ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং

এথ্যিক্যাল হ্যাকিংঃ পর্ব ৩; Information Gathering কি ও footprinting নিয়ে বিস্তারিত

হ্যাকিং হচ্ছে একটা আর্ট। যেটাকে আপনি লজিকের আর্ট বলতে পারেন। হেডলাইন দেখেই হয়তো বুঝে ফেলেছেন কি থাকতে যাচ্ছে আজকের আর্টিকেলে। হ্যা, আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে Information gathering নিয়ে।

Information Gathering কি?

ইনফরমেশন গেদারিং হচ্ছে একটা প্রোসেস, যেই প্রোসেসের মাধ্যমে কোন কম্পিউটার, ওয়েবসাইট বা নেটওয়ার্কের তথ্য কালেক্ট করতে পারেন। যেকোন ধরনের তথ্য কালেক্ট করাই ইনফোরমেশন গেরানিং এর মাঝে পরে থাকে। যেমন কেও যদি আমার ওয়েবসাইটের ইমেইল টি কালেক্ট করতে পারে, তবে সেটাও ইনফোরমেশন গেদারিং এর মাঝে পরবে।

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিন শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

Information Gathering কত ধরণের?

আসলে এই ভাবে বলা ঠিক না information Gathering কত ধরণের। কেননা আপনি নিজের কাস্টোম মেড কোন মেথড দিয়ে Information Collect করতে পারেন। তবে নিয়ম রক্ষার ক্ষেত্রে আমি Information Gathering কে ২ ভাগে ভাগ করবো।

  • Footprinting
  • Fingerprinting

যদিও আমি নিজে মনে করি Information Gathering কে কোন ভাগে ভাগ করা ঠিক না।

আমার নিজের ব্যবহার Information Gathering মেথড, যেটা এইসকল নিয়মের বাইরে

Footprint কি?

Footprint হচ্ছে একটা প্রোসেস যেটা দিয়ে আপনি information Gather করতে পারবেন। কিছু কিছু পক্রিয়া রয়েছে যেগুলো এই ফুটপ্রিন্টের মাঝেই পরে থাকে। যদিও এটা নির্ভর করে আপনার টেকনিকের ওপর।

  • Domain name
  • IP Addresses
  • Namespaces
  • Employee information
  • Phone numbers
  • E-mails
  • Job Information

সাধারণত এইসকল তথ্য গুলো কালেক্ট করা হয়ে থাকে। যদিও তথ্য সংগ্রহের কোন বাধ্যবাধকতা নেই।

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

কিছু Footprint এর ধারণাঃ

কিছু ফুটপ্রিন্ট নিয়ে আলোচনা করা হবে। কিভাবে আপনি তথ্য সংগ্রহ করবেন?

Domain Name Information

Domain Name Information যেটাকে আপনি Whois বলতে পারেন। কেননা Whois Guard লাগানো না থাকলে আপনি অনেক তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব। যেমন ধরুন, ইমেইল, ফোন নাম্বার ইত্যাদি। whois.com/whois এই ওয়েব সাইট থেকে আপনি তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন।

আপনাদের সুবিধার জন্য নিজের সাইট এর ফুটপ্রিন্ট ব্যবহার করছি। নেম সার্ভার হিসাবে দেখুন, আপনি যদি ns1 এই টুকু কেটে দিয়ে শুধু allreviewbd.com এ ঢুকেন থাহলেই আমার হোস্টিং প্রোভাইডার কে পেয়ে যাবেন।

এবার দেখুন মজার বিষয় টা, আমার শহর,ফোন নাম্বার, ইমেইল সব কিছুই আছে। এবার আপনি চাইলে আপনার বুদ্ধি খাটিয়ে এর থেকে অনেক কিছুই বের করতে পারেন। এর থেকে বেশি কিছু বলে নিজের বাঁশ নেয়ার ইচ্ছে নাই।

Fix করবেন কিভাবে?

এটা ফিক্স করার জন্য whois guard ব্যবহার করুন। হয়তো প্রতি বছরে এর জন্য ২-৩ ডলার খরচ হতে পারে। কিন্তু আপনি যদি নেম চিপ থেকে ডোমেইন কিনে থাকেন, তাহলে Whois Guard ফ্রিতে পাবেন।

কিভাবে আইপি বের করবেন?

আইপি খোজার জন্য আপনি চাইলে cmd অথবা কিছু ওয়েব সাইট আছে। সেই গুলো ব্যবহার করতে পারেন।

নিচের দেওয়া কমান্ড দিয়ে আপনি চাইলে আইপি বের করতে পারেন

$ping sitename.com

It will produce the following result

PING sitename (--.---.--.---) 56(84) bytes of data. 
-- bytes from -------: icmp_seq = 1 ttl = 64 time = 0.028 ms 
-- bytes from -------: icmp_seq = 2 ttl = 64 time = 0.021 ms

আবার আপনি চাইলে whoer.net এই সাইট থেকেও ওয়েবসাইটের আইপি বের করে নিতে পারেন।

কিভাবে আইপি হাইড করবেন?

আইপি হাইড করার জন্য আপনাকে কিচ্ছু করা লাগবে না। শুধু  cloudflare.com এ একটা আপনার একটা একাউন্ট খুলুন ও আপনার সাইট টা সেট করে নিন।

সার্ভারের সকল সাইট এনালাইসিস

অনেকেই শেয়ার্ড হোস্টিং ব্যবহার করে থাকেন। শেয়ার্ড হোস্টিং প্রধানত একটা সার্ভারে অনেক গুলো সাইট হোস্ট করার সুবিধা দিয়ে থাকে। আর এই সুবিধা মধুর হয়ে দ্বাড়ায় হ্যাকারদের কাছেও। ধরুন একটা সার্ভারে আপনার একটা সাইট আছে, সেই সাইটে আমার একটা সাইট আছে। এখন আমার সাইট হ্যাকার টার্গেট করে হ্যাক করার জন্য। সে এখন সার্ভার স্ক্যান করে দেখলো একই সাইটে আপনার ও আমার সাইট রয়েছে, ও আপনার সাইট টা হ্যাক করা সম্ভব। এর মানে আমার সাইট টাও তো হ্যাক হবার সম্ভাবনা ৯০%। ব্যাস হয়ে গেল আমার সাইট টা তো তার কাছে হ্যাক করা এখন আরো সুবিধা।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে কিভাবে সার্ভার স্ক্যান করবেন?

https://viewdns.info/reverseip/ এই সাইটা ব্যবহার করুন ও আপনি যে সাইটের সার্ভার স্ক্যান করতে চাচ্ছেন সেটা স্ক্যান করে ফেলুন। উপরের ভিডিও টাও একই কাজ করে যদি এটা একটা সাইট হ্যাক করার পরে করা।

কিভাবে ফিক্স করবেন?

এটা ফিক্স করার জন্য আইপি হাইড করলেই চলবে।

ওয়েবসাইট হিস্টোরি চেক করুন

এটা খুব সহজ, আপনি শুধু www.archive.org এই ওয়েব সাইটের যান। এরপরে এর সকল হিস্টোরি চেক করুন। যদিও এটা খুব একটা আশা ব্যাঞ্জক ফল দেয় না। তবুও চেষ্টার ত্রুটি থাকা মোটেও ঠিক না।

পূর্বে প্রকাশিত ঃ

পরের আর্টিকেলে Fingerprint নিয়ে আলোচনা করা হবে। ভেবেছিলাম একটা আর্টিকেলেই সব কিছু নিয়ে আলোচনা করবো। কিন্তু Fingerprint এর জন্য কিছু টুলস এর প্রয়োজন রয়েছে। পরবর্তী পোস্টে টুলস এর ব্যবহার ও ইন্সটল সহ আলোচনা করা হবে। যে কোন ধরণের হেল্পের জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। আমাদের গ্রুপের লিংক

 

ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং

এথ্যিক্যাল হ্যাকিংঃ পর্ব ২; হ্যাকিং পরিভাষা [Terminologies] [ব্যাসিক]

আপনি সারা দিন ভাত খাচ্ছেন, কিন্তু আপনি জানেন না এটার নাম ভাত। এখন কেও যদি আপনাকে জিজ্ঞাসা করে আপনি খাচ্ছেন? তখন আপনার কাছে উত্তর দেয়ার মত কিছু থাকবে? বা আপনি যদি কোন সময় রান্না শিখেন বিরিয়ানি কিভাবে বানাতে হয়, কিন্তু আপনি তো এটাই জানেন না ভাত কি? তাহলে বিরিয়ানি রান্নার টিউটোরিয়াল দেখে কোন লাভ আছে? আপনি ভাত খান কিন্তু জানেন না এটা ভাত। ঠিক এমনি ভাবে হ্যাকিং এর ভাষা গুলোর নাম না জেনে কাজ জেনে কোন লাভ হবে না। আপনি যদি অন্য কোন টার্মের কাজ করতে যান তখন কোন একটা পার্ট আপনার সামনে চলে আসবে। বলতে পারেন একে অপরের সাথে খুব নিবির ভাবে জড়িত। আর ঠিক এই জন্যই আজকে জানাবো হ্যাকিং পরিভাষা, কোন টার্মের নাম কি? হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে এদের কি বলে ডাকা হয়ে থাকে। বেশি কথা না বলে আসল কাজে চলে যায়। এখানে আমি সবত্থেকে গুরুত্বপূর্ন বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করবো।

Adware

Adware
Adware

এড ওয়্যার হচ্ছে হ্যাকদের বানানো একধরনের সফটওয়্যার। যেটা ডিজাইন করা হয় কোন পিসি বা মোবাইলের মাঝে ঢুকে নিজস্ব কিছু এড দেখনোর জন্য। এইসব সফটওয়্যার গুলো হ্যাকারা বানিয়ে থাকে, আপনার পিসিতে বা ব্রাউজারে তাদের এড দেখিয়ে থাকে বা এড দেখানোর জন্য ফোর্স করে থাকে। কিছু কিছু সফটওয়্যার আপনার ব্রাউজার হিস্টোরি, কুকি এইসব সংগ্রহ করে রেখে দেয়। যা তারা পরে অনেক ইলিগ্যাল কাজে লাগিয়ে থাকে।

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

Back Door

Back Door এমন একটা পন্থা যেটা দিয়ে আপনি কোন ওয়েব সাইট বা কম্পিউটারের মাঝে হিডেন হয়ে লগইন করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে কোন লগইন করার প্রয়োজন হবে না। নাম শুনেই হয়তো বুঝতে পারছেন আসলেই এর কাজ টি কেমন। পেছনের দরজা, মানে আপনি ঘরে ঢুকতে পারবেন ঠিকই কিন্তু পেছনের দরজা দিয়ে।

Attack

Attack হচ্ছে একটা একশন। যার মাধ্যমে আপনি ভিকটিমের ডাটা পেতে বা পাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।

Bot

Bot হচ্ছে একটা প্রোগ্রাম বা স্রিপ্ট। যেটা মানুষের মত কোন কাজ নিজে নিজেই করতে পারে। যেটার মাঝে নিদির্ষ্ট করে প্রোগ্রাম করে দেয়া থাকে। এটার সব থেকে ভাল উদাহরণ গুগোল বট বা বিং বট। এইসকল বট গুলো সকল ওয়েব সাইট কে ক্রাউল করে থাকে। একটা মানুষ যদি এই কাজ করতে যেত তাহলে হয়তো তার সারা জীবন লেগে যেতে পারতো। কিন্তু একটা বট এই কাজ মানুষের মত করেই বার বার একই টাস্ক করে থাকে।

Botnets

Botnets হচ্ছে অনেক গুলো বটকে একসাথে একই নেটওয়ার্কের নিচে এনে পরিচালনা করা। এটা মূলত ব্লাক হ্যাট হ্যাকার করে থাকে। Botnet কে আপনি Zombie Army এদের সাথেও তুলনা করতে পারেন। Botnet এর ব্যবহার হয়ে থাকে মূলত ডিডস এট্যাক, spamming, mail bombing এই সব এর ক্ষেত্রে।

Brute force attack

Brute force attack এই নাম টি হয়তো অনেকেই শুনে থাকবেন। বলতে পারেন অনেক প্রচলিত একটা নাম। এই প্রচলিত হবার কারণই হচ্ছে হ্যাকারদের কাছে জনপ্রিয়তা। Brute force attack কাজ হচ্ছে কোন লগইন পেজে আলাদা আলাদা কম্বিনেশেনে ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড ইনপুট করে লগইন করা। আপনি একে একটি ক্র্যাকার বলতে পারেন।

Clone phishing

Clone phishing
Clone phishing

ক্লোন ফিশিং হচ্ছে কোন ওয়েব সাইটের ফেক লগইন বানিয়ে, ইউজার দের তথ্য চুরি করে নেওয়ার একটা ট্রিক মেথড। এটা অনেক জনপ্রিয় ও বলতে পারেন এটা সারা জীবন ধরেই জনপ্রিয় থাকবে। এটা নির্ভর করে হ্যাকার কতটা বুদ্ধিমান ও হ্যাকার কতটা সময় উপযোগী ভাবে ইউজারদের বোকা বানাতে পারে। হ্যাকার যদি সঠিক ভাবে তার কাজ টি করতে পারে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ইউজার গণ বোকা বনে যেতে বাদ্ধ হয়ে পরেন।

Denial of service attack (DoS)

এই সব নিয়ে আমি কিছুই বলবো না তেমন ভাবে কেননা এর আগে এইসব নিয়ে অনেক বিষদ ভাবে আলোচনা করা হয়েছে। আপনি যদি না পড়ে থাকেন তাহলে এইন আর্টিকেল টি পড়ে আসুন।

Malware

ম্যালওয়্যার hacking terminology.সব থেকে সুন্দর বিষয়। এটা হচ্ছে শুধু মাত্র একটা কিছু প্রোগ্রামিং যা হ্যাকার রা ভিকটিমের পার্সোনাল ডাটা, পাসওয়ার্ড ইত্যাদি চুরি সহ পুরো সিস্টেম ক্রাশ করিয়ে দিতে পারে। এটা নিয়ে বিস্তারিত জানতে এই আর্টিকেল টা পরে আসতে পারে। 

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

Spoofing

Spoofing  হচ্ছে খুব জনপ্রিয় ও সর্বাধিক ব্যবহার করা একটা মেথড। একজন হ্যাকার এই মেথড ব্যবহার করে থাকবেই। এটা এমন একটি মেথড যেটা দিয়ে কম্পিউটার কে বোঝানো হয় তার কাছে অরজিনার হোস্ট থেকে রিকুয়েস্ট আসছে। কিন্তু পুরোটাই থাকে ফেক।  

Email Spoofing

এটা নিয়ে আমি আলাদা করে কোন আলোচনা করতে চাচ্ছি না। কেননা এটা নিয়ে আমি আগেই অনেক বিশাল একটা আর্টিকেল লিখেছি। আপনি চাইলে এই আর্টিকেল দেখে পুরো বিষয় টা শিখে আসতে পারেন। তবে এটি হচ্ছে সব থেকে বেশি সফল একটা পন্থা। ধারনা এটা যে বাংলাদেশ ব্যাংক হ্যাকিং এর ক্ষেত্রেও ইমেইল স্পুফিং করা হয়েছিল (ব্যাক্তিগত মতামত)

Buffer Overflow

এটা এমন একটা টেকনিক যেটা দিয়ে কোন কম্পিউটার বা সিস্টেম এর মেমোরি কে বেশি বেশি ডাটা রাইট করার মাধ্যমে হ্যাং করে দেওয়া হয়। 

Encryption

এটা নিয়ে হয়তো কাওকে তেমন কিছুই বলা লাগবে না। এটার মাধ্যমে যে কোন ইনফোরমেশন বা ডাটা ইনকোড হয়ে যায়। এটার যেমন ভাল দিক আছে তেমনি খারাপ দিক আছে। যেমন আপনার মেইল যদি ইনক্রিপ্ট করা না থাকে তাহলে হ্যাকার সেটা হ্যাক করে পড়ে নিতে পারবে। যেমন ধরুন কেও যদি ম্যান ইন দ্যা মিডিল এট্যাক দেয় তবে এটা সম্ভব হত। আর খারাপ দিক হচ্ছে র‍্যানসম ওয়্যার এর মত ভাইরাস পুরো কম্পিউটার টা ইনক্রিপ্ট করে দেয়।

এই গুলোই আপাতত ছোট করে বলা সম্ভব হইলো বাকি গুলো এত ছোট করে বলা সম্ভব না। যেমন RooTkit, Worm, Clocking. তবে একে একে সব ট্রাম গুলো নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করুন। 

যদি আর্টিকেল ভাল লেগে থাকে তাহলে আমাদের সাথে থাকুন। পরের পর্বে কি দিব সেটা কমেন্ট করে জানান । যে কোন ধরণের হেল্পের জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। আমাদের গ্রুপের লিংক

 

কিভাবে

ড্রোন কি? ড্রোন কিভাবে কাজ করে? বিস্তারিত জানুন

বন্ধুরা তোমরা হইত সবাই ড্রোন নিয়ে কম বেশি জানো। কিন্তু সেই জানার পরিধি তেমন বেশি নয়। আজ আমি তোমাদের সামনে তুলে ধরব ড্রোন কি ও ড্রোন কিভাবে কাজ করে। তাহলে বন্ধুরা চল জেনে আসি বিস্তারিত।

ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে
ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে

 

ড্রোন কি

ড্রোন হচ্ছে এমন একধরনের উড়োজাহাজ মানে বিমান যা পাইলট বাদে চলাচল করে। কিন্ত তার মানে এইনা যে বাজারে হাজার টাকা দিয়ে যে আকাশে উড়ানো বিমান গুলো পাওয়া যাই সেই গুলো ড্রোন। এর আবিধানিক অর্থ হচ্ছে গুঞ্জন, কারণ এটি যখন চলে এটা মৌমাছির গুনগুনেরমত শব্দ করে। ড্রোন এর প্রথম শর্ত হচ্ছে এটাতে ক্যামেরা থাকাই লাগবে। ড্রোন কে মুলত বানানো হয়েছে কোন জায়গাই না গিয়ে সেই জায়গার ছবি তোলার জন্য। কিন্তু বর্তমানে শুধু ছবি সংগ্রহর জন্যই ড্রোন ব্যবহার করা হইনা। এটা ব্যবহার করা হচ্ছে যুদ্ধ ক্ষেত্রে, সিনেমার শুটিং এর ক্ষেত্রে ইত্যাদি ক্ষেত্রে। যাই হোক এখন আমরা জানবো ড্রোন কিভাবে কাজ করে?

ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে
ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে

 

ড্রোন কিভাবে কাজ করে

ড্রোন যে প্রক্রিয়াই কাজ করে তার নাম হচ্ছে ইউএভি (UAV)। যার পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Unmanned aerial vehicle। যার আছে ২ টি প্রকারভেদ, একটি সাধারণ (UAV) ও অপরটি সামরিক (UAV)। সাধারণ ইউএভি গুলোতে মুলত একটি ক্যামেরা, পাখা, আর কিছু সেন্সর থাকে। যা তাকে আকাশে উড়তে এবং সঠিক পথে যেতে সাহায্য করে। তবে অবশ্যই সাধারণ ইউএভি হোক আর সামরিক ইউএভি সবাইকেই রিমোট দ্বারা চালনা করা লাগে। অপর দিকে সামরিক ইউএভি গুলোতে থাকে ককপিট, স্পাই ক্যামেরা, লেজার, জিপিএস, সেন্সর, লাইটিং সেন্সর ইত্যাদি।

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

তবে এটার সমস্ত ইউএভি গুলো থাকে এর নাকের কাছে ও যার কারণে এরা অনেক বেশি দূরে যেতে পারে। আর এইগুলোর জন্য অবশ্যই একটা রানওয়ে দরকার। ড্রোন এর মূলত ২ টি অংশ থাকে একটি হচ্ছে ড্রোন নিজে ও অপরটি হচ্ছে এর কন্ট্রোলার সিস্টেম। গ্রাউন্ড কন্ট্রোলার নিজে নির্দেষ দেই আর সেটা উপগ্রহ হয়ে ড্রোন এর কাছে যাই, ড্রোন তা গ্রহন করে সেই কমান্ড অনুযায়ি কাজ করে। ঠিক একই ভাবে ড্রোনও গ্রাউন্ড কন্ট্রোলার এর কাছে একই ভাবে তার তথ্য পাঠিয়ে থাকে। সব থেকে অবাক হবেন এটা শুনে যে এই কাজ গুলো করতে ড্রোন এর সময় লাগে মাত্র ২ সেকেন্ড।
তাছাড়া ড্রোন অনেক গুলো কমান্ড মেনে কাজ করে, আসুন তাহলে এগুলো জেনে নিই।

ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে
ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে

 

রাডার পজিসন

রাডার পজিসন বলতে এখানে বোঝানো হয়েছে রাডার পাইলট কে, এই পাইলট স্বয়ক্রিয় ভাবে নিজের অবস্থান নির্ণয় করে ও কন্ট্রোলার কে নিজের পজিসন সম্পরকে অবগত করে। এর সাথে আছে আরেক টি কমান্ড ব্যাক টু হোম (Back To Home) এই কমান্ড এর মাধ্যমে ড্রোন টি যেখানেই থাকুক না কেন এটি তার নিজ অবস্থানে আবার ফিরে আসবে। কোন রকম কন্ট্রোল করা ছাড়াই। কিন্তু অব্যশই মনে রাখবেন এটা একমাত্র ব্যবহার হয় সামরিক ড্রোন বা UAV এর ক্ষেত্রে।

Gyro পজিসন সিস্টেম

Gyro পজিশন সিস্টেম বলতে বুঝানো হয়েছে Gyroscope সাহায্যে নিজের ও অন্যান্য সব কিছুর পজিশন নির্ণয় করা। তাছাড়া এটির কারণেই ড্রোন সুন্দর ভাবে উড়তে পারে ও ঠিক ভাবে নামতে পারে। Gyro সিস্টেম কাজ করে উত্তর মেরু নির্ধারন করে, উত্তর মেরু কে প্রথমে ধরে এটি প্রথমে নিজের অবস্থান দিবে পরবর্তিতে অন্য ড্রোন বা Location তার কোন পাশে সেটা বলে। একটু কষ্ট হলেও এটি একদম সঠিক অবস্থান বলে দেই। তাই সকল সামরিক ড্রোন বা (UVI) তে Gyro সিস্টেম ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে
ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে

 

ফ্লাই জোন প্রযুক্তি

ফ্লাই জোন প্রযুক্তি বলতে বুঝানো হয়েছে অন্য বিমান বা ড্রোন সাথে এর কোন দূর্ঘটনা না হবার জন্য যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এটার কারণেই বিমান এর সাথে ড্রোন এর দূর্ঘটনা হই না। আপনি একবার ভাবুন আপনি কখনো শুনেছেন বিমান এর সাথে কোন ড্রোনের দূর্ঘটনা হয়েছে? হইনি বা হলেও খুব কম, এটির মূল কারণ হচ্ছে এই ফ্লাই জ়োন প্রযুক্তি। এটি মুলত কাজ করে দুই ভাবে একটি হচ্ছে এর ভিতরে আসপাশের বিমান বন্দর গুলোর সময় সূচি দেওয়া থাকে যার কারণে সেটি সেই সময় টাই নির্দিষ্ট দূরর্ত বজাই রেখে চলে ও একটি নির্দিষ্ট উচ্চাতাই চলাচল করে। অপর দিকে আরেক টি হচ্ছে ফার্মওয়্যার ব্যবহার করে A ও B নির্ণয় করে। কিন্তু এই সম্পর্কে কিছুই ড্রোন প্রস্তুত কারকরা বলেনি।

ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে
ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে

 

FPV প্রযুক্তি

FPV প্রযুক্তি হচ্ছে First Person View । ড্রোন প্রথমে মাটিতে যেই ব্যাক্তিকে দেখবে তাকেই আগে টার্গেট করবে। কিন্তু তার থেকে বেশি গুরুত্ব পূর্ন হচ্ছে এটি তে যে ক্যামেরা আছে সেটা মাটিতে অবস্থানরত যেকারো সুনিদিষ্ট তথ্য দিয়ে থাকে। কিন্তু এর সম্যসা হচ্ছে এটি বন বা যন বসতি পূর্ন এলাকাতে ঠিক ভাবে সনাক্ত করতে পারেনা। তাই FAV প্রযুক্তির বিকল্প হিসেবে অন্য কিছুর কথা ভাবথে বিশ্লেশকরা।

বর্তমানে ড্রোনকে এতটাই সুন্দর ও সহজ করা হয়েছে যে ড্রোন কে আপনি স্মার্টফোন দিয়েও চালনা করতে পারবেন

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

স্মার্টফোনে ড্রোন

এখন বিশ্বটা হয়ে গেছে স্মার্টফোনের, তাই ড্রোন কেও স্মার্টফোনের মাঝে আনা হয়েছে। কিন্তু এটিমাত্র হবে Phantom 2 Vision+ quadcopter ড্রোন গুলোতে। আপনি গুগল প্লেস্টোর থেকে এটি ডাউনলোড করে ড্রোনকে চালনা করতে তো পারবেনি সাথে আপনি এর গতি কমানো বাড়ানো, ডাটা গ্রহন ও প্রেরণ, মিসাইল নিক্ষেপ ইত্যাদি কাজ গুলোও করতে পারবেন। এমনকি এতে আপনি ফ্লাইট মিশন এর সমস্ত ডাটা পরির্বতন করতে পারবেন। সুতরাং বলা যেতেই পারে ড্রোন কিন্তু আমাদের ব্যবহার এর জন্য অনেক সহজ হয়ে গেছে যদিও সেটা আমারা জানি না।

ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে
ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে

 

কি ধরনের ক্যামেরা ব্যবহার করা হয় ড্রোনে

এই প্রশ্নটা কিন্তু আপনাদের আমাদের সবার, কি ধরনের ক্যামেরা ব্যবহার করা ড্রোনে? কেননা আমরা হইত ভাবে থাকি ড্রোনতো শুধু মাত্র শত্রু ঘায়েল করতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু একটি বার ভেবে দেখেছেন যদি আপনি ভালভাবে শত্রুকে শনাক্ত করতেই না পারেন তাহলে ঘায়েল করবেন কিভাবে? সেই জন্যই ড্রোনে অনেক শক্তিশালি ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

অধিকাংশ ড্রোনে যে ক্যামেরা ব্যবহার হয়ে থাকে তাতে ১০৮০/৩০ ফ্রেমে ও ৭২০/৬০ ফ্রেমে অনেক ফুল এইচডি ছবি প্রর্দশন করে। আর যার জন্য ড্রোনের মাঝে আছে ৩ গিগাবাইট মাইক্রো এইচডি মেমোরি। কিন্তু সময় যত বাড়ছে এর ড্রোনের ক্যামেরাও তত আধুনিক হচ্ছে, Walkera, Yuneec এর মত বড় বড় ড্রোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান 4K ভিডিও ধারণ করা যাবে এমন ক্যামেরা এনেছে তাদের ড্রোনে ও ছবি তোলা হই ১২ মেগাপিক্সেল ক্যমারা দিয়ে। সর্বশেষ তারা Zenmuse Z3 জুম ক্যামেরা ব্যবহার করেছে যাকিনা নিকন তাদের ডিএসেলার ক্যামেরা গুলোতে ব্যবহার করে থাকে ও এটাই ড্রোনের ইতিহাসে প্রথম এমন হাই রেজুলেশন ক্যামেরা ব্যবহারের।

সামরিক ক্ষেত্রে ড্রোনের গুরুত্ব

ড্রোনের সবথেকে বড় সুবিধা হচ্ছে এরা কোন মিসাইল ছাড়ার পরে নিজের গতি পথ তখনি পরিবর্ত করতে পারে অনেকটা ক্রজ মিসাইলের মত। এদের মাঝে শুধু পার্থক্য এতটুকুই ক্রুজ মিসাইল নিজে ধ্বংস হয়ে যাই কিন্তু ড্রোন নিজে ধ্বংস হয়না। যেহেতু চালক থাকে না সেহেতু চালকের জন্য যে সমস্ত সুবিধা থাকা দরকার যেমন ককপিট, অক্সিজেন সিলিন্ডার, প্যারাসুট ইত্যদির ও দরকার পড়ে না। ফলে চালক বিহীন বিমান বেশী পরিমান গোলাবারুদ ,মিসাইল ইত্যাদি অস্ত্রশস্ত্র বহন করতে পারে। আর গোপনিয়তার কথা চিন্তা করলে এর বিকল্প ভাবা আমাদের উচিত না।

সর্বশেষ টেকনোলজিক্যাল ড্রোন

  • DJI Phantom 4 : যেটাতে রয়েছে যেকোনো ধরণের সংঘর্ষ এড়িয়ে চলার প্রযুক্তি। তাছাড়া এতে আছে আকাশ থেকে নিখুত ছবি তোলার প্রযুক্তি।
  • DJI Inspire 1 : এটি মূলত সবার কাছে প্রিয় হয়েছে এর সুন্দর ডিজাইন ও শক্তিশালি মোটর এর জন্য, এটিকে মূলত ব্যবহার করা ছবি তোলার জন্য। তাই এটি সিনেমার ভিডিও করার ক্ষেত্রেই বেশি ব্যবহার হই।
  • 3DR Solo : পেশাদার ফটোগ্রাফির জন্য এটি সবার পছন্দের শীর্ষে থাকবে, তাছাড়া খুবই দ্রুত নিজের গতিপথ পরিবর্তন করতে পারাই এটা সবার থেকে একটু দ্রুতই কাজ করে।

ড্রোন কথাটি আমরা সকলেই শুনেছি, অনেকেই তো ভেবে বসে আছেন ড্রোন দিয়ে শুধু যুদ্ধ করাই যায়। এছাড়া আর অন্য কিছু করা যায় না। এছাড়াও আমাদের  মনের মাঝে ড্রোন নিয়ে আরো অনেক প্রশ্ন জমা হয়ে আছে। আমরা আলোচনা করবো আপনাদের সেই সকল মনের মাঝে  থাকা প্রশ্ন গুলো নিয়ে। সাথে আমরা চেষ্টা করবো আপনার সেই সকল প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেয়ার জন্য।

ড্রোন কি বৃষ্টি বা তুষারের মাঝে উড়তে পারে?

ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে
ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে

হ্যাঁ, ড্রোন বৃষ্টি বা তুষারের মাঝেও উড়তে পারে। যদিও এটা কয়েক বছর আগেও সম্ভব ছিল না। কিন্তু এখন যে সকল নতুন আপডেট ড্রোন গুলো এসেছে সেই গুলো বৃষ্টির মাঝেও উড়তে সক্ষম। যেমন DJI Phantom 4 Wetsuit এই ড্রোন টা। এটা হচ্ছে ওয়াটকার প্রুফ একটা ড্রোন, যেটা বৃষ্টির মাঝেও উড়ে যেতে সম্ভব।

বেসিক কম্পিউটার নিরাপত্তাঃ কিভাবে ভাইরাস, হ্যাকার এবং চোর থেকে নিজের কম্পিউটারকে রক্ষা করবেন?

ড্রোন কি হ্যাক করা সম্ভব?

এই  প্রশ্ন টা আমাদের সকলের মনেই কিন্তু আছে, বিশেষ করে যারা একটু টেক গিক ধরণের তারা তো খুবই আগ্রহী। যদিও আমার নিজের মনেও এই প্রশ্ন টা অনেক দিন ধরে ছিল। আসলে সত্য কথা বলতে ড্রোন হ্যাক করা সম্ভব। ড্রোন হ্যাক নিয়ে কালি লিনাক্সের অনেক টুল আছে। ড্রোনের মাঝে যে প্রোগ্রাম করা আছে মূলত সেই গুলো পরিবর্তন করে হ্যাক করা হয়ে  থাকে। এছাড়াও ড্রোন ভিডিও গুলো মূলত শেয়ার হয় ওয়ার্লেস নেটওয়ার্কের মাধ্যমে। এই ওয়ার্লেস নেটওয়ার্কেও অনেক ভারনাবিলিটি পাওয়া গেছে।

কিছু প্রয়োজনীয় উইন্ডোজ কমান্ড, যা সম্পর্কে আপনার জানা উচিৎ।

যুদ্ধ ক্ষেত্রে কখন ড্রোন ব্যবহার করা হয়?

ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে
ড্রোন-কি-ও-ড্রোন-কিভাবে-কাজ করে

ড্রোন নাম টা আমাদের কাছে পরিচিত হয়েছে আমেরিকা-আফগানিস্থান যুদ্ধের পরে। তার আগে আমরা কিন্তু কেও জানতাম না ড্রোন বলেও কিছু আছে কিনা। আর ২০০২ সালে আমেরিকা-আফগানিস্থান যুদ্ধের সময় প্রথম ড্রোনের ব্যবহার করা হয়। শুধু যদ্ধ ক্ষেত্রেই না বলতে পারেন ইভুলুশোন ঘটেছে এই সময়ের পরেই।

কখন ড্রোন প্রথম ব্যবহার করা হয়

১৯১৮ সালের দিকে আমেরিকান নেভি ড্রোন ব্যবহার করেন। যদিও সেই সময়ের ড্রোন আর এই সময়ের ড্রোনের মাঝে রয়েছে আকাশ পাতাল পার্থক্য।

ড্রোন চালানো কি বৈধ

আসলে সত্য কথা বলতে একেক দেশে একেক নিয়ম। অনেক দেশেই ড্রোন চালানো সম্পুর্ন ভাবে নিষেধ। আবার অনেক দেশেই কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানকে তাদের কাজের জন্য ড্রোন ব্যবহার করতে দেয়া হয়। আমাদের দেশের কথা যদি বলতে হয়, আসলে আমাদের দেশে ড্রোন চালাতে গেলে ড্রোন কে রেজিট্রেশন করতে হয়। রেজিট্রেশন বাদে ড্রোন চালানো সম্পূর্ন বে-আইনী। এটা শুধু আমাদের দেশেই না, পৃথিবীর প্রায় সকল দেশেই এই নিয়ম টা রয়েছে।

শেষকথা

ড্রোন হচ্ছে বর্তমান যুগের সেরা আবিষ্কারের একটি যেটা আজ আমরা নিজের প্রয়োজন বলি বা নিরাপত্তা সব ক্ষেত্রেই ব্যবহার করি। তবে এটা সবথেকে বেশি ব্যবহার হচ্ছে যুদ্ধ ক্ষেত্রে, এই ড্রোনের জন্যই প্রতিপক্ষকে হামলার ছক থেকে শুরু করে হামলা করা প্রর্যন্ত সবকিছুই ড্রোন দিয়ে হচ্ছে। তাছাড়া হলিউড বা বলিউড এর সিনেমার অনেক স্ট্যান্ড ড্রোন দিয়েই করা হচ্ছে। যে কোন ধরণের হেল্পের জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। আমাদের গ্রুপের লিংক

save energy

Energy security tips

Safety is our first objective, that is why we offer you this series of recommendations that will allow you to use electrical energy more safely:

Avoid contact of water with electricity

To use any electrical appliance you must have dry hands and feet, and preferably be footwear.
Before connecting an electrical appliance, check that it is not wet, and never handle it while being in the bathtub or shower. When watering, be careful not to direct water to cables, meter cabinets, hitch boxes, etc.
In bathrooms, hot and cold water pipes, drains, metal door and window frames, radiators, etc., must be connected to each other and to the earth network.
In the kitchen try to use electrical appliances away from the sink area.

Handle household appliances with caution:

Check that the voltage of your appliances is adequate for your home and that you have enough contracted electrical power.
If you need to manipulate them, unplug them first by pulling the insulating plug that connects them to the wall: never pull the cable directly.
Use the grounding of your appliances if they have it and your installation allows it. Also, if you change a grounded plug, replace it with a grounded one as well.
Locate appliances, especially stoves, televisions, and stereos at a safe distance from the wall to avoid overheating. If smoke or any unusual odor appears, unplug them immediately and have them checked by a technician.
Protects infants and toddlers from electricity:

Take care that your children do not use electric toys that plug into the network unless you watch them permanently while they play.
Keep children out of the reach of loose plugs or cables, especially in their playroom, and cover them with electrical tape or plug conceallers whenever possible.Take care that children do not play near the TV or lying in front of it. It is a very heavy object if it falls on a child, and also in older models, the cathode tube could explode if it receives a strong blow while it is on.
Let the iron cool in a secluded place and out of the reach of children.
Away from home, be careful with electrical infrastructure:Towers, utility poles, and transformation booths can be dangerous: do not enter or climb them, do not throw stones or other objects at them, and do not use them as supports.

In areas under an electric line, do not play with objects that could touch it (sticks, kites, drones, balls, etc.)
If the junction box of a lamppost is open, do not touch it under any circumstances.
If you find a cable on the ground, do not touch it, notify the electric company.
Keep your electrical installation safe:

Check that the main switch and the control and protection panel are located in an easy access point known to all members of the family.
If you are going to manipulate an installation, turn off the switch first. Do this, for example, before changing a light bulb.
Do not block the circuit breakers, so that they work freely in case of installation failure.
Never use appliances with bare wires, broken plugs, damaged plugs etc.
If a device “cramps” you, unplug it immediately and call a technician.
Do not overload electrical installations and do not put electrical cables under carpets.
Use a plug for each receiver, when possible. Multiple connections can cause overheating.
Check that the lights are working properly and keep them away from curtains and walls.
Do not place screens or cable routing near sources of heat.
When you stop using the iron, even just for a moment, don’t forget to unplug it and put it in a safe place.
In the event of an electrical accident:

If you can, cut off the power supply. If not, grab the victim by the clothing and pull on it without contacting their skin. If necessary, cover bare parts with dry clothing before touching him.
In the event of an electrical fire, use a fire extinguisher to put out the fire.
If a localized burn occurs, wash your hands thoroughly before treating it.
Cool the burn with water or ice, clean around it with a damp compress, and spread an antiseptic solution.
Finally, cover it with a sterile cotton pad. Do not directly touch the burn or open the blisters or bladders that form on it. If the burn is important, do not put creams and go to your medical assistance center.

কিভাবে

ওয়েব ব্রাউজার কী?

আপনি একটি ওয়েব ব্রাউজারে এই আর্টিকেল টি পড়ছেন। যা আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনে ইনস্টল করা আছে। ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে আপনি ইন্টারনেটে তথ্য পড়তে পারেন।

তবে, আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন? ওয়েব ব্রাউজার কী? ব্রাউজার কীভাবে কাজ করে? ওয়েব ব্রাউজারের কার্যকারিতা কী? ব্রাউজারের সংজ্ঞা কী? একটি ব্রাউজারে কাজগুলি কি কি?

আপনিও যদি ওয়েব ব্রাউজার সম্পর্কিত উপরের লিখিত প্রশ্নের উত্তর জানতে এখানে এসে থাকেন তবে আপনি হতাশ হবেন না। কারণ এই নিবন্ধটি কেবল আপনার জন্য লেখা হয়েছে। এই নিবন্ধে, আমরা আপনাকে ওয়েব ব্রাউজার সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দিচ্ছি।

সহজে বুঝতে ইন্টারনেট ব্রাউজারের বিষয়টিকে নিম্নলিখিত অংশগুলিতে বিভক্ত করা হয়েছে। আপনি যে প্রশ্নের উত্তর জানতে চান তাতে ক্লিক করুন। আপনি সেখানে পৌঁছে যাবেন।

ওয়েব ব্রাউজার কী? ওয়েব ব্রাউজারটি কী?

ওয়েব ব্রাউজার একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম, যা ব্যবহারকারীদের জন্য ইন্টারনেটে ওয়েবপৃষ্ঠাগুলি অনুসন্ধান করে মানব ভাষা অনুবাদ করে। এই ওয়েবপৃষ্ঠাগুলিতে থাকা তথ্যের মধ্যে গ্রাফিক্স, মাল্টিমিডিয়া, ওয়েব প্রোগ্রাম এবং সাধারণ পাঠ্য রয়েছে। একটি ব্রাউজার ওয়েব মানকগুলির উপর ভিত্তি করে ওয়েবপৃষ্ঠাগুলি থেকে ডেটা আনে। গুগল ক্রোম একটি জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার।

আপনি যদি আরও সহজভাবে বলেন, ব্রাউজারগুলি ইন্টারনেটে ওয়েবসাইটগুলি অনুবাদ করার জন্য কাজ করে।

অনেক ধরণের তথ্য একটি ওয়েবসাইটে পাওয়া যায় যা ব্রাউজার নিজেই পড়ে এবং ব্যবহারকারীকে বোঝার মতো একটি ভাষাতে প্রদর্শন করে। কারণ এই ওয়েবসাইটগুলি তৈরি করতে অনেকগুলি ভাষা ব্যবহৃত হয় যা একটি সাধারণ ব্যবহারকারী বুঝতে পারে না।

ওয়েবে উপলব্ধ ওয়েব সংস্থানগুলি হাইপারটেক্সট মার্কআপ ল্যাগোয়েজস (এইচটিএমএল) 

ব্রাউজারের ইতিহাস – ওয়েব ব্রাউজারগুলির ইতিহাস

এটা 90s এর দশক। মিঃ টিম বার্নার্স লি কম্পিউটারে তথ্য ভাগ করে নেওয়ার পদ্ধতিতে কাজ করছিলেন। হাইপারলিঙ্কস দিয়ে তিনি এই কাজটি সহজ করেছিলেন । হাইপারলিঙ্ক এইচটিএমএল ল্যাঙ্গুয়েজের কমান্ড command।

তিনি অন্য কম্পিউটারে একটি কম্পিউটারে তথ্য পেতে এইচটিএমএল ভাষা তৈরি করেছিলেন। এইচটিএমএল স্পেশাল কমান্ডে লেখা হয়। এই বিশেষ কমান্ডগুলি ” এইচটিএমএল ট্যাগস ” নামে পরিচিত।

এখন সমস্যাটি হ’ল সকলেই এই ট্যাগগুলি বুঝতে পারে না। তারপরে তিনি এমন একটি প্রোগ্রাম তৈরি করেছিলেন যা এইচটিএমএল ট্যাগগুলি বোঝে।

এই প্রোগ্রামটি এইচটিএমএল ট্যাগ পড়তে এবং ব্যবহারকারীর সামনে কেবল তথ্য প্রদর্শন করতে ব্যবহৃত হয়। এটি তথ্য ভাগ করে নেওয়া এবং পড়া খুব সহজ করে তুলেছে।

টিম বার্নার্স লি তার প্রোগ্রামটির নাম রেখেছিলেন ” ব্রাউজার “। যা আজ আমরা ওয়েব ব্রাউজার হিসাবেও জানি। এইভাবে, বিশ্বের প্রথম ব্রাউজারটি 1991 সালে সম্পূর্ণ হয়েছিল। প্রথম ওয়েব ব্রাউজারটির নাম দেওয়া হয়েছিল ” WWW “। ডাব্লুডাব্লুডাব্লু মানে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব।

ইন্টারনেটে সামগ্রীর সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য, অবস্থান (একটি সাধারণ কম্পিউটার) বা ঠিকানা (এই কম্পিউটারের নাম) প্রয়োজন।

আপনি এই অবস্থান বা ঠিকানাটি URL এর নামে জানেন । URL টিতে একটি সম্পূর্ণ ফর্ম ইউনিফর্ম রিসোর্স অবস্থান রয়েছে ।

যে কোনও ইউআরএলের দুটি অংশ রয়েছে। প্রথম অংশটি হ’ল প্রোটোকল (কম্পিউটারগুলির মধ্যে তথ্য বিনিময়ের জন্য স্ট্যান্ডার্ড) এবং দ্বিতীয় অংশটি ডোমেন নেম ।

আমরা ব্রাউজারের মাধ্যমে এই ইউআরএলগুলি অ্যাক্সেস করতে পারি। এই URL গুলির সামগ্রীটি এইচটিএমএল ডকুমেন্ট বা ওয়েবপৃষ্ঠা আকারে।

এই নথিগুলি বিশেষ এইচটিএমএল কমান্ড দ্বারা লিখিত হয়েছে। ব্রাউজারগুলি এই বিশেষ কমান্ডগুলি (এইচটিএমএল ট্যাগগুলি) পড়ে এবং সেগুলি ব্যাখ্যা করে, তারপরে আমাদের সামনে তথ্য প্রদর্শন করে।

এইভাবে আমরা বলতে পারি যে প্রথম ব্রাউজারটি ওয়েব ঠিকানায় যায়। তারপরে সেই ওয়েব ঠিকানায় সামগ্রীটি পড়ে এবং বোঝে। এর পরে, এটি ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছে যায়।

সমস্ত ব্রাউজারের কার্যকারিতা একই। কারণ ব্রাউজারগুলিতে উপস্থিত ডেটা রেন্ডারিং ইঞ্জিনগুলি কেবলমাত্র নির্দিষ্ট ওয়েব মানের ভিত্তিতে ওয়েব সংস্থানগুলি আনে । অতএব, ওয়েবে একটি মড্যালিটি রয়ে যায়।

তুমি কি শিখেছ?

এই নিবন্ধে, আমরা আপনাকে ওয়েব ব্রাউজার সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দিয়েছি। আপনি কি জানতেন ব্রাউজার কী? ব্রাউজার কীভাবে কাজ করে? আপনি ব্রাউজারের ইতিহাসও জানেন। এই ব্রাউজার গাইডটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন যাতে তারাও ইন্টারনেট ব্রাউজারের সাথে পরিচিত হয়। আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে আপনি জিজ্ঞাসা করতে এবং মন্তব্য করতে পারেন।

টিপস এন্ড ট্রিকস

ফেসবুক ফ্রি এড এর আদ্যপ্রান্ত, চলুন দেখি কি আছে এর মাঝে

মহা জ্ঞ্যানী, মহা পাপী কিছু বান্দা আছে, যারা ফেসবুকে ফ্রি এড চালিয়ে নিজেকে সুপারম্যান ভেবে থাকে। যেমন আমি 😎, এই কথা শোনার পরে আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে, কিভাবে সম্ভব ভাই? 😱 ওকে, কুল! এত ব্যাস্ত আমরা না হয়, হুরোহুরি কম করি। দৈহিক দূরত্ব বজাই রাখি 🥴।  সব এবার ক্লিয়ার হয়ে যাবে। ক্লিয়ার করার জন্যই লিখতে বসেছি 😏 ।

ফেসবুক এডস কি

ফেসবুক এডস কি? ফেসবুকে ও তার সহযোগী প্রতিষ্ঠানে অর্থ খরচ মানে মাকু খরচ করে যে এড প্রোমোশন চালিয়ে থাকেন তাই ফেসবুক এডস। ফেসবুকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান বলতে ইন্সট্রাগ্রাম, হোয়াটস এপ এই গুলো আর কি।

ফেসবুক এডস এর ধরণ

আপনি যখন কিছু একটা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত জানবেন তখন আপনাকে সেই বিষয় টার ধরণ ও প্রকার নিয়ে জানতে হবে। এটা বলতে পারে আব্যশিক। তো ফেসবুক এড কই ধরনের? ফেসবুক এড মূলত ২ ধরণের।

  1. প্রিপেইড এড
  2. পোস্ট পেইড এড

প্রিপেইড এড

প্রিপেইড বিষয় টা কম বেশি সবাই বুঝে থাকি, আপনাকে আগে রিচার্জ করতে হবে। এর পরে সেই ব্যালেন্স থেকে আপনার এড এর জন্য এমাউন্ট কাটা হবে।

পোস্ট পেইড এড

পোস্ট পেইড বিষয় টাও নিশ্চয় বুঝেন, আপনাকে একটা লিমিট দেওয়া হবে ও একটা নিদির্ষ্ট ডেট ফিক্স করে দেওয়া হবে। এই লিমিটের উপরে গেলে আপনার একাউন্টে চার্জ করা  হবে। মনে রাখবেন, এখানে যে লিমিট দেওয়া হয় তাকে Threshold বলে।

প্রি-পেইড এড কখন কখন ব্যবহার হয়?

আপনি এড ইউজ করলে বুঝে থাকবেন, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই প্রি-পেইড এড ইউজ করতে হয়। যখন কার্ড যুক্ত করবেন আপনাকে একটা এমাউন্ট সেট করা লাগবে। আসলে, এটা মূলত কাজ করে। আপনি কোন ব্যাংক এর কার্ড ব্যবহার করছেন। ফেসবুক ব্যাংক ও বিন কে টার্গেট করে প্রি-পেইড পোস্ট পেইড করে থাকে। এর জন্য আইডি বা দেশ ফ্যাক্ট না। তবে হ্যাঁ, ইউ এস বা ইউরোপের কান্ট্রি গুলোতে প্রি পেইড কম।

পোস্ট পেইড নিয়ে কিছু না বলি, কেননা ফ্রি এর খেলাটাই পোস্ট পেইডে। 🥰

ফ্রি এড এর কাহিনী

উহু, ফ্রি ফ্রি কাহিনী শোনার আগে লাল ঘন্টাই চাপ দিয়েন। আর আপনার মেইল টা দিয়ে যায়েন। পরের বার আবার ডেকে আনতে হবে তো। 🤐

তো বাই দ্যা রাস্তা, ফ্রি এর কাহিনী হচ্ছে সিম্পল। আপনার এমন ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড দরকার যেটা ফেসবুক পোস্ট পেইড এড হিসাবে চালানো যায়। এবার এই কার্ডটা এড করার সাথে সাথে আপনাকে একটা এমাউন্ট দিয়ে দেবে ফেসবুক। এবার আপনি সে এমাউন্ট ইউজ করলেন কিন্তু ফেসবুকে আপনার বিলটা পরিশোধ করলেন না।

কিন্তু এখন প্রশ্ন এসে যায় এত কার্ড পাবো কোথায়? হ্যাঁ এটাই প্রশ্ন, এর জন্য আপনাকে ইউজ করতে হবে বিন।

ফেসবুক ফ্রি এড
ফেসবুক ফ্রি এড

তো আগে আমরা বিনের ব্যাপারে জেনে আসি

বিন কি

বিন হচ্ছে ব্যাংক আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার। একটা ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের প্রথম 6 ডিজিট হচ্ছে বিন নাম্বার। যেমন ধরূন আপনার কার্ডের নাম্বার হচ্ছে 53004690267829 এখানে বিন নাম্বার হচ্ছে 530046। এই বিন টা শুধু নির্দিষ্ট একটা ব্যাংকের থাকবে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে একটা ব্যাংকের কি একটাই বিন থাকতে পারে কিনা? আসলে বিনের একটা লিমিটেশন আছে, একটি বিনে যে আনলিমিটেড কার্ড থাকতে পারবে তা না। এইটা একটা এ্যালগোরিদমের উপরে কাজ করে। যার নাম Luhn algorithm ।,

একটা ব্যাংকে ধরুন ১০০০০ হাজার ক্লায়েন্ট আছে, কিন্তু একটা বিনে কার্ড হতে পারে ১০০০ টা। এখন তাহলে কি করবে? যখন 530046 এই বিন টার লিমিট ফুরাই যাবে, তখন আর এই বিনের কোন কার্ড ঐ ব্যাংকের ইউজারদের দেওয়া হবে না। তখন অন্য বিনের কার্ড দিবে। ধরি নতুন বিন হচ্ছে 521747। এখন এই বিনে আরো ১০০০ ক্লায়েন্ট কার্ড ব্যবহার করবে। সো, একটা ব্যাংকের অনেক বিন হতে থাকতে পারে। ব্যাংক যত বড় হবে, বিন তত বেশি হবে। আবার ব্যাংক যত ছোট হবে, বিন তত কম হবে।

বিন কিভাবে খুঁজে পাবেন

বিন খোজার আগে এটা জেনে নিন, সব বিন সব ওয়েবসাইটে কাজ করে না। বিন মূলত সেই সব ওয়েবসাইটেই কাজ করে, যারা ফ্রি ট্রাইয়াল দেয় ও পোস্টপেইড অফার দেয়। যেমনঃ নেটফ্লিক্স, গুগল এড, ফেসবুক এড ইত্যাদি।

বিন খোঁজার জন্য আপনাকে অনেক অনেক সময় দিতে হবে। আপনাকে প্যাটার্ন বুঝতে হবে। কেননা যে প্যাটার্নের কার্ড ফেসবুকে কাজ করবে, সেই প্যার্টানের কার্ড গুগলে কাজ না করতেও পারে। বিন খোঁজার জন্য অনলাইনে অনেক ফ্রি বিন চেকার রয়েছে। কিছু চেকারের লিং দিয়ে দিচ্ছি।

কোন কার্ড গুলো আসলে কাজ করে ফেসবুকে

ফেসবুকে মূলত Unembossed Prepaid Student ও prepaid playroll সিরিজের মাস্টার কার্ড গুলো কাজ করে। আপনাকে বিন সিলেক্টের সাথে সাথে বিনের প্যার্টান টাও বুঝতে হবে। যেমন এই ২ সিরিজের কার্ড গুলো অধিকাংশ সময় কাজ করে থাকে। যদিও এখানে ব্যাংকের কিছু ব্যাপার স্যাপার থাকে। যা আপনাকে শিখে নিতে হবে। এই গুলো শেখানোর বিষয় না।

কি বুঝলাম?

বুঝলাম এটাই, শেয়ার, কমেন্ট আর সাবস্ক্রাইব করে না গেলে কারো বাচ্চা হবে না, বিয়ে হবে না। 🤐 ফ্রি এড তো চলবেই না। 🥴 সো যা বললাম করে যান। 😎

 

Sms Offer

Which Gp Sms Pack 2020 Best For You | New Update | 500 sms 5 TK

Gp SMS Pack 2020: Aj apnader janabo Gp SMS Offer 2020 niye. apnara janen grameenphone bangladesh er sob theke boro operator. Gp SMS pack gulo onk sundor. khub kom dame GP SMS offer gulo diye thake.

Best GP SMS PACK 2020 | LIST

GP SMS Pack Price Dial Code Validity
50 SMS BDT 2 @ “S3” Type to send 8426 1 day
100 SMS (Gp-GP) BDT [email protected] *121*1015*1# 3 day
100 SMS BDT @ 5
*111*10*06#
4 day
25 SMS 1 BDT @ *121*1015*2# 1 day

Amra Gp Sms pack gulo update koreci jun month e. Apni sob pack gulo akdom kom dame paben. esarau niche amader aro kisu GP SMS offer deya ase.

gp sms pack 2020
gp sms pack 2020

Gp Sms Pack 2020 | 100 Sms 5BDT (Gp to Gp)

AI list e GP SMS pack er 100 SMS 5 Tk te neyar upai diye deya ase. ei offer ti onk sundor.

  • GP sms pack ti kinte dial *111*10*06# korun
  • sms pack tir meyad only 3 din
  • Sms Offer Tir balance check korte dial korun *566*2#

Gp Sms Offer 2020 | 25 Sms 2BDT | Any operator

Ei gp sms offer ti onekta gp internet offer er motoi. khub ekta sunbidhar sms pack na eta. jaihok ei pack ti te apni 25 ti sms paben jar dam porbe 2 Tk.

  • Gp sms pack Ti active korte dial korun *121*1015*2#
  • sms offer ti apni onk bar nite parben
  • sms er meyad thkbe 3 din.
  • Skitto customer gp sms pack ti kinte parben na.

 50 Sms offer | Gp SMS pack 2020

Gp disse darun sms offer. matro 2 tk te 50 ti gp sms pack kinte parben apni.

  • ei sms pack ti kinte type korun  “S3” and send 8426 ei number e.
  • meyad 1 din sms offer tir.
  • ei sms pack ti apni sudhu gp user der kasei sms send korte parben.

gp internet offer e jotoi jal koruk. sms offer onk valo dei.

অ্যান্ড্রয়েড

অ্যান্ড্রোয়েডের অজানা ৭ টি ফ্যাক্ট

আপনি যদি একজন Android ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে android এর কিছু মজার বিষয় আপনার জানা দরকার। Android এর এমন কিছু ফ্যাক্ট রয়েছে যা আপনি জানেন না।
ফ্যাক্ট পর্বের আগের আর্টিকেলে আপনারা দেখেছিলেন অ্যান্ড্রোয়েডের মজার ৫ টি ফ্যাক্ট । আজকে আপনারা দেখবেন অ্যান্ড্রোয়েডের অজানা কিছু ফ্যাক্ট। যা আপনি জানতেন না আগে।

১। Android কে প্রথমে মূলত স্মার্টফোনের জন্য বানানো হয়নি, বানানো হয়েছিল ডিজিটাক ক্যামেরার জন্য।

২। সকল Android Mobile ভার্সনের নাম ইংলিশ অ্যালফ্যাবেট A থেকে পর্যায়ক্রমে শুরু হয়েছে, Astro, Bender, Cupcake, Donut, Eclair, Froyo, Gingerbread, Honeycomb, Ice Cream Sandwich, Jelly Bean, KitKat, Lollypop, Marshmallow, Nougat, Oreo, Pie । আসলেই এটা কিন্তু আগে ভেবে দেখি নি আমরা।

৩। Phandroid হচ্ছে প্রথম ডেটিকেটেড ওয়েবসাইট, যারা Android নিয়ে ব্লগ, রিভিউ করেছে। এটা ২০০৭ সালে প্রথম যাত্রা শুরু করে।

৪। Android 3.0 Honeycomb একমাত্র ফোন যেটা শুধু মাত্র ট্যাবলেটের জন্য বানানো হয়েছিল, যেটাকে লাঞ্জ করা হয়েছিল Motorola Zoom ফোনে। কিন্তু সত্য কথা বলতে পুরাই লস প্রোজেক্ট।

৫। আমরা জানি বেশির ভাগ Android এপস ফ্রি কিন্তু সকল পেইড ও ফ্রি এপস যদি একসাথে গড় করা যায় তাহলে প্রতিটি এপস এর দাম পরবে 0.06$ বা ৪-৫ টাকার মত।

৬। অ্যান্ড্রোয়েডের লোগোকে আমরা Android হিসাবে জানলেও গুগল আন অফিশিয়াল ভাবে ডেকে থাকে Bugdroid নামে। আপনি গুগলে সার্চ দিন Bugdroid নামে, দেখবেন অ্যান্ড্রোয়েডের লোগো চলে আসবে।

৭। অ্যান্ডোয়েডের লোগোটার আইডিয়া নেয়া হয় মূলত ছেলেদের টয়লেটের দরজার লোগো থেকে। একটু ভেবে দেখুন, মিল টা নিজেই ধরতে পারবেন।

আশা করি ভাল লেগেছে, আমাদের কনটেন্ট রেগুলার পেতে বাম পাশের লাল সাবস্ক্রাইব বাটনটি ক্লিক করুন। কোন ধরণের স্প্যাম ছাড়ায় আপনার ব্রাউজারে আমাদের সর্বশেষ কনটেন্ট পৌছিয়ে যাবে।

 

ফ্যাক্ট

এন্ড্রোয়েডের মজার ৫ টি ফ্যাক্ট

আমরা যারা স্মার্টফোন ব্যবহারকারী তাদের মাঝে বেশির ভাগ ব্যবহার করেন এন্ড্রোয়েড। বলতে পারি এন্ড্রোয়েড একটি ভালবাসার নাম আমাদের জন্য। আমাদের মাঝে কিছু কিছু পাবলিক আছে যাদের আইফোন দিলেও এন্ড্রোয়েড ব্যবহার করবেন। যদিও এর সংখ্যা খুব।

যায়হোক, আমরা এড্রোয়েড ফোন ব্যবহার করলেও আমরা এন্ড্রোয়েডের কিছু বিষয় যা আমরা ভুল জানি অথবা জানি না। আজকে আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করবো ৫ টি অজানা বিষয় নিয়ে।

এন্ড্রোয়েড গুগলের প্রোডাক্ট ছিল না

আমরা হয়তো এটা জানি এন্ড্রোয়েডের প্রোডাক্ট, কিন্তু আমরা এটা জানি না এন্ড্রোয়েড প্রথমে গুগলের প্রোডাক্ট ছিল না। Android Inc নামে একটি কোম্পানি এন্ড্রোয়েড অপারেটিং সিস্টেম ডেভেলপ করে। যার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন Andy Rubin, Rich Miner, Chris White ও Nick Sears । ২০০৪ সালে ৫০ মিলিয়ন ডলার দিয়ে গুগল এটাকে কিনে নেয়, বাকি টা আপনি আমি সবাই জানি।

প্রথম এন্ড্রোয়েড ফোন

আপনি কি জানেন প্রথম এন্ড্রোয়েড ফোন টি কি? না, স্যামসাং বা গুগলের কোন ফোন না। এটা হচ্ছে HTC Dream ও T-Mobile G-1 । মজার ব্যাপার হচ্ছে T-Mobile G-1 ছিল স্লাইড ফোন।

এন্ড্রোয়েড নাম

আমরা জানি সকল এন্ড্রোয়েড ভার্সনের নাম চকলেট বা মিষ্টি জাতীয় কিছু দিয়ে দিয়ে হয়। কিন্তু ২ টা ভার্শন আছে যার নাম এমন না। একটি হচ্ছে Android 1.0 (Astro) আরেকটি হচ্ছে Android 1.1 (Bender)।

মাইক্রোসফট এর আয় এন্ড্রোয়েড থেকে

আপনি জানলে অবাক হবেন যে, প্রতিটি এন্ড্রোয়েড ফোন বিক্রির জন্য মাইক্রোসফট ১০-১৫ ডলার পেত। শুধু এই ভাবে ২০১৩ সালে ২ বিলিয়ন আয় করেছিল। এটা তারা পেত মাইক্রোসফট এর প্যাটান ব্যবহারের জন্য।

ডেভেলপমেন্ট

আমরা জানি এন্ড্রোয়েড একটি ওপেন সোর্স ওপারেটিং সিস্টেম। এর জন্য আপনি চাইলে নিজের জন্য এন্ড্রোয়েড ভার্সন ডেভেলপ করতে পারবেন। কিন্তু এটা বিক্রি করতে পারবেন না। শুধু মাত্র নিজের জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।

আশা করি ভাল লেগেছে, আরো অজানা ফ্যাক্ট পেতে হলে বাম পাশে লাল সাবস্ক্রাইব বাটনে ক্লিক করে নিন।

 

টেক নিউজ

অদৃশ্য কিবোর্ড দিয়ে চমক দেখালো স্যামসাং

ভাবতে পারেন আপনি কি বোর্ড দিয়ে টাইপ করছেন অথচ আপনি সেই কি বোর্ডটি দেখতেই পারছেন না ?

অদৃশ্য কিবোর্ডঃ হ্যা এটা সত্যি কথা, দীর্ঘ গবেশনার পর এটি তৈরী করছেন টেক জ়ায়েন্ট স্যামসাং। কৃত্রিম  বুদ্ধিমত্তা আর স্মার্ট ফোন এর  ফ্রন্ট ক্যামেরা ব্যবহার করে তৈরী করা  এই প্রযুক্তিটি টাইপ করার সময় মানুষের হাতকে ট্রাক করে থাকে ।  তাই এই অদৃশ্য কিবোর্ড দিয়ে বড় ধরনের লেখা খুব অল্প সময়ে টাইপ করা সম্ভব হবে।

সেলফি টাইপস প্রযুক্তির এই অদ্ভুত কী বোর্ড স্যামসার এর সি-ল্যাব এর পরিক্ষায় সফল হয়েছে, যুক্ত্রাষ্টের লাসভেগাস শহরের স্যামসাং কনজুমার ইলেক্ট্রনিক্স শো (২০-২০) এর মঞ্চে এই কী বোর্ড এর নমুনা দেখিয়েছে কম্পানিটি ।

অদৃশ্য কিবোর্ড দিয়ে চমক দেখালো স্যামসাং
অদৃশ্য কিবোর্ড দিয়ে চমক দেখালো স্যামসাং

 

অদৃশ্য এই কী বোর্ডটি নিয়ে স্যামসাং এর পরবর্তী পরি কল্পনা এখনো প্রকাশ করা হয়নি তাই স্যামসাং তার কোন মডেল এর ফোনের সাথে এই অদৃশ্য কী বোর্ড দিবে তা এখন বলা সম্ভব হচ্ছে না। তবে এই অদৃশ্য কী বোর্ড নিয়ে একটি ভিডিও ছেড়েছে স্যামসাং যা দেখে ব্যবহার কারীরা এটির ব্যবহার সম্পর্কে জানতে পারবে।

যদিও লেজার প্রজেকষনর ব্যবহার করে এমন কী বোর্ড বাজারে আরো এসেছে তবে এসব কী বোর্ড এর থেকে স্যামসাং এর এই অদৃশ্য কী বোর্ড টি সম্পূর্ন রুপে আলাদা । লেজার কী বোর্ড এর বাটন গুলো দৃশ্য মান থাকলে ও স্যামসাং এর এই চমত কার কী বোর্ড অদৃশ্য-ই থাকবে ।

অদৃশ্য কিবোর্ড

 

অ্যান্ড্রয়েড

আইফোন বেস্ট নাকি এন্ড্রোয়েড বেস্ট

আপনি যদি স্মার্টফোন ব্যবহাত করেন তবে একটা প্রশ্ন মাথায় আসবে, আইফোন ভাল নাকি এন্ড্রোয়েড ভাল? আর এই প্রশ্নের উত্তরের জন্যই আপনি এখানে এসেছেন। এখানে সম্পূর্ণ মতামতটি আমার নিজের। তাই বেশি আপনার সাথে না মিলে থাকলে বেশি প্যানিক নিবেন না। আপনার মতামত কমেন্টে জানিয়ে দিবেন।

মূলত আমার কাছে মনে হয় আইফোনের থেকে এন্ড্রোয়েড ফোন ব্যবহার করা আমাদের জন্য ভাল। কেননা আপনাকে ফোনের সাথে সাথে নিজের অবস্থানের একটা বাস্তবতায় আসা লাগবে। আমিও মেনে নিচ্ছি ফিচার ও সিকিউরিটির দিক দিয়ে আইফোন বেস্ট কিন্তু আমরা আজ এই বিষয়টা নিয়ে কথা বলবো না। কেননা এটা আমরা জানি।

আপনি যদি একজন আইফোন ইউজার হয়ে থাকেন, তবে আপনাকে বিভিন্ন ধরণের ঝামেলার সম্মুক্ষিন হতে হবে। যেমনঃ আপনি আপনার প্রয়োজনীয় অনেক এপস পাবেন না। এবার আসুন বাস্তব কথায়, আইফোন ইউরোপের কান্ট্রিতে চলে। কেননা তারা সব কিছু খোঁজে প্রিমিয়াম। কিন্তু আপনি বা আমি কি খুঁজি? ক্র্যাক!

আইফোনে আপনি ক্র্যাক সফটওয়্যার ইউজের কথা চিন্তা কইরেন না। ফ্রি ইউজ করেন বাকি গুলো কিনে ইউজ করেন। কিন্তু এন্ড্রোয়েড ব্যবহারকারীরা আরামে সব কিছু ইউজ করতে পারে। যদি কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা হয়। তবে সেটা আইফোনের তুলনাই সামান্য।

আমরা একটা গান কিনে শোনার কথা ভাবিও না, কিন্তু আইফোন ইউজার হতে গেলে এটা ভেবেই ব্যবহার করা উচিৎ। কেননা এন্ড্রোয়েডে যেমন সিম্পল ভাবে ডাটা ট্রান্সফার বা ডাউনলোড করা যায়, আইফোনে এতটা সিম্পল না মোটেও।

আর যদি আপনি দামের কথা চিন্তা করেন, তাহলে তো আইফোন হচ্ছে বড় লোকের ব্যাটির লম্বা লম্বা চুল। কিন্তু বাস্তবে আমরা কি? সেই দিক থেকে আইফোন বেস্ট নাকি এন্ড্রোয়েড?

আর আপনি যদি একজন এডভান্স লেভেলের পাবলিক হয়ে থাকেন, তাহলে এন্ড্রোয়েডকে রুট করে যা ইচ্ছে বানাতে পারবেন। কিন্তু আইফোনে এমন সম্ভব না।

আসলে পয়েন্ট দিতে গেলে হাজারো পয়েন্ট দেয়া যাবে। কিন্তু তারপরেও ইচ্ছা ও শখ বলে একটা কথা আছে। যার যেটা ভাল লাগবে তারা সেটা কিনবে।

টিপস এন্ড ট্রিকস

রিফার্বিশড ফোন কেনা কতটা সঠিক সিন্ধান্ত আপনার জন্য? আসুন আলোচনা করি

হ্যালো বন্ধুরা, আপনি কি এটিও জানতে চান যে একটি রিফার্বিশডফোন কী এবং আপনার নতুন ফোনের পরিবর্তে একটি রিফার্বিশড ফোন কেনা উচিত কারণ এটি নতুন ফোনের চেয়ে অনেক সস্তা।

আপনি এই পোস্টে এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর পাবেন, তাই আপনারা সবাই শেষ পর্যন্ত এই পোস্টটি পড়তে থাকুন।

আজ স্মার্টফোনের যুগ তবে স্মার্টফোন কেনার সময় আপনার স্মার্টনেস দেখাতে হবে। আপনি যখন ফোন কিনতে চান, প্রথমে এটি সম্পর্কে গবেষণা করুন এবং এর বৈশিষ্ট্য এবং দাম সম্পর্কে জেনে নিন। বে আপনি কি জানেন যে আপনি যদি নতুন ফোনের বাজেট নিয়ে সমস্যা থাকে, তবে আপনি কম দামে নতুন ফোনের পরিবর্তে একটি নতুন-  রিফার্বিশড ফোন কিনতে পারবেন।

হ্যাঁ, আজকের এই পোস্টে আপনাকে এর সাথে সম্পর্কিত সম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া হচ্ছে …

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

 

রিফার্বিশড ফোন কি

রিফার্বিশড ফোন
রিফার্বিশড ফোন

আপনি নিশ্চয়ই অনেক অনলাইন সাইটে দেখেছেন যে নতুন ফোনের তুলনায় খুব কম দামে একটি রিফার্বিশড ফোন বিক্রি হচ্ছে এবং লোকেরাও এটি কিনে কারণ এটি কম দামে পাওয়া যাচ্ছে। এটা স্বাভাবিক আপনি যদি কম যদি ভালো কোন ফোন পেয়ে থাকেন, তাহলে আপনি অবশ্যয় এটি কিনবেন। কিন্তু তার আগে আপনাকে বুঝতে হবে, রিফার্বিশড ফোন কি?

ধরুন আপনি আমাজন অথবা অন্য কোথাও থেকে একটি ফোন কিনলেন। কেনার পরে আপনি সেটাতে এমন কিছু সমস্যা দেখলেন যেটার জন্য আপনাকে সেটা আবার রিফান্ড করা লাগলো। এখন আপনাকে সেই ফোনের বদলে আবার নতুন কোন ফোন দিবে। আপনি কিন্তু নতুন ফোন পেয়ে গেলেন কিন্তু আপনার সেই সমস্যা হওয়া ফোনটার কি হবে?

এই ফোনটা কোম্পানী আবার ঠিক করে বাজারে ছেড়ে দিবে। যাকে আমরা রিফার্বিশড ফোন বলি। রিফার্বিশড ফোন নতুন হয়, কিন্তু অন্যর কিছু দন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আর মূলত এই কারণে রিফার্বিশড ফোনের দাম কম হয়ে থাকে।

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

আপনার কি রিফার্বিশড ফোন কেনা উচিৎ

রিফার্বিশড ফোন
রিফার্বিশড ফোন

এখন আসুন আসল কথা তে। দেখুন রিফার্বিশড ফোন কেনার আগে আপনাকে দামের ব্যাপারে জানতে হবে। ধরূন একটি ফোনের দাম ১৫০০০ টাকা এখন সেই ফোন টাই রিফার্বিশড ভার্শন পাচ্ছেন ১২০০০ টাকাতে তাহলে আপনার টাকা খরচ করে এই ফোন কেনার কোন যুক্তি আসে না। এই ফোনই যদি আপনি ৭-৮ হাজারে পেয়ে যান তবে তা কেনার চিন্তা করে দেখতে পারেন।

তবে আমার পার্সোনাল মতামত আপনার কেনা উচিৎ না। কেননা আমি নিজে কিনে ঠকেছি। একবার যদি কোন স্মার্টফোনে সমস্যা দেখা দেওয়া শুরু করে, তবে সেই ফোনে বারবার সমস্যা দেখা দেয়। যদিও এটা যে হবেই এমন না। কিন্তু কোন এক অজানা কারণে এমনটা হয়ে থাকে। তাই বলি টাকা দিয়ে যদি ফোন কিনতে হয়, তাহলে অরজিনাল ফোন কিনুন।

এর পরেও যদি কারো কেনা হয়ে যায়, তবে চেষ্টা করবেন, ভালো কোন অথরিটি থেকে কেনার।

দিনশেষে এটাই বলতে পারি আমরা, স্মার্টফোন কেনার আগে স্মার্টভাবে দেখে বুঝে কিনুন। তাহলে আপনার কষ্টের টাকা টা হয়তো নষ্ট হবে না। আপনার যদি এই আর্টিকেলটি ভাল লাগে তবে কমেন্ট করে জানাবেন। কোন কিছু জানার থাকলে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করুন। আমাদের কমুনিটি আপনাকে সাহায্য করবে। আমাদের গ্রুপের লিংক

টিপস এন্ড ট্রিকস

কিভাবে স্মার্টফোনের ব্যাটারি লাইফ বাড়াবেন? ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানোর প্রো টিপস

হ্যালো বন্ধুরা! আপনি কি আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারি নিয়েও বিরক্ত! আপনি কি আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারি বাড়াতে চান? বাস্তবে প্রায় প্রতিটি স্মার্টফোন ব্যবহারকারী ব্যাটারি ব্যাক আপ টাইম বাড়াতে চান। তবে প্রযুক্তিগতভাবে ফোনের ব্যাটারি ব্যাকআপ দ্বিগুণ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।  আমরা আমাদের ফোনের ব্যাটারির ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে পারি না। তবে আমরা যদি কিছু টিপস ফলো করি তাহলে আমাদের স্মার্টফোনের ব্যাটারী খরচ অনেক কমে যাবে। যার ফলে আপনার ব্যাটারী ব্যাক আপ আরো বেড়ে যাবে। আর্টিকেলট সম্পূর্ণ পড়ুন, আপনিও আপনার ব্যাটারীর ব্যাক আপ বাড়িয়ে নিন।

ব্যাটারি ব্যাকআপ
ব্যাটারি ব্যাকআপ

অটো লক

অটোলক সেট করুন, সব থেকে নূন্যতম সময়ের জন্য। আপনার ডিসপ্লে যত বেশি অন থাকবে তত বেশি আপনার ফোনের চার্জ ফুরোবে। তাই সব থেকে কম সময়ে অটোলক সেট করুন, এর ফলে আপনার ফোন স্লিপ মুডে দ্রুত যায় ও চার্জ কিছুটা হলেও কম খরচ হয়।

কম ব্রাইটনেস ব্যবহার

ব্রাইটনেস মোবাইল ফোনে ব্যাটারিকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে। অতএব, আমরা প্রয়োজন হিসাবে মোবাইল পর্দার উজ্জ্বলতা হ্রাস করতে পারেন। সুতরাং আরও ভাল ব্যাটারি-ব্যাকআপের জন্য আপনার মোবাইলের ব্রাইটনেস কম রাখা উচিত।

এয়ারপ্লেন মোড অন

মোবাইলে এয়ারপ্লেন মোড (ফ্লাইট মোড) ব্যবহার করে আপনি ব্যাটারি অনেকাংশে সঞ্চয় করতে পারেন। হ্যাঁ, চার্জ করার সময় আপনি বিমানের মোডটি চালু করে আপনার মোবাইলটি 5 শতাংশ দ্রুত চার্জ করতে পারেন। এগুলি ছাড়াও লো সিগন্যালের সময় এয়ারপ্লেন মোড চালু করা বেশ উপকারী হতে পারে। লো সিগন্যাল এলাকায় নেটওয়ার্ক অনুসন্ধান করার কারণে, মোবাইলের ব্যাটারি মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়।

আপনি কি ইথ্যিক্যাল হ্যাকিং শিখতে চান? আমাদের এই আর্টিকেল গুলো পড়ুনঃ

ইন্টারনেট অ্যাক্সেস

আপনি যদি আপনার ব্যাটারী ব্যাক আপ আরো বাড়াতে চান, সচেতন ভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করুন। যখন ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রয়োজন নেয়, তখন আপনি ইন্টারনেট বন্ধ রাখুন। কেননা ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় ব্যাটারী খুব বেশি ব্যবহার হয়।

[mks_button size=”large” title=”রিফার্বিশড ফোন কেনা কতটা সঠিক সিন্ধান্ত আপনার জন্য?” style=”rounded” url=”https://techills.net/%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%a1-%e0%a6%ab%e0%a7%8b%e0%a6%a8/” target=”_self” bg_color=”#1e73be” txt_color=”#FFFFFF” icon=”” icon_type=”” nofollow=”0″]

লাইভ ওয়ালপেপার ব্যবহার বন্ধ করুন

আপনি যদি লাইভ ওয়াল পেপার ব্যবহার করে থাকে। তবে আজকেই এটা ব্যবহার বন্ধ করে ফেলুন। কেননা লাইভ ওয়ালপেপার ব্যবহারে ব্যাটারী খুব বেশি খরচ হয়। সব থকে ভাল হয় আপনি যদি কালো ওয়ালপেপার ব্যবহার করেন। ব্ল্যাক ওয়ালপেপার ডিসপ্লে পিক্সেল ব্যবহার করে না বললেই চলে। তাই ব্যাটারী ব্যাক আপ বাড়াতে এই টিপস টি অনেকটা প্রো হিসাবে কাজ করে।

কম্পিউটারের ফ্রি কোর্স করুনঃ

  1. কম্পিউটার কি, এর বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার  – Types Of Computer In Bangla.
  3. কম্পিউটারের ব্যবহার – Uses Of Computer In Bangla
  4. কম্পিউটারের সুবিধা এবং অসুবিধা
  5. কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে – বাংলাতে কম্পিউটারের কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
  6. কম্পিউটারের জেনারেশন | Generations Of Computer In Bangla?
  7. কম্পিউটারের ব্যাসিক যন্ত্রাংশ
  8. কম্পিউটার সফটওয়্যার কি

2 জি সিগন্যাল সেট করুন

বর্তমানে 4 জি নেটওয়ার্ক থেকে ইন্টারনেট উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে তবে এই 4 জি নেটওয়ার্ক 2 জি নেটওয়ার্কের চেয়ে 2 গুণ বেশি ব্যাটারি ব্যবহার করে। সুতরাং আপনি যদি সত্যিই ফোনের ব্যাটারি ব্যাক আপ বাড়াতে চান তবে আপনি 4 জি / 3 জি নেটওয়ার্কের পরিবর্তে 2 জি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারেন। যদিও এখন কার সময় এটা প্রায় অসম্ভব একটা কাজ। যদিও আমি মনে করি না, ২ জি নেটওয়্যার্ক সেট করার প্রয়োজন আছে। তবে যদি আপনি মনে করেন, তবে করতে পারেন।

এছাড়াও সময় সময় অ্যাপস এবং সফ্টওয়্যার আপডেট করে ফোনের ব্যাটারি প্রভাবিত করে। কারণ সফ্টওয়্যারটি প্রতিটি নতুন আপডেটে কিছু নতুন নতুন বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়।

তাই বন্ধুরা, উপরে উল্লিখিত কয়েকটি সাধারণ টিপস অনুসরণ করে আপনি আপনার মোবাইলের ব্যাটারি অনেকাংশে সঞ্চয় করতে পারেন। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনার ভাল লেগেছে।যে কোন ধরণের হেল্পের জন্য আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। আমাদের গ্রুপের লিংক

 

Latest From:

কিভাবে আইফোন, আইপ্যাড, এবং ম্যাক এর গেম সেন্টার ডিজেবল করবেন?

কিভাবে আইফোন, আইপ্যাড, এবং ম্যাক এর গেম সেন্টার ডিজেবল করবেন? কেমন আছেন সবাই? আজ আবারও আরেকটি টিউটোরয়াল নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের কাছে । আজ আমি...
Latest From:

অ্যান্ড্রোয়েডের অজানা ৭ টি ফ্যাক্ট

আপনি যদি একজন Android ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তবে android এর কিছু মজার বিষয় আপনার জানা দরকার। Android এর এমন কিছু ফ্যাক্ট রয়েছে যা আপনি জানেন...
Latest From:

নতুন টেকনলজি ফ্লাইং কার এর আবিষ্কার

নতুন টেকনলজি ফ্লাইং কার এর আবিষ্কার ভবিষ্যতের প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি গবেষনা করা হচ্ছে পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে হাইপার লুক অথবা ইলেক্ট্রিক কার এর সাথে...
Latest From:

ফেসবুক ফ্রি এড এর আদ্যপ্রান্ত, চলুন দেখি কি আছে এর মাঝে

মহা জ্ঞ্যানী, মহা পাপী কিছু বান্দা আছে, যারা ফেসবুকে ফ্রি এড চালিয়ে নিজেকে সুপারম্যান ভেবে থাকে। যেমন আমি 😎, এই কথা শোনার পরে আপনার মনে...
Add your widget here