কিভাবে

ওয়েব ব্রাউজার কী?

আপনি একটি ওয়েব ব্রাউজারে এই আর্টিকেল টি পড়ছেন। যা আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনে ইনস্টল করা আছে। ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে আপনি ইন্টারনেটে তথ্য পড়তে পারেন।

তবে, আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন? ওয়েব ব্রাউজার কী? ব্রাউজার কীভাবে কাজ করে? ওয়েব ব্রাউজারের কার্যকারিতা কী? ব্রাউজারের সংজ্ঞা কী? একটি ব্রাউজারে কাজগুলি কি কি?

আপনিও যদি ওয়েব ব্রাউজার সম্পর্কিত উপরের লিখিত প্রশ্নের উত্তর জানতে এখানে এসে থাকেন তবে আপনি হতাশ হবেন না। কারণ এই নিবন্ধটি কেবল আপনার জন্য লেখা হয়েছে। এই নিবন্ধে, আমরা আপনাকে ওয়েব ব্রাউজার সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দিচ্ছি।

সহজে বুঝতে ইন্টারনেট ব্রাউজারের বিষয়টিকে নিম্নলিখিত অংশগুলিতে বিভক্ত করা হয়েছে। আপনি যে প্রশ্নের উত্তর জানতে চান তাতে ক্লিক করুন। আপনি সেখানে পৌঁছে যাবেন।

ওয়েব ব্রাউজার কী? ওয়েব ব্রাউজারটি কী?

ওয়েব ব্রাউজার একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম, যা ব্যবহারকারীদের জন্য ইন্টারনেটে ওয়েবপৃষ্ঠাগুলি অনুসন্ধান করে মানব ভাষা অনুবাদ করে। এই ওয়েবপৃষ্ঠাগুলিতে থাকা তথ্যের মধ্যে গ্রাফিক্স, মাল্টিমিডিয়া, ওয়েব প্রোগ্রাম এবং সাধারণ পাঠ্য রয়েছে। একটি ব্রাউজার ওয়েব মানকগুলির উপর ভিত্তি করে ওয়েবপৃষ্ঠাগুলি থেকে ডেটা আনে। গুগল ক্রোম একটি জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার।

আপনি যদি আরও সহজভাবে বলেন, ব্রাউজারগুলি ইন্টারনেটে ওয়েবসাইটগুলি অনুবাদ করার জন্য কাজ করে।

অনেক ধরণের তথ্য একটি ওয়েবসাইটে পাওয়া যায় যা ব্রাউজার নিজেই পড়ে এবং ব্যবহারকারীকে বোঝার মতো একটি ভাষাতে প্রদর্শন করে। কারণ এই ওয়েবসাইটগুলি তৈরি করতে অনেকগুলি ভাষা ব্যবহৃত হয় যা একটি সাধারণ ব্যবহারকারী বুঝতে পারে না।

ওয়েবে উপলব্ধ ওয়েব সংস্থানগুলি হাইপারটেক্সট মার্কআপ ল্যাগোয়েজস (এইচটিএমএল) 

ব্রাউজারের ইতিহাস – ওয়েব ব্রাউজারগুলির ইতিহাস

এটা 90s এর দশক। মিঃ টিম বার্নার্স লি কম্পিউটারে তথ্য ভাগ করে নেওয়ার পদ্ধতিতে কাজ করছিলেন। হাইপারলিঙ্কস দিয়ে তিনি এই কাজটি সহজ করেছিলেন । হাইপারলিঙ্ক এইচটিএমএল ল্যাঙ্গুয়েজের কমান্ড command।

তিনি অন্য কম্পিউটারে একটি কম্পিউটারে তথ্য পেতে এইচটিএমএল ভাষা তৈরি করেছিলেন। এইচটিএমএল স্পেশাল কমান্ডে লেখা হয়। এই বিশেষ কমান্ডগুলি ” এইচটিএমএল ট্যাগস ” নামে পরিচিত।

এখন সমস্যাটি হ’ল সকলেই এই ট্যাগগুলি বুঝতে পারে না। তারপরে তিনি এমন একটি প্রোগ্রাম তৈরি করেছিলেন যা এইচটিএমএল ট্যাগগুলি বোঝে।

এই প্রোগ্রামটি এইচটিএমএল ট্যাগ পড়তে এবং ব্যবহারকারীর সামনে কেবল তথ্য প্রদর্শন করতে ব্যবহৃত হয়। এটি তথ্য ভাগ করে নেওয়া এবং পড়া খুব সহজ করে তুলেছে।

টিম বার্নার্স লি তার প্রোগ্রামটির নাম রেখেছিলেন ” ব্রাউজার “। যা আজ আমরা ওয়েব ব্রাউজার হিসাবেও জানি। এইভাবে, বিশ্বের প্রথম ব্রাউজারটি 1991 সালে সম্পূর্ণ হয়েছিল। প্রথম ওয়েব ব্রাউজারটির নাম দেওয়া হয়েছিল ” WWW “। ডাব্লুডাব্লুডাব্লু মানে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব।

ইন্টারনেটে সামগ্রীর সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য, অবস্থান (একটি সাধারণ কম্পিউটার) বা ঠিকানা (এই কম্পিউটারের নাম) প্রয়োজন।

আপনি এই অবস্থান বা ঠিকানাটি URL এর নামে জানেন । URL টিতে একটি সম্পূর্ণ ফর্ম ইউনিফর্ম রিসোর্স অবস্থান রয়েছে ।

যে কোনও ইউআরএলের দুটি অংশ রয়েছে। প্রথম অংশটি হ’ল প্রোটোকল (কম্পিউটারগুলির মধ্যে তথ্য বিনিময়ের জন্য স্ট্যান্ডার্ড) এবং দ্বিতীয় অংশটি ডোমেন নেম ।

আমরা ব্রাউজারের মাধ্যমে এই ইউআরএলগুলি অ্যাক্সেস করতে পারি। এই URL গুলির সামগ্রীটি এইচটিএমএল ডকুমেন্ট বা ওয়েবপৃষ্ঠা আকারে।

এই নথিগুলি বিশেষ এইচটিএমএল কমান্ড দ্বারা লিখিত হয়েছে। ব্রাউজারগুলি এই বিশেষ কমান্ডগুলি (এইচটিএমএল ট্যাগগুলি) পড়ে এবং সেগুলি ব্যাখ্যা করে, তারপরে আমাদের সামনে তথ্য প্রদর্শন করে।

এইভাবে আমরা বলতে পারি যে প্রথম ব্রাউজারটি ওয়েব ঠিকানায় যায়। তারপরে সেই ওয়েব ঠিকানায় সামগ্রীটি পড়ে এবং বোঝে। এর পরে, এটি ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছে যায়।

সমস্ত ব্রাউজারের কার্যকারিতা একই। কারণ ব্রাউজারগুলিতে উপস্থিত ডেটা রেন্ডারিং ইঞ্জিনগুলি কেবলমাত্র নির্দিষ্ট ওয়েব মানের ভিত্তিতে ওয়েব সংস্থানগুলি আনে । অতএব, ওয়েবে একটি মড্যালিটি রয়ে যায়।

তুমি কি শিখেছ?

এই নিবন্ধে, আমরা আপনাকে ওয়েব ব্রাউজার সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দিয়েছি। আপনি কি জানতেন ব্রাউজার কী? ব্রাউজার কীভাবে কাজ করে? আপনি ব্রাউজারের ইতিহাসও জানেন। এই ব্রাউজার গাইডটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন যাতে তারাও ইন্টারনেট ব্রাউজারের সাথে পরিচিত হয়। আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি জিজ্ঞাসা করতে এবং মন্তব্য করতে পারেন।

টিপস এন্ড ট্রিকস

ফেসবুক ফ্রি এড এর আদ্যপ্রান্ত, চলুন দেখি কি আছে এর মাঝে

মহা জ্ঞ্যানী, মহা পাপী কিছু বান্দা আছে, যারা ফেসবুকে ফ্রি এড চালিয়ে নিজেকে সুপারম্যান ভেবে থাকে। যেমন আমি 😎, এই কথা শোনার পরে আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে, কিভাবে সম্ভব ভাই? 😱 ওকে, কুল! এত ব্যাস্ত আমরা না হয়, হুরোহুরি কম করি। দৈহিক দূরত্ব বজাই রাখি 🥴।  সব এবার ক্লিয়ার হয়ে যাবে। ক্লিয়ার করার জন্যই লিখতে বসেছি 😏 ।

ফেসবুক এডস কি

ফেসবুক এডস কি? ফেসবুকে ও তার সহযোগী প্রতিষ্ঠানে অর্থ খরচ মানে মাকু খরচ করে যে এড প্রোমোশন চালিয়ে থাকেন তাই ফেসবুক এডস। ফেসবুকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান বলতে ইন্সট্রাগ্রাম, হোয়াটস এপ এই গুলো আর কি।

ফেসবুক এডস এর ধরণ

আপনি যখন কিছু একটা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত জানবেন তখন আপনাকে সেই বিষয় টার ধরণ ও প্রকার নিয়ে জানতে হবে। এটা বলতে পারে আব্যশিক। তো ফেসবুক এড কই ধরনের? ফেসবুক এড মূলত ২ ধরণের।

  1. প্রিপেইড এড
  2. পোস্ট পেইড এড

প্রিপেইড এড

প্রিপেইড বিষয় টা কম বেশি সবাই বুঝে থাকি, আপনাকে আগে রিচার্জ করতে হবে। এর পরে সেই ব্যালেন্স থেকে আপনার এড এর জন্য এমাউন্ট কাটা হবে।

পোস্ট পেইড এড

পোস্ট পেইড বিষয় টাও নিশ্চয় বুঝেন, আপনাকে একটা লিমিট দেওয়া হবে ও একটা নিদির্ষ্ট ডেট ফিক্স করে দেওয়া হবে। এই লিমিটের উপরে গেলে আপনার একাউন্টে চার্জ করা  হবে। মনে রাখবেন, এখানে যে লিমিট দেওয়া হয় তাকে Threshold বলে।

প্রি-পেইড এড কখন কখন ব্যবহার হয়?

আপনি এড ইউজ করলে বুঝে থাকবেন, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই প্রি-পেইড এড ইউজ করতে হয়। যখন কার্ড যুক্ত করবেন আপনাকে একটা এমাউন্ট সেট করা লাগবে। আসলে, এটা মূলত কাজ করে। আপনি কোন ব্যাংক এর কার্ড ব্যবহার করছেন। ফেসবুক ব্যাংক ও বিন কে টার্গেট করে প্রি-পেইড পোস্ট পেইড করে থাকে। এর জন্য আইডি বা দেশ ফ্যাক্ট না। তবে হ্যাঁ, ইউ এস বা ইউরোপের কান্ট্রি গুলোতে প্রি পেইড কম।

পোস্ট পেইড নিয়ে কিছু না বলি, কেননা ফ্রি এর খেলাটাই পোস্ট পেইডে। 🥰

ফ্রি এড এর কাহিনী

উহু, ফ্রি ফ্রি কাহিনী শোনার আগে লাল ঘন্টাই চাপ দিয়েন। আর আপনার মেইল টা দিয়ে যায়েন। পরের বার আবার ডেকে আনতে হবে তো। 🤐

তো বাই দ্যা রাস্তা, ফ্রি এর কাহিনী হচ্ছে সিম্পল। আপনার এমন ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড দরকার যেটা ফেসবুক পোস্ট পেইড এড হিসাবে চালানো যায়। এবার এই কার্ডটা এড করার সাথে সাথে আপনাকে একটা এমাউন্ট দিয়ে দেবে ফেসবুক। এবার আপনি সে এমাউন্ট ইউজ করলেন কিন্তু ফেসবুকে আপনার বিলটা পরিশোধ করলেন না।

কিন্তু এখন প্রশ্ন এসে যায় এত কার্ড পাবো কোথায়? হ্যাঁ এটাই প্রশ্ন, এর জন্য আপনাকে ইউজ করতে হবে বিন।

ফেসবুক ফ্রি এড
ফেসবুক ফ্রি এড

তো আগে আমরা বিনের ব্যাপারে জেনে আসি

বিন কি

বিন হচ্ছে ব্যাংক আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার। একটা ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের প্রথম 6 ডিজিট হচ্ছে বিন নাম্বার। যেমন ধরূন আপনার কার্ডের নাম্বার হচ্ছে 53004690267829 এখানে বিন নাম্বার হচ্ছে 530046। এই বিন টা শুধু নির্দিষ্ট একটা ব্যাংকের থাকবে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে একটা ব্যাংকের কি একটাই বিন থাকতে পারে কিনা? আসলে বিনের একটা লিমিটেশন আছে, একটি বিনে যে আনলিমিটেড কার্ড থাকতে পারবে তা না। এইটা একটা এ্যালগোরিদমের উপরে কাজ করে। যার নাম Luhn algorithm ।,

একটা ব্যাংকে ধরুন ১০০০০ হাজার ক্লায়েন্ট আছে, কিন্তু একটা বিনে কার্ড হতে পারে ১০০০ টা। এখন তাহলে কি করবে? যখন 530046 এই বিন টার লিমিট ফুরাই যাবে, তখন আর এই বিনের কোন কার্ড ঐ ব্যাংকের ইউজারদের দেওয়া হবে না। তখন অন্য বিনের কার্ড দিবে। ধরি নতুন বিন হচ্ছে 521747। এখন এই বিনে আরো ১০০০ ক্লায়েন্ট কার্ড ব্যবহার করবে। সো, একটা ব্যাংকের অনেক বিন হতে থাকতে পারে। ব্যাংক যত বড় হবে, বিন তত বেশি হবে। আবার ব্যাংক যত ছোট হবে, বিন তত কম হবে।

বিন কিভাবে খুঁজে পাবেন

বিন খোজার আগে এটা জেনে নিন, সব বিন সব ওয়েবসাইটে কাজ করে না। বিন মূলত সেই সব ওয়েবসাইটেই কাজ করে, যারা ফ্রি ট্রাইয়াল দেয় ও পোস্টপেইড অফার দেয়। যেমনঃ নেটফ্লিক্স, গুগল এড, ফেসবুক এড ইত্যাদি।

বিন খোঁজার জন্য আপনাকে অনেক অনেক সময় দিতে হবে। আপনাকে প্যাটার্ন বুঝতে হবে। কেননা যে প্যাটার্নের কার্ড ফেসবুকে কাজ করবে, সেই প্যার্টানের কার্ড গুগলে কাজ না করতেও পারে। বিন খোঁজার জন্য অনলাইনে অনেক ফ্রি বিন চেকার রয়েছে। কিছু চেকারের লিং দিয়ে দিচ্ছি।

কোন কার্ড গুলো আসলে কাজ করে ফেসবুকে

ফেসবুকে মূলত Unembossed Prepaid Student ও prepaid playroll সিরিজের মাস্টার কার্ড গুলো কাজ করে। আপনাকে বিন সিলেক্টের সাথে সাথে বিনের প্যার্টান টাও বুঝতে হবে। যেমন এই ২ সিরিজের কার্ড গুলো অধিকাংশ সময় কাজ করে থাকে। যদিও এখানে ব্যাংকের কিছু ব্যাপার স্যাপার থাকে। যা আপনাকে শিখে নিতে হবে। এই গুলো শেখানোর বিষয় না।

কি বুঝলাম?

বুঝলাম এটাই, শেয়ার, কমেন্ট আর সাবস্ক্রাইব করে না গেলে কারো বাচ্চা হবে না, বিয়ে হবে না। 🤐 ফ্রি এড তো চলবেই না। 🥴 সো যা বললাম করে যান। 😎

 

Sms Offer

Which Gp Sms Pack 2020 Best For You | New Update | 500 sms 5 TK

Gp SMS Pack 2020: Aj apnader janabo Gp SMS Offer 2020 niye. apnara janen grameenphone bangladesh er sob theke boro operator. Gp SMS pack gulo onk sundor. khub kom dame GP SMS offer gulo diye thake.

Best GP SMS PACK 2020 | LIST

GP SMS Pack Price Dial Code Validity
50 SMS BDT 2 @ “S3” Type to send 8426 1 day
100 SMS (Gp-GP) BDT [email protected] *121*1015*1# 3 day
100 SMS BDT @ 5
*111*10*06#
4 day
25 SMS 1 BDT @ *121*1015*2# 1 day

Amra Gp Sms pack gulo update koreci jun month e. Apni sob pack gulo akdom kom dame paben. esarau niche amader aro kisu GP SMS offer deya ase.

gp sms pack 2020
gp sms pack 2020

Gp Sms Pack 2020 | 100 Sms 5BDT (Gp to Gp)

AI list e GP SMS pack er 100 SMS 5 Tk te neyar upai diye deya ase. ei offer ti onk sundor.

  • GP sms pack ti kinte dial *111*10*06# korun
  • sms pack tir meyad only 3 din
  • Sms Offer Tir balance check korte dial korun *566*2#

Gp Sms Offer 2020 | 25 Sms 2BDT | Any operator

Ei gp sms offer ti onekta gp internet offer er motoi. khub ekta sunbidhar sms pack na eta. jaihok ei pack ti te apni 25 ti sms paben jar dam porbe 2 Tk.

  • Gp sms pack Ti active korte dial korun *121*1015*2#
  • sms offer ti apni onk bar nite parben
  • sms er meyad thkbe 3 din.
  • Skitto customer gp sms pack ti kinte parben na.

 50 Sms offer | Gp SMS pack 2020

Gp disse darun sms offer. matro 2 tk te 50 ti gp sms pack kinte parben apni.

  • ei sms pack ti kinte type korun  “S3” and send 8426 ei number e.
  • meyad 1 din sms offer tir.
  • ei sms pack ti apni sudhu gp user der kasei sms send korte parben.

gp internet offer e jotoi jal koruk. sms offer onk valo dei.

অ্যান্ড্রয়েড

অ্যান্ড্রোয়েডের অজানা ৭ টি ফ্যাক্ট

আপনি যদি একজন Android ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে android এর কিছু মজার বিষয় আপনার জানা দরকার। Android এর এমন কিছু ফ্যাক্ট রয়েছে যা আপনি জানেন না।
ফ্যাক্ট পর্বের আগের আর্টিকেলে আপনারা দেখেছিলেন অ্যান্ড্রোয়েডের মজার ৫ টি ফ্যাক্ট । আজকে আপনারা দেখবেন অ্যান্ড্রোয়েডের অজানা কিছু ফ্যাক্ট। যা আপনি জানতেন না আগে।

১। Android কে প্রথমে মূলত স্মার্টফোনের জন্য বানানো হয়নি, বানানো হয়েছিল ডিজিটাক ক্যামেরার জন্য।

২। সকল Android Mobile ভার্সনের নাম ইংলিশ অ্যালফ্যাবেট A থেকে পর্যায়ক্রমে শুরু হয়েছে, Astro, Bender, Cupcake, Donut, Eclair, Froyo, Gingerbread, Honeycomb, Ice Cream Sandwich, Jelly Bean, KitKat, Lollypop, Marshmallow, Nougat, Oreo, Pie । আসলেই এটা কিন্তু আগে ভেবে দেখি নি আমরা।

৩। Phandroid হচ্ছে প্রথম ডেটিকেটেড ওয়েবসাইট, যারা Android নিয়ে ব্লগ, রিভিউ করেছে। এটা ২০০৭ সালে প্রথম যাত্রা শুরু করে।

৪। Android 3.0 Honeycomb একমাত্র ফোন যেটা শুধু মাত্র ট্যাবলেটের জন্য বানানো হয়েছিল, যেটাকে লাঞ্জ করা হয়েছিল Motorola Zoom ফোনে। কিন্তু সত্য কথা বলতে পুরাই লস প্রোজেক্ট।

৫। আমরা জানি বেশির ভাগ Android এপস ফ্রি কিন্তু সকল পেইড ও ফ্রি এপস যদি একসাথে গড় করা যায় তাহলে প্রতিটি এপস এর দাম পরবে 0.06$ বা ৪-৫ টাকার মত।

৬। অ্যান্ড্রোয়েডের লোগোকে আমরা Android হিসাবে জানলেও গুগল আন অফিশিয়াল ভাবে ডেকে থাকে Bugdroid নামে। আপনি গুগলে সার্চ দিন Bugdroid নামে, দেখবেন অ্যান্ড্রোয়েডের লোগো চলে আসবে।

৭। অ্যান্ডোয়েডের লোগোটার আইডিয়া নেয়া হয় মূলত ছেলেদের টয়লেটের দরজার লোগো থেকে। একটু ভেবে দেখুন, মিল টা নিজেই ধরতে পারবেন।

আশা করি ভাল লেগেছে, আমাদের কনটেন্ট রেগুলার পেতে বাম পাশের লাল সাবস্ক্রাইব বাটনটি ক্লিক করুন। কোন ধরণের স্প্যাম ছাড়ায় আপনার ব্রাউজারে আমাদের সর্বশেষ কনটেন্ট পৌছিয়ে যাবে।

 

ফ্যাক্ট

এন্ড্রোয়েডের মজার ৫ টি ফ্যাক্ট

আমরা যারা স্মার্টফোন ব্যবহারকারী তাদের মাঝে বেশির ভাগ ব্যবহার করেন এন্ড্রোয়েড। বলতে পারি এন্ড্রোয়েড একটি ভালবাসার নাম আমাদের জন্য। আমাদের মাঝে কিছু কিছু পাবলিক আছে যাদের আইফোন দিলেও এন্ড্রোয়েড ব্যবহার করবেন। যদিও এর সংখ্যা খুব।

যায়হোক, আমরা এড্রোয়েড ফোন ব্যবহার করলেও আমরা এন্ড্রোয়েডের কিছু বিষয় যা আমরা ভুল জানি অথবা জানি না। আজকে আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করবো ৫ টি অজানা বিষয় নিয়ে।

এন্ড্রোয়েড গুগলের প্রোডাক্ট ছিল না

আমরা হয়তো এটা জানি এন্ড্রোয়েডের প্রোডাক্ট, কিন্তু আমরা এটা জানি না এন্ড্রোয়েড প্রথমে গুগলের প্রোডাক্ট ছিল না। Android Inc নামে একটি কোম্পানি এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেম ডেভেলপ করে। যার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন Andy Rubin, Rich Miner, Chris White ও Nick Sears । ২০০৪ সালে ৫০ মিলিয়ন ডলার দিয়ে গুগল এটাকে কিনে নেয়, বাকি টা আপনি আমি সবাই জানি।

প্রথম এন্ড্রোয়েড ফোন

আপনি কি জানেন প্রথম এন্ড্রোয়েড ফোন টি কি? না, স্যামসাং বা গুগলের কোন ফোন না। এটা হচ্ছে HTC Dream ও T-Mobile G-1 । মজার ব্যাপার হচ্ছে T-Mobile G-1 ছিল স্লাইড ফোন।

এন্ড্রোয়েড নাম

আমরা জানি সকল এন্ড্রোয়েড ভার্সনের নাম চকলেট বা মিষ্টি জাতীয় কিছু দিয়ে দিয়ে হয়। কিন্তু ২ টা ভার্শন আছে যার নাম এমন না। একটি হচ্ছে Android 1.0 (Astro) আরেকটি হচ্ছে Android 1.1 (Bender)।

মাইক্রোসফট এর আয় এন্ড্রোয়েড থেকে

আপনি জানলে অবাক হবেন যে, প্রতিটি এন্ড্রোয়েড ফোন বিক্রির জন্য মাইক্রোসফট ১০-১৫ ডলার পেত। শুধু এই ভাবে ২০১৩ সালে ২ বিলিয়ন আয় করেছিল। এটা তারা পেত মাইক্রোসফট এর প্যাটান ব্যবহারের জন্য।

ডেভেলপমেন্ট

আমরা জানি এন্ড্রোয়েড একটি ওপেন সোর্স ওপারেটিং সিস্টেম। এর জন্য আপনি চাইলে নিজের জন্য এন্ড্রোয়েড ভার্সন ডেভেলপ করতে পারবেন। কিন্তু এটা বিক্রি করতে পারবেন না। শুধু মাত্র নিজের জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।

আশা করি ভাল লেগেছে, আরো অজানা ফ্যাক্ট পেতে হলে বাম পাশে লাল সাবস্ক্রাইব বাটনে ক্লিক করে নিন।

 

অ্যান্ড্রয়েড

আইফোন বেস্ট নাকি এন্ড্রোয়েড বেস্ট

আপনি যদি স্মার্টফোন ব্যবহাত করেন তবে একটা প্রশ্ন মাথায় আসবে, আইফোন ভাল নাকি এন্ড্রোয়েড ভাল? আর এই প্রশ্নের উত্তরের জন্যই আপনি এখানে এসেছেন। এখানে সম্পূর্ণ মতামতটি আমার নিজের। তাই বেশি আপনার সাথে না মিলে থাকলে বেশি প্যানিক নিবেন না। আপনার মতামত কমেন্টে জানিয়ে দিবেন।

মূলত আমার কাছে মনে হয় আইফোনের থেকে এন্ড্রোয়েড ফোন ব্যবহার করা আমাদের জন্য ভাল। কেননা আপনাকে ফোনের সাথে সাথে নিজের অবস্থানের একটা বাস্তবতায় আসা লাগবে। আমিও মেনে নিচ্ছি ফিচার ও সিকিউরিটির দিক দিয়ে আইফোন বেস্ট কিন্তু আমরা আজ এই বিষয়টা নিয়ে কথা বলবো না। কেননা এটা আমরা জানি।

আপনি যদি একজন আইফোন ইউজার হয়ে থাকেন, তবে আপনাকে বিভিন্ন ধরণের ঝামেলার সম্মুক্ষিন হতে হবে। যেমনঃ আপনি আপনার প্রয়োজনীয় অনেক এপস পাবেন না। এবার আসুন বাস্তব কথায়, আইফোন ইউরোপের কান্ট্রিতে চলে। কেননা তারা সব কিছু খোঁজে প্রিমিয়াম। কিন্তু আপনি বা আমি কি খুঁজি? ক্র্যাক!

আইফোনে আপনি ক্র্যাক সফটওয়্যার ইউজের কথা চিন্তা কইরেন না। ফ্রি ইউজ করেন বাকি গুলো কিনে ইউজ করেন। কিন্তু এন্ড্রোয়েড ব্যবহারকারীরা আরামে সব কিছু ইউজ করতে পারে। যদি কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা হয়। তবে সেটা আইফোনের তুলনাই সামান্য।

আমরা একটা গান কিনে শোনার কথা ভাবিও না, কিন্তু আইফোন ইউজার হতে গেলে এটা ভেবেই ব্যবহার করা উচিৎ। কেননা এন্ড্রোয়েডে যেমন সিম্পল ভাবে ডাটা ট্রান্সফার বা ডাউনলোড করা যায়, আইফোনে এতটা সিম্পল না মোটেও।

আর যদি আপনি দামের কথা চিন্তা করেন, তাহলে তো আইফোন হচ্ছে বড় লোকের ব্যাটির লম্বা লম্বা চুল। কিন্তু বাস্তবে আমরা কি? সেই দিক থেকে আইফোন বেস্ট নাকি এন্ড্রোয়েড?

আর আপনি যদি একজন এডভান্স লেভেলের পাবলিক হয়ে থাকেন, তাহলে এন্ড্রোয়েডকে রুট করে যা ইচ্ছে বানাতে পারবেন। কিন্তু আইফোনে এমন সম্ভব না।

আসলে পয়েন্ট দিতে গেলে হাজারো পয়েন্ট দেয়া যাবে। কিন্তু তারপরেও ইচ্ছা ও শখ বলে একটা কথা আছে। যার যেটা ভাল লাগবে তারা সেটা কিনবে।

টিপস এন্ড ট্রিকস

রিফার্বিশড ফোন কেনা কতটা সঠিক সিন্ধান্ত আপনার জন্য? আসুন আলোচনা করি

হ্যালো বন্ধুরা, আপনি কি এটিও জানতে চান যে একটি রিফার্বিশডফোন কী এবং আপনার নতুন ফোনের পরিবর্তে একটি রিফার্বিশড ফোন কেনা উচিত কারণ এটি নতুন ফোনের চেয়ে অনেক সস্তা।

আপনি এই পোস্টে এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর পাবেন, তাই আপনারা সবাই শেষ পর্যন্ত এই পোস্টটি পড়তে থাকুন।

আজ স্মার্টফোনের যুগ তবে স্মার্টফোন কেনার সময় আপনার স্মার্টনেস দেখাতে হবে। আপনি যখন ফোন কিনতে চান, প্রথমে এটি সম্পর্কে গবেষণা করুন এবং এর বৈশিষ্ট্য এবং দাম সম্পর্কে জেনে নিন। বে আপনি কি জানেন যে আপনি যদি নতুন ফোনের বাজেট নিয়ে সমস্যা থাকে, তবে আপনি কম দামে নতুন ফোনের পরিবর্তে একটি নতুন-  রিফার্বিশড ফোন কিনতে পারবেন।

হ্যাঁ, আজকের এই পোস্টে আপনাকে এর সাথে সম্পর্কিত সম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া হচ্ছে …

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

 

রিফার্বিশড ফোন কি

রিফার্বিশড ফোন
রিফার্বিশড ফোন

আপনি নিশ্চয়ই অনেক অনলাইন সাইটে দেখেছেন যে নতুন ফোনের তুলনায় খুব কম দামে একটি রিফার্বিশড ফোন বিক্রি হচ্ছে এবং লোকেরাও এটি কিনে কারণ এটি কম দামে পাওয়া যাচ্ছে। এটা স্বাভাবিক আপনি যদি কম যদি ভালো কোন ফোন পেয়ে থাকেন, তাহলে আপনি অবশ্যয় এটি কিনবেন। কিন্তু তার আগে আপনাকে বুঝতে হবে, রিফার্বিশড ফোন কি?

ধরুন আপনি আমাজন অথবা অন্য কোথাও থেকে একটি ফোন কিনলেন। কেনার পরে আপনি সেটাতে এমন কিছু সমস্যা দেখলেন যেটার জন্য আপনাকে সেটা আবার রিফান্ড করা লাগলো। এখন আপনাকে সেই ফোনের বদলে আবার নতুন কোন ফোন দিবে। আপনি কিন্তু নতুন ফোন পেয়ে গেলেন কিন্তু আপনার সেই সমস্যা হওয়া ফোনটার কি হবে?

এই ফোনটা কোম্পানী আবার ঠিক করে বাজারে ছেড়ে দিবে। যাকে আমরা রিফার্বিশড ফোন বলি। রিফার্বিশড ফোন নতুন হয়, কিন্তু অন্যর কিছু দন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আর মূলত এই কারণে রিফার্বিশড ফোনের দাম কম হয়ে থাকে।

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

আপনার কি রিফার্বিশড ফোন কেনা উচিৎ

রিফার্বিশড ফোন
রিফার্বিশড ফোন

এখন আসুন আসল কথা তে। দেখুন রিফার্বিশড ফোন কেনার আগে আপনাকে দামের ব্যাপারে জানতে হবে। ধরূন একটি ফোনের দাম ১৫০০০ টাকা এখন সেই ফোন টাই রিফার্বিশড ভার্শন পাচ্ছেন ১২০০০ টাকাতে তাহলে আপনার টাকা খরচ করে এই ফোন কেনার কোন যুক্তি আসে না। এই ফোনই যদি আপনি ৭-৮ হাজারে পেয়ে যান তবে তা কেনার চিন্তা করে দেখতে পারেন।

তবে আমার পার্সোনাল মতামত আপনার কেনা উচিৎ না। কেননা আমি নিজে কিনে ঠকেছি। একবার যদি কোন স্মার্টফোনে সমস্যা দেখা দেওয়া শুরু করে, তবে সেই ফোনে বারবার সমস্যা দেখা দেয়। যদিও এটা যে হবেই এমন না। কিন্তু কোন এক অজানা কারণে এমনটা হয়ে থাকে। তাই বলি টাকা দিয়ে যদি ফোন কিনতে হয়, তাহলে অরজিনাল ফোন কিনুন।

এর পরেও যদি কারো কেনা হয়ে যায়, তবে চেষ্টা করবেন, ভালো কোন অথরিটি থেকে কেনার।

দিনশেষে এটাই বলতে পারি আমরা, স্মার্টফোন কেনার আগে স্মার্টভাবে দেখে বুঝে কিনুন। তাহলে আপনার কষ্টের টাকা টা হয়তো নষ্ট হবে না। আপনার যদি এই আর্টিকেলটি ভাল লাগে তবে কমেন্ট করে জানাবেন। কোন কিছু জানার থাকলে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করুন। আমাদের কমুনিটি আপনাকে সাহায্য করবে। আমাদের গ্রুপের লিংক

টিপস এন্ড ট্রিকস

কিভাবে স্মার্টফোনের ব্যাটারি লাইফ বাড়াবেন? ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানোর প্রো টিপস

হ্যালো বন্ধুরা! আপনি কি আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারি নিয়েও বিরক্ত! আপনি কি আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারি বাড়াতে চান? বাস্তবে প্রায় প্রতিটি স্মার্টফোন ব্যবহারকারী ব্যাটারি ব্যাক আপ টাইম বাড়াতে চান। তবে প্রযুক্তিগতভাবে ফোনের ব্যাটারি ব্যাকআপ দ্বিগুণ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।  আমরা আমাদের ফোনের ব্যাটারির ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে পারি না। তবে আমরা যদি কিছু টিপস ফলো করি তাহলে আমাদের স্মার্টফোনের ব্যাটারী খরচ অনেক কমে যাবে। যার ফলে আপনার ব্যাটারী ব্যাক আপ আরো বেড়ে যাবে। আর্টিকেলট সম্পূর্ণ পড়ুন, আপনিও আপনার ব্যাটারীর ব্যাক আপ বাড়িয়ে নিন।

ব্যাটারি ব্যাকআপ
ব্যাটারি ব্যাকআপ

অটো লক

অটোলক সেট করুন, সব থেকে নূন্যতম সময়ের জন্য। আপনার ডিসপ্লে যত বেশি অন থাকবে তত বেশি আপনার ফোনের চার্জ ফুরোবে। তাই সব থেকে কম সময়ে অটোলক সেট করুন, এর ফলে আপনার ফোন স্লিপ মুডে দ্রুত যায় ও চার্জ কিছুটা হলেও কম খরচ হয়।

কম ব্রাইটনেস ব্যবহার

ব্রাইটনেস মোবাইল ফোনে ব্যাটারিকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে। অতএব, আমরা প্রয়োজন হিসাবে মোবাইল পর্দার উজ্জ্বলতা হ্রাস করতে পারেন। সুতরাং আরও ভাল ব্যাটারি-ব্যাকআপের জন্য আপনার মোবাইলের ব্রাইটনেস কম রাখা উচিত।

এয়ারপ্লেন মোড অন

মোবাইলে এয়ারপ্লেন মোড (ফ্লাইট মোড) ব্যবহার করে আপনি ব্যাটারি অনেকাংশে সঞ্চয় করতে পারেন। হ্যাঁ, চার্জ করার সময় আপনি বিমানের মোডটি চালু করে আপনার মোবাইলটি 5 শতাংশ দ্রুত চার্জ করতে পারেন। এগুলি ছাড়াও লো সিগন্যালের সময় এয়ারপ্লেন মোড চালু করা বেশ উপকারী হতে পারে। লো সিগন্যাল এলাকায় নেটওয়ার্ক অনুসন্ধান করার কারণে, মোবাইলের ব্যাটারি মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়।

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

ইন্টারনেট অ্যাক্সেস

আপনি যদি আপনার ব্যাটারী ব্যাক আপ আরো বাড়াতে চান, সচেতন ভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করুন। যখন ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রয়োজন নেয়, তখন আপনি ইন্টারনেট বন্ধ রাখুন। কেননা ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় ব্যাটারী খুব বেশি ব্যবহার হয়।

[mks_button size=”large” title=”রিফার্বিশড ফোন কেনা কতটা সঠিক সিন্ধান্ত আপনার জন্য?” style=”rounded” url=”https://techills.net/%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%a1-%e0%a6%ab%e0%a7%8b%e0%a6%a8/” target=”_self” bg_color=”#1e73be” txt_color=”#FFFFFF” icon=”” icon_type=”” nofollow=”0″]

লাইভ ওয়ালপেপার ব্যবহার বন্ধ করুন

আপনি যদি লাইভ ওয়াল পেপার ব্যবহার করে থাকে। তবে আজকেই এটা ব্যবহার বন্ধ করে ফেলুন। কেননা লাইভ ওয়ালপেপার ব্যবহারে ব্যাটারী খুব বেশি খরচ হয়। সব থকে ভাল হয় আপনি যদি কালো ওয়ালপেপার ব্যবহার করেন। ব্ল্যাক ওয়ালপেপার ডিসপ্লে পিক্সেল ব্যবহার করে না বললেই চলে। তাই ব্যাটারী ব্যাক আপ বাড়াতে এই টিপস টি অনেকটা প্রো হিসাবে কাজ করে।

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

2 জি সিগন্যাল সেট করুন

বর্তমানে 4 জি নেটওয়ার্ক থেকে ইন্টারনেট উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে তবে এই 4 জি নেটওয়ার্ক 2 জি নেটওয়ার্কের চেয়ে 2 গুণ বেশি ব্যাটারি ব্যবহার করে। সুতরাং আপনি যদি সত্যিই ফোনের ব্যাটারি ব্যাক আপ বাড়াতে চান তবে আপনি 4 জি / 3 জি নেটওয়ার্কের পরিবর্তে 2 জি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারেন। যদিও এখন কার সময় এটা প্রায় অসম্ভব একটা কাজ। যদিও আমি মনে করি না, ২ জি নেটওয়্যার্ক সেট করার প্রয়োজন আছে। তবে যদি আপনি মনে করেন, তবে করতে পারেন।

এছাড়াও সময় সময় অ্যাপস এবং সফ্টওয়্যার আপডেট করে ফোনের ব্যাটারি প্রভাবিত করে। কারণ সফ্টওয়্যারটি প্রতিটি নতুন আপডেটে কিছু নতুন নতুন বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়।

তাই বন্ধুরা, উপরে উল্লিখিত কয়েকটি সাধারণ টিপস অনুসরণ করে আপনি আপনার মোবাইলের ব্যাটারি অনেকাংশে সঞ্চয় করতে পারেন। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনার ভাল লেগেছে।যে কোন ধরণের হেল্পের জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। আমাদের গ্রুপের লিংক

 

কম্পিউটার কোর্স

কম্পিউটার কোর্সঃ কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের বিস্তারিত – পর্ব- ৯

কম্পিউটারের নিজস্ব কোন অস্তিত্ব নেই। কম্পিউটারের সকল পার্টস অর্থ্যাত হার্ডওয়্যার নিয়ে গঠিত হয় কম্পিউটার। কম্পিউটারের পূর্ণরূপ ধারণের জন্য কিছু প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার এর প্রয়োজন হয়। আর এদের একত্রে বলা হয় কম্পিউটার।

আগের পর্বে আমরা জেনেছি সফটওয়্যার কি? কম্পিউটারের সফটওয়্যারের প্রয়োজনীয়তা। আজকে আমরা জানবো হার্ডওয়্যার কি? কম্পিউটারে হার্ডওয়্যারের গ্রুত্বপূর্ণ ভুমিকা।

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

হার্ডওয়্যার কী – বাংলাতে হার্ডওয়্যার কী?

আমরা যে কম্পিউটারের যে অংশগুলি দেখতে এবং স্পর্শ করতে পারি সেগুলিকে হার্ডওয়্যার বলে। এগুলি কম্পিউটারের শারীরিক অংশ। যা দিয়ে আমাদের কম্পিউটারের রূপ দান করি। মানুষের কঙ্গাল ও শরীরের সাথে আপনি এটার তুলনা করতে পারেন।

সফ্টওয়্যার এই হার্ডওয়্যারগুলিতে জীবন দান করে। এবং এটি কাজ করার মত করে গড়ে তোলে। তারপরে আমরা একটি প্রকৃত কম্পিউটার পেয়ে থাকি। আমাদের আত্তা বাহ রূহ ছাড়া যেমন শরীরের কোন কাজ নেই, তেমনি ভাবে সফটওয়্যার ছাড়াও কম্পিউটারে কোন দাম নেই।

হার্ডওয়্যারের উদাহরণ হিসাবে আপনি দেখতে পারেন, মনিটর, র‍্যাম, পাওয়ার সাপ্লায় ইত্যাদি।

কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের প্রকারভেদ

কম্পিউটার হার্ডওয়্যার
কম্পিউটার হার্ডওয়্যার

1. System Unit

সিস্টেম ইউনিট কে আপনি সিপিইউ বলতে পারেন, এটি একটি ছোট্ট বক্স। যেখানে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের আসল নাড়ি ভুড়ি গুলো রাখা থাকে।

এটা হচ্ছে বিদ্যুতিক ডিভাইস, যেখানে থেকেই কম্পিউটারের আসল কাজ গুলো পরিচালিত হয়ে থাকে।

2. Input Devices

ইনপুট ডিভাইস এমন একটি ডিভাইস যা ব্যবহারকারী দ্বারা প্রদত্ত কমান্ড কম্পিউটারে সরবরাহ করে। এটির মাধ্যমেই আপনি কম্পিউটারে আপনার কমান্ড দিয়ে থাকেন। এর পরে কেবল কম্পিউটারটি তার কাজ করে।

কয়েকটি জনপ্রিয় ইনপুট ডিভাইস:

  • কীবোর্ড
  • মাউস
  • স্ক্যানার
  • টাচস্ক্রিন

3. Output Devices

আউটপুট ডিভাইস হচ্ছে যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার আমাদের তার তথ্য গুলো দিয়ে থাকে। যেমন ধরুন মনিটর, আপনি যা করেন না কেন মনিটরে যদি কম্পিউটার কিছু না দেয় তাহলে আপনি কিছু পাবেন না। মানে রেজাল্ট হচ্ছে ০। আউটপুট ডিভাইস হচ্ছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কেননা এই অংশ টি মানুষ বুঝতে পারে এমন তথ্য সরবারহ করে থাকে।

4. Internal Parts

কম্পিউটারের যে অংশগুলি সিস্টেম ইউনিটের মধ্যে অবস্থিত তাদের internal parts বলা হয়। আপনি তাদের বাইরে দেখতে পারবেন না। এইগুলো কম্পিউটার কেসিং এর মাঝে রাখা হয়।

কম্পিউটার হার্ডওয়্যার
কম্পিউটার হার্ডওয়্যার

5. Communication Devices

এই ডিভাইসগুলিতে, আমরা এমন ডিভাইসগুলি রাখি যা একটি কম্পিউটারকে অন্য কম্পিউটারে যোগাযোগের জন্য সক্ষম করে তোলে। এই বিভাগে সর্বাধিক জনপ্রিয় সরঞ্জামটি হল  মডেম ।

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

হার্ডওয়্যার এবং সফ্টওয়্যার মধ্যে সম্পর্ক

  • হার্ডওয়্যার একটি কম্পিউটারের দেহ, তারপরে সফ্টওয়্যার এর আত্মা।
  • উভয় একে অপর ছাড়া অসম্পূর্ণ।
  • হার্ডওয়্যার ব্যতীত সফ্টওয়্যার তার কাজ করতে পারে না এবং সফ্টওয়্যার ছাড়াই হার্ডওয়্যার ব্যবহারের অযোগ্য।
  • কম্পিউটার দ্বারা কাজটি পেতে, হার্ডওয়্যারে সঠিক সফ্টওয়্যার ইনস্টল করতে হবে।
  • সফ্টওয়্যার হ’ল আপনার ব্যবহারকারী এবং হার্ডওয়্যারের মধ্যে সংযোগ।

হার্ডওয়্যার আপগ্রেড

আপনি যে কোনও কম্পিউটার ডিভাইসটিকে হার্ডওয়্যারে আপগ্রেড করতে পারেন। এবং আপনি আপনার কম্পিউটার এবং সেই নির্দিষ্ট ডিভাইসের সক্ষমতা, বৈশিষ্ট্য, গতি বৃদ্ধি করতে পারেন।

যেমন ধরুণ আপনার কম্পিউটারে ২ জিবি র‍্যাম রয়েছে, এখন আপনি এখানে আরো ২ জিবি র‍্যাম লাগিয়ে ৪ জিবি র‍্যাম বানালেন। এটাই হচ্ছে হার্ডওয়্যার আপগ্রেড।

কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তার কাজ সম্পন্ন করে থাকে। এই পর্বে আমরা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার নিয়ে ভাল্ভাবে জেনেছি।  যে কোন ধরণের হেল্পের জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। আমাদের গ্রুপের লিংক

কম্পিউটিং

কিছু প্রয়োজনীয় Computer Shortcut Key। যা আপনার কাজে লাগতে পারে।

আপনি যদি একজন কম্পিউটার ইউজার হয়ে থাকেন, তবে কম্পিউটার চালানোর সময় আপনাকে অনেক Shortcut Key ব্যবহার করতে হয়। সব থেকে বড় কথা Computer Shortcut Key একজন ব্যবহারকারীকে ব্যবহার করা লাগবেই। এর সব থেকে বড় কারণ Computer Shortcut Key আপনার কম্পিউটারে কাজের সময় আরো কমিয়ে দেয় ও কাজ কে অনেক দ্রুত করে তোলে। একেক অপারেটিং সিস্টেমের জন্য একেক রকম Shortcut Key থাকে, কিন্তু সকল অপারেটিং সিস্টেমের shortcut key সাধারণত প্রায় একই হয়ে থাকে। এছাড়াও বিভিন্ন সফটওয়্যারের জন্য Shortcut Key থাকে, যা দিয়ে আপনি ওই সব সফটওয়্যার গুলো সহজে ব্যবহার করতে পারেন।

নিচে কিছু সফটওয়্যারের Shortcut Key দেওয়া হলোঃ

 

List of basic computer shortcut key:

basic shortcut of computer
basic shortcut of computer
  • Alt + F–File menu options in the current program.
  • Alt + E–Edits options in the current program.
  • Ctrl + (Left arrow) — Move one word to the left at a time.
  • Ctrl + (Right arrow) — Move one word to the right at a time.
  • F1–Universal help (for any sort of program).
  • Ctrl + A–Selects all text.
  • Shift + Home — Highlight from the current position to beginning of the line.
  • Shift + End — Highlight from the current position to end of the line.
  • Ctrl + X–Cuts the selected item.
  • Ctrl + Del–Cut selected item.
  • End — Go to the end of the current line.
  • Ctrl + End — Go to the end of a document.
  • Ctrl + C–Copy the selected item.
  • Ctrl + V–Paste the selected item.
  • Shift + Ins — Paste the selected item.
  • Ctrl + Ins– Copy the selected item.
  • Home — Takes the user to the beginning of the current line.
  • Ctrl + Home–Go to the beginning of the document.

Microsoft Word shortcut keys

  • Ctrl + A — Select all contents of the page.
  • Ctrl + B — Bold highlighted selection.
  • Ctrl + C — Copy selected text.
  • Ctrl + D — Font options.
  • Ctrl + E — Align selected text or line to the center.
  • Ctrl + F — Open find box.
  • Ctrl + I — Italicise highlighted selection.
  • Ctrl + G — Find and replace options.
  • Ctrl + K — Insert link.
  • Ctrl + X — Cut selected text.
  • Ctrl + N — Open new/blank document.
  • Ctrl + O — Open options.
  • Ctrl + P — Open the print window.
  • Ctrl + U — Underline highlighted selection.
  • Ctrl + V — Paste.
  • Ctrl + R — Align selected text or line to the right.
  • Ctrl + M — Indent the paragraph.
  • Ctrl + T — Hanging indent.
  • Ctrl + Y — Redo the last action performed.
  • Ctrl + Z — Undo last action.
  • Ctrl + H — Find and replace options.
  • Ctrl + J — Justify paragraph alignment.
  • Ctrl + L — Align selected text or line to the left.
  • Ctrl + Q — Align selected paragraph to the left.
  • F1 — Open Help.
  • Shift + F3 — Change case of selected text.
  • Shift + Insert — Paste.
  • F4 — Repeat the last action performed (Word 2000+).
  • F7 — Spell check selected text and/or document.
  • Shift + F7 — Activate the thesaurus..
  • Alt + Shift + D — Insert the current date.
  • Alt + Shift + T — Insert the current time.
  • Ctrl + W — Close document.
  • F12 — Save as.
  • Ctrl + S — Save.
  • Shift + F12 — Save
  • Ctrl + Shift + F — Change the font.
  • Ctrl + Shift + > — Increase selected font +1.
  • Ctrl + ] — Increase selected font +1.
  • Ctrl + [ — Decrease selected font -1.
  • Ctrl + Shift + * — View or hide non printing characters.
  • Ctrl + (Left arrow) — Move one word to the left.
  • Ctrl + (Right arrow) — Move one word to the right.
  • Ctrl + (Up arrow) — Move to the beginning of the line or paragraph.
  • Ctrl + (Down arrow) — Move to the end of the paragraph.
  • Ctrl + Del — Delete the word to the right of the cursor.
  • Ctrl + Backspace — Delete the word to the left of the cursor.
  • Ctrl + End — Move the cursor to end of the document.
  • Ctrl + Home — Move the cursor to the beginning of the document.
  • Ctrl + Space — Reset highlighted text to default font.
  • Ctrl + 1 — Single-space lines.
  • Ctrl + 2 — Double-space lines.
  • Ctrl + Alt + 1 Change text to heading 1.
  • Ctrl + Alt + 2 Change text to heading 2.
  • Ctrl + Alt + 3 Change text to heading 3.

Microsoft Windows shortcut keys list

  • Alt + Tab — Switch between open applications.
  • Alt + Shift + Tab — Switch backwards between open applications.
  • Alt + Print Screen — Create screenshot for the current program.
  • F2 — Rename selected icon.
  • F3 — Start find from the desktop.
  • F4 — Open the drive selection when browsing.
  • F5 — Refresh contents.
  • Alt + F4 — Close current open program.
  • Shift + F10 — Simulate right-click on selected item.
  • Shift + Del — Delete programs/files permanently.
  • Holding Shift During Boot up — Boot safe mode or bypass system files.
  • Holding Shift During Boot up — When putting in an audio CD, will prevent CD Player from playing.
  • Ctrl + F4 — Close window in program.
  • Ctrl + Plus Key– Automatically adjust widths of all columns in Windows Explorer.
  • Alt + Enter — Open the properties window of selected icon or program.
  • Ctrl + Alt + Del — Reboot/Windows task manager.
  • Ctrl + Esc — Bring up the start menu.
  • Alt + Esc — Switch between applications on the taskbar.

WINKEY shortcuts:

  • WINKEY + D — Bring desktop to the top of other windows.
  • WINKEY + M — Minimize all windows.
  • WINKEY + SHIFT + M — Undo the minimize done by WINKEY + M and WINKEY + D.
  • WINKEY + E — Open Microsoft Explorer.
  • WINKEY + F1 — Display the Microsoft Windows help.
  • WINKEY + R — Open the run window.
  • WINKEY + Pause /Break — Open the system properties window.
  • WINKEY + U — Open utility manager.
  • WINKEY + L — Lock the computer (Windows XP & later).
  • WINKEY + Tab — Cycle through open programs on the taskbar.
  • WINKEY + F — Display the Windows Search/Find feature.
  • WINKEY + CTRL + F — Display the search for computers window.

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

Outlook shortcut keys

  • Alt + S — Send the email.
  • Ctrl + C — Copy selected text.
  • Ctrl + X — Cut selected text.
  • Ctrl + P — Open print dialog box.
  • Ctrl + Shift + I — Open the inbox.
  • Ctrl + Shift + K — Add a new task.
  • Ctrl + Shift + C — Create a new contact.
  • Ctrl + Shift+ J — Create a new journal entry.
  • Ctrl + R — Reply to an email.
  • Ctrl + F — Forward an email.
  • Ctrl + N — Create a new email.
  • Ctrl + Shift + A — Create a new appointment to your calendar.
  • Ctrl + Shift + O — Open the outbox.
  • Ctrl + K — Complete name/email typed in address bar.
  • Ctrl + B — Bold highlighted selection.
  • Ctrl + I — Italicize highlighted selection.
  • Ctrl + U — Underline highlighted selection.

Excel shortcut keys

  • F2 — Edit the selected cell.
  • F5 — Go to a specific cell.
  • F7 — Spell check selected text and/or document.
  • F11 — Create chart
  • Ctrl + Shift + ; — Enter the current time.
  • Ctrl + ; — Enter the current date
  • Alt + Shift + F1 — Insert new worksheet.
  • Shift + F3 — Open the Excel formula window.
  • Shift + F5 — Bring up the search box
  • Ctrl + A — Select all contents of a worksheet.
  • Ctrl + B — Bold highlighted selection.
  • Ctrl + I — Italicize highlighted selection.
  • Ctrl + C — Copy selected text.
  • Ctrl + V — Paste
  • Ctrl + D — Fill
  • Ctrl + K — Insert link
  • Ctrl + F — Open find and replace options.
  • Ctrl + G — Open go-to options.
  • Ctrl + H — Open find and replace options.
  • Ctrl + U — Underline highlighted selection.
  • Ctrl + Y — Underline selected text.
  • Ctrl + 5 — Strikethrough highlighted selection.
  • Ctrl + O — Open options.
  • Ctrl + N — Open new document.
  • Ctrl + P — Open print dialog box.
  • Ctrl + S — Save.
  • Ctrl + Z — Undo last action.
  • Ctrl + Space — Select entire column.
  • Shift + Space — Select entire row.
  • Ctrl + W — Close document.
  • Ctrl + Shift + ! — Format number in comma format.
  • Ctrl + Shift + $ — Format number in currency format.
  • Ctrl + Shift + # — Format number in date format.
  • Ctrl + Shift + % — Format number in percentage format.
  • Ctrl + Shift + ^ — Format number in scientific format.
  • Ctrl + Shift + @ — Format number in time format.
  • Ctrl + (Right arrow) — Move to next section of text.
  • Ctrl + Page up & Page Down — Move between Excel worksheets in the same document.
  • Ctrl + Tab — Move between two or more open Excel files
  • Alt + = — Create the formula to sum all of the above cells.
  • Ctrl + — Insert the value of above cell into the current cell.
  • Ctrl + F9 — Minimize current window.
  • Ctrl + F10 — Maximize currently selected window.
  • Ctrl + F6 — Switch between open workbooks/windows.
Add your widget here