফোন বিক্রি করে আনলক আসে। আপনাকে সাধারণত একটি আনলক ফোন পেতে পুরো দাম দিতে হবে যা আপনি ক্যারিয়ার নেটওয়ার্কগুলির মধ্যে স্থানান্তর করতে পারেন, কারণ ফোনটির এটি সম্পূর্ণ খরচ। ভর্তুকির কোনও ক্যারিয়ার চার্জ নেই এখানে।

আরও পড়ুনঃ

Add your widget here